Tag: ukraine

ukraine

  • Russia Ukraine War: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে কোনও দেশেরই স্বার্থসিদ্ধি হবে না, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর 

    Russia Ukraine War: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে কোনও দেশেরই স্বার্থসিদ্ধি হবে না, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia Ukraine War) কোনও দেশেরই স্বার্থসিদ্ধি হবে না। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় একথা বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।এদিন রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। এই যুদ্ধের প্রভাব যে বিশ্বজুড়ে পড়বে, তাও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, ভারত বিশ্বাস করে আলোচনা ও কূটনৈতিক স্তরে সমস্যার সমাধান সম্ভব। তার পরেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ রাশিয়া ইউক্রেন কোনও দেশকেই দীর্ঘস্থায়ী কিছু দেবে না। এতে কোনও দেশেরই স্বার্থসিদ্ধি হবে না। সমস্যার সমাধানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া এবং ইউক্রেন দু দেশকেই আলোচনার টেবিলে বসতে অনুরোধ করেছেন।

    মোদি বলেছিলেন…

    যুদ্ধ (Russia Ukraine War) যে কোনও স্থায়ী সমাধান নয়, তা নানা সময় বলতে শোনা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। গত সেপ্টেম্বরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে মোদি বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। রশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানে উদ্যোগী হতে পুতিনকে উৎসাহিতও করছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    রশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) ব্যাপক প্রভাব যে বিশ্বজুড়ে পড়বে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন ভারতের  বিদেশমন্ত্রী। তিনি জানিয়ে দেন, যুদ্ধের প্রভাব পড়বে জ্বালানি, খাদ্য এবং সারের ক্ষেত্রে। এটা যে একটা উদ্বেগের বিষয়, তাও জানান তিনি। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটাতে ভারত যে দুই দেশকেই নিরন্তর বলে যাচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন জয়শঙ্কর। আলোচনা ও কূটনৈতিক পথেই যে যুদ্ধে ইতি টানা যেতে পারে, জানান তাও।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী এদিন ভারত-অস্ট্রিয়ার দৃঢ় বন্ধনের ওপর জোর দেন। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, বিনিয়োগ চুক্তি এবং জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটরস এগ্রিমেন্ট করতে অস্ট্রিয়ার সমর্থনও চান জয়শঙ্কর। এই চুক্তিগুলির ইতিবাচক প্রভাব যে দুই দেশের অর্থনীতিতে পড়বে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারত-অস্ট্রিয়ার বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারতে ব্যবসা করছে দেড়শোরও বেশি অস্ট্রিয়ান কোম্পানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Russia Oil Export: তেল বিক্রি নিয়ে ডিক্রি জারি পুতিনের, জানেন কী রয়েছে নির্দেশিকায়?

    Russia Oil Export: তেল বিক্রি নিয়ে ডিক্রি জারি পুতিনের, জানেন কী রয়েছে নির্দেশিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং জি-৭ সহ পশ্চিমি দুনিয়ার বেঁধে দেওয়া দরে যারা তেল কিনতে চাইবে, নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের তেল (Russia Oil Export) বিক্রি করা হবে না। সম্প্রতি এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিনের এই ডিক্রি প্রকাশিত হয়েছে সরকারি পোর্টাল ও ক্রেমলিন ওয়েবসাইটে। 

    রাশিয়ার তেল…

    জানা গিয়েছে, চলতি বছর ডিসেম্বরের প্রথম দিকে সমুদ্রপথে সরবরাহ করা রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ইউরোপিয় ইউনিয়ন। শুধু তাই নয়, এই ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, জাপান, ব্রিটেন এবং আমেরিকা এই জি-৭ গোষ্ঠীর দেশগুলি গোটা বিশ্বের জন্য তেল কেনার দর বেঁধে দিয়েছিল ব্যারেল পিছু ৬০ ডলারে। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পুতিনের ডিক্রি, যে বিদেশি ব্যক্তি এবং সংস্থা বেঁধে দেওয়া দরে তেল কিনতে চাইবে, রাশিয়ার দরজা তাদের জন্য বন্ধ।

    আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে দু’ রকম কথা বলছে পশ্চিম’, বললেন জয়শঙ্কর

    চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ বাঁধে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের। তার পর গোটা বিশ্ব কার্যত ভাগ হয়ে গিয়েছে আড়াআড়িভাবে। একদল দাঁড়িয়েছে রাশিয়ার পক্ষে, অন্যদল ইউক্রেনের পাশে। এর পরেই রাশিয়ার ওপর নানা বিধিনিধেষ জারি করে পশ্চিমের দেশগুলি। বেঁধে দেয় রাশিয়ার তেলের দরও। রাশিয়ার (Russia Oil Export) অভিযোগ, ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও জি-৭ অপরিশোধিত তেলের যে দর বেঁধে দিয়েছে, উৎপাদন খরচের দিক থেকে তা ১২ থেকে ১৫ ডলার কম। তাই যারা ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং জি-৭ সহ পশ্চিমি দুনিয়ার বেঁধে দেওয়া দরে তেল কিনতে চাইবে, নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের তেল বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুতিনের দেশ। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের পর রাশিয়াই বিশ্বের দ্বিতীয় তেল রফতানিকারী দেশ। তাই রাশিয়ার একটা সিদ্ধান্তেই বদলে যেতে পারে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। কারণ রাশিয়া যদি সত্যিই তেল রফতানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে তামাম বিশ্বে বাড়বে তেলের দর। আমরা জানি, তেলের দর বাড়লে বাড়ে মুদ্রাস্ফীতিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Zelensky: ইটের বদলে পাটকেল! ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত ইউক্রেনের, গোলায় জখম ২ রুশ আধিকারিক

    Zelensky: ইটের বদলে পাটকেল! ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত ইউক্রেনের, গোলায় জখম ২ রুশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়াকে (Russia) ইটের জবাব পাটকেলে দিল ইউক্রেন (Ukraine)! ভ্লাদিমির পুতিন বাহিনীর হাত থেকে অধিকৃত অঞ্চল ছিনিয়ে নিতে ডনেৎস্কে প্রত্যাঘাত করল ভলোদিমির জেলেনস্কির বাহিনী। দিন কয়েক ধরে ইউক্রেনের রাজধানী কিভে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে রুশ ফৌজ। বুধবার তারই জবাব দিল ইউক্রেন (Zelensky)। জেলেনস্কির বাহিনীর গোলাবর্ষণে গুরুতর জখম হয়েছেন রুশ প্রশাসনের দুই পদস্থ আধিকারিক। এঁরা হলেন, পুতিনের অন্যতম উপদেষ্টা তথা রাশিয়ার প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী দিমিত্রি রোগোজিন এবং মস্কো স্বীকৃত সার্বভৌম ডনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিকের মুখ্য প্রশাসক ভিতালি খোটসেঙ্কো। রুশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ডনেৎস্কের একটি হোটেলে বৈঠক করছিলেন রুশ প্রশাসনের এই দুই আধিকারিক। আচমকাই হোটেলে আছড়ে পড়ে গোলা। গুরুতর জখম হন দুজনেই।

    ডনেৎস্ক ও লুহানস্ক…

    গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার আগেই ডনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল মস্কো। গত কয়েক বছর ধরে ওই দুই অঞ্চলে সক্রিয় মস্কোপন্থী সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলি। যদিও ওই অঞ্চলে নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি রাশিয়া। ২০১৪ সালে দক্ষিণ ইউক্রেনের ক্রাইমিয়ায় গণভোট করিয়ে দখল নিয়েছিল মস্কো। সেই একই কায়দায় চলতি বছর সেপ্টেম্বরের গোড়ায় ইউক্রেনের ডনেৎস্ক ও লুহানস্কের পাশাপাশি জাপোরিজিয়া ও খেরসনের অধিকৃত অঞ্চলে গণভোট করিয়ে সেগুলিকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তির কথা ঘোষণা করেছিল পুতিন সরকার। তাদের দাবি, ডনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজিয়া ও খেরসন এই চার অঞ্চলের ৮০ শতাংশেরও বেশি অধিবাসী রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ৭০টিরও বেশি মিসাইল হামলা রাশিয়ার! মৃত ৪, ইউক্রেন জুড়ে ‘ব্ল্যাকআউট’

    এদিকে, বুধবারই রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার কাছে অস্ত্র সাহায্যের আবেদন জানাতে আমেরিকা সফরে গিয়েছেন জেলেনস্কি (Zelensky)। এদিন তিনি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণও দেন। জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেন বেঁচে রয়েছে এবং লাথি মারছে। তিনি বলেন, ইউক্রেন তার লাইনেই রয়েছে। এবং আমরা কখনও আত্মসমর্পণ করব না। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। তার জেরে মৃত্যু হয়েছে কয়েক হাজার মানুষের। ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। যদিও এটা যুদ্ধের যুগ নয় বলে পুতিনকে বার্তা দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • S Jaishankar: রাশিয়ায় পৌঁছলেন জয়শঙ্কর, কী নিয়ে আলোচনা করতে জানেন?

    S Jaishankar: রাশিয়ায় পৌঁছলেন জয়শঙ্কর, কী নিয়ে আলোচনা করতে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু দিনের সফরে রাশিয়া (Russia) পৌঁছলেন ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মঙ্গলবার তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে। এই বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিবহণ, লজিস্টিক, এনার্জি সেক্টর, বিশেষত আর্কটিক সেল্ফ এবং রাশিয়ান ফার ইস্ট (Russian Far East) নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সফর নিয়ে বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা হয়েছে একটি বিবৃতি। তাতে বলা হয়েছে, ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতার মূল বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে। অর্থনীতির উন্নতি, অর্থনৈতিক, এনার্জি, মিলিটারি-টেকনিক্যাল, হিউম্যানিটেরিয়ান, সায়েন্টিফিক এবং টেকনিক্যাল কোঅপারেশন নিয়ে আলোচনা হবে। মূল বিষয়গুলিতে কীভাবে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, জাতীয় মুদ্রা বিনিময় নিয়েও আলোচনা হতে পারে দুই দেশের মধ্যে। দুই দেশের দুই বিদেশমন্ত্রী রাষ্ট্রসংঘ, এসসিও, জি-২০ এবং আরআইসি নিয়েও মত বিনিময় করবে।

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং লাভরভের মধ্যে আলোচনায় উঠে আসতে পারে এসসিও, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মতো আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ও। ইরানিয়ান নিউক্লিয়ার প্রবলেম সহ অন্যান্য কয়েকটি বিষয় নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা দুই দেশের দুই বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। রাশিয়ার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, দুই দেশই বহন করে প্রিভিলেজড ও স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারিত্ব। দুই দেশের সম্পর্কও বেশ কয়েক দশকের পুরানো।

    আরও পড়ুন: টাকার জোগান হচ্ছে, তাই বাড়ছে সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকে এস জয়শঙ্কর

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে এখনও। এমতাবস্থায় রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক মসৃণ হলেও, ইউক্রেনের সঙ্গে নয়াদিল্লর সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। কারণ যুদ্ধ চলাকালীনও ভারত জ্বালানি কিনেছে রাশিয়ার কাছ থেকে। রাষ্ট্রসংঘেও ভারতকে থাকতে দেখা গিয়েছে রাশিয়ার পাশেই। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে ভারত মধ্যস্থতা করবে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রক বলেছে, আমরা তখনই সফল হব, যখন দু পক্ষই আমাদের কূটনৈতিক সততা সম্পর্ক নিঃসন্দেহ হবে। এ ক্ষেত্রে আস্থার অভাব রয়েছে। আর পুতিনকে বাদ দিয়ে কোনও মধ্যস্থতা কার্যকর হবে না। প্রসঙ্গত, এর আগে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) রাশিয়া গিয়েছিলেন ২০২১ সালের জুলাই মাসে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে নয়াদিল্লিতে এসেছিলেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Indians in Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছাড়ুন, ইউক্রেনবাসী ভারতীয়দের পরামর্শ ভারত সরকারের

    Indians in Ukraine: দ্রুত ইউক্রেন ছাড়ুন, ইউক্রেনবাসী ভারতীয়দের পরামর্শ ভারত সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিলম্বে ইউক্রেন ছাড়ুন। ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের এমনই পরামর্শ দিল ভারত সরকার। সবরকম সাহায্য করতে প্রস্তুত দেশ। এক সপ্তাহের মধ্যে ইউক্রেন ছাড়ার কথা জানিয়েছে সরকার। যোগাযোগের জন্যে নম্বরও দিয়েছে নয়াদিল্লি। গত ১৯ অক্টোবর নয়াদিল্লি ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছিল। ইউক্রেনের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। আর তার জেরেই শিক্ষার্থী এবং নাগরিকদের দেশে ফেরত আসার বার্তা দেওয়া হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ জাগছে, রাজ্যে এনসিসি বন্ধ করে দিল মমতা প্রশাসন
     
    মঙ্গলবার ভারত সরকার বলেছে, “গত ১৯ অক্টোবরের নির্দেশনা অনুযায়ী ভারতীয় সব নাগরিককে অবিলম্বে ইউক্রেন ছাড়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যেভাবে হোক ইউক্রেন ছাড়ুন। যেকোনও ধরনের সহায়তার জন্য এবং সীমান্তে আসার জন্য যোগাযোগ নম্বর +380933559958, +380635917881, +380678745945। এই নম্বরে ফোন করলে সমস্ত রকম সহায়তা পাওয়া যাবে। সীমান্ত পার করার জন্য ভারতীয় দূতাবাসে ফোন করে সাহায্য চাওয়া যাবে।” মঙ্গলবার কিয়েভে ভারতীয় দূতাবাস এই যোগাযোগ নম্বর প্রকাশ করেছে। ওই নম্বরগুলির মাধ্যমে প্রয়োজনে রোমানিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি এবং স্লোভাকিয়ার দূতাবাসে সাহায্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন ভারতীয়রা। সেই সঙ্গে ইউক্রেন সীমান্ত পার করার জন্য বিকল্প উপায়গুলি সম্পর্কে জানতে কিভের ভারতীয় দূতাবাসের ওয়েবসাইটটির লিঙ্ক দেওয়া হয়েছে। 

     


    রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বুধবার ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলে সামরিক আইন জারি করেছেন। গত মাসেই রাশিয়ান সেনা অধিকৃত এই চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার অন্তর্ভূক্ত বলে ঘোষণা করেছিলেন। যদিও ইউক্রেন সেনার তরফ থেকে দাবী করা হয়েছে দোনেটস্ক (Donetsk) , লুহানস্ক (Luhansk) , খেরসন (Kherson)  এবং জাপেরিঝিয়া (Zaporizhzhia) এই অঞ্চলের কোনোটিকেই রুশ সেনারা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। প্রসঙ্গত, রাশিয়া এই সামরিক আইন জারী করার পরেই ইউক্রেনের ভারতীয় দূতাবাসের পক্ষ থেকে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি উল্লেখ করে, সমস্ত ভারতীয় নাগরিককে ইউক্রেনে ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হল। দূতাবাসের পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইউক্রেনে থাকা ছাত্র-ছাত্রী-সহ ভারতীয় নাগরিকদের যে কোনও উপায়ে অবিলম্বে ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • UNGA: ধারাবাহিক অবস্থান, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত

    UNGA: ধারাবাহিক অবস্থান, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে ফের নিজের কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখল ভারত। সরাসরি রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোটদান (UNGA) থেকে বিরত থাকল দেশ। ইউক্রেনে (Ukraine) গণভোটের মাধ্যমে চারটি অঞ্চল দখল করার প্রক্রিয়াকে বেআইনি ঘোষণা করে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল। ভারত-সহ ৩৫টি দেশ সেই প্রস্তাবে ভোটদান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখে। 

    গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল নিজের দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে পুতিনের দেশ। রাশিয়ার এই পদক্ষেপের নিন্দা করে খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয় রাষ্ট্রসংঘে। ১৪৩টি দেশ এই প্রস্তাবে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেয়। মাত্র পাঁচটি ভোট পড়ে রাশিয়ার পক্ষে। কিন্তু নিজের আগের অবস্থান থেকে এক চুলও নড়ল না ভারত। মধ্যপন্থাই বজায় রাখল। এর একদিন আগে, সোমবারই ওপেন ব্যালটে ভোটগ্রহণ প্রসঙ্গে রুশ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে ভোট দিয়েছিল ভারত।

    আরও পড়ুন: পশ্চিমী বিশ্ব থেকে ভারত কোনও সাহায্য পায়নি, রুশ অস্ত্র ইস্যুতে সাফ কথা জয়শঙ্করের

    সম্প্রতি ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল, ডনেৎস্ক, খেরসন, লুহানস্ক এবং জাপোরিজিয়া দখল করে রাশিয়া। সেখানে গণভোট করিয়ে নিজের দেশের সঙ্গে সেই অঞ্চলগুলি যুক্ত করেন পুতিন। সেই সংযুক্তিকরণের বিষয়টির নিন্দা জানিয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করেছিল আলবেনিয়া। সেই প্রস্তাবেই ভোটদান থেকে বিরত থাকল ভারত।   

    রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কাম্বোজ ভোটদান থেকে দেশের বিরত থাকার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে এদিন বলেন, “এই সিদ্ধান্ত আমাদের সুচিন্তিত জাতীয় অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাছাড়া এই ক্ষেত্রে আরও কিছু সমস্যা রয়েছে যা এই প্রস্তাবে পর্যাপ্তভাবে উল্লেখ করা হয়নি।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে এটি যুদ্ধের সময় হতে পারে না। সংলাপ এবং কূটনীতির মাধ্যমে সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রচেষ্টা করতে হবে। এই দৃঢ় সংকল্পের কারণেই ভারত ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” 

    সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ইউক্রেনে গণভোট করে রাশিয়া। তারপর বিবৃতি জারি করে ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল দখল নেয় তারা। রাশিয়ার তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চারটি অঞ্চল এখন থেকে রাশিয়ার অংশ। কোনও মতেই এই অঞ্চলগুলি হাতছাড়া করা হবে না। অন্যদিকে, রাশিয়ার পদক্ষেপে নিন্দায় সরব হয় গোটা বিশ্ব। ইউক্রেনের তরফে পাল্টা জানিয়ে দেওয়া হয়, চারটি অঞ্চল ইউক্রেনের অংশ। কোনও ভাবেই সেখানে রুশ শাসন কায়েম করতে দেওয়া হবে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

       

  • Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    Ukraine NATO: ইউক্রেন ন্যাটোয় যোগ দিলেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন ইউরোপীয় জোট ন্যাটোতে যোগ দিলেই ইউক্রেন-রাশিয়া (Ukraine-Russia) সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের (Third World War) আকার নেবে। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের এক আধিকারিক। গণভোটের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের (Ukraine) চারটি অঞ্চল দখল করেছে রাশিয়া (Russia)। কিছুদিন আগেই ইউক্রেনের ১৮% নিজেদের দখলে নেওয়া ঘোষণা করেছেন পুতিন। এরপর থেকেই তীব্রতা বেড়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের।  ক্রাইমিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী সেতুতে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ইউক্রেন। এর জেরে বেশ বিপাকে পড়েছে পুতিনের দেশ। এরপরেই রাশিয়ার এই হুশিয়ারি সামনে এল। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার জাতীয় সংবাদ সংস্থা তাস নিউজে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি আলেকজান্ডার ভেন্ডেডিক্টোভ (Alexander Venediktov) বলেছেন, “ইউক্রেন ন্যাটোতে অন্তর্ভুক্ত হলে তার ফল হবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।” এই ন্য়াটো সমস্যাকে কেন্দ্র করেই রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত। ইউক্রেন ন্যাটোর সদস্যপদ গ্রহণ করা নিয়েই রাশিয়ার যাবতীয় রোষ ছিল।  

    আরও পড়ুন : ভারত-সহ ৩৫টি দেশ সেই প্রস্তাবে ভোটদান থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখে।

    ভেন্ডেডিক্টোভ আরও বলেন, “কিয়েভ খুব ভাল করে জানে, এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবেই। অবশ্য ওরা সেটাই চাইছে। সমস্যা তৈরি করে নিজেদের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে। আমি মনে করি ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করার পরিকল্পনার পরিণতি পশ্চিম বুঝতে পেরেছে। এই ধরনের পদক্ষেপ যে আত্মঘাতী তা ন্যাটোর সদস্যদের বোঝা উচিৎ।” ইউক্রেনের ন্যাটো সংযুক্তিকরণ নিয়ে বার বার তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন ভ্লাদিমির পুতিন। পুতিন বারবার ন্যাটোর সম্প্রসারণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আপত্তি তুলেছেন। বিশেষ করে ইউক্রেন এবং জর্জিয়ার মতো প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রের জন্য তার বেশি আপত্তি। কারণ রাশিয়া আজও এই দেশদুটিকে নিজের অংশ মনে করে।     

    গত মাসেই পুতিন পশ্চিমি দেশগুলির উদ্দেশ্যে বলেন, “প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে প্রস্তুত।” এর উত্তরে ন্যাটোর সাধারণ সচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “পুতিন তাঁর সীমা অতিক্রম করে গিয়েছেন।”

    নিঃসন্দেহে ইউক্রেন সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে এভাবেই রাশিয়া বনাম পশ্চিমী দেশগুলির সংঘাত তীব্রতর আকার ধারণ করেছে। এর আগেও ইউক্রেনে হামলা নিয়ে পুতিন বেশ কয়েকবার পরমাণু যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিতেও ছাড়েননি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, “১৯৬২ সালের কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকট থেকেই শেষ পারমানবিক যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে বিশ্ব। সে কারণেই আগামী সপ্তাহে ‘স্টেডফাস্ট নুন’ নামে বার্ষিক পরমাণু প্রস্তুতি মহড়া চালাবে ন্যাটো।” প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে বড় পারমাণবিক শক্তি। তারা বিশ্বের প্রায় ৯০% পারমাণবিক ওয়ারহেড নিয়ন্ত্রণ করে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Russia: ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন পুতিন?

    Russia: ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন পুতিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনের (Ukraine) চার অঞ্চলকে দখল করতে চলেছে রাশিয়া (Russia)। মস্কোর (Moscow) দাবি, ইউক্রেনের ওই চার এলাকায় গণভোট করানো হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা রাশিয়ায় যাওয়ার পক্ষেই মত দিয়েছেন। তাই ওই চার এলাকাকে নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে রাশিয়া। শুক্রবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ওই চার এলাকাকে নিজেদের দেশের অন্তর্ভুক্ত করবে রাশিয়া। স্বাক্ষরিত হবে চুক্তি। রাশিয়া সরকারের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ বলেন, গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্রাসাদের গ্রেগরিয়ান হলে গ্রিনিচ মিন টাইম ১২টায় গানের অনুষ্ঠান হবে। ওই অনুষ্ঠানেই হবে ভূখণ্ড অন্তর্ভুক্তিকরণ।

    ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হয় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিকেই ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি এলাকা দখল করে পুতিনের দেশ। এর মধ্যে ছিল লুগানস্ক, ডনেৎস্ক, খেরসন এবং জাপোরঝিয়াও। ওই চার অঞ্চলে সেনা মোতায়েন করার পাশাপাশি পুতুল প্রশাসন বসায় রাশিয়া। সম্প্রতি করায় গণভোট। তার পরেই রাশিয়া ঘোষণা করে ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করার কথা। রাশিয়ার এই ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক মহলে। মস্কোর এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমের দেশগুলি। জি-৭-ও জানিয়ে দিয়েছে, ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলকে কখনওই রাশিয়ার অংশ বলে মেনে নেবে না তারা।

    আরও পড়ুন : ‘রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে…’, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে রাষ্ট্রসংঘের তরফেও। রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেন অ্যান্টনিও গুতেরেস রাশিয়ার এই পরিকল্পনাকে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে, এটি শান্তির পরিপন্থী। তিনি বলেন, ইউক্রেনের লুগানস্ক, ডনেৎস্ক, খেরসন ও জাপোরঝিয়া অন্তর্ভুক্তিকরণের সিদ্ধান্তের আইনি কোনও মূল্য নেই। এজন্য রাশিয়াকে অভিযুক্ত করাই যায়। তিনি বলেন, যুদ্ধের আবহে ইউক্রেনের দখলীকৃত যে চার অঞ্চলে গণভোটের কথা বলা হচ্ছে, তাকে মূল্য দিচ্ছি না। তিনি বলেন, এটা ওই চার এলাকার জনগণের ইচ্ছার প্রকৃত প্রতিফলন নয়। প্রসঙ্গত, আট বছর আগে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকেও এভাবেই নিজেদের দেশের সঙ্গে যুক্ত করে নিয়েছিল রাশিয়া। তার জেরে এখনও দু দেশের মধ্যে অব্যাহত সংঘাত। এবার মস্কোর নজর ইউক্রেনের দিকে।

    এর শেষ কোথায়? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     

     

     

  • PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি ফেরাতে পারেন মোদিই! রাষ্ট্রসংঘে কী বলল মেক্সিকো?

    PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি ফেরাতে পারেন মোদিই! রাষ্ট্রসংঘে কী বলল মেক্সিকো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন (Ukraine-Russia war) যুদ্ধ থামাতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারে ভারত। একমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই (Modi) এই সমস্যার সমাধান করতে পারেন। অভিমত মেক্সিকোর (Mexico) বিদেশমন্ত্রী মার্সেলো লুইস এব্রান্ড ক্যাসাউবনের (Marcelo Luis Ebrard Casaubón)। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্সেলো। তাঁর প্রস্তাব মতো এই কমিটির দায়িত্ব হবে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে স্থায়ী শান্তিস্থাপন করা। কমিটিতে মোদি ছাড়া আরও দু’জনের নাম করেছেন মেক্সিকোর বিদেশমন্ত্রী। তাঁরা হলেন পোপ ফ্রান্সিস (Pope Francis) এবং রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি-জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরেস।

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে অক্টোবরে ব্রিটেন যাচ্ছেন মোদি?

    কয়েকদিন আগে, উজবেকিস্তানের সমরকন্দে (Samarkand) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে বলেছিলেন,”এ যুগ যুদ্ধের নয়। এই সময়টা শান্তির। শান্তির পথে সবকিছুর সমাধান করতে হবে।” মোদির এই উক্তিকে স্বাগত জানিয়েছিল আমেরিকা-ইউরোপ। পুতিনকে এরকম সরাসরি যুদ্ধের কথা বলতে পারেন একমাত্র মোদি। এমনই ধারণা মেক্সিকোর। 

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    গত সাত মাস ধরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ চলছে। ইউক্রেন প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। রাশিয়াও ক্ষতিগ্রস্ত। সবাই যুদ্ধের বিরোধিতা করে রাশিয়ার সমালোচনা করলেও কেউ শান্তিপূর্ণভাবে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেননি। যা করেছে ভারত। তাই পুতিনকে বোঝাতে পারেন একমাত্র মোদি, এমনটাই অনুমান মেক্সিকোর বিদেশমন্ত্রীর। তিনি বলেন, ‘‘এ বার শান্তির লক্ষ্যে জোরদার পদক্ষেপ করা উচিত আন্তর্জাতিক সংগঠনের। সেই প্রসঙ্গেই মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে ম্যানুয়েল লোপেজ় ওবরাডরের হয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করছি। শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতা করতে একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করুন গুতেরেস। এতে রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া যাবে। আমাদের প্রস্তাব, এই কমিটিতে নরেন্দ্র মোদি ও পোপ ফ্রান্সিসও উপস্থিত থাকুন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ukraine: জমি হারাচ্ছে রুশ সেনা? অনেক এলাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, দাবি ইউক্রেনের

    Ukraine: জমি হারাচ্ছে রুশ সেনা? অনেক এলাকা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে, দাবি ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাত মাস অতিক্রান্ত। ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ (Ukraine war) যে এত দীর্ঘায়িত হবে তা স্পপ্নেও কেউ ভাবতে পারেননি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন, একপেশেভাবে রুশ সেনা ইউক্রেন (Ukraine) দখল করে নেবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ইউক্রেন সেনাবাহিনী যেভাবে রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে যুদ্ধ করে যাচ্ছে তাতে বোঝাই যাচ্ছে যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হবে।

    প্রথমদিকে, রুশ সেনা যুদ্ধক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও বর্তমানে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রুশ সেনা পিছু হঠতে শুরু করেছে। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২৯ অগাস্ট থেকে ইউক্রেনে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রুশ সেনা জওয়ান নিহত হয়েছেন। সারা বিশ্ব এখন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর সাহসিকতার প্রশংসা করছে এবং শক্তিধর দেশগুলো ইউক্রেনকে আর্থিক থেকে শুরু করে সামরিক, কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে সাহায্য করছে।

    ইউক্রেনীয় সেনা রাশিয়ার কাছে হারানো এলাকাগুলোকে পুনরুদ্ধার করতে শুরু করেছে। সংবাদসংস্থার খবর অনুযায়ী, উত্তর খারকিভ অঞ্চল সহ বেশ কিছু জায়গায় ইউক্রেনীয় সেনা দ্রুত অগ্রসর হওয়ার ফলে সেখান থেকে নিয়ন্ত্রণ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে মস্কো বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন সেনার পাল্টা আক্রমণের ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ইউক্রেনে রাশিয়ার দখলে থাকা অঞ্চলগুলি থেকে মস্কোর নিয়ন্ত্রণ আলগা হচ্ছে। এই জায়গাগুলিতে রাশিয়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার প্রচেষ্টায় প্রতিদিন কমপক্ষে একটি ব্যাটালিয়ন জওয়ান ও সামরিক যানের অতিরিক্ত খরচ করছে।

    আরও পড়ুন: ১৮ লক্ষ বছর পুরনো ‘মানুষের দাঁত’ আবিষ্কার জর্জিয়ায়! কী বলছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা?

    ফলে প্রায় প্রতিদিনই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে পুতিনের দেশকে। প্রতিদিন নিহত হচ্ছেন শত শত সেনা জওয়ান। ধ্বংস হচ্ছে ডজন খানেক যানবাহনের। মার্কিন গোয়েন্দাদের মতে, রাশিয়ার একটি ব্যাটালিয়ন সেনা পূর্ব ইউক্রেনে নদী অতিক্রম করার সময় ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। তাই রুশ সেনা পুনরায় পূর্ব ইউক্রেনে তাদের অভিযান চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে চাপে রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভ বাহিনীর পাল্টা আক্রমণ শুরু করার আগে ইউক্রেনে রুশ সেনা মাত্র ১০০ জনের মতো ইউক্রেনীয় জওয়ানকে আটক করেছিল।

    ইউক্রেন সেনার এক উচ্চ আধিকারিক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তারা প্রায় ১২০০ রুশ যুদ্ধট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া গাড়ি, হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান ও ড্রোনকে ধ্বংস বা বাজেয়াপ্ত করেছে। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের মতে, ২৯ অগাস্ট পর্যন্ত প্রায় ৫,৮০০ রুশ সৈন্যকে তারা হত্যা করেছে এবং সেপ্টেম্বর মাস থেকেই তারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল থেকে রাশিয়ার সেনার বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমন শুরু করেছে।

    ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের (Ukraine Russia war) কিছু ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা প্রায় ৪০০টির মতো ভিডিও যাচাই করে বৈধ ঘোষণা করেছেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে রুশ সেনাবাহিনী বিধ্বস্ত। যদিও এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাশিয়া জানিয়েছে যে তারা নিশ্চিত যে তাদের সামরিক উদ্দেশ্যগুলি সফল হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share