Tag: US President

US President

  • PM Modi: ‘‘মোদি ভালো বন্ধু, দরকষাকষিতে আমার থেকেও টাফ’’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে মত ট্রাম্পের

    PM Modi: ‘‘মোদি ভালো বন্ধু, দরকষাকষিতে আমার থেকেও টাফ’’, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে মত ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক সম্পন্ন হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদির সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ‘‘আলোচনার টেবিলে দরকষাকষির ক্ষেত্রে আমার থেকেও ‘টাফ’ হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দরকষাকষির ক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গে টেক্কা দিতে পারেন না। কারণ এক ইঞ্চিও জমি ছাড়েন না মোদি।’’ এদিন মোদিকে নিজের বই ‘আওয়ার জার্নি টুগেদার’-ও উপহার দেন ট্রাম্প (Donald Trump)। এই বইতে রয়েছে ‘হাউডি মোদি’ (আমেরিকায় মোদি ও ট্রাম্পের সভা) এবং ‘নমস্তে ট্রাম্প’-র (ভারতে মোদি ও ট্রাম্পের সভা) ছবি ও বর্ণনা। একইসঙ্গে ২০২০ সালে ভারত সফরে তাজমহলে যাওয়ার ছবিও মোদিকে (PM Modi) উপহার দিয়েছেন ট্রাম্প।

    ‘মোদি খুব ভালো বন্ধু’, বললেন ট্রাম্প

    একইসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘‘জো বাইডেনের প্রশাসনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক তেমন ভালো ছিল না।’’ কিন্তু তাঁর আমলে ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের কথায়, ‘‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) আমেরিকায় এসেছেন এটা দুর্দান্ত ব্যাপার। দীর্ঘদিন ধরেই উনি আমার খুব ভালো বন্ধু। আমাদের দারুণ সম্পর্ক ছিল। ওই চার বছরে (আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম শাসনকাল – ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল) আমরা সেই দারুণ সম্পর্কটা বজায় রেখেছিলাম। আর আমরা ফের সেটা শুরু করেছি।’’

    কী বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে দুই দেশ। মোদির (PM Modi) কথায়, ‘‘আমেরিকার মানুষ তো খুব ভালোভাবেই MAGA-র কথা জানেন – মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন (ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের স্লোগান)। আর ভারতীয়রা বিকশিত ভারত ২০৪৭ (মিশনের) দিকে এগিয়ে চলেছেন। আমেরিকার ভাষায় সেটা হল – মেক ইন্ডিয়া গ্রেট এগেন (MIGA)। যখন আমেরিকা এবং ভারত একইসঙ্গে কাজ করে, তখন এই MAGA এবং MIGA জুড়ে হয়ে যায় সমৃদ্ধির জন্য মেগা জোট।’’

  • Trump-Modi Meeting: প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নৈশভোজ! আগামী সপ্তাহেই সাক্ষাৎ ট্রাম্প-মোদির?

    Trump-Modi Meeting: প্রধানমন্ত্রীর জন্য বিশেষ নৈশভোজ! আগামী সপ্তাহেই সাক্ষাৎ ট্রাম্প-মোদির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হতে চলেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বন্ধু মোদির জন্য বিশেষ নৈশভোজেরও আয়োজন করতে পারেন ট্রাম্প। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, চলতি মাসের ১২ তারিখই ওয়াশিংটন ডিসিতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    ট্রাম্প-মোদি সাক্ষাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি

    হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম বার মার্কিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী সপ্তাহে প্যারিসে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ১০ এবং ১১ ফেব্রুয়ারি সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স অ্যাকশন সামিটে যোগ দেবেন তিনি। সূত্রের খবর, এই সামিট শেষে ১২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ডিসি-এর উদ্দেশে রওনা হবেন মোদি। সূত্রের দাবি, ১৩ তারিখ ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। হোয়াইট হাউজের তরফে একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে, কোন কোন রাষ্ট্রপ্রধান ট্রাম্পের শপথগ্রহণের দু-এক সপ্তাহের মধ্যে আমেরিকা সফরে আসবেন, বৈঠক করবেন। সেই তালিকায় নাম রয়েছে মোদির। প্রেসিডেন্ট পদে ফেরার পর হাতে গোনা রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেই এখনও পর্যন্ত ট্রাম্পের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা শোনা গিয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হতে চলেছে ভারতও।

    কী কী বিষয়ে আলোচনা

    বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য নৈশভোজের আয়োজন করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের ঘাটতি হ্রাস করতে চান ট্রাম্প। সেই সম্পর্কিত আলোচনার সঙ্গে অবশ্যই তালিকায় অভিবাসন নীতিও থাকবে। ট্রাম্প এর আগে নিজের ভাষণে বলেছিলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং মোদি অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই তিনি মনে করেন। তবে এখনও পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাতের পরিকল্পনা নিয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা করেনি বিদেশ মন্ত্রক। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, চেষ্ট করা হচ্ছে যাতে দ্রুত মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে করেন। সেখানে নিঃসন্দেহে শুল্ক যুদ্ধ নিয়েও কথা হবে। কথা হবে সামরিক অস্ত্র, চিনের ‘দাদাগিরি’র মতো বিষয় নিয়েও ।

  • India US Relation: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের নয়া সমীকরণ! ট্রাম্পের শপথের সময় সামনের সারিতে জয়শঙ্কর

    India US Relation: ভারত-মার্কিন সম্পর্কের নয়া সমীকরণ! ট্রাম্পের শপথের সময় সামনের সারিতে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (India US Relation)। সেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতদের মধ্যে একদম প্রথম সারিতে বসলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর৷ এই ছবি বলে দিল ভারত-মার্কিন বদলে যাওয়া সম্পর্কের সমীকরণ। জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিশেষ দূত হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বরাবর মধুর সম্পর্ক। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত ক্রমশ যে বিশ্বের দরবারে সামনের সারিতে উঠে এসেছে, তা বলে দিচ্ছে এই ছবি, এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

    বদলে যাওয়া ভারতের ছবি (India US Relation)

    জয়শঙ্কর তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফটো শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তাঁর জন্য সম্মানের। এস জয়শঙ্কর ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘ওয়াশিংটন ডিসিতে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা একটি বড় সম্মানের বিষয়।’ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর, ট্রাম্পের ঠিক সামনে বসেন। ট্রাম্পও মঞ্চ থেকে জয়শঙ্করের দিকে তাকান এবং তাঁকে সরাসরি সম্বোধন করেন। এতে বোঝা যায় এখন শুধু আমেরিকা নয়, ভারতের প্রতি বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে গিয়েছে। এখন সারা বিশ্বে ভারতের প্রভাব বেড়েছে। জয়শঙ্করের শেয়ার করা ছবিতে ট্রাম্পকে জয়শঙ্করের দিকে মুখ করে থাকতে দেখা যাচ্ছে।

    ভারত-বন্ধু ট্রাম্প

    ভারতের সঙ্গে বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৷ তাঁর প্রথম মেয়াদকালে ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও সাক্ষর করতে দেখা যায় তাঁকে ৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরের সময়ে ট্রাম্প আয়োজিত ‘হাউডি মোদি’ নিয়ে আজও চর্চা করা হয়৷ দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে একাধিক ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। নিরাপত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, নাগরিক অধিকার-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁদেরকে বসিয়েছেন আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ৷ ট্রাম্প সরকারে জায়গা করে নিয়েছেন হারমিত কউর ঢিলোঁ, বিবেক রামাস্বামী, কাশ প্যাটেল, জয় ভট্টাচার্য এবং শ্রীরাম কৃষ্ণানের মতো ব্যক্তিত্বরা ৷

    বাংলাদেশ প্রশ্নে ভারতের পাশে

    বাংলাদেশে সংখ্য়ালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতন নিয়ে ভারতের পাশে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার ফলে, ভারতের অবস্থান মজবুত হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদকালে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন ভারত ও আমেরিকার শীর্ষ কূটনীতিক ও রাজনীতিকরা ৷ সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে ৷ 

    চিনের বদলে ভারত

    ভারতের শিল্পক্ষেত্রে ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন কোম্পানিগুলির সঙ্গে এনার্জি, আইটি ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী সহযোগিতা পাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, যার বার্ষিক বাণিজ্য $১৯০ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সার্ভিস সেক্টরে বাণিজ্য ২০১৮ সালে $৫৪.১ বিলিয়ন থেকে ২০২৪ সালে আনুমানিক $৭০.৫ বিলিয়ন থেকে ৩০.৩ শতাংশ উন্নীত হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প চিন-বিরোধী হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রথম মেয়াদে আমেরিকা ও চিনের সম্পর্কের বেশ অবনতি দেখা গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আশা করা যায়। চিনের বদলে ভারত থেকে আমদানিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    অভিবাসন-নীতি 

    তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন-নীতি ভারতের জন্য় উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিপুল সংখ্যক ভারতীয় মার্কিন তথ্য়প্রযুক্তি সেক্টরে কাজ করেন। তারা ‘H-1B’ ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে ‘H-1B’ ভিসা নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। এবারও তিনি সেই অবস্থান বজায় রাখলে সমস্যায় পড়বেন এক শ্রেণির ভারতীয়েরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    Donald Trump: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগ শুরু’’! প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়ে দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আমেরিকার সোনালি যুগের শুরু হল। দেশের নাগরিকদের স্বার্থরক্ষাই হবে তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার।’’ সোমবার আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নিয়েই একথা ঘোষণা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশবাসীর স্বার্থরক্ষায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর পাশাপাশি, আমদানি শুল্ক বাড়ানোই তাঁর ‘অস্ত্র’ বলে জানিয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প।

    আমেরিকা ফার্স্ট

    শপথের পর প্রথা মেনে আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা, জো বাইডেনদের ধন্যবাদ জানিয়ে ক্যাপিটল হিলের রোটান্ডায় সোমবার রাতে প্রেসিডেন্ট হিসাবে প্রথম বক্তৃতা করেন ট্রাম্প (Donald Trump)। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘আজ আমেরিকার সোনালি যুগের সূচনা হল। আমি আবার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ চালু করব। সমস্ত প্রতিবন্ধকতা দূরে সরিয়ে দেব।’’ ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কথা প্রচারের সময় বার বার বলেই ভোটারদের মন কেড়ে নিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর নির্বাচনের স্লোগানই ছিল ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’, সংক্ষেপে ‘মাগা’। ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, এত দিন আমেরিকায় যেটুকু ভালো হয়েছে, তার মুনাফা লুটেছে শুধু ক্ষমতার অলিন্দে বসে থাকা মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ। তিনি যদি ক্ষমতায় আসেন, সেই ছবি আমূল পাল্টে দেবেন। অন্য দেশ বা অভিবাসী নয়, অগ্রাধিকার দেবেন আমেরিকার নাগরকিদের স্বার্থরক্ষায়।

    বেআইনি অভিবাসী বিতাড়ন

    শপথ নিয়ে ফুল অ্যাকশন মোডে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। শপথের পরেই জানালের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তুলবেন। সেই সঙ্গে আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্তে এমার্জেন্সি ঘোষণা করে সেখানে সেনা পাঠানোর কথাও বলেছেন। বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে ফেরত পাঠানোর কথাও জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার শপথ নিয়েই ট্রাম্পের ঘোষণা, ‘‘বেআইনি অভিবাসন এড়াতে দক্ষিণ সীমান্তে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করব।’’ প্রেসিডেন্ট ভোটের আগে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি ঠেকাতে কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর পূর্বসূরি বাইডেনের জমানাতেই গাজায় ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনে এখনও রক্ত ঝরছে। ট্রাম্পের ঘোষণা— ‘‘আমি শান্তি এবং ঐক্য ফেরানোর কাজ করব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রথম দিনে একশোর বেশি আদেশনামায় সই করতে পারেন ট্রাম্প

    Donald Trump: প্রথম দিনে একশোর বেশি আদেশনামায় সই করতে পারেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই আমেরিকার ৪৭তম রাষ্টপতি হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সূত্রের খবর, শপথ গ্রহণের দিনেই ১০০-টিরও বেশি আদেশনামায় তিনি সই করতে পারেন। প্রসঙ্গত, এই আদেশনামাগুলি আসলে তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) হিসেবে নির্বাচিত হতেই এই আদেশনামাগুলি তৈরি করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নিজেই জানিয়েছিলেন যে প্রথম দিনেই তিনি রেকর্ড সংখ্যক আদেশনামায় স্বাক্ষর করার পরিকল্পনা নিয়েছেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর করা আদেশনামা বাতিল করতে পারে না কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, যে আদেশনামাগুলি রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করবেন, সেগুলিতে সে দেশের কংগ্রেসের কোনও অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না। একইসঙ্গে সে দেশের কংগ্রেস এগুলিকে বাতিলও করতে পারে না। কিন্তু এই আদেশনামাগুলির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া যায়। ওই সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট (Donald Trump) বলেন, ‘‘আমাদের কাছে রেকর্ড সংখ্যক নথি রয়েছে। আমি শপথ গ্রহণের পরেই সেগুলিতে স্বাক্ষর করব।’’ সম্প্রতি, ক্যাপিটল হিলে রিপাবলিকান সেনেটরদের সঙ্গে ব্যক্তিগত এক বৈঠকে এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প নিজেই। বৈঠকে হাজির ছিলেন ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা স্টিফেন মিলারও।

    শপথ গ্রহণের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন (ডিসি)-তে পৌঁছেছেন ট্রাম্প

    আমেরিকার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। আমেরিকার সময় অনুয়ায়ী রবিবার তিনি এবং নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স শপথ নেবেন। প্রবল শীতের কারণে ‘ইন্ডোরে’ শপথ নেবেন ট্রাম্প। বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে ফ্লোরিডার পাম বিচ থেকে আকাশপথে ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে যান ট্রাম্প। তাঁর এই উড়ানের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্পেশাল এয়ার মিশন ৪৭’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস বিমানবন্দরে এসে নামে ট্রাম্পের বিশেষ বিমান। সেখান থেকে ভার্জিনিয়ার গলফ ক্লাবে যান ট্রাম্প।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    India Bangladesh Relation: দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক! ভারত নিয়ে নরম সুর বাংলাদেশের, ফিরছেন দু’দেশের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকা এমন কোনও পদক্ষপ করবে না যা তার প্রতিবেশীর কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে (India Bangladesh Relation) বোঝাপড়ার মাধ্যমে এগোনোর কথা বললেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শেখ হাসিনা সরকারের পতনে পর থেকেই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের ভারত-বিরোধী মনোভাব ক্রমশই প্রকাশ্যে আসছে। ভারত বিরোধিতার কারণে হিন্দুদের ওপর অত্যাচারও বাড়ছে। এই অবস্থায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পরে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক কিছুটা সহজ হবে বলে আশা করছে কূটনৈতিক মহল। 

    দেওয়া-নেওয়ার সম্পর্ক

    শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে যখন উত্তাল হয়েছিল বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) সেই সময় শেখ হাসিনার থেকে সেনার হাতে ক্ষমতা নেওয়ার অন্যতম কারিগর ছিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সমঝোতার বার্তা দিয়েছেন। বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, তাঁদের জন্য ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশ অনেক বিষয়েই ভারতের উপর নির্ভর করে। আবার ভারতও কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে সুবিধা পায়। জেনারেল ওয়াকারের কথায়, “এটা একটা দেওয়া–নেওয়ার সম্পর্ক।” 

    পারস্পরিক বোঝাপড়া

    পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সম্পর্ক এগিয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation) প্রতিবেশীদের সঙ্গে এমন কিছু করবে না, যা সেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী। তিনি চান, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিও যেন তা বিবেচনা করে এবং বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কিছু না করে। সরাসরি কোনও প্রতিবেশীর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “সীমান্তে আমাদের লোকজনকে হত্যা করবে না। আমরা প্রাপ্য জল পাব। এতে তো কোনও অসুবিধা নেই!” বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের মতে, “দু’দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সুসম্পর্ক বজায় রাখা প্রয়োজন। ভারতের অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করছেন। আবার বাংলাদেশ থেকেও অনেকে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। ভারত থেকে পণ্যও কিনছে বাংলাদেশ। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতার সঙ্গে ভারতের স্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে।”

    মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু

    বাংলাদেশে (India Bangladesh Relation) আটক ৯৫ জন ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী এবং ভারতে আটক ৯০ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীর পারস্পরিক আদানপ্রদান প্রক্রিয়া সম্প্রতি শুরু হয়েছে। রবিবারের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে অনুমান। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবর-নভেম্বরে বাংলাদেশের জলসীমায় আটক হওয়া ভারতীয় মৎস্যজীবী ও নৌকর্মীদের এতদিন সে দেশে রেখে দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে দিল্লির হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দেওয়ার কাজ শুরু হয়। অন্যদিকে, মৎস্যজীবীদের হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পাশাপাশি ভারতে আটক বাংলাদেশের দু’টি ফিশিং ভেসেল এবং বাংলাদেশে আটক ভারতের ছয়টি ফিশিং বোটও হস্তান্তর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক। গত ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার নিকটে ‘এফভি লায়লা-২’ এবং ‘এফভি মেঘনা-৫’ নামে দুটি বাংলাদেশি ফিশিং ভেসেল-সহ মোট ৭৮ জন এবং গত ১২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশি মাছ ধরার নৌকা ‘এফবি কৌশিক’ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ডুবে গেলে এর ১২ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হন। তাঁদের কারামুক্তি ঘটেছে। ৭৮ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী ও নৌকর্মী আপাতত ওড়িশার পারাদ্বীপে ভারতীয় উপকূল বাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১২ জন পশ্চিমবঙ্গের কাকদ্বীপে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: চিনে ফের নতুন ভাইরাসের হানা! হাসপাতালে ভিড়ের ভিডিও ভাইরাল

    ট্রাম্প-মোদি সমীকরণ

    আমেরিকা যে বিশ্বের সুপারপাওয়ার, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে, ভারতও (India Bangladesh Relation) বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দাদা। ভারতকে বাদ দিয়ে এই অঞ্চলে আমেরিকার পক্ষেও কিছু করা সম্ভব নয়। ভারতের সঙ্গে বাইডেন প্রশাসনের নরমে-গরমে সম্পর্ক ছিল। তবে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। প্রচার পর্বেও বারবার ট্রাম্প নরেন্দ্র মোদিকে ‘চমৎকার মানুষ’, ‘আমার বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক আরও জোরালো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কাজেই, ট্রাম্প জয়ী হওয়ায়, আমেরিকা-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মধ্যে ভারত ঢুকে পড়েছে এমনটাই মনে করে কূটনৈতিক মহল। সেক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে ইউনূস সরকারের সম্পর্ক স্বাভাবিক না হলে, বিপদে পড়বে বাংলাদেশ। এক কথায় ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ায়, বাংলাদেশের পক্ষে আর ভারতকে অবজ্ঞা করা সম্ভব হবে না। ভারত নির্ভরতা আরও বাড়বে। তাই আমেরিকায় পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশ সেনাপ্রধানের সুর নরম হয়েছে। ভারতকে বন্ধু না বললেও, প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করতেও নারাজ বাংলাদেশ। দিল্লিকে অবজ্ঞা করার সাহস ঢাকা যে পাবে না তা ভালোই জানে ইউনূস প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    Donald Trump: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইন বাতিল করে অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার চান ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করতে চান হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। একইসঙ্গে চান আমেরিকায় (US) থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার করতে। তবে তথাকথিত ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষিত রাখতে চান রিপাবলিকান পার্টির এই শীর্ষ নেতা।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    ‘মিট দ্য প্রেস উইথ ক্রিস্টেন ওয়েলকার’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, তিনি অফিসে প্রথম দিনেই একটি এক্সিকিউটিভ অ্যাকশনের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (Birthright Citizenship) প্রদান বন্ধ করার পরিকল্পনা করছেন। প্রসঙ্গত, আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সেই সকল ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, যারা সে দেশে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের বাবা-মা অভিবাসী কিনা, তা বিবেচনা করা হয় না। ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেবেন ট্রাম্প। তাঁর আশা, সেদিনই দায়িত্ব নেওয়ার পরে অবৈধ অভিবাসনকে জাতীয় জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করবেন। সারা দেশে কঠোর অভিযান পরিচালনা করবেন বলেও জানান তিনি। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত আমেরিকায় রয়েছেন প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ অবৈধ অভিবাসী। ট্রাম্প (Donald Trump) চান যাঁদের বৈধ স্ট্যাটাস নেই, তাঁদের প্রত্যেককেই বহিষ্কার করা হোক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাকে এটি করতে হবে। এটি একটি খুব কঠিন কাজ। আপনি জানেন, এখানে নিয়ম, বিধি, আইন রয়েছে।” 

    আরও পড়ুন: “নীতীশ তো চোখের আরাম করতে যাচ্ছেন”, লালুর মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক

    ড্রিমারদের সুরক্ষা

    তবে ড্রিমার অভিবাসীদের সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রস্তুত হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প  বলেন, “রিপাবলিকানরা ‘ড্রিমার’ অভিবাসীদের সুরক্ষার ধারণাটি বিবেচনা করতে প্রস্তুত। যাদের শৈশবে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।” তিনি বলেন, “যাঁদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করা হয়েছে তাঁরা হলেন সেই ব্যক্তিরা যাঁরা ১০ বছর ধরে অনলাইনে কিংবা লাইনে দাঁড়িয়ে দেশটিতে বৈধ উপায়ে আসার চেষ্টা করছেন। আমরা মানুষদের জন্য আসার প্রক্রিয়াকে খুব সহজ করব। তবে তাঁদের অবশ্যই পরীক্ষায় পাস করতে হবে। তাঁদের অবশ্যই বলতে হবে যে স্ট্যাচু অব লিবার্টি কী। তাঁদের আমাদের দেশ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে। তাঁদের অবশ্যই আমাদের দেশকে ভালোবাসতে হবে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ট্রাম্পের (Donald Trump) জন্মগত নাগরিকত্বে (Birthright Citizenship) ইতি টানার পরিকল্পনা সহজে বাস্তবায়িত হবে না। এতে তাঁকে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। কারণ এই অধিকারটি মার্কিন (US) সংবিধান স্বীকৃত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনা। কে হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, রবিবার থেকেই এ সব নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের নতুন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তিনি প্রস্তাব করেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (Us President Candidate) হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জন করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, ”আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সমর্থন অর্জন করতে পেরে আমি গর্বিত।” 

    কমলা হ্যারিসের প্রতিশ্রুতি (Kamala Harris) 

    কমলা হ্যারিসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনায় উঠে আসছিল। অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, ”আগামী কয়েকমাসের মধ্যে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যাব। সকলের সঙ্গে কথা বলব। দল এবং দেশকে এককাট্টা করতে উদ্যোগ নেব। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করবই।” 

    আরও পড়ুন: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন! ৮০০ বিলিয়ন বার্ষিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসী সরকার

    কমলার জন্য তামিলনাড়ুতে শুরু উৎসব 

    যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সিলমোহর পড়েনি, তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার (Kamala Harris) ‘দেশের বাড়ি’ তামিলনাড়ুর তুলাসেন্দ্রপুরমে বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে উচ্ছ্বাস। বাইডেনের সরে দাঁড়ানো ও কমলার নাম প্রস্তাব হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের এই প্রত্যন্ত গ্রাম কোমর বাঁধছে আসন্ন ‘উৎসবের’ জন্য। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যদি কমলা নির্বাচনে জিতে যান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (Us President Candidate) হন, তা হলে আরও বড় করে উদ্‌যাপন করা হবে। 
    উল্লেখ্য, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলার দাদুর জন্ম এই গ্রামে। কমলার (Kamala Harris) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন এক বার এই গ্রামে এসেছিলেন তিনি। দাদুর হাত ধরে ঘুরেছেন চেন্নাইয়ের সমুদ্র সৈকতেও। যদিও আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি আর এই গ্রামে পা রাখেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি উপলক্ষে রঙিন শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আজ, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ রঙের উৎসবে মাতবেন।

    বাইডেন-বার্তা (Joe Biden)

    এই উৎসব ঘোষণা করে বসন্তের আগমনী বার্তা। আবির ও ভাইব্রান্ট রঙের উৎসব এটি। যাঁরা আজকের রঙের উৎসবে মেতেছেন জিল এবং আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।” হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের (Joe Biden) টাইমস স্কোয়্যারে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ওই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে লেখা হয়েছে, “নিউ ইয়র্ক শহরের হৃদয় থেকে প্রত্যেককে রঙিন ও আনন্দময় হোলির শুভেচ্ছা জানাই। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে সুখ, ভালোবাসা এবং শান্তি আনুক।”

    হোলির শুভেচ্ছা গারসেট্টিরও

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টিও হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিডিও-বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যেককে হোলির শুভেচ্ছা জানাই। আমাদেরও বিস্ময়কর গুজিয়া রয়েছে। তাতে রয়েছে মার্কিন মোচড়। খেলা হয় গোলাপ জলে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হোলি উৎসব পালনের সমতুল আর কিছুই নেই।”

    রঙিন টাইমস স্কোয়্যারও

    হোলি উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়্যার সাজানো হয়েছিল রঙিন আলোয়। হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারে ব্যানারে ছয়লাপ করা হয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে ডু-পন্ট সার্কেলের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লোকজন মেতেছেন রঙের উৎসব। নাচছেন, গাইছেন, নানা রঙে রঙিন হচ্ছেন, রাঙিয়ে দিচ্ছেন একে অন্যকে (Joe Biden)।

    আরও পড়ুুন: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share