Tag: US President Donald Trump

  • Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    Donald Trump: ৮০তে পা ট্রাম্পের, কী বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ৮০তে পা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তবে এই জন্মদিন নিয়ে তিনি নিজেই খুব একটা উচ্ছ্বসিত নন বলেই জানান ট্রাম্প। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সেন্টারস ফর মেডিকেয়ার (Turns 80) অ্যান্ড মেডিকেইড সার্ভিসেসের প্রশাসক মেহমেত ওজের সঙ্গে আলাপচারিতায় ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমায় জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে হবে না। কারণ এই জন্মদিন নিয়ে আমি খুব একটা খুশি নই। ৮০ এমন একটি সংখ্যা, যা আমার ভালো লাগে না। তবুও আমি এখানে আছি।”

    জন্মদিনে এলাহি আয়োজন (Donald Trump)

    এদিন নিজের জন্মদিন উপলক্ষে হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে বিশাল আকারের একটি আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি) ইভেন্টের আয়োজন করেছেন ট্রাম্প। ইউএফসি প্রেসিডেন্ট ডানা হোয়াইটের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সাতটি লড়াই অনুষ্ঠিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী এবং ফ্ল্যাগ ডে উপলক্ষেও এই অনুষ্ঠানকে বিশেষভাবে উদযাপন করা হচ্ছে বলেও খবর।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিওতে মজা করে ওজ হোয়াইট হাউসের লনে তৈরি অক্টাগনের দিকে ইঙ্গিত করলে ট্রাম্প তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান এবং জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য ধন্যবাদ দিলেও ফের বলেন, “আমায় শুভ জন্মদিন বলতে হবে না।”

    জন্মদিনের অনুষ্ঠানেও কাজ!

    জন্মদিন উদযাপনের মধ্যেও অবশ্য ইরানকে ঘিরে চলা উত্তেজনা নিরসন করতে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট একাধিকবার কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিলেও, সম্ভাব্য কোনও সমঝোতার বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে, আদালতের একটি রায়ের পর ওয়াশিংটনের কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও চর্চার বিষয় হয়েছে। জন্মদিন উদযাপনের আবহেই মধ্যেই শুরু হয়েছে এই নতুন বিতর্ক (Donald Trump)। প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের এই আয়োজনের সঙ্গে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ৮০তম জন্মদিনের উদযাপনের পার্থক্যও মার্কিন মুলুকে চর্চার বিষয় হয়েছে। ২০২২ সালে বাইডেন হোয়াইট হাউসে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে জন্মদিন পালন করেছিলেন।

    আয়োজন নিয়ে বিতর্কের জবাবে সাফাই

    হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যালিসন শুস্টার ইউএফসি আয়োজনের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, “ফ্ল্যাগ ডে এবং আমেরিকার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রাক্কালে জনগণের বাড়ি হোয়াইট হাউসে এমন একটি আয়োজন দেশের জন্য উপযুক্ত শ্রদ্ধার্ঘ্য।” যদিও সমালোচকদের দাবি, ইরান সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতি এবং প্রশাসনের জনপ্রিয়তা হ্রাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি ঘোরাতেই এই জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। কেউ কেউ একে প্রাচীন রোমের ‘ব্রেড অ্যান্ড সার্কাসেস’ কৌশলের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউএফসি ব্যয় বহন করলেও, অনুষ্ঠানস্থল সাজাতে ৬০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ এবং বিপুল শ্রমঘণ্টা ব্যয় হয়েছে (Turns 80)। ট্রাম্প পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল বিজয়ী যোদ্ধাদের জন্য আড়াই লাখ ডলারের বিশেষ বোনাস স্পনসর করায়ও নয়া বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে (Donald Trump)।

     

  • IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    IDF: ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির বেলুন ফুটো! ফের সংঘর্ষ শুরু ইজরায়েল-হামাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল ইজরায়েল ও হামাসের সঙ্গে। সেই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচার করেছিলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি। তাঁর সেই অগ্রগতির বেলুন ফেঁসে গেল চুক্তির সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র জঙ্গিরা (Hamas) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর (IDF) ওপর হামলা চালায়। আইডিএফ এই ঘটনাকে চুক্তি লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করেছে। হামলায় আরপিজি ও স্নাইপার গুলি ব্যবহার করা হয়। এগুলি চালানো হয় তথাকথিত ইয়েলো লাইনের পূর্ব দিকে মোতায়েন করা সেনাদের লক্ষ্য করে। জানা গিয়েছে, শান্তি চুক্তি অনুযায়ী এই এলাকাটি ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে গিয়েছে।

    জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক হামলা আইডিএফের (IDF)

    জঙ্গি হামলার পর অবশ্য হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি ইজরায়েল। জঙ্গিদের জবাব দিতে দক্ষিণ গাজায় হামাসের জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে ব্যাপক বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করে আইডিএফ। ২০টিরও বেশি জায়গায় হামলা হয়। এর মধ্যে সুড়ঙ্গপথ ও জঙ্গিদের ডেরাগুলিও ছিল। এই সংঘর্ষ এমন একটা সময়ে হল যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজার অসামরিক নাগরিকদের ওপর হামাসের আসন্ন আক্রমণের বিষয়ে সতর্কবার্তা জারি করেছিল। জানা গিয়েছে, রবিবার সকালে যখন এই হামলার ঘটনা ঘটে, তখন জঙ্গিরা পূর্ব রাফাহ অঞ্চলে থাকা আইডিএফ সেনাদের লক্ষ্য করে আরপিজি এবং স্নাইপার গুলি চালায়। আইডিএফ জানিয়েছে, যে সব সেনা হামলার শিকার হয়েছেন, তাঁরা ইয়োলো লাইনের পূর্ব পাশে হামাসের সঙ্গে সমঝোতা অনুযায়ী ওই এলাকায় জঙ্গি পরিকাঠামো ধ্বংসের অভিযান চালাচ্ছিলেন।

    আইডিএফের উপযুক্ত জবাব

    ইজরায়েলি পক্ষে হতাহতের কোনও (IDF) খবর মেলেনি। তবে এই ঘটনা শুক্রবারের হামলার মতোই। সেদিনও রাফাহর একটি টানেল থেকে গুলিবর্ষণ এবং খান ইউনিস এলাকায় জঙ্গিদের এগিয়ে আসার ঘটনা ঘটেছিল। দুটি ক্ষেত্রেই বিমান হামলা চালিয়ে জবাব দেয় আইডিএফ।যদিও এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে হামাস। প্যালেস্তাইনের এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর দাবি, ঘটনাটি ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কয়েক মাস ধরে আটকে থাকা তাদের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কোনও যোগাযোগই নেই (Hamas)। হামাসের প্রবীণ কর্তা ইজ্জাত আল-রিশেক ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে বলেন, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর জোটের চাপের মুখে পড়ে প্রতিশ্রুতি এড়িয়ে যাচ্ছেন। হামাস-ঘনিষ্ঠ কিছু গণমাধ্যমের দাবি, এই হামলার লক্ষ্য ছিলেন ইয়াসির আবু শাবাব — যিনি কথিতভাবে ইজরায়েল-সমর্থিত একটি মিলিশিয়ার নেতা এবং নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে ছিলেন।

    সিভিল ডিফেন্স সংস্থার দাবি

    দক্ষিণ কমান্ডের নেতৃত্বে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ গাজায় হামাসের ঘাঁটিগুলিতে পাল্টা বিমান হামলা চালায়। রাফাহ অঞ্চলে হুমকি দূরীকরণে ফোকাস করে এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং তা দেইর আল-বালাহ সংলগ্ন এলাকায়ও সম্প্রসারিত হয়। অভিযানের সময় বেশ কয়েকটি সুড়ঙ্গ ও জঙ্গি তৎপরতায় ব্যবহৃত ভবন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়। ইজরায়েল ২০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত হানে (IDF)। গাজার সিভিল ডিফেন্স সংস্থা জানিয়েছে, রবিবার সারা দিনে ইজরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে, এর মধ্যে ছ’জন উত্তরাঞ্চলে। নেতানিয়াহু জঙ্গি টার্গেটের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ সতর্ক করে বলেন, “হামাস কোনও নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং প্রয়োজনে এর জবাবে ধাপে ধাপে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Hamas)।”

    ইয়েলো লাইন চিহ্নিতকরণ শুরু

    একই সময়ে কাটজের নির্দেশ, আইডিএফ ইয়েলো লাইন চিহ্নিত করা শুরু করেছে, হলুদ কংক্রিটের ব্লক ও সাইনবোর্ড স্থাপন করে, যাতে সীমানা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে এবং কেউ যেন সীমা অতিক্রম না করে সেই সতর্কবার্তা দেওয়া যায়। গত কয়েক দিনে আইডিএফ বাহিনী এই রেখা অতিক্রম করে হুমকি সৃষ্টির অভিযোগে বেশ কয়েকজন প্যালেস্তাইনিকে হত্যা করে (IDF)। সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা ইঙ্গিত দেয়, যদিও হামাস শান্তিচুক্তির পর বন্দিদের ফিরিয়ে দিয়েছে, তবুও এ অঞ্চলে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ এখনও অনেক দূর (Hamas)। হামাস ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি ফর্মুলার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধারা, যেমন, সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ ও গাজায় রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে দূরে থাকা প্রত্যাখ্যান করেছে। এদিকে, ইজরায়েল সাফ জানিয়েছে, হামাস যদি চুক্তির সব ধারা মেনে না চলে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাবে (IDF)।

    প্রসঙ্গত, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামাস জীবিত সব বন্দিকে মুক্তি দেয় এবং নিহত বন্দিদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে শুরু করে। এর বিনিময়ে ইজরায়েল প্রায় ২ হাজার প্যালেস্তাইন বন্দি ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়। এর মধ্যে ২৫০ জন সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ছিল। শনিবার ১৮ অক্টোবরের (Hamas) শেষ নাগাদ ২৮ জন নিহত বন্দির মধ্যে ১০ জনের দেহাবশেষ ফেরত এসেছে। ওই দিন আরও দু’জনের দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছে, যেগুলির আনুষ্ঠানিক শনাক্তকরণ বাকি ছিল (IDF)।

LinkedIn
Share