Tag: United Nations

United Nations

  • India’s Population: ২০৬০ সালে ভারতের জনসংখ্যা হবে সবচেয়ে বেশি ১৭০ কোটি, রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জের

    India’s Population: ২০৬০ সালে ভারতের জনসংখ্যা হবে সবচেয়ে বেশি ১৭০ কোটি, রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের জনসংখ্যা (India’s Population) পেরোবে ১৫০ কোটি। ২০৬০ সালে ভারতের জনসংখ্যা হবে সবচেয়ে বেশি ১৭০ কোটি। তারপর ধীরে ধীরে ভারতের জনসংখ্যা ১২ শতাংশ কমবে। একবিংশ শতাব্দীর শেষে জনসংখ্যা অনেকটা কমলেও ভারতই বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস রাষ্ট্রপুঞ্জের (United Nation)। তখন চিন থাকবে ভারতের থেকে অনেক পিছনে, এমনই বলছে সমীক্ষা। এদেশের জনসংখ্যা থাকবে চিনের প্রায় আড়াই গুণ। 

    কী বলছে রাষ্ট্রপুঞ্জ (India’s Population) 

    রাষ্ট্রপুঞ্জের (United Nation) ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন প্রসপেক্টস ২০২৪’ নামাঙ্কিত রিপোর্ট বলছে, ২০২৪ সালের শেষে ভারতের সম্ভাব্য জনসংখ্যা (India’s Population) হতে পারে ১৪৫ কোটি। চিনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। ২০৬০ সালে ভারতের জনসংখ্যা বিশ্বের মধ্যে শীর্ষস্থানে পৌঁছতে পারে। জনসংখ্যা হতে পারে ১৭০ কোটি। তবে এই সময়ের মধ্যে চিনের জনসংখ্যা ১২০ কোটির কাছাকাছি থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে। শতাব্দী শেষে ২১০০ সালে ভারতের জনসংখ্যা হতে পারে ১৫০ কোটি। চিনের জনসংখ্যা অনেকটাই কমে হতে পারে ৬৩ কোটি। জনসংখ্যার নিরিখে ভারত এবং চিনের পরে থাকতে পারে আমেরিকা। সে দেশে এখন জনসংখ্যা ৩৪ কোটি। রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ‘ইউনাইটেড নেশনস ডিপার্টমেন্ট অফ ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স’ (দেসা)-এর জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভাগ।

    আরও পড়ুন: সবজি থেকে জামা-কাপড়, টিভি-ফ্রিজ, ডিজিটাল লেনদেনেই জোর তরুণ প্রজন্মের

    সারা বিশ্বে কী প্রভাব (United Nation)

    রাষ্ট্রপুঞ্জের (United Nation) রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৮০ সালের মাঝামাঝি বিশ্বের জনসংখ্যা ১০.৩ বিলিয়ন তথা ১০০০ কোটি ছাপিয়ে যাবে। তবে এর পরই তা কমতে থাকবে। শতাব্দী শেষ হতেই সব মিলিয়ে ১০ কোটি জনসংখ্যা হ্রাস পাবে গোটা পৃথিবী মিলিয়ে। ১৯৫০ সাল থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে জনসংখ্যা সমীক্ষা শুরু হয়েছে। গত বাহাত্তর বছরে প্রথমবার বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশের তকমা পেয়েছে ভারত। যা দীর্ঘদিন যাবৎ ছিল চিনের দখলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৪ জানুয়ারি, বুধবার। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস (International Day Of Education)। এ বছরের থিম, ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’। গত ছ’ বছর ধরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস। তামাম বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ বাস করেন দাঙ্গা দীর্ণ এলাকায়। বিশেষত তাঁদের জন্যই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে এই থিম।

    ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’

    দাঙ্গা কিংবা অন্য কোনও কারণে যেসব শিশু শিক্ষার পথ মাড়ায়নি কিংবা মাড়ানোর সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য কাজ করে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’। কত শিশু তাদের নিজেদের পরিচয় জানে না। কত শিশুর নেই স্থায়ী ঠিকানা। এই সব শিশুরাও বঞ্চিত শিক্ষার অমৃতমধুর স্বাদ থেকে। সারা বিশ্বেই শিক্ষার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। শিক্ষাকে যাতে প্রত্যেকে কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করা উচিত আমাদের সবারই। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা (International Day Of Education) একটি টুল, যার সাহায্যে পৃথিবীর অনেক সমস্যারই সমাধান করা যায়। দূর করা যায় দারিদ্র, অসাম্যের মতো জ্বলন্ত সমস্যাও। শিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতেই ফি বছর বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস।

    আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস

    শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে ২০১৮ সালে ২৪ জানুয়ারি দিনটিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিল যে ৫৯টি দেশ, তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে কেবল শিক্ষার জন্য আস্ত একটা দিন বেছে নেয় রাষ্ট্রসংঘ। তার পরেই ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। তার পর থেকে গোটা বিশ্বেই পালিত হচ্ছে দিনটি। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের চলতি বছরের থিমের ওপর হচ্ছে আলোচনা। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরেও বসেছে আলোচনা সভা। আলোচনার বিষয়বস্তু, ‘নিজের, অন্যের এবং এই গ্রহের ওপর খেয়াল রাখার জন্যই শিক্ষা’।

    আরও পড়ুুন: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    কেন বেছে নেওয়া হল ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’র মতো থিম? জানা গিয়েছে, বর্তমান বিশ্ব জর্জরিত নানা দ্বন্দ্বে, বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণে। এই দ্বন্দ্ব-বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণ দূর করতে প্রয়োজন শিক্ষার। একমাত্র শিক্ষাই দেখাতে পারে স্থায়ী শান্তির পথ। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয়েছে এমন একটি থিম (International Day Of Education)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    Narendra Modi: ‘‘বাদ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র’’! নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে সওয়াল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত (India)। কিন্তু রাষ্ট্রসংঘের (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের তালিকায় নেই তারা। তাহলে তো রাষ্ট্রসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই মানুষের মনে প্রশ্ন উঠতে পারে!ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মন্তব্য মোদির।

    রাষ্ট্রসংঘে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    ফ্রান্স (France) সফরের আগে সেদেশের প্রথম অর্থনৈতিক সংবাদপত্র ‘লেজেকো’-কে সাক্ষাৎকার দিলেন মোদি (Narendra Modi)। ফরাসি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকরে বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে যুদ্ধ নয়, যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চার উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  সন্ত্রাস মুক্ত বিশ্বই ভারতের প্রধান লক্ষ্য বলে জানান। দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রসংঘের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার দাবি জানিয়েছে ভারত। এবার সরাসরি এই প্রসঙ্গে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত। অথচ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (United Nations Security Council) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নেই। এখানেই প্রশ্ন থেকে যায়। নিরাপত্তা পরিষদের দাবি, গোটা বিশ্বের হয়েই তারা কথা বলে। কিন্তু সেখানে যদি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রই না থাকে, তাহলে কি এই দাবিকে যুক্তিসঙ্গত বলা যায়? শুধু বিশ্বাসযোগ্যতা নয়, আরও বড় প্রশ্ন ওঠে রাষ্ট্রসংঘের এহেন আচরণে।”

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারত

    বর্তমানে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যভুক্ত দেশগুলি হল আমেরিকা, চিন, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং ব্রিটেন। ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য একমাত্র চিন ছাড়া বাকি দেশগুলি সম্মতি দিয়েছে। স্থায়ী সদস্যগুলির মধ্যে যে কোনও একজনের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা থাকায়, চিনের আপত্তিতে স্থায়ী সদস্যপদ পাইনি ভারত। তবে, ফ্রান্স সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) স্থায়ী সদস্যপদের সওয়াল, যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। সামাজিক ও আর্থিক ক্ষেত্রে ব্যাপক বৈষম্য থাকা সত্ত্বেও ভারতে গণতন্ত্র বজায় রাখতে পেরেছি আমরা। বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য বজায় রাখা যায়, সেটাই দেখাতে পারে ভারত। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যোগ্য স্থান দিতে হবে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে।”

    আরও পড়ুন: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    সাক্ষাৎকারে ‘পশ্চিমী মূল্যবোধের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা’ নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন মোদি (Narendra Modi)। এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের প্রতিটি কোণায় দর্শন ও সংস্কৃতির কথা বিবেচনা করতে হবে। পুরনো ধারণা ত্যাগ না করলে পৃথিবী কখনই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যেতে পারবে না। পৃথিবী একটাই। কিন্তু এখানে অনেক দর্শন ও দৃষ্টিভঙ্গি আছে।’ পাশাপাশি যোগ ও আয়ুর্বেদের পক্ষেও সওয়াল করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, যোগ আজ একটি পারিবারিক শব্দ। তিনি বলেন, প্রাচীন কাল থেকে ভারতে আয়ুর্বেদ চর্চা হয়েছে আসছে। বিশ্ব জুড়ে যোগ ও আয়ুর্বেদ চর্চাকে ছড়িয়ে দেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Narendra Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাষ্ট্রপুঞ্জে যোগাভ্যাসের ‘পাঠ’ পড়াবেন মোদি

    Narendra Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাষ্ট্রপুঞ্জে যোগাভ্যাসের ‘পাঠ’ পড়াবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে, নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (Yoga Day 2023) উপলক্ষে আয়োজিত, বিশেষ যোগ অধিবেশনের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  প্রতি বছর ২১ জুন পালন করা হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবছর ওই দিনই চার দিনের সফরে আমেরিকা পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রথম রাষ্ট্রপুঞ্জের আঙিনায় যোগ শিক্ষা দেবেন মোদি।

    যোগ দিবসের নানান কর্মসূচি

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ২১ জুন সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত, এক ঘণ্টা রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরের উত্তরের লনে এই বিশেষ যোগ অধিবেশন চলবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে, রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি, আপনাদের সকলকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে একটি যোগ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক যোগ (Yoga Day 2023)  অধিবেশনে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপুঞ্জের শীর্ষ কর্তারা। এছাড়া থাকবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিরা পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের বহু বিশিষ্ট সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সকল অতিথি এবং অংশগ্রহণকারীদের এই বিশেষ অধিবেশনে যোগাভ্যাসের উপযোগী পোশাক পরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। অধিবেশন তাদের ‘যোগা ম্যাট’ দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ

    রাষ্ট্রপুঞ্জের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যোগা ম্যাটগুলি স্মারক হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের দিয়ে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে একটি ট্যুইট করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনের সভাপতি সাবা করোসি। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে নিজের একটি ছবি ট্যুইট করে সাবা করোসি জানিয়েছেন, “আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরের নর্থ লনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।”

    মোদির ট্যুইট বার্তা

    এই বিষয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Narendra Modi)। বিভিন্ন আসনের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “যোগব্যায়াম শরীর এবং মন উভয়ের জন্যই উপকারী। শক্তি, নমনীয়তা এবং প্রশান্তি বৃদ্ধি করে। আসুন যোগকে আমাদের জীবনের একটি অংশ করে তুলি এবং জীবনে সুস্থতার পাশাপাশি শান্তি নিয়ে আসি।”

    আরও একটি ট্যুইটে তিনি সাবা করোসির ট্যুইটের জবাবও দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে আপনাকে দেখতে আমিও উন্মুখ হয়ে আছি। আপনার অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। গোটা বিশ্বকে এক করে সুস্থতার দিকে নিয়ে যায় যোগ। কামনা করি, এটি বিশ্বব্যাপী আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠুক।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পথে ফের বাধা হয়ে দাঁড়াল চিন। সম্প্রতি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতা আব্দুল রউফ আজহারকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব রেখেছিল ভারত। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে চিন। 

    জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ভাই রউফের জন্ম পাকিস্তানে ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান অপহরণ কাণ্ড সহ ভারতে একাধিক নাশকতামূলক ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে রউফ জড়িত। কোথাও হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা তো কোথাও জঙ্গি হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া। ২০০১ সালে পার্লামেন্টে হামলা ও ২০১৬ সালে পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার সময়ও রউফ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে তদন্তে উঠে এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    জানা গিয়েছে, পরিষদের (UNSC) ১২৬৭ আইএসআইএল এবং আল কায়দা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আব্দুল রউফের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল নয়াদিল্লি। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি তোলে বেজিং। ২০১০ সালে রউফকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, গত বছরের অগাস্ট মাসে রউফকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করার যৌথ প্রস্তাব রেখেছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিশ্বব্যাপী রউফের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হত। তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ হত। কিন্তু, তখনও সেই প্রস্তাবেও ‘ভেটো’ দিয়েছিল পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য চিন। 

    পাকিস্তানের ‘সব-ঋতুর বন্ধু’ বলে পরিচিত চিন। গত বছর একইভাবে নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) তোলা হাফিজ সঈদ, লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি শাহিদ মাহমুদ এবং সাজিদ মিরকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও আটকে দিয়েছিল বেজিং। একইভাবে, গত বছরই লস্করের ডেপুটি প্রধান আব্দুল রেহমান মাক্কিকে কালো তালিকাভুক্ত করার জন্য ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রস্তাবেও আপত্তি জানিয়েছিল চিন। যদিও, গত জানুয়ারি মাসে হাফিজের ভাই মাক্কির ওপর থেকে চিন আপত্তি তুলে নেওয়ায় তাকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করা হয়।

  • United Nations: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য!

    United Nations: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিতে ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের পরেই এবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (United Nations) স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতকে খোলাখুলিভাবে সমর্থন জানাল ব্রিটেন। ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি দেশের সমর্থন মেলায় এবার নয়াদিল্লি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া অনেকটাই সহজ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন। ব্রিটিশ হাইকমিশনার আলেকজান্ডার এলিস বলেন, “আমরা অবশ্যই ভারতকে ইউএনএসসি-এর সদস্য হওয়ার দাবিতে সমর্থন করি। ইউএনএসি-র সংস্কারগুলি প্রাতিষ্ঠানিক, বাস্তবতা কম।”  

    তিনি আরও বলেন, “প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন করা কঠিন। কিন্তু আমাদের সেটা করতে হবে। ইউএন (United Nations) এবং ইউএনএসসি- তে কিছু দেশ এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে। পরে কিছু দেশ আসে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মতো। আমরা চাইব ভারত একটি কার্যকরী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলুক।”

    তিনি অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক (United Nations) কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন- এর উদাহরণও দেন। বলেন, দেশগুলি আজকের বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “ভারতও অর্থ ঋণ দিয়েছে।” ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরও বলেন, যে দ্বীপ রাষ্ট্রগুলির আরও বেশি সমর্থন প্রয়োজন।

    ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন দু’টি দেশের সমর্থন মেলায় এবার নয়াদিল্লি (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া অনেকটাই সহজ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতে এর আগে ভারতকে সমর্থনের কথা শোনা গিয়েছে আমেরিকা ও রাশিয়ার গলাতেও। তবে এখনও পর্যন্ত এই নিয়ে চিনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই প্রস্তাব পাশ করানোর ক্ষেত্রে ভারতের কাঁটা হতে পারে চিন। কারণ বেজিংয়ের কাছেও রয়েছে ভেটো ক্ষমতা। যা প্রয়োগ করে এই প্রস্তাব আটকে দিতে পারেন তাঁরা। গত দু’বছর ধরে সীমান্ত সংঘাতের জেরে ভারত-চিন সম্পর্কে অনেকটাই অবনতি হয়েছে। যার প্রভাব ভারতের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

    সমর্থন ফ্রান্সেরও 

    গত কয়েক বছর ধরেই রাষ্ট্রসংঘের অমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা (United Nations) রয়েছে বলে সওয়াল করে আসছে ভারত। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠনের মঞ্চেই বিদেশমন্ত্রী জয়শংকরের নেতৃত্বে ‘Maintenance of International Peace and Security: New Orientation for Reformed Multilateralism’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতকে খোলাখুলিভাবে সমর্থনের কথা বলেন রাষ্ট্রসংঘের ফরাসি রাষ্ট্রদূত নিকোলাস দে রিভেরে। ভারত ছাড়াও জার্মানি, ব্রাজিল এবং জাপানকেও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য সমর্থন জানিয়েছে ফ্রান্স।

    আরও পড়ুন: “অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ”, ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াংচুক

    রাষ্ট্রসংঘের আলোচনা সভায় ঠিক কি বলেছেন (United Nations) ফরাসি রাষ্ট্রদূত? তাঁর কথায়, “ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের পক্ষে। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও মনে করি আমরা। বিশ্বের নতুন শক্তিগুলির উত্থান মেনে নিতে হবে। নিরাপত্তা পরিষদে তাঁদের উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Bangladesh: পাকিস্তানকে ৭১- এর নৃশংসতার জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে স্মারকলিপি পেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের

    Bangladesh: পাকিস্তানকে ৭১- এর নৃশংসতার জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে, রাষ্ট্রসংঘে স্মারকলিপি পেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় গণহত্যার সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানি সেনাদের বিচারের দাবিতে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে ঢাকায় জাতিসংঘ মিশনে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ।

    স্মারকলিপিতে পাকিস্তানকে প্রকাশ্যে বা গোপনে বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরুদ্ধে থাকা শক্তিগুলির সঙ্গে সম্পর্ক রাখা থেকে বিরত থাকার দাবি জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে এও দাবি করা হয়েছে যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের জনগণের কাছে বঙ্গবন্ধু হত্যা, ২১তম গ্রেনেড হামলা এবং ৭১- এর নৃশংসতার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। 

    আরও পড়ুন: মঞ্চে অমিতাভ-জয়া, পৌঁছতে দেরি হওয়ায় শাহরুখ ছাড়াই শুরু চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান 

    কী বলল মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ? 

    স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলে, “যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারান এবং দু লক্ষ মহিলা ধর্ষিতা হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে পাকিস্তানের আইএসআই সরাসরি জড়িত ছিল। মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণের প্রতিশোধ নিতে, পাকিস্তান বঙ্গবন্ধু সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। জিয়া-মোশতাকের সহায়তায় পাকিস্তান সেনা বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে নৃশংস রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।”

    ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু (Bangladesh) কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যা করার জন্য পাকিস্তান বিরোধী দলকে গ্রেনেড সরবরাহ করেছিল। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা শেখ হাসিনার জীবন বাঁচাতে মানব সুরক্ষা তৈরি করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনা প্রাণে বাঁচলেও গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতার মৃত্যু হয়।  

    বাংলাদেশ (Bangladesh) মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চ আরও বলে, “এসব হত্যাকাণ্ডের দায় পাকিস্তান এড়াতে পারে না। পাকিস্তান যদি বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, তাহলে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্ত কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে বাধ্য হবে। আমরা জাতিসংঘের কাছে দাবি করছি যে, ১৯৭১ সালে গণহত্যা এবং বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত থাকার অপরাধে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিচার হোক। সাজা দেওয়া হোক অপরাধীদের।” 

    সম্প্রতি ১৯৭১ সালের যুদ্ধে বাঙালি (Bangladesh) এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের “গণহত্যা” অবশেষে স্বীকৃতি পেয়েছে। কারণ হোয়াইট হাউস ইসলামাবাদের এই কাণ্ডের নিন্দা করেছে কিছুদিন আগেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • World Population: ৮০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল বিশ্বের জনসংখ্যা, অচিরেই চিনকে টপকে যাবে ভারত!

    World Population: ৮০০ কোটির মাইলস্টোন ছুঁল বিশ্বের জনসংখ্যা, অচিরেই চিনকে টপকে যাবে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন বিস্ফোরণ! বিশ্বের জনসংখ্যা (World Population) ছুঁয়ে ফেলল ৮০০ কোটির মাইলস্টোন। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ (UN)। তাতেই উঠে এসেছে এই তথ্য। ১৯৭৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা পার হয়েছিল ৪০০ কোটির চৌকাঠ। যার অর্থ, মাত্র ৪৮ বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে বিশ্বের জনসংখ্যা।

    ২০১১ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা…

    জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছাড়িয়েছিল ৭০০ কোটি। আর এ বছর হল ৮০০ কোটি। অর্থাৎ ১১ বছরে বিশ্বের জনসংখ্যা পেরল ১০০ কোটি। যা রেকর্ড বই কি!  রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৯৭০ কোটি। ১৮০৪ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ১০০ কোটি। তার পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে জনসংখ্যা।

    রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, অস্বাভাবিক গতিতে যে জনসংখ্যা (World Population) বেড়েছে, তার কারণ একদিকে যেমন বেড়েছে গড় আয়ু, তেমনি অন্যদিকে কয়েকটি দেশে সন্তান জন্মের হার অত্যন্ত বেশি। জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং উন্নত ওষুধ আবিষ্কারের কারণে কমেছে মৃত্যুহারও। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে জনসংখ্যা।

    আরও পড়ুন: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?

    বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভারতের জনসংখ্যাও। রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যেই জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে যাবে ভারত। তার পরেই ভারতের জনসংখ্যা হয়ে যাবে বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে বেশি। রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে ভারত ও চিন দুই দেশের জনসংখ্যাই ১৪০ কোটির বেশি। ভারতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার চিনের থেকেও ঢের বেশি। কেবল ভারত নয়, গোটা পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়ই জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেশি। রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্ট থেকেই জানা যাচ্ছে, শুধু দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়ই বাস করেন গোটা বিশ্বের ২৯ শতাংশ মানুষ। আর পূর্ব এশিয়ায় বাস করেন ২৬ শতাংশ।

    তবে আশার আলোও দেখা যাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, ২০৩০ সালে ভারত চিনকে টপকে গেলেও, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ক্রমেই নিম্নগামী। কারণ ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে, ২০৩৭ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছোঁবে ৯০০ কোটির ঘর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Fighting Nazism: ফের মস্কোর পাশে নয়াদিল্লি, নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার প্রস্তাবে সায় ভারতের

    Fighting Nazism: ফের মস্কোর পাশে নয়াদিল্লি, নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার প্রস্তাবে সায় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে (UN) ফের রাশিয়ার (Russia) পাশে দাঁড়াল ভারত (India)। মস্কোর আনা প্রস্তাবে সায় দিল নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ‘নাৎসিবাদ (Nazism) মহিমান্বিত করার বিরুদ্ধে লড়াই’ শীর্ষক ওই প্রস্তাবের খসড়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত। এই খসড়া প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১০৫টি। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ৫২টি দেশের প্রতিনিধিরা। ভোটদানে বিরত থেকেছেন ১৫টি দেশের প্রতিনিধি। এদিন ভারতের প্রতিনিধি বলেন, আদিবাসী জনগণের ধারণাটি দেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য নয়। কমিটি আটটি খসড়া প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আদিবাসীদের অধিকার, ডিজিটাল যুগে গোপনীয়তা রক্ষা, নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই। এই খসডা প্রস্তাবে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুও রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাক্ষরতার অধিকার, যৌন হেনস্থা থেকে শিশুদের রক্ষা এবং ক্রিমিনাল জাস্টিসও। এর সঙ্গেই রয়েছে নাৎসিবাদ মহিমান্বিত করার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টাও।   

    খসড়া প্রস্তাবে নাৎসি আন্দোলন (Fighting Nazism), নব্য নাৎসিবাদ, নাৎসিদের অতীত মহিমাকীর্তন করতে গণ প্রদর্শনীর মতো বিষয়গুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্ণবাদী এবং জেনোফোবিক রেটোরিক, ইসলামফোবিয়া, অ্যাফ্রোফোবিয়া এবং ইহুদি বিদ্বেষের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রতিনিধি।

    এদিন অধিবেশনে উপস্থিত বেশ কয়েকজন প্রতিনিধির দাবি, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার হামলার যৌক্তিকতা বোঝাতে মরিয়া মস্কো। তাই তোলা হচ্ছে নব্য নাৎসিবাদের ঢেঁকুর। আবার ইউক্রেনের প্রতিনিধির দাবি, এই খড়সা প্রস্তাবের সঙ্গে নাৎসিবাদ ও নব্য নাৎসিবাদের প্রকৃত লড়াইয়ের কোনও সম্পর্কই নেই। একই সুর শোনা গিয়েছে ব্রিটেন, আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের গলায়ও। খসড়া প্রস্তাবটিকে মস্কোর ‘সিনিক্যাল অ্যাটেম্পট’ বলে দেগে দিয়েছেন আমেরিকার প্রতিনিধি।

    আরও পড়ুন: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে কেউ নিষেধ করেনি, সাফ জানালেন হরদীপ সিং পুরী

    এই প্রথম নয়, এর আগেও বিভিন্ন সময় রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছিল ভারত। অক্টোবর মাসে গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের চারটি এলাকা দখল করার রাশিয়ার প্রক্রিয়াকে বেআইনি ঘোষণা করে একটি খসড়া প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল রাষ্ট্রসংঘে। সেবার ভোটদানে বিরত ছিল ভারত। ভোট দেয়নি আরও ৩৪টি দেশও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistan Terrorism: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    Pakistan Terrorism: ভারত, আমেরিকার প্রস্তাব খারিজ, পাক জঙ্গি শাহিদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণার বিরোধিতায় চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আর ও একবার রাষ্ট্রসংঘে ভারতের বিরোধিতা করল চিন। লস্কর-ই-তইবা (Pakistan Terrorism) নেতা শাহিদ মাহমুদকে Shahid Mahmood আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য রাষ্ট্রসংঘে ভারত ও আমেরিকা আনা যৌথ প্রস্তাবকে খারিজ করল চিন। লস্কর-ই-তইবার এই শীর্ঘ নেতাকে এই মুহুর্তেই আন্তর্জাতিক জঙ্গি হিসেবে ঘোষণার পক্ষপাতী নয় বেজিং। তবে, চিনের এই আচরণ নতুন নয়। গত কয়েকমাসে এই নিয়ে চারবার ভারতে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রস্তাবের বিরোধীতা করে আসছে চিন। মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসেই মাহমূদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করে।

    রাষ্ট্রসংঘে আল কায়দাকে নিষিদ্ধ করার আইনের আওতাতেই শাহিদক মাহমুদকে (Pakistan Terrorism) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করতে উদ্যোগী হয়েছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু চীন সে প্রস্তাবে বাধা দেওয়ায় শাহিদ মাহমুদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনাই করতে পারেনি রাষ্ট্রসংঘের সদস্য দেশগুলি।

    [tw]


    [/tw]

    মুম্বইয়ে ২৬/১১ হামলার মূল চক্রী সাজিস মীরের প্রধান সহযোগী ছিলেন এই শাহিদ। চিন পাকিস্তান মদতপুষ্ট (Pakistan Terrorism) এই জঙ্গি নেতাকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে স্থগিত দেশ দেওয়ার সময়েই ভারতে সফরে এসেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তেনিও গুতেরেস (Antonio Guterres)। ২০০৮ সালে লস্কর ই তইবার এই আক্রমনে মুম্বই শহরে প্রায় ১৬০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ হারায়। আহত হয়েছিল অসংখ্য মানুষ। ২৬/১১ নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই ভারতে এসেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের বেশ কয়েকটি জঙ্গিগোষ্ঠীর মোট ১৮ জনকে ইউএপিএ আইনের আওতায় কালোতালিকা ভুক্ত করেছে ভারতে।এর মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবা, হিজবুল মুজাহিদীন, জইশ-ই-মহম্মদ, ইন্ডিয়ান মুজাহিদীন এবং দাউদ ইব্রাহিমের দলভুক্ত কয়েক নেতা৷সেই তালিকায় শাহিদ মেহমুদ ওরফে শাহিদ মেহমুদ রেহমাতুল্লাহরও নাম রয়েছে৷

    কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের মূল চক্রী আব্দুল রউফ আজহারকে কিছুদিন আগেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করতে চেয়ে যৌথ প্রস্তাব দিয়েছিল ভারত ও আমেরিকা। সেখানেও একইভাবে বিরোধিতা করেছিল চিন। জুন মাসে লস্কর প্রধান হাফিজ সইদের শ্যালক মক্কিকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল ভারত। কিন্তু চিনের বিরোধিতায় ভারতের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। বেজিং-এর এই ভূমিকায় বারবার সমালোচনা করেছে ভারত।

    চলতি বছরের ব্রিকস সম্মেলনেও নাম না করে চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিংকে বিঁধেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সারা পৃথিবীর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে একযোগে লড়াই করতে হবে। দেশের সংকীর্ণ রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে হবে। তবে মোদির এই আহ্বানে চিন যে সাড়া দেয়নি, সেটা রাষ্ট্রসংঘে তাদের আচরণেই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।লাগাতার এই ধরনের ঘটনা থেকে পরিষ্কার, পাকিস্তানি জঙ্গিদের আড়াল করতে সবসময় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে চিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
LinkedIn
Share