Tag: Twitter

Twitter

  • Twitter: ২৮০ থেকে বেড়ে ৪২০ হচ্ছে ট্যুইট ক্যারেক্টারের সংখ্যা! কী বলছেন ইলন মাস্ক?

    Twitter: ২৮০ থেকে বেড়ে ৪২০ হচ্ছে ট্যুইট ক্যারেক্টারের সংখ্যা! কী বলছেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার কি বাড়তে চলেছে ট্যুইটারের (Twitter) ক্যারেক্টার সংখ্যা? জল্পনা চলছিলই। এবার তাতে নতুন ইন্ধন জোগালেন সংস্থার বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক (Elon Musk)।

    একেবারে প্রথমদিকে, ট্যুইট করার ক্ষেত্রে ১৪০টি ক্যারেক্টারের ঊর্ধ্বসীমা ছিল। তারপর, ২০১৮ সালে এই ক্যারেক্টার সংখ্যা বাড়িয়ে ২৮০ করা হয়েছিল। এবার ফের এই সংখ্যা বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। যদিও এ ব্যাপারে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি ট্যুইটার (Twitter) কর্তৃপক্ষের তরফে। 

    অক্টোবর মাসের শেষদিকে ট্যুইটারের (Twitter) দায়িত্ব নিয়েছেন ইলন মাস্ক। একের পর এক কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তে খবরের শিরোনামে থেকেছেন বারবার। তাঁর আমলে একাধিক পরিবর্তনও দেখা গিয়েছে এই মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্মে। ট্যুইট করার ক্ষেত্রে এবার ক্যারেক্টার সংখ্যা বাড়ানোর ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে তাঁর সংস্থা, এমন ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন ইলন মাস্ক।

    শোনা যাচ্ছে, ট্যুইটারের নতুন ভার্সানের (Twitter Features) ক্ষেত্রে ক্যারেক্টার সংখ্যা ২৮০ থেকে বেড়ে ৪২০ হতে পারে। হয়তো, এক সপ্তাহের মধ্যেই এই পরিবর্তন হতে পারে। যদিও নিশ্চিত ভাবে এখনও কিছু জানা যায়নি। এরসঙ্গে এও জানা যাচ্ছে যে, ট্যুইটারে (Twitter) যেসব অ্যাকাউন্ট আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সেগুলোর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপ স্টেটাসে দেওয়া যাবে ‘ভয়েস নোট’! কবে আসবে এই নয়া ফিচার?

    এক ট্যুইটারাটির প্রস্তাব 

    এর আগেও ট্যুইটারের একাধিক নিয়মকানুনে পরিবর্তন এনেছেন ইলন মাস্ক। স্পষ্ট ভাবে তিনি এও জানিয়েছেন যে, নতুন নিয়ম নীতি না মানলে ইউজারকে ট্যুইটার (Twitter) থেকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। সম্প্রতি, এক ট্যুইটারাটি বা ব্যবহারকারী মাস্ককে প্রস্তাব দিয়েছেন যে ট্যুইট করার ক্ষেত্রে ক্যারেক্টার সংখ্যা ২৮০ থেকে বাড়িয়ে ৪২০ করা হোক। সেই ট্যুইটের জবাবে ইলন মাস্ক বলেছেন ভাল আইডিয়া। এর থেকেই অনুমান করা হয়েছে যে ট্যুইট করার ক্যারেক্টার সংখ্যা হয়তো এবার বাড়তে চলেছে সংস্থা।

    বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে যে নতুন ফিচার (Twitter Features) চালু করার আগে হয়তো ট্যুইটারে একটি পোল চালু করতে পারেন ইলন মাস্ক। অর্থাৎ ইউজারদের কাছেই জানতে চাওয়া হবে যে ক্যারেক্টার বাড়ানো উচিত কিনা, আর বাড়ালেও কত সংখ্যা করা উচিত। তারপর ভোটের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ট্যুইটারে (Twitter) এভাবে ভোটের মাধ্যমেই ‘এডিট’ অপশনও চালু হয়েছিল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Twitter Layoffs: অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ৪৪০০ ‘চুক্তিভিত্তিক কর্মী’ বরখাস্ত করল ট্যুইটার

    Twitter Layoffs: অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ৪৪০০ ‘চুক্তিভিত্তিক কর্মী’ বরখাস্ত করল ট্যুইটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেসলার মালিক ইলন মাস্ক (Elon Musk) ট্যুইটার কেনার পর থেকেই শুরু করেছে গণছাঁটাই (Twitter Layoffs)। ক্ষমতা হাতে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে একের পর এক কর্মী ছাঁটাই। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩,৭০০ জন কর্মী অর্থাৎ সংস্থার প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে। আর এই কর্মী ছাঁটাইয়ের আঁচ এসে পড়ল চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপরেও। কারণ সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সংস্থার স্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই করার পর এবারে প্রায় ৪,৪০০ অস্থায়ী বা চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। ফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন ট্যুইটারের অস্থায়ী কর্মীরা।

    চুক্তিভিত্তিক কর্মী ছাঁটাই

    রিপোর্ট অনুযায়ী, মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এবার চুক্তিতে থাকা কর্মচারীদের ছাঁটাই করেছে (Twitter Layoffs)। এই প্রসঙ্গে ট্যুইট করেছেন প্ল্যাটফর্মারের কেসি নিউটন। তিনি লিখেছেন, ‘অস্থায়ী কর্মীদের নোটিশও দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র ই-মেল পাঠিয়ে ৫৫০০ জনের মধ্যে ৪৪০০ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ম্যানেজাররাও বিষয়টা জানতেন না। সিস্টেমে কর্মীদের না পেয়ে তাঁরা ছাঁটাইয়ের ব্যাপারটা বুঝতে পারেন’। অন্যদিকে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাও আচমকা বুঝতে পারেন, ট্যুইটারের সিস্টেমে অ্যাক্সেস নেই তাঁদের। এরপর জানতে পারেন, তাঁরা আর কোম্পানির হয়ে কাজ করবেন না।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটার দেউলিয়ার পথে! নয়া আশঙ্কার মাঝে ‘সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা’ কাজের আদেশ ইলনের

    সম্প্রতি ৪৪ বিলিয়ন ডলারে ট্যুইটার কেনেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। কোম্পানির সিইও পরাগ আগরওয়াল সহ আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন তিনি (Twitter Layoffs)। ট্যুইটার অধিগ্রহণ করতেই প্রথমে সরিয়ে ফেলা হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্যুইটারের শীর্ষ কর্তাদের, আর তারপর ভারতে কর্মীদেরও সরিয়ে ফেলা হয়েছে (Twitter Layoffs)। গণছাঁটাইয়ের মাঝেই সংস্থার কর্মীদরে উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছেন মাস্ক। তিনি জানিয়েছেন, কর্মীদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে, বিনামূল্যে খাবার দেওয়া আর হবে না। এমনকি কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমও সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন ট্যুইটার কর্তা। আবার এসবের মধ্যেই ইলন নিজেই ট্যুইটার দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাই এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সংস্থার কর্মীদের আরও বেশি করে কাজ করারও নির্দেশ দিয়েছেন।

    এত কর্মী ছাঁটাইয়ের পর ইলন মাস্ককে এর আগেই সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আর এবারে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ছাঁটাইয়ের কথা ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে (Twitter Layoffs)। পরবর্তীতে আর কী কী করতে চলেছেন ইলন মাস্ক, সেটাই এখন দেখার।

  • Elon Musk: ট্যুইটার দেউলিয়ার পথে! নয়া আশঙ্কার মাঝে ‘সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা’ কাজের আদেশ ইলনের

    Elon Musk: ট্যুইটার দেউলিয়ার পথে! নয়া আশঙ্কার মাঝে ‘সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা’ কাজের আদেশ ইলনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারে ফের নতুন সংকট! ৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়ে ট্যুইটার কেনার পর থেকেই একের পর এক নয়া সিদ্ধান্তের ঘোষণা করছে ইলন মাস্ক (Elon Musk)। আর এসব সিদ্ধান্তের জেরে একাধিক সমালোচনার সম্মুখীনও হতে হয়েছে টেসলা কর্তা-কে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে আরও অর্থ জেনারেট করতে না পারলে দেউলিয়া হতে পারে কোম্পানি, বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক। ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহে ট্যুইটারের দায়িত্ব নিতেই অর্ধেক কর্মী ছাঁটাই করে ফেলেছেন তিনি। এবার ফের তিনি এই আশঙ্কার কথা প্রকাশ করে কর্মীদের জন্য আরও একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইলন (Elon Musk)।

    ঋণের বোঝা ট্যুইটারের উপর

    আবার ট্যুইটারের গণছাঁটাইয়ের পরিস্থিতি দেখে অনেক ট্যুইটারের দুই উচ্চপদস্থ কর্তা স্বেচ্ছায় ট্যুইটার থেকে পদত্যাগ করেছেন। যার মধ্যে আছেন এক্সিকিউটিভ ইয়োয়েল রোথ, রবিন হুইলার। কিন্তু মাস্ক তাঁকে কোম্পানিতে কাজ করার জন্য পরে রাজি করেছেন। মাস্কের (Elon Musk) কোম্পানিকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছেন, যা এখন সাতটি ওয়াল স্ট্রিট ব্যাংকের হাতে রয়েছে। কোম্পানির প্রতি আস্থা এতটাই কমে গেছে যে, ব্লুমবার্গ নিউজ জানিয়েছে যে, মাস্কের দেউলিয়া হওয়ার মন্তব্যের আগেও কিছু তহবিল ডলারে ৬০ সেন্টের মতো ঋণ কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল। সাধারণত এই অফারটি আর্থিক সংকটে বলে মনে করা কোম্পানিগুলির জন্য তৈরি করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ট্যুইটার

    কর্মীদের উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা

    এরপরেই মাস্ক (Elon Musk) তাঁর বক্তব্যে এই কোম্পানির দেউলিয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ও বেশ কিছু সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কর্মীদের সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে, বিনামূল্যে খাবার দেওয়া আর হবে না এবং বাড়ি থেকে কাজ করার প্রক্রিয়াটি বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ যেসকল কর্মীরা বাড়ি থেকে কাজ (work from home) করার সুযোগ পেতেন, তাঁদেরকেও অফিসে আসতে হবে। কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম সম্পূর্ণভাবে তুলে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন ইলন। আবার কর্মীদের রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে ইলন মেলে লিখেছেন, “আপনারা যদি অফিসে ফিরে আসতে না চান, তবে আপনাদের ইস্তফাপত্র আমি গ্রহণ করছি।”

    এরপর ইলন (Elon Musk) আরও জানিয়েছেন, কোম্পানির প্রয়োজনের ভিত্তিতে ট্যুইটার ব্লু-টিকের পরিষেবা দ্রুত শুরু করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আরও অর্থ উপার্জন করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন ট্যুইটার-কর্তা। ফলে কীভাবে কোম্পানির এই পরিস্থিতির মধ্যে ইলন মাস্ক ফের ট্যুইটারকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেন, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষায়।

  • Twitter Layoffs: নোটিশ-ইমেল নয়, ট্যুইট করেই ছাঁটাই কর্মী, কেন এমন করলেন ইলন মাস্ক?

    Twitter Layoffs: নোটিশ-ইমেল নয়, ট্যুইট করেই ছাঁটাই কর্মী, কেন এমন করলেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণছাঁটাই, নোটিশ না দিয়ে চুক্তিভিত্তিক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ট্যুইট করেই আরও এক কর্মীকে ছাঁটাই করলেন নয়া কর্তা ইলন মাস্ক (Twitter Layoffs)। ট্যুইটার কেনার পর থেকেই নিজের ইচ্ছে মত কর্মীদের ছাঁটাই করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ট্যুইটার তাঁর অধীনে আসার পরেই কখনও সংস্থার প্রায় অর্ধেক কর্মী বরখাস্ত করেছেন, কখনও আবার অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই করেছেন, কখনও আবার সপ্তাহে ৮০ ঘণ্টা কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর এরপরেই নোটিশ-মেল তো দূর, মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্মেই কর্মী ছাঁটাই করলেন। তবে কেন এই পদক্ষেপ?

    নোটিশ-ইমেল ছাড়া শুধুমাত্র ট্যুইট করেই কর্মী ছাঁটাই!

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ট্যুইটারের এক কর্মী এই প্ল্যাটফর্মেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন সংস্থার মালিক ইলনের সঙ্গে (Twitter Layoffs)। আর যার জেরে খোয়াতে হয় চাকরি। সম্প্রতি, একাধিক দেশে মাইক্রোব্লগিং সাইটের গতি অত্যন্ত ধীর হওয়ার কারণে একাধিক অভিযোগ উঠে আসছিল, আর যার জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন ইলন মাস্ক। তিনি ট্যুইট করে লেখেন, “একাধিক দেশে ট্যুইটারের পরিষেবা অত্যন্ত ধীর হওয়ায় ক্ষমা চাইছি।”

    আর এরপরেই এর উত্তরে ট্যুইটারের অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার এরিক ফ্রনহোফার ট্যুইট করে জানান যে, তিনি ৬ বছর ধরে কাজ করছেন এই সংস্থায় ও যেটি হচ্ছে সেটি ভুল। এরপরেই আবার ইলন পাল্টা প্রশ্ন করেন, “তাহলে দয়া করে আমাকে সংশোধন করুন। সঠিক সংখ্যাটি কী?” এবং এটাও জিজ্ঞেস করেছেন, “অ্যানড্রয়েডে-এ ট্যুইটার খুবই স্লো। এটা ঠিক করার জন্য আপনি কি করেছেন?” আর এইভাবেই দুজনে সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মেই বাক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। মাস্কের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন করার জেরেই এরিককে বরখাস্ত করল ট্যুইটার মালিক (Twitter Layoffs)।

    আরও পড়ুন: অর্ধেক কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এবারে ৪৪০০ ‘চুক্তিভিত্তিক কর্মী’ বরখাস্ত করল ট্যুইটার

    এই বিতর্কের মাঝে এক ইউজার বলেন যে, এরিক যেটা করেছেন সেটা ভুল করেছেন, যা সমস্যা রয়েছে তা ব্যক্তিগতভাবে মেল করে মাস্ককে বলা উচিত ছিল। আবার অন্য এক ইউজার মাস্ককে ট্যুইটারে জিজ্ঞেস করেন যে, এমন ধরণের কর্মীকে কি রাখতে চান তাঁর সংস্থায়? আর এরপরেই ইলনের তরফে এক ট্যুইট আসে, যেখানে লেখা আছে, এরিককে সংস্থা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অন্যদিকে এরিকও বিষয়টি নিশ্চিত করলেন, যখন তিনি দেখতে পেলেন যে, ট্যুইটে তার অ্যাকাউন্ট লক করা। আর সেই ছবিও তিনি ট্যুইটারে শেয়ার করেছেন (Twitter Layoffs)।

    ট্যুইটারের এই পরিস্থিতিতে (Twitter Layoffs) এক নতুন পরিষেবা, ট্যুইটার ব্লু টিক শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মাসিক ৮ ডলারের বিনিময়ে অ্যাকাউন্ট অথেনটিকেশন বা ব্লু টিক মিলবে বলেই জানিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। তবে কবে থেকে এই পরিষেবা ফের চালু হবে, সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

  • Twitter Layoffs: ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ট্যুইটার

    Twitter Layoffs: ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ট্যুইটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেসলার মালিক ইলন মাস্ক ট্যুইটার কেনার পর থেকেই শুরু করেছে গণছাঁটাই (Twitter Layoffs)। ক্ষমতা হাতে আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে একের পর এক কর্মী ছাঁটাই। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩,৭০০ জন কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে। আর এবারে এই কর্মী ছাঁটাইয়ের আঁচ এসে পড়ল ভারতেও। কারণ একটি রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, ভারতে কর্মরত কর্মচারীদের মধ্যে ৯০ শতাংশকে সরিয়ে ফেলেছে ইলন মাস্কের নিয়ন্ত্রণাধীন ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। কর্মী ছাঁটাই-এর প্রভাব ভারতে পড়ায় পুরো দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ব বিখ্যাত সংস্থা ব্লুমবার্গের (Bloomberg) তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে যে, ট্যুইটারে প্রায় ২০০ কর্মী ভারতে কাজ করছিলেন, যার মধ্যে ৯০ শতাংশ কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Twitter Layoffs)। এই ছাঁটাইয়ের পরে, ভারতে মাত্র কিছু কর্মচারীই অবশিষ্ট রয়েছে। ভারতে ট্যুইটার যে কর্মচারীদের বরখাস্ত করেছে তাঁদের প্রায় ৭০ শতাংশ প্রোডাক্ট ও বাকিরা ইঞ্জিনিয়ারিং টিমে ছিলেন। এছাড়াও মার্কেটিং, পাবলিক পলিসি ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন টিম থেকেও অনেককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    সম্প্রতি ৪৪ বিলিয়ন ডলারে ট্যুইটার কেনেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। কোম্পানির সিইও পরাগ আগরওয়াল সহ আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন তিনি (Twitter Layoffs)। এদের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতও ছিলেন। ট্যুইটার অধিগ্রহণ করতেই প্রথমে সরিয়ে ফেলা হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত ট্যুইটারের শীর্ষ কর্তাদের, আর এবারে ভারতে কর্মীদের সরিয়ে ফেলা হল।

    কোম্পানি কেনার আগে থেকেই গুঞ্জন রটেছিল যে, ইলন ট্যুইটারে কর্মরত প্রায় অর্ধেক কর্মীদের ছাঁটাই করবে (Twitter Layoffs)। আর এটাই এখন সত্যি হল। ক্ষমতা পেতেই বিশ্বব্যাপী কর্মীদের ছাঁটাই করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিলেন ট্যুইটারের নতুন মালিক। এমনকি যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাদের ইমেলের মাধ্যমেই জানিয়ে দেওয়া হয়। আবার কিছু কর্মীদের অফিসে ফিরে আসার ইমেলও পাঠানো হয়েছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভুলবশত কিছু কর্মীদের সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। ফলে এই কর্মী ছাঁটাই নিয়ে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছিল, কোম্পানি চালাতে ঠিক কত কর্মীর প্রয়োজন, সে বিষয়ে হিসেব করেই বিশ্বব্যাপী কর্মী সংখ্যা কমানোর কঠিন প্রক্রিয়াকে বেছে নিয়েছে তারা।

  • Twitter: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু ছাঁটাই কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    Twitter: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু ছাঁটাই কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের (Twitter) দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক কাণ্ড ঘটেই চলেছে। প্রথমেই ট্যুইটারের শীর্ষ কর্তাদের ছাঁটাই করা হয়েছে। সেই তালিকায় ছিল সংস্থার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও পরাগ আগরওয়াল। আর এরপরেই শুরু হয়েছে গণছাঁটাই। গত শুক্রবারই প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে ঘটে গেল আরেকটি ঘটনা। ছাঁটাই করা কর্মীদের মধ্যে কিছু জনকে ফিরে আসার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যাদের ফের চাকরিতে ফিরে আসার জন্য বাছাই করা হয়েছে, তাঁদের ইমেল পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    প্রসঙ্গত, ইলন মাস্কের কর্মী ছাঁটাই নিয়ে ট্যুইট করেছিলেন ট্যুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। তিনি ট্যুইটারের (Twitter) এমন পরিস্থিতির জন্য কর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, কাজ করা সমস্ত লোকই খুবই প্রতিভাবান। যতই কঠিন সময়ের মধ্যে তাঁরা যাক না কেন ঠিক একটা রাস্তা তাঁরা খুঁজে নেবেন। তবে তিনি মনে করেন বহু মানুষ তাঁর উপর ক্ষুব্ধ, তাঁর কারণেই প্রত্যেকে এমন অবস্থার মধ্যে পড়েছে। এর জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি ক্ষমাপ্রার্থী। ফলে এমন ট্যুইট দেখেই ইলনের বোধদয় হয়েছে কিনা তা নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, কিছু কর্মীকে ভুলবশত ছাঁটাই করা হয়েছিল। তাঁদেরকেই আবার ফিরে আসতে বলা হচ্ছে। এছাড়া, যাঁদের ফিরে আসতে বলা হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে এমন কেউ কেউ রয়েছেন, যাঁদের কর্মদক্ষতা ভাল ভাবে যাচাই করা হয়নি। এছাড়াও কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া খুব তাড়াহুড়োতে হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    আবার ছাঁটাইয়ের পর শুক্রবার মাস্ক ট্যুইট করে বলেন, সংস্থার কাছে দ্বিতীয় কোনও বিকল্প নেই। এতে প্রত্যেক দিন ৪০ লাখ ডলার ক্ষতি হচ্ছে। চাকরিচ্যুত কর্মীদের তিন মাসের প্যাকেজ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে, যা প্রয়োজনের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি বলে দাবি করেন ট্যুইটারের (Twitter) নয়া মালিক।

    সত্যিই কোনও ভুলবশত কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছিল, নাকি ইলন তাঁর সিদ্ধান্তে অনুতপ্ত হয়ে এমন করেছে নাকি জ্যাকের ট্যুইটের ফলে এমন সিদ্বান্ত, পুরো বিষয়টি নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

  • Twitter: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে  H1B ভিসাধারীদের

    Twitter: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক (Elon Musk) ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে মাইক্রো ব্লগিং সাইট সংস্থা ট্যুইটার। প্রায় ৫০% কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইলন মাস্ক। ইতিমধ্যেই অপসারণের চিঠি পেয়ে গিয়েছেন অনেক কর্মী। বাকিরাও ‘এই চিঠি এল, এই চিঠি এল’ এই ভয়ে মরে যাচ্ছেন। কিন্তু সবচেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন H1B ভিসাধারীরা। কারণ তাঁদের চাকরি গেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসবে। কারণ চাকরি চলে যাওয়ার পর এই ভিসাধারীদের ৬০ দিনের সময় দেওয়া হয়। এর মধ্যে চাকরি না পেলে সে দেশ ছাড়তে বাধ্য হবেন তাঁরা। 

    ট্যুইটারের ৭,৫০০ কর্মীর মধ্যে ৮%- ই H1B ভিসা নিয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ ৬২৫-৬৭০ জন কর্মী। তথ্যপ্রযুক্তিতে পারদর্শিকতা আছে এমন বিদেশি নাগরিকরা H1B ভিসা নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেই দেশে থাকতে পারেন এবং চাকরি করতে পারেন। এই ভিসা মূলত যে কোম্পানিতে সেই ব্যক্তি চাকরি করছেন, সেই কোম্পানিই স্পনসর করে থাকে। মজার বিষয় হল, বহু বছর আগে ইলন মাস্কও একদিন এই ভিসা নিয়ে মার্কিন মুলুকে চাকরি করতে এসেছিলেন।

    এখনও যদিও জানা যায়নি যে, কতজন বিদেশি নাগরিককে চাকরি থেকে অপসারণ করা হবে। এই বিশেষ ভিসায় চাকরি যাওয়ার পর সেই দেশে থাকার বাড়তি ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে কোনও একটা চাকরি পেতে হবে, যাতে তিনি আবার সেই ভিসার স্পনসরশিপ পান, বা ৬০ দিন পরে সেই দেশ ছেড়ে দিতে হবে। 

    সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটার (Twitter) কিনেছেন ইলন মাস্ক (Elon Mask)। ট্যুইটার নিজের দায়িত্বে আসার পর থেকেই একের পর এক বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টেসলা কর্ণধার। এবার কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী এই ব্যক্তি। কোম্পানি চালাতে ঠিক কত কর্মীর প্রয়োজন, সে বিষয়ে চলছে হিসেব নিকেষ। একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইলন মাস্ক প্রায় ৩,৭০০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছেন। সেই সঙ্গে ট্যুইটারের কর্মীদের যে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পলিসি চলছিল, তাও এবার শেষ হতে চলেছে।  ট্য়ুইটারে যাঁরা চাকরি করেন তাঁদের এবার অফিসে এসে কাজ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের দুর্নীতির সেই ট্র্যাডিশন, অপসারিত রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ভাইস চেয়্যারম্যান
     
    শুধু তাই নয়। সংস্থার অর্থনীতির হাল ফেরাতে এবার কর্মীদের বেতন কমানোর রাস্তাতেও হাঁটতে পারেন ট্যুইটারের নয়া মালিক। বিশেষ করে সেলস, প্রোডাক্ট, ইঞ্জিনিয়ারিং, লিগাল, ট্রাস্ট এবং সেফটি, এই দফতরগুলি থেকে একাধিক কর্মীর বেতন কমানো হচ্ছে বলে খবর। সেখানকার বোর্ড অফ ডিরেক্টরটেও খুব শীগগির পরিবর্তন আনা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    Facebook: ট্যুইটারের পথে মেটা! বড় কর্মী-ছাঁটাইয়ের পথে মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারের পর এবার ফেসবুক। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের  (Wall Street Journal) প্রতিবেদন অনুযায়ী,  খুব তাড়াতাড়ি তারা সংস্থার বহু কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারে ফেসবুকের মালিক সংস্থা মেটা। ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বুধবার থেকেই। সংস্থার তরফে এ সপ্তাহের শুরুতে কর্মীদের কোথাও অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণে যেতে বারণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ট্যুইটার (Twitter) থেকে কর্মী ছাঁটাই করেছেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। একই পথে হাঁটতে চলেছে ফেসবুকের (Facebook) প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গও (Mark Zuckerberg)।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভুল হয়েছে, ফিরে আসুন…’’! বহু সদ্যপ্রাক্তন কর্মীকে পুনরায় কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন ট্যুইটারের

    অক্টোবর মাসে মেটার তরফে  বলা হয়েছিল, আগামী বছর স্টক মার্কেট ভ্যালু ৬৭ বিলিয়ন ডলার কমে যেতে পারে। এ বছর ইতিমধ্যেই এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্ধেক ভ্যালু নষ্ট হয়েছে। এই দুর্দশার কারণ দুনিয়াজুড়ে অর্থনীতি মন্থর হয়ে পড়ছে।  জুনে, মেটার প্রধান পণ্য কর্মকর্তা ক্রিস কক্স কর্মীদের ‘গুরুতর সময়ের’ বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জানান যে কর্মীদেরকে অবশ্যই ‘ধীরগতির বৃদ্ধির পরিবেশে নির্ভুলভাবে কর্মসম্পাদনা করতে হবে’। মেটার সিইও মার্ক জুকারবার্গ একই সময়ে কর্মীদের উপর চাপ বৃদ্ধি করতে শুরু করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে ‘সম্ভবত কোম্পানিতে এমন এক গুচ্ছ লোক রয়েছেন যাদের এখানে থাকা উচিত নয়’। জুকারবার্গ পরবর্তীতে সেপ্টেম্বরে নিয়োগ স্থগিত করে এবং সতর্ক করে দেন যে অদূর ভবিষ্যতে কোম্পানির আকার কমতে পারে। 

    আরও পড়ুন: কর্মী ছাঁটাই শুরু করেছে ট্যুইটার, ভয় বাড়ছে H1B ভিসাধারীদের

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরিতে নিয়োগ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছিল মেটা। বর্তমানে  ৮৭,০০০ এরও বেশি কর্মচারী রয়েছে মেটায়। কিন্তু এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হলে কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এই ছাঁটাই ট্যুইটারে ব্যাপক ছাঁটাইয়ের তুলনায় মেটাকে আরও বেশি প্রভাবিত করতে পারে। ট্যুইটারের ছাঁটাই কোম্পানির ৭,৫০০ কর্মচারীর মধ্যে প্রায় অর্ধেককে প্রভাবিত করেছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Twitter Layoffs: ‘‘অফিসের পথে? বাড়ি ফিরে যান…’’, কর্মীদের বার্তা মাস্কের, আজ থেকেই ছাঁটাই ট্যুইটারে?

    Twitter Layoffs: ‘‘অফিসের পথে? বাড়ি ফিরে যান…’’, কর্মীদের বার্তা মাস্কের, আজ থেকেই ছাঁটাই ট্যুইটারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকেই কর্মী ছাঁটাই শুরু ট্যুইটারে (Twitter Layoffs)। এমনকি কর্মীরা অফিসে যাওয়ার পথেই চাকরি চলে যাওয়ার ইমেল পেতে পারেন। এমনটাই জানা গিয়েছে।  ইলন মাস্ক ট্যুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একে একে ছাঁটাই করেছেন শীর্ষ কর্তাদের। সিইও পরাগ আগরওয়াল-সহ ৪ শীর্ষকর্তার পর এবার কাদের চাকরি থেকে ছাঁটাই করবেন ইলন মাস্ক, তা আজই জানা যাবে। শুক্রবার থেকেই কর্মীরা তাঁদের ইমেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন যে, তাদের চাকরি আছে কি নেই। শুক্রবার সকাল ৯টা অর্থাৎ ভারতীয় সময় অনুযায়ী রাত সাড়ে ৯টা থেকে এই ছাঁটাই-প্রক্রিয়া শুরু করবেন ট্যুইটারের নয়া মালিক ইলন মাস্ক।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ট্যুইটার কর্মীদের ইমেল করে বলা হয়েছে (Twitter Layoffs), ‘‘আপনি যদি অফিসে থাকেন বা অফিসের পথে, তবে দয়া করে বাড়ি ফিরে যান।’’ শুক্রবার থেকে ট্যুইটারে যে কর্মী ছাঁটাই শুরু হবে, তা ওই ইমেলে তাঁদের জানানো হয়েছে। ওই ইমেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘‘ট্যুইটারকে ঠিক পথে নিয়ে যেতেই এই প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। সে জন্য শুক্রবার থেকে বিশ্ব জুড়ে কর্মীসংখ্যা কমানোর কঠিন পথে যেতে হবে আমাদের।’’

    আরও পড়ুন: ইলন মাস্ক দায়িত্ব নিতেই ট্যুইটার ডাউন! কর্মী ছাঁটাইয়ের সঙ্গে যোগসূত্র নিয়ে শুরু জল্পনা

    এদিন আরও জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে যাঁদের ছাঁটাই করা হবে, তাঁদের প্রথমে মেল করা হবে। তারপর কী করতে হবে, সে বিষয়ে ক্রমাগত নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানানো হয় ট্যুইটারের তরফে। আবার বলা হয়েছে, কোনও কর্মী যদি স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টার মধ্যে কোনও মেল না পান, তাঁদের পাল্টা মেল পাঠাতে বলেছেন। তবে ট্যুইটার অধিগ্রহণ করার আগে থেকেই কর্মী ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। আর এখন সেটাই হতে চলেছে। ট্যুইটারের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই একের পর এক নিয়মও বদল করছেন ইলন মাস্ক। এরই মাঝে ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টের- ব্লু টিকের জন্য মাসে প্রায় ৮ ডলারের নিদান দেওয়ার পর এবার কর্মী ছাঁটায়েই পথে হাঁটতে চলেছেন ট্যুইটারের নতুন মালিক। এছাড়াও আজই সকালে ট্যুইটার আচমকাই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারা বিশ্ব জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ট্যুইটার ডাউন হওয়ার সঙ্গে কর্মী ছাঁটাইয়ের (Twitter Layoffs) যোগসূত্র রয়েছে এমনটা অনুমান করেও জল্পনা শুরু হয়েছে।

  • IT Rules: তথ্যপ্রযুক্তি নিয়মে বড়সড় বদল আনল কেন্দ্র, জানেন কী আছে তাতে?

    IT Rules: তথ্যপ্রযুক্তি নিয়মে বড়সড় বদল আনল কেন্দ্র, জানেন কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তথ্য প্রযুক্তি নিয়মে (IT Rules)  সংশোধনী প্রকাশ করল কেন্দ্র। শুক্রবার ওই সংশোধনী প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে কমিটি গড়া হবে, যারা ফেসবুক (Facebook), ট্যুইটারের (Twitter) মতো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া (social media) প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীর (User) অভিযোগ শুনবে।  অভিযোগ খতিয়ে দেখে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কমিটি ব্যবস্থাও নেবে। তিন মাসের মধ্যে তিন সদস্যের গ্রিভান্স অ্যাপিলেট কমিটি গঠন করা হবে। ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইনফর্মেশন টেকনোলজি মন্ত্রকের তরফে জারি করা নোটিশ থেকেই এ খবর জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সরকার এই নোটিশটি জারি করেছিল ২০২১ সালেই। তবে এখন যেটি প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি ওই নোটিশেরই সংশোধনী।

    ফেসবুক, ট্যুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে বেশ কিছু নিয়ম (IT Rules) জারি রয়েছে সবদিনই। এবার সেই নিয়ম লঙ্ঘন করে যদি কোনও ইউজার সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু পোস্ট করেন, তাহলে সেই পোস্ট সরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। তবে কোনও সংস্থা যদি সেই পোস্ট সরিয়ে দিতে অস্বীকার করে, তাহলে সেই সংস্থার বিরুদ্ধে ওই প্যানেলের কাছে আবেদন করা যাবে। কমিটি যা নির্দেশ দেবে, তা মানতে হবে সোশ্যাল মিডিয়াগুলিকে।

    আরও পড়ুন: ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজত! এবার সিবিআইয়ের জেরার মুখে মানিক

    জানা গিয়েছে, ভারতের ঐক্য, অখণ্ডতা, প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব বিরোধী যে কোনও পোস্টকে সরিয়ে দিতে হবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে। অশ্লীল, অপমানজনক, জাত, বর্ণ, শিশু যৌন নির্যাতন, অন্যের গোপনীয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং হয়রানিমূলক কোনও পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় করা যাবে না। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলিকে ইউজারদের অভিযোগ শুনতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে হবে পক্ষকালের মধ্যে। বিতর্কিত ও সম্ভাব্য বিপজ্জনক কনটেন্ট সরিয়ে নিতে হবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই। যে আপিল কমিটিগুলি গড়া হবে, তারা সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলির কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য সিদ্ধান্ত পর্যালোচনাও করতে পারবে। কমিটির  তিন সদস্যের মধ্যে একজন হবেন চেয়ারপার্সন। অন্য দুজন হবেন ওই কমিটির সদস্য। তিনজনকেই নিয়োগ করবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share