Tag: Union Budget 2023

Union Budget 2023

  • Union Budget: কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর! কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা

    Union Budget: কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর! কেন্দ্রীয় বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি লোকসভায় বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই ছিল মোদি সরকরারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তাই সব দিক মাথায় রাখতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। একাধারে তিনি যেমন আয়কর সীমা বাড়িয়েছেন, তেমনি প্রবীণ নাগরিক ও মহিলাদের জন্য দিয়েছেন একগুচ্ছ সুবিধা। তাই খুশি আম জনতা। একই সঙ্গে সীতারামন জোর দিয়েছে পরিকাঠামো উন্নয়নে। তার জন্য বরাদ্দ বেড়ে হয়েছে ১০ লক্ষ কোটি টাকা। যা গত বাজেটের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেশি। আসলে আরও বেশি চাকরি দেওয়াই লক্ষ্য মোদি সরকারের।  

    মূলধন বৃদ্ধির হার

    বাজেটে বলা হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার চারগুণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই তথ্যে জানা গিয়েছে, ২০১১-১২ সাল থেকে ২০২১-২২ আর্থিক বছরের মধ্যে দেশের গড় মূলধনী ব্যয় বৃদ্ধির হার প্রায় ১৩ শতাংশ। ২০২২-২৩ সালের প্রথম আট মাসে দেশের বৃদ্ধির হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৬৩.৪ শতাংশ। অন্যদিকে,২০২১-২২ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চের ত্রৈমাসিকে ব্যক্তিগত মূলধনের পরিমাণ লাফিয়ে বেড়েছে। এটি দেশের অর্থনীতি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে। কেন্দ্রের এই মূলধনী ক্ষেত্রে রাস্তা, হাইওয়ে, রেলপথ এবং পরিকাঠামো নির্মাণের সেক্টরগুলিতে বিনিয়োগ দেখা যেতে পারে। এই ধরনের বিনিয়োগে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব রয়েছে। এ বিষয়ে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়েছে, “মূলধনী ব্যয় সামগ্রিকভাবে চাহিদাকে শক্তিশালী করে। ঝুঁকি না নেওয়ার সময় এটি ব্যক্তিগত ব্যয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন ক্ষমতাও বাড়ায়।”

    আরও পড়ুন: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    কাজের সুযোগ

    কর্মসংস্থানের উপরও বিশেষ জোর দিয়েছে কেন্দ্র। এবারের বাজেটে মেক ইন ইন্ডিয়া পণ্যের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তাতে মূলধন বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পের মাধ্য়মে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ করে দেওয়ার কথাও বলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নতুন সংস্থা বা স্টার্টআপের উপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। অমৃতকালে প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোনো হয়েছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনায় স্বনির্ভর মহিলা গোষ্ঠীগুলিকে সাহায্য করা হবে। পিএম বিশ্বকর্মাস্কিল ডেভেলপমেন্ট স্কিম চালু করা হবে। শিল্পীদের স্কিলের উন্নয়েনর উদ্দেশ্যে এই প্রকল্প নিয়ে আসা হবে। এর ফলে আরও প্রফেশনাল উপায়ে শিল্পীরা কাজ করতে পারবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Union Budget: ‘বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি জনগণের সামনে তুলে ধরুন’, বিজেপি সাংসদদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    Union Budget: ‘বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি জনগণের সামনে তুলে ধরুন’, বিজেপি সাংসদদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট পেশ করার পর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম বিজেপি সংসদীয় বৈঠক। বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠক থেকেই দলকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি, যা সাধারণ মানুষের জন্য কার্যকরী, তা জনগণের দরবারে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বাজেটে কী ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা জরুরি বলে দলীয় সাংসদদের বোঝান প্রধানমন্ত্রী। সংসদীয় বৈঠকে তিনি বলেন, “বাজেটটি জনগণের পক্ষে এবং সকলের জন্য, ভারতের ১৩০ কোটি মানুষের জন্য। যদিও এটি লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, তবে কেউ এটিকে ‘ চুনাভি’ বাজেট বলছে না। এমনকি বিরোধীরাও এর প্রশংসা করেছে।”

    বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট ঘোষণার পর প্রথম তিনি বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে ভাষণ দেন। বৈঠকে যোগ দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই বাজেটকে ভোটমুখী বলা যায় না। কারণ তাঁরা ভোটের দিকে চেয়ে বাজেট করেননি, বাজেট করা হয়েছে জনতার দিকে চেয়ে। তাই এই বাজেট জনমুখী। বাজেট ২০২৩-এ একাধিক এমন বিষয় রয়েছে, যেখানে ‘সকলের জন্য’ কিছু না কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেই সুবিধার ভালো দিকগুলিকে মানুষের কাছে যেন বিজেপি নেতা কর্মীরা প্রচার করেন। দলীয় সংসদ সদস্যদের তাঁদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিশেষত মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির কাছে গিয়ে যাতে এই বাজেট নিয়ে জোরালো প্রচার হয়, তার বার্তা দেন নরেন্দ্র মোদি। বাজেট থেকে মধ্যবিত্তরা কোন কোন উপকার পেতে চলেছেন, তার বিস্তারিত যেন জানানো হয় সাধারণ মানুষকে, সেই নির্দেশ দেন নরেন্দ্র মোদি।

    তিনি বলেছেন, “বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে এই বাজেট আনা হয়েছে। এই বাজেটে সব স্তরের মানুষের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।” বিশেষত যুবসমাজের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছোনর জন্য খেলাধুলো ও প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠানের উপরও জোর দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের পাশেও যে সরকার আছে তা প্রচারের ক্ষেত্রেও জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত বিজেপির একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বাজেটের সেরা স্কিমগুলি সম্পর্কে কথাটি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি দল গঠন করেছি এবং এখন  রাজ্যের জন্য ব্যয় চেক করতে এবং সেগুলি মন্ডল স্তরে প্রচার করতে নাড্ডা প্রতিটি রাজ্যের সাংসদকে তাঁদের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে।”

  • Union Budget: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    Union Budget: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রেলের রেকর্ড বরাদ্দ। এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget) ২.৪০ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে রেলের (Indian Railways) জন্য। বরাদ্দ বেড়েছে পূর্ব রেলের (Eastern Railway) জন্যও। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পূর্ব রেলের জন্য ৪০৭৮.৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত পূর্ব রেলের জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ।

    বাংলার জন্য রেলের বরাদ্দ

    শুক্রবার বাংলার জন্য আলাদা করে রেল খাতে কত বরাদ্দ তা ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিন বৈষ্ণব। তিনি জানান, আগামী অর্থবর্ষে রেলের জন্য বাংলা পাবে ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। বুধবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, ভারতের ইতিহাসে রেলের পাওয়া সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ হয়েছে এ বার। শুক্রবার রেলমন্ত্রী দাবি করেছেন, বাংলার জন্য এত বরাদ্দ আগে কখনও হয়নি। অশ্বিন শুক্রবার বলেন, ‘‘২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের জন্য এ বার তার থেকে তিন গুণ বেশি করা হয়েছে।’’ এটা রেকর্ড বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এত টাকা বরাদ্দ পশ্চিমবঙ্গ কোনও দিন রেল খাতে পায়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘এই বছর রেকর্ড বরাদ্দ হয়েছে বাংলার জন্য। এটা কোনও দিন ভাবা হয়নি, কল্পনা করা হয়নি। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সময়কালে বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। সেখানে এ বার যা বরাদ্দ, তা তিন গুণ বেশি।’’ উল্লেখ্য এই সময়কালে রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলমন্ত্রক ছিল তৃণমূলের হাতে।

    বিশ্বমানের স্টেশন

    পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা জানান,  গত অর্থবর্ষে পূর্ব রেলের জন্য বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছিল ২৯৪২.৪৯ কোটি টাকা। সেখান থেকে এই বছর লম্বা লাফ দিয়ে ৩৯ শতাংশ বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে পূর্ব রেলের জন্য। পূর্ব রেলের তরফে ছ’টি স্টেশনকে বিশ্বমানের করে তোলা হবে। সেই তালিকায় রয়েছে হাওড়া, কলকাতা, ব্যান্ডেল, আসানসোল, ভাগলপুর ও জসিডি। ২৫০ কোটি টাকা ব্যবহার করা হবে বিভিন্ন স্টেশনগুলির নিরাপত্তা-প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য। 

    যাত্রী নিরাপত্তা

    জোর দেওয়া হয়েছে যাত্রী নিরাপত্তা, বিশেষ করে মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলির উপর। নির্ভয়া প্রকল্পের খাত থেকে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দা করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার ট্যাবলেট কেনার জন্য। এই ট্য়াবলেটগুলি তুলে দেওয়া হয়ে আরপিএফ-এর মহিলা জওয়ানদের হাতে। মহিলাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহার হবে এই ট্যাবলেটগুলি।

    আরও পড়ুন: চলতি বছর থেকেই দেশে চালু হাইড্রোজেন ট্রেন! দার্জিলিঙে চলবে কবে? রেলমন্ত্রী বললেন…

    পূর্বরেলের নিরাপত্তা

    পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জন্যও ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১০,৯৮৮.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ১৩.৭৫ শতাংশ বরাদ্দ বেড়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জন্য। উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির জন্য রেলের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছে ১০ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বেশি।

    কলকাতা মেট্রোর জন্য বরাদ্দ

    বাংলার মোট বরাদ্দের কোন অংশ কোন প্রকল্পে খরচ হবে তার বিবরণ  রেলের তরফেও এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। তবে কলকাতা মেট্রো রেল ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কোন খাতে কত টাকা খরচ হবে। কলকাতা মেট্রোর জন্য মোট বরাদ্দ ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রোর জন্য। বরাদ্দ ১,৩৫০ কোটি টাকা। এর পরেই নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্ট লাইনের জন্য বরাদ্দ ১,২০০ কোটি টাকা। নোয়াপাড়া-বারাসত মেট্রো পাচ্ছে ৬২০ কোটি টাকা। রেলের দাবি, আগের বারের তুলনায় এ বার কলকাতা মেট্রো ১৬৪.৭৭ শতাংশ বেশি বরাদ্দ পেয়েছে। গত বছরের মোট বরাদ্দ ছিল ১,৩৮০ কোটি টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট পেশের পরেই এর কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেটকে অমাবস্যার অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। এরপরেই যোগ্য জবাব দিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলকে একহাত নিল বঙ্গ বিজেপি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে বিজেপির প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজেট বিশ্লেষণকে কটাক্ষ করেন। আবার বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও মমতাকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন। বাজেট নিয়ে শাসকদল সমালোচনা করলে সুকান্ত মজুমদারও তাঁদের কটাক্ষ করতে ছাড়েননি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বলেন, “কেন্দ্রের বাজেট গরিববিরোধী বাজেট।” সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ, “ওনার চোখে গরিববিরোধী বাজেটই বটে। নিজে তো সাত লাখ টাকা প্যালেসে থাকেন। নিজে তো ডিএ দেন না আবার বড় বড় কথা। মধ্যবিত্তদের তো সঞ্চয় হবে। এই দেখুন না ৯ লাখ টাকায় ১৫ হাজার টাকা সঞ্চয় হবে নয়া কর কাঠামোয়।” এর পর দুর্নীতির প্রসঙ্গ এনেও মমতাকে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছেন, “মমতা চোরদের রানী, সব হিসেব হবে, সিপিআইএম, সংখ্যালঘু মানুষ সকলে বলেছেন সঙ্গে আছি, তৃণমূলকে হটাতে হবে। যাদের ভাঙা সাইকেল ছিল না তাদের এখন গাড়ি হয়েছে। এবার থেকে যদি আর একটাও বিজেপির কর্মীর গায়ে হাত পড়ে তাহলে কেষ্টর থেকেও অবস্থা খারাপ হবে। চোরেদের রানী মমতা বন্দোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন?

    বাজেট প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, “এটা ছদ্মবেশী রাবণের বাজেট।” এই প্রসঙ্গেই পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন, “রাবণ গেরুয়া বসনে এসেছিল। বাকি সময়ে সে অধর্মের কাজ করত। পশ্চিমবঙ্গে কারা অধর্মের কাজ করে সেটা জনগণ জানেন। আমরা সীতাহরণ করতে চাই না। আমাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ভোটে লড়তে চাই। ওনাদের শূর্পণখা হওয়ার ইচ্ছে হলে হতে পারেন। আমরা নাক কেটে যাত্রা ভঙ্গ করব।”

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। মমতা বলেছিলেন, “এই বাজেটে আশার আলো নেই, অন্ধকারের অমাবস্যা আছে।” পাল্টা জবাব দিয়ে সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন পশ্চিমবঙ্গের জন্য অন্ধকার অমাবস্যাই আছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নামক শাসক দল রাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই রাহুর গ্রাস পশ্চিমবঙ্গে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণিমা আসার সম্ভাবনা নেই, অমাবস্যাই থাকবে। কারণ গ্রহণ হলে অন্ধকারই থাকে।”

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বাজেটকে কটাক্ষ করায় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজকের এই বাজেটকে দিশাহীন বলেছেন এবং এই বাজেটের মধ্যে তিনি কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাননি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আজ তৃণমূলকে চিনেছে৷ আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ভবিষ্যৎ নেই এই বাজেটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাই এটি হতাশা।”

  • Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটের সবথেকে বেশি আকর্ষণ ছিল আয়কর নিয়েই। কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কী ছাড় ঘোষণা করবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের বরাবরই আগ্রহ থাকে। আর এবারের বাজটে ছিল একের পর এক চমক। কারণ আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই কেন্দ্রীয় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। সেই কারণে এবারের বাজেটে সরকার আয়কর নিয়ে বড় কোনও ঘোষণা করতে পারে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল সকলের।

    ফলে সেই প্রত্যাশা মতই আয়করে বড় ছাড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়েছেন। জানিয়েছেন, বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে আয়করে ছাড় মিলবে। যা আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা। তাই এই বাজেটে মধ্যবিত্তরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু অনেকেই এখনও বুঝতে পারছেন না, এই আয়করে হিসাব করবেন কী করে? কাকে কত টাকা আয়কর দিতে হবে?

    নতুন আয়করের হার…

    শূন্য থেকে ৩ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে কোনও আয়কর দিতে হবে না।

    বার্ষিক ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা উপার্জনের ক্ষেত্রে আপনাকে ৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৬ লক্ষ টাকা থেকে ৯ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৯ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ১২ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    ১৫ লক্ষ টাকার অধিক উপার্জনের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    কীভাবে আয়করের হিসাব করবেন?

    যদি আপনার বেতন বছরে ৭ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে আপনাকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। যদি আপনার বার্ষিক আয় ৯ লক্ষ টাকা হয়, তবে ৩ লক্ষ টাকা অবধি আয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে কোনও আয়কর দিতে হবে না। এর পর বার্ষিক আয় থেকে ৩ লক্ষ বাদ দিলে থাকবে ৬ লক্ষ টাকা। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা আয়ের উপরে ৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ফলে এই ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে আপনাকে ১৫ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এরপরের আয়করের ধাপ হল ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। এই ধাপে করের হার হল ১০ শতাংশ। এই ধাপে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে যদি ১০ শতাংশ কর দিতে হয়, ফলে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে ৩০ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এবার মোট হিসাব মিলিয়ে দেখলে ১৫ হাজার, ৩০ হাজার যোগ করলে ৯ লক্ষ টাকার উপরে মোট ৪৫ হাজার টাকা দিতে হবে আয়কর। পুরনো আয়কর অনুযায়ী, ৯ লক্ষ টাকার উপরে কমপক্ষে ৬০ হাজার দিতে হত, যার অর্থ নতুন আয়করে কাঠামোয় কোনও লোকের ২৫ শতাংশ সঞ্চয় হতে পারে।

  • Union Budget 2023: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    Union Budget 2023: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে আজ মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অমৃত কালের প্রথম বাজেট-কে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেট নিয়ে প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। আর এবারে নির্মলা সীতারামনের বাজেটের প্রশংসা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষ। এই দুই বিজেপি নেতা দৃঢ়বিশ্বাসী যে, এবারে বাজেট মধ্যবিত্তদের জীবনে খুশি নিয়ে আসবে।

    বাজেট নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য

    শুভেন্দু অধিকারী এদিন ট্যুইটে বাজেটের প্রশংসা করেছেন। তিনি বাজেটে সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাওয়া সাতটি ক্ষেত্র সামনে রেখে লেখেন, “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি।” নির্মলা সীতারামনের বাজেটের সাতটি উল্লেখযোগ্য পয়েন্ট তুলে ধরেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনৈতিক ক্ষেত্র, কৃষিপরিকাঠামো উন্নতির জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ইত্যাদি। অন্যদিকে, বাজেটে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধবসীমা বৃদ্ধি করার প্রসঙ্গ এনেও অন্য একটি ট্যুইটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। এর ফলে মধ্যবিত্তের অনেক সুবিধা বলে মন্তব্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।

    বাজেট নিয়ে দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া

    বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে এদিন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “নির্মলাজি যা বলেছেন তার ফলে সমাজের সমস্ত মানুষ খুশি হবেন। ব্যক্তিগত ইনকামে ছাড় আছে। অর্থনীতিকে গতিশীল রাখার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জনকল্যাণের জন্য যা যা ব্যবস্থা নিয়েছে তাও বজায় থাকছে। সার্বিক ভাবে খুশি মানুষ।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Union Budget 2023: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’! অমৃতকালের প্রথম বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Union Budget 2023: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’! অমৃতকালের প্রথম বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে আজ মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ‘অমৃত কালের প্রথম বাজেট’-কে স্বাগত জানিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে অভিবাদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার অমৃতকালের প্রথম বাজেট এটি। যা বিকশিত ভারতের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। এই বাজেট একটি উন্নত ভারত গড়ার জন্য শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করবে ও দরিদ্র, মধ্যবিত্ত, কৃষকসহ উচ্চাকাঙ্ক্ষী ভারতীয় সমাজের স্বপ্ন পূরণ করবে।

    বাজেট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    বুধবার সংসদের অধিবেশনে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট পেশ করেন। এরপরেই একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে বাজেটের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মোদি বলেন, “নির্মলাজি এবং তাঁর দলকে এই ঐতিহাসিক বাজেট পেশের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। অমৃত কালের প্রথম বাজেট এটি। এই বাজেট উন্নত ভারত গড়ার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে। এটিতে বঞ্চিতদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এই বাজেট দরিদ্র, মধ্যবিত্ত মানুষ এবং কৃষক সহ একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী সমাজের স্বপ্ন পূরণ করবে।”

    আরও পড়ুন: মোদিকে আমন্ত্রণ বাইডেনের, জুন-জুলাইয়ে আমেরিকা যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    তিনি বলেন, “পরম্পরা ধরে দেশের কয়েক কোটি বিশ্বকর্মা এই দেশকে নির্মাণ করে চলেছেন। এই সব বিশ্বকর্মার সৃজন ও পরিশ্রমকে এই বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ট্রেনিং, টেকনোলজি, মার্কেট সাপোর্ট দিয়ে সাহায্য করা হবে। পিএম বিকাশের মাধ্যমে এই কাজ করা হবে। যার জেরে কোটি কোটি বিশ্বকর্মার জীবনে বিশাল পরিবর্তন আসবে।”

    এবারের বাজেটে মহিলাদের জীবন উন্নত করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শহর থেকে গ্রামে মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্প আনা হয়েছে। মহিলা স্বনির্ভর গ্রুপ যা ভারতে নিজেদের অনেক বড় জায়গা করে নিয়েছে। এই মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্যও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের মহিলাদের জন্য বিশেষ সঞ্চয় প্রকল্প চালু করা হবে।”

    তিনি আরও বলেছেন, “ডিজিটাল পেমেন্টের সাফল্যকে কৃষিক্ষেত্রেও আনতে হবে এবং এর জন্য ডিজিটাল এগ্রিকালচার পরিকাঠামোর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পরিকাঠামো উন্নয়নে ১০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাজেটে।                      

  • Union Budget: রেলের জন্য রেকর্ড বরাদ্দ! বাজেটে ২ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    Union Budget: রেলের জন্য রেকর্ড বরাদ্দ! বাজেটে ২ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকার ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যবিত্তদের ভরসাযোগ্য যান রেলে বিপুল বরাদ্দ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট পেশ করতে গিয়ে নির্মলা বলেছেন, ‘‘এর আগে কখনও ভারতীয় রেল এত বরাদ্দ পায়নি।’’ এদিন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, রেলের জন্য ২ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। নতুন রেলপথ তৈরি, আরও রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ, রেলস্টেশন এবং ট্রেনের পরিচ্ছন্নতা, রেলের পরিকাঠামোর উন্নতি, রেল সুরক্ষা ব্যবস্থা, নতুন আরও বন্দে ভারত ট্রেন, বুলেট ট্রেন এবং হাইড্রোজেন জ্বালানিতে ট্রেন চালানোর খাতে খরচ করা হবে বরাদ্দ অর্থ।

    রেলের জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ

    অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্টে জানানো হয়েছিল, আগামী ১০ বছরে রেলে বিশাল পরিমাণ খরচ হতে চলেছে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত, রেলে বরাদ্দের পরিমাণ ছিল বাৎসরিক ৪৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা পর্যন্ত। এবার তা বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তা থেকেই এবারের বাজেটে যে  রেলের গুরুত্ব বাড়তে চলেছে তা অনুমান করেছিলেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। কিন্তু বুধবার সেই অনুমানকে টপকে গিয়ে রেলের জন্য বড় বরাদ্দ ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পর্যাপ্ত বরাদ্দ না থাকায় সে অর্থে অনেক ক্ষেত্রে রেলের উন্নতি এখনও আটকে রয়েছে, তাই যাত্রী সুরক্ষা ও যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই এই বরাদ্দ, বলে জানান নির্মলা। ২০২৩ সালে রেলে আরও বেসরকারি বিনিয়োগ আসতে চলেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: বাজেটে মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ঘোষণা! সুদের হার ৭.৫ শতাংশ

    অর্থমন্ত্রী জানান, ভারতীয় রেল বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ বৈদ্যুতিক রেল নেটওয়ার্ক পরিষেবায় পরিণত হতে চলেছে। এই প্রক্রিয়ায় চলতি অর্থবর্ষে ১ হাজার ৯৭৩ কিলোমিটার রেলপথ বৈদ্যুতিকরণের আওতায় আনা হয়েছে। যা গত অর্থবর্ষের তুলনায় ৪১ শতাংশ বেশি। এতদিন দেশের যে সব প্রান্তে রেল নেটওয়ার্ক সে অর্থে পৌঁছায়নি, এবার সেইসব জায়গাতেও পৌঁছে দেওয়া হবে রেল পরিষেবা। জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের প্রকল্পে আরও নজর দেওয়া হবে। গত কয়েক বছরে রেল সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্র। রেলকে দেশের জাতীয় আর্থিক উন্নতির ইঞ্জিন হিসাবে প্রতিষ্ঠা করার কথাও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফলে রেলের বরাদ্দ ব্যয় অনেকখানি বৃদ্ধি পাওয়ারও কথা। তার জন্যই এই বিপুল বরাদ্দ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Union Budget 2023: কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হল নয়া প্রকল্প ‘মিষ্টি’, কী এই স্কিম, জানুন

    Union Budget 2023: কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষণা করা হল নয়া প্রকল্প ‘মিষ্টি’, কী এই স্কিম, জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী আজ সকাল ১১টায় লোকসভায় বাজেট শুরু করেন। এবারের এই বাজেটে রয়েছে একের পর এক চমক। কেন্দ্রের বাজেটে উপস্থিত বাংলার মিষ্টি। অবাক হচ্ছেন তবে এটিই সত্যি। বাজেটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতরামন ঘোষণা করলেন ‘মিষ্টি’ প্রকল্প। যেখানে উপকূল বরাবর ম্যানগ্রোভ বাগান করা হবে। এই নাম নেওয়া হয়েছে বাংলার মিষ্টি থেকেই। এই প্রকল্পের পুরো নাম Mangrove Initative for Shoreline Habitats and Tangible Incomes। অর্থমন্ত্রী সীতারামন বলেছেন যে সরকার নতুন মিষ্টি প্রকল্পের অধীনে উপকূলরেখা বরাবর ম্যানগ্রোভ বাগান করবে। মিষ্টি প্রকল্পটি ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণের লক্ষ্যেই শুরু করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ডিজিটাল প্যান কার্ডই ব্যবসায়ীদের মূল পরিচয়পত্র, বড় ঘোষণা নির্মলার

    ‘মিষ্টি’ প্রকল্প চালু কেন্দ্রীয় সরকারের

    কেন্দ্রীয় বাজেটের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য ছিল সবুজ ও দূষণমুক্ত ভারত গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্য পূরণে এবছর মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। ২০৭০ সালের মধ্যে পরিবেশে কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করার পথে এগোনোর কথা জানিয়ে প্রথমেই ম্যানগ্রোভ অরণ্য বাড়ানোর জন্য ‘মিষ্টি’ প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি।

    পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্য রয়েছে এই বাংলার বুকেই, তা হল সুন্দরবন। নির্মলা সীতারামনের ‘মিষ্টি’ সেই সুন্দরবনকেই করে তুলবে আরও সবুজ, যাতে লাভবান হবে এ রাজ্যই। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্যের অবক্ষয়ে বিপদের আঁচ দেখছে বাংলা তথা গোটা দেশ। ফলে এবার সেই দিকেই বিশেষ নজর দেওয়া হল বাজেটে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সমুদ্রে সুনামির মত বড় বিপর্যয়ের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিরোধে ম্যানগ্রোভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষের স্বপ্ন পূরণের জন্য ‘সপ্তর্ষি’ লক্ষ্যের কথা ঘোষণা করেন নির্মলা। তার মধ্যে অন্যতম ছিল সবুজ ভারত গড়ে তোলা। সেই জন্যই লুপ্তপ্রায় ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে বাঁচিয়ে রাখা ও তার বিস্তার করার জন্য ‘মিষ্টি’ প্রকল্প শুরু করবে কেন্দ্র। উপকূল অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ চাষে উৎসাহ দেবে এই প্রকল্প।

     

  • Union Budget 2023: বাজেটে কীসের দাম বাড়ল আর কী কী কমল? এক নজরে

    Union Budget 2023: বাজেটে কীসের দাম বাড়ল আর কী কী কমল? এক নজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটে কর ছাড়ের ক্ষেত্রে বড় চমক দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই করছাড়ের ঘোষণায় স্বস্তি পেয়েছেন চাকুরিজীবীরা। বাজেটে ঠিক কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ছে, কিসের দাম কমছে আম জনতার মূলত নজর থাকে সেই দিকে। ফলে এক ঝলকে দেখে নিন কিসের কিসের দাম এ বারের বাজেটে কমল।

    কোন কোন জিনিসের দাম কমল?

    • বুধবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, দাম কমতে পারে টিভি-চিমনির মত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের। সেই সঙ্গে দাম কমতে পারে ক্যামেরা লেন্স, ব্যাটারি-সহ একাধিক জিনিসের।
    • দেশে টিভি তৈরির জন্য যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্কের উপর ২.৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার ফলে বেশ খানিকটা কমবে টিভির দাম।
    • ক্যামেরার লেন্সের মত আরও বেশ কয়েকটি জিনিসেরও আমদানি শুল্কে ছাড়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে দাম কমবে ক্যামেরা লেন্সের।
    • মোবাইলের যন্ত্রাংশের উপর শুল্কের ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে কমবে মোবাইলের দামও।
    • বস্ত্র ও কৃষি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে আমদানি কর ২১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে।
    • ইলেকট্রিক গাড়ির ব্য্যাটারির যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড় রয়েছে। ফলে সাইকেল, ইলেকট্রিক গাড়ির দাম কমবে বলে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী।
    • বাজেটের পর সস্তা হবে লিথিয়াম ব্যাটারিও। ব্যাটারির দাম বেশ খানিকটা কমতে চলেছে। শুল্কে ছাড় দিয়েছে সরকার।
    • সস্তায় পাওয়া যাবে দেশে তৈরি খেলনাও।
    • শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের দামও কমে যাবে।
    • দাম কমেছে হিরের গয়নারও।

    আরও পড়ুন: বাজেটে মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ঘোষণা! সুদের হার ৭.৫ শতাংশ

    কিসের কিসের দাম বাড়ল?

    • ধূমপায়ীদের জন্য এটি সুখবর নয়। কারণ দাম বাড়বে সিগারেটের। সিগারেটের উপর ১৬ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে এ বারের বাজেটে।
    • চিন থেকে আমদানি করা খেলনার উপরেও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ফলে দাম বাড়বে চিনের তৈরি খেলনার।
    • সোনা, রুপো, প্ল্যাটিনামের মত ধাতুর দাম বাড়ায় গয়না ও বাসনের দাম বাড়ছে।
LinkedIn
Share