Tag: UIDAI

UIDAI

  • Bombay HC: জাল নথিতে আধার-প্যান- ভোটার কার্ড, ভারতে গভীরে অনুপ্রবেশ বিদেশিদের! কড়া তদন্তের নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের

    Bombay HC: জাল নথিতে আধার-প্যান- ভোটার কার্ড, ভারতে গভীরে অনুপ্রবেশ বিদেশিদের! কড়া তদন্তের নির্দেশ বম্বে হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি জমা দিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড ও ভোটার পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে বিদেশি নাগরিকেরা ভারতের অভ্যন্তরে গভীর পর্যন্ত অনুপ্রবেশ করতে পেরেছে। এই কাজে সাহায্যকারীদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে এমনই পর্যবেক্ষণ করেছে বম্বে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, বিদেশি নাগরিকদের ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের সুযোগ করে দেওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে (Bombay HC)। অপরাধে তাঁদের যোগসূত্র প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বিচারপতি এএস গড়করি এবং বিচারপতি কমল খাতার ডিভিশন বেঞ্চ ১২ অক্টোবরের রায়ে ভারতীয় স্বতন্ত্র পরিচয় কর্তৃপক্ষকে (ইউআইডিএআই) প্রয়োজনীয় আধার নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ২০১৮ সালে নবি মুম্বইয়ের সন্ত্রাসবিরোধী শাখা (এটিএস) বাংলাদেশের নাগরিকদের বেআইনি বসবাস সংক্রান্ত যে মামলা করেছিল, সেই তদন্তের স্বার্থেই এই নথি চাওয়া হয়েছিল (Aadhaar Voter IDs)। রায়ে আদালত বলেছে, “ভারতের সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশকারী বিদেশি নাগরিকেরা দেশের অভ্যন্তরে গভীর পর্যন্ত প্রবেশ করেছে।” আদালতের পর্যবেক্ষণ, অভিযুক্তেরা জাল নথি জমা দিয়ে প্যান কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র এবং আধার কার্ড সংগ্রহ করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেন। বিষয়টিকে গুরুতর উদ্বেগের বলে উল্লেখ করে দ্রুত তদন্ত শেষ করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে আদালত।

    গ্রেফতার পাঁচ বাংলাদেশি (Bombay HC)

    মামলার সূত্রপাত ২০১৮ সালের ১৩ মার্চ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রায়গড় জেলার পানভেলের জুইগাঁও এলাকায় অভিযান চালায় এটিএস। সেখানে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক বেআইনিভাবে বসবাস করছেন বলেও অভিযোগ। অভিযানে পাঁচ জনকেই গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, মহম্মদ আলাউদ্দিন ওরফে মুন্না বা মাস্টার উসমান আনসারি, প্রবীণ আনন্দ পাটিল, অজয় ভীমরাও সুরভে এবং বিশাল জনার্দন শেড়গের সহায়তায় অভিযুক্তেরা ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এই পরিচয়পত্র তৈরির জন্য অভিযুক্তেরা আধার কার্ডের আবেদন করার সময় যে নথি জমা দিয়েছিলেন, সেগুলি হাতে পাওয়ার জন্য ২০১৮ সালে বিচার আদালতে ফৌজদারি বিবিধ আবেদন নম্বর ১৭৭ দায়ের করে প্রসিকিউশন পক্ষ। ওই বছরের ৪ এপ্রিল নবি মুম্বইয়ের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক পাঁচ অভিযুক্তের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করার নির্দেশ দেন ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে।

    অভিযুক্তের আধার নথি পায়নি তদন্তকারী সংস্থা

    তদন্তকারী সংস্থা ইয়াসিন জালাল শেখ, মহম্মদ রফিক আজ্জু শেখ, জামাল ইসমাইল হুসেন-সহ আরও এক অভিযুক্তের আধার সংক্রান্ত নথি পেয়েছিল। কিন্তু বাকার হাসান শেখ নামে অন্য এক অভিযুক্তের নথি কর্তৃপক্ষ দেননি। এর পর ২০১৯ সালে সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্দেশ জারির আবেদন জানিয়ে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এটিএস। ২০১৯ সালের রিট পিটিশন নম্বর ৬০১৯-এ আধার আইন, ২০১৬-এর ৩৩(১) ধারা উল্লেখ করে বাকার হাসান শেখের পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য ও আধার যাচাইকরণের নথি প্রকাশের দাবি জানানো হয় (Bombay HC)। আট বছরেরও বেশি সময় আগে শুরু হওয়া তদন্তে আধার নথি পাওয়ার এই দাবি অবশেষে হাই কোর্টে নিষ্পত্তির পর্যায়ে পৌঁছয়।

    সাহায্যকারীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

    রায়ের সপ্তম অনুচ্ছেদে আদালত বিদেশি নাগরিকদের ভারতে প্রবেশ এবং সরকারি পরিচয়পত্র সংগ্রহে সহায়তাকারীদের ভূমিকা নিয়ে পৃথকভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিচারপতিদের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এবং সহ-অভিযুক্তদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। অপরাধে তাঁদের জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা চালাতে হবে। আদালত আরও স্পষ্ট করে বলেছে, “তদন্তকে তার যৌক্তিক পরিণতি পর্যন্ত নিয়ে যেতে হবে।” এটিএসের আবেদন মঞ্জুর করে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, বাকার হাসান শেখের আধার কার্ড পাওয়ার জন্য জমা দেওয়া নথি রায়টি আদালতের সরকারি ওয়েবসাইটে আপলোড হওয়ার তারিখ থেকে দু’সপ্তাহের মধ্যে সরবরাহ করতে হবে (Aadhaar Voter IDs)। মহারাষ্ট্র সরকার বনাম ভারতীয় স্বতন্ত্র পরিচয় কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য মামলায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাটির নম্বর রিট পিটিশন ৬০১৯/২০১৯। আপাতত আদালতের নির্দেশ এক অভিযুক্তের আধার সংক্রান্ত নথি প্রকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও, পর্যবেক্ষণে বিদেশি নাগরিকদের ভারতীয় পরিচয়পত্র পেতে সাহায্যকারী ব্যক্তিদের ভূমিকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। তদন্তে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তাঁদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার উপর জোর দিয়েছে আদালত (Bombay HC)।

     

  • UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি যদি স্মার্টফোনে নিয়মিত ‘এম আধার’ অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তবে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় আধার পরিচয় কর্তৃপক্ষ বা ইউআইডিএআই (UIDAI) জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে চলেছে বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এম আধার’ অ্যাপটি। এর পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরও নিরাপদ এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি নতুন ‘আধার’ অ্যাপ চালু করা হচ্ছে।

    কেন এই পরিবর্তন (UIDAI)?

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর মতে, বর্তমান ‘এম আধার’ অ্যাপটি কার্যকর হলেও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশেষ করে হোটেল, হাসপাতাল বা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরে পরিচয়পত্র হিসেবে এটি দেখানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সম্পূর্ণ আধার তথ্য প্রকাশ পেয়ে যেতো, যা সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এই ত্রুটি দূর করতেই নতুন অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে, যা দেশের ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন’ (DPDP) আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করার সুযোগ পাবেন। যেমন, কোথাও শুধু বয়স যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে, সম্পূর্ণ আধার (Aadhaar) নম্বর বা ঠিকানা গোপন রেখে কেবল বয়সটুকুই প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।

    নতুন ‘আধার’ অ্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য ও উন্নত ফিচারসমূহ:

    ডিজিটাল পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুরক্ষিত করতে নতুন অ্যাপটিতে (Aadhaar) বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে:

    ফেস অথেন্টিকেশন (Face Authentication)

    পাসওয়ার্ড বা ওটিপি (OTP)-এর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, কেবল ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে মুখমণ্ডল স্ক্যান করেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।

    সুরক্ষিত কিউআর কোড (QR Code Identification)

    কোনও প্রকার সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান না করেই, কেবল কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আধার তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।

    তথ্য শেয়ারিংয়ে নিয়ন্ত্রণ (Selective Information Sharing)

     ব্যবহারকারী ঠিক কোন তথ্যটি শেয়ার করতে চান, তা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। পুরো আধার কার্ডের পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী শুধু বয়স কিংবা ঠিকানা আলাদাভাবে প্রদর্শন করা যাবে।

    বহুস্তরীয় বায়োমেট্রিক লক (Biometric Locking System)

    ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস লক এবং আইরিস (চোখের মণি) লকের মতো ত্রিমাত্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

    অতিরিক্ত সুবিধা

    নতুন এই অ্যাপে একক ডিভাইসের মাধ্যমেই পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের আধার প্রোফাইল যুক্ত এবং পরিচালনা করা যাবে।

    অ্যাপ ডাউনলোড ও প্রোফাইল সক্রিয় করার নির্দেশিকা

    প্রতারণা এড়াতে ইউআইডিএআই (UIDAI) ব্যবহারকারীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড (Aadhaar) করার পরামর্শ দিয়েছে।

    • ১>ডাউনলোড: গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে (Apple App Store) গিয়ে “Aadhaar” লিখে সার্চ করতে হবে। ডাউনলোডের আগে অ্যাপটিতে UIDAI-এর অফিশিয়াল ‘Pehchaan’ লোগোটি অবশ্যই যাচাই করে নিন।
    • ২>ভাষা নির্বাচন: অ্যাপটি চালু করার পর লভ্য ১৩টি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দের ভাষাটি বেছে নিতে হবে।
    • ৩>ওটিপি যাচাইকরণ: আধারের সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি প্রদান করার পর একটি ওটিপি (OTP) আসবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই করতে হবে। সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ফেস স্ক্যানও চাইতে পারে।
    • ৪>পিন ও আধার যুক্তকরণ: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি পিন (PIN) নম্বর সেট করতে হবে এবং এরপর নিজের ১২ সংখ্যার আধার নম্বরটি যুক্ত করলেই প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে।

    গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য

    পুরনো ‘mAadhaar’ অ্যাপের কোনও ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অ্যাপে স্থানান্তরিত হবে না। ফলত, পূর্বে সংরক্ষিত আধারের পিডিএফ (PDF), কিউআর কোড কিংবা পরিবারের সদস্যদের প্রোফাইলগুলো ব্যবহারকারীকে নতুন অ্যাপে পুনরায় নতুন করে যুক্ত করতে হবে। প্রশাসন ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আধার (Aadhaar) অ্যাপটি দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল পরিচয় সুরক্ষিত রাখতে এবং আধুনিক সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।

  • UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    UIDAI: আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার নিষ্ক্রিয় করেছে ইউআইডিএআই, সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউআইডিএআই (UIDAI) মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) বাতিল অভিযানে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতের ব্যক্তি পরিচয় কর্তৃপক্ষ (UIDAI) একটি বড় পরিচ্ছন্নতা অভিযানে আড়াই কোটিরও বেশি মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করার পদক্ষেপ করেছে, যা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছে, ডেটাবেসের নির্ভুলতা এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে।

    দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া (UIDAI)

    পিআইবি-র এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং রাজ্য-স্তরের নাগরিক নিবন্ধন ডেটাবেস (UIDAI) দ্বারা প্রদত্ত যাচাইকৃত মৃত্যুর রেকর্ড ব্যবহার করে এই নিষ্ক্রিয়করণ করা হয়েছে। সম্প্রতি গত কয়েক মাসে এটি দ্বিতীয় বৃহৎ শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া। ২০২৫ সালের শেষ থেকে এখনও পর্যন্ত মোট আড়াই কোটি মৃত ব্যক্তির আধার (AADHAAR) নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

    পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে অভিযান

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর আধার ডেটাবেস হল বিশ্বের বৃহত্তম বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থা, যেখানে ১৩৪ কোটিরও বেশি সক্রিয় আধারধারী রয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের সঙ্গে সংযুক্ত নম্বরগুলি সরিয়ে, কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য পরিচয় জালিয়াতি রোধ করতে বিশেষ ভাবে সচেষ্ট। ভুয়ো আধারে যাতে সরকারি সুবিধা না পান তাই স্বচ্ছতা অবশ্যই প্রয়োজন। সরকারি প্রকল্পের বণ্টন ব্যবস্থাকে আরও সঠিক এবং কার্যকর করতে ইউআইডিএআই-র পদক্ষেপ ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ইউআইডিএআই (UIDAI) বায়োমেট্রিক লকিং, লাইভনেস ডিটেকশন সহ ফেস অথেনটিকেশন, অফলাইন কিউআর (QR) কোড যাচাইকরণ এবং অনুমোদনহীন অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া সহ শক্তিশালী সুরক্ষা বৈশিষ্ট্যগুলিও তুলে ধরেছে। মৃত ব্যক্তিদের আধার (AADHAAR) নম্বরের নিয়মিত ডি-ডুপ্লিকেশন এবং ডিঅ্যাক্টিভেশনের মতো কাজ ইউআইডিএআই-এর কাছে ডেটাবেস স্যানিটাইজেশন অনুশীলনের একটি অংশ মাত্র। এটা একটি সাধারণ প্রক্রিয়া যা সময়ে সময়ে আপডেট বা সংস্করণ হয়ে থাকে।

  • Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    Nabanna: নবান্নের আবেদন খারিজ কমিশনের, রাজ্যের আইএএস-আইপিএসদের যেতেই হল প্রশিক্ষণে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের (Nabanna) আবেদন খারিজ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্রসচিব সহ ২৫ জন অফিসারকে ট্রেনিংয়ে ডাকা হয়েছে। প্রত্যেক আধিকারিককেই নির্ধারিত সময়সূচি মেনে ব্রিফিং বৈঠকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্রিফিং বৈঠক ঘিরে কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সেই মোতাবেক রাজ্যের ২৪ আইএএস-আইপিএস অফিসারকে দিল্লি যেতে হল।

    বৈঠকে অংশগ্রহণ করতেই হচ্ছে (Nabanna)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের জন্য নির্ধারিত ব্রিফিং বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে আগে জমা পড়া ছাড়ের আবেদন বিবেচনার পর তা বাতিল করা হয়েছে। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছিল তাঁদের নির্ধারিত দিন ও সময়ে বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে হবে।

    ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক

    পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের ২৫ জন সিনিয়র অফিসারকে কেন্দ্রীয় অবজারভার হিসেবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। ওই তালিকায় রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মিনা সহ ১৫ জন আইএএস এবং ১০ জন আইপিএস আধিকারিক। এই সিদ্ধান্তকে পুর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছ নবান্ন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল। এই আবেদনকে খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে আইপিএস হৃষীকেশ মীনাকে বৈঠক ও প্রশিক্ষণপর্বে যোগ দিতে হবে না। ফলে, ২৫ জনের মধ্যে ২৪ জনকেই দিল্লি যেতে হচ্ছে।

    রাজ্যের আবেদন মানা সম্ভব নয়

    রাজ্যের অবশ্য দাবি ছিল, ভোটের মুখে প্রথম সারির প্রশাসনিক (Nabanna) আধিকারিকদের বৈঠকে পাঠানো হলে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই বিকল্প ১৭ জন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলে হয়েছিল। কমিশন বুধবার স্পষ্ট করে জানিয়েছে এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও আবেদন মানা সম্ভব নয়। যাদের নামে আবেদন জমা পড়েছে তাঁদের নির্ধারিত দিন এবং সময়ে বৈঠকে অংশ গ্রহণ করতেই হবে। কমিশনের নির্দেশ সকল আধিকারিকদের নজরে আসতে হবে। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মীদের মধ্যে যাতে কোনও বিভ্রান্তি না থাকে সেই জন্য এই নির্দেশিকা দ্রুত কার্যকর করতে বলা হয়েছে।

  • Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    Aadhaar: চলছে সুরক্ষা অভিযান, ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করল ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ কোটির বেশি মৃত গ্রাহকের আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে আধার সংস্থা। আধার (Aadhaar) কর্তৃপক্ষ ইউআইডিএআই-এর (UIDAI) তরফে এমনটাই পরিসংখ্যান পেশ করে জানিয়েছে। বিহারের পর বাংলায় ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন চলাকালীন ২ কোটির বেশি আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করেছে। তবে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দেশ জুড়ে স্বচ্ছতা এবং সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। আধারের তথ্যকে নিরাপদ রাখতেই এই পদক্ষেপ।

    গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা জরুরি (Aadhaar)

    কেন্দ্রীয় বৈদ্যুতিন ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক জানিয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া, রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির কাছ থেকে মৃত মানুষ সম্পর্কে তথ্য পেয়েছে ইউআইডিএআই। যদি কোনও গ্রাহকের মৃত্যু হয়, তাহলে সেই নম্বর অপর কোনও ব্যক্তিকে আধার (Aadhaar) নম্বর দেওয়া হয় না। গ্রাহকের মৃত্যু হলে আধার নিষ্ক্রিয় করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ফলে যে কোনও রকমের জালিয়াতি বন্ধ করা যাবে। একজনের ব্যক্তিগত তথ্য অপর আরেকজন ব্যবহার করতে পারবে না। তাই পরিবারের কেউ মারা গেলে আধার নম্বর বাতিল করা উচিত। ইউআইডিএআই নাগরিকদের তাই এই ক্ষেত্রে আধার নিষ্ক্রিয় করার বার্তা দিয়েছে। মাই আধার পোর্টালে (UIDAI)  গিয়ে এই কাজ খুব সহজেই করা যাবে। মৃত গ্রাহকের ডেথ সার্টিফিকেট বা মৃত্যু শংসাপত্র জমা দিতে হবে।

    জালিয়াতি রুখতে পদক্ষেপ

    মৃত গ্রাহকের (Aadhaar) আধার নম্বর বাতিল করতে চলতি বছরের শুরুতেই ইউআইডিএআই মাই আধার পোর্টালে ডেথ অফ এ ফ্যামেলি মেম্বার পরিষেবা শুরু করেছে। দেশের ২৫ টি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে এই পরিষেবা রয়েছে। প্রশাসনের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিলে তবেই আবেদন করা যাবে আধার নিষ্ক্রিয় করার কাজ। আধারে মোট ১২টি সংখ্যার বিশেষ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (UIDAI) থাকে। প্রত্যেকের আধার নম্বর আলাদা আলাদা হয়। সেই সঙ্গে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ছবিও থাকে আধারে। ডিজিটাল যুগের কাজের সুবিধায় আধার নম্বর সব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। আবার অপর দিকে প্রচুর পরিমাণে জালিয়াতির খবরও পাওয়া যাচ্ছে। অন্যের তথ্য হাতিয়ে প্রতারণার অনেক অভিযোগের খবরও উঠে আসছে।

    মৃত সদস্যের আধার কীভাবে নিষ্ক্রিয় করবেন

    • প্রথমে মৃত ব্যক্তির ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন।
    • এর পর myAadhaar Portal-এ যেতে হবে।
    • আধার নম্বর দিয়ে প্রথমে মোবাইলে OTP নিতে হবে। এর পর, সেই OTP দিয়ে লগ ইন করুন।
    • Report Death of a Family Member অপশনটি বেছে নিন।
    • সেখানে মৃত ব্যক্তির তথ্য ভরুন। আধার নম্বর, ডেথ রেজিস্ট্রেশন নম্বর, এলাকার তথ্য লিখতে হবে।
    • ডেথ সার্টিফিকেটটি আপলোড করতে হবে এর পর।
    • সব শূন্যস্থান পূরণ করে, তথ্য একবার যাচাই করে নিয়ে রিকোয়েস্ট সাবমিট করে দিন।
    • UIDAI সেই অনুরোধ খতিয়ে দেখবে, খতিয়ে দেখবে যাবতীয় তথ্য। সেই মতো মৃত ব্যক্তির আধার নম্বর নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।
LinkedIn
Share