Tag: Udayan Guha

Udayan Guha

  • Cooch Behar: উদয়নের এলাকাতেও রাত ১২ টায় তৃণমূল পার্টি অফিসে ডাক পড়ত মহিলাদের

    Cooch Behar: উদয়নের এলাকাতেও রাত ১২ টায় তৃণমূল পার্টি অফিসে ডাক পড়ত মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার জানা গেল, রাতে পার্টি অফিসে মহিলাদের ডাক পড়ত কোচবিহারেও (Cooch Behar)। পিঠে বানানোর নামে রাত ১২ টায় তৃণমূল পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত, আর না গেলেই বাড়ি ভাঙচুর করা হত বলে অভিযোগ মহিলাদের। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর এলাকা দিনহাটায় এই অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। পাল্টা মন্ত্রী বলেছেন, “বিজেপি নতুন কাহিনি নির্মাণ করছে।”

    মূল অভিযোগ কী (Cooch Behar)?

    দিনহাটা (Cooch Behar) বুড়িরহাট অঞ্চলের স্থানীয় নিপীড়িত এক মহিলা অভিযোগ করে বলেন, “তৃণমূল নেতা বিশু ধর, দিলীপ ভট্টাচার্যের গুন্ডাবাহিনী আমাকে রাত ১২ টার সময় পার্টি অফিসে ডাকত। আমি প্রতিবাদ করে বলি, রাত ১২ টায় কেন যাবো? আমি রাজি হইনি। আমার কি কোনও সম্মান নেই। আমাকে কি বাঁচতে দেওয়া হবে না! বাড়িতে বিকেল ৪ টের সময় তৃণমূল বুথ সভাপতি আসেন এবং আমার উপর ফরমান জারি করেন। আমি হাত জোড় করে না বলে দিই, সমাজে আমার একটা সম্মান রয়েছে নষ্ট করবেন না। আমি ওই ধরনের মহিলা নই। কিন্তু পার্টি অফিসে না যাওয়ার জন্য রাতে গুন্ডারা এসে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িঘর ভাঙচুর করে।” তবে এই রকম ঘটনার শিকার এই মহিলা নন, আরও অনেকে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

    মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে হুমকি

    এই গ্রামের (Cooch Behar) আরও এক মহিলা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “পার্টির গুন্ডারা রাতবিরেতে আমাদের পার্টি অফিসে যেতে বলে। পার্টি অফিসে পিঠে বানানোর নামে আমাদের ভোগ করতে চায়। ওদের মতলব অত্যন্ত খারাপ। আমি ঘটনা অস্বীকার হলে রাত ৯ টার সময় আমাদের বাড়িতে এসে আমার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে আক্রমণ করে এবং তারপর বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।” ঠিক এমনই অভিযোগের কথা বলে আরও এক মহিলা বলেন, “ভোটের গণনার পর দিন আমাদের বাড়ির দরজা ভাঙে। এরপর আমার স্বামীকে না পেয়ে আমাকে ধরে।” গত কয়েক মাসের এই অভিযোগে ব্যাপকভাবে শোরগোল পড়েছে এলাকায়। কিন্তু তৃণমূল নেতাদের ভয়ে কেউ মুখ খোলেনি। সন্দেশখালির প্রতিবাদী মহিলাদের সাহসে দিনহাটায়ও প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছে এদিন।

    উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর বক্তব্য

    ঘটনায় উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Cooch Behar) বলেন, “সন্দেশখালির প্রসঙ্গে বিজেপি নতুন পিঠেকাহিনি নির্মাণ করেছে। পিঠে খাওয়ার বয়স এখন নেই। কোনও নেতা ১০ টার পর বাড়ির বাইরে থাকেন না। যদি মনে হয় আমি করতে পারি, তাহলে আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ এই প্রসঙ্গে বলেছেন, “কোচবিহারের (Cooch Behar) অভ্যন্তরে অনেক জায়গায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। উদয়নবাবু প্ররোচনামূলক মন্তব্য করেন। অভিযোগ খতিয়ে না দেখে অভিযোগ করছেন। নিজেরাই সর্বত্র সন্দেশখালি মডেল তৈরি করেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: তৃণমূলের এ কী অবস্থা! মন্ত্রী উদয়নের ডাকে সাড়া নেই নেতাদের

    Udayan Guha: তৃণমূলের এ কী অবস্থা! মন্ত্রী উদয়নের ডাকে সাড়া নেই নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে আরও মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল। বিশেষ করে কোচবিহার জেলায় শাসক দলের ছন্নছাড়া অবস্থা। গত কয়েকদিনে বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এরইমধ্যে মন্ত্রী উদয়ন গুহর  (Udayan Guha) নেতৃত্বের ডাকা কর্মসূচিতে নেতা-কর্মীরা হাজির হন না বলে অভিযোগ। যা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Udayan Guha)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে গ্রেফতারের দাবিতে তৃণমূলের কোচবিহার দিনহাটা থানা ঘেরাও অভিযানের ডাক দিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। কিন্তু, মন্ত্রীর ডাকা কর্মসূচিতেই দেখা মেলেনি এলাকার অনেক বড় বড় তৃণমূল নেতাকেই। নেতাদের অনুপস্থিতির বিষয়টি যে তাঁর নজর এড়ায়নি তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিজেই। ৫ জানুয়ারি নিজের ফেসবুকে তিনি একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, কোন কোন অঞ্চলের নেতারা আসেননি দলের কর্মসূচিতে। প্রত্যেকের নাম তিনি লিখে দিয়েছেন ফেসবুকে। উদয়ন গুহর এই পোস্টকে ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। চাপানউতর শুরু হয়েছে তৃণমূলের অন্দরেও। তাহলে কি তৃণমূল দল সম্পর্কে মোহভঙ্গ হচ্ছে নেতা কর্মীদের? সোশ্যাল মিডিয়ায় এভাবে দলের অবস্থা তুলে ধরায় দলের অন্দরে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    দলীয় কর্মসূচিতে স্থানীয় একাধিক নেতা না আসায় সোশ্যায় মিডিয়া উদয়ন গুহ (Udayan Guha) উষ্মা প্রকাশ করলেও তিনি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, এই বিষয়ে তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। সকলের সব সময় সময় হয় না। তাই হয়তো আসেননি। সেটা নিয়ে রাজনীতি করার কোনও মানে হয় না। এসব বিরোধীদের অভিযোগ। এখানে অন্য কোনও বিষয় নেই।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির বিধায়ক নিখিল রঞ্জন দে বলেন, এবার নির্বাচনে দিনহাটায় ব্যাপকভাবে হারবে তৃণমূল। মানুষ বীতশ্রদ্ধ। দলীয় নেতার নির্দেশ কর্মীরা মানছেন না। দলটার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। সামনে লোকসভা ভোটে তা প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    Cooch Behar: বন্ধ পার্টি অফিস খুলে মন্ত্রী উদয়ন গুহ শুনলেন, অনেকেই চলে গেছে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়িতে তৃণমূলের দুটি কার্যালয় বন্ধ ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনর পর থেকে কার্যালয় খুলতে পারেনি তৃণমূল। পুলিশ-প্রশাসনের উপর ভরসা করেও সেভাবে কোনও লাভ হয়নি। এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ভেটাগুড়িতে একাধিক কার্যালয় খুললেন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পার্টি অফিস খুলে দাপট দেখাতে গিয়ে ফের মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল। কারণ, ভেটাগুড়ির কাছে শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় ধস নামল তৃণমূলে। শনিবার রাতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে স্থানীয় অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন সহ শখানেক কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই উত্তপ্ত ছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটার ভেটাগুড়ি এলাকা। তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে দফায় দফায়। ভেটাগুড়ির সব্জি বাজার এবং রেলগেটের পাশে অবস্থিত তৃণমূলের দুটি কার্যালয়ই বন্ধ ছিল। শনিবার মন্ত্রী উদয়ন গুহ, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক-সহ জেলা নেতৃত্ব ওই দুটি কার্যালয়ে খোলার জন্য যান ভেটাগুড়িতে। দলীয় কার্যালয় খোলাও হয়। পাশেই পথসভা করছিল তৃণমূল। অভিযোগ, সেই সময় আচমকা তৃণমূলের কার্যালয় এবং পথসভায় পর পর দুটি বোমা মারা হয়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি এই বোমাবাজির ঘটনায় জড়িত। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, বিজেপির লাগামহীন সন্ত্রাসের কারণে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সহ এলাকার মানুষ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন। তৃণমূলের দুটি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রয়েছে। ব্লক সভাপতিকে তির মারা হয়েছে। পুলিশের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পাওয়ার কথা, তা পাও যাচ্ছে না। অন্যদিকে, মন্ত্রী উদয়ন গুহ বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে শান্ত ভেটাগুড়িকে অশান্ত করছেন। এই অভিযোগে মিছিল বের করেন ভেটাগুড়ির বিজেপি মহিলা সমর্থকেরা। মিছিল থেকে মন্ত্রীকে ঝাঁটাপেটা করার স্লোগান ওঠে। দিনভর দলীয় কার্যালয় খুলে তৃণমূল নিজেদের হারানো মাটি ফিরে পেয়েছে বলে দলীয় কর্মীদের বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, কিছুক্ষণ পরই লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের ধস নামে। অঞ্চল তৃণমূলের সহ সভাপতি বিনোদ বর্মন বিজেপিতে যোগদান করেন।

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে কী বললেন বিনোদ বর্মন?

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা বিনোদ বর্মন বলেন, তৃণমূল দলটা কোন্দলে ভরে গিয়েছে। পদে থেকে আমি কোনও কাজ করতে পারছিলাম না। তাই, আমি দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করব।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক বলেন, এদিন বিনোদবাবুর নেতৃত্বে বহু কর্মী তৃণমূল ছেড়ে আমাদের দলে যোগদান করলেন। দলের সংগঠন আমাদের আরও মজবুত হল। যতদিন যাবে তৃণমূলের জমি তত আলগা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে পেটানোর নিদান দিলেন উদয়ন

    Udayan Guha: বিজেপি কর্মীদের বাড়ি থেকে বের করে পেটানোর নিদান দিলেন উদয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের। কোন্দলে জর্জরিত শাসক দল। বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে হারানো মাটি ফিরে পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল। আর সেই লক্ষ্য নিয়ে সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গড় ভেটাগুড়িতে সভা করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। সভা থেকেই বিজেপিকে হুমকি দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী বললেন রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী? (Udayan Guha)

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের গড় ভেটাগুড়িতে মিছিল করতে গিয়ে নাম না করে বিজেপি কর্মীদের হুংকার দেন তিনি। কার্যত গায়ে হাত তোলার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha) বলেন,’এখানে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করা হয়েছে। যাঁরা এই মিছিলে হেঁটেছেন আমি মিছিলে নিজে পিছনে থেকে ওনাদের সামনে রেখেছি। তবে তাঁদের কারও গায়ে যদি একটু আঁচড় পড়ে নিজে মন্ত্রী হয়ে বলছি বাড়ি থেকে বের করে করে পেটানো হবে।’ নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে হুঁশিয়ারি পাল্টা হুঁশিয়ারির ‘খেলা’ চলছে। বিরোধীদের ঠেকাতেও নীশিথের গড় দখলে ‘দিনহাটা বাহিনীর’ কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘ওদের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে আমাদের কাছে দিনহাটা বাহিনী।’ তবে, মিছিলে কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল অনেকটাই কম। এমনকী মিছিলে দেখা যায়নি স্থানীয় নেতা কর্মীদের একাংশকে। তাহলে দলীয় কোন্দল না কি অন্য কোনও কারণ তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রীও নজরে আসে। আর মিছিলে কম লোক হওয়ার পিছনে উত্তর দিতে গিয়েও বিজেপিকেই দায়ী করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের ভয়ে সাধারণ মানুষ প্রতিবাদ করতে ভয় পাচ্ছেন।’ একই সঙ্গে এও স্বীকার করে বলেছেন, ‘ভেটাগুড়িতে কম সংখ্যক তৃণমূল কর্মী রয়েছে। যাঁরা রয়েছেন তাঁরা সকলেই উপস্থিত ছিলেন এই কর্মসূচিতে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    Jalpaiguri: নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে পড়ল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স! ক্লোজ পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মা মাটি সরকারের শাসক দল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ভিড়ে আটকে থাকলো মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। তৃণমূল মানবিক! বার বার শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের ভাষণে শোনা যায়। কিন্তু কালীপুজোর উদ্বোধন করতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ আটকে পড়ল সারি সারি গাড়ি। আর এই গাড়ির ভিড়ের মধ্যে আটকে গেল মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। ঘটনায় ক্লোজ করা হল এক পুলিশ আধিয়ারিককে। ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়িতে।  

    কিন্তু প্রশ্ন হল শাসক দলের নেতাদের ভূমিকা নিয়ে। নাগরিক সমাজের প্রতি যদি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতারা দায়িত্বশীল থাকেন, তাহলে এমন ঘটনার জন্য নেতা-মন্ত্রীদের কি কোনও শাস্তির বিধান রয়েছে? নাকি সব দায় আমলাদের? এই প্রশ্নই উঠছে ধূপগুড়িতে (Jalpaiguri) কালীপুজোর উদ্বোধন করতে আসা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের ভূমিকা নিয়ে।

    নেতা-মন্ত্রীর ভিড়ে আটকে যায় অ্যাম্বুল্যান্স (Jalpaiguri)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা উদয়ন গুহ কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়েছিলেন ধূপগুড়িতে। সঙ্গে ছিলেন জেলা শাসক এবং পুলিশ সুপার। গাড়ির ভিড়ে রাস্তা জ্যাম হয়ে যায়। এই অবস্থায় রাস্তায় আটকে পরে এক অসুস্থ মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুল্যান্স। সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগী হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। আধ ঘণ্টার সময়ের বেশি সময় ধরে আটকে ছিলেন রাস্তায়। এরপর রোগীর পরিবারের লোকজন ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ঘটনাস্থলে এলাকায় শতাধিক মানুষ প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এরপরই ঘটনায় অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনায় ক্লোজ হন এক পুলিশ আধিয়ারিক।

    জেলা শাসকের বক্তব্য

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার জেলা শাসক উমেশ খান্ডবাহালে বলেন, “বিকল্প রাস্তা খোলা ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে অনেক গাড়ি চালাচল করছিল। প্রাথমিক ভাবে একজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনায় কোনও চক্রান্ত হয়েছে কী না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: “এখন চাকরির সঙ্কট চলছে” মন্ত্রী উদয়ন গুহের মন্তব্যে তীব্র চাপে শাসক দল

    Udayan Guha: “এখন চাকরির সঙ্কট চলছে” মন্ত্রী উদয়ন গুহের মন্তব্যে তীব্র চাপে শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের মন্ত্রীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে শাসক দল। গত শনিবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha) বলেন, “রাজ্যে প্রতারকদের ব্যাপক দৌরাত্ম্য চলছে, জেলায় জেলায় বেকার যুবক-যুবতীদের টাকা আত্মসাত করছে প্রতারকরা।” এই মন্তব্যে রাজ্যে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। রাজ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধীরা বারবার শাসক দলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। সেই সঙ্গে চাকরি দেওয়ার নাম করে গ্রুপ ডি, এসএসসি, টেট, পুরসভা ইত্যাদি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে তৃণমূলের একাধিক নেতা, মন্ত্রী, বিধায়কের নাম এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে। এই অবস্থায় রাজ্যের মন্ত্রী চাকরি নেই, চাকরির প্রলোভন, প্রতারণা ইত্যাদি মন্তব্য করে শাসক দলকেই ফের কাঠগড়ায় তুললেন বলে মনে করছেন বিরোধীরা।

    কী বললেন মন্ত্রী (Udayan Guha)?

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha) বলেন, “উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বেকার যুবক-যুবতীরদের টাকা আত্মসাত করা হচ্ছে। রাজ্যে চাকরির সঙ্কট চলছে। অনেকেই অভাবের কারণে প্রলোভনে পা দিচ্ছেন। আমরা সরকারের তরফ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি। বিভিন্ন সমাবেশে আমরা বারবার বলি প্রলোভনে পা দেবেন না। যাঁরা টাকা দেন তাঁরা খারাপ আর যাঁরা টাকা নিচ্ছেন তাঁরাও ভীষণ খারাপ। তবে যাঁরা টাকা দিয়েছেন তাঁরা বোকামি করছেন।” মন্ত্রীর এই মন্তব্যে স্পষ্ট যে রাজ্যের চাকরির সুযোগ অনেক কম।

    রাজ্যে চাকরির সুযোগ কম

    রাজ্যে যে চাকরির সুযোগ নেই, একথা জানিয়ে বার বার কলকাতায় বেকারদের বিক্ষোভ কর্মসূচি হতে দেখা গেছে। রাজ্যের বিধানসভায় বিরোধীরা সরকার পক্ষকে দ্রুত শূন্যপদ পূরণের দাবি জানিয়েছেন। কখনও কখনও ওয়াক ওভার, আবার রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধীরা। অপর দিকে দ্রুত স্কুলে শিক্ষকের শূন্যপদ পূরণ করতে শাসক দলের বিরুদ্ধে কালীঘাট থেকে বিকাশ ভবন সর্বত্র আন্দোলন হচ্ছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী থেকে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সহ একাধিক তৃণমূল বিধায়কের। আর এদিন তৃণমূলের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর (Udayan Guha) মন্তব্যে সরকারের ব্যর্থতার কথাই আরও একবার স্পষ্ট হয়।

    উত্তরবঙ্গে প্রতারকদের চক্র

    মন্ত্রীর (Udayan Guha) মন্তব্যের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, ধূপগুড়ি এলাকায় চাকরি দেওয়ার নাম করে বেশ কিছু বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এই কোম্পানিগুলি সম্প্রতি বলে যে ১৮ হাজার টাকার বিনিময়ে কম্পিউটার শিখিয়ে চাকরি দেওয়া হবে। কিন্তু টাকা দিলেও অনেকেই চাকরি থেকে বঞ্চিত হন। এই বিষয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে চাকরির সুযোগ কম এবং দুর্নীতি প্রসঙ্গে ব্যাপক সরগরম রাজ্য রাজনীতি।     

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উপর রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের অনুগামীরা আচমকা আক্রমণ করলে দুই মন্ত্রীর মধ্যে বচসার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, কোনও রকম প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তাঁদের উপর। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির উপর দায় ঠেলেছে। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই ঘটনায় সত্যানুসন্ধানে নেমেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ঘটনার সত্যতা জানতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    কী বলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    মঙ্গলবারের ঘটনার এক দিন পর বুধবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বাগডোগরা থেকে সড়কপথে কোচবিহারে পৌঁছান রাজ্যপাল। দিনহাটা চৌপতি এলাকা যান রাজ্যপাল। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তৃণমূল পরিচালিত দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্য়ানের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করব না। রাজ্য পুলিশের DG-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। এক্ষেত্রে আমার স্পষ্ট মতামত হল, নির্বাচন চলাকালীন কোনও রকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, এর পুনরাবৃত্তি হবে না, এটা একটা অঙ্গীকার।’’ এর আগে, এদিন বেলায় কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার সময়ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ যে ভালো নেই সেই নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। সামনেই লোকসভার ভোট। তাই রাজ্যে সন্ত্রাস মুক্ত নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই রাজ্যপাল সক্রিয় বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন?

    একই ভাবে এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) আরও বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করবনা।” সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য প্রশাসনের ডিজিকে এই রাজনৈতিক আক্রমণের ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছেন। রাজ্যে কোনও রকম অশান্তি কাম্য নয় বলে জানান তিনি। একই ভাবে আগের বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে মনোনয়ন থেকে ভোট দেওয়া এবং ফলাফল ঘোষণা থেকে ভোট পরবর্তী সময় পর্যন্ত ব্যাপক সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে দেন। কোনও ভাবেই যে হিংসাকে বরদাস্ত করবেন না সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে দেন তিনি। রাজ্যে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছ তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    Cooch Behar: বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর তৃণমূল মন্ত্রীপুত্রের হামলা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের মন্ত্রী, নেতা-নেত্রী এবং কর্মীরা বিরোধী দলের সমর্থকদের উপর আক্রমণ হামলার ঘটনার কথা বার বার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। রাজ্যে যে বিরোধীদের মত প্রকাশ এবং গণতন্ত্রর অধিকার নেই এই বিষয়ে বারবার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিজেপি। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন এলাকার বিজেপির মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে কোচবিহার (Cooch Behar) পুলিশের কাছে মন্ত্রীপুত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের অবশ্য দাবি ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্তনন মন্ত্রীপুত্র।

    ঘটনা কীভাবে ঘিটেছে (Cooch Behar)?

    গত শুক্রবার দিনহাটার (Cooch Behar) ঝুড়িপাড়ায় তৃণমূল দুষ্কৃতীদের একটি দল বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক মারধর করে। জানা গিয়েছে, বিজেপি মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথের বাড়িতে বৈঠক চলাকালীন সেখানে আচমকা হামলা করে তৃণমূলের গুন্ডারা। এরপর মণ্ডল সভাপতিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এই হামলার পিছনে প্রত্যক্ষ নেতৃত্ব দেন মন্ত্রীপুত্র। অবশ্য জেলা কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, “অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির তরফ থেকে জেলা (Cooch Behar) বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন, “মন্ত্রীপুত্র সায়ন্তন এই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত। একই ভাবে আমাকেও মারধর করা হয়। ঈশ্বর দেবনাথের স্ত্রী তৃণমূলের মন্ত্রী পুত্র সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানান।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনার কথা অস্বীকার করে মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Cooch Behar) বলেন, “আমাকে হেনস্থা করতেই এই অভিযোগ। ছেলেকে এলাকার প্রত্যেকেই চেনে। পুলিশ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করুক।” আবার ঘটনায় বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূল মন্ত্রী উদয়ন গুহের ছেলে সায়ন্তন গুহ বলেন, “আমার বাবাকে নানা ভাবে বিব্রত করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তবে এইভাবে তৃণমূল কর্মীদের আটকে রাখা যাবনা। বিজেপি তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: ‘মন্ত্রিত্ব বাঁচাতেই প্রয়াত বাবাকে চোর বলছেন’, উদয়নকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Udayan Guha: ‘মন্ত্রিত্ব বাঁচাতেই প্রয়াত বাবাকে চোর বলছেন’, উদয়নকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃদেব হচ্ছে মহাগুরু। কিন্তু মমতা-অভিষেকের কাছে ভাল হওয়ার জন্য নিজের স্বর্গীয় পিতৃদেবকেও চোর বলে চিহ্নিত করছেন ছেলে। এর থেকে আর লজ্জার কিছু হতে পারে না। কথাগুলি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বাম জমানার মন্ত্রী ফরওয়ার্ড ব্লকের প্রয়াত কমল গুহ সম্পর্কে বেনজির মন্তব্য করেছেন ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে এসে মন্ত্রী হওয়া তাঁরই ছেলে উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দু বলেন…

    শুভেন্দু বলেন, রাজনীতি অনেক পরের বিষয়। যাঁরা আপনাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন সেই পিতামাতারা হচ্ছেন মহাগুরু। তাঁদের সম্পর্কে যেভাবে উদয়ন গুহ (Udayan Guha) মন্তব্য করলেন, তা ক্ষমার অযোগ্য। আমার বাবাকে নিয়ে কেউ ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করলে আমি সব সময়ই তার প্রতিবাদ করি। আর সেখানে উদয়ন গুহ নিজের বাবাকেও চোর আখ্যা দিলেন। নন্দীগ্রামের বিধায়কের মতে, নিজের রাজনৈতিক উত্থান, মন্ত্রিত্ব বাঁচানো, দাদাগিরি করা, অপকর্মের ছাড়পত্র নেওয়া আর মমতা-অভিষেকের গুডবুকে থাকতেই উনি (উদয়ন গুহ) বাবাকেও চোর বলে চিৎকার করছেন। শুভেন্দু বলেন, এটাই তৃণমূলের নয়া সংস্কৃতি।

    দিন দুয়েক আগে সংবাদমাধ্যমের সামনে উদয়ন (Udayan Guha) বলেন, আমি আবারও বলছি, বাম আমলে কোটা সিস্টেম ছিল। সেই সিস্টেমে বাম আমলে চাকরি হয়েছে। ফরওয়ার্ড ব্লক তার ভাগ পেয়েছে। কোচবিহারের জেলা সম্পাদক হিসেবে বাবাকেও সেই লিস্ট এনডোর্স করতে হয়েছে। তিনি বলেন, এরপর আমি যখন জেলা সম্পাদক ছিলাম তখন আমাকেও এনডোর্স করতে হয়েছে। জেনেবুঝেই করেছি। ভাল প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও দলের স্বার্থেই এটা করতে হয়েছে। তাদের চাকরি দিতে হয়েছে। আবারও বলছি, সুযোগ পেলে দলের ছেলেদের চাকরি এখনও আমরা দিই।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত, তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে

    দলবদলু উদয়ন বলেন, আমি মন্ত্রী হিসেবে দলের তিনজনকে অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে নিয়োগ করেছি। যদিও কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নিশানা করেন উদয়নকে। তিনি বলেন, এই পৃথিবীর আলো যিনি দেখিয়েছেন, তাঁর সম্পর্কে এভাবে বলা যায় না। তিনি স্বর্গত। তিনি এর সাফাই দিতে পারবেন না। তিনি এর কাউন্টারও করতে পারবেন না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Cabinet Reshuffle: এসএসসি বিতর্কের মাঝেই আজ রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, বিকেলে শপথগ্রহণ, জল্পনায় কারা?

    Bengal Cabinet Reshuffle: এসএসসি বিতর্কের মাঝেই আজ রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, বিকেলে শপথগ্রহণ, জল্পনায় কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার রদবদল হবে রাজ্য মন্ত্রিসভার (Bengal Cabinet Reshuffle)। আজ বিকেল চারটেয় রাজভবনে (Raj Bhawan) শপথ নেবেন কয়েকজন নতুন মন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবারই রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই রদবদলের কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন। তবে কারা মন্ত্রী হচ্ছেন, তা জানাননি তিনি। 

    মমতা সোমবার বলেছিলেন, “সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সাধন পাণ্ডের প্রয়াণ এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর অনেকগুলি দফতর তাঁর নিজের হাতেই রয়েছে। সেই দায়িত্ব সামলাতে নতুন পাঁচ-ছ’জনকে মন্ত্রিসভায় আনা হবে। আর বর্তমান মন্ত্রিসভা থেকে চার-পাঁচজনকে দলের কাজে ব্যবহার করা হবে।” রাজ্য মন্ত্রিসভায় ৪৪ জন সদস্যের মধ্যে আপাতত তিনটি আসন শূন্য রয়েছে।

    আরও পড়ুন: মাথায় লাগলে শান্তি পেতাম, পার্থকে জুতো ছুড়ে বললেন মহিলা

    আজ কারা নতুন মন্ত্রী হবেন এবং কাদের দলের কাজে নিয়ে আসা হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট কৌতূহল রয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে, এসএসসি কাণ্ডের (SSC scam) ছায়া যে রদবদলে পড়তে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘটনার পরে তৃণমূলের ভাবমূর্তি ফেরাতে মরিয়া তৃণমূল। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikary) নামও জড়িয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি খুইয়েছেন পরেশ-কন্যা। দলের ভাবমূর্তির কথা মাথায় রেখে পরেশ অধিকারীকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সাধন পাণ্ডের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের দফতর খালি। দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতারির পরে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে শিল্প, পরিষদীয় এবং তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের মন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে সৌমেন মহাপাত্রকে। তাই তাঁকে সেচমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    জল্পনা, নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জ আসনের বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriyo)। জেলা সভাপতির পদ থেকে সরানোর পর মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিক (Partha Bhowmik) ও জাঙ্গিপাড়ার বিধায়ক স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে। এছাড়াও, মন্ত্রিসভায় প্রথমবার ঠাঁই পেতে পারেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় (Tapas Roy) এবং দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহ (Udayan Guha)।  

LinkedIn
Share