Tag: Union minister

Union minister

  • Dharmendra Pradhan: মন্ত্রীর হাতে প্রকাশ পেল ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’

    Dharmendra Pradhan: মন্ত্রীর হাতে প্রকাশ পেল ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্বাধীনতা অসীম ত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। এটা অনেকেরই অজানা। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানেন না এই বীরদের সংগ্রামের কাহিনি। একটি (Dharmendra Pradhan) গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ইতিহাসে উপেক্ষিত সংগ্রাম ঘটে ছিল ওড়িশার সম্বলপুরে। ১৮৫৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর, কুদোপালি ঘাটে (Saga Kudopali), ৫৩ জন বিপ্লবী সাহসিকতার সঙ্গে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

    ইতিহাসের অজ্ঞাত অধ্যায় (Dharmendra Pradhan)

    ইতিহাসের এই অজ্ঞাত অধ্যায়টি বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করল ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট, সংক্ষেপে এনবিটি। নাম, ‘কুদোপালি মহাকাব্য: ১৮৫৭ সালের অবহেলিত কাহিনি’। বইটির ইংরেজি সংস্করণের আবরণ উন্মোচন করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, “১৮৫৭ সালের কুদোপালি ঘটনা জলিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকাণ্ডের মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।” সে দিন শহিদ হওয়া ৫৩ জন মুক্তিযোদ্ধার সাহসী প্রতিরোধের পাশাপাশি চারজন বিপ্লবীর মৃত্যুদণ্ডের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বইটির আবরণ উন্মোচনের আগে শ্রদ্ধা জানানো হয় হুতাত্মাদের, বিশেষ করে বিশিষ্ট বীর চবিলা সাইকে। বইটি এই অজ্ঞাত বীরদের এবং তাঁদের চূড়ান্ত ত্যাগকে শ্রদ্ধা জানায়। মন্ত্রী বলেন, “সম্বলপুরের খিন্ডা, কুলাবিরা, ঘেন্স এবং লক্ষণপুর এলাকার বিভিন্ন পরিবারের এই মহৎ সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে এই ইতিহাস অনেকের কাছে এতদিন অজানা ছিল।”

    কী বললেন মন্ত্রী?

    গত বছরের (Dharmendra Pradhan) ৩০ ডিসেম্বর, বীর চবিলা সাই স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণ সভায় মন্ত্রী এই ইতিহাসের একটি পূর্ণাঙ্গ নথিভুক্তকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি ভারতীয় ঐতিহাসিক গবেষণা পরিষদ (ICHR) এবং এনবিটিকে এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি গবেষণা করে একটি বই আকারে সংকলন করার দায়িত্ব দেন। সেই বইটিরই ইংরেজি সংস্করণের আবরণ উন্মোচন করেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: অসমে কয়েক দশকের গড়ে ধস, কংগ্রেসকে ধরাশায়ী বিজেপির তরুণ তুর্কি দীপলুর

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাধীনতা সংগ্রামের অবহেলিত নায়কদের স্বীকৃতির পক্ষে নিয়মিতভাবে সওয়াল করে আসছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই উদ্যোগ তাঁর সেই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এই বইটি এই ভুলে যাওয়া নায়কদের জাতীয় আলোচনায় আনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বইটির ভারতের দশটি প্রধান ভাষায় (Saga Kudopali) অনুবাদ ও প্রকাশের দায়িত্ব দিয়েছেন এনবিটিকে (Dharmendra Pradhan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Pulse Price: মুগ-মুসুর ডাল মিলবে ২৫ শতাংশ কম দামে, দীপাবলির আগে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে ২৫ শতাংশ কম দামে মুগ-মুসুর ডাল পাওয়া যাবে। দেশের মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বড় পদক্ষেপ। বুধবার কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দফতর এই ডাল বিক্রি (Pulse Price) প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পুজোর আগে থেকে মাছ, মাংস, সবজি থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবন নাজেহাল হয়ে উঠছে। অগ্নিমূল্যের জেরে নিচুতলার মানুষের পকেটে রীতিমতো টান পড়েছে। অপর দিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর গঠিত বিশেষ টাস্ক ফোর্সের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই বলে দাবি আমজনতার। এখন কেন্দ্রের উদ্যোগে ডালের দামে ছাড় মেলায় কিছুটা পরিত্রাণ মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা (Pulse Price)

    কেন্দ্রীয় সরকার ভারত ব্রান্ডের নামে ভর্তুকিযুক্ত দামে ছোলা, মুগ এবং মুসুরের ডাল (Pulse Price) বিক্রি করে থাকে। এইবার এই প্রকল্পের আওতায় প্রাপ্ত ডালের মূল্যের উপর ভর্তুকির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা হয়েছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। কম দামে ভালো ডাল মিলবে বলে এখন ক্রেতারা উচ্ছ্বসিত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি বলেন, “ডালের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে বাফার স্টক থেকে ডাল বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার মোট ৩ লক্ষ টন চানা বা ছোলার ডাল এবং ৬৮ হাজার টন মুগ ডাল রিলিজ করেছে বাফার স্টক থেকে।”

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনা হচ্ছে ডাল

    ভারত ব্রান্ডের অধীনে গোটা ছোলার ডাল ৫৮ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। ভাঙা ছোলার ডালের (Pulse Price) দাম রয়েছে কেজি প্রতি ৭০ টাকা। এছাড়া মুসুর ডাল ৮৯ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাবে। বিভিন্ন সরকারি কো-অপারেটিভ কেন্দ্রগুলিতে ওই ব্রান্ডের ডাল পাওয়া যাবে। এই ডালের মূল্য হবে খুচরো বা অনলাইনে বিক্রিত মূল্যের তুলনায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কম। ভারত ব্রান্ডের ডাল বিক্রির মাধ্যমে একদিকে যেমন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে, ঠিক তেমনি ভাবে উৎসবের মরশুমে বাজারের পর্যাপ্ত জোগানও থাকবে ডালের। কেন্দ্রীয় সরকারে বক্তব্য, “ডালের উৎপাদন বাড়াতে গত খরিফ মরশুমেই কৃষকদের ভাল গুণমানের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে অরহর, উরদ ও মুগ ডাল কেনা হচ্ছে কৃষকদের কাছ থেকে। কৃষকদের সার্বিক উন্নয়নই একান্ত লক্ষ্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Prasad: “অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”, তিরুপতির লাড্ডু বিতর্কে সরব একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Tirupati Prasad: “অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত”, তিরুপতির লাড্ডু বিতর্কে সরব একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুপতির (Tirupati Prasad) ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে লাড্ডু প্রসাদে পশুর চর্বি থাকার অভিযোগ ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। মোদি সরকারের মন্ত্রী (Union Minister) বিএল ভার্মা শনিবার জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সংবাদ মাধ্যমকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘‘এটা খুবই দুঃখজনক কারণ সারা দেশের মানুষজনই ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে আসেন প্রার্থনা করতে। যাঁরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’’

     কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু (Tirupati Prasad)

    অন্যদিকে অপর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু এ বিষয়ে বলেন, ‘‘তিরুপতি মন্দির মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটা উচিত নয়। আমি এখনও মনে প্রাণে চাইছি, এই ঘটনা যেন মিথ্যা প্রমাণিত হয়। কারণ তা যদি সত্যি হয় তবে অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে খেলা করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে তদন্ত করার কথা জানিয়েছেন। এটাকে স্বাগত জানাচ্ছি।’’ অন্যদিকে অপর এক বিজেপি নেতা নলিন কোহলি এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বিষয় বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং তিনি জানিয়েছেন দেশের আপামর ভক্তকে হতাশ করেছে এই ঘটনা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (Tirupati Prasad)

    প্রসঙ্গত, শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির অন্ধপ্রদেশের তিরুপতি জেলায় তিরুমালা পাহাড়ে অবস্থিত। সম্প্রতি সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু দাবি করেন, তিরুপতি মন্দিরের প্রসাদের লাড্ডু তৈরিতে পশুর চর্বি সমেত অন্যান্য নিম্নমানের নানা উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে। এখানেই থেমে না থেকে তিনি গুজরাটের সরকারি এক ল্যাবের রিপোর্টও সামনে আনেন। এই ঘটনায় জন্য চন্দ্রবাবু এবং তাঁর ডেপুটি জনসেনা পার্টির প্রধান পবন কল্যাণ দায়ী করেছেন, তাঁদের পূর্বতন (Union Minister) জগন্মোহন রেড্ডির সরকারকে। বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় বান্দির দাবি, এ ভাবে মন্দিরের প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি মিশিয়ে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় ধর্মীয় অধিকার রক্ষার দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। ওই মামলা করেছেন এক আইনজীবী। মামলাকারীর অভিযোগ, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে। প্রসাদী লাড্ডুকে পবিত্র এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ মনে করেন তিরুপতির ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের ভক্তরা। সেক্ষেত্রে লাড্ডুতে গরু এবং শুয়োরের চর্বি থাকার প্রমাণে ভক্তদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    Shantanu Thakur: লস্কর-ই-তৈবার হুমকির-চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি শান্তনু ঠাকুরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুমকির-চিঠির ইস্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রবিবার পাক জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার হুমকি চিঠি পেয়েছিলেন এই বনগাঁর বিদায়ী বিজেপি সাংসদ (Shantanu Thakur)। সোমবার দুপুরে চিঠির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তিনি। চিঠিটি দেগঙ্গা (Deganga) থেকে পাঠানো হয় বলে জানা গিয়েছে। এবার ওই চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন তিনি।

    কী বললেন শান্তনু (Shantanu Thakur)?

    মঙ্গলবার বিকেলে শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur) বলেন, “এই হুমকি চিঠির ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও (PM Modi) বিষয়টি জানিয়েছি। আমি এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সিবিআই তদন্ত চাই। পাশাপাশি ওই হুমকি চিঠির অভিযোগ নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, জেলা পুলিশ সুপার ও স্থানীয় থানার ওসিকেও চিঠি পাঠিয়েছি।”

    হুমকির চিঠিতে কী লেখা ছিল?

    প্রসঙ্গত, সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Union Minister) শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে একটি চিঠি আসে। সেই চিঠিতে লেখা ছিল, “শ্রদ্ধেয় শান্তনু বাবু। আশা করি ভালো আছেন। যাই হোক আপনাকে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে যদি এনআরসি (NRC) এবং সিএএ-র ফলে যদি মুসলমানদের ওপর কোনও রকম অত্যাচার হয়, তাহলে গোটা বাংলা তথা সমগ্র ভারত জ্বলবে এবং আপনাদের ঠাকুরবাড়ি (Matua Thakurbari) উড়িয়ে দেওয়া হবে। কেউ আপনাদের ঠাকুরবাড়িকে বাঁচাতে পারবে না। লস্কর-ই-তৈবার নাম শুনেছেন তো? আমরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। আপনাদের হাফিজ সইদের নির্দেশ মত আমরা পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি লাগু করলে সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে দেব।”

    আরও পড়ুনঃ “ডিসেম্বরেই ভেঙে যাবে তৃণমূল কংগ্রেস”, ভোট প্রচারে বললেন অভিজিৎ

    ৫ এপ্রিল শুক্রবার চিঠি আসে

    চিঠির প্রেরক হিসেবে নজরুল ইসলাম, সাহেব আলী ও ফজর আলীর নাম লেখা এবং ঠিকানা হাদিপুর, দেগঙ্গা, উত্তর ২৪ পরগনা উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি যথেষ্ট সন্দেহজনক। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে টাইপরাইটারে টাইপ করা হয়েছে। ৫ এপ্রিল শুক্রবার এই চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে। যদিও চিঠির ভিতর ৭ ফেব্রুয়ারি উল্লেখ করা আছে। উল্লেখ্য মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম প্রধান মুখ হলেন শান্তনু ঠাকুর। আচমকা লোকসভা নির্বাচনের আগে শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) কাছে লস্কর-ই-তৈবার নাম করে এই হুমকি চিঠি ঘিরে ইতিমধ্যেই বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ির সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ভারতকে সবুজ অর্থনীতিতে পরিণত করাটা শক্ত হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাইব্রিড গাড়িতে জিএসটি কমানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ৩৬ কোটির বেশি পেট্রল-ডিজেল গাড়ি রয়েছে ভারতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জৈব জ্বালানির উপর জোর দিয়ে জ্বালানি আমদানি কমাতে পারে সরকার। কেন্দ্রের এই ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

    কী বললেন গডকরি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য ১৬ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত। এই টাকা কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে, গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এখনও কোনও দিন নির্দিষ্ট করেনি কেন্দ্র। হাইব্রিড গাড়ির উপর জিএসটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    জৈব জ্বালানিকে স্বাগত

    পরিবেশ দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে দেশের গাড়ি বাজারে আমূল পরিবর্তন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, “এই পরিবর্তনের জন্য আমি আপনাদের কোনও তারিখ দিতে পারব না। এটা করা শক্ত তবে অসম্ভব নয়।” তিনি আশাবাদী যে হারে বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে আসতে শুরু করেছে তাতে আগামীদিনে বিকল্প জ্বালানি এবং জৈব জ্বালানির স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি আরও জানান, বাজাজ, টিভিএস, হিরো মটোকর্পের মতো সংস্থার ইতিমধ্যে ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত মোটরসাইকেল এবং রিকশা বানানো শুরু করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়িকে ছাপিয়ে শীঘ্রই যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাপট শুরু হবে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    Malda: ১০০ দিনের টাকা না পাওয়ার জন্য রাজ্যের গাফিলতিকেই দায়ী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার আটকে রেখেছে বলে বার বার অভিযোগ করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ সঠিক নয়, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বুধবার মালদার (Malda) মানিকচকের মথুরাপুরে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা না পাওয়ার দায় রাজ্য সরকারের ওপরেই চাপালেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল। রাজ্যের দাবিমতো আটকে থাকা বরাদ্দ কবে ছাড়া হবে, এপ্রশ্নেও কোনও আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

     টাকা আটকে রাখা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Malda)

    কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী কপিল মোরেশ্বর পাটিল বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে রাজ্যেরই গাফিলতি রয়েছে। জবাব তাঁদেরকেই দিতে হবে। এর মধ্যে কোনও রাজনীতি নেই। তাছাড়া শুধু পশ্চিমবঙ্গের টাকা আটকে রাখা হবে কেন? আসলে এটা নিয়ে তৃণমূল দিল্লিতে ধর্না দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছে। তাদের কিছু কাগজপত্র চেয়েছিল, সেটা তারা এখনও জমা দিতে পারেনি। আসলে এই প্রকল্পের কাজের ক্ষেত্রে কিছু গাফিলতি রয়েছে বলেই তাদের টাকা আটকে রাখা হয়েছে। আর অকারণে তৃণমূল কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা আটকে রাখার জন্য দায়ী করছে। এটা একেবারেই ঠিক নয়। পাশাপাশি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। তবে, বিজেপি রামের আবেগ নয়, মোদির নেতৃত্ব আর উন্নয়ন কর্মসূচিকে সামনে রেখে লোকসভা নির্বাচনে এগিয়ে যাবে।

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে, ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিকে নস্যাৎ করেছেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী বেচারাম মান্না ও সাবিনা ইয়াসমিন। এদিন মালদার (Malda) ইংরেজবাজারে হস্তশিল্প মেলায় যোগ দিতে এসে রাজ্যের দুই প্রতিমন্ত্রী ১০০ দিনের প্রকল্প টাকা আটকে রাখা নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকায় সরব হন। সাবিনা বলেন, কেউ কোনও দুর্নীতির অভিযোগ কাগজ-কলমে অন্তত বলতে পারেননি। অথচ, টাকা দেওয়ার কথা হলেই মুখে দুর্নীতির কথা বলছেন কেন্দ্রের মন্ত্রী ও বিজেপির নেতারা। বেচারাম মান্না বলেন, এপর্যন্ত ৬৮বার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যে এসেছে। তারা যা যা তথ্য চেয়েছিল, সমস্ত তথ্য দফতর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাংলার টাকা আটকে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    Ram Mandir: কোচবিহারে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির, উদ্যোগী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে জোরকদমে। এই আবহের মধ্যে বাংলাতেই রাম মন্দির তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটি বা দুটি নয়, তিনটি রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে কোচবিহারে। আর এই মন্দির তৈরির মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আর একটি মন্দির তো অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কোচবিহারের কোথায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির? (Ram Mandir)

    কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের পাশাপাশি মাথাভাঙা এবং শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি করতে উদ্যোগী বিজেপি নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের ছড়ারকুঠি গ্রামে দুই ট্রাক বেলেপাথর এসে পৌঁছেছে। খরচ প্রায় ৪২ লক্ষ টাকা। ওই বেলেপাথর রাজস্থান থেকে নিয়ে আসার তদারকি করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেই। জানা গিয়েছে, কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ছড়ারকুঠি এলাকায় প্রায় সাত দশক পুরানো কালীমন্দির রয়েছে। প্রত্যেক দীপাবলিতে সেখানে পুজো হয়। এবার দীপাবলিতে কালীপুজোর সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে তাঁরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এসেছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মন্দিরের ফাঁকা স্থানে রামমন্দির তৈরি করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে রাজি হওয়ায় রাম মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রী নিজেই রাজস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বেলেপাথর এবং কারিগরদের নিয়ে এসেছেন।

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের সঙ্গে এই মন্দিরের উদ্বোধনের পরিকল্পনা

    কোচবিহার উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক সুকুমার রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় ছড়ারকুঠি এলাকায় রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হচ্ছে। সেই মন্দির তৈরি করার জন্য সহযোগিতা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও। মন্দিরটি ৩০ ফুট উচ্চতা এবং ১৫ ফুট চওড়া। মন্দিরের জন্য রাম সহ ৯টি মূর্তি চলে এসেছে। সব ঠিক থাকলে এই মন্দিরটি আগামী ২২ জানুয়ারি সূচনা করা হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখানে স্পোর্টস হাব তৈরি করার ঘোষণা করেছিলেন এখনও সেটা হয়নি। নারায়ণী সেনা তৈরি করার আশ্বাস দিয়েছিলেন সেটাও হয়নি। রাম সকলের হৃদয়ে রয়েছেন। কাজেই তাঁকে নিয়ে রাজনীতি কখনওই করা উচিৎ নয়। সেটা না করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপির উচিৎ কোচবিহারের হাজার-হাজার মানুষের ১০০ দিনের বকেয়া টাকা দ্রুত প্রদান করা এবং বাংলা আবাস যোজনার আটকে রাখা টাকা প্রদান করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের জায়গায় মহিলাদের বেতনযুক্ত ঋতুস্রাবকালীন ছুটির কোনও প্রয়োজন নেই, অভিমত কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে স্মৃতি জানান, ঋতুস্রাব মহিলাদের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ, এটি কোনও প্রতিবন্ধকতা নয়। ঋতুস্রাবের জন্য বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করার করা উচিত নয়।

    কোন প্রশ্ন সাপেক্ষে উত্তর

    ঋতুমতী মহিলারা ঋতুচক্রের সময় নানা শারীরিক কষ্ট সহ্য করেন। মহিলাদের সমস্যার কথা মাথায় রেখেই একাধিক দেশে চালু করা হয়েছে মেনেস্ট্রুয়েশন লিভ (Menstruation Leave) বা ঋতুকালীন ছুটি। ভারতেও কি এই ছুটি চালু করা হবে? কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)-র কাছে এই প্রশ্নই রেখেছিলেন আরজেডি সাংসদ মনোজ কুমার ঝা (Manoj Kumar Jha)। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, “ঋতুমতী মহিলা হিসাবে, ঋতুস্রাব ও ঋতুচক্র নারী জীবনের অত্যন্ত সাধারণ একটি অংশ। আমাদের এমন ইস্যু তৈরি করা উচিত নয় যেখানে তাদের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে শুধুমাত্র একজনের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, যার ঋতুস্রাব হয় না।”

    আরও পড়ুন: বালুর স্ত্রী-কন্যার নামে ৫৮টি ফিক্সড ডিপোজিট রেশন ‘দুর্নীতি’র টাকায়? অনুমান ইডির

    অকপট স্মৃতি

    মাসিক ছুটির ফলে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের প্রতি বৈষম্য হতে পারে বলে স‌ংসদে সকলকে সতর্ক করেন স্মৃতি। ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব কথা বিবেচনা করে স্মৃতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কর্তৃক জাতীয় নীতি প্রণয়ন করার কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির লক্ষ্য হবে দেশবাসীকে ঋতুস্রাবের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ করা, ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্ক করা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখিত জবাবে বলেন, “অল্প সংখ্যক মহিলা অত্যাধিক ডিসমেনোরিয়া বা এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ঋতুচক্র ও তার সঙ্গে জড়িত কার্যকলাপকে আড়ালে রাখা হয়। সামাজিক ছুৎমার্গের কারণে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়। সাধারণ কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়, যা শেষ অবধি হেনস্থা ও সমাজে বিতাড়িত করার পর্যায়ে পৌঁছয়। যখন কোনও কিশোরী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং এই পরিবর্তন সম্পর্কে অবগতই না হয়, তখন বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: ‘মার্চের মধ্যে সিএএ কার্যকরী হয়ে যাবে,’ ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি-র

    CAA: ‘মার্চের মধ্যে সিএএ কার্যকরী হয়ে যাবে,’ ঠাকুরনগরে দাঁড়িয়ে আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মার্চের মধ্যে সিএএ (CAA) কার্যকরী হয়ে যাবে। রবিবার বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্ৰীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি এই মন্তব্য করেন। মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ আগেই শুরু হয়েছে। শান্তনু ঠাকুরও চেষ্টা করছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই আশ্বাসে নতুন করে চাঙা মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। তাঁদের বক্তব্য, সিএএ কবে কার্যকরী হবে তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমাদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দেওয়ায় ভাল লাগছে।

    মতুয়াদের কী বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    এদিন ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে রাস উৎসবে এসেছিলেন কেন্দ্ৰীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি। প্রথমে ঠাকুরবাড়ির হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে পুজো দেন তিনি। এরপর চলে যান নাট মন্দিরে, যেখানে রাসের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনি বলেন, ‘মতুয়াদের নাগরিকত্বের জন্য কেন্দ্ৰীয় সরকার চেষ্টা করছে। নাগরিকত্ব নিয়ে অমিত শাহ লোকসভায় কথা বলেছিলেন। শান্তনু ঠাকুরও চেষ্টা করছেন। আসলে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার যে প্রক্রিয়া, সেটা অনেক আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে। যেসব মতুয়াদের ভারতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁরা অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুরের সই করা কার্ড ব্যবহার করুন বিনা বাধায়। শান্তনু ঠাকুরের দেওয়া মতুয়া কার্ড যাঁদের কাছে থাকবে, ভারতবর্ষের কারও হিম্মত নেই যে সেই মতুয়াদের কিছু করবে।’

    সিএএ-র (CAA) জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আরও বক্তব্য, আগামী ৬ ডিসেম্বর, ২০২৩ সুপ্রিম কোর্টে নাগরিকত্ব নিয়ে সমস্যার সমাধান হবে। ২০১৪ সালের আগে যাঁরা ভারতে এসেছেন, তাঁরা সিএএ-(CAA) এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিয়ম মেনেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। আর ভারতীয় পরিচয়পত্র না থাকা মতুয়াধর্মীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফলে, মতুয়াধর্মী মানুষদের উদ্বেগ হওয়ার কিছু নেই।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Post Poll Violence: ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    Post Poll Violence: ৪০ হাজার ঘরবাড়িতে লুটপাট, এক লক্ষ পরিবার ঘরছাড়া, হামলা চলেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়েও!

    ঠিক দু-বছর আগের কথা। ২০২১ সালের ২ মে। কোভিড দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু তাতে কী। শাসক তৃণমূল তখন ফের ‘মধুভাণ্ড’ ফিরে পাওয়ার নেশায় বুঁদ। ভোটের ফলে যখন পরিষ্কার হয়ে গেল, তৃতীয়বারের জন্য মসনদের দখলদারি তাদের হাতেই থাকছে, তখনই যেন বেরিয়ে পড়ল নখ-দন্ত। বিরোধীদের অভিজ্ঞতা অন্তত তেমনটাই। তাদের অভিযোগ, বিজয়োল্লাসের নামে শুরু হয়ে গেল প্রতিপক্ষকে ‘টাইট’ দেওয়ার কাজ। তাদের স্মৃতিতে ভাসছে, চটুল গান, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অভব্য অঙ্গভঙ্গি, রাস্তার দোকানে ভাঙচুর এবং বিরোধী দলের কর্মীদের প্রতি হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড-কিছুই বাদ যায়নি। ভয়ঙ্কর সেইসব ঘটনা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের তৃতীয় পর্ব।

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে নির্যাতনের চিত্রটা ছিল ভয়ঙ্কর। শুধুমাত্র ২ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত রাজ্যে রাজনৈতিক হত্যার সংখ্যা প্রায় ৪০। প্রায় ৩৫০০ গ্রাম প্রত্যক্ষভাবে হিংসার শিকার হয়, ৪০ হাজার ঘরবাড়ি প্রত্যক্ষভাবে লুটপাট হয় এবং ১ লাখ মানুষকে নিজের প্রার্থী নিজে নির্বাচন করে ভোট দেওয়ার জন্য ঘরছাড়া হতে হয়। কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশন, তফশিলি জাতি-উপজাতি কমিশন, নারী সুরক্ষা কমিশন এবং শিশু সুরক্ষা কমিশন এই বিষয়ে বিস্তৃত তথ্য দিয়েছে। এই রাজনৈতিক হিংসার (Postpoll Violence) দায়ভার কার? বিরোধীরা বারবার এই প্রশ্ন তুললেও এখনও তার উত্তর মেলেনি।

    পছন্দের প্রার্থীকে ভোটদানের জন্য আক্রমণ!

    ২ মে রবিবার থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম, নয়ানান, শেরখানচক, বয়ালে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চলে। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, ইসলামপুর, বীরভূমের দুবরাজপুর, নানুরে শাসক-বিরোধীদের চিহ্নিত করে বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট এবং বাড়ির মা-বোনের সম্ভ্রমহরণ করার চেষ্টা হয়। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে সেইসময় জোরালো অভিযোগ উঠেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমডাঙা বিধানসভার সন্দেশখালি, ছোট শেয়ারা, বসিরহাট এবং হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার পারঘুমটি, রূপমারি, মাধবকাটি, হাটগাছায় দোকানপাট ভাঙচুর হয়, লুটপাট ও বোমাবাজি চলে। উল্লেখ্য, বসিরহাটে মহকুমা শাসকের বাড়ির সামনেই একটি বাড়িতে লুটপাট (Postpoll Violence) হয়। বসিরহাটে প্রায় পাঁচশো বাড়িঘর, দোকানপাট লুটপাট করে দুষ্কৃতীরা। এছাড়াও মালঞ্চ, বামনপুকুর, কালীনগর এলাকায় প্রায় ত্রিশটির বেশি দোকান লুট করে রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি করে দুষ্কৃতীরা। হাড়োয়ার উচিলদহ গ্রাম এবং মিনাখাঁতে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ব্যাপক বোমাবাজি করে ঘরছাড়া করে তৃণমূলের গুন্ডারা, এমনটাই অভিযোগ রয়েছে। আবার ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকায় ভাঙচুর, লুটপাট এবং বুলডোজার চালিয়ে বাড়িঘর ধ্বংস করা হয়। প্রধান অভিযোগের তির ছিল শওকত মোল্লার দিকে।

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!  

    উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল থানার সামনে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় এক তরুণের। দেগঙ্গাতে প্রচুর মানুষ ঘরছাড়া হয় অত্যাচারে। বাড়িতে বাড়িতে ভয় দেখিয়ে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ছিনতাই করে তৃণমূলের স্থানীয় মাতব্বররা, অভিযোগ এমনটাই। এলাকার মানুষের আরও অভিযোগ, শাসকদলের নেতারা এই অপকর্মে পূর্ণ মদত দিয়েছেন। লক্ষ্যণীয় হল, পশ্চিমবঙ্গে গণতান্ত্রিক উৎসব নির্বাচনের পর এই সন্ত্রাস (Postpoll Violence) নিয়ে শাসকদল একটাও বিবৃতি দেয়নি। 

    পর্ব ২: ৩-৪ মাসে খুন ৬২ জন, দুষ্কৃতীরা ছাড়েনি অন্তঃসত্ত্বাকেও!

    হুগলির আরামবাগে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একটি কাপড়ের দোকান ভাঙচুর করে কাপড় লুট করে আগুন লাগিয়ে দেয়। গোঘাটে এক মিষ্টি ব্যবসায়ীর দোকান দুষ্কৃতীরা জোর করে ভোট পরবর্তী সময়কালে বন্ধ করে রাখে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে হাজার মানুষ ঘরছাড়া (Postpoll Violence) হয়ে পড়েছিল। দুর্গাপুরে প্রায় ১০০ পরিবার অত্যাচারে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। 

    ১৬ মে হাওড়ার জগাছায় ১ নম্বর মৌখালিতে চাঁদখান পাড়াতে সাধারণ ভোটারের উপর দুষ্কৃতী বাহিনী ব্যাপক হামলা (Postpoll Violence) চালায়। বেছে বেছে বিরোধীদের বাড়িতে ব্যাপক বোমাবাজি করে। এমনকী তরোয়ালের আঘাতে আঙুল কাটা গেছে এক ব্যক্তির, এমন অভিযোগও দায়ের হয়েছে। বাড়ির সম্পত্তি লুটপাট হয়। 

    এলাকা পরিদর্শনে এলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়ে হামলা

    ৫ মে শপথ গ্রহণের আগে সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন ‘এখন আইনশৃঙ্খলা তাদের (নির্বাচন কমিশন) সামলানো দরকার, এই দুটো দিন আমার হাতে কিছু নেই। যতক্ষণ না পর্যন্ত শপথ নিচ্ছি, ততক্ষুণ পর্যন্ত…’। ৬ মে মেদিনীপুর সদর পাঁচখুরিতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ভি মুরলীধরন আক্রান্ত (Postpoll Violence) হন। এলাকায় পরিদর্শনে এলে তাঁর কনভয়ে হামলা চলে। হিংসার জেরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগতপ্রকাশ নাড্ডা সেই সময় বলেছিলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর সারা পশ্চিমবঙ্গ ব্যাপী তৃণমূল কংগ্রেস দ্বারা সংঘটিত হিংসা চরম সীমায় পৌঁছেছে… যেখানে ভারত সরকারের মন্ত্রীর উপর হামলা হয়ে চলেছে, সেখানে সাধারণ মানুষ কতটা সুরক্ষিত?” রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে বলেছিলেন, ‘কোচবিহার থেকে সুন্দরবন সর্বত্র আতঙ্ক আর ত্রাস ছড়িয়ে পড়ছে। সাম্প্রদায়িক অশান্তি যারা ছড়াচ্ছে, তারা কারও পরোয়া করছে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কোনও চেষ্টা করছে না রাজ্য পুলিশ। সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের আইনের পরিস্থিতি খুব খারাপ।’ অন্যদিকে, পরিস্থিতির যারা প্রত্যক্ষ শিকার হয়েছিল, তারা ক্ষতিপূরণের টাকা এখনও পায়নি বলে দুই বছর পরেও অভিযোগ উঠছে। (চলবে)

     

    পর্ব ৪: ছেলে বিজেপি করে, এই ‘অপরাধে’ই কি নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল মাকে!

    পর্ব ৫: পলাশকে খাটের নিচ থেকে খুঁচিয়ে বের করে নৃশংসভাবে খুন করেছিল দুষ্কৃতীরা!

    পর্ব ৬: এমএ পাশ অরূপকে অকালে চলে যেতে হয়েছিল শুধুমাত্র বিজেপির বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে?

    পর্ব ৭: দরিদ্র চাষিকে রাজনৈতিক মত প্রকাশের মূল্য দিতে হয়েছিল নিজের জীবন দিয়ে!

    পর্ব ৮: কমিশনের কোর্টে বল ঠেলে ভোট-পরবর্তী হিংসার দায় এড়িয়েছিলেন তিন-তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share