Tag: UPA

UPA

  • PM Modi: মোদি জমানায় ১৭.৯ কোটি নতুন চাকরি, ইউপিএ আমলে ছিল ২.৯, বিরোধীদের তোপ মান্ডব্যর

    PM Modi: মোদি জমানায় ১৭.৯ কোটি নতুন চাকরি, ইউপিএ আমলে ছিল ২.৯, বিরোধীদের তোপ মান্ডব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মসংস্থান ইস্যুতে বিরোধীদের একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য (Mansukh Mandaviya)। বৃহস্পতিবার তিনি এই ইস্যুতে একহাত নিলেন পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে। নিজের বিবৃতিতে মন্ত্রী জানিয়েছেন, মনমোহন জমানায় মাত্র ২.৯ কোটি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল ১০ বছরে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশে ছিল ইউপিএ সরকার। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ১৭.১৯ কোটি।

    মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য, ইউপিএ জমানার থেকে এগিয়ে মোদি জমানা (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০১৪-১৫ সালে সারাদেশে কর্মসংস্থানের যে অবস্থা ছিল তা বর্তমানে ৩৬ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। তিনি রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান ছিল ৪৭.১৫ কোটি,  কিন্তু ২০২৩-২৪ সালে এই কর্মসংস্থান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৩৩ কোটি। অন্যদিকে, ২০০৩-০৪ সালে ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় আসার আগে দেশের কর্মসংস্থান ছিল ৪৪.২৩ কোটি, কিন্তু ইউপিএ সরকারের একেবারে শেষের বছরে অর্থাৎ ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে কর্মসংস্থান হয় ৪৭.১৫ কোটি। অর্থাৎ মাত্র ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল কর্মসংস্থান।

    কমেছে বেকারত্ব

    একই সঙ্গে ইউপিএ জমানায় উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছিল মাত্র ৬ শতাংশ। কিন্তু মোদি জমানায় ২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষেত্রে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ শতাংশ, এমনটাই জানিয়েছেন মন্ত্রী। অন্যদিকে, পরিষেবা ক্ষেত্রে ইউপিএ আমলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ছিল ২৫ শতাংশ কিন্তু মোদি জমানায় এই হার ৩৬ শতাংশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মনসুখ মান্ডব্য। একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার ২০১৭-১৮ সালে মোদি জমানায় (PM Modi) ছিল ৩১.৪ শতাংশ, ২০২৩-২৪ সালে তা অনেকটাই বেড়ে হয়েছে ৪১.৭ শতাংশ। যেখানে যুবকদের বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ তে ছিল ১৭.৪ শতাংশ এবং তা বর্তমানে ১০.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। মনসুখ মান্ডব্য জানিয়েছেন, বিগত সাত বছরে অর্থাৎ ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪.৭ কোটি যুবক ইপিএফও-র আওতায় এসেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ইউপিএ-র নির্দেশনামা মেনেই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে জাতীয় বিপর্যয় বলা যাবে না, কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    BJP: ইউপিএ-র নির্দেশনামা মেনেই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে জাতীয় বিপর্যয় বলা যাবে না, কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়েনাড়ে (Wayanad Landslides) ভূমিধস বিপর্যয়ের মধ্যেই রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতারা দাবি জানিয়েছিলেন যে এই দুর্যোগকে, জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করতে হবে। তবে রবিবারই এর উত্তর দিয়েছে বিজেপি (BJP)। গেরুয়া শিবির (BJP) স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে পূর্বতন সরকারের নির্দেশনামা অনুসারেই প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে, জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করা যাচ্ছে না। এই নিয়ম ইউপিএ সরকারের আমলে তৈরি করা হয়েছে বলেও তোপ দেগেছে বিজেপি। পদ্মশিবিরের অন্যতম নেতা ভি মুরলীধরন তাঁর সমাজ মাধ্যমের পাতায়, ২০১৩ সালের পার্লামেন্টের একটি নথি পোস্ট করেছেন। সেখানে তৎকালীন ইউপিএ সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামচন্দ্রন মুল্লাপ্পলির একটি বিবৃতি উল্লেখ করা রয়েছে। ওই বিবৃতিটি হল, প্রাকৃতিক দুর্যোগকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করার কোনও বিধান নেই।

    জাতীয় দুর্যোগের কোনও নির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই, জানাল বিজেপি (BJP)

    ভি মুরলীধরন আরও জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগকে, জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা না করার নির্দেশিকা ইউপিএ সরকারের আমল থেকেই রয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালের ৬ অগাস্ট এমনই বিবৃতি সংসদে দাঁড়িয়ে দিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। ভি মুরলিধরন এদিন আরও জানিয়েছেন, সাধারণভাবে জাতীয় দুর্যোগের কোনও নির্দিষ্ট সংজ্ঞাও নেই। প্রতিটি দুর্যোগকে তার তীব্রতা অনুযায়ী মোকাবিলা করতে হয় এবং সেই সময় যেকোনও ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ বা বিতর্ক তৈরি না করাই ভালো।

    কেন্দ্র সরকার সাহায্য করছে কেরল সরকারকে

    নিজের বিবৃতিতে ভি মুরলিধরন (BJP) আরো জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত রকমের পদক্ষেপ করেছে এবং যাবতীয় সহযোগিতা করেছে কেরল সরকারকে। টানা ছয় দিন ধরে দেশের সেনাবাহিনী বিধ্বস্ত অঞ্চলে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে এবং ত্রাণ বিলি করছে বলেও জানিয়েছেন বিজেপি নেতা ভি মুরলিধরন। তিনি আরও জানান, বিপর্যয়ের (Wayanad Landslides) পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতীয় দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিবারগুলিকে দু লাখ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য ঘোষণা করেছিলেন। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ফোনে কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সমস্ত ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেন বলেও জানিয়েছেন ভি মুরলিধরন।

    যোগ্য জবাব রাহুলকে

    নিজের বিবৃতিতে ভি মুরলিধরন বারবার জোর দেন যে কেউ যেন এই দুর্যোগের সময় ভিত্তিহীন কোনও বিতর্ক তৈরি না করেন। বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে সম্প্রতি গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। তারপরেও তিনি জানান, তাঁর কাছে এটি জাতীয় বিপর্যয় সরকার কী মনে করে সেটা দেখা যাক! ঠিক সেই আবহে রবিবার রাহুল গান্ধীকে যোগ্য জবাব দিলেন বিজেপি নেতা মুরলিধরন, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দশ বছর আগে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আপোস করত সরকার, এখন আর করে না।” বৃহস্পতিবার গুজরাটের সবরকান্থা জেলায় কংগ্রেসকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর শাসনকালে যে সন্ত্রাসবাদ দমনে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে, তাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির (PM Modi)

    এদিনের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দশ বছর আগে সরকার সন্ত্রাসের সঙ্গে আপোস করত। সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর জানা সত্ত্বেও কংগ্রেস পাকিস্তানে দলিল পাঠিয়ে পছন্দ করে নিতে বলত।” তাঁর দশ বছরের রাজত্বকালে যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি বদলছে, তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ আর ভারত সন্ত্রাসবাদের মূল চক্রীদের দলিল পাঠায় না। উল্টে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের (সন্ত্রাসবাদীদের) বাড়িতে ঢুকে গিয়ে হুমকির জবাব দিয়ে আসে।”

    দুই সরকারের পার্থক্য

    সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে যে পূর্বতন সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য রয়েছে, তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর ‘নিউ ইন্ডিয়া’র যে দায়বদ্ধতা, দেশের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা রক্ষায় যে অঙ্গীকার, তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন মহারাষ্ট্রজুড়ে একাধিক সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিটি জনসভায়ই তাঁর আমলে দেশে কী কী উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, তারও ফিরিস্তি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিন তালাক প্রথার অবলুপ্তি যে কেবল মহিলাদের সুরক্ষা দিয়েছে তা নয়, নিরাপত্তা দিয়েছে পরিবারকেও।”

    আরও পড়ুুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    বিরোধীদের তুষ্টিকরণের রাজনীতিকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন কেন্দ্রের ক্ষমতায় থাকলেও, ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে তিন তালাক নিয়ে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি কংগ্রেস। আমি ভোটব্যাঙ্কের তোয়াক্কা করি না।” বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ যে দেশকে স্থায়ী সরকার দিয়েছে, তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সরকার দেশকে দিয়েছে সুশাসনও। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি যখন বলি এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত, তখন জ্বরে কাঁপতে থাকেন কংগ্রেসের যুবরাজ। যারা দেশকে লুট করেছে, তাদের মূল্য চোকাতেই হবে। এটাই হল মোদির গ্যারান্টি।”

    ন্যায় বিচার ও জনকল্যাণের প্রতি তাঁর সরকার যে দায়বদ্ধ, তাও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমাদের সরকার প্রকৃতপক্ষে সামাজিক ন্যায় বিচারের ভিত্তিকে পোক্ত করেছে।” কারও কাছ থেকে কোনও কিছু কেড়ে না নিয়ে তাঁর সরকার যে সর্বদা জনকল্যাণে নিয়োজিত, তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • P Chidambaram: কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের ছেলের ১১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    P Chidambaram: কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের ছেলের ১১ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএনএক্স (INX) মিডিয়া দুর্নীতি মামলায় দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা কংগ্রেস (Congress) সাংসদ পি চিদম্বরমের (P Chidambaram) ছেলে কার্তি চিদম্বরমের ১১ কোটি ৪ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। মঙ্গলবারই এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, এই তালিকায় কর্নাটক ও তামিলনাড়ুর চারটি সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থাবর সম্পত্তিও রয়েছে। ইডির দাবি, বেআইনি আর্থিক লেনদেন প্রতিরোধ আইনেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।

    পি চিদম্বরমের (P Chidambaram) ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    ইডি সূত্রে খবর, কার্তির বিরুদ্ধে ইউপিএ জমানায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে আইএনএক্স মিডিয়া সংস্থা, তার মালিক পিটার মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রানীকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত করার অভিযোগ রয়েছে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে ছাড়পত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রক ওই সংস্থাকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিল। কার্তি যখন এসব করেন, তখন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ছিলেন তাঁর বাবা পি চিদম্বরম (P Chidambaram)। অভিযোগ, সেই সুবাদেই প্রভাব খাটিয়ে কার্তি তাঁদের ছাড়পত্র পাইয়ে দিয়েছিলেন। এই দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, বাবার মাধ্যমে বেআইনি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কার্তি ৩ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, এর আগেও একবার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল কার্তির সম্পত্তি। সেটা ২০১৯ সাল। সেবারও কার্তির বহু কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।

    আরও পড়ুুন: ফ্রিজ করা হল জীবনকৃষ্ণের ৮ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! যুক্ত আর কোন কোন নেতা, খতিয়ে দেখছে সিবিআই

    কেবল তাই নয়, আইএনএক্স মিডিয়ার বিরুদ্ধে আয়কর তদন্ত স্থগিত করার জন্যও কার্তির বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ করেছে সিবিআই। এই মামলায় ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসে সিবিআই গ্রেফতার করেছিল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডিও। তার আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল কার্তিকেও। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। প্রসঙ্গত, ইউপিএ জমানায়, ২০০৭ সালে চিদম্বরম (P Chidambaram) মন্ত্রী থাকাকালীনই কার্তি আইএনএক্স মিডিয়ায় অর্থ তছরুপ করেছেন বলে অভিযোগ। ৩০৫ কোটি টাকার অর্থ তছরুপের অভিযোগ রয়েছে কার্তির বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Amit Shah : ‘‘পাটনায় বিরোধী নেতাদের ফটো সেশন চলছে’’! কটাক্ষ অমিত শাহের

    Amit Shah : ‘‘পাটনায় বিরোধী নেতাদের ফটো সেশন চলছে’’! কটাক্ষ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের রণকৌশল তৈরি করতে পাটনায় বৈঠকে বসেছেন বিরোধীরা। এই বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বিরোধী ঐক্য নিয়ে উপহাস করে শাহ বলেন, ‘‘ওখানে তো ফোটোসেশন হচ্ছে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কোনও বিরোধী জোটের সম্ভাবনাই নেই।’’ফের বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে বলে ভবিষ্যৎবাণী করেন, শাহ।

    বিরোধীদের অলীক কল্পনা

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ডাকে পাটনায় বিজেপি বিরোধী দলগুলির বৈঠক চলাকালীনই জম্মু ও কাশ্মীরে সফরে গিয়ে শাহ (Amit Shah)বলেন, শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি বিরোধী জোট হয়, তা হলেও তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই ।  তিনি বলেন, ‘‘আমি ওই বিরোধী নেতাদের বলতে চাই যে, আপনাদের ঐক্য প্রায় অসম্ভব এবং শেষ পর্যন্ত যদিও বা তা বাস্তব হয়, অনুগ্রহ করে জনগণের সামনে সেই ঐক্য তুলে ধরুন। ২০২৪ সালে, ৩০০-র বেশি আসন নিয়ে নরেন্দ্র মোদির প্রত্যাবর্তন আটকাতে পারবেন না।’’

    ইউপিএ সরকার ‘দুর্নীতির’ সঙ্গে জড়িত

    দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে হওয়া দুর্নীতি রুখেছে মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। এই প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী ইউপিএ সরকারের সঙ্গে তুলনাও করেছেন তিনি। শাহের অভিযোগ, ইউপিএ সরকার ১২ লক্ষ কোটির ‘দুর্নীতির’ সঙ্গে জড়িত। ইউপিএ সরকারকে আক্রমণের পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরের অতীতের পরিস্থিতির জন্য ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি এবং কংগ্রেসকে দায়ী করে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপে ৪২ হাজার মানুষের মৃত্যুর দায় কে নেবে সে প্রশ্নও করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    কী নিয়ে বিরোধী বৈঠক

    অমিত শাহ (Amit Shah) ছাড়াও বিরোধীদের বৈঠককে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি প্রবীণ বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদও। লোকসভা ভোটে বিরোধীদের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে রণকৌশল ঠিক করতে শুক্রবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বাসভবনে বৈঠকে বসে বিরোধীরা। মোট ২০টি দলের তাবড় তাবড় নেতা-নেত্রীরা বৈঠকে যোগ দেন।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার একে ৪৭-এর গুলি, গ্রেনেড! কাশ্মীরের অনন্তনাগে গ্রেফতার ২ লস্কর জঙ্গি

    আসন ভাগাভাগি সহ একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। বৈঠকে, রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ছাড়াও যোগ দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। সীতারাম ইয়েচুরি সহ বাম দলের একাধিক নেতা ছাড়াও বৈঠকে যোগ দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। হাজির ছিলেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিম অখিলেশ যাদব ছাড়াও জম্মু ও কাশ্মীরে দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতি।তবে, এই বৈঠকে যোগ দেননি তেলেঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগমনোহন রেড্ডি এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tejashwi Yadav: তেজস্বীর জামিন খারিজের আবেদন নিয়ে আদালতে সিবিআই

    Tejashwi Yadav: তেজস্বীর জামিন খারিজের আবেদন নিয়ে আদালতে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারিতে (IRCTC Scam) জামিন পেয়েছেন বিহারের (Bihar) উপমুখ্যমন্ত্রী আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবের পুত্র তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)। এবার তাঁর জামিন খারিজের আবেদন নিয়ে দিল্লি আদালতে গেল সিবিআই (CBI)। অভিযোগ, জামিন পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কয়েকজন আধিকারিককে তিনি হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তেজস্বী হুমকি দেন। এভাবে তিনি মামলায় প্রভাব খাটিয়েছেন বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের।

    আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের। অভিযোগ, রাঁচি এবং ওড়িশার পুরীতে ওই সংস্থার দুই হোটেল সংস্কারের ক্ষেত্রে আর্থিক তছরুপ হয়। ২০০৬ সালের ওই ঘটনায় নাম জড়ায় তেজস্বীর। তদন্তে নেমে সিবিআই ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। এদিন সিবিআইয়ের জামিন খারিজের আবেদনের প্রেক্ষিতে তেজস্বীকে নোটিশ পাঠায় আদালত।

    আরও পড়ুন : চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন লালু-পুত্র তেজস্বী!

    জানা গিয়েছে, গত মাসে এক সাংবাদিক সম্মেলনে অংশ নেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তিনি বলেন, সিবিআই আধিকারিকদের কি মা এবং ছেলেমেয়ে নেই? তাঁদের কি পরিবার নেই? তাঁরা কি চিরকাল সিবিআই অফিসার হিসেবেই থাকবেন? তাঁরা কি অবসর নেবেন না? কেবল এই দলই কি চিরকাল বিহারের ক্ষমতায় থাকবে? কী বার্তা আপনারা পাঠাতে চাইছেন? আপনাদের উচিত সৎ ভাবে সাংবিধানিক সংস্থার দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া।

    তেজস্বী যখন এভাবে সিবিআইকে হুমকি দিচ্ছেন, তার ঠিক আগে আগেই রাষ্ট্রীয় জনতা দলের কয়েকজন নেতার বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। জমির বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগের মামলায় তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। তার পরেই সিবিআইকে তেজস্বী হুমকি দেন বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায়ও নাম জড়িয়েছে বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রীর। ইউপিএ-১ সরকারের আমলে রেলমন্ত্রী ছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। সেই সময়ই ওই দুর্নীতি হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    Bihar Politics: ‘পল্টুরাম’ হলেন ‘কাল্টুরাম’, নীতীশকে বেনজির আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সঙ্গ ছেড়ে মঙ্গলবারের বারবেলায় দিয়েছিলেন ইস্তফা। পরের দিনই ইউপিএ-র (UPA) হাত ধরে ফের বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তার পরেই তাঁকে ফের আক্রমণ শানিয়েছেন গেরুয়া নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, পল্টুরাম (Palturam) হলেন কাল্টুরাম (Kalturam)।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। তার আগে শামিল হয়েছিলেন মহাজোটের সঙ্গে। এবার যখন লোকসভা নির্বাচনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে, তখন ফের ত্যাগ করলেন পদ্ম শিবির। ভিড়ে গেলেন আরজেডি এবং বাম-কংগ্রসের মহাজোটে। এবং যে মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে গিয়েছিলেন তিনি, চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ফের বসলেন সেই তখতে।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

    সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে গিরিরাজ বলেন, এক সময় লালুপ্রসাদ ওঁকে সাপ সম্বোধন করেছিলেন। তিনি বলেন, গতকালও যিনি ছিলেন পল্টুরাম, তিনিই হয়ে গেলেন কাল্টুরাম। গিরিরাজ বলেন, আমি শুনেছি যে লালু প্রসাদ ওঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অথচ এই লালুই একবার ট্যুইট করে বলেছিলেন, সাপ যেমন বারবার খোলস ত্যাগ করে, নীতীশ তেমনই প্রতিবার নতুন জোটে গিয়ে ভিড়ে যান। বক্তব্যের সমর্থনে ২০১৭ সালে লালুর সেই ট্যুইটবার্তাও শেয়ার করেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। গিরিরাজের প্রশ্ন, নীতীশ কুমার যে দু বছর অন্তর খোলস ছাড়ে না, এ নিয়ে কি কোনও সন্দেহ আছে? প্রসঙ্গত, লালু সঙ্গ ছেড়ে ২০১৭ সালে নীতীশ বিজেপির হাত ধরায় ওই ট্যুইট করেছিলেন আরজেডি সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব। প্রসঙ্গত, এই নিয়ে দুবার নীতীশ বিজেপির হাত ছেড়ে ভিড়ে গেলেন আরজেডি, বাম-কংগ্রেসের মহাজোটে।

    আরও পড়ুন : অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    গিরিরাজ মনে করিয়ে দেন, ১৯৯৬ সালে বিজেপি নীতীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে মেনে নিয়েছিল, কারণ তখন তারা বিহারে বড় দল ছিল। বিজেপির চেয়ে জেডিইউয়ের আসন সংখ্যা কম হওয়া সত্ত্বেও ২০২০ সালেও তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। তাঁর এই ‘প্রবঞ্চনা’ যে ভাল চোখে দেখেছেন না বিজেপি নেতৃত্ব, গিরিরাজের কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

  • Narendra Modi: মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    Narendra Modi: মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশে মহারণ। লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha)। ওই ভোটে দেশবাসী প্রধানমন্ত্রী (PM) হিসেবে ফের চাইছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi)। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। সমীক্ষার নাম ছিল মুড অফ দ্য নেশন (Mood of the Nation)। দেশের সিংহভাগ ভোটারই ফের পাঁচ বছরের জন্য চান মোদি-রাজ।

    ইউপিএ (UPA) সরকারকে হারিয়ে ২০১৪ সালে দিল্লি দখল করে বিজেপি (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)। প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন নরেন্দ্র মোদি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন অমিত শাহ। তার পর থেকে দেশের অগ্রগতি যেন অশ্বমেধের ঘোড়া। ২০১৪ পর লোকসভা নির্বাচন হয় উনিশে। ফের একবার বিরোধীদের কুপোকাত করে দিল্লির সিংহাসনে আসীন হন নরেন্দ্র মোদি। তার পর দেশ জুড়ে দেখা গিয়েছে মুদ্রাস্ফীতি, কোভিড অতিমারি। দাম বেড়েছে জ্বালানির। তার পরেও মোদির জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি এতটুকুও। সি-ভোটারের সঙ্গে একটি সংবাদ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী পদে আট বছর অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে মোদির। তার পরেও তাঁর জনপ্রিয়তার লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। তাঁর কাছাকাছি কেউই নেই।

    আরও পড়ুন : দিল্লি গিয়ে সেটিং কি হল, দিদিকে কী বললেন মোদি?

    ওই সমীক্ষায় যাঁরা অংশ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৫৩ শতাংশ মানুষই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। ৯ শতাংশ মানুষ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ওই পদে দেখতে চান। আর রাহুলের পিছনে রয়েছেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চান তাঁকে।

    ওই সমীক্ষায়ই জানা গিয়েছে অংশগ্রহণকারীদের চল্লিশ শতাংশ কংগ্রেসকে ভাল বিরোধীদল হিসেবে উল্লেখ করেছে। দুর্বল তকমা দিয়েছে ৩৪ শতাংশ ভোটার। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বেই যে কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াবে তা বিশ্বাস করেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৩ শতাংশ মানুষ। আর ১৬ শতাংশ মানুষ ওই ভূমিকায় দেখতে চান প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহকে। গান্ধী পরিবারেরই প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার পক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৯ শতাংশ মানুষ।

    আরও পড়ুন : ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনও একটি পদে সর্বাধিক পর পর দুটো টার্ম থাকতে পারেন কোনও একজন। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদির দ্বিতীয় টার্ম চলছে। তবে তুঙ্গ জনপ্রিয়তার কারণে ফের তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী মুখ করে চব্বিশের মহারণে লড়তে পারে বিজেপি। এই সমীক্ষার ফলও তো পড়ে ফেলেছে দেশবাসীর মন!

     

  • Presidential Election 2022:  জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    Presidential Election 2022: জয় নিশ্চিত দ্রৌপদী মুর্মুর! প্রথম রাউন্ডের শেষে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী  বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেলেন এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)।  বলা যেতে পারে, এই লড়াইয়ে দ্রৌপদীর জয় এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কিছুক্ষণ আগেই, প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হয়েছে। আর তাতেই যশবন্তের চেয়ে বিপুল ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, দ্রৌপদী মুর্মুকে ৫৪০ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। দ্রৌপদী মুর্মুর প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ৩,৭৮,০০০। যশবন্ত সিনহাকে ২০৮ জন সাংসদ ভোট দিয়েছেন। যশবন্ত সিনহা প্রাপ্ত ভোটের ভ্যালু ১,৪৫,৬০০। ১৫টি ভোট অবৈধ ঘোষিত হয়েছে। দ্রৌপদী মুর্মু ৭২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।  ফলে বলা যেতেই পারে, সম্ভবত বিপুল সমর্থন নিয়েই দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় কার্যত নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে দেশের দ্বিতীয় মহিলা এবং প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি হিসেবে এই পদে বসবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    ওড়িশার অতি সাধারণ ঘর থেকে আসা একটি আদিবাসী পরিবারের মেয়ে তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যা ও কষ্টের শিকার হয়েছেন দ্রৌপদী। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন তাঁর স্বামী, দুই ছেলে, মা ও ভাই। ২০০৯ সালে, রহস্যজনক মৃত্যু ঘটে দ্রৌপদী মুর্মুর এক ছেলের। দ্রৌপদীর স্বামী শ্যাম চরাম মুর্মু ২০১৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ২০১২ সালে এক পথ দুর্ঘটনায় নিজের দ্বিতীয় পুত্রকেও হারান তিনি। দ্রৌপদী মুর্মুর কন্যা ইতিশ্রী মুর্মু একটি ব্যাঙ্কে কাজ করেন।

    ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক কর্মজীবন শুরু করার আগে দ্রৌপদী মুর্মু ওড়িশার রায়রংপুরে শ্রী অরবিন্দ ইন্টিগ্রাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে শিক্ষকতা করতেন। এখনও পর্যন্ত দেশে কোনও আদিবাসী মহিলা প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি হননি। যদিও কেআর নারায়ণন ও রামনাথ কোবিন্দের রূপে দেশ পেয়েছিল ২ জন দলিত রাষ্ট্রপতি।

    আরও পড়ুন: ঘরের মেয়ে হতে চলেছেন রাষ্ট্রপতি, উৎসবের মেজাজ দ্রৌপদীর গাঁয়ে

  • Bihar Politics: নীতি-আদর্শ কি জলাঞ্জলি দিয়েছেন? নীতীশকে প্রশ্ন চিরাগের

    Bihar Politics: নীতি-আদর্শ কি জলাঞ্জলি দিয়েছেন? নীতীশকে প্রশ্ন চিরাগের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনার কি কোনও আদর্শ আছে নাকি নেই? বিহারের (Bihar) নয়া মুখ্যমন্ত্রীকে এই প্রশ্নই করলেন লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান (Chirag Paswan)। মঙ্গলবার এনডিএ (NDA) সঙ্গ ছেড়ে ইউপিএর (UPA) হাত ধরেছেন জনতা দল ইউনাইটেড (JDU) সুপ্রিমো নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। বুধবার অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথও নেন তিনি। উপমুখ্যমন্ত্রী হন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব। তার পরেই নীতীশকে তোপ দাগেন লোক জনশক্তি পার্টির নেতা চিরাগ পাসোয়ান।

    এদিন একটি গাড়িতে করে তেজস্বীকে নিয়ে নীতীশ যান রাজভবনে। তার আগে মঙ্গলবার সেখানে রাজ্যপাল ফাগু চৌহানের কাছে গিয়ে ইস্তফা দেন তিনি।এর পরেই চিরাগ দাবি করেন, বিহারে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক। তারপর নতুন করে নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বেছে নেওয়া হোক মুখ্যমন্ত্রী। গেরুয়া শিবিরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, নীতীশ যা চেয়েছেন তাই মেনে নিয়েছিল বিজেপি। তবুও তাদের সঙ্গত্যাগ করলেন তিনি।

    আরও পড়ুন : অষ্টমবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন নীতীশ

    চিরাগ প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের ছেলে। সংবাদ সংস্থার সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে চিরাগ বলেন, নীতীশ কুমার আবারও জনাদেশকে অপমান করলেন। উনি গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছেন…। তাঁর প্রশ্ন, এটা কী রসিকতা হচ্ছে? চিরাগ বলেন, একবার আপনি একজনের সঙ্গে যাবেন, পরে আর এক দিকে হাঁটবেন। মাননীয় রাজ্যপালের কাছে আমার আর্জি, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হোক। এর পরেই তিনি বলেন, নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নতুন করে জনাদেশ নেওয়া হোক। চিরাগের দাবি, নতুন করে নির্বাচন হলে নীতীশের দল কোনও আসনই পাবে না। চিরাগ রয়েছেন বিজেপির পাশে। তাঁর দল ভেঙে তৈরি হওয়া রাষ্ট্রীয় লোক জনশক্তি পার্টিও বিজেপির পাশেই থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। এদিকে, ইস্তফা দিয়েই নীতীশ সটান চলে যান লালুপ্রসাদ যাদবের বাড়িতে। এর পরেই লালু-কন্যা রোহিণী আর্য ট্যুইট বার্তায় লেখেন, রাজতিলক কা করো তৈয়ারি, আ রহে হ্যায় লণ্ঠনধারী।

    আরও পড়ুন :পাটনায় পালাবদল! নীতীশ মুখ্যমন্ত্রী হলেও বেশি ক্ষমতা থাকবে লালু-পুত্রর হাতে?

LinkedIn
Share