Tag: University Grant Commission

University Grant Commission

  • UGC: শিক্ষক দিবসে গবেষণার জন্যে পাঁচ নতুন স্কিমের ঘোষণা ইউজিসির 

    UGC: শিক্ষক দিবসে গবেষণার জন্যে পাঁচ নতুন স্কিমের ঘোষণা ইউজিসির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বেশ কিছু গবেষণা স্কিমের ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (University Grant Commission)। এর ফলে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন দিশা খুলে যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান এম জগদেশ কুমার (M Jagadesh Kumar)। 

    নতুন পাঁচটি স্কিম লঞ্চ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষ থেকে। সেগুলি হল,  

    আরও পড়ুন: ইউজিসির ২১টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে কলকাতার দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    • সাবিত্রীবাই জ্যোতিরাও ফুলে ফেলোশিপ ফর সিঙ্গেল গার্ল চাইল্ড 
    • ডঃ রাধাকৃষ্ণন ইউজিসি পোস্ট ডক্টরল স্কলারশিপ
    • ফেলোশিপ ফর সুপার অ্যানুয়েটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার 
    • রিসার্স গ্র্যান্ট ফর ইনসার্ভিস ফ্যাকাল্টি মেম্বার 
    • ডঃ ডিএস কোঠারি গ্র্যান্ট ফর নিউলি রিক্রুটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার   

    অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের গবেষণার সুযোগ দিতে ‘ফেলোশিপ ফর সুপার অ্যানুয়েটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ এই স্কিমটি আনা হয়েছে। এই ফেলোশিপে ১০০টি স্লট রয়েছে। প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা ফেলোশিপ এবং বছরে ৫০,০০০ টাকা কন্টিঞ্জেন্সি দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    ‘রিসার্স গ্র্যান্ট ফর ইনসার্ভিস ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ এই স্কিমে স্কলারশিপ পাবেন চাকুরিরত শিক্ষকরা। এই স্কিমে ২০০টি স্লট রয়েছে। মোট ১০ লক্ষ টাকা অবধি ফেলোশিপ পাওয়া যাবে, দু বছরের জন্যে। 

    নিয়োমিত নিয়োগ হচ্ছে যেই  শিক্ষকদের তারাই ‘ডঃ ডিএস কোঠারি গ্র্যান্ট ফর নিউলি রিক্রুটেড ফ্যাকাল্টি মেম্বার’ – এই স্কিমের আওতায় গবেষণার সুযোগ পাবেন। স্লট ১৩২টি এবং মোট ফেলোশিপ ১০ লক্ষ এবং সময়সীমা ২ বছর। 

    মূলত যারা বিজ্ঞান, প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করতে চান তাদের জন্যে ‘ডঃ রাধাকৃষ্ণন ইউজিসি পোস্ট ডক্টরল স্কলারশিপ’। এই স্কিমে ৯০০টি স্লট রয়েছে। এর মধ্যে মেয়েদের ৩০% আসন সংরক্ষিত রয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতিমাসে ৫০,০০০ টাকা করে ফেলোশিপ এবং বছরে ৫০,০০০ টাকা কন্টিঞ্জেন্সি পাবেন।

    ‘সাবিত্রীবাই জ্যোতিরাও ফুলে ফেলোশিপ ফর সিঙ্গেল গার্ল চাইল্ড’- এই স্কলারশিপটি মূলত একা কন্যা সন্তানদের জন্যে আনা হয়েছে। তাদের শিক্ষাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহ। এই স্কিমে কোনও নির্দিষ্ট স্লট নেই। সময়সীমা পাঁচ বছর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    National Education Policy: কেন্দ্রের সঙ্গে ফের ‘সংঘাতে’ রাজ্য, জাতীয় শিক্ষানীতি পর্যালোচনায় গঠিত ১০ সদস্যের কমিটি

    কলকাতা: কেন্দ্র-রাজ্য় সংঘাত (Centre-Bengal spat) এবার শিক্ষাক্ষেত্রেও।  কেন্দ্রের জাতীয় শিক্ষানীতির (National Education Policy) পর্যালোচনা করতে এবার বিশেষ কমিটি গঠন করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal government) । ১০ সদস্যের ওই কমিটিতে রয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।

    গত ৮ এপ্রিল, ওই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয় রাজ্য প্রশাসনের তরফে। এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, পৃথক রাজ্য শিক্ষানীতির (State Education Policy) প্রয়োজন রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি। কেন্দ্রের শিক্ষানীতি (NEP 2020) প্রকাশ পাওয়ার পর মহারাষ্ট্র ও কেরল সরকার যেমন নিজেদের পৃথক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তেমন কোনও পদক্ষেপ এরাজ্যও গ্রহণ করতে পারে কি না, তা পর্যালোচনা করবে ওই বিশেষজ্ঞ কমিটি। ওই আধিকারিক বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (University Grant Commission) নেওয়া নির্দেশিকাও (UGC guidelines) খতিয়ে দেখবে ওই কমিটি।

    রাজ্যের গঠিত ১০ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন — কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (Columbia University) অধ্যাপিকা গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের (Jadavpur University) উপাচার্য সুরঞ্জন দাস, এনআইটি দুর্গাপুরের ডিরেক্টর অনুপম বসু এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের (Harvard University) অধ্যাপক সুগত বসু (Sugata Basu), সংস্কৃত ভাষা বিশেষজ্ঞ নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি (Nrisingha Prasad Bhaduri) প্রমুখ। 

    এর আগের দিন, অর্থাৎ গত ৭ এপ্রিল, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bengal Education Minister Bratya Basu) ঘোষণা করেছিলেন যে, কেন্দ্রের শিক্ষানীতি কার্যকর করবে না পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। পরিবর্তে, রাজ্য সরকার নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, অন্য সব ক্ষেত্রের মতো শিক্ষাতেও জোর করে নিজেদের নীতি জারি করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় প্রশাসন।  তবে, আমরা তাতে রাজি নই। ফলত, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নিজস্ব শিক্ষানীতি তৈরি করার। 

    শিক্ষা দফতর (West Bengal Education Department) সূত্রে খবর, আগামী দুমাসের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে এই কমিটি। রাজ্য সরকারের পৃথক নীতি প্রণয়নের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নৃসিংহ প্রসাদ ভাদুড়ি বলেন, নিজস্ব শিক্ষানীতি প্রণয়ন করার অধিকার রয়েছে রাজ্যের। এটি ভালো সিদ্ধান্ত। তাঁর মতে, ভারতের মতো জনবহুল এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির দেশে অভিন্ন শিক্ষানীতি কখনই কাম্য নয়। 

    অন্যদিকে, কেন্দ্রের (Modi government) তরফে যুক্তি, জাতীয় শিক্ষানীতির ফলে উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। কেন্দ্রের মতে, জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হল ২০৩৫ সাল নাগাদ বৃত্তিমূলক শিক্ষা সহ উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়াদের মোট নিবন্ধীকরণের হার (Gross Enrolment Ratio) ২৬.৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা। 

     

LinkedIn
Share