Tag: Union Budget

Union Budget

  • Union Budget: বাজেটে ক্রীড়াক্ষেত্রে রেকর্ড অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্র, কত জানেন?

    Union Budget: বাজেটে ক্রীড়াক্ষেত্রে রেকর্ড অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্র, কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছরের বাজেট অধিবেশনে (Union Budget) ক্রীড়াক্ষেত্রে রেকর্ড অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্র। দেশে বিভিন্ন খেলাকে জনপ্রিয় করতে এবং প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে বেশি করে অ্যাথলেটিক তুলে আনতেই কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। চলতি বছরই এশিয়ান গেমস রয়েছে। গত বছর কমনওয়েলথ গেমসে ভারত মোটামুটি ভালোই সাফল্য পায়। আবার আগামী বছর রয়েছে অলিম্পিক, এমন সময় কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন ক্রীড়া জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বরা। 

    কত টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার

    এদিন সংসদে বাজেট পেশ (Union Budget) করার সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে ৩৩৯৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের জন্য যুব-ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২,৬৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল।  গত বারের বাজেটের (Union Budget) তুলনায় ৭০০ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে চলতি বছরের বাজেটে।

    কোন বিভাগ কত টাকা পাবে

    জানা গিয়েছে এই বরাদ্দের মধ্যে সব থেকে বেশি টাকা দেওয়া হবে খেলো ইন্ডিয়ার জন্য। এই প্রকল্পে বরাদ্দ হয়েছে ১০৪৫ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের উঠতি ক্রীড়াবিদরা বিভিন্ন ঘরোয়া প্রতিযোগিতায়  সুযোগ পেয়ে থাকেন।

    ৭৮৫ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (সাই)-কে। এই সংস্থার কাজ হল দেশের বিভিন্ন খেলায় কোচ নিয়োগ, ক্রীড়াবিদদের সরঞ্জাম কেনা ইত্যাদি।

    ৩২৫ কোটি টাকা দেওয়া হবে ন্যাশনাল স্পোর্টস ফেডারেশনকে। জানা গিয়েছে সম পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে ন্যাশনাল সার্ভিস স্কিমের জন্যও। অন্যদিকে ন্যাশনাল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্টের জন্য ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক।

     ন্যাশনাল সেন্টার অফ স্পোর্টস সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চের জন্য ১৩ কোটি, ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির জন্য ২১ কোটি ৭৩ লক্ষ এবং ন্যাশনাল ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরির জন্য ১৯ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    চলতি বছরই এশিয়ান গেমস রয়েছে। প্যারিস অলিম্পিক সামনের বছরে হবে। খুব বেশি দেরি নেই। তাই আগে থেকেই ক্রীড়াক্ষেত্রে জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র। সেই কারণে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে খেলাধুলোর উপর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Union Budget: ‘বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি জনগণের সামনে তুলে ধরুন’, বিজেপি সাংসদদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    Union Budget: ‘বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি জনগণের সামনে তুলে ধরুন’, বিজেপি সাংসদদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট পেশ করার পর অনুষ্ঠিত হয় প্রথম বিজেপি সংসদীয় বৈঠক। বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠক থেকেই দলকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি, যা সাধারণ মানুষের জন্য কার্যকরী, তা জনগণের দরবারে নিয়ে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বাজেটে কী ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা জরুরি বলে দলীয় সাংসদদের বোঝান প্রধানমন্ত্রী। সংসদীয় বৈঠকে তিনি বলেন, “বাজেটটি জনগণের পক্ষে এবং সকলের জন্য, ভারতের ১৩০ কোটি মানুষের জন্য। যদিও এটি লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, তবে কেউ এটিকে ‘ চুনাভি’ বাজেট বলছে না। এমনকি বিরোধীরাও এর প্রশংসা করেছে।”

    বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট ঘোষণার পর প্রথম তিনি বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে ভাষণ দেন। বৈঠকে যোগ দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই বাজেটকে ভোটমুখী বলা যায় না। কারণ তাঁরা ভোটের দিকে চেয়ে বাজেট করেননি, বাজেট করা হয়েছে জনতার দিকে চেয়ে। তাই এই বাজেট জনমুখী। বাজেট ২০২৩-এ একাধিক এমন বিষয় রয়েছে, যেখানে ‘সকলের জন্য’ কিছু না কিছু সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেই সুবিধার ভালো দিকগুলিকে মানুষের কাছে যেন বিজেপি নেতা কর্মীরা প্রচার করেন। দলীয় সংসদ সদস্যদের তাঁদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিশেষত মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণির কাছে গিয়ে যাতে এই বাজেট নিয়ে জোরালো প্রচার হয়, তার বার্তা দেন নরেন্দ্র মোদি। বাজেট থেকে মধ্যবিত্তরা কোন কোন উপকার পেতে চলেছেন, তার বিস্তারিত যেন জানানো হয় সাধারণ মানুষকে, সেই নির্দেশ দেন নরেন্দ্র মোদি।

    তিনি বলেছেন, “বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন সময়ের মধ্যে এই বাজেট আনা হয়েছে। এই বাজেটে সব স্তরের মানুষের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।” বিশেষত যুবসমাজের কাছে আরও বেশি করে পৌঁছোনর জন্য খেলাধুলো ও প্রতিযোগিতা মূলক অনুষ্ঠানের উপরও জোর দিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের পাশেও যে সরকার আছে তা প্রচারের ক্ষেত্রেও জোর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    দলের সংসদীয় বৈঠকে উপস্থিত বিজেপির একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা বাজেটের সেরা স্কিমগুলি সম্পর্কে কথাটি ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি দল গঠন করেছি এবং এখন  রাজ্যের জন্য ব্যয় চেক করতে এবং সেগুলি মন্ডল স্তরে প্রচার করতে নাড্ডা প্রতিটি রাজ্যের সাংসদকে তাঁদের অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছে।”

  • Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, ফেল কড়ি, মাখো তেল। একথার দিন বোধহয় ফুরোতে চলেছে। এবার যা দাঁড়াতে চলেছে, তা হল আগে তেল মাখাতে হবে, তার পরেই মিলবে কড়ি। হেঁয়ালি ছেড়ে এবার আসল কথায় আসা যাক। কেন্দ্র-রাজ্য (Center- State) যৌথ প্রকল্পে এতদিন পর্যন্ত কাজ শুরু হওয়ার পরে পরেই মিলত অর্থ। তবে পরে দেখা যেত কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। অথচ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এই পদ্ধতিতে বদল আনার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র (Union Budget)। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা গ্রাম সড়ক যোজনার মতো যে সব কেন্দ্রীয় সাহায্যে চলা প্রকল্পে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারই অর্থ খরচ করে, তার মধ্যে বাছাই করা কিছু প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে মোদি সরকার। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও, পরে তা হয়ে যাবে পাকাপাকি।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Union Budget) পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (nirmala sitharaman) বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনীয় অর্থ ঠিকভাবে খরচ করতে কিছু বাছাই করা প্রকল্পে অর্থ মঞ্জুরির পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে বদলানো হবে। কাজের অগ্রগতির বদলে কাজ শেষে ফল মেলার ভিত্তিতে টাকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের যুক্তি, এর ফলে রাজ্যগুলি যে কোনও প্রকল্পের সুফল মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে উৎসাহিত হবে। দ্রুত কাজ শেষ হবে। কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ খরচ না করে রাজ্যগুলি বসে থাকে। সেই সমস্যাও দূর হবে। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রের ব্যাখ্যা, প্রাথমিকভাবে কাজ শুরুর জন্য রাজ্যকে পুঁজি হিসেবে কিছু অর্থ দেওয়া হবে। কিন্তু অধিকাংশ অর্থই মিলবে কাজের ফল মেলার পরে।

    আরও পড়ুুন: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের (Union Budget) যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থসচিব। যে কোনও প্রকল্পে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জনের মূল শর্ত দুটি। এক কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না। আর দুই, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা পাওয়ার জন্য ওই প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। রাজ্যের অর্থও সেই অ্যাকাউন্টে যাবে। এর ফলে সেই অ্যাকাউন্টে কেন্দ্র ও রাজ্য দু পক্ষই নজরদারি করতে পারবে। কোনওভাবেই সেই অর্থ রাজ্য অন্য কোনও প্রয়োজনে খরচ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় অনেক প্রকল্পেরই নাম বদলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এক খাতের অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়করের ক্ষেত্রে নতুন কর নীতিতেই ভরসা কেন্দ্রের৷ বাজেট পেশ করার পর সংবাদমাধ্যমকে নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেও সরল কর ব্যবস্থার পক্ষে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময় চেয়েছেন যাতে ব্যক্তিগত আয়কর ব্যবস্থা সরল হোক৷ প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন, কর দেওয়ার জন্য যেন প্রচুর কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন না হয়৷”

    কী বলেন অর্থমন্ত্রী? 

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ করদাতা নতুন আয়কর ব্যবস্থাকেই বেছে নেবেন৷ তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুব পরিষ্কার ছিল, করদাতাদের জানা উচিত তাঁরা ঠিক কত টাকা আয়কর দিচ্ছেন৷” 

    বাজেট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) আরও বলেন, “ভাল বাজেট সেটাই যা সমাজের সব স্তরের মানুষকে ছুঁয়ে যায়৷ বাজেটের সুফল আগামী দিনে বোঝা যাবে৷ সরকার নতুন কর পদ্ধতিকে সাধারণ করদাতাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেয়েছে৷ মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নতুন কর কাঠামো তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷”

    বিমা শিল্প ও বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, নতুন ব্যবস্থা সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিমাকেও নিরুৎসাহ করবে। ফলে কর বাঁচলেও, ঝুঁকি তৈরি হবে মধ্যবিত্তের আর্থিক সুরক্ষা নিয়ে। এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত হয়ে বলেন, তেমন কোনও আশঙ্কা নেই। আয়কর সংক্রান্ত প্রস্তাব বিমার প্রসারে বাধা সৃষ্টি করবে না। নতুন কর ব্যবস্থা সঞ্চয়েও কোপ ফেলবে, এই অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “কর কমে যাওয়ায় হাতে থাকা টাকা দিয়ে করদাতা খুশি মতো সঞ্চয় প্রকল্প বাছবেন। আর করছাড়ের সুবিধা পেতে পুরনো প্রকল্প তো রইলই।”

    কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আরও বিভিন্ন ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে দেশের জনগণের মধ্যে। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে যে কোনও প্রকার সংশয় দূর করতে আমজনতাকে তা কীভাবে বোঝাতে হবে, তার রূপরেখা তৈরি করে দিলেন খোদ অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। কোন কোন বিষয়গুলির জোর দিতে হবে, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকে কে অভিনয় করবেন নাম ভূমিকায়? কবে থেকে শুটিং?

    দেশের মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়ের জন্য বাজেটে যে সমস্ত ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি মানুষের সামনে বেশি করে তুলে ধরার জন্য দলীয় সাংসদদের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। শুক্রবার সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি সাংসদদের বাজেট নিয়ে বোঝান নির্মলা। বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কী কী রয়েছে, তার সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরে কোন কোন বিষয়গুলিকে নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে সেই তালিকাও একপ্রকার ঠিক করে দেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Union Budget: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    Union Budget: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রেলের রেকর্ড বরাদ্দ। এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে (Union Budget) ২.৪০ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে রেলের (Indian Railways) জন্য। বরাদ্দ বেড়েছে পূর্ব রেলের (Eastern Railway) জন্যও। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে পূর্ব রেলের জন্য ৪০৭৮.৮৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা এখনও পর্যন্ত পূর্ব রেলের জন্য সর্বোচ্চ বরাদ্দ।

    বাংলার জন্য রেলের বরাদ্দ

    শুক্রবার বাংলার জন্য আলাদা করে রেল খাতে কত বরাদ্দ তা ঘোষণা করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিন বৈষ্ণব। তিনি জানান, আগামী অর্থবর্ষে রেলের জন্য বাংলা পাবে ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। বুধবার অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, ভারতের ইতিহাসে রেলের পাওয়া সর্বোচ্চ ব্যয় বরাদ্দ হয়েছে এ বার। শুক্রবার রেলমন্ত্রী দাবি করেছেন, বাংলার জন্য এত বরাদ্দ আগে কখনও হয়নি। অশ্বিন শুক্রবার বলেন, ‘‘২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যা বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের জন্য এ বার তার থেকে তিন গুণ বেশি করা হয়েছে।’’ এটা রেকর্ড বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এত টাকা বরাদ্দ পশ্চিমবঙ্গ কোনও দিন রেল খাতে পায়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘এই বছর রেকর্ড বরাদ্দ হয়েছে বাংলার জন্য। এটা কোনও দিন ভাবা হয়নি, কল্পনা করা হয়নি। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সময়কালে বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। সেখানে এ বার যা বরাদ্দ, তা তিন গুণ বেশি।’’ উল্লেখ্য এই সময়কালে রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলমন্ত্রক ছিল তৃণমূলের হাতে।

    বিশ্বমানের স্টেশন

    পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা জানান,  গত অর্থবর্ষে পূর্ব রেলের জন্য বাজেটে বরাদ্দ করা হয়েছিল ২৯৪২.৪৯ কোটি টাকা। সেখান থেকে এই বছর লম্বা লাফ দিয়ে ৩৯ শতাংশ বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে পূর্ব রেলের জন্য। পূর্ব রেলের তরফে ছ’টি স্টেশনকে বিশ্বমানের করে তোলা হবে। সেই তালিকায় রয়েছে হাওড়া, কলকাতা, ব্যান্ডেল, আসানসোল, ভাগলপুর ও জসিডি। ২৫০ কোটি টাকা ব্যবহার করা হবে বিভিন্ন স্টেশনগুলির নিরাপত্তা-প্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য। 

    যাত্রী নিরাপত্তা

    জোর দেওয়া হয়েছে যাত্রী নিরাপত্তা, বিশেষ করে মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলির উপর। নির্ভয়া প্রকল্পের খাত থেকে ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দা করা হয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার ট্যাবলেট কেনার জন্য। এই ট্য়াবলেটগুলি তুলে দেওয়া হয়ে আরপিএফ-এর মহিলা জওয়ানদের হাতে। মহিলাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহার হবে এই ট্যাবলেটগুলি।

    আরও পড়ুন: চলতি বছর থেকেই দেশে চালু হাইড্রোজেন ট্রেন! দার্জিলিঙে চলবে কবে? রেলমন্ত্রী বললেন…

    পূর্বরেলের নিরাপত্তা

    পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জন্যও ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১০,৯৮৮.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এক্ষেত্রেও গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। প্রায় ১৩.৭৫ শতাংশ বরাদ্দ বেড়েছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের জন্য। উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির জন্য রেলের তরফে বরাদ্দ করা হয়েছে ১০ হাজার ২৬৯ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বেশি।

    কলকাতা মেট্রোর জন্য বরাদ্দ

    বাংলার মোট বরাদ্দের কোন অংশ কোন প্রকল্পে খরচ হবে তার বিবরণ  রেলের তরফেও এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি। তবে কলকাতা মেট্রো রেল ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কোন খাতে কত টাকা খরচ হবে। কলকাতা মেট্রোর জন্য মোট বরাদ্দ ৩ হাজার ৪৯৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ জোকা-এসপ্ল্যানেড মেট্রোর জন্য। বরাদ্দ ১,৩৫০ কোটি টাকা। এর পরেই নিউ গড়িয়া থেকে এয়ারপোর্ট লাইনের জন্য বরাদ্দ ১,২০০ কোটি টাকা। নোয়াপাড়া-বারাসত মেট্রো পাচ্ছে ৬২০ কোটি টাকা। রেলের দাবি, আগের বারের তুলনায় এ বার কলকাতা মেট্রো ১৬৪.৭৭ শতাংশ বেশি বরাদ্দ পেয়েছে। গত বছরের মোট বরাদ্দ ছিল ১,৩৮০ কোটি টাকা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। স্কুল অফ লন্ডন ইকনোমিক্সের এই প্রাক্তনীর করা সেই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবার নির্মলার বাজেটের সুখ্যাতি শোনা গেল সুদূর আফগানিস্তানেও। এবং প্রশংসা করল খোদ তালিবান প্রশাসন। বুধবার ভারতের বাজেটের দেদার প্রশংসা করল তালিবানরা। তারা জানাল, বাজেটে ভারত আফগানিস্তানকে সাহায্যের জন্য যে বরাদ্দ করেছে তাতে দু দেশের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। মজবুত হবে দুই দেশের বিশ্বাসের সম্পর্কও। কেন্দ্রীয় এই বাজেটে আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই কারণেই নির্মলার পেশ করা বাজেটের স্তুতি শোনা গিয়েছে তালিবানের মুখে।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেন নির্মলা সীতারামণ। এটাই ছিল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, ওই বছর পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট, পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। চলতি বাজেটে আফগানিস্তানের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন নির্মলা। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর এটা আফগানিস্তানকে দ্বিতীয়বার সাহায্য ভারতের। প্রথমবার সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল গতবারের বাজেটে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটকে (Union Budget) স্বাগত জানিয়েছেন সোহেল শাহিন। তিনি তালিবানের আলোচনাকারী দলের প্রাক্তন সদস্য। শাহিন বলেন, আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ভারতের সাহায্যকে সমর্থন জানাচ্ছি। এটা দুই দেশের সম্পর্ক ও বিশ্বাসের জায়গাটিকে দৃঢ় করবে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এমন অনেক প্রকল্প চলছিল, যাতে অর্থায়ন করেছিল ভারত। ভারত যদি ফের এগুলি চালু করে, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক হবে মজবুত। অবিশ্বাসের প্রাচীর যাবে ভেঙে।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশেই কোনও না কোনও পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে ভারত। এখনও হাতে রয়েছে বেশ কিছু প্রকল্প। দেশটির রাশ তালিবানের হাতে চলে যাওয়ার পর আর সম্পূর্ণ করা যায়নি সেই সব প্রকল্প। সম্প্রতি তালিবান জানিয়ে দিয়েছে, ভারত আফগানিস্তানে তাদের অসমাপ্ত অন্তত যে ২০টি প্রকল্প রয়েছে, তা সম্পূর্ণ করার কাজ শুরু করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    Bengal BJP: বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া জবাব দিলেন শুভেন্দু-সুকান্ত, কী প্রতিক্রিয়া শমীক ভট্টাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেট পেশের পরেই এর কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাজেটকে অমাবস্যার অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। এরপরেই যোগ্য জবাব দিতে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলকে একহাত নিল বঙ্গ বিজেপি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে বিজেপির প্রতিবাদ সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাজেট বিশ্লেষণকে কটাক্ষ করেন। আবার বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও মমতাকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন। বাজেট নিয়ে শাসকদল সমালোচনা করলে সুকান্ত মজুমদারও তাঁদের কটাক্ষ করতে ছাড়েননি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গতকাল বলেন, “কেন্দ্রের বাজেট গরিববিরোধী বাজেট।” সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর কটাক্ষ, “ওনার চোখে গরিববিরোধী বাজেটই বটে। নিজে তো সাত লাখ টাকা প্যালেসে থাকেন। নিজে তো ডিএ দেন না আবার বড় বড় কথা। মধ্যবিত্তদের তো সঞ্চয় হবে। এই দেখুন না ৯ লাখ টাকায় ১৫ হাজার টাকা সঞ্চয় হবে নয়া কর কাঠামোয়।” এর পর দুর্নীতির প্রসঙ্গ এনেও মমতাকে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছেন, “মমতা চোরদের রানী, সব হিসেব হবে, সিপিআইএম, সংখ্যালঘু মানুষ সকলে বলেছেন সঙ্গে আছি, তৃণমূলকে হটাতে হবে। যাদের ভাঙা সাইকেল ছিল না তাদের এখন গাড়ি হয়েছে। এবার থেকে যদি আর একটাও বিজেপির কর্মীর গায়ে হাত পড়ে তাহলে কেষ্টর থেকেও অবস্থা খারাপ হবে। চোরেদের রানী মমতা বন্দোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন?

    বাজেট প্রসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, “এটা ছদ্মবেশী রাবণের বাজেট।” এই প্রসঙ্গেই পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন, “রাবণ গেরুয়া বসনে এসেছিল। বাকি সময়ে সে অধর্মের কাজ করত। পশ্চিমবঙ্গে কারা অধর্মের কাজ করে সেটা জনগণ জানেন। আমরা সীতাহরণ করতে চাই না। আমাদের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ভোটে লড়তে চাই। ওনাদের শূর্পণখা হওয়ার ইচ্ছে হলে হতে পারেন। আমরা নাক কেটে যাত্রা ভঙ্গ করব।”

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যেরও পাল্টা জবাব দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। মমতা বলেছিলেন, “এই বাজেটে আশার আলো নেই, অন্ধকারের অমাবস্যা আছে।” পাল্টা জবাব দিয়ে সুকান্ত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন পশ্চিমবঙ্গের জন্য অন্ধকার অমাবস্যাই আছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নামক শাসক দল রাজ করছে। যতক্ষণ পর্যন্ত এই রাহুর গ্রাস পশ্চিমবঙ্গে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণিমা আসার সম্ভাবনা নেই, অমাবস্যাই থাকবে। কারণ গ্রহণ হলে অন্ধকারই থাকে।”

    বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য বাজেটকে কটাক্ষ করায় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজকের এই বাজেটকে দিশাহীন বলেছেন এবং এই বাজেটের মধ্যে তিনি কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাননি। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আজ তৃণমূলকে চিনেছে৷ আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ভবিষ্যৎ নেই এই বাজেটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাই এটি হতাশা।”

  • Union Budget: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’ নিয়ে জন দরবারে যাচ্ছে বিজেপি, জানুন বিশদে  

    Union Budget: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’ নিয়ে জন দরবারে যাচ্ছে বিজেপি, জানুন বিশদে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট (Union Budget) হয়েছে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে। মোদি সরকারের (PM Modi) এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই সেবার বাজেট পেশ হবে না, হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ। তবে এবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবারের বাজেটকে তিনি ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন। সেই ঐতিহাসিক বাজেট নিয়ে এবার জনতার দরবারে হাজির হচ্ছে বিজেপি (BJP)। জানা গিয়েছে, বুধবার থেকে ১২ দিন ধরে দেশব্যাপী প্রচার শুরু করবে গেরুয়া শিবির।

    প্রচারে পদ্মশিবির…

    দলের একটি সূত্রের মতে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাজেট নিয়ে দেশব্যাপী প্রচার করবে পদ্ম শিবির। এ জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যসভার সাংসদ সুশীল কুমার মোদিকে। ৪ এবং ৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী অফিসার এবং অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানী সহ ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাজেট নিয়ে একটি সম্মেলন করবেন। এর পাশাপাশি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য সভাপতি, মন্ত্রী, সাংসদ এবং বিধায়করা আগামী দু সপ্তাহ সারা দেশে সম্মেলন এবং জনসভা করবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাজেট এবং এর সুবিধাগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    আরও পড়ুুন: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    বিজেপির তৈরি এই কমিটিতে দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল, কিষান মোর্চার সভাপতি রাজকুমার চাহার, বিজেপি যুব মোর্চার জাতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য সহ বহু হেভিওয়েট নেতাকে সদস্য করা হয়েছে। সুশীল মোদির বিবৃতি অনুসারে, এই কমিটি দিল্লিতে দলের সদর দফতরে প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৪ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, দলের সর্বভারতীয় পদাধিকারিরা সমস্ত রাজ্যের রাজধানী সহ ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। দেশের অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বাজেট নিয়ে সম্মেলন করবেন।

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি রাজ্যে এই কর্মসূচির জন্য ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলের নেতারা সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। সব জেলায় সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। বাজেটের (Union Budget) বিষয়গুলি পৌঁছে দেওয়া হবে ব্লকস্তর পর্যন্ত জনগণের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটের সবথেকে বেশি আকর্ষণ ছিল আয়কর নিয়েই। কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কী ছাড় ঘোষণা করবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের বরাবরই আগ্রহ থাকে। আর এবারের বাজটে ছিল একের পর এক চমক। কারণ আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই কেন্দ্রীয় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। সেই কারণে এবারের বাজেটে সরকার আয়কর নিয়ে বড় কোনও ঘোষণা করতে পারে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল সকলের।

    ফলে সেই প্রত্যাশা মতই আয়করে বড় ছাড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়েছেন। জানিয়েছেন, বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে আয়করে ছাড় মিলবে। যা আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা। তাই এই বাজেটে মধ্যবিত্তরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু অনেকেই এখনও বুঝতে পারছেন না, এই আয়করে হিসাব করবেন কী করে? কাকে কত টাকা আয়কর দিতে হবে?

    নতুন আয়করের হার…

    শূন্য থেকে ৩ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে কোনও আয়কর দিতে হবে না।

    বার্ষিক ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা উপার্জনের ক্ষেত্রে আপনাকে ৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৬ লক্ষ টাকা থেকে ৯ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৯ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ১২ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    ১৫ লক্ষ টাকার অধিক উপার্জনের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    কীভাবে আয়করের হিসাব করবেন?

    যদি আপনার বেতন বছরে ৭ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে আপনাকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। যদি আপনার বার্ষিক আয় ৯ লক্ষ টাকা হয়, তবে ৩ লক্ষ টাকা অবধি আয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে কোনও আয়কর দিতে হবে না। এর পর বার্ষিক আয় থেকে ৩ লক্ষ বাদ দিলে থাকবে ৬ লক্ষ টাকা। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা আয়ের উপরে ৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ফলে এই ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে আপনাকে ১৫ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এরপরের আয়করের ধাপ হল ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। এই ধাপে করের হার হল ১০ শতাংশ। এই ধাপে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে যদি ১০ শতাংশ কর দিতে হয়, ফলে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে ৩০ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এবার মোট হিসাব মিলিয়ে দেখলে ১৫ হাজার, ৩০ হাজার যোগ করলে ৯ লক্ষ টাকার উপরে মোট ৪৫ হাজার টাকা দিতে হবে আয়কর। পুরনো আয়কর অনুযায়ী, ৯ লক্ষ টাকার উপরে কমপক্ষে ৬০ হাজার দিতে হত, যার অর্থ নতুন আয়করে কাঠামোয় কোনও লোকের ২৫ শতাংশ সঞ্চয় হতে পারে।

  • Union Budget: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ৫ লক্ষ ৯৪ হাজার কোটি টাকা! জানেন কী কী অস্ত্র কিনতে পারে ভারত?

    Union Budget: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ৫ লক্ষ ৯৪ হাজার কোটি টাকা! জানেন কী কী অস্ত্র কিনতে পারে ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আত্মনির্ভর ভারতের ওপর জোর দিয়ে বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল বরাদ্দ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ২০২৩-২০২৪ সালের জন্য ঘোষিত বাজেটে প্রতিরক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে ১২.৯৫ শতাংশ। গতবারের ৫.২৫ লক্ষ কোটি থেকে তা বেড়ে হচ্ছে ৫.৯৪ লক্ষ কোটি টাকা!যার বড় অংশই ব্যয় হবে দেশে যুদ্ধাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম নির্মাণের কাজে। 

    কোন খাতে কত বরাদ্দ

    অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ তাঁর বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, এবার এই বাড়তি বরাদ্দের ফলে ভারত আগামী দিনে তার সেনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্রশস্ত্র কিনতে পারবে, কিনতে পারবে নতুন ফাইটার জেট, সাবমেরিন, ট্যাংক ইত্যাদি। অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম কেনা এবং সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার আধুনিকীকরণের জন্য এই অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উৎপাদনে বেসরকারি সংস্থা এবং স্টার্ট আপ সংস্থাকে সহায়তার কথাও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সুইডেনের প্রতিরক্ষা সমীক্ষা সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই)-এর ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সামরিক ব্যয়ে আমেরিকা এবং চিনের পরেই ভারতের অবস্থান। এ বারও ভারতের সেই অবস্থান বহাল থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’! অমৃতকালের প্রথম বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী মোদি

    এবারের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দের মধ্যে শুধু বেতন ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতেই বরাদ্দ হয়েছে ২.৭০ লক্ষ কোটি টাকা।  রেভিনিউ এক্সপেন্ডিচার বাবদ বরাদ্দ হয়েছে ২.৩৯ লক্ষ কোটি টাকা। প্রতিরক্ষা দফতরের পেনশন দেওয়ার খাতে বরাদ্দ হয়েছে ১.৩৮ লক্ষ কোটি টাকা। এ বছর আর্মড ফোর্সেস মডার্নাইজেশন বাজেটেও বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। সেখানে ১.৫২ লক্ষ কোটি থেকে বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৬২ লক্ষ কোটি টাকা। এই বরাদ্দ থেকে ভারত সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পের আওতায় দেশের মাটিতে তৈরি হওয়া অস্ত্রশস্ত্রও কেনা হবে।

    আধুনিক অস্ত্রের চাহিদা

    দেশের নিরাপত্তার খাতিরে নানান ধরনের আধুনিক অস্ত্র কিনতে চায় প্রতিরক্ষা বিভাগ। বায়ুসেনা চায় নতুন ফাইটার এয়ারক্র্যাফ্ট। দেশে নির্মিত ফাইটার জেটও কিনতেআগ্রহী বায়ুসেনা। ফ্রান্স থেকে ফাইটার জেট কিনতে চায় নৌসেনা। লাদাখ সীমান্তে চিনের মোকাবিলা করার জন্য  সেনাবাহিনী চায় লাইট ট্যাংক,আর্টিলারি গান-এর মতো আধুনিক অস্ত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share