Tag: ukraine

ukraine

  • F-16 Support To Pak: পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ভারত  

    F-16 Support To Pak: পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানকে (Pakistan) সাড়ে চারশো কোটি মার্কিন ডলার অর্থমূল্যের এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানের (F-16 Fighter) যন্ত্রাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকার (US) জো বাইডেন প্রশাসন। বিষয়টিকে ভালভাবে নিচ্ছে না ভারত (India)। যদিও আমেরিকা কোয়াড সদস্যভুক্ত দেশ এবং ভারতের ঘনিষ্ঠ, তা সত্ত্বেও বাইডেন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ভালভাবে নিচ্ছে না নয়াদিল্লি। সাউথ ব্লকের এহেন মনোভাব কূটনৈতিক মহলের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে জানিয়েও দিয়েছে মোদি প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদ নির্মূলকরণের লক্ষ্যে পাকিস্তানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের যন্ত্রাংশ দিতে রাজি হয়েছে আমেরিকা। তবে আসল কারণ অন্য। তা হল, পাকিস্তানকে যুদ্ধ বিমানের যন্ত্রাংশ সরবরাহ করে আমেরিকা ভারতকে এই বার্তা পৌঁছে দিতে চায়, যে এই অস্ত্র সাহায্যের কোনও প্রভাব ভারতের ওপর পড়বে না। তাছাড়া ভারতীয় উপমহাদেশে বজায় থাকবে মিলিটারি ব্যালেন্সও।

    ঘটনার জেরে যারপরনাই ক্ষুব্ধ মোদি সরকার। বাইডেন প্রসাসনকে তারা জানিয়ে দিয়েছে, ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারত পাকিস্তানের বালাকোটে জইশ-ই মহম্মদরে ডেরায় হানা দেয়। তার ঠিক আগের দিন ওই যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান। সেরকম ঘটনা ফের ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে ভারত।

    আরও পড়ুন : তিন দশকে প্রথম কোনও লস্কর জঙ্গির দেহ গ্রহণ করল পাকিস্তান! কীভাবে হল হস্তান্তর?

    পাকিস্তান এবং মার্কিন পর্যবেক্ষকদের বিশ্বাস, বেশ কয়েকটি কারণে রাওয়ালপিন্ডিকে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান দিতে রাজি হয়েছে আমেরিকা। এগুলি হল, রাশিয়ার বিরুদ্ধে গিয়ে ইউক্রেনকে অস্ত্র সাহায্য করেছে পাক সেনা প্রধান জেনারেল বাজওয়া। দ্বিতীয়ত, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান যখন প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ থেকে সরে যান, তখন নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়েছিল বাজওয়ার নেতৃত্বাধীন পাক সেনা। এটা তার পুরস্কার। তৃতীয়ত, লাইন অফ কন্ট্রোলে উত্তেজনা কমাতে বাজওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। এটা তার স্বীকৃতিও হতে পারে।

    তবে যুদ্ধ বিমান দিয়ে আমেরিকা পাকিস্তানকে সাহায্য করছে না, তারা দিচ্ছে এফ-১৬ মেরামতের সরঞ্জাম। পাক সেনার মিলিটারি আপগ্রেডেশন কিংবা নতুন কোনও অস্ত্রশস্ত্রও দিচ্ছে না বাইডেনের দেশ। আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টের তরফে ভারতকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে একথা। পাক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, পাকিস্তানকে এফএটিএফের ধূসর তালিকা থেকে বের করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে আমেরিকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Russia-Ukraine: রুশ বাহিনীর সঙ্গে জোর টক্কর ইউক্রেনের! খারকিভ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

    Russia-Ukraine: রুশ বাহিনীর সঙ্গে জোর টক্কর ইউক্রেনের! খারকিভ থেকে সেনা প্রত্যাহার রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Russia – Ukraine War) বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ইউক্রেন। গতকাল, শনিবার, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, তারা ইউক্রেনের পূর্ব খারকিভ অঞ্চলের দুটি এলাকা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করেছে। প্রায় সাত মাস ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। রাশিয়া তাদের বিশাল সেনাবাহিনীর সাহায্যে ইউক্রেনের একের পর এক এলাকা দখল করলেও ইউক্রেন বাহিনীও তা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল। ফলে ইউক্রেনের এই প্রচেষ্টাই যেন সফল হল।

    ইউক্রেনীয় বাহিনীর অগ্রযাত্রার মুখে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ এলাকা থেকে পিছু হটছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের বাহিনী খারকিভ অঞ্চলে রুশ নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে ও মাত্র তিন দিনের মধ্যে ইউক্রেনের সেনারা রুশ সেনাদের কাছ থেকে খারকিভ অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশ পুনর্দখল করে নিয়েছে। দেশের রাজধানী কিয়েভ দখল করার রাশিয়ান প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে ইউক্রেন বাহিনী। শনিবার ইউক্রেনের সেনারা খারকিভের গুরুত্বপূর্ণ ইজিয়াম শহরও দখল করে নেয়৷ ইউক্রেনের বাহিনী দ্রুত অগ্রসর হতে থাকায় যুদ্ধের অন্যতম একটি ফ্রন্ট লাইন হঠাৎ ভেঙে পড়ার জন্য রাশিয়া সেখান থেকে সরে গেছে। শনিবার খারকিভ প্রদেশের ইজিয়ামের হাতছাড়া হয়ে যাওয়ায় ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সবচেয়ে পরাজয় ছিল এটি।

    রুশ বাহিনী ইজিয়ামকে তাদের যুদ্ধের প্রধান লজিস্টিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছিল। এখন থেকেই ইউক্রেনের বহু জায়গায় হামলা চালিয়ে আসছিল। যদিও রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ জানিয়েছেন, ইজিয়াম এলাকা থেকে পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চলে সেনাদের পুনর্গঠন করা হবে।

    আরও পড়ুন: চিন, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ-মহড়া ভারতের, চিন্তায় আমেরিকা

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই অঞ্চলের বালাকলিয়া শহরের কাছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর মধ্যে প্রচণ্ড লড়াই চলছে। ওই শহরটি পুনরুদ্ধারের দাবি করেছে কিয়েভ। আরও জানা গিয়েছে,  বালাকলিয়া এখন আর রুশ সেনার নিয়ন্ত্রণে নেই। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় তুমুল লড়াই চলছে। কিন্তু অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওলেক্সি রেজনিকভ টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছেন, যে রাশিয়ানদের কাছে তাদের সৈন্যদের জন্য কোন খাদ্য বা জ্বালানী নেই কারণ কিয়েভ তাদের সরবরাহ লাইন বন্ধ করে দিয়েছে।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) শুক্রবার বলেছেন যে, সেনারা পাল্টা আক্রমণ শুরুর পর থেকে খারকিভ অঞ্চলে ৩০ টিরও বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে।

    ফলে গত সাত মাস ধরে চলা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে প্রথম দিকে ইউক্রেন দুর্বল হয়ে পড়লেও ফের দখল করতে লড়াই শুরু করেছে জেলেনস্কি বাহিনী। কারণ যেখানে ৫৫ হাজার মানুষের শহর ইজিয়াম দখল করতে ছয় সপ্তাহ পরিশ্রম করেছিল রুশ সেনারা৷ সেখানে ইউক্রেনীয় সেনারা সপ্তাহখানেক অভিযান চালিয়েই শহরটি পুনর্দখল করেছে।

  • India Votes against Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত!

    India Votes against Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এই প্রথম রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোট দিল ভারত (India)। এই মুহূর্তে চলছে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War)। এহেন আবহে ভারতের এই অবস্থান তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    ২৪ অগাস্ট রাষ্টসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটাভুটিতেই রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের ওপর ভোটাভুটিতে এতদিন অংশ নেয়নি নয়াদিল্লি। এবার নিল। এবং ভোট দিল রাশিয়ার বিপক্ষেই। আমেরিকা সহ পশ্চিমি দেশগুলি রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ, ইউক্রেনে হামলা চালিয়েছে পুতিনের দেশ।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়েছে ভারত, বেড়েছে সৌদি আরব থেকে তেল কেনা

    ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে পশ্চিমি দেশগুলি। তবে নয়াদিল্লি এর থেকে ছিল যোজন দূরে। ভারত রাশিয়া এবং ইউক্রেন দুই দেশের সঙ্গেই ‘বন্ধুত্বে’র সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে এতদিন। নয়াদিল্লি এও জানিয়েছিল, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধাবসানে যা করণীয়, তাই করবে সাউথব্লক। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য সংখ্যা পাঁচ। এই পাঁচটি দেশ হল, আমেরিকা, রাশিয়া, ব্রিটেন, চিন এবং ফ্রান্স। অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্য ১০। এই সদস্য দেশগুলি নির্বাচিত হয় দু বছরের জন্য। এই মুহূর্তে ভারত নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য। চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হবে যার মেয়াদ।

    ইউক্রেনের ৩১তম স্বাধীনতার আবহে রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ২৪ অগাস্ট বৈঠক বসে নিরাপত্তা পরিষদে। সেখানেই রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ান অ্যাম্বাসাডর ভ্যাসিলা এ নেবেনজিয়া (Vassily A. Nebenzia) ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভিডিও টেলিকনফারেন্সে এই বৈঠকে অংশ নেবেন কিনা, তা নিয়ে ভোটাভুটি করতে অনুরোধ করেন। এই ভোটেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভোট দেয় ভারত। ভোটের ফল বের হলে দেখা যায়, ইউক্রেনের পক্ষে ভোট পড়েছে ১৩টি। বিপক্ষে একটি। অর্থাৎ রাশিয়া ভোট দিয়েছে বিপক্ষে। ভোটদানে বিরত ছিল চিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ajit Doval: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    Ajit Doval: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (National Security Advisor) অজিত ডোভাল (Ajit Doval) বর্তমানে রাশিয়ায় (Russia) আছেন। বুধবার তিনি রাশিয়ার নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিকোলাই পাত্রুশেভের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন। নিরাপত্তা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা।

    আরও পড়ুন: মিত্র দেশগুলিকে অত্যাধুনিক অস্ত্র দিতে প্রস্তুত রাশিয়া, জানালেন পুতিন

    আলোচনায় কী উঠে আসবে রাশিয়া-ইউক্রেন (Ukraine) প্রসঙ্গ? দুই দেশের মধ্যে ভারতই কী হয়ে উঠবে শান্তির দূত? গোটা বিশ্বের এখন একটাই প্রশ্ন।    

    ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন সংঘাত শুরু হওয়ার পর ডোভাল এবং পাত্রুশেভের (Patrushev) মধ্যে এটাই প্রথম ব্যক্তিগত বৈঠক। আফগানিস্তানসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আলোচনায় উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। ডোভালের সফর বা বৈঠকের বিষয়ে ভারতীয় পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। রাশিয়ার পক্ষ থেকে একটি রিডআউটে বলা হয়েছে যে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি পাত্রুশেভ এবং ডোভালের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ‘নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়গুলির পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে প্রাসঙ্গিক সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

     

    আরও পড়ুন: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

    রাশিয়ার তরফে বলা হয়, ‘উভয় পক্ষই নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। রাশিয়া এবং ভারত বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বের প্রগতিশীল উন্নয়নের উপরও জোর দিয়েছে।’ প্রসঙ্গত, একই সময়ে ভারত রাশিয়া থেকে বিশেষ ছাড়ে জ্বালানি তেল কেনার বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। উজবেকিস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দুই দিনের বৈঠকের একদিন আগে এই বৈঠক করলেন অজিত ডোভাল।

    এখন অবধি শুধু পাত্রুশেভের সঙ্গেই কথা হয়েছে ডোভালের। আগামীতে পুতিন বা অন্য কোনও নেতার সঙ্গে বৈঠকের কোনও সম্ভবনা রয়েছে কী না, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। জার্মানি, ফ্রান্স, ইউরোপ, ইউএসের মতো দেশগুলি রাশিয়াকে যুদ্ধ বিরতির জন্যে রাজী করানোর বিষয়ে নয়া দিল্লির মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমি দেশগুলি ইউক্রেনকে যুদ্ধ বিরতির জন্যে চাপ দিচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন ডোভালের এই আকস্মিক সফর শান্তির বার্তা বয়ে আনবে। কিন্তু আদতে কী হবে তা সময়ই বলবে। 

    কিছুদিন আগেই জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে বৈঠকের সময় নরেন্দ্র মোদি বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে কারও কিছু জেতার নেই। সবটাই হারাবে। একমাত্র উপায় শান্তি প্রতিষ্ঠা।” মোদির এই বক্তব্যের পরেই  ডোভালের এই সফরে আশার আলো দেখছেন অনেকেই। 
     

  • Russia: বাহিনীর সংখ্যায় টান, ইউক্রেনে ‘ভাড়াটে সেনা’ পাঠাচ্ছে রাশিয়া?

    Russia: বাহিনীর সংখ্যায় টান, ইউক্রেনে ‘ভাড়াটে সেনা’ পাঠাচ্ছে রাশিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাড়াটে সৈন্য (Mercenaries) দিয়ে ইউক্রেনে (Ukraine) যুদ্ধ করাচ্ছে রাশিয়া (Russia)। শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক দাবি করল যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষমন্ত্রক (UK Defence Ministry)। মন্ত্রকের দাবি পাঁচ মাসের এই ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে দেশের বহু সৈন্য হারিয়েছে পুতিন সরকার। সৈন্যের ঘাটতি পড়েছে সে দেশে। তাই টাকার বিনিময়ে বহাল করা সেনা দিয়েই যুদ্ধ চালাতে হচ্ছে রাশিয়াকে।  

    ওয়াগনার গ্রুপের (Wagner Group) সরকারি সৈন্যদের থেকে ভাড়াটে সৈন্যদের প্রতি বেশি বিশ্বস্ততা দেখাচ্ছে পুতিন সরকার। তাদেরকেই রাখা হচ্ছে সামনের সারিতে। টানা যুদ্ধ যে অনেকটাই মনোবল ভেঙে দিয়েছে রাশিয়ার এ তার বড় প্রমাণ। 

    আরও পড়ুন: ক্ষণিকের স্বস্তি, খাদ্য শস্য রফতানির বিষয়ে সমঝোতা রাশিয়া-ইউক্রেনের
     
    যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য, এই ভাড়াটে সৈন্যরা সরকারি সৈন্যদের ঘাটতি পূরণ করতে ব্যর্থ। আর সেকারণেই ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া খুব বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারছে না। 

    ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, ২০১৫ সাল থেকেই রাশিয়া এই ভাড়াটে সৈন্য নিয়োগ করা শুরু করেছিল। 

    কিভের আধিকারিকরা বুধবার জানিয়েছেন, দক্ষিণে রুশ সেনাদের ফের ঘাঁটি গাড়তে দেখা গিয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রকের বিশ্বাস, যে রাশিয়ার ৪৯ তম সেনাবাহিনী ডিনিপ্রো নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থান করছে। এই রুশ সেনাবাহিনী দুর্বল।  

    কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ দাবি করেছে পাঁচ মাসের এই টানা যুদ্ধে রাশিয়ার ১৫০০০ সেনা নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ৪৫ হাজারেরও বেশি সৈন্য। রাশিয়ার জন্যে যা বিরাট ক্ষতি। আর এতে সরকারি সৈন্যদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। যুদ্ধে আসতে চাইছেন না সেনাকর্মীরা। আর তাতেই ভাড়া করা সৈন্যতেই আস্থা রাখতে হচ্ছে রাশিয়াকে।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ১৫ হাজার রুশ সেনা, বিস্ফোরক দাবি সিএইএ-র

    এছাড়া ভাড়াটে সেনা যুদ্ধে প্রাণ হারালে তার দায়ও নিতে হচ্ছে না পুতিন সরকারকে। কিন্তু সরকারি সেনা প্রাণ হারালে বা আহত হলে সমস্ত আর্থিক দায় বহন করতে হয় যেকোনও দেশকে। আর এটাও ভাড়াটে সেনাকে সামনের সারিতে রেখে, সরকারি সেনাকে পিছনে রাখার অন্যতম কারণ বলে মনে করছে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রক। 

    সম্প্রতি ইউক্রেনে অভিযানের ক্ষেত্র বাড়ানোর কথা জানিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বুধবার বলেন, ইউক্রেনে মস্কো যে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তার ভৌগলিক পরিসর বাড়ানো হয়েছে। এখন আর শুধু পূর্ব ডনবাস অঞ্চলই নয়,  ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের খেরসন, জাপোরিঝিয়াসহ আরও কিছু অঞ্চলকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কিন্তু ব্রিটিশ বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য এই অবস্থায় এখনই সেই পথে হাঁটতে পারবে না রুশ বাহিনী। 

     

     

  • Mohan Bhagwat: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Ukraine Russia War) ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে ভারত (India)। নয়াদিল্লির সেই অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এই দুই দেশের যুদ্ধ যে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়িয়েছে, তাও জানিয়ে দেন আরএসএস প্রধান।

    আরও পড়ুন : নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    নাগপুরে আরএসএসের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে দীক্ষান্ত ভাষণ দেন সংঘ প্রধান। সেখানেই উঠে আসে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ এবং তাতে ভারতের অবস্থান। এই যুদ্ধে পশ্চিমের দেশগুলি অস্ত্র সাহায্য করছে বলেও সাফ জানান তিনি। ওই দেশগুলি ভারত এবং পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র পরীক্ষার ভরকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ ভাগবতের।

    এর পরেই তিনি বলেন, ভারতকে সত্য বলতে হবে। অবলম্বন করতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ পন্থাও। আরএসএস প্রধান বলেন, সৌভাগ্যবশতঃ ভারত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে। এদেশ আক্রমণকে সমর্থন করেনি। আবার রাশিয়ার বিরোধিতাও করেনি। সাউথ ব্লক যুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্য করেনি, তবে তাদের অন্যান্য সহায়তা দিয়ে আসছে।

    ভাগবত বলেন, ভারত ক্রমাগত রাশিয়াকে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা করতে বলছে। তিনি বলেন, যারা আলোচনার বিরোধিতা করছে, তাদের কোনও ভাল উদ্দেশ্য নেই। এই প্রসঙ্গেই ভাগবত পশ্চিমের দেশগুলিকে একহাত নেন। তাঁর মতে, অতীতেও দেখা গিয়েছে যে ভারত ও পাকিস্তানকে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিত এবং নিজেদের তৈরি সমরাস্ত্র পরীক্ষা করত পাশ্চাত্য দেশগুলি। এখানেও সেরকম কিছু চলছে। 

    ভাগবত বলেন, ভারতের আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। একমাত্র তাহলেই সংকট রোখার অবস্থানে থাকবে দেশ। তিনি বলেন, ভারত যথেষ্ট শক্তিশালী হলে যুদ্ধ বন্ধ করে দিত। কিন্তু তা পারে না। দেশের শক্তি এখনও বাড়ছে। তবে সম্পূর্ণ হয়নি।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির ঝটিকা ইউরোপ সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    সংঘচালক বলেন, শক্তি থাকা সত্ত্বেও চিন কেন তাদের থামাচ্ছে না? কারণ এই যুদ্ধে তারাও কিছুর গন্ধ পাচ্ছে। এই যুদ্ধ আমাদের মতো দেশগুলির জন্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়িয়েছে। বিশ্বের এই সব সংকট মোকাবিলার জন্যই ভারতকে শক্তিশালী হতে হবে বলেও মনে করেন সংঘচালক। বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। যদি ভারতের পূর্ণ শক্তি থাকত, তাহলে এমন ঘটনা বিশ্বে ঘটত না। প্রসঙ্গত, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন (Ukraine) আক্রমণ করে রাশিয়া। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে। যুদ্ধের আঁচে গোটা বিশ্বেই জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। যার ফল ভোগ করছেন সাধারণ মানুষ।

     

  • Russia: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    Russia: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানি ইস্যুতে পশ্চিমের দেশগুলিকে (western countries) একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush goyal)। ফের একবার জানিয়ে দিলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষার্থে ভারত যা সঠিক তাই করবে। 

    ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জেরে ইউরোপের পাশাপাশি আমেরিকাও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পুতিনের দেশের ওপর। তার জেরে রাশিয়ায় পেট্রোপণ্যের দাম তলানিতে। এই পরিস্থিতিতে, রাশিয়া থেকে সস্তার অশোধীত পেট্রোপণ্য কিনছে ভারত। রাশিয়া থেকেই বরাবর তেল কেনে ভারত। যুদ্ধের আবহেও যা বন্ধ হয়নি।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    এদিকে, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া থেকে তেল কেনায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ভারতকে। তারপরও রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় ইতি টানেনি নর্থ ব্লক। পীযূষ বলেন, আমাদের স্বার্থ বা চাহিদা ইউরোপীয় দেশগুলির থেকে আলাদা নয়। তাঁর দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে যখন মুদ্রাস্ফীতি সর্বকালের উচ্চতায়, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (European Union) এবং ইউরোপীয় দেশগুলি যে পরিমাণ তেল কিনছে রাশিয়া থেকে, তা ভারতের তুলনায় ঢের বেশি। 

    তিনি যোগ করেন, আমরা কখনওই রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতাম না। ভারত রাশিয়া থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে আমদানি বাড়াচ্ছে এমন কোনও দাবিও খারিজ করে দিয়েছেন তিনি। ২৫ মে দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরামে পীযূষ মন্তব্য করেছিলেন, প্রতিটি সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তাঁর মতে, রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বর্তমান কাঠামোর মধ্যেই কাজ করছে ভারত। তিনি জানান, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী এবং ব্যবহারকারী দেশ ভারত।  মোট ব্যবহারের ৮০ শতাংশই আমদানি করতে হয় ভারতকে। এর মাত্র একটি ছোট শতাংশ আসে রাশিয়া থেকে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির ঝটিকা ইউরোপ সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    এদিকে, পশ্চিমের দেশগুলির নিষেধাজ্ঞার জেরে রাশিয়া থেকে ডলারে জ্বালানি লেনদেনে সমস্যা হচ্ছে। তাই রুপি-রুবেল সিস্টেমের পথে হাঁটতে পারে ভারত। তবে এব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই দাবি ভারতের। সরকারের একটি সূত্রের দাবি, আমাদের একটি ব্যবস্থা আছে। আমাদের দেখতে হবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা যায় কিনা।

    রাশিয়ার অন্যতম বড় খদ্দের ভারত। এদেশের প্রধান আমদানি দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে জ্বালানি, খনিজ তেল, মুক্তো, মূল্যবান বা আধা মূল্যবান পাথর, পারমাণবিক চুল্লি, বয়লার, যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম এবং সার। আর ভারত থেকে রাশিয়ায় মূলত রফতানি হয় ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য, জৈব রাসায়নিক এবং যানবাহন। যুদ্ধের আবহে আমদানি-রফতানি যাতে বন্ধ না হয়, তাই লেনদেনের নয়া উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছে মোদির (Modi) ভারত ও পুতিনের (Putin) রাশিয়া। 

     

     

  • Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    Putin on Food Crisis: নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেই খাদ্যসঙ্কট মোচনে মদত, পশ্চিমকে ‘শর্ত’ পুতিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষেধাজ্ঞা তুলতে পশ্চিমের দেশগুলিকে চাপ দিল রাশিয়া (russia)!

    পশ্চিমের দেশগুলি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেই বিশ্বব্যাপী খাদ্যসঙ্কট (Global food crisis) এড়াতে মস্কো (Moscow) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে প্রস্তুত। একথা জানিয়ে দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘির (Mario Draghi) সঙ্গে ফোনে কথা বলেন পুতিন। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সেই সময়ই পুতিন মারিওকে জানিয়ে দেন একথা।

    ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর ক্রেমলিনের (Kremlin) পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। তাতে বলা হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আজভ (Sea of Azov) ও কৃষ্ণসাগরে (Black Sea) জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফোনে কথা বলার সময় পুতিন আজভ ও কৃষ্ণসাগরে অসামরিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার নিশ্চয়তায় গৃহীত পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছেন মারিওকে। তিনি সেখানে এসব জাহাজ চলাচলে নিয়মিত মানবিক করিডর চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।

    রাশিয়ার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাশিয়ান ফেডারেশন শস্য ও সার রফতানির মাধ্যমে খাদ্যসঙ্কট কাটিয়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে যে প্রস্তুত ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে তা জানানো হয়েছিল। তবে সেজন্য পশ্চিমের দেশগুলি থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : মোদি-মাক্রঁর বৈঠক, উঠল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও

    রাশিয়ার অবস্থানকে ব্ল্যাকমেল হিসেবে বর্ণনা করেছে ইউক্রেন (Ukraine)। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ বিদেশ সচিব লিজ ট্রাস বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট খাদ্যসঙ্কটকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বিশ্বকে ব্ল্যাকমেল করতে চাইছেন পুতিন। কিভের দাবি, ইউক্রেনের বন্দর আটকে রেখেছে রাশিয়া। যে কারণে, সেখান দিয়ে কোনও শস্য় পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। মস্কোর পাল্টা দাবি, বন্দরগুলিতে মাইন বিছিয়ে রেখেছে ইউক্রেন। 

    বিশ্ববাজারে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে খাদ্যসঙ্কট। রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত শস্য, রান্নার তেল, জ্বালানি ও সারের মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটকে উসকে দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। তার জেরে ভারতের কড়া সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) ভুক্ত দেশগুলি। তারা ভারতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আরজিও জানিয়েছে। অবশ্য গম রফতানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশ চিন (China)।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্বের ক্রমবর্ধমান খাদ্য সঙ্কটের জন্য পশ্চিমের দেশগুলির ওপর দায় চাপাতে চাইছে ক্রেমলিন। ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের (Ukraine Russia Crisis) কারণে লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠাতে পারছে না ইউক্রেন।

    আরও পড়ুন : চিন নিয়ে সহমত, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াডে

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) জেরে বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, জ্বালানি এবং সারের। দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কটও। যদিও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, অসামরিক জাহাজগুলি এখন নিরাপদে ইউক্রেনের মারিউপোলের (Mariupol) আজভ সাগর বন্দর ব্যবহার করতে পারে। এই বন্দরে ছটি বিদেশি শুকনো পণ্যবাহী জাহাজ এখন ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। এই জাহাজগুলি বুলগেরিয়া, ডোমিনিকা, লাইবেরিয়া, পানামা, তুরস্ক এবং জামাইকা থেকে এসেছে।

    জানা গিয়েছে, ইউক্রেনের কৃষকদের উৎপাদিত দু’কোটি টনের বেশি খাদ্যশস্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। দেশটিতে নতুন করে ফসল কাটার সময়ও চলে এসেছে। এমতাবস্থায় পুতিনের ‘শর্তে’ বিশ্বনেতারা রাজি হন কিনা, এখন সেটাই দেখার।

     

  • Vladimir Putin: পুতিনের  অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    Vladimir Putin: পুতিনের  অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে হালকা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা, কম্বলে, মোটা জ্যাকেটে নিজেকে মুড়ে রাখা, কখনও বা ঘনঘন কাশি, নানা ভিডিওয় এইসব চিত্র ধরা পড়ছিল। জল্পনাও চলছিল যে, পুতিন (Putin) কি গুরতর অসুস্থ? এবার এক বিদেশি সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট (Russian President) ভ্লাদিমির পুতিনের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনক। প্রাক্তন ব্রিটিশ গুপ্তচর ক্রিস্টোফার স্টেলি (Christopher Steele) ওই সংবাদমাধ্যমকে জানান, পুতিনের শরীর ভাল নেই। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। 

    এর আগেও পুতিনের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে ক্রেমলিন (Kremlin) এসব দাবির বিষয়ে কিছু জানায়নি। আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Former US President Donald Trump) নিয়ে বই লিখেছিলেন স্টেলি। ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। এবার পুতিনের স্বাস্থ্যের বিষয়ে খবর প্রকাশ করে স্টেলি বলেন, “রাশিয়া ও অন্যান্য সূত্র থেকে যা জানতে পারছি, পুতিন ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই রোগ নিরাময়যোগ্য কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।” তবে ইউক্রেনে (Ukraine) সামরিক অভিযান পুতিনেরই মস্তিষ্ক -প্রসূত বলে জানান স্টেলি।

    [tw]


    [/tw]

    ইউক্রেনে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রুশ বাহিনীর সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকেই পুতিনের ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা চলছে।  ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই মৃত্যু পথযাত্রী পুতিন। সম্প্রতি প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন সেই দেশেরই এক ধনকুবের। 

    এক রুশ ধনকুবেরের সঙ্গে কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করেছে একটি ব্রিটিশ ম্যাগাজিন। যেখানে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবস্থা এবং পুতিনের শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা নিয়ে মুখ খোলেন ওই ধনকুবের। তবে তাঁর কথা যে রেকর্ড করা হচ্ছে, সেটি সম্পর্কে তিনি জানতেন না। ১১ মিনিটের সেই কথোপকথনের রেকর্ডিং সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে ওই ধনকুবের জানান, “রাশিয়ার অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছেন পুতিন। শুধু রাশিয়াই (Russia) নয়, ইউক্রেন-সহ আরও একাধিক দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি। আসলে ওঁর মস্তিষ্কের বিকৃতিই গোটা পৃথিবী উল্টে দিতে পারে।” এখানেই শেষ নয়। তিনি আরও বলেন, “আমরা চাইছি, পুতিনের মৃত্যু হোক। ওঁর ক্যানসার ওঁকে খেয়ে নিক। নইলে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ওঁকে ক্ষমতা থেকে সরানো হোক।”

    আরও পড়ুন: ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুতিন, জল্পনা বিভিন্ন মহলে

    তবে ওই ধনকুবের একা নন, এর আগে ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান দাবি করেছেন, পুতিন ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁর দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পুতিন যেখানেই যাচ্ছেন, তাঁর সঙ্গে তিনজন করে চিকিৎসক থাকছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন একজন ক্যানসার স্পেশালিস্টও। 

  • Russia Stops Gas: পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া, “ব্ল্যাকমেল” বলে কটাক্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের

    Russia Stops Gas: পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া, “ব্ল্যাকমেল” বলে কটাক্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: হুঁশিয়ারি ছিলই। এবার সেই মতো দুই ন্যাটোভুক্ত দেশ পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া। এর ফলে, বড় সমস্যায় এই ইউরোপের এই দুই দেশ।

    ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়াকে কার্যত একঘরে করে ফেলার চেষ্টা করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার ওপর জারি হয় একাধিক নিষেধাজ্ঞা। সুইফ্ট ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে সাসপেন্ড করা হয় রুশ ব্যাঙ্কগুলিকে। ফলে, আর্থিক লেনদেন জোর ধাক্কা খায় মস্কো। সেই সময় রাশিয়া জানিয়ে দেয়, তাদের থেকে পণ্য় কিনতে গেলে, অর্থ জোগাতে হবে রুবলে। 

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার আয়ের অন্যতম মূল উৎস হল জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ। বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ হল রাশিয়া। ফি বছর ইউরোপ যত পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করে, তাঁর সিংহভাগ আসে রাশিয়া থেকেই। বিভিন্ন পাইপলাইনের মাধ্য়মে সেই গ্যাস সরবরাহ করে থাকে মস্কো। বলা ভাল, ইউরোপের একাধিক দেশ মূলত রাশিয়ার যোগান দেওয়া গ্যাসের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। মোট ২৩টি ইউরোপীয় দেশে গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া। 

    এবার, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বাঁধার ফলে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে ইউরোপ তথা ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি। কোনও কোনও দেশ তো ইউক্রেনকে অর্থ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অস্ত্র সররবাহ শুরু করে। রাশিয়া আগেই জানিয়ে রেখেছিল, ইউক্রেনের পাশে যারা দাঁড়াবে, তাদের মাশুল দিতে হবে। কিন্তু, তাতে কেউ কর্ণপাত না করায়, এবার পাল্টা ব্যবস্থা নেয় মস্কো। 

    গত মার্চ মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেন, তাদের থেকে গ্যাস সহ যে কোনও পণ্য কিনতে গেলে এখন থেকে রুবলে পেমেন্ট করতে হবে। পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়া সেই শর্তে মানতে রাজি হয়নি। এরপরই, এই দুই দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মস্কো। এতে বিপাকে পড়েছে এই দুই পোল্য়ান্ড ও বুলগেরিয়া। 

    রাশিয়ার এই গ্যাস বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে “ব্ল্যাকমেল” বলে উল্লেখ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা জানিয়েছে, জ্বালানির বিষয়টি সামনে এনে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই ঘোষণাকে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে কটাক্ষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঐকবদ্ধভাবে এর জবাব দেওয়া হবে। 

    কিন্তু, তাতে দমে না গিয়ে মস্কো আরও হুঁশিয়ারি দেয়, রুবলে দাম না মেটালে অন্য দেশের পরিণতিও হবে পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ার মতো।  রাশিয়ার হুমকি, প্রয়োজনে গোটা ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি। জরুরি বৈঠকে বসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলি। ইতিমধ্য়েই, ইউরোপের অপর ৪টি দেশ ইতিমধ্য়েই রুশ দাবি অনুযায়ী, রুবলে দাম মিটেয়েছে। রুবলে দাম মেটানোর জন্য গ্যাজপ্রমব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য হয়েছে ইউরোপের অন্তত ১০টি দেশ।

LinkedIn
Share