Tag: Udaipur killing

Udaipur killing

  • Hindus Helpline Numbers: পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    Hindus Helpline Numbers: পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের অমরাবতীতে (Amaravati Murder) উমেশ কোলহে এবং রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur killing) কানহাইয়া লালকে (Kanhaiya Lal) নৃশংসভাবে খুন করেছে উগ্র মৌলবাদীরা। এই হত্যাকাণ্ডের পর, হিন্দুদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Viswa Hindu Parishad) এবং বজরং দল (Bajrang Dal)। এক ট্যুইট বার্তায় ভিএইচপি-র (VHP) তরফে জানানো হয়েছে, ভিএইচপি এবং বজরং দলের কর্মীরা ইসলামিক মৌলবাদীদের (Islamic fundamentalism) বিরুদ্ধে হিন্দু (Hindu) সম্প্রদায়কে সাহায্য করার জন্য উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট এবং অন্যান্য অনেক রাজ্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে।

    ট্যুইটবার্তায় জানানো হয়, হিন্দুরা যদি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের ভিত্তিতে কোনও ‘হুমকিমূলক’ বার্তা বা কল পায় তবে তাঁদের পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর বিষয়ে সহায়তা করার জন্য ট্যুইটারে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হল। হিন্দু সংগঠনগুলি কর্নাটক, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, বিহার, ওড়িশা এবং অন্যান্য রাজ্যে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। ভিএইচপি হেল্পলাইন নম্বরের তালিকাও ট্যুইট করে। যদিও পরে ট্যুইটটি মুছে দেওয়া হয়।

    উত্তরপ্রদেশের কাশীপ্রান্তের ১৮ টি জেলার হিন্দুদের সহায়তার জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর (9198942004) জারি করা হয়েছে এই দুই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে। ভিএইচপির কাশী (Kashi) প্রদেশের নেতা অশ্বনী কুমার (Ashwani Kumar) বলেছেন, ‘ভিএইচপি এবং বজরং দলের কর্মীরা কাশী লাগোয়া জেলাগুলিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য একটি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করেছে৷ যাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের পোস্টের জন্য “ইসলামী মৌলবাদীদের” কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন, তাঁরা দেরি না করে স্থানীয় থানায় বা জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাঁদের অভিযোগ নথিভুক্ত করুন।’ তিনি বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের অমরাবতী এবং রাজস্থানের উদয়পুরে হত্যাকাণ্ডগুলি হিংসা ছড়ানোর জন্য এবং দেশে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার জন্য করা হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়কে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি ভিএইচপি বা বজরং দলের কাছ থেকে কোনও ধরনের সহায়তা চায় তবে আমরা তাদের সর্বাত্মক সাহায্য করব।’

     

  • RSS On Udaipur Incident : উদয়পুর-কাণ্ডে মুসলিমরাও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদে সামিল হোন! আর্জি আরএসএসের

    RSS On Udaipur Incident : উদয়পুর-কাণ্ডে মুসলিমরাও স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদে সামিল হোন! আর্জি আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়পুরে  (Udaipur) হিন্দু দর্জি কানাহাইয়া লালকে (Hindu Tailor Kanhaiya Lal) নৃশংসভাবে খুনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানো থেকে বিরত থাকতে মুসলিম সম্প্রদায়ের (Muslim Community) প্রতি আবেদন জানাল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS)। সেই সঙ্গে ওই ঘটনার নিন্দা করার জন্য মুসলিমদের কাছে সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। উদয়পুরে হিন্দু দর্জি খুনের ঘটনায় দেশ উত্তাল হলেও এই প্রথম প্রতিক্রিয়া জানাল আরএসএস (RSS)। 

    সাসপেন্ডেড বিজেপি (BJP) নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) সমর্থনে ফেসবুকে পোস্ট (Facebook Post) করার দায়ে খুন করা হয়েছিল উদয়পুরের বাসিন্দা হিন্দু দর্জি কানহাইয়া লালকে। হিন্দুরা শান্তিপূর্ণ এবং সাংবিধানিক পথে এই ঘটনার প্রতিবাদ করছে ৷ মুসলিমদেরও উচিৎ সেই বিক্ষোভে সামিল হওয়া ৷ উদয়পুর-কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতেই এই অভিমত জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। আরএসএস মুখপাত্র সুনীল আম্বেদকর (RSS Spokeperson Sunil Ambekar) বলেন, “আমাদের সকলের একসঙ্গে প্রতিবাদ করা উচিত”। তিনি বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। কোনও কিছু না পছন্দ হলে সবার অধিকার আছে প্রতিবাদ জানানোর। কিন্তু তা গণতান্ত্রিকভাবেই করতে হবে। সভ্য সমাজে কখোনই এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। হিন্দুরা যেমন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, তেমনই উদয়পুরের মতো ঘটনা থেকে বিরত থাকতে হবে মুসলিম সম্প্রদায়কেও।”

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে শিরশ্ছেদ হিন্দু দর্জির, উত্তাল রাজস্থান, বন্ধ ইন্টারনেট

    সম্প্রতি রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের প্রান্ত প্রচারকদের নিয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করেছিল আরএসএস। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন সঙ্ঘের প্রধান তথা সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat), সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসবোলে (Dattatreya Hosbole) সহ সঙ্ঘের শীর্ষ নেতারা। অখিল ভারতীয় প্রান্ত প্রচারকদের নিয়ে তিন দিন ধরে বৈঠক চলে ৷ শিবিরের শেষ দিনে মুখপাত্র জানান, এখন দেশে আরএসএস-এর শাখার সংখ্যা ৫৬ হাজার ৮২৪। ২০২৫-এ সংঘের একশো বছর ৷ ২০২৪-এ তার আগে সংঘের শাখা এক লক্ষে পৌঁছনোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে সংগঠন। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য সমাজের সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা করবে আরএসএস, এমনটাই জানানো হয় সংঘের তরফে ৷

  • Udaipur Killing: বাইকের নম্বর হবে ২৬/১১! বেশি টাকা দেয় উদয়পুরের হত্যাকারীরা  

    Udaipur Killing: বাইকের নম্বর হবে ২৬/১১! বেশি টাকা দেয় উদয়পুরের হত্যাকারীরা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়পুর (Udaipur) হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তের বাইকের নাম্বার ২৬/১১। এনআইএ (NIA)-এর তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে রয়েছে কি জঙ্গী যোগ? এনিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার (BJP Leader Nupur Sharma) সমর্থনে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট (Social Media Post) করায় উদয়পুরে এক দর্জিকে তাঁর দোকানের ভিতরে ঢুকে খুন করে দুজন। এখানেই শেষ নয়, নৃশংস এই ঘটনার ভিডিও তুলে ছড়িয়ে দেওয়া হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। পালানোর সময় তাড়া করে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এবার অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজের বাইকের নাম্বার প্লেটের নাম্বারই চমকে দিল সবাইকে। অভিযুক্তের বাইকে নাম্বার হল ২৬/১১। যা দেখলেই মনে পড়ে যায় মুম্বই হামলার কথা।

    [tw]


    [/tw]

    সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজের বাইকের নাম্বার প্লেটের নাম্বার RJ 27 AS 26 11। এই নাম্বার দেখলেই টাটকা হয়ে ওঠে মুম্বই হামলার ১৪ বছর আগের স্মৃতি। তবে যে এই নাম্বার ক্রমান্বয়ে মহম্মদ রিয়াজ পেয়েছে তাও নয়, এই নাম্বার প্লেটের জন্য রীতিমতো টাকা খরচ করতে হয়েছে তাকে। নাম্বারটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য দুই অভিযুক্ত রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট অফিসে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিল বলেও জানতে পেরেছেন এনআইএ তদন্তকারীরা৷ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারেরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সংশ্লিষ্ট বাইকের রেজিস্ট্রেশনের যাবতীয় নথি শীঘ্র্রই খতিয়ে দেখবেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: বিচার নয়, ফাঁসি চাই! উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় আইনজীবীরা

    কেন এমন নাম্বার প্লেট বসাল রিয়াজ, প্রশ্ন উঠছে সকলের মনেই। তাহলে কি এর সঙ্গে মুম্বই হামলার কোনও যোগাযোগ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে সামনে এসেছে, ২০১৩ সালে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে বাইকটি কিনেছিল ওই অভিযুক্ত। তদন্ত আরও গভীর হলে প্রকাশ্যে আসবে উদয়পুরের ঘটনায় দুই অভিযুক্তের সঙ্গে আদৌ মুম্বই-হামলার যোগ রয়েছে কি না ৷

  • Udaipur killing: উদয়পুরে হিন্দু দর্জি খুনের ঘটনার নিন্দায় সরব কংগ্রেস, বিজেপি

    Udaipur killing: উদয়পুরে হিন্দু দর্জি খুনের ঘটনার নিন্দায় সরব কংগ্রেস, বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur) হিন্দু দর্জি (Tailor) খুনের ঘটনায় এক সুর কংগ্রেস (Congress) এবং বিজেপির (BJP)। পরিস্থিতি সামাল দিতে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehlot)। সেখানেই একযোগে নিন্দা করা হয় নৃশংস ওই ঘটনার। রাজ্যবাসীর কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদনও জানিয়েছে এই দুই প্রধান জাতীয় দল।

    আরও পড়ুন : উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি যোগ! তদন্ত শুরু করল এনআইএ

    উদয়পুরের ধানমান্ডি এলাকায় কানাইয়ালাল নামের এক দর্জি বিজেপির সাসপেন্ডেড মুখপাত্র নূপুর শর্মার সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন কিছুদিন আগে। তার জেরে খুন করা হয় তাঁকে। প্রথমে একটি খুনের ভিডিও করা হয়। পরে করা হয় আরও একটি ভিডিও। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওয় বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য শিরশ্ছেদ করা হয়েছে লালের। ওই ভিডিওয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় গাউস মহম্মদ ও রিয়াজ আহমেদ নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টের জেরে গ্রেফতার করা হয়েছিল কানাইয়ালালকে। পরে জামিনে ছাড়াও পান। তার পর থেকে তাঁকে লাগাতার ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলেও পুলিশকে জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেও বাঁচানো যায়নি কানাইয়ালালকে।

    হিন্দু দর্জি খুনের ঘটনার জেরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয় রাজস্থানজুড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডাকা হয় সর্বদলীয় বৈঠক। জয়পুরে আয়োজিত ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। সেখানেই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা। আবেদন জানান শান্তি বজায় রাখারও। মৃতের পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : “দায়ী রাজ্যের তোষণের রাজনীতি”, উদয়পুর হত্যাকাণ্ডের নিন্দায় বসুন্ধরা রাজে

    কানাইয়ালাল খুনের ঘটনাকে সর্বদলীয় বৈঠকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের তকমা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অভিযুক্তদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনও গোষ্ঠীর হাত রয়েছে। ওই বৈঠকে কংগ্রেস সহ অন্যান্য দলের পাশাপাশি দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছে বিজেপিও। সব দলের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছে শান্তি বজায় রাখার। এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী জানান, এনআইএ-র পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড এবং স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ। তদন্তে রাজস্থান পুলিশ তাদের সবরকম ভাবে সাহায্য করছে। সাইবার ক্রাইম রুখতে সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্টের ওপর নজরদারি চালাতে একটি শক্তপোক্ত সাইবার ইনটেলিজেন্স সিস্টেম তৈরি করার প্রস্তাবও ওই বৈঠকে দেন রাজস্থান বিধানসভার স্পিকার সিপি জোশী।

     

  • Udaipur killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে  খুনিদের আইসিস যোগ! জড়িত নয় পাকিস্তান, জানাল পাক বিদেশমন্ত্রক

    Udaipur killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে খুনিদের আইসিস যোগ! জড়িত নয় পাকিস্তান, জানাল পাক বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় দর্জি উদয়পুরের কানহাইয়া লাল তেলিকে হত্যার (Udaipur Murder Case)ঘটনায় এবার  সরাসরি পাক-যোগের প্রমাণ পেল তদন্তকারী অফিসারেরা। একই সঙ্গে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল, সাম্প্রদায়িক হিংসা নয়, উদয়পুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে জঙ্গিযোগ ৷ মিলছে ISIS যোগের প্রমাণ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইসলামিক স্টেটের স্লিপার সেলের উদয়পুর শাখার প্রধান ছিল ধৃত মহম্মদ রিয়াজ। জয়পুরের ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও তার যোগ রয়েছে। রিয়াজের ‘লোন উলফ’ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারী সংস্থা।

    এই ঘটনায় দুই আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত গাউস মহম্মদ ২০১৪-১৫ সালে ৪৫ দিনের জন্য পাকিস্তানের করাচিতে যায়। সে দাওয়াত-ই- ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানিয়েছেন রাজস্থান পুলিশের ডিজিপি। সেখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেয় গাউস৷ কয়েকদিন আরব এবং নেপালেও জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে ৷  জানা গিয়েছে হত্যাকারীরা খুনের আগে এবং পরে পাকিস্তানের এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। পাকিস্তানের অন্তত আটটি  মোবাইল নম্বরের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ রাখত। পুলিশ সূত্রে খবর, গাউস মহম্মদ ২০১৩ এবং২০১৯ সালে সৌদি আরব যায়।  তবে সেখানে সে অস্ত্র প্রশিক্ষণ কিংবা ধর্মীয় কোনও প্রশিক্ষণ নিয়েছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

    তবে খুনিদের সঙ্গে কোনওভাবেই পাকিস্তানের যোগাযোগ নেই বলে জানিয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিক। এই ধরনের ঘৃণ্য কাজ পাকিস্তান কখনও সমর্থন করে না। ভারত কেন বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে এই ধরনের নৃশংস অপরাধ দণ্ডনীয়। ওই আধিকারিকের দাবি, ওই খুনিদের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা ভারতের মিথ্যে রটনা বলেও দাবি করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দোষীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, উদয়পুরকাণ্ডে সচিন পাইলট

    তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের চরম মৌলবাদী সংগঠন দাওয়াত-ই-ইসলামির (Dawat-i-Islami) মাধ্যমে আইসিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত আরেক ধৃত রিয়াজ। ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনটি ভারতেও জাল বিছিয়েছে বলে খবর। তাদের স্লিপার সেল (Sleeper Cell) অর্থাৎ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটির গোপন শাখার উদয়পুরের প্রধান ছিল রিয়াজ। গত পাঁচ বছর ধরে সঙ্গী মহম্মদ গাউসকে নিয়ে ধর্মীয় উসকানিমূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিল রিয়াজ। তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে রিয়াজের ফেসবুক প্রোফাইলের ছবিও। সেখানে সে আঙুলের মাধ্যমে একটি বিশেষ ভঙ্গি করে রয়েছে যা সাধারণত ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের চিহ্ন। তাদের আরও এক সঙ্গীর হদিশ মিলেছে। রাজস্থানের টঙ্ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মুজেবকে। যার সঙ্গে সরাসরি আইসিসের যোগের প্রমাণ মিলেছে। জেরায় ধৃতরা আরও জানিয়েছে, শুধু উদয়পুরের কানহাইয়া লাল-ই নয়, তাদের হিটলিস্টে ছিল জয়পুরের এক ব্যবসায়ী। এমনকী, জয়পুরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।

  • Udaipur Killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে দাওয়াত-ই-ইসলামির যোগ! জানুন কী এই সংগঠন

    Udaipur Killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে দাওয়াত-ই-ইসলামির যোগ! জানুন কী এই সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur Case) ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোড়ন পড়েছে গোটা দেশ জুড়ে। রাজস্থান পুলিশের পাশাপাশি উদয়পুর হত্যাকান্ড নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। মঙ্গলবার দুপুরে উদয়পুর শহরের ধানমান্ডি এলাকায় দোকানে ঢোকে কুপিয়ে খুন করা হয় কানহাইয়া লাল তেলিকে ৷ গোটা ঘটনা মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করে তা সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয় ৷ বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য বিজেপি থেকে সাসপেন্ড হওয়া নেত্রী নূপুর শর্মার সমর্থনে সামাজিক মাধ্যমে একটি লেখা পোস্ট করেছিলেন কানহাইয়া ৷ এই খুনের দায়ে ধৃত মহম্মদ গাউসের সঙ্গে যোগ ছিল পাকিস্তানের চরমপন্থী সংগঠন দাওয়াত-ই-ইসলামের। 

    ১৯৮১ সালে পাকিস্তানের করাচিতে দাওয়াত-ই-ইসলামির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মওলানা ইলিয়াস আত্তারি। সুন্নি মুসলিমদের এই সংগঠন নিজেদের নবী মহম্মদের বাণী প্রচারকারী একটি অলাভজনক সংস্থা বলে দাবি করে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১৯৪টি দেশে এই সংগঠন ছড়িয়ে পড়েছে। এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নিজেদের নামের সঙ্গে আত্তারি যোগ করেন। উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজও তার নামের সঙ্গে আত্তারি ব্যবহার করেন।

    আরও পড়ুন: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে খুনিদের আইসিস যোগ! জড়িত নয় পাকিস্তান, জানাল পাক বিদেশমন্ত্রক

    ১৯৮৯ সালে পাকিস্তান থেকে এই সংগঠনের প্রতিনিধি দল ভারতে প্রবেশ করে। আলোচনার মাধ্যমে ভারতে এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রথমে মুম্বই ও দিল্লিতে এই সংগঠনের দফতর ছিল। সংগঠনের শীর্ষ নেতা সৈয়দ আরিফ আলি আত্তারি ভারতে প্রভাব বিস্তারের জন্য চেষ্টা করছে। দাওয়াত-ই- ইসলামির মতাদর্শ প্রচারের জন্য একটি টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। মাদানি নামের এই টেলিভিশন চ্যানেলে উর্দুর পাশাপাশি ইংরেজি ও বাংলাতে অনুষ্ঠান প্রচার করে। নবীর জন্মদিনে এই সংগঠনটি মুসলিম প্রধান অঞ্চলে মিছিল বের করে।

    গত তিন দশকে দাওয়াত-ই-ইসালামির বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই সংগঠন শরিয়া প্রচারের জন্য ৩২টি ইসলামিক কোর্স চালু করেছে। এই কোর্সগুলো অনলাইনেও করা যায়। অভিযোগ, এই কোর্সের মাধ্যমে দাওয়াত-ই-ইসলামি ধর্মান্তরিত করার বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়। কট্টর মুসলিম তৈরি করার প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। উদয়পুর হত্যাকাণ্ডের দুই অভিযুক্ত এই সংগঠনের উগ্র প্রচারক ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। খুনের পর দুই অভিযুক্ত আজমির শরিফ যাচ্ছিল বলে সন্ত্রাস দমন শাখার পুলিশ জানিয়েছে।

  • Udaipur killing:  বিচার নয়, ফাঁসি চাই! উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় আইনজীবীরা

    Udaipur killing: বিচার নয়, ফাঁসি চাই! উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় আইনজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে (Udaipur Murder) অভিযুক্তদের হয়ে দাঁড়াতে রাজি নয় কোনও আইনজীবী। দ্রুত তাদের ফাঁসির দাবি তোলেন আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে তাদের ১৩ জুলাই পর্যন্ত জেল হেফাজতে (14 days of judicial custody) রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতে নিয়ে আসার সময় তাদের মুখ কাপড়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু গাড়িটি আদালত চত্বরে প্রবেশ করার পরই সেখানে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু আইনজীবীকে। তাঁরা অভিযুক্তদের ফাঁসি চেয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। উদয়পুর বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট গিরিজা শঙ্কর মেহতা (Girija Shankar Mehta) জানান, “এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। এটা সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ। অভিযুক্তরা সমাজে সন্ত্রাস ও আতঙ্ক ছড়াতে চেয়েছে। এমনকি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকেও হুমকি দিয়েছে। যা মানা যায় না।” এদিনই অভিযুক্তদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আজমের জেলে স্থানান্তরিত করা হয়।

    রাজস্থানে (Rajashtan) উদয়পুরে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডের  ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। কেবল দেশ নয়, আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ছড়িয়ে পড়েছে ঘটনার রেশ। এবার এই ঘটনায় মুখ খুলছে রাষ্ট্রসংঘ। সব ধর্মের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে বিভিন্ন সম্প্রদায় যেন সম্প্রীতি ও শান্তির সঙ্গে বসবাস করতে পারে তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস। তাঁর হয়ে তাঁর মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক একথা জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ”আমরা অত্যন্ত আশাবাদী। সারা পৃথিবী জুড়ে সব ধর্মের প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখতে হবে। তাহলেই বিভিন্ন সম্প্রদায় সম্প্রীতি ও শান্তির সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।”

    আরও পড়ুন: উদয়পুর কাণ্ডের জেরে বদলি ৩২ আইপিএস, ড্যামেজ কন্ট্রোল?

    প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ উদয়পুরের ধানমণ্ডি এলাকার এক দরজির দোকানে ঢোকে অভিযুক্ত দুই যুবক মহম্মদ রিয়াজ আখতার ও মহম্মদ গাউস। তারা শুরুতে নিহত দরজির কাছে জামার মাপ দেয়। এরপরই ধারালো অস্ত্র দিয়ে ওই ব্যক্তির মাথায় ও গলায় আঘাত করে। গোটা ঘটনার ভিডিও রেকর্ডও করে হত্যাকারীরা। এরপর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। এনিয়ে অশান্তি না ছড়ালেও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। হিন্দু সংগঠনগুলি হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করছে। উদয়পুরে মিছিল বার করে ‘সর্ব হিন্দু সমাজ’। সেখান পাথরবৃষ্টির অভিযোগ ওঠে। যদিও পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

    এদিকে কানহাইয়া লালের মৃত্যুর পরে তাঁর পরিবারকে সাহায্য করার জন্য একটি তহবিল গঠন করেছিলেন বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র। বিজেপি নেতা জানিয়েছেন, ওই তহবিলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১২ হাজারের বেশি মানুষ অর্থ সাহায্য করেছেন। এখনও অবধি মোট অর্থের পরিমাণ ১ কোটি ৩৫ লক্ষ। সময় মতো ওই টাকা কানহাইয়া লালের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

LinkedIn
Share