Tag: US Presidential Election 2024

US Presidential Election 2024

  • Donald Trump: ‘‘সেই ব্যক্তি কোথায়?’’ ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনে ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূসের!

    Donald Trump: ‘‘সেই ব্যক্তি কোথায়?’’ ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনে ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের মহম্মদ ইউনূসের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে ফের হোয়াইট হাউসে প্রত্যাবর্তন করতে চলেছেন রিপাবলিকান নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলাকালীনই ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে হওয়া অত্যাচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এবার ক্ষমতায় এসে এই বিষয়টি যে তিনি সহজ ভাবে নেবেন না তা অনুমান করছে বাংলাদেশ। এর আগে, ২০১৬ সালের ভোটে জেতার পর বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ঢাকার মাইক্রোফাইন্যান্সের সেই ব্যক্তি (Muhammad Yunus) কোথায়? শুনেছি, তিনি আমাকে হারাতে চাঁদা দিয়েছিলেন।” ফলে, এবার ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট পদে ফেরা নিশ্চিত হতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের। 

    ট্রাম্পের দীপাবলি-পোস্ট

    সম্প্রতি ভারতকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েই বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে চলা অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে এনেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। বাংলাদেশে চরম বিশৃঙ্খলা চলছে বলেই উল্লেখ করেছিলেন তিনি। একইসঙ্গে বলেছিলেন, “আমি থাকলে এই ঘটনা কখনও ঘটতে দিতাম না।” বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক যে মধুর নয়, তা সকলের জানা। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ের পরে ইউনূস বলেছিলেন, তাঁদের রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পূর্ণ আলাদা। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পকে দেওয়াল না গড়ে, দৃষ্টিভঙ্গী আরও উদার করে সেতু গড়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ডেমোক্রাটদের সম্পর্ক ভালো। তাই  কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, ডেমোক্র্যাট-ঘনিষ্ঠ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) যথেষ্ট চাপে পড়লেন ট্রাম্প ফিরে আসায়।

    ইউনূসে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

    তবে, ট্রাম্পের মনে ইউনূসের প্রতি যে একটা পুরনো ক্ষোভ রয়েছে, তা অজানা নয়। ২০১৬ সালে ট্রাম্পের জয়ের পর, বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিনিধি দল তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে ওয়াশিংটনে যায়। প্রথম সাক্ষাতেই ট্রাম্প বলেছিলেন, “ঢাকার মাইক্রোফাইন্যান্সের সেই ব্যক্তি কোথায়? শুনেছি, তিনি আমাকে হারাতে চাঁদা দিয়েছিলেন।” ইঙ্গিত স্পষ্ট, ইউনূস ২০১৬ সালের নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনকে সমর্থন করেছিলেন। উল্টোদিকে, বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মদম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মার্কিন ডেমোক্র্যাটদের সুসম্পর্কের কথা অনেকেই জানেন। বাংলাদেশের পালাবদলের পর সেদেশের সরকারের মাথায় বসেছেন অর্থনীতিবিদ মহম্মদ ইউনূস। এরপর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কিছুটা উন্নতি ঘটে। উল্লেখ্য, আগের শেখ হাসিনা সরকারের সঙ্গে মার্কিন সরকারের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। এই সবের মাঝেই ইউনূস বাংলাদেশ সরকারের মাথায় বসার পর তাঁকে সবধরনের সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। উল্লেখ্য, ইউনূসের সঙ্গে ক্লিনটনদের বেশ ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। এমনকী, সম্প্রতি তিনি আমেরিকায় গিয়ে ‘গণঅভ্যুত্থানের মাথা’কে চিনিয়ে দিয়েছিলেন ক্লিনটনের ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানেই।

    ঘুম উড়েছে ইউনূসের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) নির্বাচিত হতেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ট্রাম্পের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আওয়ামী লিগ নেত্রী। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণের তরফে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে ফেরার অভিনন্দন জানিয়েছেন। আসলে দীপাবলির সময়ে ট্রাম্পের পোস্ট নিয়ে শঙ্কায় ইউনূস। বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছ থেকে পূর্ণ সমর্থন পেয়েছিলেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। কিন্তু কয়েক মাসেই বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। একদিকে যেমন ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ জমছে, তেমনই বাংলাদেশে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্য়ালঘুদের উপরে হওয়া হামলার ঘটনাও গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। সর্বশেষে, দীপাবলিতে ট্রাম্পের ‘‘আমি থাকলে…’’ বার্তায় ঘুম উড়েছে ইউনূসের। তাই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তন, রাজনৈতিক সঙ্কটের মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ পরিস্থিতির উপরে কী প্রভাব ফেলবে তা এখন ঢাকার কূটনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US President Election: ভোটে কারচুপি মার্কিন মুলুকে! ট্রাম্পের অভিযোগে শোরগোল আমেরিকায়

    US President Election: ভোটে কারচুপি মার্কিন মুলুকে! ট্রাম্পের অভিযোগে শোরগোল আমেরিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে কারচুপির (US President Election) অভিযোগ এবার আমেরিকাতে। হোয়াইট হাউস দখলের লড়াইয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে আমেরিকার ‘সুইং স্টেট’ পেনসিলভেনিয়ার। এখানেই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী তথা আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। অভিযোগ তুললেও প্রাথমিক ট্রেন্ডে পাল্লা ভারী ট্রাম্পেরই।

    কারচুপির অভিযোগ

    ট্রাম্প হোক বা ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস— দুজনেরই ‘পাখির চোখ’ পেনসিলভেনিয়া। প্রচারের (US President Election) শেষবেলাতেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছুটে যেতে দেখা গিয়েছে এই প্রদেশে। ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত প্রায় তিন দশক ডেমোক্র্যাটদের দখলে ছিল পেনসিলভেনিয়া। কিন্তু ২০১৬ সালে ধাক্কা দেন ট্রাম্প। হিলারি ক্লিনটনের মুখ থেকে পেনসিলভেনিয়া ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ২০২০ সালে নির্বাচনে সেখানেই হারতে হয় ট্রাম্পকে। চলতি নির্বাচনে একের পর এক আসনে জয়ী হলেও, ফিলাডেলফিয়া নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন ট্রাম্প। ওই আসনে ভোট গণনায় ব্যাপক কারচুপি হচ্ছে বলেই দাবি রিপাবলিকান প্রার্থীর। যদিও নির্বাচন বোর্ডের তরফে ট্রাম্পের এই দাবি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পেনসিলভেনিয়ার বৃহত্তম শহর ফিলাডেলফিয়ায় সুরক্ষিতভাবেই ভোটিং হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

    এগিয়ে ট্রাম্প

    মঙ্গলবার থেকেই গণনা (US President Election) শুরু হয়েছে।  উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত আমেরিকার নির্বাচনে কমলাকে পিছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্র অনুযায়ী, রিপাবলিকানরা এগিয়ে আছেন ২৩০টি আসনে। সেখানে ডেমোক্র্যাটরা ১৮৭ আসনে। ২৭০-এর ম্যাজিক ফিগারের দৌড়ে এগিয়ে ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের শেষ আপডেট অনুযায়ী, তিনটি আসনে জয়ী হয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্পের ঝুলিতে এসেছে কেনটাকি, ইন্ডিয়ানা ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। এর মধ্যে একটানা তৃতীয়বার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় জয়ী হলেন ট্রাম্প। ডেমোক্রাটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিস ভেরমন্টে জিতে গিয়েছেন। তিনি এগিয়ে রয়েছেন নিউ হ্যাম্পশায়ার, নর্থ ক্যারোলিনা ও ভার্জিনিয়াতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Trump vs Harris: কমলার নিশানায় ট্রাম্প, বিতর্কসভা জমিয়ে দিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    Trump vs Harris: কমলার নিশানায় ট্রাম্প, বিতর্কসভা জমিয়ে দিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মার্কিন মুলুকে (US Presidential Election 2024)। নির্বাচনে মুখোমুখি হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump vs Harris)। নির্বাচনী দৌড় থেকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ছিটকে যাওয়ায় ডেমোক্র্যাটরা সর্বসম্মতিক্রমে বেছে নিয়েছেন হ্যারিসকে। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে গোহারা হারানোর শপথ নিয়েছে তিনি। সম্প্রতি এই দুই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী যোগ দিয়েছিলেন বিতর্কসভায় (US Presidential Debate)। সেখানেই ট্রাম্পকে একের পর এক কটাক্ষ-বাণে বিদ্ধ করতে থাকেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী।

    ট্রাম্পকে ধুয়ে দিলেন কমলা (Trump vs Harris)

    বিতর্কসভায় প্রথম থেকেই ঝাঁঝালো ছিলেন কমলা। আগাগোড়াই তিনি চাঁদমারি করেছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্পকে। বলেন, “যাঁরা ভাবছেন ট্রাম্প দেশবাসীর কথা ভাবছেন, তাঁরা সকলেই ভুল করছেন। বোকামো করবেন না। ট্রাম্পের সমস্ত ভাবনার পিছনের কোনও না কোনও স্বার্থ লুকিয়ে রয়েছে। নিজের লাভ ছাড়া কোনও কথাও ভাবেন না উনি।” ডেমোক্র্যাট প্রার্থী (Trump vs Harris) বলেন, “ট্রাম্প কেবলমাত্র ধনীদের জন্য অর্থনৈতিক সংস্কারের কথা বলছেন। সকলের মন ভোলাতে এসব কথা বলছেন উনি। আখেরে এতে লাভ হবে ধনীদেরই। গোটা দেশকে বেকারত্ব ও কর্মহীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন উনি। তার মারাত্মক ফল ভোগ করেছে গোটা দেশ।” তিনি (US Presidential Debate) বলেন, “ট্রাম্প চিন ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়াতে চান। এটা আসলে মার্কিনদের ওপর বিক্রয় কর বসানো। এর ফলে পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে।”

    প্রসঙ্গ গর্ভপাত

    গর্ভপাত প্রসঙ্গে কমলা বলেন, “মহিলারা তাঁদের শরীর নিয়ে কী করবেন, কী তাঁদের করা উচিত, সরকার কিংবা ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trump vs Harris) তা বলা উচিত নয়।” তাঁর দাবি, “ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গর্ভপাত নিষিদ্ধ বিলে সই করে দেবেন।” সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করেন ট্রাম্প। বলেন, “আমি এমন কোনও নিষেধাজ্ঞায় সই করছি না, করার প্রয়োজনও নেই।”

    আরও পড়ুন: “সাইবার নিরাপত্তা ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তাও অসম্ভব”, বললেন শাহ

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ প্রসঙ্গে কমলা বলেন, ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। গত বছর ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে ঢুকে ১ হাজার ২০০ মানুষকে হত্যা করেছিল।” ডেমোক্র্যাট প্রার্থী (Trump vs Harris) বলেন, “অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া দরকার। গাজায় সম্পূর্ণ যুদ্ধ বিরতি প্রয়োজন। সেই সঙ্গে যাদের বন্দি করে রাখা হয়েছে, তাদের মুক্তি দিতে হবে (US Presidential Debate)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rakesh Bhatt: সামনে কমলা, বৈদিক মন্ত্রে শুরু ডেমোক্র্যাটদের সম্মেলন, পাঠ হিন্দু পুরোহিতের

    Rakesh Bhatt: সামনে কমলা, বৈদিক মন্ত্রে শুরু ডেমোক্র্যাটদের সম্মেলন, পাঠ হিন্দু পুরোহিতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ক্ষমতাসীন দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চারদিনের জাতীয় সম্মেলন বসেছিল চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকে। ইস্যু ছিল, মার্কিন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসের নামের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। সেখানেই ধ্বনিত হল বৈদিক মন্ত্র। মার্কিন রাজনৈতিক দলের সম্মেলনে (Democratic National Convention Chicago) বৈদিক মন্ত্র! কেউ কেউ বলছেন, ভারতে হলে এতক্ষণ মেকি ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজাধারীরা তুমুল বিক্ষোভ শুরু করে দিতেন হিন্দুত্বের আগ্রাসন মানছি না, স্লোগান তুলে। শিকাগোয় অনুষ্ঠিত ডেমোক্র্যাটদের  সম্মেলনের তৃতীয় দিনের শুরুতেই মেরিল্যন্ডের শিব-বিষ্ণু মন্দিরের পুরোহিত রাকেশ ভাট (Rakesh Bhatt) বৈদিক মন্ত্র পাঠ করেন। এর পাশাপাশি তিনি মার্কিন দেশে দাঁড়িয়ে ‘বসুধৈব কুটুম্বকমে’র বার্তাও দেন।

    কে এই রাকেশ ভাট (Rakesh Bhatt)?

    জানা গিয়েছে, তিনি (Rakesh Bhatt) ভারতের মাধওয়া সমাজের পুরোহিত। বেশ কয়েক বছর আগেই আমেরিকায় পাড়ি দেন। হিন্দি, ইংরেজি ছাড়াও তামিল, তেলুগু, কন্নড় এবং সংস্কৃতি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন তিনি। এর পাশাপাশি ইংরেজি, সংস্কৃত এবং কন্নড়ে স্নাতক ডিগ্রিও রয়েছে রাকেশের ঝুলিতে। আদতে এদেশের কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা তিনি। মার্কিন দেশে পাড়ি দেবার আগে বদ্রীনাথ এবং সালেমের মন্দিরের দায়িত্ব ছিলেন তিনি। আজ থেকে ঠিক ১১ বছর আগে ২০১৩ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার মেরিল্যান্ডের শ্রী শ্রী শিব-বিষ্ণু মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের দায়িত্ব পান তিনি।

    ডেমোক্রাটদের সম্মেলনে কী বললেন বৈদিক পুরোহিত?

    সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রাকেশ (Rakesh Bhatt) বলেন, ‘‘আমাদের মধ্যে নীতিগত ভেদাভেদ থাকতে পারে, কিন্তু দেশের প্রশ্নে আমরা একতায় বিশ্বাসী।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। আসুন একসঙ্গে চিন্তা করি। আমাদের হৃদয় একসঙ্গে স্পন্দিত হোক। এই ভাবেই আমাদের শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে, যাতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারি এবং আমাদের জাতিকে গর্বিত করতে পারি।’’ রাকেশ (Rakesh Bhatt) সমস্ত আমেরিকাবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন, ‘‘বসুধৈব কুটুম্বকমে বিশ্বাসী হতে হবে।’’ সব শেষে “ওম শান্তি শান্তি শান্তি” ধ্বনি ওঠে শিকাগোর ওই সম্মেলনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamala Harris: মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মনোনীত কমলা, কী বললেন তিনি?

    Kamala Harris: মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মনোনীত কমলা, কী বললেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে শিকাগোয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (US Presidential Election 2024) জাতীয় কনভেনশনের শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। দলীয় মনোনয়ন গ্রহণ করে তিনি বললেন, ‘‘আমি সব আমেরিকানের প্রেসিডেন্ট হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’’ এর পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, ট্রাম্প আর ফিরবেন না আমেরিকায়। শিকাগোর সভায় তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের কাজ করতে হবে। চলো আমরা কাজ করি।’’

    আমেরিকার নাগরিক হিসেবে কাজ করতে হবে (Kamala Harris)

    শিকাগোয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কনভেনশনের সমাপ্তি ভাষণে কমলা হ্যারিস (Kamala Harris) জানিয়েছেন, তাঁর এই মনোনয়ন একটি নতুন পথের দিশা দেখাবে। তিনি আরও বলেন, ‘‘দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তবে কোনও একটি দল বা উপদলের সদস্য হিসেবে নয়, আমেরিকার নাগরিক হিসেবে কাজ করতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার থেকেই শিকাগোয় শুরু হয়েছিল ডেমোক্র্যাটদের জাতীয় কনভেনশন। গতকাল বৃহস্পতিবারই তা শেষ হয়েছে। ওই সম্মেলনে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন, প্রাক্তন হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি সহ অন্যান্য নেতারা হাজির ছিলেন (US Presidential Election 2024)।

    অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইট করেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের

    কমলা হ্যারিসকে (Kamala Harris) অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইটও করেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী প্রজন্মকে কমলা ও তাঁর টিম প্রেরণা জোগাবে বলেও মন্তব্য করেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (US Presidential Election) দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জো বাইডেন (Joe Biden)। মাত্র চার মাস পরেই নির্বাচন আমেরিকায়। ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন বাইডেন। নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁরই লড়ার কথা ছিল রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। তবে তার আগেই  রবিবার সমাজ মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশ ও দলের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানান বাইডেন। একই সঙ্গে সমাজ মাধ্যমে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন বাইডেন। যা থেকে বাইডেনের ইঙ্গিত স্পষ্ট, নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের নতুন পদপ্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকেই তাঁর পছন্দ। 

    বাইডেনের বার্তা (Joe Biden)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বাইডেন (Joe Biden) লিখেছেন, “দেশের স্বার্থে এবং দলের স্বার্থে আমার সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমার মেয়াদের বাকি সময়টুকু একনিষ্ঠ ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।” এর পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। আগামী সপ্তাহে দেশবাসীকে বিস্তারিত ভাবে তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। ৮১ বছর বয়সি বাইডেনের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছিলই। তা সত্ত্বেও এবারে তাঁকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা হয়েছিল। তবে কিছু দিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল (US Presidential Election) বিতর্কে অংশ নেওয়ার পরেই তাঁকে প্রার্থিপদ থেকে সরানোর দাবি জোরালো হয়। ওই বিতর্কসভায় বাইডেনের আচরণ অসংলগ্ন ছিল বলে দাবি।

    কমলার কথা (Kamala Harris)

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে (US President Election) তাঁর নাম সামনে আনায় বাইডেনের (Joe Biden) প্রশংসা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। হ্যারিস জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পেলে জিততে বদ্ধপরিকর তিনি। শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই’য়ের কথাও বলেন হ্যারিস। এই প্রসঙ্গে জো বাইডেনের অসাধারণ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে প্রশংসাও করেন। বলেন, নতুন আমেরিকা তৈরি করতে বাইডেন যেভাবে কাজ করেছেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমেরিকার সেবা করা একটা বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন কমলা। 

    পরবর্তী প্রার্থী (US Presidential Election) 

    বাইডেন (Joe Biden) ভাইস প্রেসিডেন্ট (US Presidential Election) কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য উপযুক্ত বলে ইঙ্গিত দিলেও দলের তরফ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। কমলা ছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা এবং ক্যালিফর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমও। তবে ডেমোক্র্যাটরা যদি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন দেয় তাহলে দেশে তৈরি হবে নয়া ইতিহাস। প্রথমবার কোনও কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তৎকালীন মাদ্রাজে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের জন্ম। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যদি কমলা জয়ী হন, তবে ইতিহাস গড়বেন তিনি। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট পদে বসতে পারেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: প্রাণঘাতী হামলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হতে পারে রিপাবলিকানদের ‘ট্রাম্প কার্ড’

    Donald Trump: প্রাণঘাতী হামলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হতে পারে রিপাবলিকানদের ‘ট্রাম্প কার্ড’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে গুলি। তবে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা আসন্ন নির্বাচনে (US Presidential Election) প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। পেনসিলভেনিয়ায় আয়োজিত রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পকে যে গুলি করে মারতে চেয়েছিল, বছর কুড়ির সেই টমাস ম্যাথিউ ক্রুকসকে গুলি করে হত্যা করেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিক্রেট সার্ভিস টিমের সদস্যরা।

    অকুতোভয় ট্রাম্প

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় পরপর তিনটি গুলির শব্দ শোনা গিয়েছে। দেখা গিয়েছে, সিক্রেট সার্ভিস বাহিনীর সদস্যরা ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাচ্ছেন। কান থেকে ঝরঝর করে পড়ছে রক্ত। ট্রাম্প কিন্তু অকুতোভয়। চলতি বছরের নভেম্বরেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আমেরিকায়। তার আগে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে ট্রাম্পের দল। প্রচার করছে জো বাইডেনের দলও। তবে প্রচারসভায় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি এবং তার পর তাঁর ভাইরাল হওয়া অকুতোভয়ের ছবিই নির্বাচনী ময়দানে ট্রাম্পকে মাইলেজ দেবে বলেই আশাবাদী রিপাবলিকানরা। ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে যখন গুলি ছোড়া হয়, তখন ট্রাম্পের (Donald Trump) পেছনে ঝুলছিল আমেরিকার জাতীয় পতাকা। ট্রাম্পের গায়ে চিনা টি-শার্ট। ট্রাম্পের মুষ্ঠিবদ্ধ হাত ওপরে তোলা। কান দিয়ে রক্ত পড়েই চলেছে।  

    লড়াইয়ের ময়দানে এগিয়ে গেলেন ট্রাম্প

    এই ছবিই ভাইরাল করছেন তাঁর দলের সদস্যরাও। রিপাবলিকানরা তো বটেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য দলের নেতারাও ট্রাম্পের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। বাবার বিপদের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছেন ট্রাম্পের ছেলেরাও। সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রাম্পের ছেলে জুনিয়র ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, “ট্রাম্প লড়াই থেকে কখনও সরে আসবেন না। তিনি আমেরিকা বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ট্রাম্পের এই ছবি একলপ্তে  নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে অনেকখানি এগিয়ে দিল আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে। আমেরিকার ভোট কারবারিদের মতে, ট্রাম্পের এই ‘কুছ পরোয়া নেহি’ গোছের ভাবের ছবিটা আইকনিক হয়ে থাকবে। যার সুফল কুড়োবে তাঁর দল।

    আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে ব্যাপক ভোট লুট, ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের ডাক শুভেন্দুর

    ট্রাম্প যখন বিমান ধরতে এগোচ্ছেন এবং বিমানে ওঠার সময় জনতার উদ্দেশে হাত নাড়ছেন, তাঁর এই ছবিও বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে মার্কিন মুলুকে। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্পের এই সাহসী ছবিকেও ক্যাশ করতে চাইছেন রিপাবলিকানরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সিক্রেট সার্ভিস বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে নিহত হয়েছে ট্রাম্পকে (US Presidential Election) খুনের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত তরুণ। তবে তিনি এগিয়ে দিয়ে গিয়েছেন ট্রাম্পকে (Donald Trump)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    Joe Biden: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘পুতিন’, কমলা হলেন ‘ট্রাম্প’! কী বললেন বাইডেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার বক্তব্য-বিভ্রাট বাইডেনের (Joe Biden)। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ‘পুতিন’ বলে ডাকলেন। আবার কথায় কথায় কমলা হ্যারিসের কথা বলতে গিয়ে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্টকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বানিয়ে দিলেন। স্বভাবতই মার্কিন প্রেসিডেন্ট (US President) বাইডেনের শারীরিক সক্ষমতা, বয়স নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

    জেলেনস্কি হলেন ‘পুতিন’

    আমেরিকায় নেটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক চলছে। বৃহস্পতিবার সেই বৈঠকেই বক্তব্য রাখতে ওঠেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (US President) জো বাইডেন (Joe Biden)। তাঁর পরের বক্তা ছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। বাইডেনকে বলতে শোনা যায়, “আমি এ বার মঞ্চ ছেড়ে দিতে চাই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে। যাঁর আছে সাহস, আছে কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা। আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে স্বাগত জানাচ্ছি।” নেটোর বৈঠকে পুতিন এলেন কোথা থেকে, তা ভেবেই হতচকিত হয়ে যায় বৈঠকে উপস্থিত অতিথিরা। অপ্রস্তুত দেখায় জেলেনস্কিকেও। ভুল হয়েছে বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নেন বাইডেনও। বলেন, “জেলেনস্কি পুতিনকে হারাবেন।”

    হ্যারিস হলেন ‘ট্রাম্প’

    শুধু একবারই নয়, বাইডেন (Joe Biden) আরও একবার মুখ ফস্কান। ওই বৈঠকেই। তিনি বলেন, “দেখুন, আমি ট্রাম্পকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করতামই না, যদি তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না হতেন।” বাইডেন যখন এই মন্তব্য করছেন, তখন দর্শকাসনে বসে আমেরিকার শীর্ষ পদাধিকারীরা। অনেকেই মনে করছেন, দেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে গুলিয়েছেন বাইডেন।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    পরপর ভুল বাইডেনের (Joe Biden)

    প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ‘ভুল’ করেছেন জো বাইডেন (Joe Biden)। সাক্ষাৎকার থেকে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডিবেটে জড়িয়েছে তাঁর কথা। এরই মাঝে কয়েকদিন আগেই এক রিপোর্টে দাবি করা হয়, গত জানুয়ারি মাসে হোয়াই হাউজে এসেছিলেন পার্কিনসন রোগ বিশেষজ্ঞ। এই আবহে বাইডেনের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আরও জল্পনা বেড়েছে। এরই মাঝে এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘হোঁচট’ খেলেন বাইডেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রচারে দাঁড়িয়ে বাইডেন বলেন, ‘২০২০ সালে ট্রাম্পকে আবারও হারাব’। আর তাঁর সেই মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কথা নিয়ে তোলপাড় নেটপাড়া। বাইডেনের পরপর ‘হোঁচট’ দেখে ইতিমধ্যেই ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী বদলের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে নিজের অবস্থানে অনড় থেকেছেন বাইডেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nikki Haley: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী লড়াইয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিক্কি হ্যালি, বক্তব্যে ভারতের প্রসঙ্গ

    Nikki Haley: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী লড়াইয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিক্কি হ্যালি, বক্তব্যে ভারতের প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ভারতীয় বংশোদ্ভূত নিক্কি হ্যালি নিজেই ঘোষণা করলেন যে, রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন তিনি। তাঁর কথাতে পরিষ্কার,  ডোনাল্ড ট্রাম্পের পথে বাধা হয়ে রিপাবলিকান প্রার্থী হতে তৈরি তিনি। জেতার ব্যাপারে আশাবাদীও তিনি। তিনি নিজের প্রার্থীপদ ঘোষণার পর এই প্রথম কোনও জনসভায় সামনে এলেন। সেখানেও ঘোষণা করলেন তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হবেন।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াইয়ে ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    আগামী বছর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ইতিমধ্যেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই নির্বাচনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্য রয়েছে, এমনটাই ঘোষণা করলেন রিপাবলিকান পার্টির নেত্রী নিক্কি হ্যালি। আমেরিকার নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের আসার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন নিক্কি। তাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দৌড়ে নামার কথা জানিয়েছেন তিনি। সেখানেই তিনি বলেছেন, “এটা নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের সময়। আর্থিক দায়িত্ব থেকে সীমান্তের নিরাপত্তা এবং দেশকে আরও মজবুত করা এটাই সময়।”

    অন্যদিকে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও রিপাবলিকান পার্টির নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্পও আগেই জানিয়েছিলেন যে, তিনি ফের নামবেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দৌড়ে। ফলে নিক্কি এই পরিস্থিতিতে নিজেকে ট্রাম্পের থেকে কমবয়সী এবং যোগ্য হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছেন। কারণ এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়স ৭৬। নিক্কি হ্যালি ৫১ বছর বয়সী।

    নিজেকে ভারতীয় বলে গর্বিত নিক্কি

    সেই ভিডিও বার্তায় নিক্কি আরও বলেছেন যে, “আমি ভারতীয় অভিবাসীর গর্বিত সন্তান। আমি কালো নই, আমি সাদা নই। আমি আলাদা।” আবার নিজের মায়ের প্রসঙ্গ এনেও নিক্কি বলেছেন, “আমার মা বলতেন, পার্থক্যগুলোতে মনোযোগ দেওয়া তোমার কাজ নয়, মিলগুলিতে মনোযোগ দেওয়া কাজ।”

    নিক্কির পরিচয় ও রাজনৈতিক জীবন

    তাঁর পুরো নাম, নিম্রতা নিক্কি রণধাওয়া। ১৯৭২ সালে জন্ম। বাবার নাম রণজিত সিং রণধাওয়া, মায়ের নাম রাজ কউর রণধাওয়া। ষাটের দশকে তাঁরা পাঞ্জাব থেকে কানাডা হয়ে আমেরিকায় চলে গিয়েছিলেন। ১৯৯৬ সালে মাইকেল হ্যালিকে বিবাহ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি অভিবাসী ভারতীয় দম্পতির গর্বিত সন্তান।’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের জমানায় দক্ষিণ ক্যারোলাইনার গভর্নরের দুবার দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জে আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও সামলেছেন ৫১ বছরের নিক্কি হ্যালি। রিপাবলিকান দলে ট্রাম্পের ঘোর সমালোচক হিসেবেই নিক্কি বেশি পরিচিত বলে জানা গেছে। ২০১১ সালে ৩৯ বছর বয়সে গর্ভনর হয়েছিলেন নিক্কি হ্যালি। যা আমেরিকায় সবচেয়ে কমবয়সে গভর্নর হওয়ার নজির গড়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ ক্যারোলাইনার প্রথম মহিলা গভর্নরও ইনি।

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মূল পর্বে পৌঁছনোর আগে নিক্কি হ্যালিকে জিততে হবে রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাইমারি। সেটা হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। আর আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে ২০২৪ সালের নভেম্বরে। ফলে এখন থেকেই নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিতে চাইছেন নিকি হ্যালি। আগামী মাস থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেই সঙ্গে জেতার ব্যাপারেও আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।

  • Donald Trump: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    Donald Trump: দেড় বছর পর ওয়াশিংটনে, আবারও প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেড় বছর আগে হোয়াইট হাউস (White House) ছেড়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (Former US President) ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এরপর আর ওয়াশিংটনে ফেরেননি তিনি। তবে গতকাল মঙ্গলবার আবারও ওয়াশিংটনে দেখা গেল তাঁকে। এদিন সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প আবারও ইঙ্গিত করেছেন যে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি আবারও প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন। তিনি প্রায় ১৮ মাস আগে হোয়াইট হাউস ছেড়ে চলে গেলে তাঁকে আর ওয়াশিংটনে দেখা যায়নি। কিন্তু ফিরে এসেই তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে সমস্ত দেশের রাজনৈতিক মহলে।

    তিনি এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে জানিয়েছেন, তিনি প্রথমবার লড়ে জিতে গিয়েছিলেন। এরপর দ্বিতীয়বার প্রার্থী হয়েও ভালোই করেছিলেন। তাই আবারও হয়তো তাঁকে প্রার্থী হতে হবে, তবেই দেশকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে পারবেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস পরবর্তী রিপাবলিক প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। এছাড়াও ২০২০ সালের নির্বাচনে নিজেকে জয়ী উল্লেখ করে ট্রাম্প যে মিথ্যা দাবি করে থাকেন তা নিয়ে আবারও বলেছেন এদিন।

    আরও পড়ুন: পুতিনের অবস্থা সঙ্কটজনক, কতদিন সময় তাঁর হাতে?

    আবার তিনি এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden) কেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, দেশের এমন অবস্থার জন্য বাইডেনই দায়ী। তিনি দাবি করেছেন, দেশ এখন অবনতির দিকে এগোচ্ছে আর এসবের জন্য দায়ী জো বাইডেন। ৪৯ বছরে মুদ্রাস্ফীতি সবচেয়ে বেশি বেশি, গ্যাসের দামও ইতিহাসে প্রথমবার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, বাইডেনের অনুমতিতেই বহিরাগতরা তাদের দেশে প্রবেশ করছে। ফলে সব দেশের অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দিচ্ছে আর সবকিছুর পেছনে বাইডেন দায়ী। এমনকি আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ও রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের পেছনেও বাইডেনই আছেন বলেছেন ট্রাম্প। এসবের কিছুই হত না যদি তিনি কমান্ডার-ইন-চিফ হতেন এমনটাই দাবি ট্রাম্পের।

    এছাড়াও ট্রাম্পের বক্তব্য রাখার আগে এদিন তাঁর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট, মাইক পেন্স (Mike Pence) বক্তব্য রাখেন ও তিনিও যে ২০২৪ -এর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত আমেরিকা, স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে গুলি, মৃত ৯

LinkedIn
Share