Tag: Tunnel Collapse

Tunnel Collapse

  • Tunnel Collapse: সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারের পর কেক কাটল এনডিআরএফ, কী উদযাপন হল?

    Tunnel Collapse: সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারের পর কেক কাটল এনডিআরএফ, কী উদযাপন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ দিনের মাথায় সুড়ঙ্গে আটকে থাকা ৪১ জন শ্রমিকের কাছে গতকাল পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। উত্তরাখণ্ডের (Uttarkashi Tunnel Collapse) সিল্কিয়ারা টানেলে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিককে মঙ্গলবার রাতে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। টানেল থেকে উদ্ধারের পর সব শ্রমিককে চিনিয়ালিসাউর কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে রাখা হয়েছিল। যেখানে সব শ্রমিকদের ডাক্তারি পরীক্ষা চালানো হয়। ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকদের নজরে থাকার পর তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারবেন।  ১৭ দিনের কঠোর পরিশ্রমের পরে সমস্ত কর্মীকে টানেল থেকে বাইরে বের করে আনতে পেরে খুশি এনডিআরএফ সহ অন্যান্য উদ্ধারকারী দলের কর্মীরা। ওই উদ্ধারকারী দলের এক সদস্যের গতকাল জন্মদিন ছিল। শ্রমিকদের নিরাপদে বের করে কেক কেটে সহকর্মীর জন্মদিনের আনন্দ ভাগ করে নিলেন তাঁরা। সেই ভিডিও সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল।

    আবেগাপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী

    গত ১২ নভেম্বর দিওয়ালির রাতে টানেলের একটি অংশ ধসে ৪১জন শ্রমিক টানেলের ভিতরেই আটকা পড়েছিলেন। এর পরে এনডিআরএফ সহ অন্যান্য উদ্ধারকারী দল তাদের বাঁচাতে কোনরকম চেষ্টা বাকি রাখেনি। এই কয়েকদিন ধরেই উদ্ধারকারী কর্মীদের সঙ্গে লাগাতার কথাবার্তা চালিয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। এমনকি তাঁবু গেড়ে তিনি সেখানেই ছিলেন। ৭ মিটার টানেল খোঁড়ার কাজ সম্পূর্ণ হতেই প্রার্থনা করতে থাকেন তিনি। টানেলের ভিতর থেকে শ্রমিকদের বাইরে আনা হলে খুশিতে ভাসেন সকলে। 

    অ্যাম্বুল্যান্সে বসেই টানেলের বাইরে বেরোন শ্রমিকরা। তাঁরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছেন। অস্থায়ী হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা অবজারভেশনে রাখা হয় তাঁদের। বুধবার সকালে ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুকে চাপিয়ে শ্রমিকদের হৃষীকেশ এমসে ভর্তি করানো হয়। দ্রুত যাতে ৪১ জনের স্বাস্থ্যের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়, সে কারণেই এই ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: ১৭ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে ৪১ জন শ্রমিক, কেমন ছিল সেই লড়াই

    Uttarkashi Tunnel Collapse: ১৭ দিন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে ৪১ জন শ্রমিক, কেমন ছিল সেই লড়াই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে মুক্তির আলো দেখলেন উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪১ জন শ্রমিক। ১৭ দিন পর, নানা বাধা বিপত্তি কাটিয়ে, সুড়ঙ্গ থেকে একে একে উদ্ধার করা হয় বাংলার ৩ শ্রমিক-সহ ৪১ জনকে। ১২ নভেম্বর দুপুরের পর থেকে ওই অন্ধকার কূপে তাঁরা কী করেছেন, কেমন ছিলেন। বেরিয়ে এসে সেই কথা জানালেন তাঁরা। তাঁদের বিপদের দিনের কথা শোনালেন চিকিৎসকরাও। উৎকণ্ঠা আর আতঙ্ক ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় আবশ্যিক জিনিস কোনওভাবে তাঁদের কাছে পৌঁছনো গিয়েছিল। শ্রমিকদের উদ্ধারে সবরকম প্রয়াস করেছে সরকারও। তাই সুড়ঙ্গ থেকে বাইরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন শ্রমিকরা।

    জিওটেক্সটাইল শিটের বান্ডিল বিছানা

    সুড়ঙ্গের বাইরে এসে শ্রমিকরা জানান, “যখন ধস নামল, তখনই বুঝতে পেরেছিলাম আমরা আটকে গিয়েছি। প্রথম ১০-১৫ ঘণ্টা আমাদের পরিস্থিতি কঠিন ছিল। কিন্তু পরে একটা পাইপের মাধ্যমে আমাদের ভাত, ডাল ও শুকনো ফল পাঠানো হয়। একটা মাইকও লাগিয়ে দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে আমরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতাম।” তাঁরা জানান, যেখানে তাঁরা আটকে পড়েছিলেন, সেখানে জিওটেক্সটাইল শিটের বান্ডিল পড়েছিল। শ্রমিকরা সেটাকেই বিছানার মতো করে বানিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন। টানেলের ভিতরে কর্মীদের খুব একটা ঠান্ডা লাগেনি। সেখানে তাপমাত্রা ২২-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল। আটকে পড়া শ্রমিকরা সুড়ঙ্গেই যোগব্যায়াম ও ব্যায়াম করছিলেন। সকাল-সন্ধ্যা টানেলের ভেতরে হেঁটছেন। যে অংশে শ্রমিকরা আটকে পড়েছিলেন, তার দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ২ কিলোমিটারের মতো। ফলে, হাঁটাচলায় অসুবিধে হয়নি।

    টানেলে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ছিল

    শ্রমিকদের উদ্ধাকাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা এক আধিকারিক জানান, তিনি বলেন, ওঁরা ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পেয়েছেন। ধ্বংসাবশেষের কারণে বিদ্যুতের সরবরাহের কোনও ক্ষতি হয়নি। নির্মাণের সময়, সুড়ঙ্গের দেওয়াল বরাবর বৈদ্যুতিক তারগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেগুলি ভাল অবস্থাতেই ছিল। ফলে অন্তত একটু আলোর ব্যবস্থা ছিল অন্ধকার সুড়ঙ্গে। সমস্ত প্রয়োজনীয় জিনিস, যেমন টুথব্রাশ, টুথপেস্ট, তোয়ালে, জামাকাপড়, অন্তর্বাস ইত্যাদি শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের মোবাইল ফোনও দেওয়া হয়েছিল। তাতে সিনেমা এবং ভিডিও গেমও ছিল।

    পাঠানো হয়েছে পর্যাপ্ত খাবার

    সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের প্রথমে তরল খাবার দেওয়া হলেও কয়েকদিন পর থেকে সলিড খাবার দেওয়া শুরু হয়। শ্রমিকদের দেখার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকরা জানান, “আমরা সকালে তাদের কাছে ডিম, চা এবং পোরিজ(ওটস, সুজি জাতীয়) পাঠাচ্ছিলাম। দুপুর ও রাতের খাবারে ডাল, ভাত, রুটি এবং সবজি খাচ্ছিলেন। তাঁদের খাওয়ার জন্য ডিসপোজেবল প্লেটও পাঠানো হচ্ছিল।” চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শ্রমিকরা যাতে পর্যাপ্ত জল খান, তা নিশ্চিত করতে বোতলের মধ্যে ভরে পাইপের মাধ্যমে ওআরএস পাউডার পাঠানো হয়েছিল। তাছাড়া চোখের ড্রপ, ভিটামিন পিল এবং অন্যান্য এনার্জি ড্রিংকও পাঠানো হয়েছে। শুকনো ফল ও বিস্কুটও শ্রমিকদের কাছে পাঠানো হয়।

    আরও পড়ুন: জীবনের ঝুঁকি, মনের জোরে সাফল্য! উত্তরকাশীতে ‘হিরো’ র‍্যাট হোল মাইনার্স

    সুড়ঙ্গ থেকে বেরনোর পর রাতেই শ্রমিকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টানেলের মুখের সামনে তৈরি মন্দিরে পুজো দেওয়া হয়। আপাতত চিনিয়ালিসৌরের হাসপাতালে রয়েছেন উদ্ধার হওয়া শ্রমিকরা। এখনও পর্যন্ত হাসপাতালে থাকাকালীন তাঁদের কোনওরকম শারীরিক সমস্যা হয়নি। সকালে তাঁদের হালকা খাবার দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে শুরু নয়া সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ

    Uttarakhand Tunnel Collapse: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে শুরু নয়া সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ন’ দিন ধরে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে (Uttarakhand Tunnel Collapse) আটকে রয়েছেন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ইতিমধ্যেই নানা পন্থা অবলম্বন করেছেন তাঁরা। তার পরেও উদ্ধার করা যায়নি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের।

    নতুন দুটি টানেল খোঁড়ার কাজ শুরু 

    সোমবার নতুন দুটি টানেল খোঁড়ার কাজ শুরু করেছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। একটি প্রধান সুড়ঙ্গের (যেখানে আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা) আড়াআড়িভাবে, অন্যটি উলম্বভাবে। উলম্বভাবে যে সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হচ্ছে, তার লক্ষ্য হল দ্রুত আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানো। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা চাইছেন, উন্নত প্রযুক্তির মেশিন দিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব আরও বেশি করে রসদ পৌঁছে দেওয়া। যেহেতু সুড়ঙ্গটি খোঁড়া হচ্ছিল পাহাড়ি এলাকায়, তাই সেখানে গর্ত খুঁড়তে সমস্যা হচ্ছে।

    উদ্বেগে পরিজনেরা

    এদিকে, দুর্ঘটনার ন’ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে (Uttarakhand Tunnel Collapse) পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে না পারায় উদ্বেগে তাঁদের পরিজনরা। উদ্ধারকাজ কেমন চলছে, তা দেখতে সুড়ঙ্গের কাছে ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। তাঁদের রাত্রিবাসের জন্য তাঁবুর ব্যবস্থা করেছে উত্তরাখণ্ড সরকার। ব্যবস্থা করা হয়েছে খাবারেরও। গত রবিবার দুপুরে উত্তরকাশীতে জাতীয় সড়কের নীচে সুড়ঙ্গ খুঁড়তে গিয়ে ধস নামে। সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন ৪১ জন শ্রমিক। তাঁদের উদ্ধার করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন এনডিআরএফ, আইটিবিপি এবং স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন।

    আরও পড়ুুন: ফের মুখ পুড়ল রাজ্যের! শুভেন্দুকে বাঁকুড়ায় সভার অনুমতি আদালতের

    তার পরেও উদ্ধার করা যায়নি আটকে পড়া শ্রমিকদের। দিন দুই আগে ইন্দোর থেকে আনা হয়েছে নতুন মেশিন। তার পরেও শ্রমিকদের ধারে কাছে পৌঁছানো যায়নি। সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের জন্য ফাঁকা জায়গা রয়েছে ৪০ মিটার। পাইপের সাহায্যে তাঁদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাবার সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় রসদ। আটকে পড়া শ্রমিকরা যাতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে না পড়েন, তাই নিয়মিত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন মনোবিদরা। তাঁদের উদ্ধারে নিয়ে আসা হয়েছে নরওয়ে থেকে বিশেষজ্ঞদেরও। প্রযুক্তির পাশাপাশি চলছে দেব আরাধনাও। সুড়ঙ্গের (Uttarakhand Tunnel Collapse) মুখে শুরু হয়েছে পুজো-আচ্চাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে ধসের (Uttarkashi Tunnel Collapse) পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। এখনও উদ্ধার করা যায়নি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪০ জন শ্রমিককে। বাইরে থেকে অক্সিজেন এবং খাবার সরবরাহ করা হলেও, ক্রমেই মনে-প্রাণে ধ্বস্ত হয়ে পড়ছেন আটকে থাকা শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন এ রাজ্যের তিনজনও।

    উত্তরকাশীতে পিএমও-র দল

    উদ্ধারকার্য খতিয়ে দেখতে পিএমও-র একটি দল গিয়েছে উত্তরকাশীতে। জানা গিয়েছে, উদ্ধারকারী দল শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের ২৪ মিটার অবধি যেতে পেরেছে। যদিও সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে যেতে হবে ৬০ মিটার। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পাঁচ নম্বর পাইপটি ঢোকানো হচ্ছে সুড়ঙ্গ পথে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার এবং জল সরবরাহ করা হচ্ছে। চলছে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিংও। তাঁরা সাইকোলজিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথাও বলছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।

    ইন্দোর থেকে আসছে নয়া মেশিন

    জানা গিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse) উদ্ধার করতে এতদিন যেসব মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলির পাশাপাশি নতুন মেশিন আনা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে মেশিন কাজ করছে, সেটি ডিজেল চালিত মেশিন। মেশিনটি এনক্লোজড এলাকায় কাজ করছে। তাই ভেন্টিলেশনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে মেশিনটি। মেশিনটি চলাকালীন ব্যাপক কম্পনও হচ্ছে। সমস্যা মেটাতে ইন্দোর থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে অগার মেশিন। উদ্ধারকার্যে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই এই ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেয়নি মমতা সরকার! অভিযোগ শুনতে কল-সেন্টার চালু করছে বিজেপি?

    উদ্ধারকার্য ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন সংস্থার ৬৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এবং ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ। উদ্ধারকার্যে শামিল হয়েছেন থাইল্যান্ড ও নরওয়ের উদ্ধারকারী দলের বিশেষজ্ঞরাও। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানান, জায়েন্ট ড্রিল মেশিনের সাহায্যে সুড়ঙ্গে ৮০০-৯০০ মিলিমিটার ডায়ামিটারের পাইপ ঢোকানো হচ্ছে। এভাবেই তৈরি করা হবে জায়গা। তার পরেই উদ্ধার করা সম্ভব হবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse)। এদিকে, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পুজো-আচ্চা শুরু হয়েছে সুড়ঙ্গের মুখে। প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে জাতীয় সড়কের ওপর সুড়ঙ্গ তৈরি করতে গিয়ে ধস নামে। আটকে পড়েন শ্রমিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share