Tag: Unemployment

Unemployment

  • Bangladesh: হু হু করে বাংলাদেশে বাড়ছে বেকারত্ব! সরকারি রিপোর্টে চাপে ইউনূস সরকার

    Bangladesh: হু হু করে বাংলাদেশে বাড়ছে বেকারত্ব! সরকারি রিপোর্টে চাপে ইউনূস সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh)। দেশজুড়ে হিংসার ঘটনা বেড়েই চলেছে। ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়ে সেখানে যুদ্ধের জিগির তুলছে মৌলবাদীরা। মদত রয়েছে ইউনূস সরকারের। এই আবহের মধ্যে এবার বাংলাদেশের হু হু করে বেকারত্ব বেড়ে চলার তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। আর সেটাও সেখানকার সরকারি হিসেব অনুসারে! মূলত, বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেই এই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চরম চাপে পড়ে গিয়েছে ইউনূস সরকার। ভারত বিরোধী জিগির তুলে বেকারত্ব বৃদ্ধির দায়কে এড়িয়ে যেতে চাইছে বাংলাদেশ সরকার। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

    বেকারের সংখ্যা কত? (Bangladesh)

    বাংলাদেশ (Bangladesh) ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্স বা বিবিএস-এর হিসেব বলছে, চলতি আর্থিক বছরের (২০২৪-২৫) দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই ২০২৪ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৪) বাংলাদেশে বেকার মানুষের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৬ লক্ষ ৬০ হাজার! রবিবার বিবিএস-এর তরফে শ্রম শক্তি সমীক্ষা ২০২৪-এর যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই সামনে এসেছে এই তথ্য। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এই সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সকারের পতন এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন। আর, তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশের তুমুল ভারত বিদ্বেষ ও হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের ওপর নিদারুণ নিপীড়ন!

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    নয়া বেকারত্বের সংখ্যা নির্ধারণের নিয়ম

    বাংলাদেশি অনলাইন পোর্টাল ঢাকা ট্রিবিউন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অফ লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স’ বা ১৯তম আইসিএলএস-এর নিয়ম অনুসারে বাংলাদেশের (Bangladesh) নয়া বেকারত্বের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নিয়ম অনুসারে, যে সমস্ত ব্যক্তিরা কোনও উৎপাদনমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকা সত্ত্বেও পণ্য বিক্রি বা বাজারে কোনও পরিষেবা প্রদানের সঙ্গে যুক্ত থাকেন না, তাঁদের বেকার বা কর্মহীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিবিএস-এর একজন প্রতিনিধি বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই প্রথম এই ফরমুলায় দেশে সমীক্ষা চালানো হল এবং বেকারদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হল। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এত দিন ১৩তম আইসিএলএস অনুসারে বেকারত্ব ও শ্রমশক্তির হিসেব করা হত। এবার, নতুন ফর্মুলা (১৯তম আইসিএলএস) অনুযায়ী, সমীক্ষা চালানো হয়েছে।

    কেন বাড়ছে বেকার?

    বাংলাদেশি অনলাইন পোর্টাল কালের কণ্ঠ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে বেকারত্ব বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে মূলত দু’টি বিষয়কে চিহ্নিত করেছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রথমত, গত একবছরে বাংলাদেশে তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ না হওয়া এবং দ্বিতীয়ত, লাগাতার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অস্থিরতা। এর ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের কৃষি ক্ষেত্র। গত এক বছরে এই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত ১৫ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ কাজ হারিয়েছেন! লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, এর আগে ১৩তম আইসিএলএস ভিত্তিক করা সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশে (Bangladesh) কর্মরত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬০ লক্ষ। যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৭৪ লক্ষ ৯০ হাজার এবং মহিলার সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২৫ লক্ষ ৭০ হাজার। আগের এই সমীক্ষা অনুসারে, উপরোক্ত শ্রমিক শক্তির অধীনে অন্তত ৬ কোটি ৭৫ লক্ষ ১০ হাজার এমন মানুষ রয়েছেন, যাঁরা মজুরি পাওয়ার জন্য সাতদিনে অন্তত একঘণ্টা শ্রম দান করেন। এই তালিকায় পুরুষ ও নারীর সংখ্যা যথাক্রমে ৪ কোটি ৫৭ লক্ষ ৭০ হাজার এবং ২ কোটি ১৭ লক্ষ ৪০ হাজার। এই বিশেষ গোষ্ঠীটিকে কর্মরত বা কর্মহীন— এই দুইয়েরই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পড়ুয়া, প্রবীণ, অসুস্থ, অবসরপ্রাপ্ত, গৃহবধূ এবং সেইসব ব্যক্তি- যাঁরা নানা কারণে কাজ করে রোজগার করতে পারেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    Suicide in India: মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যা বেড়েছে আড়াই গুণ! কেন জানেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে বাড়ছে অবসাদ। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য ক্রমশ আরও বিপন্ন হচ্ছে। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্যে অবনতি দেখা যাচ্ছে। মানসিক চাপ বাড়ছে। আর অনেক ক্ষেত্রেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। এর জেরে বাড়ছে আত্মহত্যার ঘটনা (Suicide in India)।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    এক আন্তর্জাতিক পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পুরুষদের মধ্যে মানসিক রোগ বাড়ছে। মূলত ৩০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে মানসিক অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। যার জেরেই বাড়ছে আত্মহত্যার মতো ঘটনা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) কয়েক গুণ বেড়েছে। ২০১৪ সালে ভারতে ৮৯ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে ১ লাখ ৩০ হাজার পুরুষ আত্মহত্যা করেছেন। ভারতীয় পুরুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে আত্মহত্যা। রিপোর্ট অনুযায়ী, মহিলাদের তুলনায় ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে আড়াই গুণ বেশি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ওই আন্তর্জাতিক পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য বিপন্ন হচ্ছে। আর তার জেরেই এই ভয়ানক পরিণতির ঘটনা‌ বাড়ছে। এই নিয়ে সর্বস্তরে সচেতনতা না বাড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

    কেন ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে? (Suicide in India)

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতীয় পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ পুরুষদের আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক সমস্যা। সম্পর্কের জটিলতা। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের দায়িত্ব ও বিশাল প্রত্যাশার সঙ্গে অনেক সময়েই তাল মিলিয়ে চলতে পারছেন না। এর জেরেই মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হচ্ছে। এর থেকেই আত্মহত্যার প্রবণতা (Suicide in India) জন্ম নিচ্ছে। পাশপাশি ভারতীয় পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। মানসিক অবসাদগ্রস্ত অধিকাংশ মানুষ বুঝতেই পারেন না তার স্বাস্থ্য সমস্যা। এর জেরে রোগ নির্ণয় কিংবা চিকিৎসা কিছুই হয় না। তাই আত্মহত্যার মতো চরম পরিণতির ঘটনা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বেশি কর্মশালা জরুরি। সব‌ বয়সের মানুষদের এ নিয়ে সতর্ক হতে হবে। তবেই পরিবারের কেউ মানসিক অবসাদে ভুগছেন কিনা কিংবা আত্মহত্যা প্রবণ হয়ে উঠেছেন কিনা তা‌ বোঝা সহজ হবে। তাহলে এই ধরনের চরম বিপদ আটকানো‌ সহজ‌ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    Kaushik Basu: ‘‘অর্ধসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা বন্ধ করুন’’, কৌশিক বসুকে পাঠ পড়ালেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে গত দশ বছরে। মোদি জমানায় ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র যে ঊর্ধ্বগামী, তাও মেনে নিয়েছেন বিশ্বের অর্থনীতিবিদদের সিংহভাগই। দেশ এগোচ্ছে উন্নত ভারতের স্বপ্ন বুকে নিয়ে। এহেন আবহে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বেকারত্বকেই হাতিয়ার করছেন বিরোধীরা। এবার তাতে ইন্ধন জোগালেন প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসুও (Kaushik Basu)।

    নেটিজেনদের নিশানায় অর্থনীতিবিদ (Kaushik Basu)

    তার পরেই তাঁকে নিশানা করেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা। তাঁরা বলছেন, “ভুল তথ্য দেবেন না, বিপথে চালিত করবেন না। দেশে বেকারত্বের হার মাত্রই দু’শতাংশ।” বুধবার কৌশিক সরকারকে অনুরোধ করেছেন ভারতে ক্রমবর্ধমান বেকারত্বে রাশ টানতে। তিনি বলেন, “সিএমআইই-র সাম্প্রতিক ডেটা থেকে জানা যাচ্ছে, ভারতের যুব বেকারত্বের হার পৌঁছে গিয়েছে অ্যালার্মিং লেভেলে। বর্তমানে এর হার ৪৫.৪ শতাংশ, বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।”

    কী বলেছেন কৌশিক বসু?

    কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন অর্থনীতির পাঠ দেন কৌশিক (Kaushik Basu)। তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে আমরা অবশ্যই স্লোগানের আড়ালে লুকিয়ে যাব না। রাজনীতিকে সরিয়ে রাখব এক পাশে। এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ করব।” কৌশিকের মন্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে সমালোচনার ঝড়। সোশ্যাল মিডিয়া ইউজার সাথী বেল্লাম লিখেছেন, “যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা আপনি বলছেন, এরা ২০-২৪ বছর বয়সী। এদের অধিকাংশই এখনও পড়াশোনা করছেন। ৩০ এর ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এর অর্থ হল, পড়াশোনা শেষ করে অধিকাংশই কাজ পেয়ে যাচ্ছেন।”

    কৌশিকের ৪৫ শতাংশ বেকারত্ব তত্ত্বের দাবি ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন এক প্রবীণ টেকনোক্র্যাট অ্যান্ড সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। সাথীর মতো তিনিও জানিয়ে দিয়েছেন যে ৪৫ শতাংশ বেকারত্বের কথা বলা হচ্ছে, তারা সবাই ২০-২৪ বছর বয়সী। যাঁদের সিংহভাগই পড়াশোনা করছেন। তিনি লিখেছেন, “৩০ বছর এবং তার ওপরে যাঁদের বয়স, তাঁদের ক্ষেত্রে বেকারত্বের হার মাত্র ২ শতাংশ। এই একই রিপোর্ট অনুযায়ী, আপনি উদ্ধৃতি দিচ্ছেন। অপপ্রচারের চূড়ান্ত (Kaushik Basu)।”

    আর পড়ুন: ভারতীয় অর্থনীতি পজিটিভ, জানিয়ে দিল এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিং

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    Employment: এমএ পাশ করেও মেলেনি চাকরি, অলংকার তৈরি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় রিয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া শিখে, বড় বড় ডিগ্রি নিয়ে চাকরির (Employment) জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এরকম অসহায় যুবক-যুবতীর সংখ্যা এ রাজ্যে যত দিন যাচ্ছে, বেড়েই চলেছে। এঁদেরই মধ্যে কেউ কেউ মনের জোর নিয়ে নেমে পড়েছেন ব্যবসায়, খুলে ফেলেছেন চায়ের দোকান, হোটেল, এমনকি রাস্তার ধারে বসে সবজিও বেচছেন। রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরির করুণ চিত্র একটা প্রজন্মকে ক্রমশ যেন হতাশার অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে। তবুও মনের জোর এবং লেগে থাকার মানসিকতা নিয়ে যাঁরা নিজে কিছু করার জন্য জীবনযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাঁদেরই একজন হলেন রিয়া। আসুন, জেনে নিই তাঁর লড়াইয়ের কাহিনি।

    কীভাবে এগিয়ে চলেছেন রিয়া?

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর শক্তিনগরের বাসিন্দা রিয়া বিশ্বাস। বাংলায় এমএ পাশ করে আর পাঁচজন শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর মতো তিনিও টিউশনকেই একমাত্র বেঁচে থাকার রসদ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই বুঝলেন, শুধু এই দিয়ে সংসার চালানো কঠিন। তাই এর পাশাপাশি নিজের হাতে তৈরি করতে শুরু করলেন বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারি। এমএ পাশ করার পর থেকেই চেষ্টা করছেন চাকরির (Employment)। কিন্তু ভাগ্য বিরূপ। তাই নিজের হাতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দিয়ে তৈরি করেন এই সমস্ত অলংকার। এখন ‌যে কোনও উৎসবের রঙে নিজেকে রাঙিয়ে তোলা ট্রেন্ড। তাই সামনেই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের পতাকার রঙের বিভিন্ন কারুকার্য এবং নকশা করা জুয়েলারি তৈরি করে বিক্রি করছেন তিনি। কোনও দোকানে নয়, সমস্ত জিনিসপত্র কিনে এনে বাড়িতে বসেই সেই সমস্ত জুয়েলারি বানিয়ে সরাসরি খরিদ্দারের কাছে বিক্রি করেন তিনি। শুধু স্বাধীনতা দিবসই নয়, আসন্ন বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো উপলক্ষেও বিভিন্ন ধরনের আধুনিক জুয়েলারি বানিয়ে বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে সাধারণত শখের বসেই তিনি এই জুয়েলারি বানান। তবে ধীরে ধীরে তাঁর এই জুয়েলারির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন জায়গায়। নিজের ইচ্ছাশক্তি ও অদম্য জেদ থেকেই নিজের সঙ্গে আরও মানুষকে কর্মসংস্থান করে দেওয়ার আশায় রয়েছেন তিনি। কম পুঁজিতে অধিক লাভ এই ব্যবসায়। তাই অন্যদেরও স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখাচ্ছেন রিয়া।

    কী বলছেন রিয়া?

    এ বিষয়ে রিয়া বিশ্বাস বলেন, চাকরি (Employment) না পেয়ে প্রথমে নেশা হিসেবে কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু পরবর্তীকালে বাবা মারা যাওয়ার পর আর্থিক সংকটের কারণে এটা পেশায় পরিণত হয়। বাড়িতে দাদা রয়েছে, তিনিও কাজ করেন। কিন্তু তাঁর নিজস্ব সংসার রয়েছে। সেই কারণে কিছুটা যদি সবাইকে সাহায্য করতে পারি আর্থিক দিক থেকে, তার প্রচেষ্টাই চালাচ্ছি আমি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    Exotic Birds: বিদেশি পাখি পুষে বেকার যুবকদের রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন দুর্গাপুরের পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশের রঙবেরঙের পাখি (Exotic Birds) পুষেই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন দুর্গাপুরের এক পড়ুয়া অভিষেক রাম। নিজের আয়ের পাশাপাশি রাজ্য ও ভিন রাজ্যের বহু যুবককে রোজগারের দিশা দেখাচ্ছেন অভিষেক। বর্তমানে তাঁর পাখির সম্ভার চারশোরও অধিক। লক্ষ টাকা মূল্যের ম্যাকাও সহ আফ্রিকার জঙ্গল থেকে আনিয়েছেন নানা ওয়াইল্ড বার্ড। তাঁর সংগ্রহে রয়েছে একটি সাদা আমব্রেলা কাকাতুয়া, যার মূল্য প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায় তাঁর খামারে। ইতিমধ্যেই বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ থেকে ২৫ টি প্রজাতির পাখি সংগ্রহ করে তাক লাগিয়েছেন অভিষেক।

    দক্ষিণ ভারত থেকেই ভাবনা শুরু

    বাবা অশোক রাম পেশায় ফুচকা বিক্রেতা, মা গৃহবধূ। আর্থিক অনটনের সংসারে অভিষেক ও তাঁর দাদা বিবেক রামের বেড়ে ওঠা। তাঁর দাদা কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে গ্রাজুয়েশন করে অ্যানিমেশন নিয়ে কাজ করছেন। অভিষেকও সবেমাত্র গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। অভিষেক একজন দক্ষ ক্রিকেটার। ক্রিকেটের জন্যই তিনি গিয়েছিলেন দক্ষিণ ভারতে। তখনই তাঁর নজরে পড়ে একটি বার্ডস ফার্ম। যা দেখার পরেই অভিষেকের এমন ভাবনা মাথায় আসে। আগেও তিনি বদ্রি, ককটেল, লাভবার্ডস ইত্যাদি পাখি (Exotic Birds) পালন করতেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই উত্থান

    এই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগে সেই সমস্ত পাখির (Exotic Birds) খাবার-দাবার, পরিচর্যা ইত্যাদির পাশাপাশি সঠিক পরিবেশ, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, প্রজনন প্রক্রিয়া, বিভিন্ন রোগের  চিকিৎসা ইত্যাদি ভিডিও’র মাধ্যমে তিনি তুলে ধরেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। বছর খানেকের মধ্যেই অভিষেকের তৈরি করা সেইসব ভিডিও অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে পশুপ্রেমীদের পাশাপাশি অসংখ্য দর্শকের কাছে। সেখান থেকেই রোজগারের দিশা দেখেন অভিষেক। আরও অনেকেই রোজগারের পথ খুঁজে পান তাঁর দেখানো রাস্তায়।

    মাসিক আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা!

    এরপর তিনি প্রায় আড়াই বছর ধরে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, পড়াশোনা করেছেন। আর নিজের জমানো টাকায় এক এক করে কিনেছেন নানান নামিদামি পাখি (Exotic Birds)। ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে বর্তমানে তাঁর সংগ্রহে রয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার পাখি। সান কনিওর পাখির ব্রিডিং শুরু করে তিনি প্রথম উপার্জন করা শুরু করেন। বয়স অনুযায়ী এই পাখির দাম ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। অভিষেক রাম জানিয়েছেন, তিনি ২০১৪ সাল থেকে পাখি পালন শুরু করেন। ২০২২ সালে তিনি দুর্গাপুরের পারদই গ্রামে একটি বাড়ি তৈরি করেন। সেই বাড়ির ছাদেই তৈরি করেছেন বার্ডস ফার্ম হাউস। সেখানে রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা। পাখিদের থাকার মতো পরিবেশ তৈরি করেছেন তিনি। একইসঙ্গে সেখানে পাখিদের ব্রিডিংও শুরু করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Exam 2023: রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি, বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট!

    TET Exam 2023: রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি, বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রাথমিক টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে গতকাল, ২৪ ডিসেম্বর। তিন লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। রাজ্যে বেকারত্বের করুণ ছবি দেখা গেল এবারের পরীক্ষায়, যেখানে বাবা-ছেলে একসঙ্গে দিলেন টেট! ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্যে বছর বছর নিয়মিত হয় না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। রাজ্যের স্কুলগুলিতে এখনও অনেক শূন্যপদ। বেকারত্ব কার্যত ছুঁয়ে ফেলল ছেলে-বাবাকে। সরকারি চাকরির আশায় পরীক্ষায় বসলেন বাবা-ছেলে। ছেলের দাবি, ‘প্রতি বছর নিয়মিত পরীক্ষা হলে বাবাকে হয়তো এই দিন দেখতে হত না।” পরীক্ষার্থীদের একাংশ বলছেন, রাজ্যে মমতার সরকার যদি ঠিক করে শিক্ষক নিয়োগ করত, তাহলে রাজ্যে ডিএলএড প্রশিক্ষক বাবা-ছেলেকে একযোগে পরীক্ষায় বসতে হত না।

    মুর্শিদাবাদে কোথায় ঘটনা ঘটল (TET Exam 2023)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা থানার চন্দড় গ্রামের গত কালকের টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষার প্রার্থী ছিলেন বাবা দিলওয়ার হোসেন এবং ছেলে মোকাম্মেল হোসেন। দিলওয়ার নিজে এমএ পাশ করে ডিএলএডে পড়াশুনা করছেন। আর বাবা মোকাম্মেল চাদর প্রাথমিক স্কুলে প্যারাটিচার হিসাবে শিক্ষতার কাজ করছেন। বাবার পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছিল লালবাগ গভর্নমেন্ট স্পনসর গার্লস হাইস্কুলে। অপর দিকে ছেলের কেন্দ্র পড়েছিল গোলযান রিফিউজি হাইস্কুলে।

    পরীক্ষার্থী বাবা-ছেলের বক্তব্য

    ২০২৩ সালের টেট (TET Exam 2023) পরীক্ষার্থী বাবা মোকাম্মেল হোসেন বলেন, “এর আগে অনেক বার টেট পরীক্ষা দিয়েছি, কিন্তু সফল হতে পারিনি। তবে এবার পরীক্ষা বেশ ভালো হয়েছে, আমি আশাবাদী। তবে প্রত্যেক বছর পরীক্ষাও হয় না।” একই ভাবে টেট পরীক্ষার্থী নিয়মিত না হওয়ায় ছাত্র দিলওয়ার হোসেন বলেন, “বাবার চাকরিটা হয়ে গেলে, হয়ত আমি একটু ভালো জায়গায় পৌঁছাতে পারতাম। প্রতি বছর নিয়ম করে যদি পরীক্ষা হত, তাহলে বাবাকে হয়তো এই দিন দেখতে হত না।”

    টেট দুর্নীতিতে সিবিআই

    উল্লেখ্যে রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে শাসকদলের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইতিমধ্যে জেলে। প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা সহ আরও অনেক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। রাজ্যের টেট (TET Exam 2023) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা ব্যাপক ভাবে সরব হওয়ায় তীব্র শোরগোল পড়েছিল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share