Tag: UPSC

UPSC

  • Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি নীতিনির্ধারণী সেমিনার থেকে তামাম বিশ্বকে বড় বার্তা দিয়ে খবরের শিরোনামে ভারতীয় কূটনীতিক পূজা কুমারী ঝা (Pooja Kumari Jha)। ভারতের মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir India) ভুল উপস্থাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রচারের আলোকে চলে এসেছেন তিনি। ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ আয়োজিত “আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতির নবায়ন: সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ” শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছিলেন পূজা। সেখান থেকেই দৃঢ় গলায় জানিয়ে দেন জন্মু-কাশ্মীরের ভুল উপস্থাপন নিয়ে তাঁর প্রবল আপত্তির কথা।

    জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই (Jammu Kashmir India)

    জানা গিয়েছে, ঢাকার ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন ভারতে বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার আহমেদ তারিক করিম। তিনি ২০০৯ থেকে ’১৪ পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বক্তব্যের সময় তাঁর উপস্থাপনায় ভারতের একটি মানচিত্র দেখানো হয়। সেই ম্যাপে জম্মু- কাশ্মীরের সীমানা ভারতের সরকারি অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেই ছিলেন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব পূজা। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান। ভারতীয় এই কূটনীতিক বলেন, “এখানে ভারতের যে মানচিত্রটি দেখানো হচ্ছে, সেটি ঠিকঠাক নয়। জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছিন্ন অংশ।” তাঁর আপত্তির জবাবে আহমেদ তারিক করিম বলেন, “এই মানচিত্রটি কেবল উপস্থাপনার সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়নি।” তবে তাঁর এই ব্যাখ্যার পরেও ভারতের সরকারি অবস্থান মনে করিয়ে দেন পূজা। বলেন, “আমি আপনার বক্তব্য বুঝতে পারছি। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং এখানে সেটাই ভুলভাবে দেখানো হয়েছে। তাই বিষয়টি তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেছি।”

    ঢোক গিলতে হল বাংলাদেশকে!

    এই সময় (Jammu Kashmir India) করিম জানতে চান, তিনি ভারতের প্রতিনিধি কি না। উত্তরে নিজের পরিচয় দিয়ে পূজা জানান, তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব। বাধ্য হয়ে করিম বলেন, “আপনার বক্তব্য নথিভুক্ত করা হল।” এই বলেই তিনি তাঁর বক্তব্য চালিয়ে যেতে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলির রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা তুলে ধরে করিম জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি আইনি সার্বভৌমত্ব অর্জন করলেও, তাদের পরিচয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং ভূখণ্ডগত নিরাপত্তা নিয়ে নানা উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। তাঁর মতে, ঔপনিবেশিক শাসন শুধু সীমান্ত নির্ধারণ করেনি, বরং রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার ধরনও বদলে দিয়েছিল। এর ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে অনেক সময় সহযোগী নয়, সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

    দেশভাগের জের

    তিনি আরও জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের আগে দক্ষিণ এশিয়া কঠোরভাবে বিভক্ত ভূখণ্ড ছিল না। সাম্রাজ্য, দেশীয় রাজ্য, বাণিজ্যপথ, তীর্থযাত্রা, ভাষাগত ধারাবাহিকতা এবং পরিবেশগত সংযোগের মাধ্যমে মানুষ অবাধে চলাচল করত, বাণিজ্য হত, বিবাহ ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের চলও ছিল। দেশভাগের ফলে পরিবার, বাজার, নদী, রেলপথ, বন্দর, স্মৃতি এবং (Jammu Kashmir India) পরিচয় বিভক্ত হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, “দেশভাগ ছিল যেন একটি পরিবারের বাড়িকে ভাগ করে দেওয়ার মতো ঘটনা (Pooja Kumari Jha)।” সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

    কে এই পূজা?

    এদিকে, ভারতীয় কূটনীতিক পূজার এই প্রতিবাদের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে দেখা যায়, মানচিত্রে আপত্তি তুলে ধরে পূজা স্পষ্ট ভাষায় ভারতের অবস্থান তুলে ধরছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পূজা ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার ২০২২ ব্যাচের আধিকারিক। ওই বছরই তিনি প্রথমবারের চেষ্টায়ই ইউপিএসসির সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় ৮২তম স্থান লাভ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ২৫ বছর। বর্তমানে তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে এক সাক্ষাৎকারে পূজা জানিয়েছিলেন, তাঁর শৈশব আর্থিক সঙ্কট ও সামাজিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে কেটেছে। পরিবারের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ সন্তান হিসেবে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই তিনি দেশের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেন।

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir India) প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান বরাবরই এক। নয়াদিল্লির দাবি, সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই সঙ্গে ভারত বরাবরই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর খালি করার দাবি জানিয়ে এসেছে, এবং এই ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে (Pooja Kumari Jha)।ঢাকার এই সাম্প্রতিক ঘটনায়ও ভারতীয় কূটনীতিক পূজা সরকারের সেই অবস্থানই আরও একবার জানিয়ে দিলেন প্রকাশ্যে। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান বিআইআইএসএস। এর লক্ষ্য হল নানা আন্তর্জাতিক, নিরাপত্তা, কৌশলগত ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা পরিচালনা করা। এটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই পরিচিত (Jammu Kashmir India)।

     

  • UPSC uses AI: প্রথমবার এআই ব্যবহার করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের যাচাই, প্রিলিমসের আগেই ৫৬৯ অযোগ্য আবেদন বাতিল করল ইউপিএসসি

    UPSC uses AI: প্রথমবার এআই ব্যবহার করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের যাচাই, প্রিলিমসের আগেই ৫৬৯ অযোগ্য আবেদন বাতিল করল ইউপিএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় লোকসেবা কমিশন (UPSC) প্রথমবারের মতো সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (CSE) আবেদন যাচাইয়ের পর্যায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে অযোগ্য প্রার্থীদের চিহ্নিত করেছে। এই উদ্যোগের ফলে ২০২৬ সালের সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগে ৫৬৯টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া আবেদনগুলির মধ্যে ছিল একাধিকবার জমা দেওয়া আবেদন এবং নির্ধারিত প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করা প্রার্থীদের আবেদন।

    পূজা খেডকর বিতর্কের পর কঠোর নজরদারি

    ইউপিএসসি-র এই পদক্ষেপ এসেছে প্রাক্তন আইএএস প্রশিক্ষণার্থী পূজা খেড়কর-কে ঘিরে বিতর্কের প্রায় দুই বছর পর। ২০২৪ সালে অভিযোগ ওঠে যে তিনি নিজের ও তাঁর বাবা-মায়ের নাম পরিবর্তন করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যদিও তিনি ইতিমধ্যেই অনুমোদিত প্রচেষ্টার সংখ্যা শেষ করে ফেলেছিলেন। পরে UPSC তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে এবং তাঁকে পরিষেবা থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগে সাধারণত এই ধরনের যাচাই-বাছাই সাক্ষাৎকার পর্বে, অর্থাৎ প্রিলিমস ও মেইনস উত্তীর্ণ হওয়ার পর করা হতো। তবে এ বছর কমিশন আবেদন জমার পরপরই যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

    এআই ও আধারভিত্তিক যাচাই

    ২০২৬ সালের সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য মোট ৮.১৮ লক্ষ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৫.৪৯ লক্ষ পরীক্ষায় অংশ নেন। গত বছরের ৯.৫ লক্ষ আবেদনকারীর তুলনায় এ বছর সংখ্যা কিছুটা কম। সূত্রের মতে, নতুন যাচাই পদ্ধতি এই হ্রাসের অন্যতম কারণ হতে পারে। কমিশন এ বছর একটি নতুন আবেদন পোর্টাল চালু করে, যেখানে আধার-ভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ ছিল। প্রায় ৯৪ শতাংশ আবেদনকারী এই সুবিধা গ্রহণ করেন। বাকি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ এবং ছবি মিলিয়ে ডুপ্লিকেট আবেদন শনাক্ত করা হয়। এরপর গত ১৫ বছরের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় প্রার্থীরা বয়সসীমা বা প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করেছেন কি না। এই প্রক্রিয়ায় ৫৬৯ জন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থী এবং আরও ৬৯ জন ভারতীয় বন পরিষেবা (IFS) পরীক্ষার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়।

    সংরক্ষণ শ্রেণি পরিবর্তনও খতিয়ে দেখা হয়েছে

    ইউপিএসসিতে এআই-এর সাহায্যে পরীক্ষা করেছে, কোনও প্রার্থী পূর্ববর্তী আবেদনের তুলনায় সামাজিক শ্রেণি (Category) পরিবর্তন করেছেন কি না। তদন্তে দেখা যায়, ৪৩,৪৯৭ জন আবেদনকারী আগেরবারের তুলনায় ভিন্ন ক্যাটাগরি নির্বাচন করেছেন। তাঁদের ই-মেইলের মাধ্যমে নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য যোগাযোগ করা হয়। অনেক প্রার্থী জানান, সময়মতো প্রয়োজনীয় শংসাপত্র না পাওয়ায় তাঁরা আগে সাধারণ (General) শ্রেণিতে আবেদন করেছিলেন। তবে যাচাই শেষে ১৩৩টি আবেদন বাতিল করা হয়, কারণ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা তাঁদের বর্তমান শ্রেণির নির্ধারিত প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করেছিলেন।

    প্রযুক্তির লক্ষ্য ন্যায্যতা নিশ্চিত করা

    ইউপিএসসি-র চেয়ারম্যান অজয় কুমার বলেন, “প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ন্যায্যতা নিশ্চিত করা। এ বছর UPSC প্রিলিমসের আবেদন পর্যায়েই ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া চালিয়েছে, যাতে প্রকৃত প্রার্থীদের সঠিকভাবে শনাক্ত করা যায় এবং জাল বা একাধিক আবেদন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ইউপিএসসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং প্রযুক্তি সেই লক্ষ্য পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।”

  • Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    Keralam: কেরল সরকারের শীর্ষ কর্তার বিরুদ্ধে জাল আইএএস পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ ভিএইচপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল (Keralam) রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়ো আইএএস (IAS) পরিচয় ধারণ এবং জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। কেরল রাজ্য জনশিক্ষা অধিকর্তা (Director of Public Instruction – DPI) আসিফ কে ইউসুফের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনে অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছে এই সংগঠন। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজ্য রাজনীতিতে।

    নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট (Keralam)

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কেরল রাজ্য নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন, আসিফ কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়োগ সংক্রান্ত বিধি লঙ্ঘন করে, এবং ভুয়ো নথির সাহায্যে নিজেকে আইএএস পরিচয় দিয়েছেন। সংগঠনের পক্ষ (Keralam) থেকে আরও অভিযোগ, এর আগেও ইউসুফের ওবিসি (OBC) নন-ক্রিমি লেয়ার সার্টিফিকেট নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। সেখানে তিনি নিজের পারিবারিক আয় গোপন করে কেন্দ্রীয় লোকসেবা আয়োগের (UPSC) সুবিধা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাই এই ধরনের একজন ব্যক্তিকে কেন সরকারি পদে রাখা হবে?

    প্রশাসন কতটা স্বচ্ছ?

    ভিএইচপি (VHP) নেতৃত্ব কেরল সরকারের সমালোচনা করে আরও জানিয়েছে, এই ধরনের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল পদে একজন বিতর্কিত এবং জালিয়াতিতে অভিযুক্ত আধিকারিককে বসিয়ে রাখা রাজ্যের প্রশাসনিক স্বচ্ছতাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। সংগঠনের হুঁশিয়ারি, যদি রাজ্য সরকার অবিলম্বে ওই কর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ এবং তাঁকে পদ থেকে অপসারণ না করে, তাহলে তারা রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেরালার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কেরল (Keralam) রাজ্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেরলে বাম শাসনের পতন ঘটিয়ে কংগ্রেস-ইউডিএফ জোট সরকার গড়েছে। রাজ্যে মুসলিম লীগের দল ক্ষমতায় আসতেই হিন্দুদের নানা ধর্মীয় আচার নিয়ে উসকানিমূলক কাজকর্ম শুরু হয়েছে বলেও দাবি ভিএইপির।

  • UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)-কে আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাইয়ের অনুমতি দিল কেন্দ্র। এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় যেমন আধারের তথ্য লাগবে, তেমনই পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পূজা খেড়কর (Puja Khedkar) নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝেই ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্র (Central Government)। 

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন করা হবে। ফলে, এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় আধারের তথ্য দিতেই হবে পরীক্ষার্থীদের। এদিকে পরে পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খতিয়ে পরীক্ষা করা হবে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ইউপিএসসি-তে এবার আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই করতে আধার অথেনটিকেশন করা হবে। এছাড়া পরীক্ষা ও নিয়োগের বিভিন্ন ধাপেও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) পদ্ধতিতে প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে। ইউআইডিএআই(UIDAI)-এর নিয়ম ও নির্দেশ মেনেই ইউপিএসসি (UPSC) এই ভেরিফিকেশন করবে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, আধার ভিত্তিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট অথেন্টিকেশন, ফেসিয়াল রেকগনিশন, ই-অ্যাডমিটের কিউআর কোড স্ক্যান, লাইভ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক সিসিটিভি সার্ভিসের ব্যবহার করা হবে এবার থেকে। 

    কেন এই নয়া নিয়ম

    সম্প্রতিই পূজা খেড়কর নামক একজন ট্রেনি আইএএস অফিসারের ভুয়ো নথি ও তথ্য দিয়ে ইউপিএসসি পাশ করা এবং প্রতারণা করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। পূজার প্রার্থীপদ বাতিল করে ইউপিএসসি। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর ভবিষ্যতে না ঘটে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট। কবে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও জানানো হয়নি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা টেনে বিপাকে ইউপিএসসি শিক্ষিকা, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা

    UPSC: ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা টেনে বিপাকে ইউপিএসসি শিক্ষিকা, চাপে পড়ে চাইলেন ক্ষমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিল সার্ভিস (UPSC) পরীক্ষার অন্যতম জনপ্রিয় শিক্ষিকা শুভ্রা রঞ্জনের একটি বয়ানে বিতর্ক শুরু হয়। একটি ভিডিও বার্তায় ওই শিক্ষিকা ভগবান রামের (Lord Ram) সঙ্গে তুলনা টানেন আকবরের। যা নিয়ে প্রবল সমালোচনা করেন নেটিজেনরা। শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে দায়ের হয় মামলাও। পরবর্তীকালে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন শুভ্রা রঞ্জন এবং তিনি বলেন, ‘‘আমার উদ্দেশ্য কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা ছিল না, যদি এমনটা হয়ে থাকে তবে আমি ক্ষমা প্রার্থী।’’

    ইউপিএসসি শিক্ষিকার (UPSC) ওই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়

    প্রসঙ্গত, শুভ্রা রঞ্জনের ওই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ব্যাপক ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রত্যেকেই দাবি করতে থাকেন, ওই বয়ানের মাধ্যমে শিক্ষিকা (UPSC) হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। এই ঘটনায় সাইবার ক্রাইমে মামলা দায়ের করেন এক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এর জবাবে শুভ্রা রঞ্জন বলেন, ‘‘যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে তা একটি ছোট অংশ মাত্র। আপনারা যদি সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখেন, তাহলে বুঝতে পারবেন যে আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম ভগবান শ্রী রামের (Lord Ram) রাজ্য ছিল একটি আদর্শ রাজ্য।’’

    শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান কেউ কেউ

    শিক্ষিকা আরও দাবি করেন, ‘‘আমার এই আলোচনা ছিল একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন।’’ শিক্ষিকা আরও বলেন, ‘‘ভগবান রাম হলেন ভারতের-ঐতিহ্য-সভ্যতা-সংস্কৃতির প্রতীক। প্রভু শ্রী রামচন্দ্র এবং এবং তাঁর দেখানো পথের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রয়েছে।’’ বেশিরভাগ নেটাগরিক শুভ্রা রঞ্জনের তীব্র সমালোচনা করেন এবং বলেন, ‘‘ভগবান রামের সঙ্গে আকবরের তুলনা করে ওই শিক্ষিকা ইউপিএসসি (UPSC) প্রার্থীদের মনকে কলুষিত করেছেন।’’ তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান কেউ কেউ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ইউপিএসসি অফিসার! উপত্যকায় প্রেরণার উৎস শফিক

    Success Story: কাশ্মীরের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ইউপিএসসি অফিসার! উপত্যকায় প্রেরণার উৎস শফিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ইউপিএসসি-তে  (UPSC CAPF) সুযোগ পেলেন মহম্মদ শফিক। রাজৌরি জেলার মানজাকোট তহসিলের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম হায়াতপুরার বাসিন্দা শফিক কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। যেখানে অতীতে শুধুই গোলাগুলির শব্দ শোনা যেত, এখন সেখান থেকেই ইউপিএসসি-পরীক্ষায় সফল ছাত্র। উপত্যকার মানুষের কাছে শফিক এক আইকন (Success Story)। 

    প্রেরণার উৎস (Success Story)

    হায়াতপুর জেলা সদর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা শফিক। এখানে জীবন যাপন যথেষ্ট কঠিন। প্রতিদিন নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয় শফিকদের। তবুও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। নিজেদের শ্রেষ্ঠ প্রমাম করার তাগিদ থেকেই এই লড়াই। ভারতের সঙ্গে একাত্ম হওয়ার লড়াই। বিচ্ছিন্নতা নয়, শফিকরা বিশ্বাস করেন তাঁরা ভারতবাসী। এই দেশের তরুণ সমাজের মতোই তাঁরাও স্বপ্ন দেখে প্রশাসনিক স্তরে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করার। এই কাজে সফল শফিক। উপত্যকার তরুণ সম্প্রদায়ের কাছে প্রেরণার (Success Story) উৎস তিনি।

    কঠিন লড়াই (Jammu Kashmir) 

    ভারতের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে একটি ইউপিএসসি। এই পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য কঠিন পথ পেরোতে হয়েছে বলে জানান শফিক। তিনি বলেন,“আমাদের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো ছিল না যার কারণে আমরা পায়ে হেঁটে মাঞ্জাকোটে স্কুলে যেতাম। আমি রাজৌরী থেকে কলেজ করেছি। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে আমি রাজৌরীতে থাকতে পারিনি যে কারণে আমাকে প্রতিদিন রাজৌরী যেতে হত। আমি মাঞ্জাকোট থেকে প্রথম বাসে চড়তাম, তারপর অটো নিতাম এবং ২-৩ বার চেঞ্জ করে কলেজে যেতাম। এই সমস্ত প্রচেষ্টার পরে, আমার উপস্থিতি ৯৫ শতাংশের উপরে ছিল।” ছোট থেকেই দেশের সেবা করতে চাইতেন শফিক। তাই এই কাজে আসা বলেও জানান তিনি। বাবা-মা সাফল্যের উৎস, অভিমত শফিকের। তাঁর কথায়, “আমার বাবা-মা ছোটবেলা থেকেই সমর্থন ও উৎসাহ দিয়েছেন। আমার ব্যর্থতাতেও তাঁরা আমাকে সমর্থন করেছেন। তাঁরাই আমার সাফল্যের কারণ।”

    আরও পড়ুন: দিনমজুর থেকে আইআইটির ছাত্র! উত্তরপ্রদেশের গগন এখন পড়ুয়াদের প্রেরণা

    খুশি পরিবার

    ছেলের সাফল্যে খুশি বাবা-মা ও পরিবারের সকলে। শফিকের মা শামীম আক্তার বলেন,  “বাবা-মায়ের অবস্থা যেমনই হোক তাঁদের উচিত ছেলেমেয়েদর শিক্ষিত করা। আমার ছেলেরা খুব কষ্ট করে স্কুল যেত। কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনা আমাদের পাশে দাঁড়াত। তাই ছোট থেকেই দেশের জন্য কাজ করতে চাইত শফিক। আমি খুশি ও দেশ সেবা করবে এই ভেবেই।” শফিকের বাবা বারকেত হোসেন বলেন, “আমরা হিন্দুস্তানে থাকি এটা আমাদের দেশ আর আমরা হিন্দুস্তানি।” শফিকের ভাইরাও তাঁরই পদাঙ্ক অনুসরণ (Success Story) করতে চান বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhruv Rathee: ওম বিড়লার মেয়েকে নিয়ে ‘ভুয়ো খবর পোস্ট’ করায় ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    Dhruv Rathee: ওম বিড়লার মেয়েকে নিয়ে ‘ভুয়ো খবর পোস্ট’ করায় ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির (Dhruv Rathee) অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দেওয়ায় সাইবার ক্রাইম বিভাগে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের সাইবার পুলিশ, এই জনপ্রিয় ইউটিউবারের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি সামজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডলে, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কন্যা সম্পর্কে একটি ভুয়ো খবর পোস্ট করেছেন। তবে এই পোস্ট ভুয়ো খবর, নিছক মজা করার উদ্দেশে অপর আরেকটি ভুয়ো প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে বিনিময় করা হয়েছে। শনিবার একজন সিনিয়র পুলিশকর্তা এই কথা জানিয়েছেন। ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    সাইবার বিভাগ সূত্রে খবর (Dhruv Rathee)

    মহারাষ্ট্র সাইবার বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধ্রুব রাঠি (Dhruv Rathee) নিজের এক্স হ্যান্ডেলের অ্যাকাউন্টে দাবি করেছেন, “লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার মেয়ে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC) পরীক্ষায় না বসেই পাস করেছেন।” তবে পোস্ট করার সময় অ্যাকাউন্টে ​​লেখা রয়েছে, “এটি কেবল মজা করার জন্য পোস্ট। এটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং ধ্রুব রাঠির আসল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।” ভুয়ো খবর প্যারোডি অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়িয়ে পড়তে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ চিনা হেফাজতে মৃত্যু তিব্বতি তেনজিং ডেলেকের, কে জানেন?

    দায়ের মানহানি মামলা

    ওম বিড়লার এক আত্মীয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠির (Dhruv Rathee) বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) ধারায় মানহানি, শান্তি ভঙ্গ, ইচ্ছাকৃত অপমান এবং বিভ্রান্তিকর ভুয়ো খবর প্রচারের মামলায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে আইটি আইনের অধীনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ আরও বলেছেন, “পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো খবরটি একটি, ভুয়ো প্যারোডি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পোস্ট করা হয়েছে। ভুয়ো অ্যাকাউন্টটি অভিযুক্তের নয়। ইতিমধ্যে আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে দিয়েছি।”

    আবার প্যারোডি অ্যাকাউন্টটি শনিবার আরেকটি পোস্ট করে বলা হয়েছে, “অঞ্জলি বিড়লার উপর আমার সমস্ত পোস্ট এবং মন্তব্য মুছে ফেলেছি, আমি ক্ষমা চাইতে চাই, কারণ আমি ঘটনা সম্পর্কে অজ্ঞাত ছিলাম এবং অন্য কারও পোস্ট কপি করে শেয়ার করেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: তিন বার ব্যর্থ হয়েও পরিশ্রম ও জেদকে সম্বল করে আইএএস অফিসার আদিবাসী তরুণী মনীষা

    Success Story: তিন বার ব্যর্থ হয়েও পরিশ্রম ও জেদকে সম্বল করে আইএএস অফিসার আদিবাসী তরুণী মনীষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্য (Success Story) একদিনে আসে না। সাফল্য একটা প্রয়াস। বার বার চেষ্টা করলেই লক্ষ্যে পৌঁছনো যায়। মনের জেদ বজায় রাখতে হয়। পরিশ্রম করে যেতে হয়। এই কথাগুলোকে আঁকড়ে ধরেই এগিয়ে গিয়েছিলেন মনীষা ধারভে। একবার নয় দুইবার নয়, তিনবার ব্যর্থ হয়েছিলেন ইউপিএসসি পরীক্ষায়। তবু হাল ছাড়েননি। বড় অফিসার তাঁকে হতেই হবে। চতুর্থবারে সফল। আসলে কেউ লড়াই করলে ভাগ্য দেবতাও এক না একদিন তাঁর প্রতি সদয় হন। বড় বড় মণীষীরা বলেছেন, মানুষ নিজের কর্মের জোড়ে ভাগ্য বদলাতে পারে। তারই বড় প্রমাণ মনীষা (Manisha Dharve)।

    মনীষার লড়াই (Success Story)

    ছোট থেকেই মোধাবী ছাত্রী ছিলেন মনীষা (Manisha Dharve)। মনীষার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় বন্দরনিয়া গ্রামের একটি অঙ্গনওয়াড়িতে। তার বাবা, গঙ্গারাম ধরভে বড় চাকরি ছেড়ে গ্রামের শিশুদের শিক্ষিত করার কাজে ব্রতী হন। মা জামনা ধারভেও সরকারি স্কুলে পড়াতেন। মনীষা ছোট থেকেই পড়াশোনাকে তাঁর বন্ধু করেছিল। দশম শ্রেণির পরীক্ষায় ৭৫ শতাংশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ৭৮ শতাংশ নম্বর পান গ্রামের আদিবাসী কিশোরী মনীষা। এরপর ইন্দোরের হোলকার কলেজ থেকে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করেন মনীষা। স্নাতক শেষ করে দিল্লিতে গিয়ে ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন মনীষা। প্রথমবার ব্যর্থ হয়ে গ্রামে ফিরে যান মনীষা। এবার শুরু হয় আসল লড়াই। দিনের পর দিন একমনে নিজেই পড়ে যেতে থাকেন মনীষা। দ্বিতীয়বারও ব্যর্থ (Success Story)। শুরু হয় সমালোচনা। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে আত্মীয় স্বজন অনেকেই বাবতে থাকেন এই মেয়ের দ্বারা কিস্যু হবে না। কোনও কিছুতে কান না দিয়েই নিজের কাজ করতে থাকে মেয়েটি। তৃতীয়বারও সাফল্য মেলেনি। ধীরে ধীরে বাবা-মাও হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু আশা ছাড়েননি মনীষা। আরও আরও ভাল করা চেষ্টা। চতুর্থবার ২০২৩ ইউপিএসসি পরীক্ষায় ২৫৭ তম স্থান পান মনীষা। অবশেষে স্বপ্নপূরণ।

    আরও পড়ুন: বালিকা বধূ রূপা এখন ডাক্তার! মাত্র ৮ বছরে বিয়ে, দুই সন্তানের মা অবশেষে স্বপ্নপূরণ

    কী করবেন মনীষা (Success Story)

     খারগোনের ঝিরনিয়া ব্লকের বোন্ডারনিয়া গ্রামের বাসিন্দা মনীষা (Manisha Dharve)। ছোট থেকে গ্রামেই বড় হয়েছেন। দেখেছেন আদিবাসী মহিলাদের কষ্ট। গ্রামের গরীব মানুষরা কতটা অসহায়। তাই অফিসার হয়ে সেই অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করাই লক্ষ্য আদিবাসী কন্যার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: ডেন্টিস্ট থেকে এক চান্সেই আইপিএস, সিমির গল্প হার মানায় রূপকথাকেও

    Success Story: ডেন্টিস্ট থেকে এক চান্সেই আইপিএস, সিমির গল্প হার মানায় রূপকথাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন পেশায় দন্ত চিকিৎসক। তবে বরাবর প্রশাসনিক কাজকর্মই ছিল তাঁর পছন্দের তালিকার ওপরের দিকেই (Success Story)। সেই স্বপ্ন পূরণ করেই এবার খবরের শিরোনামে নভজ্যোত সিমি (Navjot Simi)। প্রথমবারের চেষ্টায় ইউপিএসসির মতো কঠিন একটি পরীক্ষার চৌকাঠ পার হয়েছেন তিনি। তাঁর সাফল্যের কাহিনি ছড়িয়েছে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সৌন্দর্য এবং নিষ্ঠার তারিফ করছেন আসমুদ্র হিমাচলবাসী।

    সিমির পাখির চোখ (Success Story)

    পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরে ১৯৮৭ সালের ২১ ডিসেম্বরে জন্ম সিমির। ছোট থেকেই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। স্কুলের পাঠ শেষে লুধিয়ানার একটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করে ডেন্টিস্ট হন সিমি। চেম্বার খুলে শুরু করে দেন দন্তচিকিৎসাও। তবে তাঁর পাখির চোখ ছিল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় লক্ষ্যভেদ করা। এজন্য দিল্লির একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি হন তিনি। সাহায্য নেন ইন্টারনেটেরও।

    ইউপিএসসি ক্র্যাক মেধাবিনীর

    রোগীদের দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি প্রস্তুতি শুরু করে দেন ইউপিএসসি পরীক্ষারও। দিনরাত এক করে পড়াশোনা করেন সিমি (Success Story)। প্রথমবারের চেষ্টায়ই লক্ষ্যভেদ করতে সমর্থ হন এই রূপসী। ইউপিএসসি পরীক্ষায় তাঁর স্থান হয় ৭৩৫। বিহার ক্যাডারের আইপিএস হিসেবে শুরু করেন কর্মজীবন। বর্তমানে বিহারের মহিলা ও দুর্বল শ্রেণির জন্য যে বিশেষ পুলিশবাহিনী রয়েছে, তার সুপার পদে রয়েছেন এই মেধাবিনী।

    পাঞ্জাবেরই তুষার সিঙ্গলার সঙ্গে বিয়ে হয় সিমির। তুষার আইএএস অফিসার। ২০১৫ সালে ইউপিএসসি পরীক্ষায় তাঁর স্থান হয়েছিল সাফল্যে তালিকার ৮৬ নম্বরে। শত কর্মব্যস্ততার মধ্যেও চুটিয়ে সংসার করে চলেছেন তুষার-সিমি (Navjot Simi)। ইতিমধ্যেই মা-ও হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন সিমি। পছন্দ করেন ঘুরে বেড়াতে। স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যাওয়ার ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্টও করেন প্রায়ই।

    প্রথমবারের চেষ্টায় কীভাবে করলেন লক্ষ্যভেদ? ইউপিএসসির মতো একটি কঠিন পরীক্ষার চৌকাঠ কীভাবে টপকালেন প্রথমবারেই? পাঞ্জাবী এই তন্বী বলেন, “ব্যয়বহুল কোচিং সেন্টারের সাহায্য ছাড়াও ডিঙোনো যায় এই পরীক্ষার চৌকাঠ। আমার বিশ্বাস, কঠোর পরিশ্রম, পড়াশোনার প্রতি নিষ্ঠা, লক্ষ্য পূরণে গভীর মনোযোগ এবং অবশ্যই পরীক্ষাটি সম্পর্কে সম্যক ধারণা এনে দেবে সাফল্য।”

    হাসি ঝরে পড়ে সিমির মুখে। যে হাসিতে মিশে রয়েছে গর্ব, নিষ্ঠা এবং অবশ্যই প্রত্যয় (Success Story)।

     

     

     

  • UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    UPSC Exam 2025: প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ, জেনে নিন সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউপিএসসির (UPSC Exam 2025) জন্য যাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁদের জন্য বড় খবর। প্রকাশিত হল ২০২৫ সালের ইউপিএসসি পরীক্ষার তারিখ। ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (UPSC ) আওতায় আগামী বছর কোন কোন তারিখে (exams schedule) গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলি হতে চলেছে, তার তথ্য ইউপিএসসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট upsc.gov.in-এ প্রকাশিত হয়েছে।

    পরীক্ষাগুলির তারিখ (UPSC Exam 2025)

    ২০২৫ সালের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি আয়োজিত হবে ২৫ মে ২০২৫। পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেসের বিষয়ের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৯ ফব্রুয়ারি ২০২৫ হবে। আর কম্বাইন্ড জিও সায়ান্টিস্ট পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষাও হবে ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা (মেইন) হতে পারে ২২ আগস্ট থেকে। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার নোটিফিকেশন ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে।

    আবার সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স, স্টেনোগ্রাফার (গ্রেড বি ও ডি), স্টাফ সিলেকশন কমিশনের নিয়োগের পরীক্ষা ইউপিএসসির আওতায় হয়। আইএফএস পরীক্ষা হবে ২৫ মে, ও আর্মড পুলিস ফোর্সের পরীক্ষা হবে ৩ আগস্ট ২০২৫। সেই সঙ্গে ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস (IAS), ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিসেস (IPS) এবং বাকি সিভিল সার্ভিসেস পরীক্ষার জন্য বিশদে জানতে ইউপিএসসির ওয়েবসাইট (official website) নজরে রাখুন। যে সমস্ত পরীক্ষার্থীরা আইএএস, আইপিএসকে পাখির চোখ করে রেখেছেন, তাঁদের এই পরীক্ষাই লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার রাস্তা তৈরি করে দেবে।

    আরও পড়ুন: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    কবে বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হবে

    উল্লেখ্য, সিভিল সার্ভিস (UPSC Exam 2025) প্রিলিমিনারি ২০২৫ সালের পরীক্ষার জন্য অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ২২ জানুয়ারী, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হবে। আবেদনকারীদের পরীক্ষায় বসার জন্য ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ এর মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের সরকারি চাকরি পাওয়ার মূলসূত্র গেঁথে রয়েছে ইউপিএসসি (Union Public Service Commission) পরীক্ষায়। এই পরীক্ষায় দেশের সেরার সেরারা সুযোগ পান। তবে শুধু যে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করতে হয়, তা নয়। এরপর থাকে মেইনস, ইন্টারভিউয়ের মতো বড় ধাপ। আর সেই সব ধাপ পেরোতে পারলেই লক্ষ্যে পৌঁছনো যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share