Tag: Union minister

Union minister

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    Pralhad Joshi: সংঘাতের আবহে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র, জানালেন জোশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত কেন্দ্রীয় সরকার। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় মিশনগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও রাখা হচ্ছে। সোমবার এ কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। এক বিবৃতিতে জোশী জানান, সংশ্লিষ্ট ভারতীয় দূতাবাসগুলির প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদে সরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ভারতীয়রা বিপদে পড়লে (Pralhad Joshi)

    তিনি বলেন, “বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে (Centre) কান্নাডিগা বা অন্য কোনও ভারতীয় বিপদে পড়লে কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে এগিয়ে এসেছে। ইউক্রেন সংকটের সময় আমরা তা করেছি, ভবিষ্যতেও যেখানে ভারতীয়রা সমস্যায় পড়বেন, সেখানে একইভাবে পদক্ষেপ করা হবে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।” মন্ত্রী জানান, ইরান–ইজরায়েল সংঘাত তীব্রতর হওয়ায় কান্নাডিগারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, এমন খবর পাওয়ার পর পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও উপযুক্ত পদক্ষেপ নির্ধারণে প্রবীণ মন্ত্রী ও আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করা হয়েছে।

    জোশীর অনুরোধ

    আটকে পড়া ব্যক্তিদের পরিবারের উদ্দেশে জোশীর অনুরোধ, তাঁরা যেন আতঙ্কিত না হন। তিনি আশ্বাস দেন, সকল ভারতীয়কে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Pralhad Joshi)। তিনি এও বলেন, “সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে বিমান চলাচলে বর্তমানে ঝুঁকি রয়েছে এবং পরবর্তী কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞদের মতামত বিবেচনা করা হচ্ছে (Centre)।” মন্ত্রী বলেন, “দুবাইতেও আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে বিমান পরিষেবা ব্যাহত হওয়ায় সেখানে আটকে পড়া ভারতীয়দের সহায়তায় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” তিনি এও বলেন, “উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমাদের নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্ব সহকারে সব প্রচেষ্টাই চলছে (Pralhad Joshi)।”

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

  • Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    Bihar Poll Victory: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বরখাস্ত করা হল বিহারের দুই বিজেপি নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরের দিন শনিবারই বিজেপি (Bihar Poll Victory) থেকে বহিষ্কার করা হল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে সিংকে (BJP)। বরখাস্ত করা হয়েছে বিজেপিরই এমএলসি অশোক আগরওয়ালকেও। শুক্রবারই প্রকাশিত হয় বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ৮৯টি আসন জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বিজেপি। তার পর শনিবারই শাস্তির খাঁড়া নেমে এল দলের দুই নেতার ওপর।

    সাসপেনশান লেটার (Bihar Poll Victory)

    আরকে সিংকে সম্বোধন করে সাসপেনশান লেটারে লেখা হয়েছে, “আপনার কার্যকলাপ দলের বিরুদ্ধে। এটি দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের আওতায় পড়ে। দল এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে এবং এটি দলের ক্ষতি করেছে।” চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, নির্দেশ অনুসারে আপনাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে এবং কেন আপনাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না, তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হচ্ছে। এই চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে আপনাকে আপনার অবস্থান স্পষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।” বিজেপি সূত্রে খবর, সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অন্যতম একটি কারণ হল, সাম্প্রতিক বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ। প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাঁর নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই একাধিক অভিযোগ তুলেছিলেন (Bihar Poll Victory)।

    দল বিরোধী কাজের অভিযোগ

    বিহার বিধানসভার নির্বাচন হয় চলতি মাসের ৬ এবং ১১ তারিখে। এর আগে অক্টোবর মাসে ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করে ভোটারদের অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা নেতাদের ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জেডিইউয়ের অনন্ত সিং এবং বিজেপির সম্রাট চৌধুরীর মতো বেশ কয়েকজন এনডিএ প্রার্থীও ছিলেন। সম্রাট বিহারের বিদায়ী মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।আরকে সিংদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দলবিরোধী মন্তব্য ও আচরণের জেরে বারবার ক্ষতি হয়েছে দলের। কাটিহারের মেয়র ঊষা আগরওয়ালকেও এই কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিহার বিজেপির প্রধান অরবিন্দ শর্মা এদিন সকালে ওই তিন নেতার কাছে শোকজ-সহ বরখাস্তের নোটিশ পাঠান। সেখানে সাফ জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে (BJP) তাঁদের আচরণে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সংগঠনের ভাবমূর্তিরও (Bihar Poll Victory)।

LinkedIn
Share