Tag: UNESCO World Heritage

UNESCO World Heritage

  • Assam Moidam: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম

    Assam Moidam: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হল অসমের অহম রাজবংশের কবরের ঢিবি ‘মৈদাম’ (Assam Moidam)৷ ফলে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্র’-এর  (UNESCO World Heritage Site) তালিকায় এ বার ঠাঁই পেল উত্তর-পূর্ব ভারত। প্রসঙ্গত, মৈদাম সমাধিক্ষেত্রকে গত বছর ‘বিশ্ব ঐতিহ্যক্ষেত্র’ হিসাবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য ইউনেস্কোর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪৬তম অধিবেশনে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। 

    কী এই ‘মৈদাম’? (Assam Maidams) 

    অনেকটা পিরামিডের মতই আকার। এটি আসলে অহম রাজপরিবারের সমাধিস্থল। অসমে প্রায় ৬০০ বছর শাসন করেছিল অহম রাজবংশ। আজকের অসম আগে পরিচিত ছিল অহম হিসাবে। এবার সেই অহম রাজপরিবারের ‘কবরস্থান’ বা ‘মৈদাম’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থান (UNESCO World Heritage Site) তকমা পেল। অনেকে এটিকে আবার ‘অসমের পিরামিড’-ও বলে। বিশেষত ইট, পাথর বা মাটি দিয়ে তৈরি ফাঁপা খিলানের উপরে একটি ঢিবি তৈরি করে এই অষ্টভুজাকার সমাধিস্থলগুলি তৈরি করা হত। ভিতরে ঢোকার জন্য সুড়ঙ্গের মতো প্রবেশপথ থাকত। প্রাথমিকভাবে  অসমের ছাড়াইদেও জেলায় এই সমাধিস্থলগুলি দেখা যায়। জানা গিয়েছে, ছাড়াইদেওতে  ৯০ টিরও বেশি রাজকীয় সমাধির ঢিবির রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ছাত্রদের সংস্কৃত ‘শ্লোক’ পাঠে বাধা! প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর 

    এক দশক পরে ফলপ্রসূ হল উদ্যোগ

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ছাড়াইদেও জেলায়, অহম সাম্রাজ্যের ‘ঢিপি সমাধি ব্যবস্থা’ ( mound burial system) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়ার জন্য প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। সেসময় মৈদামগুলি (Assam Moidam) ইউনেস্কো হেরিটেজ ক্ষেত্রের তালিকায় ঢোকানোর চেষ্টা শুরু করেছিল অসমের তৎকালীন কংগ্রেস সরকার। শেষ পর্যন্ত এক দশক পরে ফলপ্রসূ হল সেই উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী এই পদক্ষেপের জন্য ইউনেস্কোকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘‘এই দিনটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’’ 

    কী বললেন হেমন্ত বিশ্ব শর্মা?  

    এ প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন যে, ”মৈদাম ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক সম্পত্তি বিভাগের অধীনে, বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এটি অসমের জন্য একটি দারুণ সাফল্য। কারণ, প্রথমবারের মতো উত্তর-পূর্ব থেকে কোনও স্থাপত্য (Assam Moidam) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানের তকমা পেল। কাজিরাঙ্গা ও মানস জাতীয় উদ্যানের পর এটি অসমের তৃতীয় বিশ্ব ইতিহ্যবাহী স্থান”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam Maidams: সুপারিশ গেল ইউনেস্কোতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে অসমের ‘পিরামিড’ অহম মায়দাম?

    Assam Maidams: সুপারিশ গেল ইউনেস্কোতে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাচ্ছে অসমের ‘পিরামিড’ অহম মায়দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভবত চলতি বছরের শেষেই অসমের মুকুটে জুড়তে চলেছে নয়া পালক। ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের (UNESCO World Heritage) মর্যাদা পেতে চলেছে অহম আমলের ‘মায়দাম'(Assam Maidams) বা সমাধিস্থল, সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানে অহম আমলের ‘মায়দাম’-কে সুপারিশ করেছে ফ্রান্সের সংস্থা আইসিওএসএমওএস (International Council on Monuments and Sites)। আর অসমের এই সমাধিস্থলগুলিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ফলে রাজ্যের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রচারের জন্য আরও ভালো তহবিল পাওয়া যাবে। এছাড়াও সরকারী ও আন্তর্জাতিক সহায়তার ফলে এই সমাধিস্থলগুলি সংরক্ষণ ও সুরক্ষার জন্য প্রযুক্তিগত সহযোগিতাও পাওয়া যাবে। 

    কী এই ‘মায়দাম’? (Assam Maidams) 

    অনেকটা পিরামিডের মতই আকার। এটি আসলে অহম রাজপরিবারের সমাধিস্থল। অসমে প্রায় ৬০০ বছর শাসন করেছিল অহম রাজবংশ। আজকের অসম আগে পরিচিত ছিল অহম হিসাবে। এবার সেই অহম রাজপরিবারের ‘কবরস্থান’ বা ‘মায়দাম’ ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থান ( UNESCO World Heritage Site) তকমা পেতে চলেছে। অনেকে এটিকে আবার ‘অসমের পিরামিড’-ও বলে। বিশেষত ইট, পাথর বা মাটি দিয়ে তৈরি ফাঁপা খিলানের উপরে একটি ঢিবি তৈরি করে এই অষ্টভুজাকার সমাধিস্থলগুলি তৈরি করা হত। প্রাথমিকভাবে আসামের ছাড়াইদেও জেলায় এই সমাধিস্থলগুলি পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, ছাড়াইদেওতে ৯০ টিরও বেশি রাজকীয় সমাধির ঢিবির রয়েছে।  

    ইতিহাস

    উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ছাড়াইদেও জেলায়, অহম সাম্রাজ্যের ‘ঢিপি সমাধি ব্যবস্থা’ ( mound burial system) ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যশালী স্থানে তকমা পাওয়ার জন্য প্রথম তালিকাভুক্ত হয়। জানা গিয়েছে, ১২২৮ থেকে ১৮২৬ সাল পর্যন্ত অহম রাজারা অসমে রাজত্ব করেন। ৫৯৮ বছরের শাসনকালে এই বংশে রাজা হিসাবে সিংহাসনে বসেন ৩৯ জন। এরপর ১৮২৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তির মাধ্যমে তাঁদের রাজত্বের অবসান হয়। 

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও মজবুত করার ডাক ভারত-অস্ট্রেলিয়ার

    মায়দাম সংরক্ষণের ব্যবস্থা  

    আইসিওএসএমওএস (ICOMOS) রিপোর্ট অনুসারে অসমের সমাধিস্থলগুলির (Assam Maidams) ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রচেষ্টার মূল্যায়ন করে ৩২১-পাতার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। যেখানে এই সমাধিস্থলগুলি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আধিকারিকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, প্রতিনিয়ত ভারী বৃষ্টিপাত, মাটির ক্ষয় এই সমাধিস্থলগুলির ধ্বংসের কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই সমাধিস্থলগুলির সংরক্ষণে মাটির ক্ষয় রোধ করার জন্য কাজ চলছে। উল্লেখ্য, অসমের এই সমাধিস্থলগুলকে মিশরীয় ফারাওদের পিরামিডগুলির সাথে তুলনা করা হয়। আর এবছর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান (UNESCO World Heritage) হিসেবে এই সমাধিস্থল নির্বাচিত হলে, আসামে তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান থাকবে। বাকি দুটি কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যান এবং মানস জাতীয় উদ্যান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: শ্মশানে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা, থানায় অভিযোগ বিশ্বভারতীর উপাচার্যের

    Visva-Bharati: শ্মশানে পাঠানোর হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা, থানায় অভিযোগ বিশ্বভারতীর উপাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ধর্না মঞ্চ থেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে’, এই মর্মে শান্তিনিকেতন থানায় ই-মেল মারফৎ অভিযোগ দায়ের করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্ব ঐতিহ্যের ফলকে ব্রাত্য স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। এই অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে তৃণমূলের আন্দোলন চতুর্থ দিনে পড়ল৷ এই ধর্না মঞ্চ থেকে উপাচার্যকে বাসভবন থেকে বের করে বীরভূম ছাড়া করার হুমকি সহ শ্মশানে পাঠানোর হুমকিও দিতে শোনা গিয়েছে তৃণমূল নেতাদের। তারপরেই শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ করেন উপাচার্য (Visva-Bharati) বিদ্যুৎ চক্রবর্তী।

    কী অভিযোগ তৃণমূলের? (Visva-Bharati)

    ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’ বা ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের’ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। এরপরেই ঐতিহ্যবাহী উপাসনা গৃহ, রবীন্দ্রভবন ও গৌরপ্রাঙ্গণে ৩ টি শ্বেত পাথরের ফলক বসানো হয়েছে। তাতে আচার্য হিসাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নাম থাকলেও ব্রাত্য স্বয়ং গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যার প্রতিবাদে সরব হয়ে দলকে লাগাতার আন্দোলনের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিনিকেতন রাস্তার উপর কবিগুরু হস্তশিল্প মার্কেটে মঞ্চ তৈরি করে চলছে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের আন্দোলন।
    এই আন্দোলনের মঞ্চ থেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে, এই মর্মে শান্তিনিকেতন থানায় ইমেল মারফৎ অভিযোগ দায়ের করলেন বিশ্বভারতীর (Visva-Bharati) উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। অভিযোগে তিনি জানান, “মঞ্চ থেকে নেতারা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। রীতিমতো প্রাণ সংশয়ে দিন কাটছে। বিষয়টি দেখুন।”

    কী নিয়ে অভিযোগ উপাচার্যের? (Visva-Bharati)

    উল্লেখ্য, ৪ দিনে পা দিল তৃণমূলের এই ধর্না। এই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নানুরের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা উপাচার্যকে বাসভবন থেকে বের করে বীরভূম ছাড়ানোর হুমকি দিয়েছেন৷ এছাড়া, তৃণমূল নেতা বাবু দাস উপাচার্যকে (Visva-Bharati) শ্মশানে পাঠানোর হুমকি দিয়েছেন৷ এই দুটি ঘটনা উল্লেখ করেই শান্তিনিকেতন থানায় ইমেল মারফৎ অভিযোগ দায়ের করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share