Tag: un security council

un security council

  • UN Security Council: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা 

    UN Security Council: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর অস্থায়ী সদস্যপদ নয়। এবার কি তবে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UN Security Council) স্থায়ী সদস্যপদ পেতে চলেছে ভারত? এমনই জল্পনা উসকে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, “বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র ভারত। পরমাণুশক্তিধর আমাদের দেশ এখন পৃথিবীর পঞ্চম বৃহৎ অর্থনীতির অধিকারী। সেই জায়গা থেকে ভারত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার যোগ্য।” এই মুহূর্তে সৌদি আরবে (Saudi Arabia) রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। সেখানে একটি সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তাই ভারতকে এই পদ দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার কথা ভেবে রাষ্ট্রসংঘের এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত। তবেই বিশ্বশান্তি রক্ষায় সক্ষম হবে এই সংস্থা।”

    আরও পড়ুন: ভোট রাজনীতি দেশের স্বার্থকে প্রভাবিত করবে, সেই দিন আর নেই, বললেন এস জয়শঙ্কর  

    শনিবার থেকে ৩ দিনের সৌদি আরবে সফরে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। রবিবার সৌদির রাজপুত্র মহম্মদ বিন সালমানের (Crown Prince Mohammed Bin Salman) সঙ্গে দেখা করেন তিনি। তাঁর হাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) লিখিত বার্তা তুলে দেন বিদেশমন্ত্রী। ভারত এবং সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির বিষয়েও কথা হয় সেই  বৈঠকে। বর্তমানে ভারত এবং সৌদি আরবের মধ্যে ২৮০ কোটি মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। মধ্য প্রাচ্যের এই দেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে অপরিশোধিত তেল কেনে ভারত। ভবিষ্যতে এই ব্যবসা ৪২০ কোটি মার্কিন ডলারে নিয়ে যাওয়ার ভাবনা রয়েছে ভারতে। পাল্লা দিয়ে রফতানি বৃদ্ধির পরিকল্পনাও রয়েছে দেশের। 

     

    আরও পড়ুন: আবু ধাবিতে ‘সম্প্রীতির প্রতীক’ হিন্দু মন্দির নির্মাণ খতিয়ে দেখলেন জয়শঙ্কর

    এবারের সৌদি আরব সফরে গিয়ে সেখানকার বিদেশমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদর সঙ্গে বৈঠক করেছেন এস জয়শঙ্কর। ভারত-সৌদি আরব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বিশ্ব রাজনীতি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর। গত কয়েক মাসে রাজনৈতিক, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহ একাধিক বিষয়ে দুই দেশের সচিব পর্যায়ে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশই রাষ্ট্রসংঘ, জি-২০ এবং জিসিসি-তে তাদের সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেছে বলে সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের মহাসচিব এইচ. ই. নায়েফ ফালাহ মুবারক আল-হাজরাফের সঙ্গে জয়শংকরের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India At UNSC: চিনের দ্বিচারিতা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে সরব ভারত! জানেন কী বললেন রুচিরা কম্বোজ?

    India At UNSC: চিনের দ্বিচারিতা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে সরব ভারত! জানেন কী বললেন রুচিরা কম্বোজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে চিনকে একহাত নিল ভারত। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের ওই বৈঠকে নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, একতরফা ভাবে সীমান্তে স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় বড়সড় ধাক্কা দেবে। এদিন ‘যৌথ নিরাপত্তা’ ও ‘বিশ্ব শান্তি’ নিয়ে  বৈঠকে বসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC)। সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ে চিনের নীতি তুলে ধরে ভারতের তরফে আক্রমণ শানানো হয়। পাশাপাশি বলপূর্বক অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব খণ্ডন করার প্রসঙ্গ তুলেও চিনকে তোপ দাগে ভারত। অবশ্য কোনও ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ভারতীয় দূত রুচিরা কম্বোজ চিনের নাম উল্লেখ করেননি। 

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির পদে রয়েছে চিন। এদিনের বৈঠকও তাদেরই উদ্যোগ। কিন্তু আলোচনায় বেজিংকে কোণঠাসা করে দেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি রুচিরা। তিনি বলেন, ’যেকোনও দেশ যদি জবরদস্তিমূলক বা একতরফা পদক্ষেপের মাধ্যমে বল প্রয়োগ করে স্থিতাবস্থা পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে তা সাধারণ নিরাপত্তার অবমাননা। সাধারণ নিরাপত্তা তখনই সম্ভব যখন দেশগুলি একে অপরের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করবে।  যেমন তারা আশা করে যে তাদের নিজস্ব সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা হবে, তেমনই তাদেরকেও অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব মানতে হবে।”

    আরও পড়ুন: ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার হানাদার ড্রোন ‘এমকিউ-৯ রিপার’! জানেন এর ক্ষমতা?

    সন্ত্রাসবাদ থেকে সীমান্ত বিবাদ ইস্যুতে এদিন বেজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে ভারত। রুচিরা কম্বোজের কথায়, “সাধারণ নিরাপত্তা তখনই সম্ভব যখন দেশগুলো অন্যদের সাথে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক চুক্তিগুলোকে সম্মান করবে। উভয়পক্ষ দ্বারা গৃহীত সেইসব ব্যবস্থাকে বাতিল করার জন্য একতরফা পদক্ষেপ করবে না। সাধারণ নিরাপত্তা তখনই সম্ভব যখন সন্ত্রাসবাদের মতো হুমকির বিরুদ্ধে সব দেশ একসঙ্গে রুখে দাঁড়াবে এবং এই ইস্যুতে দ্বিচারিতা করবে না।” উল্লেখ্য, গালওয়ান সংঘর্ষের (Galwan clash) সময় থেকেই লাদাখে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে ১৬ দফা আলোচনা হলেও জোট খোলেনি। সীমান্ত বিবাদ মেটাতে সেই অর্থে বড় কোনও সাফল্যও মেলেনি। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মঞ্চে ভারত আবদুল রউফ আজহারকে বিশ্বসন্ত্রাসবাদী তকমা দেওয়ার আর্জি জানায়। তার বিরোধিতা করে চিন। 

LinkedIn
Share