Tag: Uddhav Thackeray

Uddhav Thackeray

  • Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একনাথ শিন্ডের সঙ্গে সমঝোতার বার্তা দিলেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhab Thackrey)। শিবসেনার (Shibsena) মুখপাত্র প্রবীণ নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) জানান, মহা বিকাশ আগাড়ি অর্থাত্‍ শিবসেনা কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট (Alliance) ত্যাগ করতে প্রস্তুত। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে বিধায়কদের মুম্বই (Mumbai) ফিরে আসতে হবে।

    মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান দাবিই হল, কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসতে হবে উদ্ধবকে। তাঁরা চান উদ্ধবই মুখ্যমন্ত্রী থাকুন। ফিরুক পুরনো জোটে। অর্থাত্‍ বিজেপির সমর্থনে সরকার চালান উদ্ধব। সম্পর্ক ছিন্ন করুন কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে। তবে, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফার আশ্বাসে তাঁর ভরসা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী শিবিরের নেতা একনাথ শিন্ডে। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটির হোটেল থেকে তিনি জানিয়েছেন, আগে কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গ ত্যাগ করার ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হবে উদ্ধবকে। তার পরেই সমঝোতার প্রশ্ন।

    [tw]


    [/tw]

    এরপরই শিবসেনার তরফে সঞ্জয় রাউত জানান, একনাথকে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীদের মুম্বই ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। জানিয়েছেন আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিদ্রোহীরা মুম্বই ফিরে তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসুক। জোট ছাড়তে উদ্ধব বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না। কিন্তু গুয়াহাটি (Guwahati) বসে এই নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। আলোচনা করতে হলে মুম্বই এসে করতে হবে, বলে দাবি উদ্ধবের।

    তবে এর পাল্টা হিসেবে শিন্ডে জানিয়ে দেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে  সমস্ত ধরনের সমঝোতার দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শিন্ডে বলেন, “৪০ জন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে আছেন। কে বলছে আমরা ফিরে যাব? আমাদের ফিরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। গাড়ি অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। আমরা সবকিছুই চেষ্টা করেছি কিন্তু কিছুই হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব কী করা যায়। সবার মতামত চাওয়া হবে তারপর আমরা এগোব। এটা আমার সিদ্ধান্ত নয়, সবার সিদ্ধান্ত।”

    আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    শিবসেনার জোট ছাড়া প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে বলেন, “অনৈতিক ও অসাংবিধানিক ভাবে মহারাষ্ট্রে সরকার ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপি দায়ী। তারা পিছন থেকে এই কাজ করাচ্ছে। এভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও করাবে বিজেপি।” এনসিপি নেতা জয়ন্ত পাতিল বলেন,”শিবসেনার তরফে সরকারিভাবে এমন কোনও কথা এখনও জানানো হয়নি। তারা সরকারিভাবে কিছু জানালে তবেই ভাবনা-চিন্তা করা হবে।” এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল বলেন,”যে কোনও দল নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে জোট ছাড়লে শিবসেনা তা এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারকে জানাত। এখনও সেরকম কোনও খবর নেই।”

  • Maharashtra crisis: “আসুন, আমরা একসঙ্গে বসি…”, বিদ্রোহীদের আবেগঘন আবেদন উদ্ধবের

    Maharashtra crisis: “আসুন, আমরা একসঙ্গে বসি…”, বিদ্রোহীদের আবেগঘন আবেদন উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগে একবার শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়কদের ফিরে আসার আবেদন জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। শিবসেনা প্রধানের সেই আবেদনে কান দেননি একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) অনুগামী বিধায়করা। উল্টে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে সবক শেখাতে চেয়েছেন শিন্ডে বাহিনীকে। তার পরেও বিদ্রোহীদের দমাতে না পেরে ফের আবেদনের রাস্তায় হাঁটলেন উদ্ধব। বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যে তাঁরা বার্তা, ফিরে আসুন, আলোচনা করে পথ খুঁজে বের করা যাবে।

    আরও পড়ুন : দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন উদ্ধব! আটকান এই প্রবীণ নেতা

    নরম হিন্দুত্ব নিয়ে উদ্ধব-শিন্ডে বিবাদ শুরু। এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই সরকার চালাতে আগ্রহী শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তাতে রাজি হননি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এর পরে শিবসেনারই দুই নেতার বিরোধ ওঠে চরমে। ঘটনার জেরে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্য গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে ওই বিধায়কদের নিয়ে তিনি উড়ে যান বিজেপি শাসিত উত্তর পূর্বের রাজ্য আসামে। সেখানকারই একটি বিলাসবহুল হোটেলে রয়েছেন তাঁরা।

    দিন দুয়েক আগে ফের বিশেষ বিমানে গুজরাতের ভদোদরায় উড়ে আসেন শিন্ডে। সাক্ষাৎ করেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে। সেখানেই দুই নেতার মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    শিন্ডের সঙ্গে ৩৯ জন বিধায়ক রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এদিন তাঁদের উদ্দেশে আবেগঘন আবেদন করেন উদ্ধব। বলেন, আপনারা দিন কয়েক ধরে গুয়াহাটিতে আটকে রয়েছেন। আপনাদের সম্পর্কে প্রতিদিনই নতুন নতুন খবর পাচ্ছি। আপানারা এখনও শিবসেনায়ই রয়েছেন। আপনাদের কয়েকজনের পরিবার আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আমার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। শিবসেনা পরিবারের প্রধান হিসেবে আমি আপনাদের আবেগকে সম্মান জানাই। মন থেকে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলুন। আসুন, আমরা একসঙ্গে বসি। আলোচনা করি। নিশ্চয়ই একটা পথের সন্ধান মিলবে।

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনার বিধায়ক সংখ্যা ৫৫। সূত্রের খবর, তার মধ্যে ৩৯ জন রয়েছেন শিন্ডে শিবিরে। উদ্ধব গড়ে রয়েছেন বাকিরা।

    এদিকে, শীঘ্রই মুম্বইয়ের উড়ান ধরেতে চলেছেন শিন্ডে। তিনি যে মুখ্যমন্ত্রীকে নয়া চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছেন, এই ঘটনাই তার প্রমাণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। শিন্ডে বলেন, গুয়াহাটিতে আমার সঙ্গে ৫০ জন বিধায়ক রয়েছেন। তাঁরা স্বেচ্ছায় এসেছেন। আমরা খুব শীঘ্রই মুম্বই যাব।

     

  • Maharashtra Crisis: দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন উদ্ধব! আটকান এই প্রবীণ নেতা

    Maharashtra Crisis: দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চেয়েছিলেন উদ্ধব! আটকান এই প্রবীণ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একনাথ শিন্ডে (Shinde) বিদ্রোহ ঘোষণা করে গুজরাট (Gujarat) চলে যাওয়ার দিনই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। শিবসেনা (Shivsena) সূত্রে খবর, দু’বার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চান উদ্ধব। তবে দু’বারই উদ্ধবকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়তে আটকান এনসিপি (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। 

    গত ২১ জুন একনাথ শিন্ডে-সহ ২১ জন বিধায়ক বিদ্রোহ ঘোষণা করে সুরাট (Surat) চলে যান। সে দিনই ফেসবুক লাইভ (Facebook Live) করে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন শিবসেনা প্রধান। কারণ, উদ্ধব নাকি বুঝেছিলেন ২১ নয়, শিন্ডের হাত ধরে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের সংখ্যা আরও বাড়বে। কিন্তু সে দিন উদ্ধবকে আটকেছিলেন মহাবিকাশ আগাড়ি (Maha Vikas Aghadi) জোটের ‘প্রবীণ’ নেতা পাওয়ার। পরের দিন আবারও ইস্তফা দিতে চান উদ্ধব। বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিলেন এ বিষয়ে। তখনই পাওয়ার ঠাকরেকে পরামর্শ দেন, এ ভাবে সরে না গিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে। উদ্ধবের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, পাওয়ারের কথাতেই নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন বালাসাহেব-পুত্র।

    আরও পড়ুন: ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে উদ্ধব সরকারের পতন সময়ের অপেক্ষা বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটি বড় অংশ। এর মধ্যেই মহারাষ্ট্রের পর্যটন মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের পুত্র আদিত্য ঠাকরে (Aaditya Thackeray) সোমবার দাবি করেন যে, একনাথ শিন্ডের বিদ্রোহী শিবিরে থাকা বিধায়কদের মধ্যে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন বিধায়ক শিবসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁদেরকে গুয়াহাটি (Guwahati) থেকে মুম্বইতে ফিরিয়ে আনার জন্য দলকে অনুরোধও করেছেন তাঁরা। 

    ঠাকরের দাবি, ওই বিধায়কদের বন্দির মতো হোটেলে রাখা হয়েছে। তাঁরা ফিরে আসতে চান। কিন্তু তাঁদের উপর জোর করা হচ্ছে। তাঁরা গোপনে দলের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলেও জানানো হয়েছে। মুম্বইয়ের (Mumbai) উপকণ্ঠে কারজাতে শিবসেনা কর্মীদের ঠাকরে বলেছেন প্রতিটি শিব সৈনিক বর্তমান পরিস্থিতিকে সমস্যা নয়, একটি সুযোগ হিসাবে দেখছে।

    নয়জন মন্ত্রী সহ বেশিরভাগ শিবসেনা বিধায়ক দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। একনাথ শিন্ডে মোট ৫৫ জনের সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। ঠাকরে বলেন যে কিছু নেতাকে বিশ্বাস করা হয়েছিল এই ধরনের মানুষকে সংগঠনে ক্রমাগত পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। যা ঠিক নয়। 

  • Maharastra crisis: উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    Maharastra crisis: উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) শাসিত গুজরাট (Gujarat) ছেড়ে এবার আর এক পদ্ম-শাসিত রাজ্য আসামে (Assam) পৌঁছলেন শিবসেনার (Shivsena) বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। মঙ্গলবার মধ্যরাতের বিমানে সঙ্গী বিধায়কদের নিয়ে গুয়াহাটি উড়ে যান তিনি। একনাথের দাবি, তাঁর সঙ্গে শিবসেনার আরও চল্লিশ জন বিধায়কের পাশাপাশি ছ’জন নির্দলেরও সমর্থন রয়েছে। ‘বিদ্রোহী’ হয়ে উঠলেও, তিনি যে আপাতত শিবসেনা ছাড়ছেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই নেতা।

    আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্রে সংকটে উদ্ধব-সরকার! নিখোঁজ মন্ত্রী সহ ২৭ বিধায়ক

    একনাথের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) দ্বন্দ্বের মূল কারণ কংগ্রেস, এনসিপির সঙ্গে জোট বাঁধার জেরে নরম হিন্দুত্বের পথ নেয় শিবসেনা। যা না-পসন্দ একনাথের।  উদ্ধবের বাড়ির সামনে হনুমান চালিশা পাঠ করার পরিকল্পনা করায় গ্রেফতার করা হয় বিজেপি সাংসদ নবনীত রাণা ও তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে। তার পরেই উদ্ধব ও একনাথের পথ আলাদা হয়ে যায় বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর দু’দশকের বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে শিবসেনা জোট বাঁধে কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে। মহা বিকাশ অঘোরি (Maha Vikas Aghari) জোট নামের এই জোটই আপাতত সরকার চালাচ্ছে। শিবসেনারই দুই নেতার বিদ্রোহের নেপথ্যে রয়েছে এই কারণটিও। 

    মুখ্যমন্ত্রীর কাছে একনাথের দাবি, এনসিপি ও কংগ্রেস সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার চালাতে হবে। এদিন গুয়াহাটিতে একনাথ ও সঙ্গী বিধায়কদের স্বাগত জানান বিজেপি নেতা সুশান্ত বরগোহাঁই ও পল্লব লোচন দাস। গুয়াহাটি পৌঁছে একনাথ বলেন, আমরা বালা সাহেব ঠাকরের (Balasaheb Thackeray) আদর্শ থেকে সরে আসছি না, শিবসেনাও ছাড়ছি না। আমরা বালাসাহেবের আদর্শকেই এগিয়ে নিয়ে যাব।

    আসামে যাওয়ার আগে সুরাটের একটি পাঁচতারা হোটেলে ‘আত্মগোপন’ করেছিলেন একনাথ ও তাঁর সঙ্গীরা। সেখানেই ফোনে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় বিদ্রোহী এই শিবসেনা নেতার। তার পরেই শিন্ডে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের আসামে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন : কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    একনাথ যখন আসামে, তখন ঘোড়া কেনাবেচা রুখতে তৎপর শিবসেনার অন্য একটি অংশও। তাঁরাও বাকি বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রেখেছেন মুম্বইয়ের বিভিন্ন হোটেলে। ইতিমধ্যেই একনাথকে দলের মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন শিবসেনা নেতৃত্ব।

    মহারাষ্ট্রের এই জোট সরকারে শিবসেনার হাতে রয়েছে ৫৫ জন বিধায়ক। পাওয়ারের (Sharad Pawar) দলের হাতে রয়েছেন ৫৩ জন। আর কংগ্রেসের বিধায়কের সংখ্যা ৪৪। অন্যদিকে, বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৬। ২৮৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় আপাতত বিধায়কের সংখ্যা ২৮৫। এনসিপি এবং কংগ্রেস বিষয়টি শিবসেনার অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করলেও, তারা যে জোট সরকারের প্রতি দায়বদ্ধ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে দুই দলই। তবে এনসিপি যে কোনওভাবেই বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাবে না, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন পাওয়ার। তাই মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি যে ক্রমেই জটিল হচ্ছে, তা জলের মতো পরিষ্কার।

     

  • Sena vs sena: উদ্ধবের পাশ থেকে সরে শিন্ডে শিবিরে ১২ সাংসদ!

    Sena vs sena: উদ্ধবের পাশ থেকে সরে শিন্ডে শিবিরে ১২ সাংসদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে নিভিছে দেউটি!

    কুর্সি গিয়েছে আগেই। এবার ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। লোকসভায় শিবসেনার (Shiv Sena) ১৮ জন সাংসদের মধ্যে ১২ জনই শিবির বদল করে  একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) দলে ভিড়ছেন। অন্তত একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর এমনই। যদি তা হয়, তাহলে আরও বিপাকে পড়বেন উদ্ধব।

    কংগ্রেস, এনসিপি নয়, পদ্ম শিবিরের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত শিবসেনারই একনাথ শিন্ডের। যার জেরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসাম উড়ে যান শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলান শিন্ডে। পতন হয় উদ্ধব সরকারের। গেরুয়া-সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। মুখ্যমন্ত্রী হন শিন্ডে স্বয়ং। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন প্রায় ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনার সদস্য সংখ্যা ৫৬। তার সিংহভাগই রয়েছেন শিন্ডে শিবিরে। বাকিরা এখনও রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের দলে।   

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে? 

    সম্প্রতি উদ্ধবের গড়া এক্সিকিউটিভ কমিটি ভেঙে দিয়েছেন শিন্ডে। তিনি নিজে ন্যাশনেল এক্সিকিউটিভ কমিটির গঠন করেছেন। কমিটির মাথায় উদ্ধবকে রাখা হলেও, কমিটির প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে শিবসেনা বিধায়ক দীপক কেশরকরকে। নয়া গঠিত এই কমিটি সংক্রান্ত রেজলিউশন নির্বাচন কমিশনের দফতরে পেশ করতে চলেছে শিন্ডে শিবির।

    এহেন পরিস্থিতিতে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন উদ্ধব। সূত্রের খবর, শিবসেনার ১২ জন সাংসদ শিন্ডে শিবিরে নাম লেখাতে আগ্রহী। তাঁরা এ ব্যাপারে মনস্থিরও করে ফেলেছেন বলে খবর। এদিনই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করার কথা শিন্ডের। সূত্রের খবর, তখনই ওই সাংসদরা ঘোষণা করতে পারেন শিন্ডে বাহিনীতে যোগদানের খবর। একটি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ওই সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে তাঁদের পরিকল্পনার ব্যাপারে চিঠি দিয়েছেন। তাঁরা এও জানিয়েছেন, মুম্বইয়ের সাউথ সেন্ট্রালের সাংসদ রাহুল শেওয়ালের নেতৃত্ব পৃথক শিবসেনা গ্রুপ তৈরি করবেন।

    আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

  • Maharashtra political crisis: মহারাষ্ট্র মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট, পরবর্তী শুনানি ১ অগাস্ট

    Maharashtra political crisis: মহারাষ্ট্র মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট, পরবর্তী শুনানি ১ অগাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনা (Shiv Sena) নেতা তথা মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) ও ওই দলেরই নেতা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) আনা বিভিন্ন মামলা বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর সুপারিশ করল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। ওই বৃহত্তর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে ১ অগাস্ট। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের জেরে ১ অগাস্ট পর্যন্ত সময় পেল শিন্ডে ও উদ্ধব দুই শিবিরই। এই সময়সীমার মধ্যে দু’পক্ষের কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধেই দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে?

    শিবসেনা কার? উদ্ধব ঠাকরে না একনাথ শিন্ডের, এনিয়ে মোট ছটি আবেদন জমা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে পাঁচটি আবেদন করা হয়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের পক্ষ থেকে। আর একটি মাত্র আবেদন করা হয়েছে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের তরফে। এদিন শুনানির শুরুতেই সুপ্রিম কোর্টে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধবের পক্ষে সওয়াল করতে হাজির হন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল। আর শিন্ডে শিবিরের হয়ে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী হরিশ সালভে। আদালতে সিবাল বলেন, মহারাষ্ট্রে গণতন্ত্র ঘোর বিপদে। ওই রাজ্যে যা ঘটছে তাতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো তামাশায় পরিণত হয়েছে। পাল্টা সওয়াল জবাবে সালভে বলেন, এই তর্ক এখানে একেবারেই যথাযথ নয়, যেখানে একজন মুখ্যমন্ত্রীকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন তাঁরই দলের সদস্যরা।  

    দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর ১ অগাস্টের মধ্যে দু’পক্ষকে যাবতীয় নথি এবং জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয় প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। ততদিন পর্যন্ত মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকারকে বিধায়কদের অযোগ্যতা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ করতে নিষেধ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি এনভি রমন্না বলেন, আমার মনে হয়, বিষয়টির নিষ্পত্তির জন্য একে বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো উচিত।

    আরও পড়ুন : বিজেপি কেন একনাথ শিন্ডের হাতে মহারাষ্ট্রের রাশ ছাড়ল?

    বিজেপির সঙ্গে জোট গঠন নিয়ে শিবসেনার একনাথ শিন্ডের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে দলেরেই নেতা উদ্ধব ঠাকরের। শেষমেশ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করে শিন্ডে। পতন হয় উদ্ধব সরকারের। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় দু’পক্ষই।

     

  • Maharasthra Crisis: বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে মোদির সঙ্গে কথা বলেছিলেন উদ্ধব ঠাকরে নিজে!  

    Maharasthra Crisis: বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে মোদির সঙ্গে কথা বলেছিলেন উদ্ধব ঠাকরে নিজে!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাবিকাশ আঘাড়ি (MVA) জোট সরকার তৈরি হওয়ার পর খোদ শিবসেনা (Shiv Sena) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। একথা জানালেন শিবসেনা সাংসদ রাহুল শেওয়ালে (Rahul Shewale)। তাঁর দাবি, এমভিএ জোট থেকে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গেই জোট করার পক্ষপাতী ছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

    শিবসেনা, কংগ্রেস, এনসিপিকে নিয়ে গড়া মহাবিকাশ আঘাড়ির জোট ছেড়ে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়তে চেয়েছিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে। তা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে তাঁর। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে সেখান থেকে চলে যান বিজেপি শাসিত অসমে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। পতন হয় উদ্ধব ঠাকরের সরকারের।

    রাষ্ট্রপতি পদে দ্রৌপদীকে সমর্থন করে বিজেপিকে বার্তা উদ্ধব ঠাকরের?

    রাহুল শেওয়ালেও বর্তমানে শিন্ডে শিবিরের সৈনিক। এদিনই লোকসভায় রাহুলকে দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন স্পিকার ওম বিড়লা। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠকে বোমা ফাটান রাহুল। শিবসেনার এই বিদ্রোহী শিবিরের নেতার দাবি, আগেই বিজেপির সঙ্গে জোট হয়নি কারণ শিবসেনার বেশ কিছু সদস্য এর বিরোধিতা করেছিলেন। তাই ঠাকরেও আর সাহসী হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

    তবে শিবসেনার সাংসদদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন বলেও দাবি রাহুলের। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে এবিষয়ে ঠাকরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। রাহুলের দাবি, শিবসেনা সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠকে ঠাকরে স্বয়ং জানিয়েছিলেন, গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেছিলেন তিনি।

    রাহুল জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই বিজেপির সঙ্গেই জোট গড়ার ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়েছিলেন ঠাকরে। তাঁর দাবি, এর পরেই ১২ জন বিজেপি বিধায়ককে সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মনে হয়েছিল, ঠাকরে একদিকে তাঁদের সঙ্গে জোট চাইছেন, আবার অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন। এর পর আর সেনার তরফে ইতিবাচক কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে বিজেপিও মুখ ফিরিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রাহুলের।

    আরও পড়ুন : শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

     

  • Maharashtra Political Crisis: যুদ্ধ চলছে! বিধায়কদের পর কাউন্সিলর, উদ্ধবের হাতছাড়া ঠাণে পুরসভা

    Maharashtra Political Crisis: যুদ্ধ চলছে! বিধায়কদের পর কাউন্সিলর, উদ্ধবের হাতছাড়া ঠাণে পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধ অব্যাহত মহারাষ্ট্রে! শিন্ডে-সেনা (Shiv Sena)ও উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) শিব সেনার (Shiv Sena) লড়াই চলছেই। মহারাষ্ট্র সরকারের পর এ বার ঠাণে পুরসভার দখল হাতছাড়া হল উদ্ধবের। বৃহস্পতিবার ওই পুরসভার ৬৭ জন শিবসেনা কাউন্সিলরের ( মহারাষ্ট্রে যাঁদের কর্পোরেটর বলা হয়) ৬৬ জনই যোগ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিবিরে। শিন্ডেদের দাবি,দ্রুত মুম্বই-সহ বিভিন্ন পুরসভার আরও কিছু শিবসেনা কর্পোরেটর তাঁদের সঙ্গী হতে চলেছেন। 

    উল্লেখ্য,সক্রিয় রাজনীতিতে যোগদানের আগে এক সময়ে ঠাণে শহরেই অটো চালিয়েছেন শিন্ডে। থাকতেন শহরে টালির চালের একটি ছোট্ট ঘরে। এই এলাকা থেকেই অটোচালক থেকে নেতা হিসেবে উত্থান হয়েছিল একনাথের। আশির দশকে আনন্দ দীঘের হাত ধরে বাল সাহেব ঠাকরের দলে যোগ দেন মহারাষ্ট্রের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। এখানেই প্রথমবার ভোটে জিতে কাউন্সিলরও হন তিনি। পরবর্তীকালে এলাকার চারবারের বিধায়ক শিন্ডে। ফলে ওই শহরে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব প্রশ্নাতীত। ঠাণে পুরসভার দখল নিয়ে এবার রাজ্য রাজনীতির নীচের তলাতেও ছড়ি ঘোরানোর কাজ শুরু করে দিলেন একনাথ। 

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে এবার ‘অটো-মার্সিডিজ’ লড়াই! উদ্ধব-শিন্ডে বাকযুদ্ধে সরগরম শিবাজির দেশ

    প্রসঙ্গত, শিন্ডে-সেনার বিরোধিতায় গত ২৯ জুন মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন উদ্ধব ঠাকরে। এর একদিন পরেই ৪০ জন বিক্ষুব্ধ শিব সেনা বিধায়কের সমর্থন নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister of Maharashtra) হন একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপি (BJP) নেতা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ (Debendra Farnabish)। এখন শুধুই শিবসেনা প্রধান উদ্ধব। তাঁর দলে প্রতিদিনই চলছে ভাঙনের পালা। বুধবারই শিবসেনার সংসদীয় দলে ভাঙনের আঁচ পেয়েছিলেন উদ্ধব। তাই তড়িঘড়ি শিন্ডে শিবিরের ঘনিষ্ঠ ভাবনা গওলীকে সরিয়ে লোকসভার চিফ হুইপ হিসেবে মনোনীত করেন রাজন বিচারেকে। ঠাণের সাংসদ রাজন শিন্ডে-বিরোধী হিসেবেই পরিচিত। এরপরই শিবসেনার হাতছাড়া হল ঠাণে পুরসভা। শিবসেনার দখলে থাকা পুরসভাগুলির মধ্যে ঠাণে ছিল দ্বিতীয় বৃহত্তম। বৃহন্মুম্বই পুরসভার পরেই। ঠাণের ঘটনাতেই পরিষ্কার বিধায়ক, সাংসদ, কাউন্সিলর সবক্ষেত্রেই নিজের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন শিব সেনা প্রধান।

  • Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা সাংসদ নবনীত রাণার (Navneet Rana) গ্রেফতারির ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব করল সংসদীয় কমিটি। এই চারজন হলেন – মহারাষ্ট্রের মুখ্যসচিব, মহারাষ্ট্রের ডিজিপি, মুম্বাই পুলিশ কমিশনার এবং বাইকুল্লা জেলা মহিলা জেলের সুপারইন্টেনডেন্ট আগামী ১৫ জুন তলব করল সংসদের প্রিভিলেজ এবং এথিকস্ কমিটি (Parliament Privileges and Ethics Committee)। এছাড়াও সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দিকে গ্রেফতারের ইস্যুতে তেলাঙ্গনার এক আধিকারিককেও তলব করা হয়েছে। 

    ২৩ এপ্রিল ‘হনুমান চালিশা’ বিতর্কে সাংসদ নবনীত রাণা এবং তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। জেলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে একথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন নির্দল সাংসদ নবনীত রাণা। চিঠিতে নবনীত লেখেন, “২৩ তারিখ আমাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ২৩ এপ্রিলের রাত আমাকে পুরোপুরি থানার ভিতরেই কাটাতে হয়। রাতে আমি বহুবার খাওয়ার জন্য জল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে একবারও জল দেওয়া হয়নি। এমনকী, আমাকে বলা হয়, আমি নিচু জাতের মেয়ে। তাই তাঁরা যে গ্লাসে জল খান, সেই একই গ্লাসে আমাকে জল দিতে পারবেন না। আমার সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা আদতে মানবাধিকারবিরোধী।”  

    আরও পড়ুন: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর
     
    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই লাউডস্পিকার বিতর্কে উত্তাল হয় গোটা দেশ, বিশেষ করে মহারাষ্ট্র। মুসলিমদের লাউডস্পিকারে আজান পড়ার বিরোধিতা করে হিন্দু সংগঠন থেকে সাধারণ মানুষ। সেই প্রসঙ্গেই এই রাণা দম্পতি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাড়ির সামনে লাউডস্পিকারে হনুমান চালিশা পড়ার হুঁশিয়ারি দেন। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। পরে জামিনও পান তাঁরা।    

    সংসদীয় কমিটি তলব করা সব সরকারি আধিকারিককেই ১৫ জুন সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দি অভিযোগ করেন একটি মিথ্যে মামলায় তাঁকে বলপূর্বক গ্রেফতার করেন তেলাঙ্গনার পুলিশ আধিকারিক সত্যনারায়ণ। সেই অভিযোগের ভিত্ততেই সত্যনারায়ণকেও তলব করেছে কমিটি। 

    আরও পড়ুন: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

  • Maharashtra Crisis: সুপ্রিম কোর্টে শিন্ডে-গোষ্ঠী! বিধায়ক পদ খারিজের বিরুদ্ধে আদালতে একনাথরা

    Maharashtra Crisis: সুপ্রিম কোর্টে শিন্ডে-গোষ্ঠী! বিধায়ক পদ খারিজের বিরুদ্ধে আদালতে একনাথরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনার (Shiv Sena) অন্দরে বিদ্রোহের আঁচ পৌঁছল দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে-সহ ১৬ জনের বিধায়ক পদ বাতিল করেছে উদ্ধব গোষ্ঠী। বিধায়ক পদ খারিজের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন শিন্ডে (Eknath Shinde)। একনাথ শিবিরের তরফে দুজন প্রতিনিধি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। আজই সেই মামলার শুনানি হবে। 

    সূত্রের খবর, মূলত তিনটি পয়েন্ট এই আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে – প্রথমত বিধানসভার দলনেতা হিসাবে অজয় চৌধুরীকে মনোনীত করার বিষয়টিকে চ্য়ালেঞ্জ জানিয়েছে একনাথ শিন্ডের শিবির। দ্বিতীয়ত একনাথ শিবিরের পক্ষ থেকে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে তাদেরকে বরখাস্ত করার পদক্ষেপ যেন ডেপুটি স্পিকার না নেন। পাশাপাশি একনাথ শিবিরে থাকা বিধায়কদের বরখাস্ত করার ব্যাপারে যে নোটিশ জারি করা হয়েছে সেটিকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে শিন্ডেরা। একনাথদের হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী হরিশ সালভে। মহারাষ্ট্র সরকারের হয়ে লড়ার কথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙভির। বিচারপতি সূর্যকান্ত ও জে বি পাটিয়ালার ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে উদ্ধব সরকার, পিটিশনে দাবি করেছেন বিদ্রোহীরা। শিন্ডে দাবি করেছেন, তাঁকে সমর্থন করছেন ৫০ জন বিধায়ক। যাঁর মধ্যে ৪০ জন শিবসেনার। তিনি নিজের প্রাণ সংশয়ের কথাও আদালতে জানান। এই আবহে বিদ্রোহী ১৬ জনকে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

    আরও পড়ুন: বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে কী হয়, তার উপর নির্ভর করছে মহারাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ। সোমবার সকালে বিদ্রোহীদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিন্ডে। বিদ্রোহী সেনা বিধায়ক একনাথ মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরের সঙ্গেও কথা বলেছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার জন্য দুপুর দুটোর সময় শিন্ডে তাঁর সমর্থক বিধায়কদের সঙ্গে গুয়াহাটির হোটেলে আরও একটি বৈঠক ডেকেছেন। আলোচনা চালাচ্ছে উদ্ধব-বাহিনীও।  সূত্রের খবর, বিদ্রোহীদের সঙ্গে মেসেজে যোগাযোগ রাখছেন উদ্ধবও।

    বিদ্রোহী-বিধায়কেরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেননি বলে শিবসেনার তরফে এদিন মুম্বই হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করা হয়। বলা হয়, জনগনের স্বার্থে কর্তব্য পালনে ব্যর্থ শিন্ডে গোষ্ঠী। দলের মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত আজ বলেন, ‘যারা ৪০ বছর একটি পার্টিতে থাকে এবং তারপর পালিয়ে যায়, তাদের আত্মা মারা গিয়েছে। তাদের মধ্যে কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই লাইনগুলি ডাঃ রাম মনোহর লোহিয়া বলেছেন। আমি বলিনি। কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, আমি শুধু সত্য বলেছি।’ প্রসঙ্গত, একদিন আগেই সঞ্জয় গুয়াহাটিতে বিদ্রোহী দলের বিধায়কদের ‘জীবন্ত মৃতদেহ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

LinkedIn
Share