Tag: Twitter

Twitter

  • Suvendu Letter to Modi: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নামবদল করছে রাজ্য! প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Letter to Modi: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নামবদল করছে রাজ্য! প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Mamata government) জারি করা নির্দেশিকায় কেন্দ্রের প্রকল্পের (central projects) নাম বদল করে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের নামে। শাসকদলের (TMC) ‘নির্দেশে’ এই কাজ করছেন খোদ জেলাশাসক (District Magistrate)। এই মর্মে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Modi) চিঠি লিখলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu)। 

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, কেন্দ্রের অন্তত ৩টি প্রকল্পের নাম রাজ্যের নামে বদল করেছেন উত্তর দিনাজপুরের (North Dinajpur) জেলাশাসক তথা কালেক্টর অরবিন্দ কুমার মীনা (Arvind Kumar Mina)। শুভেন্দুর অভিযোগ, রাজ্যের শাসক দলের নির্দেশেই এই কাজ করছেন কেন্দ্রীয় ক্যাডারের আধিকারিক। 

    প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে শুভেন্দু লেখেন, এই আমলার কাজ একজন আইএএস অফিসারের কর্তব্যের পরিপন্থী। চিঠিতে শুভেন্দু উল্লেখ করেন, কীভাবে কেন্দ্রের তিন প্রকল্প — প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা ও স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের নাম বদল করে যথাক্রমে বাংলা আবাস যোজনা, বাংলা গ্রামীণ সড়ক যোজনা ও মিশন নির্মল বাংলা রাখা হয়েছে।

    রাজ্য সরকারের যে নির্দেশিকায় এই নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, টুইটারে (Twitter) তার ছবি প্রকাশ করেন শুভেন্দু। সেখানে তিনি লেখেন, উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসকের এই নির্দেশিকা দেখে আমি বিস্মিত। কার কথায় তিনি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদল করলেন? না কি তিনি নিজের ইচ্ছেতে এই কাজ করেছেন? একজন কেন্দ্রীয় ক্যাডারের অফিসারের থেকে এটা আশা করা যায় না। 

    পরে, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠির সঙ্গেও সরকারি নির্দেশিকার একটি কপিও পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। পরে মোদিকে পাঠানো চিঠির প্রতিলিপিও সামাজিক মাধ্য়মে (social media) প্রকাশ করেন শুভেন্দু। সেখানেও তিনি জেলাশাসকের বিরুদ্ধে রাজ্যের শাসক দলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তোলেন। ওই আমলার (IAS) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। 

     

  • Twitter: ক্ষমতা হস্তান্তর হলেই পরাগকে ট্যুইটার সিইও-র পদ থেকে সরাবেন ইলন মাস্ক, দাবি

    Twitter: ক্ষমতা হস্তান্তর হলেই পরাগকে ট্যুইটার সিইও-র পদ থেকে সরাবেন ইলন মাস্ক, দাবি

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ৪৪০ কোটি মার্কিন ডলারে জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট ট্যুইটার (Twitter) কিনেছেন টেসলা এবং স্পেসএক্সের মালিক ইলন মাস্ক (Elon Musk)। বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই ট্যুইটারের বর্তমান মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক (CEO) পরাগ আগরওয়ালকে (Parag Agarwal) সরিয়ে দেওয়া হবে তাঁর পদ থেকে। এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক একটি সংবাদমাধ্যম। সেই পদে আনা হবে নতুন কাউকে।  যদিও কাকে সেই পদে আনা হবে সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।  তবে, সূত্রের খবর, পদে কাকে বসানো হবে, তা ইতিমধ্য়েই বাছাই করে ফেলেছেন টেসলা-কর্তা।

    ট্যুইটারের কর্ণধার ব্রেট ট্রেলরকে (Bret Taylor) গতমাসে মাস্ক বলেছিলেন যে, সংস্থার বর্তমান ব্যবস্থাপনার প্রতি আস্থা নেই তাঁর। ট্যুইটারের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডোরসে পদত্যাগ করায় গত নভেম্বরেই সিইও-র পদে বসেন পরাগ আগরওয়াল। ট্যুইটারের বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে তাঁকে। এক আন্তর্জাতিক রিসার্চ ফার্মের মতে, ক্ষমতা হস্তান্তরের ১২ মাসের মধ্যে পরাগকে পদচ্যুত করা হলে তিনি কোম্পানির তরফ থেকে ৪.২ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ পাবেন।   
     
    যদিও কোম্পানিতে নিজের অবস্থানের বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী পরাগ আগরওয়াল। 

    [tw]


    [/tw]

     

    [tw]


    [/tw]

    কীভাবে এই বিশাল কোম্পানির ক্ষমতা হস্তান্তর হবে, শুক্রবার একটি বৈঠকে এই বিষয়ে চিন্তিত কর্মচারীরা ক্ষোভপ্রকাশ করলে তা প্রশমিত করার চেষ্টা করেন বর্তমান সিইও। মাস্ক বারবার ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের নীতি নির্ধারণের শিথিলতার দিকে আঙুল তোলায় কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। এই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ভবিষ্যতেও একইভাবে কর্মচারীদের সুবিধা-অসুবিধার খেয়াল রাখবে কোম্পানি। কিন্তু  একইসঙ্গে এত কর্মচারীর হস্তান্তর কীভাবে হবে সে বিষয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুসারে, সম্পূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে কর্মী ছাটাইয়ের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না ইলন মাস্ক। 

    পরাগকে এক কর্মচারী জিজ্ঞেস করেন, “ক্ষমতা হস্তান্তরের পর বহু মানুষ কাজ হারাবেন। এ বিষয়ে আপনি কী ভাবছেন?” পরাগের উত্তর, এর আগেও টুইটার তার কর্মচারীদের খেয়াল রেখেছে, ভবিষ্যতেও রাখবে। তিনি আরও বলেন, “আমার কথা ভাবার প্রয়োজন নেই। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতেও ট্যুইটার সংস্থা বিশ্ব এবং গ্রাহকদের প্রতি আগের মতোই যত্নশীল থাকবে।”

    মিটিং চলাকালীন পরাগ কর্মীদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের নিয়মে আনা বদলগুলি মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন এবং বিগত বছরগুলিতে ট্যুইটার চাইলে আরও ভাল কাজ করতে পারত সে কথাও মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সবসময় ভাবি। চাইলেই আমরা আরও অন্যরকম এবং উন্নত মানের কাজ করতে পারতাম।”

     

  • Elon Musk Twitter: ভুয়ো অ্যাকাউন্টের জের! ট্যুইটার কেনা আপাতত স্থগিত, জানালেন ইলন মাস্ক

    Elon Musk Twitter: ভুয়ো অ্যাকাউন্টের জের! ট্যুইটার কেনা আপাতত স্থগিত, জানালেন ইলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুনে শেষ করা যাচ্ছে না। প্রচুর ভুয়ো অ্য়াকাউন্ট (Fake accounts) ঘুরছে ট্যুইটারে (Twitter)। স্প্যাম অ্যাকাউন্টের সংখ্যা কত তার গণনা শুরু হয়েছে। এই গোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত টুইটার কিনবেন না টেসলার কর্ণধার ইলন মাস্ক (Elon Musk)। শুক্রবার নিজের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে একথা জানিয়েছেন তিনি। স্পেস-এক্সের প্রতিষ্ঠাতা জানান, ট্যুইটার কেনা আপাতত স্থগিত রাখছেন তিনি। মাস্ক ট্যুইটারে লেখেন, ‘স্প্যাম বা ভুয়ো অ্যাকাউন্টের সংখ্যা সত্যিই ট্যুইটারের মোট ব্যবহারকারীর পাঁচ শতাংশের কম, সেটা গণনার স্বপক্ষে নথি না পাওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে ট্যুইটার কেনার চুক্তি স্থগিত থাকবে।’ 

    [tw]


    [/tw]

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট নিয়ে প্রথম থেকেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে আসছেন মাস্ক। ট্যুইটারে অজস্র ভুয়ো অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যা থেকে নানা ভুয়ো কিংবা উস্কানিমূলক খবর ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হতে পারে। তাই মাস্ক প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, সমস্ত স্প্যাম এবং ভুয়ো অ্য়াকাউন্ট সরিয়ে ফেলার পরই ট্যুইটারের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হবে। নয়া ত্রৈমাসিকে ১ কোটি ৩০ লক্ষ নতুন ট্যুইটার ব্যবহারকারী বেড়েছে। যা অতিমারি করোনার পর সর্বোচ্চ বলে জানাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। তার মধ্যে মাস্কের ট্যুইটার কেনার আগে পর্যন্ত সংস্থাটি বেশ কয়েকটি ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। যেমন, মাস্ক টুইটার কেনার পর বিজ্ঞাপনদাতারা আর ট্যুইটারে ব্যয় করবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।

    আরও পড়ুন: টুইটার অধিপতি মার্কিন ধনকুবের মাস্ক,সরতে হতে পারে সিইও পরাগকে

    যদিও গত ২৫ এপ্রিল ট্যুইটারের মালিকানা পান ইলন মাস্ক। প্রায় ৪,৪০০ কোটি ডলারে এই সংস্থাটি কেনেন তিনি। ট্যুইটার কেনার জন্য ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ ঋণ নিয়েছেন মাস্ক। তা শোধ করার জন্য শেষ পর্যন্ত তাঁকে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আমেরিকার ধনকুবের। পাশাপাশি, খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে সংস্থার কিছু উচ্চপদস্থ কর্মীর বেতনও কমানো হতে পারে বলে ঋণদাতা সংস্থাগুলিকে জানিয়েছিলেন তিনি। মাস্কের এই নয়া ঘোষণার পর শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার আগেই টুইটারের দাম ২৫% পড়ে গিয়েছে, বলে খবর।

LinkedIn
Share