Tag: university

university

  • Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    Jadavpur University Incident: হিন্দু ভোট ভাগ করতেই যাদবপুরকাণ্ড! ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুরকাণ্ডের (Jadavpur University Incident) নেপথ্যে রয়েছে ঘোর ষড়যন্ত্র। অন্তত এমনই মনে করে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ২০২৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপিকে রুখতে ঘুরিয়ে সিপিএমের হাত শক্ত করতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল।

    পুরোটা ড্রামা! (Jadavpur University Incident)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা (যাদবপুরকাণ্ড) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটা ড্রামা হতে পারে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গে এসএফআইকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন, মানে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করতে চাইছেন।” তিনি বলেন, “বাংলাদেশের চিত্র দেখার পরে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরাও বুঝতে পেরেছেন আগামীদিনে বাংলাদেশ পার্ট-টু তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে। হিন্দু ভোট ভাগ করতে হবে। হিন্দু ভোট যদি সব বিজেপি পেয়ে যায়, আর চার পার্সেন্ট পেয়ে গেলেই তো বিজেপি সরকারে চলে আসবে।”

    হিন্দু ভোট ভাগ করার কৌশল!

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “আসলে হিন্দু ভোট ভাগ করার জন্য সিপিএমকে তোলা হচ্ছে। এখন তৃণমূল-এসএফআই সংঘর্ষ হবে। সিপিএম নেতাদের ওপর হামলা হবে। সিপিএম পার্টি অফিসে হামলা হবে। যখনই হামলা হয়, তার মানে আপনি প্রাসঙ্গিক হন। এখন সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্টো হামলা করে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা চলছে।” তিনি বলেন, “সিপিএমকে ভোট দেওয়া মানেই তৃণমূলকে সাহায্য করা।”

    নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে

    যাদবপুরকাণ্ডে নয়া আইপ্যাকের হাত থাকতে পারে বলেও (Jadavpur University Incident) আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন (BJP) সুকান্ত। তিনি বলেন, “যাদবপুরের ঘটনা নতুন যে আইপ্যাক হয়েছে, তার প্ল্যান হতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পুরোটাই ড্রামা হতে পারে। আইপ্যাক এর আগে এমন বহু কাজ করেছে।” সুকান্ত বলেন, “যারা ভোটে জেতার জন্য নিম্ন রুচির পরিচয় দিতে পারে, তারা এই ধরনের কাজ করতেই পারে। লোকসভা নির্বাচনে আমার বিরুদ্ধেই আইপ্যাক লিফলেট বিলি করেছিল। আমি ভোটে হার স্বীকার করে নিচ্ছি এই সব বলে লিফলেট বিলি করেছিল আইপ্যাক।”

    কি বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বদলে যাবে, তা মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার (বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোয় এই খেতাব জোটে) শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক ঘণ্টায় নকশালমুক্ত করা হবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে।” তিনি বলেন, “জনগণ পুলিশটাকে বিজেপির হাতে দিয়ে দিক, আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গিয়েছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গিয়েছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না।” তিনি বলেন, “যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলায় এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।”

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা

    বিজেপিকে ওঝার সঙ্গে তুলনা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, পদ্ম-পার্টি দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নকশালদের তাড়িয়েছে। বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “এরকম অনেক নকশালপন্থী সংগঠন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় রয়েছে। এরা ভারতের সংবিধান মানে না। ভারতের বর্তমান কাঠামোকে মানে না। এদের তো জিইয়ে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তার পরে আর এরা বেঁচে থাকবে না।” তিনিও বলেন (Jadavpur University Incident), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এদের বিদায় করেছি, ওসমানিয়া ইউনিভার্সিটি এক সময় এই নকশালদের গড় ছিল। এখন আর তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না।” তিনি বলেন, “বিজেপি হচ্ছে এদের ওঝা (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শিক্ষামন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শন হয়। অভিযোগ, এর পরে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি ছাত্রদের ধাক্কা দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিল এসএফআই এবং ডিএসও।

    তৃতীয় পক্ষে’র হাত!

    যাদবপুরের ঘটনায় ‘তৃতীয় পক্ষে’র হাত দেখছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তাঁর বক্তব্যেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। ব্রাত্য বলেন, “গুন্ডামি করতে চেয়েছিল এক দল।” তিনি বলেন, “ওঁরা ঘেরাও করতে চাইছিলেন, তাতে অসুবিধা ছিল না। তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকদের মারধর, তৃণমূলের মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, এগুলো হতেই পারে?” এর পরেই তিনি বলেন, “রাজনৈতিকভাবে দুর্বল ভাববেন না। আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়তে চাই।” তবে ভাঙচুরের ঘটনা সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই ঘটায়নি বলেও জানান তিনি। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যই বাম ও তৃণমূলের বোঝাপড়ার তত্ত্ব খাড়া করছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বাংলার মানুষ শুধু আমাদের হাতে পুলিশটা তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দুটোকেই উপড়ে ফেলে দেব (BJP)! এর ঘণ্টা লাগবে (Jadavpur University Incident)।”

  • Ayush University: উত্তরপ্রদেশে চালু হচ্ছে আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয়, কী কী পড়ানো হবে এখানে জানেন?

    Ayush University: উত্তরপ্রদেশে চালু হচ্ছে আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয়, কী কী পড়ানো হবে এখানে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্র্যাডিশনাল মেডিসিনে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। দেশের প্রথম আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয় (Ayush University), মহাযোগী গুরু গোরক্ষনাথ আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয় চলতি বছরের শেষের দিকে যাত্রা শুরু করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হবে। আয়ুর্বেদ, যোগ, ইউনানি, সিদ্ধা এবং হোমিওপ্যাথি (আয়ুষ) সম্পর্কিত বিভিন্ন কোর্স পড়ানো হবে এখানে।

    মুখপাত্রের বক্তব্য (Ayush University)

    এই বিশ্ববিদ্যালয় চালুর কথা ঘোষণা করতে গিয়ে, সরকারি এক মুখপাত্র জানান, এই প্রকল্পটি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের অন্যতম প্রধান স্বপ্ন। ২০২১ সালের ২৮ আগস্ট ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। গোরখপুর জেলার পিপরি, ভাথাত এলাকায় ৫২ একর বিস্তৃত ক্যাম্পাসে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা খাতকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছে। এটি আয়ুষ (AYUSH) শাখায় শিক্ষা, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার ক্ষেত্রে একটি মজবুত পরিকাঠামো হিসেবে গড়ে উঠবে (Ayush University)।

    আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয়

    আয়ুষ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা উত্তরপ্রদেশ সরকারের ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, তাকে উৎসাহিত করার অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে। যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা পদ্ধতির প্রবক্তা। তিনি একজন প্রশিক্ষিত যোগ অভ্যাসকারী। তিনিই এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। কাজ শুরু হওয়ার পর এই বিশ্ববিদ্যালয় আয়ুষ চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোকে মূলধারায় নিয়ে আসবে এবং এর ব্যাপ্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটি আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে এই শাখাগুলোর সমন্বয়ে সরকারের বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    এই বিশ্ববিদ্যালয় আয়ুষের অধীন বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী কোর্স প্রদান করবে, এর মধ্যে রয়েছে আয়ুর্বেদ, যা পরিচিত প্রাচীনতম চিকিৎসা পদ্ধতি, যোগ, যা একটি সামগ্রিক থেরাপি, ইউনানি, যা প্রাচীন গ্রিক নীতির উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, সিদ্ধা, যা প্রাচীন তামিল ঐতিহ্যের সাথে সম্পর্কিত এবং হোমিওপ্যাথি, যা একটি জনপ্রিয় বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি।

    আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর বাড়িতে ফের হামলা, বোমা ফাটলেও নিরাপদে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী

    প্রকল্পের এক মুখপাত্রের মতে, আয়ুষ বিভাগের কর্মকর্তারা ভারতের অন্যান্য রাজ্যে দেওয়া আয়ুষ প্রোগ্রামগুলির একটি নিয়ে বিস্তৃত গবেষণা করছেন। এই তুলনামূলক গবেষণার লক্ষ্যই হল বর্তমান আয়ুষ প্রতিষ্ঠানগুলির সেরা পদ্ধতি এবং কোর্স কাঠামো নির্ধারণ করা। এর মাধ্যমে গোরক্ষপুরে নবনির্মিত বিশ্ববিদ্যালয়কে (Uttar Pradesh) এই ক্ষেত্রে উৎকর্ষতার কেন্দ্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে (Ayush University)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    Aligarh Muslim University: ভাঙল ১০০ বছরের ইতিহাস! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় পেল প্রথম মহিলা উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা উপাচার্য পেল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (AMU)। ১০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও মহিলা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসলেন। এএমইউ-এর (Aligarh Muslim University) উপাচার্য হিসাবে নিযুক্ত হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন। আগামী পাঁচ বছর তিনিই এই পদে থাকবেন। শিক্ষা মন্ত্রকের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নতুন উপাচার্যের নিয়োগপত্রে সই করেন। নিয়োগপত্র পেয়ে সোমবার সন্ধ্যায় এএমইউ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তিতে নাইমা খাতুনকে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (woman Vice-Chancellor) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়কে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শক হিসাবে তাঁর ক্ষমতায়, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাইমা খাতুনকে পাঁচ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ করেছেন।” ভোট চলাকালীন যেহেতু এখন নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি রয়েছে, তাই এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনেরও (ECI) অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কমিশন শর্ত আরোপ করে জানিয়েছে, “এই নিয়োগ নিয়ে কোনও প্রচার হবে না এবং এর থেকে কোনও রাজনৈতিক ফায়দা তোলা যাবে না।”

    আরও পড়ুনঃ শতাব্দীর ওপর ক্ষোভ জানিয়ে তিনশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা

    উল্লেখ্য, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী ছিলেন নাইমা (Naima Khatoon), এখান থেকে সাইকোলজিতে পিএইচডি করেন তিনি। ১৯৮৮ সালে সেই বিভাগেই লেকচারার হিসাবে যোগ দেন। ২০০৬ সালে প্রফেসর হন। এরপর ২০১৪ সালে ওমেন্স কলেজের প্রিন্সিপাল হিসাবে যোগ দেন। প্রসঙ্গত এর আগে ১৯২০ সালে এএমইউ-তে আচার্য হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন বেগম সুলতান জাহান। সেই সময় তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা আচার্য। আর এবার প্রথম মহিলা উপাচার্য হিসাবে নিয়োগ হলেন অধ্যাপিকা নাইমা খাতুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    JNU: জেএনইউকে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছেন ‘সঙ্ঘী ভিসি’ শান্তিশ্রী, চেনেন তাঁকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) উপাচার্য নিয়োগ করার পরেই মোদি সরকারের মুণ্ডপাত করেছিলেন বিজেপি-বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতারা। অথচ মাত্র দু’বছরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোল বদলে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে গিয়েছেন উন্নতমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকার এক নম্বরে। এখন তাঁর নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছেন এক সময়কার সমালোচকরাও। পুণের সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে নিয়োগ করা হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য হিসেবে।

    জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী শান্তিশ্রী (JNU)

    শান্তিশ্রী জেএনইউয়েরই প্রাক্তনী। এমফিল এবং পিএইচডিও করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল, ‘নেহরুর আমলে ভারতের সংসদ ও বিদেশনীতি’। তাঁকেই বসানো হয় জেএনইউয়ের উপাচার্য পদে। তারপরেই দেশজুড়ে শুরু হয় সমালোচনা। সেসব পাত্তা না দিয়েই দায়িত্ব নিয়েছিলেন শান্তিশ্রী। বিশ্ববিদ্যালয়কে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দিয়ে তিনি বলছেন, “জেএনইউ (JNU) কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না, টুকরে টুকরে গ্যাং ছিল না। এই বিশ্ববিদ্যালয় চিরকালই ভিন্নমত, বিতর্ক এবং গণতন্ত্রকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে।” শান্তিশ্রী জেএনইউয়ের প্রথম মহিলা উপাচার্য। তিনি বলেন, “জেএনইউতে গৈরিকীকরণ হয়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এ নিয়ে কোনও চাপও নেই।” উপাচার্য বলেন, “আরএসএসের সঙ্গে আমার যে যোগ রয়েছে, তা নিয়ে আমি দুঃখিত নই, এই পরিচয় আমি লুকোতেও চাই না।”

    ‘জেএনইউয়ের নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই’

    শান্তিশ্রীর জন্ম রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে। ছোটবেলায় মা মারা যাওয়ার পরে তিনি ফিরে আসেন চেন্নাইয়ে দেশের বাড়িতে। মধ্যবিত্ত সাউথ ইন্ডিয়ান পরিবারে বেড়ে ওঠা তাঁর। আরএসএসের সঙ্গে যোগ থাকায় পড়ুয়ারা তাঁকে আবডালে ‘সঙ্ঘী ভিসি’ বলে ডাকেন। সেই তিনিই হাল ফিরিয়ে দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU)। QS ranking-এ বিশ্ববিদ্যালয়কে তুলে নিয়ে গিয়েছেন শীর্ষস্থানে। উপাচার্য বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমাদের উচিত এসবের (গৈরিকীকরণ) উর্ধ্বে ওঠা। জেএনইউ দেশের প্রতিষ্ঠান, তার নির্দিষ্ট কোনও পরিচয় নেই। জেএনইউ অন্তর্ভুক্তি ও বিকাশের প্রতীক। আমি সব সময়ই বলি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সাত ‘ডি’-এর প্রতীক। এই সাত ‘ডি’ হল ডেভেলপমেন্ট, ডেমোক্রেসি, ডিসেন্ট, ডাইভার্সিটি, ডিবেট ও ডিসকাশন, ডিফারেন্স এবং ডেলিবারেশন।”

    দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল

    শান্তিশ্রী যখন জেএনইউয়ের দায়িত্ব নেন, তখন ছাত্রবিক্ষোভ তুঙ্গে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল ছাত্রদের একাংশের বিরুদ্ধে। দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় যাঁরা জড়িত ছিলেন, তাঁরা ‘টুকরে গ্যাং’য়ের সদস্য বলে দেগে দেওয়া হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, “সেটা একটা ফেজ ছিল। দু’তরফেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। আমার মনে হয়, নেতারা আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি।” তিনি বলেন, “যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু অন্যধারার পড়ুয়া থাকেন, কেবল জেএনইউতেই (JNU) নয়। সেক্ষেত্রে নেতাদেরই দায়িত্ব বর্তায় কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু আমি মনে করি না যে আমরা দেশ-বিরোধী অথবা টুকরে টুকরে গ্যাং।”

    কী বললেন সঙ্ঘী ভিসি?

    সঙ্ঘী ভিসি বলেন, “আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই পর্বটা খারাপ ছিল। দু’তরফেই কিছু ভুল হয়েছিল। এর কারণ মেরুকরণ এবং নেতৃত্বের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব। আপনাদের বুঝতে হবে প্রতিটি মানুষ আলাদা। তাঁদের যুক্তিও আলাদা হবে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয় কখনওই দেশ-বিরোধী ছিল না।” তিনি বলেন, “আমি যখন এখানে পড়াশোনা করতাম, তখন এখানে বামেরা রাজত্ব করত। তখনও কেউ দেশ-বিরোধী ছিলেন না। তাঁরা সমালোচক। সমালোচক ও ভিন্নমত পোষণ করলেই কাউকে দেশ-বিরোধী বলে দেগে দেওয়া যায় না।” উপাচার্য বলেন, “আমার মনে হয়, প্রশাসন জেএনইউকে বুঝতে পারেনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয়কে পার হতে হয়েছে দুর্ভাগ্যের সেই পর্ব।”

    আরও পড়ুুন: প্রত্যাঘাত করল ইজরায়েল, ইরানের ‘লক্ষ্যবস্তু’তে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেল আভিভের

    স্কুলে বরাবরই প্রথম হতেন শান্তিশ্রী। মেডিক্যাল জয়েন্ট পাশ করে নয়াদিল্লির এইমসে যোগ দিয়েছিলেন। তিন মাস পরে চিকিৎসাশাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দেন। কারণ তাঁকে বলা হয়েছিল হয় গাইনোকোলজি নয়ত চাইল্ড স্পেশালিস্ট হতে হবে। নিউরোলজি নৈব নৈব চ। এইমসের পড়া ছেড়ে শান্তিশ্রী ভর্তি হন কলেজে। পরে হন পুণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন। তাঁর বাবাই আরএসএস অনুমোদিত সেবিকা সমিতির সামার ক্যাম্পে পাঠিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাঁর আরএসএসের সঙ্গে সখ্যতা। শান্তিশ্রী বলেন, “আমার জীবনে সংঘের সদর্থক প্রভাব রয়েছে। তবে জেএনইউয়ে (JNU) আমাদের গৈরিকীকরণ হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়! উদ্যোগী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়! উদ্যোগী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। রাজ্যের শান্তিনিকেতনের রয়েছে কেন্দ্রীয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণত একটি রাজ্যে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থাকে। তবে, বিশেষ ক্ষেত্রে আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা যেতে পারে। তাই পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরিতে উদ্যোগী হলেন বালুঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এনিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি সেই দাবি সনদ তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় না থাকার ফলে অনেক পড়ুয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে পাশের রাজ্য আসামে। এমন পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির দাবি উঠেছে বালুরঘাট সহ জেলাজুড়ে। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ-সুবিধা বাড়লে বালুরঘাট সহ জেলার যুবক যুবতীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে বালুরঘাটের বাসিন্দা সৌভিক সরকার বলেন, দীর্ঘদিন পর জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। তবে, তার পরিকাঠামো এখনও সেভাবে গড়ে ওঠেনি। গোটা উত্তরবঙ্গে কোনও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সাংসদের উদ্যোগে যদি উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয় তাহলে আমার মতো পড়ুয়াদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে বালুরঘাটের অন্য এক বাসিন্দা শিল্পী সাহা বলেন, আমাদের পড়াশুনা অনেক আগে শেষ হয়েছে। এখন আমাদের ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয়, সেক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পাবে তাঁরা। পড়াশুনা থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থাকে। যা পড়ুয়াদের শিক্ষা অর্জনে বিশেষ সুবিধা দেবে।

    কী বললেন সুকান্ত?(Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, কেন্দ্রের একটি নীতি রয়েছে প্রতি রাজ্যে একটি করে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হবে। যেহেতু উত্তরবঙ্গ পিছিয়ে পড়া জেলা, তাই আমরা আগেও দাবি জানিয়েছি এবং আগামী দিনে এমন দাবি জানাবো। বিশেষ মর্যাদা দিয়ে উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হয়। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও উত্তরবঙ্গে সেভাবে উন্নয়ন হয়নি বললেই চলে। তাই আগামী দিনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নজরেও বিষয়টি আনব, যাতে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: গৌড়বঙ্গে নেট পরীক্ষার সেন্টারের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট বা নেট পরীক্ষার সেন্টার মালদায় করার দাবিতে সরব হয়েছেন গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) উদ্যোগ নিয়েছেন। এনিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে লিখিতভাবে জানাতে চলেছেন।

    দুবছর আগেও মালদার সেন্টারে হত নেট পরীক্ষা

    কলেজে অধ্যাপনা ও উচ্চশিক্ষার জন্য নেট পরীক্ষা আবশ্যক। বছরে দু’বার করে এই পরীক্ষা হয়। দু’বছর আগেও পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, মালদা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হত। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য মালদার একটি পরীক্ষার কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হত। তবে, ২০২২ সালের পর থেকে গৌড়বঙ্গে আর কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র রাখা হয়নি। শুধুমাত্র গৌড়বঙ্গ নয়, মুর্শিদাবাদেও কোনওরকম পরীক্ষা কেন্দ্র নেই। বর্তমানে কলকাতা ও শিলিগুড়িতে নেট পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। গৌড়বঙ্গে তিন জেলা মিলিয়ে প্রায় ১৫-২০ হাজার পরীক্ষার্থী নেট পরীক্ষায় বসেন। মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র হলে দুই দিনাজপুর ও মালদার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হত। গত দুবছর ধরে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে, গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হয় কলকাতা অথবা শিলিগুড়িতে যেতে হচ্ছে। পরীক্ষার দু-তিন দিন আগে পরীক্ষা কেন্দ্র জানানো হয়। যার ফলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে সমস্যায় পড়তে হয়। পরীক্ষা দিতে গিয়ে থাকা খাওয়া ও যাওয়াটা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই, পড়ুয়ারা সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) দ্বারস্থ হয়েছেন।

    পরীক্ষার্থীদের কী বক্তব্য?

    এবিষয়ে বালুরঘাটের নেট পরীক্ষার্থী প্রদ্যুৎ মণ্ডল বলেন, বালুরঘাট থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়িতে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়াটা অনেকটাই ব্যয়বহুল। আগের মতো মালদাতে যদি একটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তাহলে পরে আমাদের জেলার পরীক্ষার্থীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে নেট পরীক্ষার্থী অসীম বর্মন বলেন, বছরে দুবার করে নেট পরীক্ষা হয়। একটা সময় মালদায় পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল। এখন আর মালদায় পরীক্ষা হয় না। গৌড়বঙ্গে যদি পরীক্ষার কেন্দ্র হয়, তাহলে আমাদের মতো সকলের সুবিধা হবে।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি কী বললেন? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গৌড়বঙ্গের পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে গৌড়বঙ্গের তিন জেলার যে কোনও একটিতে যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র করা হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে চিঠি দেব। প্রয়োজনে এনিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির কাজে গতি আনতে নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই ‘স্পিড প্রোগ্রাম’ চালু করার কথা ভেবেছেন আচার্য। একই সঙ্গে রাজভবনে রিয়েল টাইম মনিটরিং সেল চালু করার কথাও বলা হয়েছে।

    রাজভবনের নয়া নির্দেশিকা

    মঙ্গলবার রাতে রাজভবন থেকে প্রকাশিত ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ২৫টি কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, বকেয়া কাজগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শেষ করার জন্য একটি পরামর্শদাতা কমিটি গড়ার কথাও জানিয়েছেন আচার্য। থাকবে ২৫ সদস্যের শিক্ষক নির্বাচন কমিটিও। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজের মূল্যায়নের জন্য রাজভবনে একটি ‘রিয়েলটাইম মনিটরিং সেল’ও স্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্যেরা যে কোনও সময় আচার্য বোসের ওই মনিটরিং সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। দিনের ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে ওই টেলিফোন নম্বর (০৩৩-২২০০১৬৪২) পাশাপাশি ই-মেলে (aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com) অভিযোগ জানাতে পারা যাবে ওই মনিটরিং সেলকে। 

    আরও পড়ুন: শতবর্ষ পেরিয়েও সমান জনপ্রিয় সিউড়ির তাঁতিপাড়ার জিলিপি! লুকিয়ে কোন রহস্য?

    উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে মামলা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে মরিয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তিনি। এদিকে উপাচার্য নিয়োগ বিল মামলায় রাজ্যপালের অফিসের কাছে হলফনামা চেয়েছে হাইকোর্ট। ৪ অক্টোবরের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০২২ সালে জুন মাস উপাচার্য নিয়োগ বিল পাস হয় বিধানসভায়। এরপর রীতিমাফিক সেই বিল রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া ওই বছরের ২৫ জুন। কিন্তু বিলে স্বাক্ষর করা তো দুরঅস্ত, রাজ্যপাল কোনও পদক্ষেপই করেননি বলে অভিযোগ। ১৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপাল আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ছাড়াই দেড় মাস, দুশ্চিন্তায় পড়ুয়ারা

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ছাড়াই দেড় মাস, দুশ্চিন্তায় পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় দেড় মাস ধরে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। ফলে, কার্যত অভিভাবকহীন অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন নানা কাজকর্ম করছেন। পঠনপাঠন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাও নিতে পারবেন। কিন্তু, ফল প্রকাশ করার সময় উপাচার্যের অনুমোদন নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে উপাচার্য নিয়োগে অনেকটা দেরি হলে পরীক্ষার পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফল প্রকাশ করতে সমস্যায় পড়তে পারে। ফলে এমন একটা আশঙ্কা ছাত্র ও শিক্ষক মহলেও রয়েছে।

    কী বললেন স্থানীয় তৃণমূল সাংসদ?

    প্রায় দেড় মাস আগে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহেন্দ্রনাথ রায়ের কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তাঁর মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি, পুনরায় দায়িত্ব না পাওয়ায় তিনি পুরানো কর্মস্থলেই ফিরে গিয়েছেন। এরপর প্রায় দেড় মাস কেটে গেলেও নতুন করে কাউকে উপাচার্য নিয়োগ করা হয়নি। উপাচার্য নিয়োগে এত উদাসীনতা কেন? তা নিয়ে নানা মহলে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা তথা রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

    কী বললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য?

    আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের পর প্রথম উপাচার্য হিসেবে মহেন্দ্রনাথ রায় ২০২০ সালের ২৩ ডিসেম্বর কাজে যোগদান করেন। ২০২২ সালের ২২ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত উপাচার্য হিসেবে টানা দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ওই সময়ের পর পুনরায় নিয়োগ না করায় তিনি তাঁর পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যান। গত ২৩ শে ডিসেম্বর থেকে ৮ ই মার্চ পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত উপাচার্যহীন অবস্থায় ছিল। এর ফলে কয়েক মাস বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্থিক কোনও বরাদ্দ আসেনি, নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিস্থিতিতে অস্থায়ীভাবে গত ৯ মার্চ মহেন্দ্রনাথ রায়কে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত ৮ জুন পর্যন্ত তাঁর কার্যকালের মেয়াদ ছিল। গত ৯ জুন মহেন্দ্রনাথ রায় উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর পুরানো কর্মস্থলে ফিরে যান। নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বারবার উপাচার্য পদে শূন্যতা তৈরি হওয়ায় এখানকার পরিকাঠামো, পঠন-পাঠনের সম্প্রসারণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নের কাজ কার্যত গতি হারাচ্ছে। আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাক্তন উপাচার্য মহেন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠন সহ অন্যান্য কাজের ক্ষেত্রে শিক্ষক ছাত্র-শিক্ষা কর্মীসহ আলিপুরদুয়ারবাসীর সকলের সহযোগিতা পেয়েছি। যেহেতু এখন দায়িত্বে নেই, তাই এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Education: বন্ধের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন সুকান্ত

    Education: বন্ধের মুখে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হবে বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার পুরো পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তাঁর কটাক্ষ, ‘বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ধারণা আছে বলে মনে হচ্ছে না। তিনি আদৌ কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন কি না, তা অবশ্য আমার জানা নেই। কিন্তু তাঁর যে কোনও ধারণা নেই, রাজ্যে একের পর এক ভোট বিশ্ববিদ্যালয় (Education) গড়ে তিনি তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। দক্ষিণ দিনাজপুরেরটাও একটা ভোট বিশ্ববিদ্যালয়। হয়তো পরের ভোটে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বালি, সিমেন্ট বরাদ্দ হবে।’ সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘গত বিধানসভা ভোটের আগে তড়িঘড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার কোনও নিজস্ব ভবন নেই, কর্মী নেই, অধ্যাপক নেই। অস্থায়ী কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না। সীমানা প্রাচীরও নেই। ভাড়া বাড়িতে ক্লাস চলে। এ কেমন বিশ্ববিদ্যালয়! আমরা প্রশাসনে নেই। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বঞ্চিত পড়ুয়াদের পাশে সরাসরি দাঁড়ানোর মতো অবস্থা আমাদের নেই। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের জন্য আমরা রাজ্যপালের দ্বারস্থ হব।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন জেলাবাসী

    রাজ্যের একমাত্র উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এবার ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর। এই জেলার বঞ্চনার ফিরিস্তিতে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জুড়ে যাওয়াকে ভালোভাবে নিচ্ছে না জেলাবাসী। রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এখনও এখানে কেন উপাচার্য নিয়োগ করছেন না, রাজ্য উচ্চশিক্ষা (Education) দফতরই বা কেন এই বিশ্ববিদ্যালয় সচল রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে না, এসব নিয়েই বাড়ছে ক্ষোভ। এনিয়ে এদিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে শুরু করে শিক্ষাবিদ সহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের তরফে ধারাবাহিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন ছাত্র, শিক্ষক, গবেষকরা?

    বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র বলেন, উপাচার্য না থাকায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। এখনও স্থায়ী বিল্ডিং নেই। আমাদের নতুন কোনও অধ্যাপকও দেওয়া হচ্ছে না। এনিয়ে আমরা খুব সমস্যায় পড়েছি। আমরা চাই, দ্রুত এই সমস্যাগুলি থেকে আমাদের রেহাই দেওয়া হোক।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Education) দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসা বিশিষ্ট শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পর আমরা জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পথ চলা দু’বছর পেরিয়ে গেলেও কোনও উন্নতি হল না। এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের কাজ হল না। এখন আবার উপাচার্যও নেই। আমরা ফের এনিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। ইতিহাস গবেষক সমিত ঘোষ বলছেন, ‘প্রান্তিক অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার অধিকারের জন্যই এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকাঠামোর উন্নতি না করে উল্টে দুর্বল করা হচ্ছে। এটা যথেষ্ট চিন্তার। দ্রুত উপাচার্য নিয়োগ করা ছাড়াও নিজস্ব ভবন নির্মাণের কাজে হাত দেওয়া আশু প্রয়োজন।’

    শিক্ষামন্ত্রীকে অভিযোগ ছাত্র পরিষদের

    এনিয়ে ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি সৌরভ প্রসাদের বক্তব্য, ‘রাজ্য সরকারের উদাসীন মনোভাবে দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Education) আজ বন্ধের মুখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ জন ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ কী? এই উদাসীন মনোভাবের জন্য জেলার শিক্ষাব্যবস্থা বিশ বাঁও জলে। বিভেদকামী শক্তিগুলি যখন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে বিভাজন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের এক প্রান্তিক জেলার সঙ্গে এমন বঞ্চনা তাদেরই প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল। এই সমস্ত বিষয় নিয়েই শিক্ষামন্ত্রীকে মেল করেছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ সহ অন্যান্য সমস্যাগুলি মেটানোর আর্জি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur University: উপাচার্য নেই  দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, অনিশ্চিত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ

    Dakshin Dinajpur University: উপাচার্য নেই দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে, অনিশ্চিত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত বিশ্ববিদ্যালয় (Dakshin Dinajpur University) তুলে দেবার মতো প্রক্রিয়া যেন শুরু হতে চলেছে দক্ষিণ দিনাজপুরে। রাজ্য সরকার অবৈধভাবে নিয়োগ করেছে, এই অভিযোগে হাইকোর্টের নির্দেশে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সঞ্চারি রায় মুখ্যোপাধ্যায়। উপাচার্য নেই, তাই অচল এই বিশ্ববিদ্যালয়। রাজ্যের শিক্ষাবিদরা মনে করছে প্রশাসনের ব্যার্থতাই এই পরিস্থিতির জন্য একমাত্র দায়ী।

    পরিকাঠামোর সমস্যা

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur University)পঠনপাঠন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন তো নেই, নেই ভবন নির্মাণের আর্থিক বরাদ্দ। নেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্ট্যাটুট। এমনকী প্রাথমিকেভাবে যে কাউন্সিল গঠন করতে হয়, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। নেই স্থায়ী কর্মী, অধ্যাপক। উপাচার্য পদচ্যুত হয়েছেন, তাই দেড়শো পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে। কারণ পড়ুয়াদের হচ্ছে না ক্লাস, না মিলছে পরীক্ষার রেজাল্ট, না মিলছে শংসাপত্র। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত অস্থায়ী কর্মী ও অতিথি অধ্যাপকদের বেতন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার নতুন বছরের কোনও পড়ুয়া ভর্তি হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ বাড়ছে।

    প্রশাসনিক জটিলতা

    গত বিধানসভা নির্বাচনের আগে তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মোতাবেক বালুরঘাটের মাহিনগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur University) প্রস্তাবিত জমি চিহ্নিত হয়  এবং তা চুড়ান্ত করা হয়। জেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ১১.০৭ একর জমিতে ওই বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু করে রাজ্য সরকার। যদিও পূর্ত দফতরের মাধ্যমে প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে সেখানে অর্ধসমাপ্ত হয়ে রয়েছে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ। এখনও কোনও নিজস্ব ভবন পুরোপুরি নির্মিত হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

    ক্লাসের সমস্যা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur University) ক্লাসঘরের জটিলতা থাকায় বালুরঘাট শহরে বাড়ি ভাড়া নিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে কাজ শুরু হয়েছিল। অংক, ইংরেজি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান-এই তিনটি বিষয়ে প্রায় ১৫০ ছাত্রছাত্রী নিয়ে পঠনপাঠন শুরু হয়। বাইরের বিভিন্ন কলেজে অধ্যাপক ও অবসরপ্রাপ্ত বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপকরা অস্থায়ীভাবে ক্লাস নিতে শুরু করেছেন। স্থায়ী ক্লাসরুম না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এহেন বেহাল দুর্দশায় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। অনেক ছাত্রই এই বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে অন্যত্র যেতে শুরু করেছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের ভূমিকা

    বিশ্ববিদ্যালয়ের (Dakshin Dinajpur University) এই অচল অবস্থার কথা গত মাসেই জানতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। তাঁকে পুরো বিষয়টি জানানো হলেও, এখনও পর্যন্ত উপাচার্য নিয়োগ হয়নি বলে জানালেন বালুরঘাট কলেজের অধ্যক্ষ তথা দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী রেজিস্ট্রার পঙ্কজ কুণ্ডু। পঙ্কজবাবু আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিনান্স, ভর্তি, ফলপ্রকাশ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় উপাচার্যের সই ছাড়া সম্ভব নয়। আগামী মাস থেকে যে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে, তাও কীভাবে হবে, বুঝতে পারছি না। জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে উপাচার্য নেই৷ যার ফলে অর্থ ও নানা বিষয়ে সমস্যা হচ্ছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের কাছে সমস্যা শুনেছি। উচ্চশিক্ষা দফতরে কথা বলেছি। এনিয়ে লিখিতভাবেও সমস্যা জানানো হবে।

    শিক্ষক-ছাত্র সমাজের প্রতিক্রিয়া

    বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসা বিশিষ্ট শিক্ষক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছি, এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনের কাজ হল ন। আবার দেখছি উপাচার্যও নেই। উনি আরও বলেন, আমরা আবার এই নিয়ে আন্দোলনে নামব। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য না থাকায় নানা ধরনের সমস্যা হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এই সমস্যাগুলি থেকে রেহাই পাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে (Dakshin Dinajpur University) কবে স্থায়ী উপাচার্য নিযুক্ত হন, তাই এখন দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share