Tag: Ukraine war

Ukraine war

  • Donald Trump: বাণিজ্য চুক্তির জের! ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের

    Donald Trump: বাণিজ্য চুক্তির জের! ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ভারত থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে নিল আমেরিকা। রাশিয়ার তেল (Russian Oil) কেনার কারণে এই অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। এই বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি এক্সিকিউটিভ অর্ডারে সই করেন, যেখানে বলা হয়েছে, “ভারত সরাসরি বা পরোক্ষভাবে রাশিয়ান ফেডারেশন থেকে তেল আমদানি বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।”

    অতিরিক্ত শুল্ক কমাল আমেরিকা (Donald Trump)

    এক্সিকিউটিভ অর্ডার অনুযায়ী, রাশিয়ান তেল কেনার কারণে আরোপিত এই অতিরিক্ত শুল্ক শনিবার ভোর ১২টা ০১ মিনিট থেকে প্রত্যাহার করা হবে। ওই অর্ডারে আরও বলা হয়েছে, ভারত মার্কিন জ্বালানি পণ্যের ক্রয় বাড়াতে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদার করতে রাজি হয়েছে। এতে বলা হয়, ভারত সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আগামী ১০ বছরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি কাঠামো চুক্তিতে অঙ্গীকারও করেছে (Donald Trump)। এই এক্সিকিউটিভ পদক্ষেপটি আসে কয়েক দিন পর, যখন ট্রাম্প ভারতীয় রফতানির ওপর শুল্ক কমানোর লক্ষ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তির কথা ঘোষণা করেন। সেই সময় তিনি জানান, ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়ার তেল আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

    হোয়াইট হাউসের তরফে যৌথ বিবৃতি

    এই চুক্তির আওতায় আমেরিকা ভারতীয় পণ্যের ওপর তথাকথিত ‘পারস্পরিক শুল্ক’ ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার পরিকল্পনা করেছে। তবে এই কম শুল্ক কার্যকর হওয়ার সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা (Russian Oil)।শুক্রবার হোয়াইট হাউসের তরফে এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট কিছু বিমান ও বিমানের যন্ত্রাংশের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়া হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আগামী পাঁচ বছরে ভারত আমেরিকা থেকে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের জ্বালানি পণ্য, বিমান ও যন্ত্রাংশ, মূল্যবান ধাতু, প্রযুক্তি পণ্য এবং কোকিং কয়লা কিনতে চায় (Donald Trump)। এই চুক্তির ফলে ভারতীয় পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছরের শেষ দিকে এই শুল্কের হার ছিল ৫০ শতাংশ।

    শুল্ক শিথিল করার কারণ

    রাশিয়ার তেল আমদানি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কয়েক মাস ধরে যে টানাপোড়েন চলছিল, তারই প্রেক্ষাপটে শুল্ক শিথিল করা হল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। ওয়াশিংটনের দাবি ছিল, এই তেল কেনা পরোক্ষভাবে এমন একটি সংঘাতকে সমর্থন করছে, যার অবসান চায় আমেরিকা (Donald Trump)। এই চুক্তি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পুনরুজ্জীবনেরও ইঙ্গিত দেয় বলেই দাবি আন্তার্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই সম্পর্ককে একবার “আমার অন্যতম সেরা বন্ধুত্ব” বলে বর্ণনা করেছিলেন।এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েন্ডি কাটলারের মতে, সংশোধিত ১৮ শতাংশ শুল্ক হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় রপ্তানিকারীদের সামান্য হলেও প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দেবে। কারণ, একই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের পণ্যের ওপর শুল্ক প্রায় ১৯ থেকে ২০ শতাংশ বলে সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর। প্রশ্ন হল, কেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করলেন (Russian Oil)? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন কারণ ভারত রাশিয়ান তেল সরাসরি বা পরোক্ষভাবে আমদানি বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি দুই দেশের মধ্যে হওয়া একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তির অংশ (Donald Trump)।

  • India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    India US Relation: কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তি করবে না ভারত, রুবিওকে সাফ বলেছিলেন ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির সরকার (Modi Govt) কোনও চাপের কাছেই নতি স্বীকার করে বাণিজ্য চুক্তিতে যেতে রাজি নয়। ভারত-মার্কিন সম্পর্কের তপ্ত পর্বে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে নীরবে কিন্তু দৃঢ়তার সঙ্গে এ কথা বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি (India US Relation)। ভারত–আমেরিকার সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রেক্ষাপটে ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনেই উঠে এসেছে এই তথ্য। ভারত যে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে, তাও বুঝিয়ে দেওয়া হয় ঠারেঠোরে।

    ভারতের বার্তা (India US Relation)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছিলেন, হোয়াইট হাউস যদি শত্রুতাপূর্ণ ভাষা ও চাপ প্রয়োগের কৌশল থেকে সরে না আসে, তবে ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময়টুকু অপেক্ষা করতে ভারত প্রস্তুত। এই বার্তাটি দেওয়া হয় সেপ্টেম্বরের শুরুতেই, যে সময় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তীব্র চাপের মধ্যে ছিল। একদিকে আমেরিকার আরোপিত দণ্ডমূলক শুল্ক, অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া প্রকাশ্য মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সেই সময় ট্রাম্প ভারতের অর্থনীতিকে অবজ্ঞাসূচক ভাষায় কটাক্ষ করেছিলেন। অভিযোগ করেছিলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা অব্যাহত রেখে ভারত পরোক্ষভাবে ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে অর্থ জোগাচ্ছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন ভারতীয় রফতানির (India US Relation) ওপর চড়া শুল্ক আরোপ করে। ডোভাল সাফ জানিয়ে দেন, ভারত এই তিক্ততা কাটিয়ে আবারও বাণিজ্য আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী, তবে তা হতে হবে প্রকাশ্য অপমান ও চাপমুক্ত পরিবেশে। তিনি আরও জানান, অতীতেও ভারত কঠিন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করেছে এবং প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করার সামর্থ্য তার রয়েছে (Modi Govt)।

    সুর নরম ট্রাম্প প্রশাসনের

    এই আলোচনার অল্প সময়ের মধ্যেই সুর নরম হতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসনের। ১৬ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে তাঁকে ফোন করে তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন—যা আগের বক্তব্যগুলির তুলনায় এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের। পরবর্তীকালে দুই নেতা একাধিকবার কথা বলেন, যার ফলে ধীরে ধীরে নতুন করে সম্পর্ক জোরদারের পথ তৈরি হয়। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি একটি বাণিজ্য সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার ফলে ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমে আসবে এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনার সঙ্গে যুক্ত পৃথক ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য আমদানি বাড়াবে এবং মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাবে। তবে মোদি সরকার এখনও চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি বা কোনও লিখিত (India US Relation) চুক্তি প্রকাশ করেনি।

    একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত

    এই ঘোষণা নয়াদিল্লির কিছু শীর্ষ আধিকারিককেও বিস্মিত করে, যা প্রমাণ করে যে কূটনৈতিক আলোচনা কতটা নীরবে এগিয়েছে (Modi Govt)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হঠাৎ এই চুক্তি বৃহত্তর কৌশলগত প্রেক্ষাপটের দিকেও ইঙ্গিত করে, যা ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। ২০২৫ সালে ভারত ব্রিটেনের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করে। চলতি বছরের শুরুতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সঙ্গেও একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং সর্বশেষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিও চূড়ান্ত হয়। গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন। এর পরই ট্রাম্প আক্ষেপের সুরে স্বীকার করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো ভারতকে চিনের কাছে হারিয়ে ফেলছে।

    এই সব পদক্ষেপ মিলিয়ে স্পষ্ট হয়, ভারত তার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করছে এবং কেবল ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরশীল নয়।এই বিস্তৃত কৌশলই সম্ভবত আমেরিকার ওপর সম্পর্ক মেরামতের চাপ বাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতির পরিণতি এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এই অচলাবস্থা থেকে ভারত আরও (Modi Govt) শক্তিশালী দরকষাকষির অবস্থানে বেরিয়ে এসেছে এবং সম্ভবত (India US Relation) চুক্তির ভালো দিকটিই আদায় করেছে।

     

  • Russian Soldier: নরখাদক রুশ সেনা! হত্যা করে খাচ্ছে সহকর্মীদেরই! বিস্ফোরক দাবি ইউক্রেনের

    Russian Soldier: নরখাদক রুশ সেনা! হত্যা করে খাচ্ছে সহকর্মীদেরই! বিস্ফোরক দাবি ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে ৩ বছর ধরে। সম্প্রতি ইউক্রেন (Ukraine) এক বিস্ফোরক দাবি করেছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নরখাদকদের অন্তর্ভুক্ত করে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে (Russian Soldier)। এমনকি কিছু সৈনিক সহযোদ্ধাকে হত্যা করে তাদের দেহ ভক্ষণ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    ভয়ঙ্কর তথ্য প্রকাশ করল ইউক্রেনের গোয়েন্দা বিভাগ

    কিয়েভের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, রুশ সরকার (Russian Soldier) যুদ্ধের জন্য বিপুল সংখ্যক অপরাধী, খুনি, ধর্ষক, ডাকাত এমনকি নরখাদকদের জেল থেকে মুক্তি দিয়ে সামনের সারিতে যুদ্ধ করতে পাঠাচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে বহু কুখ্যাত অপরাধী, যারা অতীতে হত্যাকাণ্ড ও নরখাদকতার অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, ডেনিস গোরেন নামের এক অপরাধীকে ২০১২ সালে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চারজনকে খুন ও অন্তত একজনের দেহ খাওয়ার অভিযোগে আদালত ২২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। নিকোলো ওকোলোবিয়াক নামের আরেক ব্যক্তি দুই মহিলাকে হত্যা করে তাদের মাংস খাওয়ার দায়ে কারাগারে ছিল। এখন তাদের মতো আরও অনেককেই মুক্তি দিয়ে রুশ সেনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ইউক্রেনের (Ukraine)।

    সহকর্মীদেরও হত্যা করে দেহ খাচ্ছে, দাবি ইউক্রেনের

    ডেইলি মেলের এক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দামিত্রি মালিশেভ নামের এক অপরাধী তিনজনকে খুন করে তাদের হৃদপিণ্ড রান্না করে খেয়েছিলেন। তাকেও বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে (Russian Soldier) পাঠানো হয়েছে। একইভাবে আলেকজান্ডার মাসলেনিকভ নামে একজন ধর্ষক ও খুনিকে ২০২৪ সালে মুক্তি দিয়ে যুদ্ধে নিয়োজিত করা হয়। এইসব অপরাধীদের মানসিকতা যুদ্ধক্ষেত্রেও অপরিবর্তিত রয়েছে বলে দাবি ইউক্রেনের। ইউক্রেনের গোয়েন্দাদের আরও দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই তারা নিজেদের সহকর্মীদেরও হত্যা করে দেহ খাচ্ছে। শুধু শত্রু নয়, নিজেদের সেনাদের মাঝেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এই অপরাধীদের নিয়ে।

    চলছে যুদ্ধ

    ইউক্রেনের ভূখণ্ডে রাশিয়া অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ সেনার (Russian Soldier) আক্রমণে প্রায় ৪০০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার দখলে গেছে সীমান্তবর্তী একাধিক এলাকা। ধ্বংস হয়েছে চারটি যুদ্ধবিমান, সাতটি সাঁজোয়া যান, একটি কামান ও তিনটি সামরিক ট্রাক। রুশ সেনার দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের ৪২৫ জন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় একটি অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Modi Russia Visit: ফের মোদির রাশিয়া সফর, থামবে কি ইউক্রেন যুদ্ধ?

    Modi Russia Visit: ফের মোদির রাশিয়া সফর, থামবে কি ইউক্রেন যুদ্ধ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জুলাই মাসে রাশিয়া সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংবাদ সংস্থার রয়টার্স সূত্রে খবর ভারত এবং রাশিয়া দু’পক্ষই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর মস্কো (Modi Russia Visit) শহরের জন্য তৈরি হচ্ছে। রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা তাসের তরফেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মস্কো সফরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    মোদির রাশিয়া সফরের গুরুত্ব (Modi Russia Visit)

    কূটনৈতিক সূত্র উল্লেখ করে সংবাদ সংস্থা তাস জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই (Modi Russia Visit) সফর জুলাই মাসে হতে পারে। সে দেশের রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভূরাজনীতি, কূটনীতি, দুপক্ষের বাণিজ্যিক সহযোগ এবং সামরিক বিষয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হতে পারে। প্রসঙ্গত মার্চ মাসেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাশিয়া সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এরপর মে মাসে পঞ্চম বার রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন পুতিন। অন্যদিকে জুন মাসে তৃতীয় বারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসেছেন নরেন্দ্র মোদি। তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি পুতিন। রাশিয়ার তরফে আধিকারিক বিবৃতি জারি করা হয়েছিল। যদি এই সফর বাস্তবায়িত হয় তাহলে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর এটিই হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম সফর। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল ২০২১ সালে ভ্লাদিমির পুতিন নয়া দিল্লিতে ইন্দো-রাশিয়া সামিটে এসেছিলেন। যা বিগত দু বছরে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পুতিনের সঙ্গে শেষ বার দেখা করেছিলেন ২০২২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। তখন সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন এর সামিট আয়োজিত হয়েছিল উজবেকিস্তানের সমরকান্দে। সে সময় তিনি পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর জন্য কথাবার্তা এবং কূটনীতির আশ্রয় নিতে বলেছিলেন।  

    কূটনীতিতে স্বাবলম্বী ভারত

    একটা সময় ছিল যখন ভারত পুরোপুরি রাশিয়ার দিকে ছিল। সমরাস্ত্র হোক বা কূটনীতি, ভারত অনেকটাই রাশিয়া নির্ভর ছিল। কিন্তু এখন আমেরিকার সঙ্গেও নৈকট্য বেড়েছে ভারতের। আমেরিকার কাছ থেকেও সমরাস্ত্র কিনছে ভারত। অন্যদিকে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের কাছ থেকেও যুদ্ধাস্ত্র কেনা হচ্ছে ভারতীয় সেনার জন্য। তবুও রাশিয়ার সরাসরি সমালোচনা কিংবা রাশিয়ার বিরুদ্ধে আচরণ করার নীতি নেয়নি ভারত। বরং প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র এখনও রাশিয়ার কাছ থেকে কেনা হচ্ছে। আমেরিকার চোখ রাঙ্গানি সত্ত্বেও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে এস ৪০০

    আরও পড়ুন: ইন্ডি জোটে ফাটল, স্পিকার নির্বাচনে একতরফা প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস, ক্ষুব্ধ তৃণমূল

    কিনেছে । এমনকি বহু মিসাইল ও রাইফেল এখনও রাশিয়া ভারতকে নিয়মিত সরবরাহ করে। ইউরোপ এবং আমেরিকার বাঁকা চোখ সত্ত্বেও রাশিয়ার কাছ থেকে নিয়মিত তেল কিনেছে ভারত। তা সত্ত্বেও মনে করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর (Modi Russia Visit) আসন্ন সফরে রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর পরামর্শ দিতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Russia Ukraine War: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    Russia Ukraine War: কীভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেছিলেন মোদি? মনে করালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine War) ভারতের ভূমিকা স্মরণ করালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধের ভয়াবহতা শুধু কমাননি ভারতীয় নাগরিক ও ছাত্রদের সুরক্ষিত ফিরিয়ে এনেছিলেন দেশে। যে তৎপরতার সঙ্গে ছাত্রদের ওই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে দেশে ফিরিয়ে আনা হয় তা ছিল চ্যালেঞ্জের। কিন্তু মোদি জমানার কূটনৈতিক সাফল্যের ফল ছিল এটি”, বললেন এস জয়শঙ্কর।

    কূটনীতির পক্ষে কথা বলেন মোদি 

    প্রসঙ্গত ভ্লাদিমির পুতিন (Putin) ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন আক্রমণ শুরু করার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাতে (Russia Ukraine War) সংলাপ এবং কূটনীতির পক্ষে কথা বলেন। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ভারতীয়দের জন্য নিরাপদ পথ নিশ্চিত করতে তিনি পুতিন এবং ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ইউক্রেন-রাশিয়া সঙ্কটে প্রধানমন্ত্রী মোদির হস্তক্ষেপের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “ খারকিভে গোলাবর্ষণ শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী রুশ রাষ্ট্রপতি পুতিনের সঙ্গে কথোপকথন করেছিলেন এবং তাঁকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বলেছিলেন। এবিষয়ে মোদিজির স্পষ্ট বক্তব্য ছিল ভারত এই যুদ্ধে সমর্থন করছে না।  ভারতীয়দের বের না করা পর্যন্ত কিন্তু রাশিয়ান গোলাবর্ষণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।”

    প্রত্যেক ভারতীয়কে ফিরিয়ে আনা হয় 

    কয়েক হাজার ভারতীয় ছাত্র এবং কয়েকশো ভারতীয় নাগরিক ইউক্রেনে এবং রাশিয়ার যুদ্ধবিধ্বস্ত আটকে পড়েছিলেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে ভারতীয়দের ফিরিয়ে এনেছিলেন। ভারতীয় পতাকা গর্বের সঙ্গে উঁচু করে ভারতীয় ছাত্ররা যুদ্ধের ময়দানে সুরক্ষিত স্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ভারতীয় পতাকা ছিল তাদের গর্বের কারণ। ভারতীয়রা যেখানে যাচ্ছিল তাদের পথ করে দেওয়া হচ্ছিল। এমনকি সেই সময় পাকিস্তানি ছাত্ররা ও ভারতীয় পতাকা নিয়ে সুরক্ষিত স্থানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, এমন দৃশ্য দেখতে পাওয়া যায়। এই দৃশ্য ভারতের কূটনৈতিক জয় বলে মনে করেন বিদেশমন্ত্রী। ভারতীয়দের প্রত্যেককে সুরক্ষিতভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।  

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে ভারতের শিক্ষা

    এছাড়াও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভয়াবহতা কমাতে ভারত যথেষ্ট উদ্যোগী হয়েছিল। একইসঙ্গে এই যুদ্ধের ফলে ভারত অত্যন্ত কম দামে তেল কিন্তু সক্ষম হয়। যার প্রভাব পড়ে ভারতীয় অর্থনীতিতে। ভারত এখন কম দামে তেল কিনে দেশীয় বাজারে পেট্রোপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকেও পরিশোধিত তেল বিক্রি করে যথেষ্ট মুনাফা অর্জন করছে ভারত। এমনকি আন্তর্জাতিক বাজারেও বেশ কয়েকটি দেশ ভারতীয় তেল ক্রয় করছে। এর লাভ পেয়েছে ভারতীয় অর্থনীতি।

    আরও পড়ুন: ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’, বলছে কিরঘিজ সরকার, ভারতীয় পড়ুয়াদের ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ

    শুধু তাই নয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) থেকে ভারতীয় সামরিক বাহিনীও শিক্ষা নিয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধগত কৌশলের ক্ষেত্রে। বর্তমানে যুদ্ধের পরিস্থিতি কীভাবে বদল হয়। যুদ্ধক্ষেত্রের রণকৌশলের আধুনিকীকরণ সহ বেশ এই যুদ্ধ থেকে কয়েকটি সামরিক বিষয়ে শিক্ষা নিয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nuclear Disarmament: বড় সংঘাতের সঙ্কেত! আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি বাতিল রাশিয়ার

    Nuclear Disarmament: বড় সংঘাতের সঙ্কেত! আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি বাতিল রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তির আগে আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘটনাচক্রে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ইউক্রেন সফরের পর দিনই এমন ঘোষণা করলেন পুতিন। মঙ্গলবার পুতিন বলেন, “আমি ঘোষণা করতে বাধ্য হচ্ছি, কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র সংক্রান্ত চুক্তি থেকে রাশিয়া সরে আসছে।” আমেরিকা এবং রাশিয়ার মধ্যে ‘নিউ স্টার্ট’-ই ছিল শেষ চুক্তি। অন্যদিকে পুতিনের ঘোষণাকে “দুর্ভাগ্যজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন” বলে আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

    কেন এই পদক্ষেপ পুতিনের?

    সোমবারই ইউক্রেনে গিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন৷ ইউক্রেনকে নতুন করে সামরিক সাহায্যের ঘোষণাও করেছেন বাইডেন৷ তার পরেই মস্কোর এই পদক্ষেপ নতুন করে আশঙ্কার সৃষ্টি করছে। পুতিনের এই বড় সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগী দেশ গুলিকে দায়ী করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট৷ তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকা ও তার ন্যাটো সহযোগীরা ইউক্রেনে রাশিয়ার পরাজয়ের লক্ষ্যে কাজ কারছে, তাই এই সিদ্ধান্ত৷ প্রতিপক্ষ দেশগুলি রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার দখলের চক্রান্ত করছে বলেও অভিযোগ ভ্লাদিমির পুতিনের৷ পুতিনের মতে, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হার চায় আমেরিকা। একই সঙ্গে রাশিয়ার অস্ত্র ভাণ্ডারের তথ্যও চায় তারা। এটা চলতে দেওয়া যায় না। ফলে মঙ্গলবার ‘স্টেট অফ দ্য নেশন’-এ ইউক্রেন যুদ্ধের সাফল্যের কথা তুলে ধরতে বিশেষ ভাষণ দেন পুতিন। সেখানেই আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করার বিষয়টি ঘোষণা করেন ও সাফ জানিয়ে দেন, একে অপরের নজরদারিতে থেকে পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া করবে না রাশিয়া।

    আমেরিকার বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের মন্তব্য

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘোষণাকে ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলল আমেরিকা। আমেরিকার বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের বর্ষপূর্তির আগে পুতিনের এই ঘোষণা সত্ত্বেও আলোচনার দরজা বন্ধ করছে না তাঁর দেশ। এ প্রসঙ্গে ব্লিঙ্কেন বলেন, “আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক যে পর্যায়েই থাকুক না কেন, কৌশলগত অস্ত্রের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে আমরা রাশিয়ার সঙ্গে যে কোনও সময় আলোচনায় বসতে রাজি।”

    পুতিনের এই ঘোষণার পরে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, ইউক্রেন জয়ে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাশিয়া। মারাত্মক অস্ত্র ব্যবহার করতেও দু’বার ভাববে না তারা। অন্যদিকে পুতিনের এই সিদ্ধান্ত পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনাকে উস্কে দিল বলে মনে করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

  • Russia-Ukraine War: ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আইএস জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আমেরিকা! বিস্ফোরক দাবি রাশিয়ার

    Russia-Ukraine War: ইউক্রেনের হয়ে লড়তে আইএস জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে আমেরিকা! বিস্ফোরক দাবি রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক বছর হতে চলল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War)। লড়াই থামার কোনও লক্ষণই নেই। আর এর মধ্যেই একটি বিস্ফোরক অভিযোগ করেছে মস্কো। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা (Russian Intelligence) ফরেন ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এসভিআর) দাবি করেছ, ইউক্রেন সেনার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হয়েছে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা। 

    দেশের গোয়েন্দা সংস্থার (Russian Intelligence) এই দাবির স্বপক্ষে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দফতরের তরফেও (এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। তাতে দেখা গিয়েছে, ইউক্রেনীয় সেনার (Russia-Ukraine War) পোশাক পরা এক ব্যক্তির বাঁ হাতে রয়েছে আইএসের ইনসিগনিয়া বা প্রতীক। দাবি, আইএস জঙ্গিদের হাতে ঠিক একই প্রতীক থাকে। 

    রুশ গোয়েন্দা সংস্থার দাবি

    রাশিয়ার দাবি, এই ব্যক্তি ডনবাস (পূর্ব ইউক্রেনের ডনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলকে একত্রে এই নামে ডাকা হয়) এলাকায় মোতায়েন ইউক্রেনীয় সেনার (Russia-Ukraine War) একটি ইউনিটের কমান্ডারের দায়িত্বে রয়েছেন। ভিডিওতে দেখা মেলা ওই ব্যক্তি আদতে আইএস-এর জঙ্গিনেতা বলেও দাবি করেছে রুশ গোয়েন্দা সংস্থা (Russian Intelligence)। 

    এই ভিডিও ফুটেজ ও ছবি অন্য মাত্রা পেয়েছে। কারণ, গত সপ্তাহেই মস্কো অভিযোগ করেছিল, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে (Russia-Ukraine War)  ইউক্রেনে ওই জঙ্গিদের পাঠাচ্ছে আমেরিকা। মস্কোর দাবি, রাশিয়ায় হামলা চালাতে ৬০টির মত জঙ্গি গোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে মার্কিন সেনা। যাদের মধ্যে আইসিস থেকে শুরু করে আল কায়দার মত একাধিক আন্তর্জাতিক জঙ্গি রয়েছে। 

    আমেরিকাকে নিশানা রাশিয়ার

    এসভিআর-এর দাবি, এই প্রথম আমেরিকা এমনটা করছে তা নয়। এর আগেও, ইউক্রেনের হয়ে লড়তে (Russia-Ukraine War) রাশিয়ায় ভাড়াটে সেনা পাঠিয়েছে তারা। রাশিয়ার পাশাপাশি কাজাখস্তান, বেলারুশ ও উজবেকিস্তানে এই জঙ্গিদের ভাড়াটে সেনা হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। এসভিআর-এর দাবি, সিরিয়ায় ওই জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ চলে। তারপর তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইউক্রেনে। রুশ গুপ্তচর সংস্থার দাবি, সিরিয়ায় মার্কিন সেনার আল-তানফ সামরিক ঘাঁটিতে ওই প্রশিক্ষণ চলে।

    যদিও, রাশিয়ার তোলা যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করেছে ওয়াশিংটন। তারা এই ফুটেজের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। একইভাবে, গোটা বিষয়টা থেকে হাত ধুয়ে ফেলেছে ভলোদিমির জেলেনস্কির সরকারও। 

  • Vladimir Putin: “যত তাড়াতাড়ি হয় ততই ভালো”, ইউক্রেন যুদ্ধ ইতি টানতে চান পুতিন

    Vladimir Putin: “যত তাড়াতাড়ি হয় ততই ভালো”, ইউক্রেন যুদ্ধ ইতি টানতে চান পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলেনস্কির যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরই ভোল বদল রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin)। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিয়মিত সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। বাইডেনের ইউক্রেনকে এই প্রতিশ্রুতির দেওয়ার পরপরই পুতিনের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য করা হয়। 

    কী বলেন পুতিন?     

    পুতিন (Vladimir Putin) বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সামরিক সংঘর্ষের পরিমাণ আর বাড়ানো নয় বরং এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো। আমরা এই যুদ্ধের অবসানের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং যত তাড়াতাড়ি আমরা তা করতে সমর্থ হব তত ভাল।” 

    তবে পুতিনের (Vladimir Putin) মন্তব্য নিয়ে সন্দেহ পোষণ করেছে আমেরিকা। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র জন কিরবি এ বিষয়ে বলেন, “২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ সৈন্য পাঠানোর মাধ্যমে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে তা শেষ করতে তিনি যে আলোচনা চান সেটি নিশ্চিত করতে পুতিন কোনো ইঙ্গিত রাখেননি।”

    আরও পড়ুন: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?  

    পুতিনকে (Vladimir Putin) ইঙ্গিত করে জন কিরবি আরও বলেন, ‘বরং তিনি যা করছেন তা তার দাবির পুরোপুরি বিপরীত। তিনি ইউক্রেনের জমিনে এবং আকাশে যা করছেন তা এমন একজন ব্যক্তির কথা নির্দেশ করে, যে কিনা ইউক্রেনের জনগণের উপর সহিংসতা চালিয়ে যেতে চায় এবং যুদ্ধ বাড়াতে চায়।’ 

    এদিকে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা অব্যহত রাখার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইউক্রেনকে ১৮৫ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্য করবে মার্কিন প্রশাসন।

    নিয়মমাফিক বছর শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। ঠিক তার আগের দিনই কয়েক ঘণ্টার মার্কিন সফর সেরেছেন জেলেনস্কি। তাই সাংবাদিক সম্মেলনের শুরু থেকেই একযোগে আমেরিকা ও ইউক্রেনকে আক্রমণ করেন পুতিন। সাফ জানিয়ে দেন, “এই যুদ্ধ বন্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা বহুদিন ধরেই এই চেষ্টা করছি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, যেভাবেই হোক, এই যুদ্ধ থামাতে চেষ্টা করছি।” সামরিক লড়াই থামিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে হলেও যুদ্ধ বন্ধ করার কথা উঠে এসেছে পুতিনের মন্তব্যে।

    রুশ রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, “আমরা তো দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করতে চাইছি। কিন্তু আমাদের প্রতিপক্ষরা সেটা চাইছে না। তারা যত তাড়াতাড়ি যুদ্ধ বন্ধের গুরুত্ব বুঝতে পারে, ততই ভাল।” ইউক্রেনের জন্য প্রতিরক্ষার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই বিষয়টি নিয়েও আলাদা করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুতিন (Vladimir Putin)। তাঁর মতে, অযথাই যুদ্ধ চালিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে কিছু পক্ষ। তবে এইভাবে কোনও লাভ হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: দেশবাসীর স্বার্থ সুরক্ষিত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব! রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: দেশবাসীর স্বার্থ সুরক্ষিত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব! রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয়রা কীভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে সুবিধা পাবে, তা দেখা সরকারের সাংবিধানিক কর্তব্য, অভিমত বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের। রাশিয়া থেকে তেল কেনা প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনবে। নিজেদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে চায় যে কোনও দেশই। ভারতীয়দের আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, চাহিদা মেটাতে রাশিয়া থেকে কম খরচে তেল কিনছে ভারত। দেশের মানুষের স্বার্থ নিশ্চিত করতে এটা সরকারের সাংবিধানিক বাধ্যতা।” ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনের পর রাশিয়া থেকে সবচেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করে ভারত। গত সেপ্টেম্বরে তার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি।

    মস্কো সফরে গিয়ে মঙ্গলবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিশন অন ট্রেড,ইকনমিক,সায়েন্টিফিক, টেকনিকাল ও কালচারাল কো অপারেশন সংক্রান্ত মিটিংয়েও অংশ নেন জয়শঙ্কর। দুদেশই বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও সম্প্রসারিত করার ব্যাপারে আলোচনা করেছে। পাশাপাশি সারাবিশ্বে খাদ্য ও শক্তিসম্পদের সুরক্ষাকে নিশ্চিত করার জন্য ভারত  রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানার কথাও বলেছে।

    আরও পড়ুন: টাকার জোগান হচ্ছে, তাই বাড়ছে সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে এস জয়শঙ্কর

     মঙ্গলবারের ওই বৈঠকের পরে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন,‘‘আজকের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির বিষয়ে পারস্পরিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে মূল্যায়ন ও মত বিনিময় হয়েছে।’’রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী লাভারভ জানিয়েছেন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ১৩০ শতাংশ ছুঁয়েছে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের অঙ্ক প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে অন্তত ৩০ বিলিয়নে স্পর্শ করাতে হবে। ডলারের পরিবর্তে রুপি-রুবেল বিনিময়ে বাণিজ্য প্রসারেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অতিমারি পরবর্তী পর্যায়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে ধাক্কা এসেছে তাতে বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এ কথা জানিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আমরা শুধু জাতীয় স্বার্থটা দেখছি তেমনটা নয়, জি ২০ অর্থনীতির অঙ্গ হিসাবে আমরা বিশ্ব অর্থনীতিকেও স্থিতিশীল করতে চাইছি। যুদ্ধ নয়, ভারত সব সময়ই আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পক্ষপাতী।” বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের আবহে কত সস্তায় অশোধিত তেল রাশিয়া থেকে ভারত আমদানি করতে পারে, তা নির্ধারিত করতেই জয়শঙ্করের এই সফর। প্রসঙ্গত, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শুরুর পরে বিভিন্ন সময়ে এবং বিভিন্ন জায়গায় জয়শঙ্কর এবং লাভরভ এই নিয়ে পাঁচ বার বৈঠক করলেন।

  • Ukraine: জমি হারাচ্ছে রুশ সেনা? অনেক এলাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, দাবি ইউক্রেনের

    Ukraine: জমি হারাচ্ছে রুশ সেনা? অনেক এলাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, দাবি ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাত মাস অতিক্রান্ত। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ (Ukraine war) যে এত দীর্ঘায়িত হবে তা স্পপ্নেও কেউ ভাবতে পারেননি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন, একপেশেভাবে রুশ সেনা ইউক্রেন (Ukraine) দখল করে নেবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেন সেনাবাহিনী যেভাবে রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে যুদ্ধ করে যাচ্ছে তাতে বোঝাই যাচ্ছে যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে।

    প্রথমদিকে, রুশ সেনা যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও বর্তমানে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রুশ সেনা পিছু হঠতে শুরু করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২৯ অগাস্ট থেকে ইউক্রেনে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রুশ সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন। সারা বিশ্ব এখন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর সাহসিকতার প্রশংসা করছে এবং শক্তিধর দেশগুলো ইউক্রেনকে আর্থিক থেকে শুরু করে সামরিক, কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে সাহায্য করছে।

    ইউক্রেনীয় সেনা রাশিয়ার কাছে হারানো এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধার করতে শুরু করেছে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, উত্তর খারকিভ অঞ্চল সহ বেশ কিছু জায়গায় ইউক্রেনীয় সেনা দ্রুত অগ্রসর হওয়ার ফলে সেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে মস্কো বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন সেনার পাল্টা আক্রমণের ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলগুলি থেকে মস্কোর নিয়ন্ত্রণ আলগা হচ্ছে। এই জায়গাগুলিতে রাশিয়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার প্রচেষ্টায় প্রতিদিন কমপক্ষে একটি ব্যাটালিয়ন জওয়ান ও সামরিক যানের অতিরিক্ত খরচ করছে।

    আরও পড়ুন: ১৮ লক্ষ বছর পুরনো ‘মানুষের দাঁত’ আবিষ্কার জর্জিয়ায়! কী বলছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা?

    ফলে প্রায় প্রতিদিনই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে পুতিনের দেশকে। প্রতিদিন নিহত হচ্ছেন শত শত সেনা জওয়ান। ধ্বংস হচ্ছে ডজন খানেক যানবাহনের। মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, রাশিয়ার একটি ব্যাটালিয়ন সেনা পূর্ব ইউক্রেনে নদী অতিক্রম করার সময় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। তাই রুশ সেনা পুনরায় পূর্ব ইউক্রেনে তাদের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চাপে রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভ বাহিনীর পাল্টা আক্রমণ শুরু করার আগে ইউক্রেনে রুশ সেনা মাত্র ১০০ জনের মতো ইউক্রেনীয় জওয়ানকে আটক করেছিল।

    ইউক্রেন সেনার এক উচ্চ আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তারা প্রায় ১২০০ রুশ যুদ্ধট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া গাড়ি, হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান ও ড্রোনকে ধ্বংস বা বাজেয়াপ্ত করেছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত প্রায় ৫,৮০০ রুশ সৈন্যকে তারা হত্যা করেছে এবং সেপ্টেম্বর মাস থেকেই তারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল থেকে রাশিয়ার সেনার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমন শুরু করেছে।

    ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের (Ukraine Russia war) কিছু ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা প্রায় ৪০০টির মতো ভিডিও যাচাই করে বৈধ ঘোষণা করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে রুশ সেনাবাহিনী বিধ্বস্ত। যদিও এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাশিয়া জানিয়েছে যে তারা নিশ্চিত যে তাদের সামরিক উদ্দেশ্যগুলি সফল হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share