Tag: US-Iran talks

  • US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    US Team in Pakistan: পাকিস্তানে নামল মার্কিন বিমান, অচিরেই যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধের জেরে যখন কার্যত জ্বলছে এশিয়ার একাংশ, বিশ্ববাসী নজর রাখছেন (US Team in Pakistan) এই জটিল যুদ্ধবিরতি আলোচনা প্রক্রিয়ার দিকে, তখন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য একটি মার্কিন বিমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবতরণ (Hormuz Strait) করেছে। ইরানের প্রতিনিধি দল মধ্যরাতের পর সেখানে পৌঁছয়। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার এমবি গালিবাফ। মার্কিন দলে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনার।

    ইরানি দলের বিমানের অবতরণ (US Team in Pakistan)

    গত সপ্তাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর, ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল ৮ এপ্রিল জানিয়েছিল, আলোচনা সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত চলতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনাকে ‘সিদ্ধান্তমূলক’ বা ‘সবকিছু নির্ধারণকারী’ বলে উল্লেখ করেন।ইরানি দলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে, তাদের চারপাশে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়, যার মধ্যে ছিল এডাব্লুএসিএস নজরদারি বিমান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ বিমান এবং এমন যুদ্ধবিমান, যা তাঁদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয় (Hormuz Strait)।

    প্রতিনিধি দলে কারা

    ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের ক্যালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি পৌঁছয় ইসলামাবাদে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব আলি আকবর আহমাদিয়ান, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের প্রধান আব্দোলনাসের হেম্মাতি এবং আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতা (US Team in Pakistan)। তাঁদের স্বাগত জানান পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস আসিম মুনির, বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি। এই উপলক্ষে ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকার (যেখানে পার্লামেন্ট ভবন, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন, বিলাসবহুল হোটেল, দূতাবাস এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিস রয়েছে) সব রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নিরাপত্তার জন্য (Hormuz Strait)।

    ইরানের ১০ দফা দাবি

    এই আলোচনার মূল বিষয় হল ইরানের ১০ দফা দাবি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় একটি চুক্তি করতে, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখতে এবং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করতে (US Team in Pakistan)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে ‘কার্যকর’ বলে উল্লেখ করেন। যদিও ইরান আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাবকে ‘অত্যধিক কঠোর’ বলে অভিহিত করেছে। তারা পাল্টা ১০ দফা দাবি করেছে। ইরানের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, আগ্রাসন না করা, হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অনুমোদন, সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাতিল, ক্ষতিপূরণ দেওয়া, মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধ করা (Hormuz Strait)।

    আমেরিকার ১৫ দফা প্রস্তাব

    অন্যদিকে, আমেরিকার ১৫ দফার প্রস্তাবে রয়েছে, ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে, বর্তমানে মজুত আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর করবে, সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেবে, হরমুজ প্রণালী ফের খোলা হবে, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে (US Team in Pakistan)। এই প্রস্তাবগুলির ইংরেজি ও ফার্সি সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য থাকায় খানিক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। ট্রাম্প জানান, শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্রহণযোগ্য শর্তগুলিই গোপন আলোচনায় বিবেচনা করা হবে। এদিকে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানান, যুদ্ধবিরতিকে তাঁরা স্বাগত জানালেও, লেবাননে হামলা বন্ধ হবে না। শুধু তা-ই নয়, হিজবুল্লাহকে ধ্বংস করার অভিযানও চলবে। প্রসঙ্গত, এর আগে, দক্ষিণ লেবাননের মায়ফাদাউন শহরে একটি আবাসিক ভবনে ইজরায়েলি বিমান (Hormuz Strait) হামলায় তিনজন নিহত হন, ধ্বংস হয় ভবনটিও (US Team in Pakistan)।

     

  • US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান। পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তার প্রেক্ষিতেই এমনতর দাবি করেছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। পাকিস্তানের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়ে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাক নেতৃত্বাধীন এমন কোনও প্রচেষ্টার (US Iran War) সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। সোমবার মুম্বইয়ে ইরানের কনসুলেট জেনারেল জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি জানানো হয়েছে। কনসুলেট আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের যে কোনও মঞ্চ তাদের নিজস্ব বিষয়, সেখানে ইরান অংশ নেয়নি।

    কনসুলেট জেনারেলের বক্তব্য (US Iran War)

    এক বিবৃতিতে কনসুলেট জেনারেল জানান “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। শুধুমাত্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কিছু দাবি এসেছে। আমেরিকার ‘কূটনীতি’ বারবার অবস্থান বদলায়। তবে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের মঞ্চ তাদের নিজস্ব। আমরা তাতে অংশ নিইনি। আঞ্চলিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান স্বাগত, তবে মনে রাখতে হবে—কে এই যুদ্ধ শুরু করেছে!”  রবিবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠক করার পর এই ঘোষণা করেন। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে সমুদ্র পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ছিল।

    পাক মন্ত্রীর বক্তব্য

    টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দার বলেন, “আগত মন্ত্রীরা ইসলামাবাদে সম্ভাব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।” দারের দাবি, তিনি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্তাদের সঙ্গে, যেমন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। তিনি আরও জানান, পাকিস্তান আমেরিকা প্রশাসনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রাখছে। রবিবারের ইসলামাবাদ বৈঠকটি কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না (US Iran War)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার কথা স্বীকার করেনি। তবে ইসলামাবাদের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনার একটি প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছে (US Iran War)। এদিকে, সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর তাদের হামলা অব্যাহত রাখে। এর জবাবে ইরান কুয়েতের একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ জল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ফাটায় এবং উত্তর ইসরায়েলের একটি তৈল শোধনাগারেও আঘাত হানে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে, যা তিনি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সময়ে, ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন রয়েছে (US Iran War) এবং সমসংখ্যক আরও একটি বাহিনী পথে রয়েছে। এর (Pakistan) মধ্যে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল টার্মিনাল দখলের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

     

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

LinkedIn
Share