Tag: UP Tourism

UP Tourism

  • Ayodhya: অযোধ্যায় ১০০ ঘর বিশিষ্ট রিসর্ট গড়তে চুক্তি সই মার্কিন সংস্থার

    Ayodhya: অযোধ্যায় ১০০ ঘর বিশিষ্ট রিসর্ট গড়তে চুক্তি সই মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় যেখানে ছিল মসজিদ, তাঁবুতে ছিলেন রামলালা, এখন সেখানেই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে আস্ত মন্দির (Ayodhya)। অযোধ্যার এই রাম মন্দির উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে ২২ জানুয়ারি। প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে বালক রামের মূর্তির। এহেন অযোধ্যায় যে পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, তা ভালোই বুঝেছেন ব্যবসায়ীরা।

    ১০০ ঘর বিশিষ্ট রিসর্ট

    তাই অযোধ্যায় ১০০ ঘর বিশিষ্ট রিসর্ট তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছে মার্কিন সংস্থা। উত্তরপ্রদেশ পর্যটন দফতরের সঙ্গে চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে তারা। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, ২৭ জানুয়ারি ট্যুরিজম ডিরেক্টর প্রখর মিশ্রর উপস্থিতিতে এ বিষয়ে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। মার্কিন সংস্থা অঞ্জলি ইনভেস্টমেন্ট এলএসসি পর্যটন ভবনের সঙ্গে অংশীদারিত্বে গড়া হবে রিসর্ট। অযোধ্যায় (Ayodhya) গড়া হবে ১০০ ঘর বিশিষ্ট রিসর্ট। মার্কিন এই সংস্থার মাথায় রয়েছেন রমেশ নাঙ্গুরনুরি। এই রিয়েল এস্টেস ব্যবসায়ী পর্যটকদের সুবিধার্থে গড়ে তুলবেন এই রিসর্ট।

    মউ স্বাক্ষর

    মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পর্যটক ও অতিথিদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হবে রিসর্টটি। এই এলাকায় বাড়তে চলা পর্যটনের কথা মাথায় রেখেই এই রিসর্ট তৈরি করা হচ্ছে। রমেশ নাঙ্গুরনুরি অযোধ্যায় পর্যটন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এজন্য উপযুক্ত জমিও চিহ্নিত করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষরিত হওয়ায় নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে যাবে শীঘ্রই। উত্তরপ্রদেশ পর্যটন দফতরের বিনিয়োগ-বান্ধব নীতিরও প্রশংসা করেছেন বিনিয়োগকারী।

    আরও পড়ুুন: মাঝ সমুদ্রে থাকা জাহাজে মিসাইল হানা, আগুন নেভাল ভারতীয় রণতরী

    ২২ জানুয়ার রাম মন্দির উদ্বোধন হওয়ার পরের দিন থেকেই দেব-দর্শনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে মন্দিরের দ্বার। তার পর থেকে আক্ষরিক অর্থেই ঠাঁই নাই রব মন্দির চত্বরে। প্রথম দু’দিন পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটতে চলেছিল। যদিও প্রশাসনিক তৎপরতায় হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তার পরের দিন থেকে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দেব-দর্শনের সময়। অযোধ্যাকে নিয়ে করা দেশ-বিদেশের একাধিক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, নিত্যদিন অযোধ্যা বাড়বে দর্শনার্থীদের আনাগোনা। ফি বছর কয়েক কোটি মানুষ আসবে মন্দির নগরী অযোধ্যা দর্শনে। স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজন হবে হোটেল-রিসর্টের। তাই এই ক্ষেত্রেই বাড়বে বিনিয়োগের পরিমাণ। যাতে আদতে লাভবান হবে উত্তরপ্রদেশ সরকারই। রাজকোষাগার ফুলে ফেঁপে ওঠার পাশাপাশি, পর্যটন মানচিত্রের প্রথম সারিতে নাম করে নেমে বিজেপি শাসিত এই (Ayodhya) রাজ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

     

  • UP Tourism: আগ্রা নয়, উত্তরপ্রদেশের পর্যটন নীতির মূল আকর্ষণ কৃষ্ণ এবং রামায়ণ সার্কিট

    UP Tourism: আগ্রা নয়, উত্তরপ্রদেশের পর্যটন নীতির মূল আকর্ষণ কৃষ্ণ এবং রামায়ণ সার্কিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগের বারের মতো এবারও, আগ্রার স্মৃতিসৌধগুলিকে এড়িয়ে গিয়ে, ‘কৃষ্ণ সার্কিট’ মথুরা জেলাকে মূল আকর্ষণ করা হল উত্তরপ্রদেশের সদ্য ঘোষিত পর্যটন নীতিতে (UP Tourism)। 

    কী বলা হয়েছে ইউপি পর্যটন নীতিতে?

    রামায়ণ অনুসারে চিত্রকূট, বিথুর এবং অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলি, যেগুলি ভগবান রাম এবং দেবী সীতার প্রতীক হিসাবে দেখা হয়, সেগুলি ‘রামায়ণ সার্কিট’- এর অন্তর্ভুক্ত থাকবে। একইভাবে মথুরা, বৃন্দাবন, গোকুল, গোবর্ধন, বরসানা, নন্দগাঁও, বলদেব এবং অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলিকে কৃষ্ণ সার্কিটের অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং কপিলবাস্তু, সারনাথ, কুশিনগর, কৌশাম্বী, শ্রাবস্তী, রামগ্রাম এবং অন্যান্য স্থানগুলি ‘বৌদ্ধ সার্কিট’- এর অন্তর্ভুক্ত হবে।

    আরও পড়ুন: কুয়েটের সঙ্গে জেইই এবং নীট সংযুক্তিকরণের পথে ইউজিসি? জানুন বিস্তারিত 

    নতুন নীতিতে মহাভারত সার্কিট এবং শক্তিপীঠ সার্কিটের কথাও বলা হয়েছে, যেখানে হস্তিনাপুর, কাম্পিল্য, এছত্রা, বারনাওয়া, মথুরা, কৌশাম্বী, গোন্ডা, লক্ষগৃহের মতো স্থানগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। শক্তিপীঠ সার্কিটের অধীনে, বিন্ধ্যবাসিনী দেবী, অষ্টভুজা থেকে দেবীপতন, নৈমিষারণ্য, মা ললিত দেবী, মা জ্বলা দেবী, সাহারানপুরের শাকুম্ভরী দেবী থেকে শিবানী দেবী চিত্রকূট এবং শীতলা মাতা মৌ পর্যন্ত প্রসারিত করা হবে।

    এবিষয়ে সমাজকর্মী সমীর বলেন, “পর্যটন নীতিতে নতুন বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও বন সংরক্ষণের সঙ্গে ইকো-ট্যুরিজমের প্রচারের দিকেও নজর দেওয়া উচিৎ।”

    আগ্রা পর্যটন

    আগ্রা ট্যুরিজম ওয়েলফেয়ার চেম্বারের সেক্রেটারি বিশাল শর্মা নতুন পর্যটন নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “হোটেল শিল্পের জন্য বিনিয়োগ-ভিত্তিক ভর্তুকি দেওয়ার জন্য নীতিতে যে বিধানগুলি রয়েছে, তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হোটেলগুলিকে ‘শিল্পের’ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। যার অর্থ হল জলের হার এবং বিদ্যুৎ, সম্পত্তি কর এবং পয়ঃনিষ্কাশন করও বাণিজ্যিকের পরিবর্তে শিল্প হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “চম্বলের গিরিখাতগুলি সহজেই অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের প্রচারের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। কিথাম এবং চম্বল অভয়ারণ্যগুলি ইকো-ট্যুরিজম প্রচারের জন্য অসাধারণ সাইট হতে পারে।”  

    আগ্রাও বটেশ্বর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থান। ১০১টি শিব মন্দির রয়েছে সেখানে। আগ্রা কেবল ঐতিহাসিক স্থান নয়। তার চেয়ে অনেক বেশি। পর্যটন নীতিতে আগ্রার ওপর আরও গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ ছিল।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share