Tag: UNESCO Intangible Cultural Heritage tag

UNESCO Intangible Cultural Heritage tag

  • Durga Puja UNESCO: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    Durga Puja UNESCO: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্টেটাস (Bengal Durga Puja UNESCO Heritage status) পাওয়ার কৃতিত্ব দাবি করে সাম্প্রতিককালে উচ্চনাদে নিজেদের ঢাক পিটিয়েই চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এমনকী, এর জন্য খরচ করা হয়েছে কোটি কোটি টাকা। ঘটা করে আয়োজন করা হয়েছে শোভাযাত্রার। 

    কিন্তু, রাজ্য প্রশাসন যতই এই বিষয়ে কৃতিত্ব দাবি করুক না কেন, আদতে এই কৃতিত্ব কতটা এরাজ্যের, আদৌ কোনও কৃতিত্ব রয়েছে কিনা তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। আর ঠিক এই প্রশ্নটাই তুলেছেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির (Bengal BJP) পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য (Amit Malviya)। এদিন ট্যুইটারে তিনি লেখেন, ‘‘দুর্গাপুজোর (Durga Puja) জন্য ইউনেস্কোর ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ ট্যাগের (UNESCO Intangible Cultural Heritage tag) কৃতিত্ব নিতে শোভাযাত্রার আয়োজন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সত্যিটা হল, এই স্বীকৃতির নেপথ্যে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই। কারণ, স্বীকৃতি মিলেছে মোদি সরকারের অধিনস্থ সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টায়।’’

    আরও পড়ুন: কেন দুর্গোৎসব কমিটিগুলোকে দেওয়া হচ্ছে অনুদান? রাজ্যের ব্যাখ্যা তলব হাইকোর্টের

    কেন অমিত মালব্য এই কথা বলছেন? সম্প্রতি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (West Bengal Government) একটি পুরনো চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির তারিখের ওই চিঠিটি রয়েছে রাজ্যের তৎকালীন প্রধান সচিব অত্রি ভট্টাচার্যের প্যাডে। কী আছে তাতে? ওই চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমির (Sangeet Natak Akademi) মাধ্যমে অধ্যাপক তপতী গুহ-ঠাকুরতা (Tapati Guha Thakurta) এবং কলকাতাস্থিত সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশ্যাল সায়েন্সেসের (Centre for Studies in Social Sciences) অধিনস্থ বিভাগ যদুনাথ ভবন মিউজিয়াম ও রিসোর্স সেন্টারকে প্রদান করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। 

     

    কে এই তপতী গুহ-ঠাকুরতা? এক দশকের বেশি সময় ধরে দুর্গাপুজো নিয়ে কাজ করছেন কলকাতার সেন্টার ফর স্টাডিজ ইন সোশাল সায়েন্সেস অধিকর্তা তপতী গুহ-ঠাকুরতা। দুর্গাপুজো যাতে ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতি পায়, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, যাতে দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হয়, সেজন্য কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের তরফে খসড়া ডসিয়ার তৈরি করেছিলেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু করেছিলেন। ২০১৯ সালের মার্চে সেই ডসিয়ার জমা দিয়েছিলেন। তাতে দুর্গাপুজোর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের মন্তব্য তুলে ধরেছিলেন।

    আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ না মিটিয়ে পুজোয় অনুদান! দুর্নীতিকে আড়াল নাকি নজরে পঞ্চায়েত?

    এখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কোনও ভূমিকা আদৌ ছিল কি? জানা গিয়েছে, গবেষণার জন্য এই উৎসব সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার বা সত্ত্বাধিকারীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। সেই তালিকায় যেমন ছিলেন মৃৎশিল্পী ও বিভিন্ন কুশীলবরা, তেমনই রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও শলা-পরামর্শ করা হয়েছিল। ব্যাস, ওইটুকুই। বাকিটা ইতিহাস। ইউনেস্কোর স্বীকৃতি মিলতেই, নিজেদের ভুয়ো কৃতিত্ব দাবি করতে ময়দানে নেমে পড়ে মমতা প্রশাসন। কোটি কোটি টাকা অপচয়ে শোভাযাত্রার আয়োজনও করা হয়। অথচ, কার্যত আড়াল করেই রেখে দেওয়া হল এই কৃতিত্বের আসল রূপকারদের।

LinkedIn
Share