Tag: Unhealthy Living

Unhealthy Living

  • Tuberculosis: ভারতীয় ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলেই কি যক্ষ্মার ঝুঁকি কমতে পারে?

    Tuberculosis: ভারতীয় ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলেই কি যক্ষ্মার ঝুঁকি কমতে পারে?

    মাধ্যম ডেস্কঃ স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই সুস্থ জীবন যাপনের পথ সহজ করবে। ভারতে বাড়ছে যক্ষ্মার দাপট। বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের জন্য এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, গোটা বিশ্বের মধ্যে যক্ষ্মার দাপট সবচেয়ে বেশি ভারতে। বিশ্বের মোট যক্ষ্মা আক্রান্তের মধ্যে ২৬ শতাংশ রোগী ভারতের। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তবে এই রোগের বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ খাদ্য (Indian home cooked food) অসচেতনতা। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কেন ভারতে যক্ষ্মার দাপট বেশি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে যক্ষ্মা একটি অন্যতম বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। তার কারণ এই রোগ নিয়ে সাধারণের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে। রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা নিয়েও পর্যাপ্ত সতর্কতা নেই। তার ফলেই সমস্যা বাড়ছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, টিউবারকুলেসিস ব্যাক্টেরিয়া থেকেই যক্ষ্মা রোগ হয়। এই টিবির জীবাণু সব সময় ফুসফুসেই আক্রমণ করে এমন নয়। শরীরের যে কোনও অংশে এই অসুখ বাসা বাঁধতে পারে। ভারতে ফুসফুসের যক্ষ্মার পাশপাশি হাড়ের যক্ষ্মার রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে।
    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাদ্যাভ্যাস (Tuberculosis) এবং জীবন যাপনে অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এ দেশে যক্ষ্মার দাপট বাড়িয়ে দিচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অনেকেই তাই এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সম্পূর্ণ শেষ করা জরুরি। কিন্তু অনেক সময়েই রোগী চিকিৎসা মাঝপথে ছেড়ে দেয়। এর ফলে রোগের দাপট আরও বাড়ে। রোগের দাপট কমলেই চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়া এই রোগের সবচেয়ে বড় বিপদ। কিন্তু এই নিয়ে এখনও পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। যার ফলে এই দেশে যক্ষ্মার প্রকোপ বাড়ছে।

    কোন ঘরোয়া খাবারেই যক্ষ্মার ঝুঁকি কমানো সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি ভারতীয় ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলেই যক্ষ্মার ঝুঁকি কমানো যায়। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, সপ্তাহে অন্তত একদিন মেনুতে খিচুড়ি (Indian home cooked food) রাখা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, খিচুড়ি এমন একটি ভারতীয় খাবার, যার পুষ্টিগুণ অপরিসীম। ডাল ও চালের মিশ্রণের পাশপাশি এই খাবারে থাকে সবজি। অর্থাৎ শরীর সহজেই ভিটমিন, প্রোটিন, ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট পায়। এর ফলে শরীরে এনার্জির জোগান বাড়ে। আবার প্রোটিনের চাহিদাও সহজেই পূরণ হয়।

    সপ্তাহে অন্তত দুদিন পালং শাক খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন এবং আয়রন। এর ফলে এই খাবারে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। আবার হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও ঠিক থাকে। তাই যক্ষ্মা (Tuberculosis) প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

    হাড়ের টিবির ঝুঁকি কমায় কোন খাবার (Tuberculosis)?

    টক দই এবং ডিম নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই দুই খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং একাধিক ভিটামিন। তাছাড়া ডিম থেকে সহজেই শরীরে প্রোটিনের চাহিদাও পূরণ হয়। আর টক দই প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার। তাই এই খাবার (Indian home cooked food) খেলে একদিকে শরীরে উপকারী ব্যাকটেরিয়া পৌঁছয় এবং হজম শক্তি বাড়ে। টক দই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার। তাই হাড়ের টিবির ঝুঁকি কমায় এই খাবার।

    রান্নায় রসুনের ব্যবহার টিবির (Tuberculosis) ঝুঁকি কমাবে বলেই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। এর ফলে রসুন দেওয়া তরকারি খেলে শরীরে যেকোনও খারাপ ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ কমবে।

    যক্ষ্মার ঝুঁকি কমাতে কোন অভ্যাস এড়িয়ে চলতে হবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যক্ষ্মার প্রকোপ কমাতে সচেতনতা সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। যক্ষ্মার (Tuberculosis) ঝুঁকি কমাতে তাই কয়েকটি অভ্যাস রপ্ত করা জরুরি। আর সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ধূমপান ত্যাগ। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তামাক শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক। তামাক সেবনের ফলে টিবিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও অনেকটাই বেড়ে যায়। ভারতীয় তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তামাক সেবনের অভ্যাস বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। যক্ষ্মার (Indian home cooked food) মতো অসুখ রুখতে এই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

    মদ্যপানের অভ্যাস যক্ষ্মার ঝুঁকি বৃদ্ধি করে

    যে কোনও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ বার্গার, পিৎজা, হটডগের মতো খাবারে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। এই সব খাবারে কোনও পুষ্টিগুণ নেই। কিন্তু দিনের পর দিন‌ এই প্রক্রিয়াজাত খাবার (Indian home cooked food) খাওয়ায় শরীরে নানান বিষাক্ত রাসায়নিক প্রবেশ করছে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। যক্ষ্মার (Tuberculosis) মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।

    মদ্যপানের অভ্যাস যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত মদ্যপান করলে লিভারের রোগ দেখা দেয়। তেমনি বাড়তে পারে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও। মদ্যপানের অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি বলেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Cancer: শিশুদের মধ্যেই ক্যান্সারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য

    Cancer: শিশুদের মধ্যেই ক্যান্সারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বিশ্বে মানুষ যে রোগগুলোতে মারা যায়, তার মধ্যে অন্যতম কারণ হল ক্যান্সার। একসময় ছিল যখন শিশুদের মধ্যে এই রোগ বিরল প্রায় দেখা যেত না। কিন্তু বর্তমানে এর একেবারে বিপরীত। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ক্যানসার হওয়ার বেসি সম্ভাবনা এখ শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যাচ্ছে।

    প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় তিন লাখের বেশি শিশু (০-১৮ বছর বয়সী) বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। আবার শূন্য থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হারও বেড়ে চলেছে। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার শনাক্ত হলে এই মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব।

    আরও পড়ুন: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ১৯৯০ সালের পর থেকেই ৫০ বছরের কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্কেদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ এই ক্যান্সারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল কিডনি, লিভার, ব্রেস্ট, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, ক্যান্সার হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল ধূমপান, মদ্যপান, অপর্যাপ্ত ঘুম, ওবেসিটি, ওজন বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এছাড়াও বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার অন্য কারণ হল জীবনধারা। ১৯৫০ সালের পর থেকে হঠাৎ করেই চিনিযুক্ত সফট ড্রিঙ্কস, জাঙ্কফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায়ই সবার মধ্যে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, ওবেসিটি হতে দেখা যাচ্ছে। এই জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে ও তাঁদের লাইফস্টাইলের পরিবর্তনের ফলে মাইক্রেবায়োমে পরিবর্তন দেখা যায়।

    ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের বেশির ভাগ ক্যানসারই জন্মগত। এ ছাড়া ভেজাল খাদ্য, খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার, বায়ুদূষণ বৃদ্ধির ফলে শিশুদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

    আরও পড়ুন: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share