Tag: Ujjain

Ujjain

  • Ujjains Clock Tree: ঘুরবে ভাগ্যের চাকা! এই বিশ্বাসে উজ্জয়িনীতে গাছে বাঁধা হয় ঘড়ি

    Ujjains Clock Tree: ঘুরবে ভাগ্যের চাকা! এই বিশ্বাসে উজ্জয়িনীতে গাছে বাঁধা হয় ঘড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজ্জয়িনীর ঘড়ির গাছ (Ujjains Clock Tree) এক অন্যতম বিস্ময়। এখানেই দলে দলে ভক্তরা ছুটে আসেন মনস্কামনা পূরণের আশায়। মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী (Ujjain) শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে এই জায়গাটি। এখানকার গাছ ঘড়ি ওয়ালে বাবা বা ঘড়ির গাছ নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি একটি তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দূর দুরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা তাঁদের মনস্কামনা নিয়ে আসেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই গাছ তাঁদের সঙ্গে কথা বলে। ভক্তদের বিশ্বাস, এই গাছে ঘড়ি বাঁধলে তাঁদের সময় ভালো যাবে এবং ভাগ্যেরও পরিবর্তন হবে। জানা যাচ্ছে, ঘড়ি ওয়ালে গাছে বর্তমানে এক লাখেরও বেশি ঘড়ি ঝোলানো হয়।

    কী বলছেন স্থানীয় বালু সিং?

    উজ্জয়িনীর ওই ঘড়ির গাছের (Ujjains Clock Tree) রক্ষণাবেক্ষণ করেন বালু সিং। তিনি স্থানীয় অঞ্জনা মন্দিরেরও দায়িত্বে রয়েছেন। বালু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘এটা সম্পূর্ণরূপে ভক্তদের একটি বিশ্বাস। মানুষ এখানে আসেন মনস্কামনা পূরণের আশায়। গাছের সঙ্গে একটি হাতঘড়ি কিংবা দেওয়াল ঘড়ি বেঁধে দেন। এই বিশ্বাস নিয়েই তাঁরা ঘড়ি বাঁধেন এবং গাছ দর্শন করেন যে তাঁদের সময় পরিবর্তন হবে। আবার অনেকে ইচ্ছা পূরণ হওয়ার পরেও ঘড়ি ঝুলিয়ে দিয়ে যান গাছে।’’

    মানুষের মনের ইচ্ছা সর্বদাই প্রতিধ্বনিত হয় ঘড়ির শব্দে

    উজ্জ্বয়িনীর ঘড়ি (Ujjains Clock Tree) গাছ হল এমন একটি গাছ যেখানে মানুষের মনের ইচ্ছা সর্বদাই প্রতিধ্বনিত হয় ঘড়ির শব্দে। যেখানে ভক্তি মিশেছে ঘড়ি বাঁধার বিশ্বাসে। গাছের নীচে অথবা তার কাছাকাছি যে কোনও জায়গাতেই যদি আপনি দাঁড়িয়ে থাকেন, তাহলে কানে শুধু ভেসে আসবে একটাই আওয়াজ। তা হল ঘড়ির টিক টিক শব্দ। এই জায়গাটি আপনাকে আরও একবার বুঝতে সাহায্য করবে যে সময় কারও জন্য সত্যিই অপেক্ষা করে না। গত কয়েক বছর ধরেই এখানে ব্যাপক ভিড় হচ্ছে। শুধু তাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য আশপাশে একটি বড় বাজারও তৈরি হয়ে গিয়েছে। তবে এখানে সে অর্থে কোনও পুরোহিত বা পুজোর রীতিনীতি নেই। ঘড়ি (Ujjains Clock Tree) ছাড়াও অনেক ভক্ত আসেন এখানে। তাঁরা ঘড়ি গাছে নারকেল, ধুপকাঠি ইত্যাদি উৎসর্গ করেন। মানুষদের আস্থা-বিশ্বাস এবং ভক্তির জেরে জায়গাটি পরিণত হয়েছে তীর্থক্ষেত্রে।

  • Kumbh Mela 2028: শিপ্রা নদীর পথঘাট নির্মাণে ৭৭১ কোটি টাকার অনুমোদন, কুম্ভ মেলা ২০২৮-এর প্রস্তুতি মধ্যপ্রদেশে

    Kumbh Mela 2028: শিপ্রা নদীর পথঘাট নির্মাণে ৭৭১ কোটি টাকার অনুমোদন, কুম্ভ মেলা ২০২৮-এর প্রস্তুতি মধ্যপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ২০২৮ সালের সিংহস্থ কুম্ভ মেলার প্রস্তুতি। এই মেলা উপলক্ষে উজ্জয়িনীতে শিপ্রা নদীর তীরে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৭৭১ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে মধ্যপ্রদেশ সরকার। এই প্রকল্পের মধ্যে ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পথ এবং একাধিক নতুন ঘাটের নির্মাণ করা হবে। কুম্ভ মেলার সময় বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ২৯ কিলোমিটার পথটি শনি মন্দির থেকে নাগদা বাইপাস পর্যন্ত বিস্তৃত হবে, যা শিপ্রা নদীর ডান তীরে নির্মিত হবে। রাজ্য নগর উন্নয়ন মন্ত্রী কৈলাশ বিজয়বর্গীয় এই প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন। 

    মধ্যপ্রদেশ সরকারের নয়া ভাবনা

    সিংহস্থ কুম্ভ মেলা প্রতি ১২ বছরে একবার অনুষ্ঠিত হয়। উজ্জয়িনীতে শেষ কুম্ভ মেলা ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীটি ২০২৮ সালে অনুষ্ঠিত হবে। মেলাটি হিন্দিতে সিংহস্থ মেলা নামেও পরিচিত, কারণ এটি বৃহস্পতি গ্রহের সিংহ রাশিতে প্রবেশের উদযাপন হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৮ সালে এই মেলায় প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি দর্শনার্থী উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত হিসেবে পরিগণিত হবে। এই বিশাল জনস্রোতকে সামাল দেওয়ার জন্য নতুন ঘাট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ১৩টি আখড়ার সাধুদের জন্য বিশেষ সুবিধা থাকবে। এই ঘাটগুলো শুধুমাত্র স্নান করার জন্য নয়, বরং বিভিন্ন আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের জন্যও ব্যবহৃত হবে।

    পথ-ঘাট নির্মাণ

    শিপ্রা নদীর তীরবর্তী পথ ও ঘাট ছাড়াও, রাজ্য সরকার উজ্জয়িনী শহরের অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের দিকেও মনোযোগ দিয়েছে। সম্প্রতি, ইন্দোর এবং উজ্জয়িনীর মধ্যে একটি চার লেনের হাইওয়ে নির্মাণের জন্য ২,৩১২ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১,৩৭০ কোটি টাকার ইন্দোর-উজ্জয়িনী গ্রিনফিল্ড রোড এবং ২৩৯ কোটি টাকার ইন্দোর-দেপালপুর রোড। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতেই হবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের স্মৃতিসৌধ, জানাল মোদি সরকার

    মেট্রো রটের পরিকল্পনা

    এই উন্নয়ন শুধুমাত্র সড়ক অবকাঠামোতেই সীমাবদ্ধ নয়; সাধু এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে নতুন আশ্রম এবং ধর্মশালা নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এসব আশ্রম ও ধর্মশালা মেলা চলাকালীন যাত্রীদের থাকার ব্যবস্থা ও আধ্যাত্মিক চর্চার জন্য ব্যবহার করা হবে। উজ্জয়িনী এবং ইন্দোরের মধ্যে মেট্রো রুটের পরিকল্পনাও চলছে, যা কুম্ভ মেলার সময় দর্শনার্থীদের যাতায়াতকে আরও সহজ ও দ্রুততর করবে। সিংহস্থ কুম্ভ মেলা শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি মধ্যপ্রদেশের জন্য একটি সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ujjain: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল উজ্জয়িনীতে, ১ মার্চ উদ্বোধন মোদির

    Ujjain: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল উজ্জয়িনীতে, ১ মার্চ উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপিত হল মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) উজ্জয়িনীতে (Ujjain)। আগামী ১ মার্চ ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটি বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি, যা প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যগত পঞ্চাঙ্গ অনুযায়ী সময় প্রদর্শন করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০০ বছর আগে শুধুমাত্র উজ্জয়িনী (Ujjain) থেকেই পৃথিবীর সময়ের মান নির্ধারণ করা হয়েছিল। এইবার সময় বের করার জন্য উজ্জয়িনীতে (Ujjain) একটি যন্ত্র স্থাপিত হয়েছে। 

    ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে স্থাপিত ঘড়ি (Ujjain)

    উজ্জয়িনীতে (Ujjain) শহরের যন্তরমন্তরে নির্মিত ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে স্থাপিত করা হয়েছে এই বৈদিক ঘড়ি। ঘড়িটি বৈদিক হিন্দু পঞ্চাঙ্গ, গ্রহের অবস্থান, মুহুর্ত, জ্যোতিষীয় গণনা, ভবিষ্যদ্বাণী ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য প্রদর্শন করবে। এটি ভারতীয় মান সময় আইএসটি (IST) এবং গ্রিনিচ গড় সময় জিএমটিও (GMT) দেখাবে। ঘড়ির কাঁটা এক সূর্যোদয় থেকে অন্য সূর্যোদয়ের উপর ভিত্তি করে সময় গণনা করবে।

    কী বললেন বিশেষজ্ঞরা?

    বৈদিক ঘড়ি নির্মাণের বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য শিশির গুপ্ত বলেছেন, “উজ্জয়িনীতে (Ujjain) নির্মিত ৮৫ ফুট উঁচু টাওয়ারে বিশ্বের প্রথম বৈদিক ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে। ঘড়িটি একদিনের সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী দিনের সূর্যোদয় পর্যন্ত সময় গণনা করবে। দুটি সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময়কালকে ৩০টি ভাগে ভাগ করা হবে। যার এক ঘন্টা আইএসটি অনুসারে ৪৮ মিনিট থেকে গণনা করা হবে। 0.00 থেকে সূর্যোদয়ের সময় থেকে গণনা শুরু হবে। একই সঙ্গে ঘড়িটি ৩০টি মুহুর্ত, তিথি এবং বৈদিক হিন্দু পঞ্চাঙ্গের অন্যান্য সমস্ত সময়ের গণনা প্রদর্শন করবে। আবার মহারাজা বিক্রমাদিত্য রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর শ্রী রাম তিওয়ারি বলেছেন, “এই ঘড়ি বিশ্বের প্রথম ঘড়ি, যেখানে ভারতীয় সময় গণনাকে উপস্থাপন করবে। এখানে বৈদিক ঘড়ি স্থাপন করা হয়েছে, কারণ উজ্জয়িনীকে (Ujjain) সময় গণনার কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য কর্কটক্রান্তি রেখার মধ্যে অবস্থিত এই উজ্জয়িনী (Ujjain) শহর।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    Kumbh Mela 2025: ২০২৫ সালে ফের বসছে মহা কুম্ভ মেলা, ঘোষণা হল শাহি স্নানের তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন হিন্দু ধর্মের সবথেকে বড় ধর্মীয় উৎসব হল কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)। প্রতি ৪ বছর অন্তর পালিত হলেও ১২ বছর পরপর মহাকুম্ভ মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। এই মহাকুম্ভ পালিত হয় প্রয়াগ, হরিদ্বার, উজ্জয়িনী এবং নাসিকে। একযুগ পর আয়োজিত এই মহাকুম্ভকে বলা হয় ‘পূর্ণকুম্ভ’। তবে প্রতি ছয় বছর অন্তর অন্তর হরিদ্বার এবং প্রয়াগরাজে অর্ধকুম্ভ মেলা পালিত হয়। ১২ বছর পর ফের বসবে মহা কুম্ভ মেলা। প্রয়াগরাজ কুম্ভ মেলা কর্তৃপক্ষ এবং ১৩টি আখাড়ার দ্রষ্টারা ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলার শাহি স্নানের সময়সূচি জানিয়েছে।

    কবে হবে মহাককুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025)?

    ২০১৩ সালে শেষ বারের জন্য মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) আয়োজন করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের এলাহাবাদে, যার বর্তমান নাম প্রয়াগরাজ। গঙ্গা, যমুনা এবং সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। এই বারও ২০২৫ সালে পূর্ণকুম্ভের আয়োজন করা হবে। মহাকুম্ভ মেলা শুরু হবে ওই বছরের ২৯ জানুয়ারি এবং চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। তিথি অনুযায়ী মেলার শাহি স্নান পালন করা হবে ৮ মার্চ। এই মহাকুম্ভের আয়োজন হতে চলেছে উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজে।

    শাহি স্নানের তারিখ

    ২০২৫ সালের মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) প্রথম শাহি স্নান করার তারিখ হল ১৩ জানুয়ারি। উল্লেখ্য ওই দিন হল পৌষ পূর্ণিমা। মকর সংক্রান্তির শাহি স্নান পালিত হবে ২৯ জানুয়ারি। মৌনী অমাবস্যার স্নান পালিত হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। বসন্ত পঞ্চমীর স্নান পালিত হবে ৮ ফেব্রুয়ারি। ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমার স্নান হবে। ৮ মার্চ মহাশিব রাত্রির শাহি স্নান করা হবে। মহাকুম্ভের সময়পর্বে মোট ২১টি শাহি স্নান পালিত হবে।

    হিন্দুধর্মে গুরুত্ব কুম্ভমেলা

    হিন্দুধর্ম মতে কুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই কুম্ভের বিরাট তাৎপর্য রয়েছে। ভারতীয় সংস্কৃতি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে বিশেষ গণনা রয়েছে কুম্ভ মেলার তিথিতে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে মেষ রাশি চক্রের বৃহস্পতি, সূর্য ও মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মহাকুম্ভের আয়োজন করা হয়।

    গ্রহ, রাশি চক্রে কীভাবে কুম্ভ মেলা হয়?

    গ্রহ, রাশি চক্রের অবস্থান দেখে সূর্য এবং বৃহস্পতির অবস্থান দেখে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। বৃহস্পতি বৃষ রাশিতে এবং সূর্য মকর রাশিতে থাকলে প্রয়াগে কুম্ভ মেলা (Kumbh Mela 2025) অনুষ্ঠিত হয়। সূর্য মেষ রাশিতে থাকে এবং বৃহস্পতি কুম্ভ রাশিতে থাকলে হরিদ্বারে কুম্ভের আয়োজন হয়। আবার সূর্য এবং বৃহস্পতি সিংহ রাশিতে থাকলে মহাকুম্ভ নাসিকে অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতি যখন সিংহ রাশিতে এবং সূর্য মেষ রাশিতে থাকলে উজ্জয়িনীতে কুম্ভ আয়োজিত হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh: বিবাহ বিভ্রাট! এক মণ্ডপে বিয়ে হচ্ছিল দুই বোনের, হঠাৎ লোডশেডিং, তারপর যা ঘটল…

    Madhya Pradesh: বিবাহ বিভ্রাট! এক মণ্ডপে বিয়ে হচ্ছিল দুই বোনের, হঠাৎ লোডশেডিং, তারপর যা ঘটল…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই ছাদনাতলায় একসঙ্গে বিয়ে দুই বোনের। বিয়ে চলাকালীন হঠাৎ লোডশেডিং। পুরোহিত অবশ্য মন্ত্র থামাননি। চলতে থাকে বিয়েও। আর তাতেই বিপত্তি। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চারদিক অন্ধকার। ভুল করে একে অপরের বরকে বিয়ে করলেন দুই বোন। ভিন্ন পরিবারের দুই পাত্র বিষয়টি বুঝতেও পারেননি। ঘোমটায় মুখ ঢাকা থাকায় দীর্ঘ ক্ষণ বিষয়টি বুঝতে পারেনি দুই পরিবারের সদস্যরাই। পরে জানাজানি হতেই গোল বাধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীতে।

    উজ্জয়নীর রমেশলালের দুই মেয়ে নিকিতা ও করিশ্মার বিয়ে হচ্ছিল। ভোপালের ডাংওয়ারা এলাকার ভোলা ও গণেশ নামে দুই যুবকের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছিল দুই বোনের। বিয়ে চলাকালীন হঠাৎই বিয়ে বাড়ির বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়। একই পোষাক থাকায় অন্ধকারে গুলিয়ে ফেলেন দুই পাত্র। মাল্যদান থেকে সাত পাকে ঘোরা… সব শেষ হওয়ার পর টনক নড়ে দু’পক্ষের। কনেরা ঘোমটা তোলার পর বিষয়টি পরিষ্কার হয়। কিছু ক্ষণ বাক্‌বিতণ্ডা চলার পর অবশেষে বিষয়টির মীমাংসা হয়। পর দিন সকালে আবার নিজের নিজের ঠিক করা পাত্রীর সঙ্গেই বিয়ে করেন ভোলা ও গণেশ। অতএব একই মণ্ডপে দু-দু বার বিয়ে করলেন দুই বোন।

LinkedIn
Share