Tag: US President Joe Biden

US President Joe Biden

  • Diwali Wishes: অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন, দীপাবলির শুভেচ্ছা রাষ্ট্রনেতাদের

    Diwali Wishes: অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন, দীপাবলির শুভেচ্ছা রাষ্ট্রনেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলোর উৎসব দীপাবলি। অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার উদযাপন। ভারত তথা সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে এই উৎসবের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। তাই, বিশ্বের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও বিদেশী রাষ্ট্রদূতরা দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থেকে শুরু করে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাদ গেলেন না কেউই। ভারতে বিভিন্ন দূতাবাসের তরফেও দীপাবলির শুভেচ্ছা-বার্তা পাঠানো হয়।

    মার্কিন-ব্রিটেন বার্তা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে ট্যুইট করেছেন, “এই দীপাবলিতে, আমরা আলো জমায়েতের শক্তি দেখাই। জ্ঞানের আলো, ঐক্যের আলো, সত্যের আলো। স্বাধীনতার আলো, গণতন্ত্রের আলো, একটি আমেরিকার আলো যেখানে কিছুই অসম্ভব নয়।” প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, “আলোর উৎসবটি ন্যায়ের বিজয়ে সাহায্য করুক।”

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে বলেছেন, এটি “একত্রিত হওয়ার সময়” এবং “একটি মুহূর্ত যখন আমরা সেই আলোর দিকে নজর দিতে পারি যা সর্বদা অন্ধকারকে পরাজিত করে।” তিনি ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে দীপাবলি উদযাপনের ছবিও পোস্ট করেছেন। তিনি ব্রিটেনে বসবাসকারী সকল হিন্দুদের দীপাবলির বিশেষ শুভেচ্ছা জানান। তাঁদের সঙ্গে আনন্দময় মুহূর্ত ভাগ করে নেন। 

    আরব-ইজরায়েল বার্তা

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম হিন্দিতে দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানিয়ে বলেছেন, “দীপাবলির এই উৎসব আপনাদের সকলের জীবনে সুখ ও উষ্ণতা নিয়ে আসুক।” অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ দীপাবলিকে “আনন্দ, আশা ও ঐক্যের উৎসব” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেন, “এই আনন্দের উৎসবটি বিশ্বাস ও সংস্কৃতির একটি অতুলনীয় সুন্দর উদযাপন।”

    ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “আমি আপনাকে ও ভারতের জনগণকে দীপাবলির শুভেচ্ছা (Diwali Wishes) জানাই! আলোর উৎসব আমাদের সকলকে আনন্দ, সমৃদ্ধি এবং শান্তি নিয়ে আসুক।” নরওয়ে এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত, জাপানের রাষ্ট্রদূত এবং মার্কিন রাষ্ট্রদূতও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইজরায়েলের দূতাবাসও একটি ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছে, “সকলকে দীপাবলির শুভেচ্ছা। আলোর উৎসবের উদযাপন করে, আমরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রদীপ জ্বালাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    Joe Biden: হোলির রঙিন শুভেচ্ছা বাইডেনের, টাইমস স্কোয়্যারও মাতল রঙের উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোলি উপলক্ষে রঙিন শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। এক্স হ্যান্ডেলে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, “আজ, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ মানুষ রঙের উৎসবে মাতবেন।

    বাইডেন-বার্তা (Joe Biden)

    এই উৎসব ঘোষণা করে বসন্তের আগমনী বার্তা। আবির ও ভাইব্রান্ট রঙের উৎসব এটি। যাঁরা আজকের রঙের উৎসবে মেতেছেন জিল এবং আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই।” হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানার টাঙানো হয়েছে নিউ ইয়র্ক শহরের (Joe Biden) টাইমস স্কোয়্যারে। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে ওই ব্যানার টাঙানো হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে লেখা হয়েছে, “নিউ ইয়র্ক শহরের হৃদয় থেকে প্রত্যেককে রঙিন ও আনন্দময় হোলির শুভেচ্ছা জানাই। রঙের এই উৎসব আপনার জীবনে সুখ, ভালোবাসা এবং শান্তি আনুক।”

    হোলির শুভেচ্ছা গারসেট্টিরও

    ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টিও হোলির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভিডিও-বার্তায় তিনি বলেছেন, “আমি প্রত্যেককে হোলির শুভেচ্ছা জানাই। আমাদেরও বিস্ময়কর গুজিয়া রয়েছে। তাতে রয়েছে মার্কিন মোচড়। খেলা হয় গোলাপ জলে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে হোলি উৎসব পালনের সমতুল আর কিছুই নেই।”

    রঙিন টাইমস স্কোয়্যারও

    হোলি উপলক্ষে নিউ ইয়র্ক শহরের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়্যার সাজানো হয়েছিল রঙিন আলোয়। হোলির শুভেচ্ছা জানিয়ে ব্যানারে ব্যানারে ছয়লাপ করা হয়েছিল টাইমস স্কোয়্যার। আমেরিকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। তাতে ডু-পন্ট সার্কেলের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে লোকজন মেতেছেন রঙের উৎসব। নাচছেন, গাইছেন, নানা রঙে রঙিন হচ্ছেন, রাঙিয়ে দিচ্ছেন একে অন্যকে (Joe Biden)।

    আরও পড়ুুন: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: মোদির উক্তি ছাপানো বিশেষ টি-শার্ট মোদিকে উপহার জো বাইডেনের!

    PM Modi US Visit: মোদির উক্তি ছাপানো বিশেষ টি-শার্ট মোদিকে উপহার জো বাইডেনের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে আমেরিকা থেকে মিশরের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi US Visit)। তার আগে, শুক্রবার সকালে (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউসে সিলিকন ভ্যালির বেশ কয়েকটি বড় সংস্থার সিইওদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠকে ছিলেন, অ্যালফাবেটের (গুগল) প্রধান সুন্দর পিচাই, মাইক্রোফসট প্রধান সত্য নাডেলা, মহিন্দ্রা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আনন্দ মহিন্দ্রা, রিলায়েন্স চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি, অ্যাপল প্রধান টিম কুক, জেরোধা প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাত, নাসার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস।

    সিলিকন ভ্যালি-র হুজ-হু’দের সঙ্গে বৈঠক

    সেই বৈঠকে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (কৃত্রিম মেধা), উন্নত উত্পাদন এবং ভারতে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রধান। বৈঠকে ইন্দো-মার্কিন হাই-টেক সম্পর্ককে আরও কীভাবে দৃঢ় করা যায় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর সুন্দর পিচাই বলেন, ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহাসিক সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করাটা সম্মানের বিষয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি যে ভারতের ডিজিটাইজেশন ফান্ডে ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে গুগল। আমরা গুজরাটের গিফট সিটিতে আমাদের গ্লোবাল ফিনটেক অপারেশন সেন্টার খোলার ঘোষণা করছি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমান সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল। আমি এখন এটিকে একটি ব্লু-প্রিন্ট হিসাবে দেখছি। অন্যান্য দেশগুলিও তা করতে চাইছে।’’

    বিপুল জনপ্রিয় মোদির ‘এআই’ উক্তি!

    ওই বৈঠকেই একটি টি-শার্ট উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মোদির হাতে তুলে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগের দিন মার্কিন কংগ্রেসে মোদি (PM Modi US Visit) যা বলেছেন, তার একটি উক্তিই টিশার্টে লেখা ছিল। প্রথম লাইন ছিল – ‘দ্য ফিউচার ইজ এআই’। আর টি শার্টের দ্বিতীয় লাইনে ‘এআই- অর্থ হল আমেরিকা ও ইন্ডিয়া’। প্রসঙ্গত, ২২ জুন মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ অধিবেশনে দ্বিতীয়বারের জন্য বক্তব্য পেশ করেন মোদি। সেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘গত কয়েক বছরে একটি ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি ঘটেছে। সেটি হল এআই-এর ক্ষেত্র। অর্থাৎ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। ঠিক একই সময়ে, আরেকটি এআই-এর ক্ষেত্রেও প্রভূত উন্নতি ঘটেছে। এই এআই-এর অর্থ হল- আমেরিকা ও ইন্ডিয়া।’’ 

    ১৫ বার স্ট্যান্ডিং ওভেশন, ৭৯ বার করতালি

    মোদির (PM Modi US Visit) এই ভাষণের পর মুখরিত হয়েছিল মার্কিন কংগ্রেসের সভাঘর। সকলে দাঁড়িয়ে উঠে করতালিতে ভরিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রীর সেই বক্তব্য মার্কিন মুলুকে রাতারাতি এতটাই জনপ্রিয়তা লাভ করেছে যে মোদির ভাষণের এই উক্তিই টিশার্টে লিখে মোদিকে উপহার দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন কংগ্রেসে মোদির ভাষণকালে মোট ১৫ বার মার্কিন আইন প্রণেতারা দাঁড়িয়ে উঠে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোট ৭৯ বার অধিবেশন কক্ষ ভরে ওঠে করতালির আওয়াজে। মোদির ভাষণ শেষে বহু কংগ্রেস সদস্যই তাঁর সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসেন। অনেকে আবার নিজের মোবাইল বের করে মোদির সঙ্গে সেলফিও তোলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ব্যক্তিগত নৈশভোজের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে মোদি

    PM Modi US Visit: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া ব্যক্তিগত নৈশভোজের আমন্ত্রণে হোয়াইট হাউসে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নরেন্দ্র মোদির (PM Modi US Visit) সম্মানে হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল। তার আগে বুধবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য ব্যক্তিগত নৈশভোজের আয়োজন করলেন বাইডেন-দম্পতি।

    তিনদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আমেরিকায় মোদি

    ২০ তারিখ তিনদিনের সফরে মার্কিন মুলুকে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)। এর আগে আরও ২ বার তিনি আমেরিকা গেলেও, এই প্রথমবার তিনি রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছেন। তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেছে হোয়াইট হাউস। বুধবার, আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরের লনে বিশেষ যোগাসনের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের নবম সংস্করণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছন ওয়াশিংটনে। সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও মার্কিন এনএসএ জেক সালিভান।

    আরও পড়ুন: “যোগের কোনও কপিরাইট নেই, নেই পেটেন্ট, রয়্যাল্টিও”, যোগ দিবসে বললেন মোদি

    দুয়ারে এসে মোদিকে স্বাগত বাইডেন দম্পতির

    প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পর ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয় ওয়াশিংটনের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে। বিকেলে তিনি পৌঁছন হোয়াইট হাউসে। সেখানে রাষ্ট্রীয় অতিথিকে (PM Modi US Visit) স্বাগত জানাতে দুয়ারে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল। মোদির মোটরকেড এসে থামতেই সৌজন্য বিনিময় করেন বাইডেন। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের রসায়ন ছিল চোখে পড়ার মতো। দুজনকেই দেখা যায় উষ্ণ অভ্যর্থনায় একে অপরকে ভরিয়ে দিচ্ছেন। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন ফার্স্ট লেডি। মাার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাপ করিয়ে দিলেন। এরপর, সেখানে তিনজন একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন। তার পর হোয়াইট হাউসের অন্দরে প্রবেশ করেন।

    ফার্স্ট লেডিকে হিরে উপহার প্রধানমন্ত্রীর

    এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিকে বিশেষ উপহার দেন মোদি। মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে একটি সাড়ে ৭ ক্যারেটের সবুজ হিরে উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে তা প্রাকৃতিক হিরে নয়। এই হিরে হল ল্যাবরেটরিতে তৈরি। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যে উপহার দিয়েছেন মোদি (PM Modi US Visit), সেই তালিকায় রয়েছে বাইডেনের প্রিয় আইরিশ কবি উইলিয়াম বাটলার ইয়েটসেরর লেখা কবিতার বই। কবিতার বইয়ের প্রথম সংস্করণের মুদ্রণের একটি অনুলিপি উপহার দেন। পাশাপাশি, চন্দন কাঠের বাক্সে রাখা রুপোর ভগবান গণেশের মূর্তি ও প্রদীপ উপহার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। অন্যদিকে, জো বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী মোদিকে একটি ভিনটেজ আমেরিকান ক্যামেরা উপহার দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi US Visit: ‘ভারত মাতা কি জয়, মোদি মোদি’ ধ্বনিতে নিউইয়র্কে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    PM Modi US Visit: ‘ভারত মাতা কি জয়, মোদি মোদি’ ধ্বনিতে নিউইয়র্কে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi US Visit) বিশেষ বিমান নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার অনেক আগে থেকেই সেখানে হাজির প্রায় শ’খানেক প্রবাসী ভারতীয়। সকলের হাতে তেরঙা। বিমানবন্দর থেকে বের হতেই শুরু হল ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘মোদি মোদি’ জয়ধ্বনি। বিমানবন্দর থেকে হোটেল যাওয়ার গোটা রাস্তার দুধারেও সারি সারি মানুষ। সেখানেও সকলের হাতে তেরঙা, মুখে ভারতের জয়ধ্বনি। কোথাও আবার আয়োজন করা হয়েছে নাচ-গানের আসরের। ওদিকে, বিখ্যাত হাডসন নদীর ওপর তখন দেখা গেল ২৫০ ফুটের ব্যানার আকাশে উড়ছে। এভাবেই মার্কিন মুলুকে স্বাগত জানানো হলো নরেন্দ্র মোদিকে। 

    বিমানবন্দরের বাইরে ভিড়

    বাইডেন প্রশাসনের আমন্ত্রণে তিনদিনের সফরে মার্কিন মুলুকে গিয়েছেন মোদি। এটিই তাঁর প্রথম স্টেট ভিজিট বা সরকারি সফর। ভারতীয় সময় গতকাল রাতে নিউইয়র্কের মাটি ছুঁয়েছে তাঁর বিমানের চাকা। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানানো হয়। বিমানবন্দরের বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে ভিড় করেছিলেন প্রবাসীরা। নাচে-গানে মোদিকে স্বাগত জানালেন তাঁরা। উপস্থিত ভক্তদের কাউকেই নিরাশ করেননি প্রধানমন্ত্রীও। হাত মেলান প্রবীণ থেকে নবীন সকলের সঙ্গে। 

    হোটেলের বাইরে উৎসবের মেজাজ

    হোটেলের বাইরে দেখা যায় নাচ-গানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi US Visit) স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি সারা। ভারতীয় পোশাকেই সেজেছিলেন প্রবাসীরা। অনেকের হাতে ছিল ভারতের পতাকা। আবার অনেকের জ্যাকেটে দেখা গেল মোদির মুখ। হোটেলে পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ভিড় উপচে পড়ে। নরেন্দ্র মোদিও সকলের উদ্দেশে হাত নেড়ে অভ্যর্থনা জানান। সেই সময় হাডসন নদীর ওপর ২৫০ ফুটের ব্যানার দিয়ে স্বাগত জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে। 

    তিনদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি মোদির?

    আজ সফরের প্রথম দিন নিউইয়র্ক স্থিত রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে রয়েছে। আজ (স্থানীয় সময় সকালে) ২১ জুন রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি যোগ দিবসের অনুষ্ঠানের পর ২২ জুন ওয়াশিংটন ডিসিতে যাবেন। যেখানে তাকে হোয়াইট হাউসে ঐতিহ্যবাহী সংবর্ধনা দেওয়া হবে। ২২ জুন সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করবেন। সেই দিনই আমেরিকান কংগ্রেসের যৌথ সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi US Visit)।

    আরও পড়ুন: ‘একতাই যোগ, এর মধ্য দিয়ে বিবিধতাকে উদযাপন করে ভারত’, বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayman Al-Zawahiri Killed: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    Ayman Al-Zawahiri Killed: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছে। যথার্থ বিচার হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: দশ দিন না পেরোতেই ফের করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

    এই অপারেশনের সঙ্গে যুক্ত মার্কিন অফিসাররা জানিয়েছেন, গত ৩১ জুলাই এই অপারেশন চালানো হয়৷ সেই সময় জাওয়াহিরি নিজের কাবুলের বাড়ির বারান্দায় ছিলেন৷ তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে দু’টি হেলফায়ার মিসাইল (Hellfire Missile) আছড়ে পড়ে৷ গত ২৫ জুলাই এই অভিযানে ছাড়পত্র দেন বাইডেন৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, ‘যাঁরা আমাদের দেশের মানুষের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের রক্ষা করতে আমেরিকা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ৷ আজকে আমরা এটা স্পষ্ট করে দিয়েছি৷ তার জন্য যত সময় লাগুক না কেন, আমরা তাকে খুঁজে বের করবই৷’

    প্রায় একুশ বছর আগে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিমান হানার পর থেকই জাওয়াহিরিকে খুঁজছিল আমেরিকা৷ ওসামা বিন লাদেন বেঁচে থাকাকালীনই তিনি ছিলেন ছিলেন সংগঠনের দু’নম্বর নেতা। ২০১১ সালে পাকিস্তানে আমেরিকা ওসামা বিন লাদেনকে খতম করার পর আল কায়দার শীর্ষ পদে বসেন জাওয়াহিরি৷ দায়িত্ব নিয়ে জাওয়াহিরি ঘোষণা করেছিলেন, ওসামার অসমাপ্ত কাজ তাঁকেই শেষ করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে তালিবান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন জয়শঙ্কর?

    ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের মাথার দাম রাখা হয়েছিল আড়াই কোটি মার্কিন ডলার৷ যদিও এর আগে আল জাওয়াহিরির নিহত খবর মিলেছিল। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি বহাল তবিয়তেই বেঁচে আছেন। এদিকে, তালিবানদের (Taliban) তরফেও তাদের মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে গত রবিবার কাবুলে এই অভিযানের কথা স্বীকার করেছেন৷ 

  • Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত হয়েছেন আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    আরও পড়ুন: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস 

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। যথার্থ বিচার হয়েছে।’  

    আয়মান আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পর ব্যাপক নেতৃত্ব সংকটে আল-কায়দা। মধ্য প্রাচ্যের একটি সংস্থার মতে সাইফ আল-আদেল (Saif al-Adel) নিতে চলেছেন এই জঙ্গি সংগঠনের দায়িত্ব। 

    কে এই সাইফ আল-আদেল?

    ১৯৮০ সালে এই সাইফ আল-আদেল মাক্তাব আল-খিদমাত নামের চরমপন্থী সংগঠনে যোগদান করেন। ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদের সময় সাইফের পরিচয় হয় লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে। তারপর থেকেই আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ১৯৮০ সালে রুশ সেনার বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে যুদ্ধও করেন এই কুখ্যাত জঙ্গি। এমনটাই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার।

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি    

    ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষীদের প্রধান ছিলেন এই সাইফ। ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তাঁর মাথার দাম ১ কোটি মার্কিন ডলার রেখেছে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, বহু মার্কিন নাগরিক খুন, নাশকতা, আমেরিকার সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনায় মূল চক্রী ছিলেন এই জঙ্গি। ১৯৯৩ সাল থেকে মার্কিন সেনা খুঁজছে এই কুখ্যাত জঙ্গিকে। ‘ব্ল্যাক হক ডাউন’ নাশকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এই জঙ্গি। এই হামলায় ১৮ জন মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। তখন সাইফের বয়স ছিল ৩০ বছর। যদিও মধ্য প্রাচ্যের ওই সংস্থা এও দাবি করেছে যে, ইরানের উপস্থিতিতে সাইফকে আল-কায়দার প্রধানের পদ দেওয়া খুব একটা সহজ হবে না। 

     

     

  • G7 Summit: চিনকে রুখতে বিশেষ পরিকল্পনা জি-৭ গোষ্ঠীর, কী সেই মাস্টার প্ল্যান?

    G7 Summit: চিনকে রুখতে বিশেষ পরিকল্পনা জি-৭ গোষ্ঠীর, কী সেই মাস্টার প্ল্যান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে চিনের ক্রমবর্ধমান আধিপত্য (China) রুখতে এবার উদ্যোগী হল জি-৭ (G-7)। ভারত সহ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে (Developing Countries) ৬০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার সাহায্যের সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকার (USA) পাশাপাশি ইউরোপের ৬টি দেশ নিয়ে গঠিত “গ্রুপ অফ সেভেন”।

    জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি হল— জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারতের পাশাপাশি এবারের জি-৭ সম্মেলনে আর্জন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, সেনেগাল এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল অতিথি দেশ হিসেবে। সেখানেই অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি কথা ওঠে বিশ্বব্যাপী চিনা আধিপত্য নিয়েও।

     

    উন্নয়নমূলক নানা প্রকল্পে অর্থ সাহায্যের নামে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে দেদার ঋণ দেয় চিন। পরে আদায় করতে থাকে চড়া হারে সুদ। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই পথে বসতে হয় ঋণ নেওয়া ওই দেশগুলিকে। যার সাম্প্রতিকতম উদাহরণ শ্রীলঙ্কা। দেশটির পরিকাঠামো উন্নয়নমূলক নানা খাতে মোটা অঙ্কের অর্থ সাহায্য করে শি জিনপিংয়ের সরকার। পরে সুদ দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস হওয়ার জোগাড় দেশটির। শেষমেশ নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে শ্রীলঙ্কা সরকার। চিনা ঋণের ফাঁদে পড়েছে ভারতের আরও এক প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানও।

    আরও পড়ুন : জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে মিউনিখে মোদি

    চিনের এই বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর পাল্টা ব্যবস্থা কী করা যায় তা নিয়ে জার্মানির মিউনিখ শহরে আলোচনা হয়েছে বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশগুলির সংগঠন জি-৭ এর শীর্ষ সম্মেলনে।  নয়া এই পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য পার্টনারশিপ ফর গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকটার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানান, এই পরিকল্পনা সবার জন্য সুফল বয়ে আনবে। তিন বলেন, আজ জি-৭ এর সদস্যভুক্ত দেশগুলি চালু করল দ্য পার্টনারশিপ ফর গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকটার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট। এক ট্যুইট বর্তায় তিনি বলেন, সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে জি-৭ এর তরফে আমরা প্রায় ৬০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করব। 

    এর মধ্যে ৩ কোটি ডলার প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ করা হয়েছে ভারতের জন্য। জানা গিয়েছে, এই বরাদ্দ হবে অমনিভোর এগ্রিটেক ও জলবায়ু স্থায়িত্ব তহবিলে। মূল লক্ষ্য, ভারতে কৃষি, খাদ্য ব্যবস্থা, জলবায়ু এবং গ্রামীণ অর্থনীতির ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। পাশাপাশি, ভারতে যে সংস্থাগুলি খাদ্য নিরাপত্তা এবং জলবায়ু স্থিতিশীলতা ও জলবায়ু অভিযোজন নিয়ে কাজ করে, তাতেও বিনিয়োগ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    আরও পড়ুন : “শান্তি ভিক্ষা চাইবে না ভারত”, চিন-পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ডোভালের

    বর্তমানে, এশিয়া মহাদেশের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত অত্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে রেখেছে। চিন হোক বা আমেরিকা, সকলেই ভারতের এই সক্ষমতা সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। ভারতীয় মহাসাগর অঞ্চলে চিনের আধিপত্যকে বাগে আনতে গেলে, ভারতকে পাশে পাওয়াটা যে অত্যন্ত জরুরি তা বিলক্ষণ জানেন বাইডেন। সদ্যসমাপ্ত জি-৭ বৈঠকে তার উদাহরণও প্রত্যক্ষ করেছে বিশ্ববাসী, যখন কিছুটা দূরে আলাপচারিতায় মগ্ন মোদিকে দেখে নিজে হেঁটে এসে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাঁধে পিছন থেকে হাত রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    তবে, এই বরাদ্দ কোনও অনুদান নয়, তাও মনে করিয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাইডেন বলেন, আমি এটা স্পষ্ট করে দিতে চাই যে এই পার্টনারশিপ ফর গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকটার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোনও সাহায্য কিংবা অনুদান নয়। এর সুফল পাবেন সবাই। এর মধ্যে রয়েছেন আমেরিকার বাসিন্দারাও।

    নয়া এই পরিকল্পনায় ড্রাগনকে ঠেকানো যায় কিনা, এখন সেটাই দেখার!

     

  • Modi Biden Meet: মোদি-বাইডেন বৈঠকে উঠতে পারে ইউক্রেন, গম রফতানি প্রসঙ্গ

    Modi Biden Meet: মোদি-বাইডেন বৈঠকে উঠতে পারে ইউক্রেন, গম রফতানি প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে যাতে গমের আকাল তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে বিদেশে গম রফতানির উপর বিধিনিষেধ (Wheat export ban) জারি করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের (India) এই অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করেছে জি-৭ (G-7) গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। গম রফতানি নিয়ে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের (World Food Crisis) সমাধান প্রসঙ্গে ভারতের দিকে আঙুল তুলেছে আমেরিকা (USA)। টোকিওতে (Tokyo) মঙ্গলবার মার্কিন প্রসিডেন্ট জো-বাইডেনের (US President Joe Biden) সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) বৈঠকে তাই গম রফতানি নিয়ে কথা হতে পারে বলে মনে করছে কুটনৈতিক মহল।

    কোয়াড সামিটে (QUAD summit) যোগ দিতে সোমবার জাপানের (Japan) রাজধানী টোকিওতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২৩ এবং ২৪ মে টোকিওতে কোয়াড সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। কোয়াড সামিট ছাড়াও তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, অস্ট্রেলিয়ার নব-নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন। 

    আরও পড়ুন: ৪০ ঘণ্টার সফরে ২৩টি বৈঠক, ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে জাপানে মোদি

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে গত মাসেই একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবার কোয়াড সম্মেলনের ফাঁকে মুখোমুখি মোদি-বাইডেন (Modi-Biden) বৈঠকে বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে কথা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে থাকতে পারে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট, গম রফতানি নিয়ে ভারতের অবস্থান, সন্ত্রাসবাদ (Terrorism), ইউক্রেন সংকট (Ukraine), জলবায়ু পরিবর্তনের (Climate Change) মতো বিষয়গুলি। 

    সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফে গম রফতানির ক্ষেত্রে বড়সড় রদবদল ঘটানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, রফতানির তালিকায় গমকে ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করা হচ্ছে। এর জন্য রফতানি বিষয়ক নীতিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনীও আনে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত সরকারের এই পদক্ষেপের সমালোচনায় সরব হয় G7 গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি। তাদের বক্তব্য, যে দেশগুলি এতদিন ভারতের কাছ থেকে নিয়মিত গম আমদানি করত, নয়াদিল্লির সিদ্ধান্তে তারা বিপদে পড়বে। 

    এশিয়া বা ভারত মহাসাগরীয় (Indian Ocean region) ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই আমেরিকার নির্ভরযোগ্য সঙ্গী ভারত। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War) নিয়ে আমেরিকার পথে হাঁটেনি মোদি সরকার। বারবার বার্তা দেওয়ার পরেও নিরপেক্ষ অবস্থানে অটল থেকেছে ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাশিয়া বিরোধী কড়া অবস্থান নেয়নি। যুদ্ধের সমালোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের বার্তা দিলেও রাশিয়ার বিরোধী কোনও পদক্ষেপ করেনি ভারত। বরং আমেরিকার চোখরাঙানি এড়িয়ে রাশিয়া থেকে তেল কেনার চুক্তিও করেছে। যা নিয়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে সামান্য হলেও আঁচড় লেগেছে বলে মনে করেছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে মোদি-বাইডেন (Modi Biden meet) মুখোমুখি বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে কুটনৈতিক মহল।

LinkedIn
Share