Tag: ukhra

ukhra

  • Durgapur: মৃত মা হনুমানের দেহ আগলে রাখল শাবক হনুমান

    Durgapur: মৃত মা হনুমানের দেহ আগলে রাখল শাবক হনুমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মা হনুমানের, শোকাহত শাবক, তার দলবলেরা আগলে রাখলো মৃতদেহ। পশু হয়েও তাদের মানুষের মতন আচরণ সাধারণ মানুষের মনকে আবেগ প্রবণ করে তুলেছে। পশু হলেও কতটা হনুমানরা শোকতপ্ত হতে পারে, সেই দৃশ্য চোখে পড়ল এই দুর্ঘটনায়। স্থানীয়রা জানান, উখড়ার (Durgapur) স্থানীয়দের উদ্যোগেই মৃত হনুমানের সমাধির উপর নির্মাণ হবে মন্দির।

    দুর্গাপুরের (Durgapur) কোথায় ঘটল এই ঘটনা

    শিল্পাঞ্চলের (Durgapur) মধ্যে শহরের গাছের ফল খেতে হনুমানদের চালাচল প্রায়ই লক্ষ করা যায়। দুর্গাপুরের কাছে উখড়ার শ্যামসুন্দরপুরে একদল হনুমান দলবদ্ধ হয়ে রাস্তার এপার থেকে ওপারে যাচ্ছিল। তখনই প্রচন্ড গতিসম্পন্ন অবস্থায় একটি চার চাকার গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পূর্ণবয়স্ক হনুমানকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়ির গতি এতটাই তীব্র ছিল যে ধাক্কার আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় হনুমানটির। ঠিক তারপরেই হনুমানের দল মৃত হনুমানকে ঘিরে চারিদিকে গোল হয়ে, একে একে সকলে বসে পড়ে ও মৃতদেহ আগলে রাখে। হনুমানের মৃত্যুর পর বেশ কিছুটা সময় সম্মেলিত ভাবে শোক প্রকাশ করতে দেখা যায় তাদের। মৃত পূর্ণবয়স্কা মা হনুমানকে আগলে রাখে হনুমানের শাবক। কিছুতেই  শাবক, মা হনুমানকে ছেড়ে যেতে চাইছিল না।

    এলাকার মানুষের প্রতিক্রিয়া

    উখড়ার (Durgapur) স্থানীয় মিলন বিশ্বাস ঘটনাস্থলে দুর্ঘটনার বিষয়টি সামনে থেকে চাক্ষুষ করেন। মিলন বাবু বলেন, একটা হনুমান তার বাচ্চা নিয়ে লাফালাফি করতে করতে রাস্তা পার হতে গেলে, আচামকা একটা গতি সম্পন্ন গাড়ি এসে তার গায়ে ধাক্কা দেয়। আর মুহূর্তের মধ্যেই হনুমানটা ছিটকে গিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে। শাবকটি কোন ক্রমে বেঁচে গেলেও মা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে আশেপাশের বাকি সকল হনুমান একসঙ্গে জড়ো হয়ে অনেক সময় ধরে রাস্তার ধারে বসে থাকে। অনেক সময় পর্যন্ত হনুমানদের উপস্থিতির জন্য মৃত হনুমানটিকে সরানো যায় নি। পরে খবর দেওয়া হয় উখড়া বনদপ্তরে। অনেক সময় কেটে গেলেও বনদফতর থেকে কেউ এসে ঘটনাস্থলে পৌঁছান নি বলে জানা য়ায়। আরও কিছু সময়ের পর মৃত হনুমানের দেহটিকে নিয়ে পাশের একটা জায়গায় সমাধিস্থ করা হয়। এলাকার মানুষ এই মৃত হনুমানের সমাধির উপরে একটা হনুমান মন্দির তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে। মৃত হনুমানের সমাধিস্থলের উপর হনুমান মন্দির নির্মাণের বিষয়ে প্রবল উৎসাহ লক্ষ করা গেছে।

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Agitation: প্রচণ্ড গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তিতিবিরক্ত এলাকাবাসী, কী করলেন?

    Agitation: প্রচণ্ড গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তিতিবিরক্ত এলাকাবাসী, কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমে হাঁসফাঁস রাজ্যবাসী। খনি অঞ্চল অন্ডাল, উখড়া পাণ্ডবেশ্বরের তাপমাত্রার পারদ দিনে দিনে ৪০ পেরিয়ে আজ ৪২ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে। তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের জেরে তিতিবিরক্ত শফিক নগর এলাকার বাসিন্দারা। পরিষেবা ঠিক করার দাবিতে বুধবার উখড়া বিদ্যুৎ কার্যালয়ের সামনে এসে বিক্ষোভে (Agitation) সামিল হন এলাকাবাসী। দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন উখরা বিদ্যুৎ কার্যালয়ের স্টেশন ম্যানেজারকে। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। স্টেশন ম্যানেজারের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।

    কী বললেন বিক্ষোভকারীরা?

    প্রতিদিন রাতের দিকে নিয়ম করে কয়েক ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে রাত দশটা থেকে রাত আড়াইটে পর্যন্ত এই সমস্যা থাকে। প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে পাল্লা দিলে লোডশেডিং হওয়ায় চরম নাকাল হতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। শেখ শওকত আলী নামে শফিক নগর এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, বারবার লোডশেডিং এর সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকবার বিদ্যুৎ দফতরের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি। গরমে লোড শেডিংয়ের জেরে রাতে ঘুমোতে পারছি না। প্রতিদিন নিয়ম করে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। বয়স্ক লোকজনদের চরম কষ্ট হচ্ছে। আমরা বিদ্যুৎ পরিষেবা দ্রুত উন্নত করার জন্য আন্দোলনে (Agitation) সামিল হয়েছি। আমাদের দাবিপূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন (Agitation) চলবে। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তরও আন্দোলনে নামব।

    কী বললেন বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিক?

    উখরা বিদ্যুৎ দফতরের স্টেশন ম্যানেজার বলেন, গরমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদার কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় পরিষেবা ঠিকমতো দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে, সব সময় সমস্যা থাকে এমন নয়। আমরা যতটা পারছি পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। ওই এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শুনলাম। তাদের দাবিপূরণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। কারণ, অকারণে কোথাও লোডশেডিং করা হয় না। পরিস্থিতি অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    Drinking Water: মুখ থুবড়ে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জলস্বপ্ন প্রকল্প’! গরমে জল সংকটে ভুগছেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরম পড়তেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের (Drinking Water) সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও রাস্তার ট্যাপকল আছে, তাতে ঠিকমতো জল পড়ে না, আবার কোথাও জল আসে অনিয়মিত। উখড়া পাঠকপাড়া, চ্যাটার্জীপাড়া এবং রুইদাসপাড়াতে সপ্তাহখানেক ধরে ট্যাপকলে জল পড়ছে না বলে অভিযোগ। এরপরই শুক্রবার উখড়া-মাধাইগঞ্জ রোডের আনন্দমোড়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা। পুলিশ গিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেয়। ঘণ্টা দুয়েক পর অবরোধ ওঠে। কিন্তু, সেই অবরোধ করেও কোনও লাভ হয়নি। ফলে, ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতরের পক্ষ থেকে এই এলাকায় কয়েক বছর আগে রাস্তার ধারে প্রায় ৭ হাজার ট্যাপ বসানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর জলস্বপ্ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার নতুন করে পানীয় জলের (Drinking Water) সংযোগ দেওয়া হয়। তবে, মেন লাইনের সঙ্গে এখনও সংযোগ না দেওয়ার কারণে বাড়ি বাড়ি জল সরবরাহ শুরু হয়নি। আর রাস্তায় যে সাত হাজার ট্যাপ রয়েছে, সেখান দিয়ে ঠিকমতো জল সরবরাহ হচ্ছে না বলেও এলাকাবাসীর ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গরমে পর্যাপ্ত পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না থাকার কারণে বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জল সরবরাহ করার কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। বহুবার এই বিষয়ে পঞ্চায়েতে আবেদন জানানো হয়েছে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাই, এলাকার মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হয়েছিল। এখন পঞ্চায়েত কী উদ্যোগ নেয় সেদিকে আমরা তাকিয়ে রয়েছি।

    কী বললেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান?

    অবরোধের পর পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজু মুখোপাধ্যায়। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রাজুবাবু বলেন, সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রতিদিন পানীয় জলের (Drinking Water) ট্যাঙ্ক পাঠানো হবে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, পাইপ লাইনের কাজ অনেক বাকি রয়েছে। ঠিকাদার কেন পাইপ লাইনের কাজ বাকি রেখেছে সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। কারণ, এই ঠিকাদারের জন্যই হাজার হাজার বাসিন্দাকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সমস্যা সমাধানে ঠিকাদার উদ্যোগ না নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে গিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক! কোথায় জানেন?

    TMC: দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে গিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল বিধায়ক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ২০১১ সালে রাজ্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল (TMC)। কিন্তু, এখনও পানীয় জলের সংকটে ভুগছেন রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা। কাগজকলমে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হলেও আদতে তৃণমূল সরকার যে কিছু করেনি তা পশ্চিম বর্ধমান জেলার উখরা গ্রাম পঞ্চায়েতের উগরা এলাকার বাসিন্দারা হারে হারে টের পাচ্ছেন। গরম পড়তেই পানীয় জলের হাহাকার চলছে এলাকায়। পানীয় জলের জন্য বাড়ির মহিলাদের দৌড়াদৌড়ি করতে হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে বর্তমান শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) উপরে সমস্ত ক্ষোভ তাঁদের। সোমবার দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে যোগ দিতে উখরা গ্রামে রানীগঞ্জ বিধানসভার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় যান। আর তৃণমূল বিধায়ককে সামনে পেয়ে এই গরমে পানীয় জল না পাওয়ার জ্বালা মিটিয়ে নেন মহিলারা। জনসংযোগ করার জন্য বিধায়ককে কথা বলতে না দিয়ে এলাকার সমস্ত মহিলারা তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    কী বললেন এলাকার মহিলারা? TMC

    সোমবার “দিদির সুরক্ষা কবজ” কর্মসূচি ছিল উখড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এলাকার তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। আনন্দমোড় শ্মশান কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে এদিন কর্মসূচির সূচনা হয়। তারপর বড়পাড়া হয়ে ময়রা পাড়ায় জনসংযোগ কর্মসূচিতে যান বিধায়ক সহ অন্যরা। সেখানে স্থানীয় মহিলাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন বিধায়ক। মহিলাদের অভিযোগ, এলাকায় কল থাকলেও কলে জল পড়ে না। ময়রাপাড়া, ধীবর পাড়া ও অস্তল পাড়ার একাংশের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে পানীয় জল সংকটে ভুগছেন। ফলে, আমাদের মতো এই এলাকায় সব বাসিন্দারা চরম নাকাল হয়। তাঁরা বিধায়কের কাছে অবিলম্বে পানীয় জলের পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানান।

    বিক্ষোভ নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? TMC

    এলাকাবাসীদের বিক্ষোভ দেখানোর কথা অস্বীকার করলেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কেউ কোনও বিক্ষোভ দেখায়নি। আসলে যারা কাজ করে, তাদের কাছেই তো অভাব অভিযোগ জানাবে। স্থানীয় মহিলারা এলাকায় পানীয় জলের সমস্যার কথা জানিয়েছেন মাত্র। সমস্যার কথা জানার জন্যই এই কর্মসূচি। সেখানে মহিলারা আমাকে সমস্যার কথা বলেছেন। আসলে এই এলাকায় বহুদিন ধরেই পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। বিষয়টি জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share