Tag: UP Police

UP Police

  • Maha Kumbh 2025: মহা শিবরাত্রিতে মহাকুম্ভে শেষ অমৃত স্নান! উপচে পড়ল ভিড়, কন্ট্রোল রুমে বসে যোগী

    Maha Kumbh 2025: মহা শিবরাত্রিতে মহাকুম্ভে শেষ অমৃত স্নান! উপচে পড়ল ভিড়, কন্ট্রোল রুমে বসে যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহা শিবরাত্রির (Maha Shivratri) উপলক্ষে মহা কুম্ভের শেষ অমৃত ‘স্নান’ (Last Amrit Snan)। মহা কুম্ভের (Maha Kumbh 2025) শেষ দিনে পবিত্র স্নান করার জন্য ত্রিবেণী সঙ্গমে (Prayagraj Sangam) বিপুল ভক্ত সমাগম। কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। গোটা পরিস্থিতির ওপর নিজের অফিস থেকে নজরদারি চালাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) স্বয়ং। জানা গিয়েছে, গোরক্ষনাথ মন্দিরে একটি কন্ট্রোল রুম খুলেছেন যোগী। সেখান থেকেই অনবরত নজরদারি চালাচ্ছেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ সরকারের হিসেব জানাচ্ছে, এদিন সকাল ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৮২ লক্ষ মানুষ পুণ্যডুব দিয়েছেন। এদিন সকালে এক্স হ্যান্ডলে যোগী আদিত্যনাথ জানান, কুম্ভে ৬৩.৬৩ কোটি মানুষ স্নান করেছেন। মেলা শেষে সেই সংখ্যা আরও বাড়বে, তা নিশ্চিত।

    লাখ লাখ পূণ্যার্থী প্রয়াগরাজে

    গত ১৩ জানুয়ারি মহাকুম্ভের (Maha Kumbh 2025) সূচনা ঘটেছিল। ৬ সপ্তাহ ধরে চলেছে এই ধর্মীয় ‘মহামিলন’। এর মধ্যে মোট ৬ দিন ‘শাহি স্নানের যোগ’ ছিল- ১৩ জানুয়ারি (পৌষ পূর্ণিমা), ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি), ২৯ জানুয়ারি (মৌনী অমাবস্যা), ৩ ফেব্রুয়ারি (বসন্ত পঞ্চমী), ১২ ফেব্রুয়ারি (মাঘী পূর্ণিমা), ২৬ ফেব্রুয়ারি (মহা শিবরাত্রি)। মহাকুম্ভের শেষ শাহি স্নানের সময় সঙ্গমে ডুব দিতে ভোররাত থেকেই ঘাটে ঘাটে ভিড় জমিয়েছেন লক্ষাধিক পূণ্যার্থী। মহা শিবরাত্রি (Maha Shivratri) উপলক্ষে মহাকুম্ভে ডুব দিয়ে পুণ্য অর্জনের ‘শেষ সুযোগ’ যাতে হাতছাড়া না হয়ে যায়, তার জন্যে লাখ লাখ পুণ্যার্থী প্রয়াগরাজে ভিড় জমিয়েছেন।

    কুম্ভে কড়া নিরাপত্তা

    শেষ অমৃত স্নান (Last Amrit Snan) উপলক্ষে গোটা কুম্ভ এলাকায় গাড়ি চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এদিকে আজ কোনও ভিআইপি-র জন্যে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে না কুম্ভে। এদিকে পুণ্যার্থীদের উদ্দেশে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। নিকটবর্তী ঘাটেই স্নান করতে বলা হয়েছে পুণ্যার্থীদের। এদিকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশে ডিআইজি (কুম্ভ) বৈভব কৃষ্ণ দাবি করেছেন, শিবরাত্রিতে ‘জোড়া পরিস্থিতি’ সামাল দেওয়ার মতো প্রস্তুতি করেছে পুলিশ বাহিনী। ৩৭ হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে, ১৪ হাজার হোমগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। ২৭৫০টি এআই ভিত্তিক সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ৩টি জল পুলিশ স্টেশন বসানো হয়েছে। এছাড়াও ১৮টি জল কন্ট্রোল রুম বসানো হয়েছে। এরই সঙ্গে ৫০টি ওয়াচটাওয়ার বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরারি চালানো হচ্ছে যাতে কোনও ভুয়ো খবর না ছড়ানো হয়। ভারতীয় রেলওয়েও মহা শিবরাত্রির (Maha Shivratri) জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা কুম্ভ ২০২৫-এর (Maha Kumbh 2025) চূড়ান্ত অমৃত স্নানের (Last Amrit Snan) পর তীর্থযাত্রীদের ফিরে যাওয়ার সুবিধার্থে প্রয়াগরাজ থেকে ৩৫০ টিরও বেশি অতিরিক্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

  • Uttar Pradesh: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    Uttar Pradesh: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হামিরপুর জেলায় দলিত পরিবারকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার অভিযোগে যোগীর পুলিশ ৫জন মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, একটি দলিত পরিবারের বাড়ির ভিতরে একজন মুসলিম ধর্মীয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকীর স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই ওই পরিবারকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা হয়েছিল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Uttar Pradesh)

    ঊর্মিলা ও তাঁর স্বামী অজিত ভার্মার পরিবার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরামর্শে হামিরপুরের (Uttar Pradesh) মওদাহা এলাকায় তাঁদের বাড়ির ভিতরে একটি মাজার (মাজার) তৈরি করেছিলেন। ঊর্মিলা বলেন, “আমি প্রায় দুবছর ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলাম। এই সময়ের মধ্যে আমি বান্দা জেলার মহল্লা চিপাথারির একজন ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করি, যিনি আমায় এক মুসলিম ধর্মগুরু নূরউদ্দিনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। নূরউদ্দিন আমায় আশ্বস্ত করেন যে একটি মাজারে গেলে আমার অবস্থা ভালো হয়ে যাবে।” পরে, নূরউদ্দিন ও তাঁর ভাগ্নে মেরাজুল হাসান ও খালিক মহল্লা রাগৈল ঊর্মিলার বাড়িতে যান। সেখানে একটি মাজার নির্মাণ এবং একটি উরসের আয়োজন করেন। মুসলিম ব্যক্তিরা দলিত পরিবারের সদস্যদের বুঝিয়েছিলেন, মাজারে একজন ‘সন্তের’ কাছে প্রার্থনা করলে ঊর্মিলার রোগ নিরাময় হবে, তাঁদের কষ্টের অবসান হবে। ১০ জানুয়ারি রাতে যখন দলিত পরিবার তাদের বাড়ির ভিতরে একটি” উরস” ( ইসলামিক ধর্মীয় অনুষ্ঠান) পরিচালনা করছিল, হিন্দুত্ববাদী বজরং দলের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে সেখানে হাজির হন। তাঁরা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। একইসঙ্গে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার বিষয়টি পুলিশের নজরে আনেন। থানায় অভিযোগ করা হয়।

    বজরং দলের জেলা ইউনিটের প্রাক্তন আহ্বায়ক কী বললেন?

    বজরং দলের জেলা (Uttar Pradesh) ইউনিটের প্রাক্তন আহ্বায়ক আশিস সিং বলেন, “আমরা যখন রাত আড়াইটে নাগাদ সেখানে পৌঁছলাম, তখন বাড়িতে উরসের অনুষ্ঠান চলছিল। কয়েকজন মৌলবী বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁরা ওই দলিত পরিবারের সদস্যার রোগ নিরাময়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং তাঁদের অর্থের প্রলোভন দিয়ে দলিত পরিবারকে ইসলামে (Muslim) ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছিল।” জানা গিয়েছে, অভিযোগের পর পরই যোগী পুলিশ ঘটনার দিনই চারজন মুসলিম পুরুষকে গ্রেফতার করে। আর একজনকে একদিন পর গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম নূরউদ্দিন (৫৫), তাঁর ভাগ্নে মেরাজ হাসান (৩২), খলিফ (৪২), ইরফ (৪৬) ও মোহাম্মদ হানিফ (৫২)। তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন ও ধর্মান্তিরিত করার মামলা রুজু করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Attack: গুরদাসপুর গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে খলিস্তানপন্থী নেতা জগজিৎ সিং! আইএস যোগ সন্দেহ

    Khalistani Attack: গুরদাসপুর গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে খলিস্তানপন্থী নেতা জগজিৎ সিং! আইএস যোগ সন্দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাব পুলিশ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পিলিভিট জেলার তিন খালিস্তানপন্থী জঙ্গিকে (Khalistani Attack) খতম করেছে। নিহত তিন জঙ্গি গুরবিন্দর সিং, বিরেন্দর সিং এবং জাসনপ্রীত সিং, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স (KZF)-এর সদস্য ছিল। তারা গুরদাসপুর জেলার একটি পুলিশ পোস্টে গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। 

    কী বলছে পুলিশ?

    এই বিষয়ে একটি ভিডিও বিবৃতিতে পাঞ্জাবের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP) গৌরব যাদব জানান, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্সের একটি মডিউল পরিচালনা করতে যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জড়িত, তিনি হচ্ছেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন শিখ সৈনিক, জগজিৎ সিং, যিনি ফতেহ সিং ‘বাগি’ নামেও পরিচিত। যাদব আরও জানান, এই মডিউলটি পাকিস্তানে অবস্থিত কেজেডএফ-এর প্রধান রঞ্জিত সিং নিটা এবং গ্রিসে অবস্থিত জসবিন্দর সিং মান্নুর-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল। পাঞ্জাব পুলিশ সন্দেহ করছে যে, পাকিস্তানের আইএসআই জগজিৎ সিংকে সন্ত্রাসী মডিউলে যোগ দিতে প্ররোচিত করেছে। আইএসআই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি সেনাবাহিনীতে শিখদের নিয়োগ করে খালিস্তান আন্দোলনের পক্ষে ব্যবহার করে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জগজিৎ সিংয়ের নেতৃত্বে মডিউলটি মূলত ছোট অপরাধীদের ব্যবহার করেই হামলা চালাত।

    আরও পড়ুন: দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মচারীদের বেতন! পে কমিশন নিয়ে কী ভাবছে সরকার?

    জগজিৎ সিং কে? 

    পঞ্জাবের টার্ন তারান এলাকার বাসিন্দা জগজিৎ সিং। পুলিশের অনুমান, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে জগজিতের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে জড়িত ছিল।  রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর দাদা ও বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাবা সুবেদার পদে অবসর নেন। জগজিৎ সিংয়ের ভাইও শিখ রেজিমেন্টে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেছিলেন। প্রায় দশ বছর আগে, জগজিৎ ছাত্র ভিসায় ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। ইস্ট লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ৪র্থ ব্যাটেলিয়ন দ্য রাইফেলসের সদস্য ছিলেন, যেটি ইরাক, আফগানিস্তান, কসোভো এবং সিয়েরা লিওনে মোতায়েন ছিল। প্রশিক্ষণ শেষে, তিনি আফগানিস্তানে একটি ট্যুরে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে জগজিৎ ব্রিটেনেই রয়েছেন বলেই খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    Mahakumbh Mela 2025: মহাকুম্ভে ভিড় নিয়ন্ত্রণে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করবে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় অনুষ্ঠান হল ভারতের মহাকুম্ভ মেলা। আগামী বছর মহাকুম্ভের (Kumbh Mela 2025) জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি চলছে। এই মেলায় লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হবে। তাই এই মেলা সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে সবার আগে প্রয়োজন ভিড় নিয়ন্ত্রণ। এবার মেলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য এআই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানাল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ (UP Police)। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ক্যামেরাগুলিতে এআই ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। ক্যামেরাগুলি তাদের ফিডের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুলিশকে সতর্কবার্তা পাঠাবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মানুষের বুদ্ধি একযোগে কাজ করবে। ইতিমধ্যেই মেলা সংলগ্ন অঞ্চলে ২৫টি পুলিশ স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। মেলার জন্য মোট ৫৬টি স্টেশন স্থাপন করা হবে। 

    কীভাবে কাজ করবে এআই-যুক্ত ক্যামেরা

    মহাকুম্ভ মেলার (Kumbh Mela 2025) সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে, এই প্রথমবার যোগী আদিত্যনাথ সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রয়োগ করছে। সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি মেলা পরিচালনার কাজকে সহজ করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এআই-চালিত ক্যামেরাগুলি পুরো কুম্ভ মেলার নানা প্রান্তে স্থাপন করা হচ্ছে। এর ফলে বিশাল ভিড়ের উপর ২৪/৭ নজরদারি নিশ্চিত করা যাবে। এই অত্যাধুনিক ক্যামেরাগুলি শুধু নিরাপত্তা বাড়াবে না, বরং মেলার সময় যাঁরা হারিয়ে যাবেন, তাঁদের আবার একত্রিত করতেও সাহায্য করবে। মেলা এলাকায় ৩২৮টি এআই সক্ষম ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে। এই ক্যামেরাগুলির  ইনস্টলেশন কাজ শীঘ্রই শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    হারানো ব্যক্তিদের খোঁজ

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ফেসবুক এবং এক্স (পূর্বে টুইটার) প্ল্যাটফর্মগুলি ব্যবহার করে মহাকুম্ভ মেলায় (Kumbh Mela 2025) হারানো আত্মীয়দের খোঁজ দ্রুত পাওয়া যাবে। এর ফলে তীর্থযাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করা সহজ হবে। ২০২৫ সালের মহাকুম্ভে আসা দেশি ও বিদেশি ভ্রমণকারীরা আর ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার চিন্তা করবেন না। মেলা প্রশাসন এই সমস্যা সমাধানে একটি ব্যাপক পরিকল্পনা করেছে। একটি ডিজিটাল কেন্দ্র ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হবে, যা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে হারানো ব্যক্তিদের দ্রুত একত্রিত করতে সাহায্য করবে। মহাকুম্ভে (Kumbh Mela 2025) কোনও ব্যক্তির পরিচয় জানতে ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। এই অত্যাধুনিক সিস্টেমটি তাৎক্ষণিকভাবে ছবি ক্যাপচার করবে এবং ৪৫ কোটি তীর্থযাত্রীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করবে (UP Police)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Meerut Police: নির্ভয়ার স্মৃতি ফিরল মেরঠে, গ্রেফতার হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন

    Meerut Police: নির্ভয়ার স্মৃতি ফিরল মেরঠে, গ্রেফতার হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের (U.P.) মেরঠ (Meerut Police) এলাকায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে পরে গণধর্ষণ করে খুন করার ঘটনা ঘটল। তাঁর মুখ অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। দুইদিন নিখোঁজ থাকার পর পর ওই কিশোরীর দেহ পাওয়া যায়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতের পরিবার দেহ রাস্তায় ফেলে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম হাসিন, শাহরুখ, একরামউদ্দিন এবং মহসিন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় হাসিন মূল অভিযুক্ত বলে জানা গেছে। হাসিন ওই কিশোরীকে পছন্দ করত বলে জানা যায়। কিন্তু কয়েকদিন ধরে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল করছিল বলে অভিযোগ। ঘটনার কয়েকদিন আগে ব্ল্যাকমেলের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ওই কিশোরী হাসিনকে চড় মারে। এর পর প্রতিশোধ নিতেই হাসিন বন্ধুদের সঙ্গে মিলে এই কাণ্ড ঘটায় বলে অভিযোগ।

    পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার (U.P.)

    পুলিশ (Meerut Police) সূত্রে খবর, মৃতের পরিবার তাঁদের কাছে ওই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করে। এরপর ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। অভিযোগ জানানোর কয়েক দিনের মধ্যেই নাবালিকার দেহ পাওয়া যায়। পরিবারের তরফেও ওই চার অভিযুক্তকেই সন্দেহ করা হচ্ছিল। এরপর (U.P.) পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে চাকু এবং একটি স্কুটি পাওয়া যায়। পুলিশের অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড এই ঘটনার পর বিভিন্ন স্কুলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাবালিকা ও তরুনীদের কীভাবে বিপদে পড়লে বাঁচতে হবে সেই কৌশল শেখায়।

    নির্ভয়া কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি (Meerut Police)

    স্থানীয়রা জানিয়েছে প্রথমে ওই কিশোরীকে গণধর্ষণ করা হয়। ঠিক যেভাবে দিল্লির নির্ভয়াকে যন্ত্রণা দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক একইভাবে ওই নাবালিকার গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। জানাজানি আটকাতে তারপর ওই চারজনে মিলে নির্মমভাবে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করে। এবং তার দেহ চাষের জমিতে ফেলে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে গোপনাঙ্গ থেকে তীব্র রক্তক্ষরণের জেরে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়। মৃতের পরিচয় লুকানোর জন্য মুখে অ্যাসিড ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। মৃতের পরিবার অভিযুক্তদের চরম শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    ২০১২ সালে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল দিল্লিতে। সেই নির্ভয়ার ঘটনাই যেন ফের পুনরাবৃত্তি হল ফের এক বার, এক দশক পর (U.P.) মেরঠে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমার (Seema Haider) আদব-কায়দা এবং সাজপোশাক দেখে মনে হতেই পারে একেবার প্রান্তিক ভারতীয় মহিলা। তবে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ঠিক এমনভাবে সাজতে পেশাদার পোশাকশিল্পীদের সাহায্য নিয়েছিলেন সীমা হায়দার! ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র মারফত আরও খবর মিলেছে, ভারতীয় প্রান্তিক মহিলাদের পোশাক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিলেন না সীমা (Seema Haider)। আর সেই কারণেই তাঁকে মেক-আপ নিতে হয়। শুধু তাই নয়, চার সন্তানের ড্রেস কোড কেমন, হবে তা ঠিক করেন পাবজি প্রেমিকা। গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, নেপাল সীমান্তে মানবপাচারের কাজে যুক্ত থাকা অনেক মহিলা এক বিশেষ পোশাক পরেন। সীমা সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আবার গোয়েন্দাদের ভাবাচ্ছে বিভিন্ন ভাষার ওপর সীমার দক্ষতা। নিজেকে ফাইভ পাশ পরিচয় দিলেও সীমা গড়গড় করে ইংরেজি বলছেন।

    ২০১৯ থেকে সীমা-সচিনের পরিচয় 

    সীমার (Seema Haider) দাবি অনুযায়ী, অনলাইন গেম পাবজি খেলার সময় ২০১৯ সালে সচিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেখান থেকেই নাকি প্রেম। ২২ বছরের সচিনের প্রেমে পড়ে পাকিস্তান থেকে ছুটে আসেন ৩০ বছরের সীমা। তাঁর সঙ্গে আসে চার সন্তান, যাদের সবার বয়সই সাত বছরের কম। ভিসা ছাড়া নেপাল হয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেন সীমা। এই অভিযোগে ৪ জুলাই গ্রেফতার হন সীমা। তাঁকে আশ্রয় দিয়ে গ্রেফতার হন সচিন এবং তাঁর বাবা নেত্রপাল। পরে জামিনে ছাড়াও পান তাঁরা।

    কাঠমাণ্ডুর হোটেলে থাকেন তাঁরা ভারতে আসার আগে

    গোয়েন্দারা আরও জানাচ্ছেন, ভারতে আসার আগে সীমা (Seema Haider) ও সচিন দু’জনেই বেনামে হোটেল ঘর বুক করে এক সপ্তাহ ছিলেন কাঠমাণ্ডুতে। স্থানীয় ‘নিউ বিনায়ক হোটেল’-এর ২০৪ নম্বর রুমে ছিলেন সীমা-সচিন। তবে এই হোটেলের রেজিস্টার থেকে যুগলের নাম কোথাও পাওয়া যাবে না। কারণ, বেনামে হোটেল বুক করেছিলেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে হোটেলের এক কর্মী গণেশ রোকামগারের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে রিল শ্যুট করেছিলেন সচিন ও সীমা! আর সেটাই প্রমাণ ওই হোটেলে তাঁদের উপস্থিতির। হোটেল কর্মী বলছেন, ‘‘সচিন একাই এসে প্রথমে রুম বুক করেছিলেন। বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী পরে আসবেন। হোটেল বুক করার সময় কোনও আইডি কার্ড জমা দেননি তাঁরা। শুধুমাত্র নিজেদের নাম রেজিস্টার খাতায় লিখে দিয়েছিলেন। যদিও সেটা নকল ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: সীমা কি পাক-গুপ্তচর? চলছে জেরা, বেশ কিছু প্রশ্ন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: সীমা কি পাক-গুপ্তচর? চলছে জেরা, বেশ কিছু প্রশ্ন ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমা হায়দার (Seema Haider) কি পাক গুপ্তচর? তার সঙ্গে পাকিস্তানি সেনার যোগ রয়েছে? তথ্য পাচার করতেই কি তার দেশে আসা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছে যোগী রাজ্যের পুলিশের এটিএস। বর্তমানে উত্তরপ্রদেশ এটিএস পাকিস্তানি নাগরিক সীমাকে হেফাজতে নিয়েছে। তাঁকে গোপন ডেরায় রেখে জেরা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পাবজি খেলতে প্রেমে পড়েন উত্তরপ্রদেশের সচিনের। প্রেমের টানেই ভারতে আসা, এমনটাই দাবি করেছিলেন সীমা। চলতি সপ্তাহের সোমবার থেকে হঠাৎই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন সীমা এবং তাঁর বর্তমান স্বামী নয়ডার রবুপুরার সচিন মীণা। কিন্তু পরে জানতে পারা যায়, তাঁদের দুজনকে হেফাজতে নিয়েছে উত্তরপ্রদেশে এটিএস। যোগী পুলিশের একটি সূত্র অবশ্য দাবি করছে, এখনও পর্যন্ত সীমাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, তাঁর কাকা পাকিস্তান সেনার সুবেদার ছিলেন। সীমার ভাই পাক সেনায় কর্মরত রয়েছে বর্তমানে। তাই সীমার পাক-সেনা যোগ আরও জোরালো হচ্ছে। সীমার কাছে মিলেছে নেপাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পাসপোর্ট। নেপালের কাঠমাণ্ডুতে চলতি বছরের মার্চে দেখা করেন সচিন ও সীমা। সেখানে তাঁরা যে হোটেলে ছিলেন সে বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন গোয়েন্দারা।

    জেরায় কী কী তথ্য উঠে এল? 

    জানা গিয়েছে, সীমার (Seema Haider) পাসপোর্ট, মোবাইল ফোনের তথ্য, এসব কিছুই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত জেরা করার পর রবুপুরার বাড়িতে ফের ছেড়ে দেওয়া হয় সীমাকে। মঙ্গলবার সকালে আবার এটিএস পৌঁছায় সচিনের বাড়িতে। এরপর গোটা পরিবারকে নিয়ে যাওয়া হয় জেরার জন্য। জানা গিয়েছে, সীমা সত্যি কথা বলছেন নাকি মিথ্যা! তা খতিয়ে দেখতে পলিগ্রাফ টেস্টও হবে। নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে এসেছেন বলে দাবি সীমার। পুলিশকে ভাবাচ্ছে, কী ভাবে গ্রেটার নয়ডায় কোনও রকম বাধা ছাড়াই ঢুকে পড়লেন সীমা? উঠছে আরও বেশ কিছু প্রশ্ন, কেন ওই সময় সীমার কোনও নথি বা কাগজ পরীক্ষা করা হল না? নথি পরীক্ষার দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন,তাঁরা কী করছিলেন? সব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানা গিয়েছে শুধু উত্তরপ্রদেশ এটিএস-ই নয়, দেশের অন্যান্য তদন্তকারী সংস্থারও জেরার মুখে বসতে হতে পারে সীমাকে। তাঁর হোয়াট্‌সঅ্যাপ কথোপকথন এবং ফোন কল ডিটেলও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    কী বলছেন সীমার (Seema Haider) পাকিস্তানি স্বামী?

    এদিকে সীমার (Seema Haider) স্বামী পাকিস্তানি গুলাম হায়দর সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী, সন্তানদের পাকিস্তানে ফেরৎ পাঠানো হোক। কিন্তু অন্যদিকে সীমার পরিবার অবশ্য মেয়েকে আর চান না। তাঁদের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সীমা থাকুন ভারতে। কিন্তু সীমার সন্তানদের পাকিস্তানে ফেরৎ পাঠানোর দাবি জানিয়েছে সীমার বাপের বাড়ি। অন্যদিকে, সীমাকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মুম্বই পুলিশের কাছে হুমকি ফোন এল। হুমকিতে বলা হয়েছে, সীমাকে পাকিস্তানে না ফেরালে আবার ২৬/১১-র মতো হামলা হতে পারে। সীমার ঘটনা নিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিতেও শোরগোল চলছে। সে দেশের সিন্ধ প্রদেশের বিধানসভায় সীমার বিষয়টি উত্থাপন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: ফের এনকাউন্টার যোগী রাজ্যে! ভোররাতে পুলিশের গুলিতে খতম গ্যাংস্টার

    Yogi Adityanath: ফের এনকাউন্টার যোগী রাজ্যে! ভোররাতে পুলিশের গুলিতে খতম গ্যাংস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করে কোর্টে ট্রায়াল চালানোর দিন ২০১৭ থেকেই শেষ হয়েছে। যোগী সরকার (Yogi Adityanath) ক্ষমতায় আসার পরে মোট ১১,০০০ এনকাউন্টার সংঘটিত হয়েছে সে রাজ্যে। খতম হয়েছে ১৮৫ দুষ্কৃতী। মঙ্গলবার সাত সকালে এনকাউন্টারে মৃত্যু হল আরও এক গ্যাংস্টারের। মহম্মদ গুফরান নামের ওই সমাজবিরোধীর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা এবং ডাকাতির একাধিক অভিযোগ ছিল বিভিন্ন জেলায়। দীর্ঘ দিন ধরে তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় তার।

    মাথার দাম ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার

    জানা গিয়েছে, মহম্মদ গুফরানের বিরুদ্ধে ১৩টি গুরুতর অভিযোগ ছিল পুলিশের কাছে। দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল সে। এদিন উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলায় তার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে গুফরান কোথায় রয়েছে। সেই মতো পরিকল্পনা সাজায় পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে কৌশাম্বীর সমদা সুগার মিলের কাছে গুফরানের গোপন ডেরায় আচমকাই হানা দেয় পুলিশ। সূত্রের খবর পুলিশকে দেখে গুফরান পালানোর চেষ্টা করে। বাইকে চড়ে সে পালাচ্ছিল বলে খবর। পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলে। এরপরই শুরু হয় গুলির লড়াই। ভোর ৫টা নাগাদ এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় এই কুখ্যাত দুষ্কৃতীর। ঘটনাস্থল থেকে গুফরানের বাইক এবং পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। গুফরানের এনকাউন্টার করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)।

    কী বলছে পুলিশ?

    কৌশাম্বীর এসপি ব্রিজেশ শ্রীবাস্তব বলেন, ‘‘গুফরানের মাথার দাম ধার্য করা হয়েছিল ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। তার সন্ধান দিতে পারলে বা তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে ওই পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল পুলিশ। গুলিবিদ্ধ গুফরানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।’’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশের এনকাউন্টারে যারা নিহত হয়েছে, তারা সকলেই সমাজবিরোধী। হিসাব বলছে, গত ছ’বছরে উত্তরপ্রদেশে গড়ে ১৩ দিনে অন্তত এক জন করে অভিযুক্ত নিহত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Forced Conversion: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণ! চক্রের হদিশ পেল যোগী পুলিশ

    Forced Conversion: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণ! চক্রের হদিশ পেল যোগী পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন গেমিং-এর মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের (Forced Conversion) চেষ্টার বড় ধরনের চক্রের সন্ধান পেল যোগী রাজ্যের পুলিশ (Up Police)। ইতিমধ্যে চক্রের এক মাথাকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত শাহনওয়াজের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

    কীভাবে তৈরি করা হতো ফাঁদ

    জানা গিয়েছে, অনলাইনে একটি গেমিং অ্যাপ রয়েছে। যার নাম ‘ফর্টনাইট’। এই অ্যাপটির মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের টার্গেট করা হত। কেউ খেলায় হারছে দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে কোরান পাঠ করার পরামর্শ দেওয়া হতো। এরপর তাকে খেলায় জিতিয়ে দেওয়া হতো, স্বাভাবিকভাবে ইসলাম ধর্মের প্রতি আলাদা অনুভূতি জন্মাত। টার্গেট করা ওই কিশোর বা কিশোরীর সঙ্গে পরে যোগাযোগ করত চক্রের সদস্যরা। পরামর্শ দেওয়া হত ধর্মান্তকরণের।

    কী বলছে যোগী পুলিশ (Up Police)?

    গাজিয়াবাদ পুলিশের ডেপুটি কমিশনার নিপুন আগরওয়াল জানিয়েছেন, র‌্যাকেটের মূল মাথা শাহনওয়াজ খান মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। নিপুন আরও জানিয়েছেন যে শাহনওয়াজের ডিজিটাল নাম বাড্ডো। তার কাজ ছিল অনলাইন গেমারদের মধ্যে অল্প বয়সীদের খুঁজে বার করা। ধর্মান্তরিত (Forced Conversion) হতে উৎসাহ দেওয়ার জন্য জাকির নায়েক বা তারিক জামিলের মতো কট্টরপন্থী প্রচারকদের ভিডিও পাঠাত শাহনওয়াজ।

    চারজন ইতিমধ্যে ধর্মান্তকরণের (Forced Conversion) ফাঁদে

    ইতিমধ্যে চারজন কিশোর ধর্মান্তরিত হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজিয়াবাদ পুলিশ। এর মধ্যে দুই জন গাজিয়াবাদ এবং একজন করে ফরিদাবাদ এবং চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা। গাজিয়াবাদের যে হিন্দু কিশোর ধর্মান্তরিত হয়েছে, সে পাকিস্তান ভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল দ্য ইয়ুথ ক্লাব দেখত। ওই ইউটিউব চ্যানেলটিতে ইসলাম সম্পর্কে উস্কানিমূলক অজস্র ভিডিও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ওই পুলিশ কর্তা। উস্কানিমূলক এই ভিডিয়ো দেখার পরেই ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছিল গাজিয়াবাদের ওই কিশোর।

    আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস কর্মীকে গুলি করে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share