Tag: UK

UK

  • UK Prime Minister: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    UK Prime Minister: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। চলতি মাসের ২৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তিনি। তার পর তিনি বাসিন্দা হবেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের। এই বাড়িতেই থাকেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীরা।  ব্রিটেনের রাজা-রানি থাকেন বাকিংহাম প্যালেসে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) এবং তাঁর স্ত্রী অক্ষত মূর্তির সম্মিলিত সম্পত্তির পরিমাণ ছাড়িয়ে যাবে বাকিংহাম প্যালেসের বাসিন্দাদের সম্পত্তির বহরকে।

    একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে করা সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ব্রিটেনের ভাবী প্রধানমন্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার। ব্রিটেনের ২২২তম ধনীতম বাসিন্দার তালিকায় রয়েছেন সুনক দম্পতিও। সেই তুলনায় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সম্পত্তির পরিমাণ কম। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৬৬৬ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রয়ানের পর রাজা হন তৃতীয় চার্লস। রানি হন ক্যামেলিয়া। এই রাজা ও রানির সম্পত্তির পরিমাণ যথাক্রমে ৫৩৬ ও ৩৫০ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার। দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায়ই প্রকাশিত হয়েছে এই তথ্য।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস তৈরি করলেন ঋষি সুনক! ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) ঋষি সুনক প্রাক্তন হেজ ফান্ড ম্যানেজার ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অক্ষত ভারতের অন্যতম ধনীতম ব্যক্তির এনআর নারায়ণ মূর্তির কন্যা। টেক জায়েন্ট ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এই নারায়ণ। জুলাই মাসে যে রিচ লিস্ট প্রকাশিত হয়েছিল, তাতে নারায়ণ কন্যা অক্ষতর অংশীদারিত্বের পরিমাণ ১.২ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) স্ত্রী অক্ষত একজন ফ্যাশন ডিজাইনারও। ব্রিটেনে রয়েছে তাঁর প্রাইভেট ইনভেস্ট ফার্ম। সেখানেও বিনিয়োগ করেছেন তিনি। ঋষি এবং অক্ষত দু জনেরই বয়স ৪২। স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ার সময় দু জনের আলাপ। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। গার্ডিয়ান পত্রিকার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি আবার লস এঞ্জেলেসে, পেন্টহাউস। এই বাড়িতেই শুট্যিং হয়েছে বিখ্যাত ছবি বে ওয়াচ-এর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Democracy in India: ভারতের গণতন্ত্র ঢের বেশি ভাল, মুফতির মন্তব্য প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র সিং, নিশানা করলেন বিবেকও

    Democracy in India: ভারতের গণতন্ত্র ঢের বেশি ভাল, মুফতির মন্তব্য প্রসঙ্গে জিতেন্দ্র সিং, নিশানা করলেন বিবেকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। তাঁর এই নিয়োগে খুশি তামাম ভারত (India)। এহেন আবহে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য করে তাল কাটলেন জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu & Kashmir) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি (PDP) নেত্রী মেহবুবা মুফতি। বেফাঁস মন্তব্যের জেরে মঙ্গলবার তাঁকে একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র প্রসাদ সিং। তাঁর দাবি, বিশ্বের যে কোনও দেশের চেয়ে ভারতের গণতন্ত্র (Democracy in India) ঢের বেশি ভাল। মুফতিকে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীও।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষি মনোনীত হওয়ার পরেই ট্যুইট করেন মুফতি। লেখেন, এটা গর্ব করার মতো মুহূর্ত যে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। গোটা ভারত তা উদযাপন করছে। তবে ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি এবং সিএএ-র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি।

    এদিন এই প্রসঙ্গেই নাম না করে মুফতিকে একহাত নিয়েছেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তিনি বলেন, যিনি ভারতের স্বাধীনতা ও ভারতীয় গণতন্ত্রের (Democracy in India) ইতিহাস জানেন, তিনি স্বীকার করবেন যে ভারতের গণতন্ত্র বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় ঢের ভাল। তিনি বলেন, আমি এ কথা বলতে পেরে গর্বিত যে বাজপেয়ির আমলে আমরা এপিজে আবদুল কালামকে ভারতের রাষ্ট্রপতি হিসেবে পেয়েছিলাম। মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পেয়েছিলাম রামনাথ কোবিন্দকে। এবং এখন পেয়েছি দ্রৌপদী মুর্মুকে।

    জিতেন্দ্র প্রসাদ বলেন, ঘটনাচক্রে এঁরা সবাই সমাজের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় কিংবা দুর্বল শ্রেণির প্রতিনিধি। মুফতির নাম না করে তিনি বলেন, আপনি যদি ভাবেন জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অঙ্গ, তাহলে আমি মনে করি ভারতের রাষ্ট্রপতি জম্মু-কাশ্মীরেরও রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, যাঁরা এই ধরনের কথা বলতে পারেন, তাঁরা জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে মেনে নিতে বোধহয় দ্বিধাগ্রস্ত। মুফতিকে নিশানা করেছেন আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। ট্যুইট বার্তায় তিনি লিখেছেন, মেহবুবা মুফতিজি জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আপনি কি কোনও সংখ্যালঘুকে মেনে নেবেন?  সত্যি কথাটা বলুন তো।   

    আরও পড়ুন: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    মুফতিকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রীও। কাশ্মীর ফাইলসের ডিরেক্টর ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যেদিন ভারতের সমস্ত মুসলমান কাফের শব্দটিকে নিষিদ্ধ করবে, শর্তহীনভাবে সরব হবেন ইসলামিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে, স্বীকার করবেন কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, তাঁরা প্রথমে নিজেদের ভারতীয় এবং তারপর অন্যকিছু ভাববেন এবং একই উন্মাদনা নিয়ে বলবেন ভারত মাতা কী জয় এবং বন্দে মাতরম। আপনি প্রস্তুত?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India UK Relations: ঋষি প্রধানমন্ত্রী হতেই জয়শঙ্করকে ফোন ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের, কী আলোচনা হল জানেন?

    India UK Relations: ঋষি প্রধানমন্ত্রী হতেই জয়শঙ্করকে ফোন ব্রিটিশ বিদেশ সচিবের, কী আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোক্ত হচ্ছে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক (India UK Relations)!

    ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। চলতি মাসের ২৮ তারিখে শপথ নেওয়ার কথা তাঁর। প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষি মনোনীত হতেই ট্যুইট বার্তা পাঠান ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর পরে পরেই ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি জেমস ক্লেভারলি ফোন করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে (S Jaishankar)। দুই দেশের দুই নেতা ইউক্রেন রাশিয়া দ্বন্দ্ব, সন্ত্রাসবাদ দমন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। প্রসঙ্গত, দুই দেশের এই দুই নেতার এহেন আলোচনা হল এমন একটা সময়ে যখন ইউক্রেনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত ভারতীয় নাগরিকদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ইউক্রেন ছাড়তে বলেছেন।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর ট্যুইট করেন ব্রিটিশ ফরেন সেক্রেটারি। লেখেন, আজ ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভাল লাগল। আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্কট নিয়ে আলোচনা করেছি। এবং এটাও জানিয়েছি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়ার বক্তব্য ও অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ জানাব। বছর বিয়াল্লিশের ঋষি একজন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার। পরে আসেন রাজনীতিতে। ২০১৫ সালে প্রথম জিতে পা রাখেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। ব্রিটেনের ২১০ বছরের ইতিহাসে তিনিই সে দেশের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্রিটেনের প্রথম হিন্দু প্রধানমন্ত্রী। তিনি সে দেশের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রীও।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক, কে তিনি জানেন?

    দলের তরফে প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হওয়ার পর প্রথা মেনে বাকিংহাম প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী। ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে পা রাখার আগে প্রথা মেনে ঋষি তা করেনও। পরে বলেন, তিনি এমন একটা সময় দেশের দায়িত্বভার নিচ্ছেন যখন ব্রিটেন গভীর অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে। করোনা অতিমারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর যা আরও বেড়েছে। ব্রিটেনবাসীর আশা পূরণ করবেন বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। প্রসঙ্গত, আগামী মাসেই ইন্দোনেশিয়ার বালিতে রয়েছে জি-২০ সম্মেলন। ওই সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার কথা ঋষি এবং মোদির। সেখানে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলাপচারিতা হওয়ার সম্ভাবনাও প্রবল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক, কে তিনি জানেন?

    Rishi Sunak: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক, কে তিনি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। ২৮ অক্টোবর শপথ নেবেন তিনি। তিনিই ব্রিটেনের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি যিনি ওই পদে বসতে চলেছেন। আদ্যন্ত হিন্দু (Hindu) ঋষি বাড়িতে পালন করেন সমস্ত ধর্মীয় আচার। আসুন জেনে নিই, কে এই ঋষি সুনক?

    ব্রিটেনের সাউদাম্পটনে জন্ম ঋষির। বাবা যশবীর সুনক ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। মা ঊষা ফার্মাসিস্ট, ওষুধের দোকান চালাতেন। ঋষির দাদু ছিলেন পাঞ্জাবের (Punjab) বাসিন্দা। সুনকের বাবা-মা পূর্ব আফ্রিকা থেকে ব্রিটেন চলে যান ১৯৬০ সালে। পড়াশোনায় ঋষি ছিলেন তুখোড়। অক্সফোর্ড ও স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট তিনি। এই স্ট্যান্ডফোর্ডে পড়তে গিয়েই আলাপ ইনফোসিস কর্তা নারায়ণ মূর্তির মেয়ে অক্ষতর সঙ্গে। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন ঋষি-অক্ষত। তাঁদের দুই মেয়ে। একজন অনুষ্কা, অন্যজন কৃষ্ণা। ভারতে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে ঋষিকে সপরিবারে বেঙ্গালুরুতে আসতে দেখা যায় প্রায়ই।

    ২০১৫ সালের মে মাসে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হন ঋষি (Rishi Sunak)। ইয়র্কশায়ারের রিচমন্ড কেন্দ্র থেকে জিতে আসেন তিনি। হিন্দু ধর্মগ্রন্থ গীতা ছুঁয়ে শপথ নেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনিই প্রথম, যিনি এভাবে শপথ নিয়েছেন। ২০২০ সালে তাঁকে বসানো হয় ব্রিটিশ ক্যাবিনেটের চান্সেলর অফ এক্সচেকার পদে। কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করে ব্রিটেনবাসীর মন জয় করে নেন ঋষি (Rishi Sunak)। যদিও বিভিন্ন পরিবারে কস্ট অফ লিভিং সাপোর্ট না করায় বিস্তর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    ঋষির (Rishi Sunak) সম্পত্তির পরিমাণ ৭০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি। ব্রিটেনে প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। ইয়র্কশায়ারে ঋষির নিজস্ব ম্যানসন রয়েছে। ঋষি ও তাঁর স্ত্রী অক্ষতর সম্পত্তি আছে সেন্ট্রাল লন্ডনের কেনসিংটনে। বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে ছিলেন ঋষিও। সেবার তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁরই দলের লিজ ট্রাসের সঙ্গে দৌড়ে পিছিয়ে পড়েন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হন লিজ। মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন তিনিও। শেষমেশ প্রধানমন্ত্রীর শিকে ছেঁড়ে ঋষির কপালে। দিনটা ছিল দীপাবলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rishi Sunak: সরে দাঁড়ালেন বরিস, ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঋষিই?

    Rishi Sunak: সরে দাঁড়ালেন বরিস, ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঋষিই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকই (Rishi Sunak) হতে পারেন ব্রিটেনের (UK) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (PM) বরিস জনসন। তবে সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ের ব্যাপারে পাল্লা ভারী হয়েছে ঋষিরই। আজ, সোমবারই ওই পদে বসতে পারেন তিনি। 

    বরিস সরে দাঁড়ানোর পর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে ঋষির (Rishi Sunak) জয় অনেকটাই অনায়াস হয়েছে বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কারণ এখন ঋষির প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁরই দল কনজারভেটিভ পার্টির পেনি মরডন্ট। পেনিকে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসতে হল অক্টোবরের ২৪ তারিখের মধ্যে তাঁকে জোগাড় করতে হবে পার্লামেন্টের ১০০ জন সদস্যের সমর্থন। যা তাঁর নেই। এদিকে, পার্লামেন্টের ১৪২ জন সদস্য ইতিমধ্যেই ঋষিকে প্রধানমন্ত্রী পদে সমর্থন করেছেন। অথচ পেনির পাশে রয়েছেন মাত্র ২৯ জন সাংসদ।

    কেন প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে সরে দাঁড়ালেন বরিস? ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের দাবি, পার্লামেন্টে একটা ঐক্যবদ্ধ দল না থাকলে কার্যকরীভাবে সরকার চালানো সম্ভব নয়। অন্য একটি কারণও রয়েছে। সেটি হল, ঋষি এবং পেনির সঙ্গে বোঝাপড়া করতে ব্যর্থ হয়েছেন বরিস। সূত্রের খবর, বরিসকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৫৭ জন সাংসদ। যদিও ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ১০২ জন সাংসদের সমর্থন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পরাজয় নিশ্চিত বুঝে মুখ পোড়াতে চাননি বরিস। তাই সরে দাঁড়িয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন, প্রথম রাউন্ডের শেষে এগিয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক

    এদিকে, সোমবার সকাল ১১টা নাগাদ একটি ট্যুইট করেন ঋষি (Rishi Sunak)। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ব্রিটেন এক মহান দেশ। কিন্তু সম্প্রতি সে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে দাঁড়িয়ে। তাই আমি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা ও আপনাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য লড়তে চাই। আমি এই আর্থিক সঙ্কট কাটিয়ে দলকে নেতৃত্ব দিতে চাই। দেশের সেবা করতে চাই।

    প্রসঙ্গত, পার্টিগেট কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিসের। তার পরেই ইস্তফা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন লিজ ট্রাস। মাত্র পঁয়তাল্লিশ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন তিনি। এবার ফের একবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ চলে এসেছে ঋষির (Rishi Sunak) কাছে। প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলে দলের ইস্তাহারে প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবেন বলে জানান ঋষি। ব্রিটেনের মানুষকে দায়িত্বশীল, সৎ ও পেশাদার সরকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • RSS: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    RSS: ঋষি সুনকের নিয়োগ নিয়ে মুফতির মন্তব্য হতাশার জের, বলছে আরএসএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের (UK) প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। আদ্যন্ত হিন্দু (Hindu) এক ব্যক্তিকে ব্রিটেনের শীর্ষ পদে দেখে যারপরনাই খুশি তামাম ভারত (India)। ঋষির প্রসঙ্গ টেনে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি (NRC) এবং সিএএ (CAA) -র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি। মুফতির ওই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আরএসএস (RSS)। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ মেম্বার তথা মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের প্যাট্রন ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, হতাশা থেকেই মুফতি এমন মন্তব্য করেছেন।

    ঋষি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনীত হওয়ার পরেই ট্যুইট করেন পিডিপি নেত্রী মুফতি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, এটা গর্ব করার মতো মুহূর্ত যে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী পাবে ব্রিটেন। গোটা ভারত তা উদযাপন করছে। তবে ব্রিটেন একজন জাতিগতভাবে সংখ্যালঘুকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিলেও, আমরা এখনও এনআরসি এবং সিএএ-র মতো বিভাজনকারী ও বৈষম্যমূলক আইনে শেকলবন্দি হয়ে রয়েছি।

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    এর পরেই মুফতিকে একহাত নেন প্রবীণ আরএসএস (RSS) নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। তাঁর মতে, মুফতি এবং কংগ্রেস নেতারা এ কথা বলছেন হতাশা থেকে। দেশ তাঁদের প্রত্যাখান করেছে। ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, আসল সত্য হল, ভারতে অনেক রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি বলেন, ভারতই একমাত্র দেশ যেখানে দেশের সর্বোচ্চ পদে রয়েছেন একজন উপজাতি সমজের মহিলা। এদেশেই রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবদুল কালাম, যিনি একটি জেলে পরিবারে জন্মেছিলেন। খবরের কাগজ বিক্রি করতেন। প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। যিনি এক সময় চা বিক্রি করতেন। আরএসএসের এই নেতা বলেন, এ দেশেই রাষ্ট্রপতি ছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি তপশিলি জাতির প্রতিনিধি। তাই তাঁদের এহেন মন্তব্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মানবতার প্রতি অপমান। এজন্য তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

    আরএসএসের (RSS) এই নেতা বলেন, আসল সত্য হল তামাম ভারতে কাশ্মীরিরা নিরাপদ। কিন্তু একজন হিন্দু, পণ্ডিত, বিহারি, ওড়িয়া অথবা অন্য কোনও ব্যক্তি যিনি কাশ্মীরে বসবাস করছেন, তিনি নিরাপদ নন। কাশ্মীরে বহিরাগতদের বাঁচার অধিকার হুমকির মুখে বলেও দাবি ইন্দ্রেশের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UK Prime Minister: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    UK Prime Minister: ‘২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এক সঙ্গে কাজ করব’, ঋষিকে বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদে শপথ নিতে চলেছেন ভারতীয় (Indian) বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। অক্টোবরের ২৮ তারিখে শপথ নেবেন তিনি। ওই পদে ঋষি শপথ নিলে তিনিই হবেন এ দেশের প্রথম কোনও অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী (PM)। ঋষির জয়ে খুশি তামাম ভারত (India)। ঋষিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্যুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বার্তায় লিখেছেন, ২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নে আমরা এক সঙ্গে কাজ করব।

    আরও পড়ুন: ব্রিটেনের নয়া প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রীর সম্পত্তির পরিমাণ রাজা-রানির থেকেও বেশি!

    ঋষির নাম প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হিসেবে ঘোষিত হয়েছে দীপাবলির দিন। এদিন ট্যুইট-বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ঋষি সুনক, আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। যেহেতু আপনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন, তাই আপনার সঙ্গে বিশ্বের জরুরি বিষয়গুলি নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অপেক্ষায় রইলাম। এর পরেই মোদি লেখেন, ২০৩০ এর রোডম্যাপ বাস্তবায়নেও আমরা এক সঙ্গে কাজ করব। আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আধুনিক মোড় নিচ্ছে। এই উপলক্ষে ব্রিটেনের ভারতীয়দের দীপাবলির জন্য বিশেষ শুভেচ্ছা।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের পাঁচ দেশের রাশ হিন্দুদের হাতে, কোন কোন দেশের মাথায় ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা জানেন?

    প্রসঙ্গত, ঋষি এমনই একটি দিনে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হলেন, সেদিন হিন্দুদের দীপাবলি উৎসব। এই ঋষি ভারতীয় জায়ান্ট টেক ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা এনআর নারায়ণ মূর্তির জামাই। জামাইয়ের সাফল্যে খুশি ইনফোসিস কর্তা। জামাইয়ের সাফল্য কামনা করেন তিনিও। এক বিবৃতিতে ইনফোসিস কর্তা জানান, ঋষিকে অভিনন্দন জানাই। আমরা তাঁকে নিয়ে গর্বিত। আমরা তাঁর সাফল্যও কামনা করি। ব্রিটেনবাসীর কল্যাণার্থে সে তার সেরাটা দেবে বলেও আমরা নিশ্চিত। প্রসঙ্গত, স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ পড়ার সময় ঋষির সঙ্গে আলাপ ইনফোসিস কর্তার মেয়ে অক্ষতর। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। তাঁদের দুটি কন্যা সন্তানও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK Prime Minister: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে ঋষিকে সরে দাঁড়াতে ‘চাপ’ দিচ্ছেন বরিস?

    UK Prime Minister: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড় থেকে ঋষিকে সরে দাঁড়াতে ‘চাপ’ দিচ্ছেন বরিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্ষা করতে হবে দলকে। তাই প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) দৌড় থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনককে (Rishi Sunak) সরে দাঁড়াতে বললেন ব্রিটেনের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (Boris Johnson)। ফের তাঁকেই যেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, জানালেন সেই আর্জিও। দুই ‘হুজুরের এই গপ্পো’র কথা জানা গিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই।

    মাত্র ছ সপ্তাহ আগেই বরিসকে সরিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) হন লিজ ট্রাস। চলতি বছরের জুলাই মাসে ক্রিস পিনচার ইস্যুতে দলের অন্দরেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন বরিস। ব্রিটিশ অর্থ দফতরের প্রধান ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনকের বিদ্রোহের জেরেই ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন বরিস। তার পর থেকেই ঋষির ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ তিনি। ইস্তফা দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে চলে আসেন ঋষি। তবে ঋষির পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ান বরিস স্বয়ং। ঋষির বদলে লিজ ট্রাসই যে তাঁর প্রথম পছন্দ, দলের অন্দরে তা জানিয়ে দেন বরিস। তাঁর পছন্দের তালিকায় পেনি মর্ডান্ট রয়েছেন বলেও জানান বরিস। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই সময় কনজারভেটিভ পার্টি ভাগ হয়ে যায় বরিস-ঋষি দুই শিবিরে। এর পর ঋষিকে হারিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসেন লিজ।

    আরও পড়ুন: এবার কি ভাগ্য প্রসন্ন হবে সুনকের? জানুন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে আরও কারা

    সম্প্রতি পদত্যাগ করেছেন তিনিও। এবারও ফের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে চলে এসেছেন ঋষি-বরিস। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বরিস ঋষিকে প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদ থেকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন। কনজারভেটিভ পার্টির মুখ বাঁচাতেই এটা করা প্রয়োজন বলেও রবিস জানিয়েছেন ঋষিকে। একটি সংবাদ মাধ্যমের আবার দাবি, অনুরোধ নয়, বরিস ঋষিকে সরে দাঁড়াতে চাপ দিচ্ছেন।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। যদিও বিরোধীরা এখনই সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, মাত্র ছ সপ্তাহের জন্য প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন লিজ। জানা গিয়েছে, এবার থেকে তিনি ভাতা বাবদ বছরে ১.০৫ কোটি টাকা করে পাবেন। তবে তাঁর এই ভাতা না নেওয়াই উচিত বলে মনে করেন লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টার্মার। তিনি বলেন, লিজ মাত্র ৪৪ দিন অফিস করেছেন। তাই এই ভাতা তাঁর প্রাপ্য নয়। তাঁর উচিত এটা না নিয়ে ফেরত দিয়ে দেওয়া।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • UK Prime Minister: ব্রিটেন সম্পর্কে ভারতের নীতি ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’, জানালেন পীযূষ গোয়েল

    UK Prime Minister: ব্রিটেন সম্পর্কে ভারতের নীতি ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’, জানালেন পীযূষ গোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement) নিয়ে কথা চলছে। ব্রিটেনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ভারত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিয়েছে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির জাতীয় রফতানি সামিটে ভাষণ দিচ্ছিলেন ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। তখনই একথা বলেন তিনি। ভারত (India)-ব্রিটেন (UK) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে চুক্তি হয় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই এদিন বাণিজ্যমন্ত্রী ব্রিটেনের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের অবস্থান জানান।

    মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর (UK Prime Minister) পদ থেকে ইস্তফা দেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। তাঁর অর্থনৈতিক নীতির জেরে দলেই সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। লিজ ট্রাসের পদত্যাগের পর কে হবেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী, আপাতত সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ব্রিটেনে। এমনই আবহে ভারতের অবস্থানের কথা জানালেন পীযূষ। তিনি জানান, কেবল ব্রিটেন নয়, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কথা চলছে কানাডা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। গোয়েল বলেন, ব্রিটেনের এহেন পরিস্থিতিতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। নজর রাখতে হবে ঘটনাক্রমের ওপর। যদি সেখানে দ্রুত নেতৃত্বের পরিবর্তন ঘটে, যদি পুরো ব্যাপারটা ঠিকঠাক চলে…। তাই আমাদের এখন দেখতে হবে সে দেশের সরকারে কে আসেন। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গীই বা কী হবে তা দেখতে হবে। একমাত্র তার পরেই ব্রিটেন নিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করতে পারব। তিনি জানান, ব্রিটেনের রাজনীতিবিদ এবং ব্যবসায়ীরা জানেন ভারতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করা কতখানি জরুরি। যদিও এই চুক্তি হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত এবং ভারসাম্যের।    

    আরও পড়ুন: এবার বিজেপির প্রার্থী আরও এক ‘চায়েওয়ালা’, শিমলা সদরে সঞ্জয় সুদ

    প্রসঙ্গত, দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে বিদায়ী ভাষণ দেওয়ার সময় লিজ টাস বলেছিলেন, যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলাম, তা পূরণ করতে অপারগ। তাই পদত্যাগ করছি। তবে প্রধানমন্ত্রী (UK Prime Minister) পদে ইস্তফা দিলেও, কনজার্ভেটিভ পার্টির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাবেন তিনিই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মোদি (PM Modi)-স্তুতি ভিন রাষ্ট্রের মুখে! দিন কয়েক আগে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ফ্রান্সের (France) রাষ্ট্রপ্রধান ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। এবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল আমেরিকা (US) ও ব্রিটেনের (UK) মুখেও।

    ২০ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সুলিভান ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মোদির। তিনি জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক বৈঠকে সুলিভান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়াকে যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক বেশ পুরানো। সেদিন মোদি পুতিনকে বলেছিলেন এটা যুদ্ধ শেষ করার সময়। তিনি বলেন, এবার রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করা উচিত। রাষ্ট্রসংঘের চার্টার মেনে ইউক্রেনের যেসব অংশ তারা জোর করে দখল করেছে, তা ফিরিয়ে দেওয়াও প্রয়োজন। এটা গোটা বিশ্বের পক্ষেই একটা নয়া বার্তা দেবে।

    মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ব্রিটেনও। ব্রিটেনের ফরেন সেক্রেটারি জেমস ক্লেভারলি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্ব মঞ্চে প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি স্বর রয়েছে। রাশিয়া নিয়ে তাঁর যা অবস্থান, তাকেও সমর্থন করে ব্রিটেন। তিনি বলেন, লন্ডন আশা করে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যাঁরা শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছেন, তিনি তাঁদের কথায় কান দেবেন।

    আরও পড়ুন : পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি হন তিনি। সেই সময় মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। ক্লেভারলি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্বমঞ্চে প্রভাববিস্তারকারী একটি স্বর রয়েছে। আমরা জানি রাশিয়ার নেতারা ভারতের কথা শোনেন। আমি মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। এবং আমরা আশা করি, পুতিন তাঁদের কথা শুনবেন, যাঁরা শান্তির বাণী প্রেরণ করবেন। তাই আমরা মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share