Tag: Upendra Dwivedi

Upendra Dwivedi

  • Army chief Upendra Dwivedi: বাংলাদেশকে নরমে-গরমে হুঁশিয়ারি, কাশ্মীরে ৬০ শতাংশ জঙ্গিই পাকিস্তানি, দাবি সেনাপ্রধানের

    Army chief Upendra Dwivedi: বাংলাদেশকে নরমে-গরমে হুঁশিয়ারি, কাশ্মীরে ৬০ শতাংশ জঙ্গিই পাকিস্তানি, দাবি সেনাপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক (India Bangladesh Relation) দিক থেকে কোনও চরম শত্রুতা নেই। তবে বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতার কারণেই যৌথ সামরিক মহড়া পিছিয়ে গিয়েছে বলে জানালেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Army chief Upendra Dwivedi)। সেনা দিবস তথা আর্মি ডে-এর আগে একাধিক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন সেনাপ্রধান। সেখানেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে নানান মত জ্ঞাপন করেন দ্বিবেদী।

    সম্পর্ক ঠিক আছে তবে সামরিক মহড়া নয়

    বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের রেশ ধরেই এদিন দ্বিবেদী (Army chief Upendra Dwivedi) জানান, সুরক্ষার স্বার্থে দুই দেশকেই (India Bangladesh Relation) এগিয়ে আসতে হবে। কোনও ধরনের শত্রুতা আনা হবে না। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের প্রতিবেশী। আমাদের পারস্পারিক সহাবস্থান গুরুত্বপূর্ণ। কূটনৈতিক দিক থেকে ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই উভয়ের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। একান্ত নিজেদের স্বার্থেই উভয়ের মধ্যে কোনও রকম শত্রুতা (Animosity) আনা ঠিক হবে না।’’ বাংলাদেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সময় সে দেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখে চলছিলেন বলেও এদিন জানান ভারতের সেনাপ্রধান। সরকার বদলের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখা হয়েছে। এমনকি, দু’তরফে ভিডিও কনফারেন্সে কথাও হয়েছিল বলে এদিন জানান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সামরিক সহাবস্থান পুরোদমে রয়েছে বলে দাবি দ্বিবেদীর। তবে তিনি জানান, যতদিন না বাংলাদেশে অস্থিরতা কাটিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, ততদিন মহড়া হবে না।

    উপত্যকায় টেররিজম থেকে ট্যুরিজম

    অন্যদিকে, ভারতের পশ্চিম প্রান্তের প্রতিবেশী নিয়ে কড়া কথা শোনা গেল সেনাপ্রধানের গলায়। জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গিদের বাড়বাড়ন্ত প্রসঙ্গে এদিন সেনাপ্রধান (Army chief Upendra Dwivedi) জানান, উপত্যকাবাসী সন্ত্রাস চায় না। তাদের মগজধোলাই করার চেষ্টা চলে। উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদে যে সমস্ত জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়েছ, তাদের ৬০ শতাংশই পাকিস্তানি। কেউই স্থানীয় বাসিন্দা নন। জম্মু কাশ্মীরে বসবাসরত ৮০ শতাংশ জঙ্গিই আবার বহিরাগত। জম্মু কাশ্মীরে ড্রোনের ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে অনুপ্রবেশ আটকাতে আগের থেকে অনেক বেশি সফল সেনা। এর ফলে দ্রুত উপত্যকায় টেররিজম থেকে ট্যুরিজমে উন্নীত হওয়ার প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলেও জানান দ্বিবেদী। ড্রোন ছাড়াও নাইট ভিশন ডিভাইসের মতো আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় সন্ত্রাসবাদ সমূলে উৎপাটিত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে সেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • General Upendra Dwivedi: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু স্থিতিশীল”, বললেন সেনাপ্রধান

    General Upendra Dwivedi: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সংবেদনশীল, কিন্তু স্থিতিশীল”, বললেন সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর পরিস্থিতি সংবেদনশীল কিন্তু স্থিতিশীল রয়েছে।” সোমবার এমনই বললেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (General Upendra Dwivedi)। সেনা দিবসের আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এই অঞ্চলে এখনও কিছুটা অচলাবস্থার পরিস্থিতি রয়েছে। ভারত ও চিনা সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালানো প্রয়োজন।”

    কী বললেন সেনাপ্রধান? (General Upendra Dwivedi)

    সেনাপ্রধান বলেন, “দেপসাং ও ডেমচক—এই দুটি উত্তেজনাপূর্ণ এলাকায় ঐতিহ্যগত অঞ্চলগুলিতে টহলদারি ও পশুচারণ ফের শুরু হয়েছে। আমাদের সেনা মোতায়েন ভারসাম্যপূর্ণ, শক্তিশালী, এবং আমরা যে কোনও পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম।” সামগ্রিকভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিস্থিতি সম্পর্কে সেনাপ্রধান বলেন, “আমরা সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।” জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “এটি মোটের ওপর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তানি পক্ষের সঙ্গে অস্ত্রবিরতি চুক্তি কার্যকর রয়েছে।”

    ‘আমাদের এক সঙ্গে বসতে হবে’

    ভারত-চিন সীমান্ত বৈঠক প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান (General Upendra Dwivedi) বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চিনা প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছেন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যথন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই আলোচনাগুলি চালিয়েছিলাম, তখন কিছু জায়গায় অস্থায়ী স্থগিতাদেশ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০ এপ্রিলের পর দুই দেশের মধ্যে আস্থার নয়া সংজ্ঞা দিতে হবে। তাই আমাদের এক সঙ্গে বসতে হবে। তার পরে আমরা কীভাবে পরিস্থিতি শান্ত করতে চাই এবং আস্থা পুনরুদ্ধার করতে চাই, সে বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা হবে।”

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে বের করে দিতে পারে অসম, রায় গুয়াহাটি হাইকোর্টের

    জঙ্গি অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান (General Upendra Dwivedi) বলেন, “অনুপ্রবেশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের দিকের সন্ত্রাসী পরিকাঠামো এখনও অক্ষত রয়েছে। গত বছর মৃত জঙ্গিদের ৬০ শতাংশই ছিল পাকিস্তানি।” মণিপুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সরকারের সক্রিয় উদ্যোগের ফলে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।” সেনাপ্রধান জানান, মণিপুরে চক্রাকার হিংসার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী সেই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তিনি (General Upendra Dwivedi) বলেন, “ভারত-মায়ানমার সীমান্ত বরাবর, মায়ানমারের পরিস্থিতি থেকে কোনও প্রভাব যাতে আমাদের দেশে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই (LAC) উন্নত নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    Lt General Upendra Dwivedi: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, এমাসেই দায়িত্ব নেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নতুন সেনা প্রধান (Next Army Chief) হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। বর্তমানে ভারতীয় সেনার সহকারী প্রধান (‘ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ’) পদে রয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে আগামী ৩০ জুন অবসর নেবেন জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। সে দিনই লেফটেন্যান্ট জেনারেল দ্বিবেদী তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন। 

    কবে নেবেন নতুন দায়িত্ব 

    গত মে মাসেই জেনারেল মনোজ পান্ডের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়েছে ৷ কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তে তার কার্যকালের মেয়াদ ১ মাস বাড়ানো হয়েছে ৷ আগামী ৩০ জুন জেনারেল মনোজ পাণ্ডের কাজের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর সেদিনই নতুন সেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)৷  চলতি বছরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় সেনা সহকারী প্রধান বা ভাইস চিফ আর্মি স্টাফ হিসেবে দায়িত্বভার নেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী৷ ওই পদে মাত্র চার মাস থাকার পরই দেশের চিফ অফ আর্মি স্টাফ হতে চলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    নির্ভরযোগ্য হাতে দায়িত্ব

    ১৯৮৪ সালে ভারতীয় সেনার জম্মু ও কাশ্মীর রাইফেলসের রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেনান্ট পদে যোগ দিয়েছিলেন উপেন্দ্র  দ্বিবেদী (Lt General Upendra Dwivedi)। ন্যাশানাল ডিফেন্স আকাডেমি ও ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমির এই প্রাক্তনী এর আগে ডেপুটি চিফ অফ আর্মি স্টাফ, ডিরেক্টর জেনারেল অফ ইনফ্যান্ট্রির মতো পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ সামলেছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে বিদেশেও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সৈনিক স্কুল দিয়ে পঠনপাঠন শুরু হয়৷ তারপর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হন৷ এছাড়াও আমেরিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত একাধিক কোর্সও করেছেন তিনি৷ বিশ্বের নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিখে এসেছেন নানা ধরনের অত্যাধুনিক সামরিক কলা-কৌশল৷ একইসঙ্গে প্রতিরক্ষার বিষয় নিয়ে এমফিল এবং দুটি বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিও রয়েছে তাঁর৷ এবার দেশের সেনাবাহিনীর (Next Army Chief) দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Army Commander: পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকা পরিদর্শনে আর্মি কমান্ডার, কেন জানেন?

    Army Commander: পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকা পরিদর্শনে আর্মি কমান্ডার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (LAC) এলাকা পরিদর্শন করলেন নর্দার্ন আর্মি কমান্ডার (Northern Army Commander) লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী (Upendra Dwivedi)। শনিবার ওই এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। সেনাবাহিনীকে যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শও দেন উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

    সেনার এক মুখপাত্র জানান, বর্তমানে উপেন্দ্র পাঁচ দিনের সফরে কেন্দ্র শাসিত এই অঞ্চলে এসেছেন। কথা বলেছেন বাহিনীর সঙ্গে। তিনি বলেন, সেনা কমান্ডার বাহিনীর প্রশংসা করেছেন দ্বিবেদী। বলেছেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বাহিনীর জওয়ানরা তাঁদের কর্তব্যে অবিচল রয়েছেন। পেশাদারিত্বের চূড়ান্ত নিদর্শন তাঁরা। সেনাদের সঙ্গে গোটা দেশ রয়েছে জানিয়ে দ্বিবেদী বাহিনীর জওয়ানদের উৎসাহিতও করেন।

    দ্বিবেদী লাদাখে পৌঁছেছিলেন শুক্রবার। সেখানে তিনি মেজর জেনারেল মনজিৎ সিং মোখার সঙ্গে বৈঠক করেন। কথা বলেন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। বাহিনীর প্রস্তুতির প্রশংসাও করেন তিনি। দ্বিবেদী সেনা জওয়ানদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সেনার ভূমিকার প্রশংসার সুরও শোনা যায় তাঁর গলায়। সেনার ওই মুখপাত্র জানান, নর্দান আর্মি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এদিন লাদাখ স্কাউটস রেজিমেন্টাল সেন্টারে গিয়ে পদাতিক সৈনদের আধুনিকীকরণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। পরে একটি বৈঠকও করেন। স্কাউটস রেজিমেন্টাল সেন্টারের পরে আর্মি কমান্ডার ত্রিশূল ডিভিশন পরিদর্শন করেন। অগাস্টের ২৮ এবং ২৯ তারিখ তিনি পূর্ব লাদাখের স্ট্রাইক ১ ইউনিট পরিদর্শন করবেন।

    আরও পড়ুন : অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে গোর্খা নিয়োগ স্থগিতের আর্জি নেপালের

    মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পোলেসি সম্প্রতি তাইওয়ান পরিদর্শন করেন। তার পরেই তলানিতে গিয়ে ঠেকে চিন তাইওয়ান সম্পর্ক। পোলেসির সফরের পরেই উত্তেজনা ছড়ায়। সমরসজ্জা শুরু করে দেয় দুই দেশই। এহেন পরিস্থিতিতে নর্দান আর্মি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পরিদর্শন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share