Tag: UGC

UGC

  • UGC: দেশের ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি, রয়েছে রাজ্যের দুই

    UGC: দেশের ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করল ইউজিসি, রয়েছে রাজ্যের দুই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসি (UGC) সম্প্রতি ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ২টি। দুটির অবস্থানই কলকাতায়। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবকদের কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সময় আরও সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইউজিসির (UGC) প্রকাশ করা এই তালিকায় থাকা বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান দাবি করে যে, সেখানে নির্দিষ্ট বিষয়ে ডিগ্রি দেওয়া হয়। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে নিবন্ধীত নয় বলেই জানিয়েছে ইউজিসি। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে ভর্তি তো করায় কিন্তু নিবন্ধন না থাকার কারণে ভবিষ্যতে চাকরিক্ষেত্রে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় পড়ুয়াদের। ইউজিসির নিয়মানুযায়ী নিবন্ধন পেতে যে ধরনের অ্যাকাডেমিক ও পরিকাঠামোগত মানদণ্ড থাকা উচিত তা নেই এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে (Fake University)।

    ভর্তির আগে খুঁটিনাটি বিষয় জানতে বলেছে ইউজিসি (UGC)

    এই ধরনের ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলি (UGC) নিজেদের মতোই চলে। ইউজিসির নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে এরা। এর ফলে বেশ কিছু পড়ুয়ার সময় ও অর্থ দুই-ই অপব্যয় হয় এই প্রতিষ্ঠানগুলিতে। তাই ইউজিসি বারবার সতর্ক করেছে অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের। ইউজিসি পড়ুয়াদের আবেদন জানিয়েছে, কোনও প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আগে সেই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে সমস্ত তথ্য দেখে নেওয়ার। ভর্তি হওয়ার আগে সেই প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন আছে কিনা তাও যেন যাচাই করতে বলা হয়েছে। ইউজিসি-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইউজিসি আইন ১৯৫৬-এর অধীনে নিবন্ধীত সেগুলিই কেবলমাত্র ভারতে ডিগ্রি দিতে পারে। 

    কোন কোন প্রতিষ্ঠান (Fake University) রয়েছে এই তালিকায়?

    ১) ক্রাইস্ট নিউ টেস্টামেন্ট ডিমড ইউনিভার্সিটি, গুন্টুর

    ২) বাইবল ওপেন ইউনিভার্সিটি অফ ইন্ডিয়া, ভাইজাগ

    ৩) এআইআইপিএইচএস গভর্নমেন্ট ইউনিভার্সিটি, দিল্লি

    ৪) কমার্শিয়াল ইউনিভার্সিটি লিমিটেড, দিল্লি

    ৫) ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, দিল্লি

    ৬) ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি

    ৭) এডিআর সেন্ট্রিক জুরিসডিকাল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি

    ৮) আইআইএসই, দিল্লি

    ৯) বিশ্বকর্মা ওপেন ইউনিভার্সিটি ফর সেলফ এমপ্লয়মেন্ট, দিল্লি

    ১০) আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি

    ১১) বড়গণভি সরকার ওয়ার্ল্ড ওপেন ইউনিভার্সিটি, বেলগাঁও

    ১২) সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি, কেরল

    ১৩) আইআইইউপিএম, কোঝিকোড়

    ১৪) রাজা আরাবিক ইউনিভার্সিটি, নাগপুর

    ১৫) শ্রী বোধি অ্যাকাডেমি অফ হায়ার এডুকেশন, পুদুচেরি

    ১৬) গান্ধী হিন্দি বিদ্যাপীঠ, প্রয়াগ, এলাহাবাদ

    ১৭) নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বিশ্ববিদ্যালয়, আলিগড়

    ১৮) ভারতীয় শিক্ষা পরিষদ, লখনউ

    ১৯) মহামায়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, নয়ডা

    ২০) ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন, কলকাতা

    ২১) ইনস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ, কলকাতা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    Vice Chancellor: শিক্ষা জগতের বাইরের বিশিষ্টরাও হতে পারবেন উপাচার্য, নয়া বিধি আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য (Vice Chancellor) হওয়ার যোগ্যতা মানে বড়সড় পরিবর্তন আনতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। নয়া বিধিতে বলা হয়েছে, সমাজের যে কোনও পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিই হতে পারবেন উপাচার্য। একই সঙ্গে নয়া বিধি অনুযায়ী, উপাচার্য নিয়োগে ক্ষমতাও বাড়ানো হচ্ছে আচার্যদের। নতুন বিধি অনুসারে, সার্চ কমিটির তৈরি প্যানেল থেকে একজনকে বেছে নিতে পারবেন আচার্যরা। মানে অন্য কোনও পক্ষের মতামত দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এছাড়া, অধ্যাপক, চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগের নিয়মেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে ইউজিসি। সেই সংক্রান্ত খসড়াও প্রকাশ করা হয়েছে।

    রাজ্যপাল ছাড়া অন্যান্যরাও হতে পারেন উপাচার্য (Vice Chancellor) 

    নতুন বিধিতে সাফভাবে জানানো হয়েছে, আচার্য বলতে শুধুমাত্র রাজ্যপালদেরই বিবেচনা করা হবে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়েও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আচার্য করা যেতে পারে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, উপাচার্য (Vice Chancellor) পদে পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে রবীন্দ্রভারতী এবং আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা জগতের বাইরের মানুষ রয়েছেন। রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। আলিয়ার উপাচার্য একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তা। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে ওই দুই উপাচার্যকে নিয়োগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমতা জাহির করতে বিল পেশ বিধানসভায় (Vice Chancellor)

    সাধারণভাবে রাজ্যপালই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্যের ভূমিকা পালন করে থাকেন। এই আবহে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের আশায়, রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে উপাচার্য করার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিলও পেশ করেছে শাসক দল। যদিও রাজ্যপাল বিলটিতে সম্মতি না দেওয়ায় সেটি কার্যকর করা যায়নি। এরই মধ্যে কেন্দ্রের এই নয় খসড়া বিধি সামনে এল। সমাজের নানা পেশার গুণিজনদের উপাচার্য করার প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, এরফলে উচ্চশিক্ষার সঙ্গে সমাজের সব অংশের সম্পৃক্ততা বাড়বে। নতুন নতুন ধারণায় সমৃদ্ধ হবে উচ্চশিক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    One Nation One Subscription: গবেষণায় ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-কে ছাড়পত্র কেন্দ্রের, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সব গবেষণাকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। একই ভাবে সমান সুযোগ পাবে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (UGC) অধীনে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি গবেষণার কাজ করবে। সোমবার এমনই ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription) একটি সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শীতকালীন সংসদের অধিবেশনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বিশেষ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    ২০২২ সালে মোদি উল্লেখ করেছিলেন (One Nation One Subscription)  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২২ সালে স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় গবেষণার উপর জোর দেওয়ার কথা প্রথম বলেছিলেন। ভাষণে উঠে এসেছিল ‘জয়-অনুসন্ধান’-এর কথা। আধুনিক ভারতে দেশের গবেষকরা বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা তুলে ধরেছিলেন। ঠিক তার পরবর্তী পদক্ষেপ স্বরূপ উঠে আসল এবারের গবেষকদের কথা। গবেষণার কথা ভেবেই এবার মোদির মন্ত্রী পরিষদের নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েছে। এই প্রকল্পের নাম ‘এক দেশ এক সাবস্ক্রিপশন’ (One Nation One Subscription)। এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের কোনও বিভাজন করা হবে না। সকলে একই সংস্থার অধীনে গবেষণায় যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। একই প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতে চান মোদি (Modi cabinet)। আগামী ২০২৫, ২০২৬ এবং ২০২৭ সালে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে।

    কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার (Modi cabinet) বৈঠকে জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অধীনে থাকা কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা নিজের গবেষণা কাজ করবেন। এই প্রকল্পের জন্য কেন্দ্র ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই টাকা ৩ বছরে খরচ করা হবে। ২০২৫ সাল থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রকল্পে (One Nation One Subscription) ৬ হাজার ৩০০ প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে অনুমানিক ২ কোটি গবেষক সুবিধা পাবেন। কাজের সুবিধার জন্য বিশেষ গ্রন্থাগারের ব্যবস্থা করা হবে। তথ্য এবং আইএনএফএলআইবিএনইটি (INFLIBNET) হল ইউজিসির একটি অন্তর্ভুক্ত একটি সংস্থা। এখানে ৩০টি প্রধান আন্তর্জাতিক জার্নাল প্রকাশককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রকাশকদের প্রায় ১৩ হাজার ই-জার্নাল গবেষণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।”

    ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ স্কিমের মূল বিষয় গুলি হল–

    ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন (One Nation One Subscription) স্কিমটি গবেষণায় উৎসাহ বাড়াতে এবং ভারতের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে এক একটি গবেষণা-ভিত্তিক সংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করতে চায়। এই উদ্যোগটিতে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, পরীক্ষাগারগুলিতে গবেষণা এবং নানা উদ্ভাবনী প্রচারের জন্য অনুসন্ধান কেন্দ্র বা ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (NRF) এর মতো প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে চায় কেন্দ্র সরকার।

    তথ্য ও গ্রন্থাগার নেটওয়ার্ক (INFLIBNET) গবেষণার কাজের জন্য আবশ্যক করা হবে প্রকল্পে। সেই সঙ্গে স্বায়ত্তশাসিত ইউজিসি (UGC) স্কিমটিকে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার দ্বারা পরিচালিত ৬,৩০০ টিরও বেশি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলিকে সুবিধা প্রদান করবে।

    আরও পড়ুনঃ প্যান কার্ডে জুড়ছে কিউআর কোড, সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, আরও বাড়বে সুরক্ষা

    বিকশিত ভারতের অঙ্গ এই প্রকল্প

    এই প্রকল্প (One Nation One Subscription) বিকশিত ভারত (Viksitbharat@2047), ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি বা জাতীয় শিক্ষা নীতির (NEP 2020) এবং অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন (Anusandhan National Research Foundation)-এর লক্ষ্যগুলির সঙ্গে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই প্রকল্প শহর-গ্রামীণ সমস্ত শাখার ছাত্র, গবেষকেরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লেখক তথা বরিষ্ঠ গবেষক, বিজ্ঞানী এবং নানা ধরনের জার্নালগুলিকে ব্যবহার করে নিজের গবেষণার কাজকে খুব সহজেই প্রস্তুত করতে পারবেন। অনুসন্ধান ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’ ব্যবহার এবং এই প্রতিষ্ঠানগুলির ভারতীয় লেখকদের প্রকাশনা পর্যালোচনা করবে।

    কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা অধিদফতর এবং অন্যান্য মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যাদের এইচইআই (HEI) এবং রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট (R&D) প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলির ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের মধ্যে এই প্রকল্পের সুবিধা এবং পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করবে। একই ভাবে সারা দেশে ‘ওয়ান নেশন ওয়ান সাবস্ক্রিপশন’-এর (One Nation One Subscription) সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক এবং গবেষকদের অনন্য সুবিধার সর্বাধিক ব্যবহাররের জন্য সর্ব স্তরে প্রচার চালানো হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    UGC: মাতৃভাষায় মিলবে পড়াশোনার রসদ, ‘অস্মিতা’ প্রকল্প চালু ইউজিসি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধের সমান।” বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। মাতৃভাষায় বই না থাকায় বহু ছাত্রছাত্রী সম্মুখীন হচ্ছেন নানা সমস্যার। এই বইগুলির সিংহভাগই ইংরেজি ভাষায়। যাঁরা ইংরেজিতে দুর্বল, সমস্যাটা হচ্ছিল মূলত তাঁদেরই। ছাত্রছাত্রীদের এই সমস্যা দূর করতেই এবার উদ্যোগী হল ইউজিসি (UGC) এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক। ইউজিসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২২টি আঞ্চলিক ভাষায় তৈরি হবে ২২ হাজার বই। মঙ্গলবারই এ সংক্রান্ত একটি প্রজেক্ট চালু করেছে ইউজিসি। প্রজেক্টের নাম ‘অস্মিতা’ (Project Asmita)। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হল, পড়ুয়ারা যাতে পড়াশোনা করতে পারেন মাতৃভাষায়ই।

    ‘অস্মিতা’ প্রকল্প (UGC)

    ‘অস্মিতা’ নামটি সংক্ষিপ্ত। পুরো নাম হল ‘অগমেন্টিং স্টাডি মেটিরিয়ালস ইন ইন্ডিয়ান ল্যাঙ্গুয়েজেস থ্রু ট্রান্সলেশন অ্যান্ড অ্যাকাডেমিক রাইটিং’। প্রকল্পের উদ্বোধন করেন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের সচিব সঞ্জয় মূর্তি। প্রকল্পটি মূলত হতে চলেছে ভারতীয় ভাষা সমিতি ও ইউজিসির যৌথ উদ্যোগ। ভারতীয় ভাষাগুলিকে সামনের সারিতে নিয়ে আসার জন্য নিরন্তর কাজ করে চলে ভারতীয় ভাষা সমিতি। এই কাজই এবার তারা করবে ইউজিসির সঙ্গে, যৌথ উদ্যোগে।

    স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর

    প্রকল্প পরিচালনা করতে চিহ্নিত করা হয়েছে ১৩টি নোডাল বিশ্ববিদ্যালয়কে (UGC)। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্যরাও যুক্ত থাকবেন এই কাজে। দেশের ২২টি ভাষায় বই লেখার জন্য তৈরি করা হয়েছে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর। এর মধ্যেই রয়েছে নোডাল অফিসার বেছে নেওয়া, বই লিখন ও সম্পাদনা, পাণ্ডুলিপি জমা নেওয়া, বই পর্যালোচনা, প্ল্যাগারিজম যাচাই করা এবং লেখক নির্বাচনও। বইয়ের প্রুফ রিডিং, ডিজাইন এবং ই-পাবলিকেশনও করা হবে।

    আরও পড়ুন: অর্থমন্ত্রকের হালুয়া উৎসবে যোগ দিলেন সীতারামন, জানুন এই বিশেষ প্রথার তাৎপর্য

    এরই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রক তৈরি করেছে ‘বহুভাষা শব্দকোষ’। এই শব্দকোষে থাকবে ভারতের সব ভাষার পারস্পরিক অর্থ। যিনি শব্দকোষটি ব্যবহার করবেন, তিনি হয়তো হিন্দি একটি কোনও শব্দকে অসমিয়া ভাষায় কী বলে জানতে চাইলেন। তিনি তা পাবেন এই শব্দকোষেই।

    এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান লিখেছেন, “তিনটি মাইলফলক উদ্যোগ চালু হল। এগুলি হল অস্মিতা, বহুভাষা শব্দকোষ এবং রিয়েল টাইম ট্রান্সলেশন আর্কিটেকচার। এগুলির সাহায্যে পড়ুয়ারা তাঁদের প্রয়োজনীয় রসদ (UGC) পাবেন ভারতীয় ভাষায়। ভারতীয় ভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং  প্রোমোট করাও (Project Asmita) এর উদ্দেশ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • NEET UG Re-test:  শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে রবিবার ফের পরীক্ষা ১,৫৬৩ জন নিট প্রার্থীর

    NEET UG Re-test:  শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে রবিবার ফের পরীক্ষা ১,৫৬৩ জন নিট প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট বা নিট ইউজি-র ১,৫৬৩জন পরীক্ষার্থীর ফের পরীক্ষা (NEET UG Re-test) গ্রহণ করা হবে রবিবার। জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে উপস্থিত থাকবেন। মেঘালয়, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, গুজরাট এবং চণ্ডীগড়ের ছয়টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেরিতে শুরু হওয়ায় যে গ্রেস মার্ক দেওয়া হয়েছিল তা প্রত্যাহার করে নিয়েই ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে। 

    কোথায় কোথায় পরীক্ষা

    রবিবার সাতটি কেন্দ্রে পুনরায় পরীক্ষা (NEET UG Re-test) অনুষ্ঠিত হবে। ছয়টি নতুন কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তবে চণ্ডীগড়ের একটি কেন্দ্র অপরিবর্তিত থাকছে। সেখানে শুধুমাত্র দুইজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন। এজেন্সি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকরা এই কেন্দ্রগুলিতে উপস্থিত থাকবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস, দেরিতে পরীক্ষা শুরু-সহ নানা অভিযোগে নিট বাতিলের দাবি উঠেছিল। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছিলেন, ‘কোথাও কোথাও অনিয়ম হয়েছে।’ পাশাপাশি তিনি জানান, যদি ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিক কোনও আধিকারিক এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, ‘দু’টি জায়গায় অনিময় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আমি পরীক্ষার্থী এবং সব অভিভাবকদের আশ্বাস দিতে চাই, সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    স্থগিত সিএসআইআর নেট

    স্থগিত করা হল বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণার প্রবেশিকা সিএসআইআর ইউজিসি নেট (CSIR UGC NET)। শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষা বাতিলের বিষয়ে জানিয়েছে জাতীয় টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর নিয়ম অনুযায়ী, দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ, লেকচারারশিপ এবং সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করার যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য সিএসআইর ইউজিসি নেট নেওয়া হয়। আগামী ২৫ এবং ২৭ জুন এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। অনিবার্য কারণবশত এই পরীক্ষা স্থগিত করতে তারা বাধ্য হয়েছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে এনটিএ। পরবর্তী পরীক্ষার দিন এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। পরীক্ষার্থীদের ওয়েবসাইট www.csir.nta.ac.in –এ নজর রাখতে বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC NET: স্বচ্ছতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিল করল শিক্ষামন্ত্রক

    UGC NET: স্বচ্ছতার কারণ দেখিয়ে ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিল করল শিক্ষামন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল হয়ে গেল ইউজিসি নেট পরীক্ষা (UGC NET)। বুধবার রাতে শিক্ষামন্ত্রকের তরফে এই মর্মে জারি করা হয়েছে বিবৃতি। তাতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ২০২৪ সালের ইউজিসি নেট পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    পরীক্ষা পদ্ধতিতে অনিয়ম

    এই পরীক্ষা পদ্ধতিতে অনিয়ম হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশের সাইবার বিভাগ। তাই আবারও নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রক। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই হয়েছিল ইউজিসি নেট পরীক্ষা (UGC NET)। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১০ লাখ পরীক্ষার্থী। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, অনিয়মের তদন্ত করবে সিবিআই। এই পরীক্ষাটি ফের নেওয়া হবে। তবে কবে সেই পরীক্ষা হবে, সে সংক্রান্ত তথ্য আলাদা করে জানাবে শিক্ষা মন্ত্রক। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি ১৮ জুন হওয়া পরীক্ষায় অনিয়মের তদন্ত করবে সিবিআই।

    শিক্ষামন্ত্রকের বিবৃতি

    শিক্ষামন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৮ জুন ওএমআর মোডে ইউজিসি নেট পরীক্ষা নেয় এনটিএ। দেশজুড়ে দুটি ধাপে এই পরীক্ষা হয়। কিন্তু ১৯ জুন, বুধবার ইউজিসি জানতে পারে স্বচ্ছতার সঙ্গে আপোশ করা হয়েছে ওই ইউজিসি নেট পরীক্ষায়। ভারতের সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের অধীনে ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম থ্রেট অ্যানালিটিক্স ইউনিট, ইউজিসিকে এই পরীক্ষা সংক্রান্ত কিছু খবর দেয়। তাতে প্রাথমিকভাবে ইঙ্গিত মেলে, এ বছরের ইউজিসি নেট পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে।

    সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টারটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেজন্য আলাদা করে নির্দেশিকা জারি করা হবে। অনিয়মের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য তদন্তভার তুলে দেওয়া হবে সিবিআইয়ের হাতে। পরীক্ষার পবিত্রতা এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে সরকার দায়বদ্ধ।

    আর পড়ুন: রেলে প্রচুর নিয়োগ, অতিরিক্ত ১৩ হাজার অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট পদের বিজ্ঞপ্তি

    জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন করিয়েছিলেন ১১ লাখ ২১ হাজার ২২৫ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষায় বসেছিলেন ৯ লাখ ৮ হাজার ৫৮০ জন। শতাংশের বিচারে ৮১। দেশের ৩১৭টি শহরের ১২০৫টি কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা (UGC NET)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    UGC: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির সুযোগ! বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বছরে দুবার ভর্তির (Biannual Admission In Universities) সুযোগ পাবেন পড়ুয়ারা, জানিয়েছে ইউজিসি (UGC)। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে জুলাই-আগস্ট এবং জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি এই দুইবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশিকা দিয়েছে। তবে এই নির্দেশিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে না।

    নয়া সিদ্ধান্তে কারা উপকৃত হবেন?

    এক একটি রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ও ফল প্রকাশের সময় আলাদা। ফলে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যারা যাবেন তাঁরা এর ফলে উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফল প্রকাশের দেরি হলে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া সুযোগ হাতছাড়া হবে না। অনেক ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের পছন্দসই বিশ্ববিদ্যালয় ফল প্রকাশের বিলম্বের জেরে ভর্তির ক্ষেত্রে এক বছর অপেক্ষা করতে হত। এবারে সেসব দিন অতীত।ইউজিসির (UGC) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অসুস্থতা বা ব্যক্তিগত কারণে জুলাই-আগস্টে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে পারেননি, তাঁরাও ছয়মাসের ব্যবধানে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি (Biannual Admission In Universities) শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ পাবেন। ফলে বছরে দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া হলে কোনও পড়ুয়ারই গোটা বছর নষ্ট হবে না। বছরে দুবারে ক্যাম্পাসে নিয়োগের পরীক্ষাও চালানো হবে। সেই মত  ক্লাসরুম, গবেষণাগার পর্যাপ্ত সংখ্যক শিক্ষকের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে।

    নয়া সিদ্ধান্ত কবে থেকে কার্যকর হবে? (Biannual Admission In Universities)

    প্রসঙ্গত পৃথিবীর বহু দেশে বিশ্ববিদ্যালয় বছরের দুবার ভর্তির প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। ভারতে এরকম চালু হলে আখেরে দেশের পড়ুয়াদের সুবিধে হবে (UGC)। বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি সংযোগ বৃদ্ধি হবে। দুই দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরস্পরের মধ্যে পড়ুয়া বিনিময় করতে পারবে সহজে। গোটা বছর নষ্ট হবে না। প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন তাঁরা। তবে এখনও সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু পরিকাঠামোতে বদল আনতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কারণ দ্বিবার্ষিক ভর্তি প্রক্রিয়া (Biannual Admission In Universities)  চালু করলেই হবে না, সেই মতো পরিকাঠামো রাখতে হবে। প্রশাসনিক বিষয়টিও দেখতে হবে।

    আরও পড়ুন: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির যা সম্পদ রয়েছে তার ব্যবহারের পাশাপাশি পরিকাঠামোতে বৃদ্ধি আনার পরিকল্পনারও প্রয়োজন রয়েছে। যারা ভিন্ন সময়ে ভর্তি হবেন তাদের পড়াশোনার জন্য যথেষ্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে। শিক্ষাকর্মী, শিক্ষক, ক্লাসরুম এবং রুটিন প্রস্তুত করতে হবে। কিছু রাজ্যে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক গোটা প্রক্রিয়ায় বাধা হতে পারে। আরও জানা গিয়েছে, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এই বছরে দুবার (Biannual Admission In Universities) করে আগাম ভর্তি করাতে বাধ্য নয়। এ ব্যবস্থা চালু হলে নিয়মে প্রয়োজনীয় বদল করা হবে (UGC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    UGC: অনলাইন, ডিস্ট্য়ান্সে উচ্চশিক্ষায় আর প্রয়োজন নেই এআইসিটিই-র অনুমোদন, জানাল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) এবং অনলাইনে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোনও বিষয়ে পঠনপাঠন শুরু করার জন্য বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন নেই। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনই জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি গ্রান্ট কমিশন (UGC)।

    ইউজিসির বক্তব্য (UGC)

    এর আগে অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন বা এআইসিটিই (AICTE )-এর অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সবিস্তার একটি চিঠি পাঠানো হয় ইউজিসিকে (UGC)। এবার ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই ১৩ মার্চ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কমিশনের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইউজিসি-র জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “এবার থেকে এআইসিটিই-এর অনুমোদন ছাড়াই কোনও বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয় সংশ্লিষ্ট পদ্ধতিতে পড়াতে পারবে।” এছাড়াও ইউজিসি-র (University Grants Commission) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, “সরকারি হোক বা বেসরকারি, যেকোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এবার থেকে এআইসিটিই (All India Council of Technical Education)-এর অনুমোদন ছাড়াই টেকনিক্যাল এবং ম্যানেজমেন্ট শাখার যেকোনও বিষয়ে দূরশিক্ষা এবং অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে পারবে পড়ুয়াদের।” জানা গেছে এই সুবিধার আওতায় রয়েছে ম্যানেজমেন্ট, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন ও ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজমের মত বিষয়গুলি। অর্থাৎ উল্লিখিত বিষয়গুলি নিয়ে অনলাইন (online mode) প্রোগ্রাম কিংবা দূরশিক্ষার মাধ্যমে পড়াশোনা করতে পারবেন পড়ুয়ারা।

    আরও পড়ুনঃশাহজাহানের ভাই সিরাজের বিরুদ্ধে এবার লুক আউট নোটিশ জারি করল ইডি

    ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠনে সতর্কতা

    তবে ইউজিসির (UGC) তরফে জারি হওয়া ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ‘ডিমড টু বি ইউনিভার্সিটিজ’-এর ক্ষেত্রে পূর্ব অনুমোদন ছাড়া উল্লিখিত বিষয়ে পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করা যাবে না। উল্লেখ্য, দূরশিক্ষার মাধ্যমে ভুয়ো বিষয়ে পঠনপাঠন নিয়ে আগেই সতর্কতা জারি করেছিল ইউজিসি। এবার কোন কোন বিষয় দূরশিক্ষা কিংবা অনলাইন প্রোগ্রামের মাধ্যমে পড়ানো যাবে এবং তার জন্য আলাদা করে কোনও অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কী না, সেই বিষয়ে ইউজিসি-র ওয়েবসাইটে সম্প্রতি এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তিটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের জেরে এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। তার প্রভাবে গোটা রাজ্যের রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল খড়্গপুর আইআইটিতে (Kharagpur IIT)। দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রকে সারারাত ধরে করানো হল নাচ এবং খেলা। সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কাছে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ জমা পড়লে পুলিশের কাছে একটি মামলা রুজু করা হয়। ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসে যাতে কোনও আর অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কড়া করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযোগে কারও নাম নেই (Kharagpur IIT)

    রাজ্যের একমাত্র আইআইটিতে (Kharagpur IIT) র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ক্যাম্পাসে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরই আরও এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল খড়্গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষকে। এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ! যদিও অভিযোগ ঠিক কার বিরুদ্ধে এবং কে করেছেন অভিযোগ, দুটি বিষয়েই অভিযোগপত্রে নামের উল্লেখ নেই বলে জানা গিয়েছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে হস্টেলগুলি পরিদর্শন করতে প্রতিষ্ঠানের ডিনদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে বিশেষ নোটিশ দিয়ে ১৬ হাজার পড়ুয়াকে সচেতন করা হয়েছে।

    ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ ধারায় মামলা (Kharagpur IIT)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ নম্বর ধারায় পুলিশের কাছে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রথমে অ্যান্টির‍্যাগিং-এর পোর্টালে অভিযোগ করা হয়, তারপর ইউজিসির তরফ থেকে একটি মেইল করে খড়্গপুর আইআইটিকে (Kharagpur IIT) জানানো হয় র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে। আর তারপরই আইআইটি থেকে পুলিশের কাছে খড়্গপুর টাউন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। চতুর্থ এবং তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা, দ্বিতীয় বর্ষের তৃতীয় সেমেস্টারের এক ছাত্রকে সারারাত নাচ এবং খেলা করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    খড়্গপুর টাউন থানার এক আধিকারিক বলেন, “আইআইটির (Kharagpur IIT) কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই আমরা মামলা দায়ের করেছি। এখন তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় কি অসন্তুষ্ট! সোমবারই যাদবপুরে আসছে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

    Jadavpur University: কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় কি অসন্তুষ্ট! সোমবারই যাদবপুরে আসছে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই যাদবপুরে (Jadavpur University) আসছে ইউজিসির বিশেষ প্রতিনিধি দল। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় সন্তুষ্ট নয় ইউজিসি। তাই সোমাবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগের বিশেষ প্রতিনিধি দল ক্যাম্পাসে আসছে বলে জানা যাচ্ছে। এই প্রতিনিধি দলের সদস্যরা কথা বলবেন ক্যাম্পাসের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে। দেখবেন ইউজিসির বিধিনিয়ম কতটা কার্যকর হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    কেন আসছে ইউজিসি(Jadavpur University)?

    সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রমৃত্যুর (Jadavpur University) ঘটনায় ইউজিসি যে রিপোর্ট চেয়েছিল, সেই রিপোর্টে সন্তোষ প্রকাশ করেনি ইউজিসি। ঘটনার রিপোর্ট সন্তোষজনক নয় বলেই ক্যাম্পাসে আসবে ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে সিসিটিভি লাগানো সহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ বিষয়ে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। এমনকি হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ গাইড লাইন কতটা মান্যতা দেওয়া হয়েছে, সেই বিষয়েও জানতে তথ্য গ্রহণ করবে ইউজিসি। কিন্তু ইউজিসি যে সন্তুষ্ট নয়, সেই কথাও জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়কে একাধিক চিঠি দিয়ে। এই জন্যই বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ ক্যাম্পাসে আসবে বলে জানা গেছে।

    ইউজিসির ক্ষোভ প্রকাশ

    রাজ্যের পাঁচ তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University)। প্রথম বর্ষের ছাত্মসত্যুর ঘটনায় তোলপাড় হয়ে উঠেছে যাদবপুর। র‍্যাগিং সহ একাধিক ইস্যুতে ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করছে। অপর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি বিশেষ তদন্ত করছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে বার বার চিঠি পাঠিয়ে ঘটনার বিষদ বিবরণ জানতে চেয়েছে ইউজিসি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শোনা গেছে ইউজিসির একাধিক চিঠিতে। আগামী সোমবার ইউজিসি চার সদস্যের প্রতিনিধি দল আসবে বলে জানা গেছে।

    রেজিস্ট্রারকে গালিগালাজ করে চিঠি

    অপর দিকে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসুর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। শোনা যায় তাঁকে উদ্দেশ্য করে বিশেষ চিঠি দেওয়া হয়। পরে অবশ্য এই ইস্তফার গল্প নিজেই নস্যাৎ করেন রেজিস্ট্রার। বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ জানিয়েছেন, একটি হুমকির চিঠি এসেছে। তাতে অনেক গালিগালাজ রয়েছে। কে পাঠিয়েছে সেই বিষয়ে কোনও কিছু জানা যায়নি। রেজিস্ট্রার আতঙ্কিত হয়ে পড়লে ইস্তফা দিতে চান। কিন্তু এই ইস্তফা পত্র গ্রহণ করা হয়নি।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share