Tag: Union government

Union government

  • Union Government: জাতীয় ভোক্তা দিবসে তিন অ্যাপ চালু করতে চলেছে কেন্দ্র, জানুন কী কী

    Union Government: জাতীয় ভোক্তা দিবসে তিন অ্যাপ চালু করতে চলেছে কেন্দ্র, জানুন কী কী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভোক্তা দিবস’। এই উপলক্ষে ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ জনসাধারণের জন্য চালু করতে চলেছে (Union Government) ‘জাগো গ্রাহক জাগো অ্যাপ’, ‘জাগৃতি অ্যাপ’, এবং ‘জাগৃতি ড্যাশবোর্ড’।

    ভোক্তা সুরক্ষায় জোর (Union Government)

    ডিজিটাল যুগে (Digital Marketplace) ভোক্তা সুরক্ষা জোরদার করা এবং ই-কমার্স ও অনলাইন পরিষেবাগুলিতে অবৈধ কার্যকলাপ রুখতেই কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ (CCPA) ২০২৩ সালে “ডার্ক প্যাটার্ন প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা” জারি করেছে। তারা ১৩টি ডার্ক প্যাটার্ন চিহ্নিত করেছে। এগুলি হল, মিথ্যা জরুরি অবস্থা, বাস্কেট স্নিকিং, কনফার্ম শেমিং, জোরপূর্বক কাজ করানো, সাবস্ক্রিপশন ফাঁদ, ইন্টারফেস হস্তক্ষেপ, বেইট অ্যান্ড সুইচ, ড্রিপ প্রাইসিং, ছদ্মবেশী বিজ্ঞাপন ও বিরক্তিকর বার্তা, বিভ্রান্তিকর শব্দচয়ন, সফটওয়্যার পরিষেবা বিলিং এবং দুর্বৃত্ত ম্যালওয়্যার।

    ভোক্তা সুরক্ষা আইন

    কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ আগে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স ও বুকমাইশো-এর বিরুদ্ধে ভোক্তা সুরক্ষা আইন, ২০১৯ এর আওতায় মিথ্যা বিজ্ঞাপন বা অন্যায় বাণিজ্যিক পদ্ধতির জন্য নোটিশ জারি করেছিল, যেখানে বিভ্রান্তিকর ডিজাইন প্যাটার্ন বা ডার্ক প্যাটার্নের অভিযোগ ছিল। কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে যে বুকমাইশো গ্রাহকদের সম্মতি ছাড়াই নিশ্চিত টিকিট বুকিংয়ের পরে অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করেছে। প্রতিটি টিকিটে ১ টাকা ‘বুকএস্মাইল’-এর জন্য যোগ করা হয়েছিল প্রি-টিক করা অবস্থায়। ভোক্তার সম্মতি ছাড়াই এসব করা হয়েছিল। এটি ২০২৩ সালের “ডার্ক প্যাটার্নের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের নির্দেশিকা”-এর অ্যাপেন্ডিক্স ১-এর ধারা (২)- অনুযায়ী ‘বাস্কেট স্নিকিং’-এর মধ্যে পড়ে। কেন্দ্রীয় ভোক্তা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের পর, বুকমাইশো এই সমস্যা সমাধান করে এবং গ্রাহকদের ‘বুকএস্মাইল’-এ অবদান রাখবে কি না তা বেছে নেওয়ার অপশন দেয়।

    আরও পড়ুন: ২৩ ডিসেম্বর ১৯২৬, মৌলবাদীর হাতে খুন হন আর্য সমাজের সন্ন্যাসী শ্রদ্ধানন্দ, জানুন তাঁর জীবনী

    ভোক্তা বিষয়ক বিভাগ (Union Government) এখন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে “ডার্ক প্যাটার্ন” শনাক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এই সরঞ্জামগুলির মাধ্যমে ভোক্তাদের ক্ষমতায়ন করতে যাচ্ছে তারা। ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এনসিসি ল্যাব, আইআইটি (বিএইচইউ)-এর ছাত্র প্রিন্স আমান এবং নামিত মিশ্রের গবেষণার অংশ হিসেবে ওই তিনটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এগুলি ইন্টেলেজেন্স সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেমের অংশ, যা রিয়েল-টাইমে কাজ করে এবং এআই এবং ডেটা অ্যানালিটিক্সের জন্য জাতীয় সুপারকম্পিউটিং মিশনের আওতায় এয়ারাওয়াত এআই সুপারকম্পিউটারে চালিত হয়। এই সিস্টেমটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের টেক্সট এবং ডিজাইনের উপাদান বিশ্লেষণ করে জানিয়ে দেবে এগুলি ভোক্তার মনস্তত্ত্বকে প্রভাবিত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে (Digital Marketplace) কি না। সেই মতো পদক্ষেপ করবে সরকার (Union Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Union Government: মোদি সরকার ৫০ থেকে ৭০ হাজার কোটির সুদমুক্ত ঋণ দেবে রাজ্যগুলিকে

    Union Government: মোদি সরকার ৫০ থেকে ৭০ হাজার কোটির সুদমুক্ত ঋণ দেবে রাজ্যগুলিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার (Union Government) ২০২৫ অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারে (অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর) প্রতিটি রাজ্যকে মূলধন বিনিয়োগের জন্য বিশেষ ফান্ড দেবে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, এই ফান্ড ৫০ হাজার কোটি থেকে ৭০ হাজার কোটি পর্যন্ত হতে পর্যন্ত হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, এমন বরাদ্দ বৃদ্ধির লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রকল্পগুলিকে আরও জোরদার করা। কেন্দ্রীয় সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ফান্ডিং পুরোটাই সুদ মুক্ত হতে চলেছে এবং ২০২৫ অর্থবর্ষের তৃতীয় কোয়ার্টারে এই ফান্ডিং (Infrastructure Growth) রাজ্যগুলিকে করা হবে।

    বিহার, গুজরাত, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ সমেত ১৬টি রাজ্য এসেছে প্রকল্পের আওতায়

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ অর্থবর্ষে (Union Government) বিহার, গুজরাট, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ সমেত ১৬টি রাজ্য সুদ মুক্ত এই ঋণের প্রকল্পের আওতায় এসেছে। এই স্কিমের আওতায় সুদ মুক্ত ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মেয়াদ হবে ৫০ বছর। চলতি বছরের জুলাই মাসে বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন, ২০২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যগুলিকে সাহায্য প্রদানের (Infrastructure Growth) জন্য এই স্কিমের বরাদ্দ বাড়ানো হবে।

    করোনা পরবর্তীতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেই চালু হয় এই প্রকল্প

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের (Union Government) মধ্যে ৫৮ শতাংশ অর্থাৎ আনুমানিক ৮৮ হাজার কোটি টাকা- আবাসন, নগর পরিকল্পনা, যুব সমাজের জন্য ডিজিটাল লাইব্রেরি, পুরনো সরকারি যানবাহন বাতিল এবং সংস্কার এই সমস্ত কিছুর কাজ করা হবে। প্রসঙ্গত, সুদ ছাড়া ঋণ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল ২০২১ সালেই। সে সময়তে করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্যই এমন কর্মসূচি নিয়েছিল সরকার।

    ‘‘কোনও রাজ্যের সঙ্গেই সৎ মায়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে না’’

    অন্যদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় (Union Government) অর্থমন্ত্রী হাজির ছিলেন ম্যাঙ্গালুরুর একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি জানান, কোনও রাজ্যের সঙ্গেই সৎ মায়ের মত আচরণ করা হয়নি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সরকারের ১০ বছরের শাসনের সময় রাজ্যগুলিকে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হত এবং মোদি জমানায় যতটা বরাদ্দ করা হয়, তার পরিসংখ্যান তিনি তুলে ধরেন। তিনি জানান, ভারত প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় উৎপাদক ও রফতানিকারক হয়ে উঠেছে। এর পাশাপাশি মোবাইল, আধা-পরিবাহী, পুনর্নবীকরণ শক্তির সরঞ্জামসহ অন্যান্য উৎপাদন অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সীতারামন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    Fact Check Unit: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর প্রতিরোধে বড় উদ্যোগ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভুয়ো খবরের রমরমা থামাতে এবং ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং জনমানসে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বড় উদ্যোগ নিল কেন্দ্র।

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের অধিনস্থ প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি)-র  নিজস্ব ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (এফসিইউ)-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক সংস্থা (Fact Check Unit) হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করল মোদি সরকার। এই মর্মে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফে। 

    বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Fact Check Unit)

    ২০ মার্চ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের তথ্য প্রযুক্তি (মধ্যস্থতা নির্দেশিকা এবং ডিজিটাল) এর নিয়ম ৩ এর উপ-ধারা (১)-এর উপ-ধারা (৫) এর বিধানের অধীনে পিআইবি এফসিইউ-কে সরকারি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট হিসেবে কার্যকর করা হয়েছে। ভুয়ো খবর প্রতিরোধের লক্ষ্যে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভীষণভাবেই সমন্বয় রেখে যৌথভাবে কাজ করে চলেছে তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। 

    এফসিইউ কীভবে কাজ করে?

    ২০১৯ সালের নভেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পিআইবি অধীনস্থ ফ্যাক্ট চেক ইউনিট (Fact Check Unit)। ভুয়ো খবর, ভুল তথ্যের সৃষ্টিকর্তা এবং প্রচারকারীদের নিয়ন্ত্রণ করাই মূল লক্ষ্য এই সংস্থার। ভারত সরকারকে নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সন্দেহজনক এবং ভুয়ো তথ্য সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য পরিষেবা প্রদান করে থাকে। সরকারী নীতি, উদ্যোগ এবং প্রকল্প সম্পর্কিত কোনও ভুয়ো তথ্য থেকে থাকলে, তার বিরুদ্ধে যাতে সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করা যায় বা সেই বিষয়ে যাতে সরকারের গোচরে আনা যায়, সেই মঞ্চ প্রদান করে ফ্যাক্ট চেক ইউনিট। একইভাবে, এফসিইউ সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ, শনাক্ত করে এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচার প্রতিরোধ করে। একই সঙ্গে নিশ্চিত করে দেয় যে, সরকার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দ্রুততার সঙ্গে সংশোধন করা হয়েছে।

    বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে চেক করে এফসিইউ (Fact Check Unit)

    নাগরিকরা হোয়াটসঅ্যাপ (+918799711259), ইমেল (pibfactcheck@gmail.com), Twitter (@PIBFactCheck) এবং PIB-এর ওয়েবসাইট (https://factcheck) সহ বিভিন্ন মোডের মাধ্যমে পিবিআই ফ্যাক্ট চেক ইউনিটের (Fact Check Unit) সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    Demonetisation: ‘‘কোনও ভুল করেননি নরেন্দ্র মোদি’’, নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে সিলমোহর সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও ভুল করেনি কেন্দ্র সরকার। সঠিক পথে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার নোটবন্দি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলা খারিজ করে দিয়ে এই অভিমত প্রকাশ করল শীর্ষ আদালত (supreme Court)। ২০১৬ সালে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্টের ৫ জন বিচারপতির বেঞ্চ। 

    আলোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত

    পুরনো ১০০০ টাকা এবং ৫০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলাগুলি হয়েছিল, সোমবার তার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়, বৈধ পথেই নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে ছ’মাস ধরে আলোচনা করেই কেন্দ্র নোটবন্দির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বিচারপতি আবদুল নজিব, বিচারপতি বিআর গবাই, বিচারপতি এএস বোপান্না, বিচারপতি বি রামসুব্রাহ্মণ্যম এবং বিচারপতি বিবি নাগরত্নার সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল ছিল না। আদালত সূত্রে খবর, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন চার বিচারপতি, বিরুদ্ধে মত দেন এক জন।

    আরও পড়ুন: বছরের প্রথমেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ! জোড়া সভা বীরভূম ও আরামবাগে

    ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর আচমকাই ডিমনিটাইজেশন (Demonetisation) তথা নোটবন্দির কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার। কালো টাকা উদ্ধার করতে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট রাতারাতি বাতিল করার এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ বলে দাবি করেছিল বিজেপি। কিন্তু নোটবন্দির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে ৫৮টি পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। আবেদনকারীদের যুক্তি, সরকার সঠিক পরিকল্পনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা উচিত। সরকারের পাল্টা যুক্তি ছিল, বাস্তবে এই সিদ্ধান্তকে বাতিল করা সম্ভব নয়। নোটবন্দির সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হলে ‘সময়ের পিছনে গিয়ে’ বাতিল করতে হবে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রের আইনজীবী।

    এই মামলায় মামলাকারীদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। তিনি বলেন, সরকারের চাপের কাছে আদালতের চুপ করে যাওয়া ঠিক হবে না। আদালত এখন নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিতে পারবে না ঠিকই। কিন্তু ঠিক হয়েছিল না ভুল হয়েছিল সে ব্যাপারে স্পষ্ট মত দেওয়া আদালতের কর্তব্য। এই প্রেক্ষিতেই সোমবার সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকারের এই সিদ্ধান্তে কোনও ত্রুটি ছিল না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    কলকাতা: কেন্দ্র-রাজ্য় সংঘাত (Centre-Bengal spat) এবার শিক্ষাক্ষেত্রেও।  কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) পর্যালোচনা করতে এবার বিশেষ কমিটি গঠন করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal government) । ১০ সদস্যের ওই কমিটিতে রয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

    গত ৮ এপ্রিল, ওই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় রাজ্য প্রশাসনের তরফে। এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, পৃথক রাজ্য শিক্ষানীতির (State Education Policy) প্রয়োজন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের শিক্ষানীতি (NEP 2020) প্রকাশ পাওয়ার পর মহারাষ্ট্র ও কেরল সরকার যেমন নিজেদের পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তেমন কোনও পদক্ষেপ এরাজ্যও গ্রহণ করতে পারে কি না, তা পর্যালোচনা করবে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটি। ওই আধিকারিক বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (University Grant Commission) নেওয়া নির্দেশিকাও (UGC guidelines) খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি।

    রাজ্যের গঠিত ১০ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন — কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Columbia University) অধ্যাপিকা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, এনআইটি দুর্গাপুরের ডিরেক্টর অনুপম বসু এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) অধ্যাপক সুগত বসু (Sugata Basu), সংস্কৃত ভাষা বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি (Nrisingha Prasad Bhaduri) প্রমুখ। 

    এর আগের দিন, অর্থাৎ গত ৭ এপ্রিল, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bengal Education Minister Bratya Basu) ঘোষণা করেছিলেন যে, কেন্দ্রের শিক্ষানীতি কার্যকর করবে না পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পরিবর্তে, রাজ্য সরকার নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, অন্য সব ক্ষেত্রের মতো শিক্ষাতেও জোর করে নিজেদের নীতি জারি করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।  তবে, আমরা তাতে রাজি নই। ফলত, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজস্ব শিক্ষানীতি তৈরি করার। 

    শিক্ষা দফতর (West Bengal Education Department) সূত্রে খবর, আগামী দুমাসের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে এই কমিটি। রাজ্য সরকারের পৃথক নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি বলেন, নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার অধিকার রয়েছে রাজ্যের। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। তাঁর মতে, ভারতের মতো জনবহুল এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির দেশে অভিন্ন শিক্ষানীতি কখনই কাম্য নয়। 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের (Modi government) তরফে যুক্তি, জাতীয় শিক্ষানীতির ফলে উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রের মতে, জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হল ২০৩৫ সাল নাগাদ বৃত্তিমূলক শিক্ষা সহ উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের মোট নিবন্ধীকরণের হার (Gross Enrolment Ratio) ২৬.৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা। 

     

LinkedIn
Share