Tag: US Senate

US Senate

  • Trump Iran War: ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা! ইরান যুদ্ধ থামাতে সেনেটে ঐতিহাসিক ভোট, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বাড়ছে রিপাবলিকান অস্বস্তি

    Trump Iran War: ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা! ইরান যুদ্ধ থামাতে সেনেটে ঐতিহাসিক ভোট, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বাড়ছে রিপাবলিকান অস্বস্তি

    সুশান্ত দাস

    ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অন্যতম বড় রাজনৈতিক ধাক্কা দিল মার্কিন সেনেট। ৫০-৪৮ ভোটে সেনেট একটি ‘ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন’ (War Powers Resolution) অনুমোদন করেছে, যার লক্ষ্য কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান চালানো বন্ধ করা। ঘটনাটিকে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কারণ, ১৯৭৩ সালে ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট কার্যকর হওয়ার পর এই প্রথম মার্কিন কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ— হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of Representatives) বা প্রতিনিধি পরিষদ এবং উচ্চকক্ষ সেনেট— কোনও প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব পাস করল। যদিও এই প্রস্তাব অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করতে পারবে না, তবুও এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক গুরুতর রাজনৈতিক সতর্কবার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই ভোট?

    মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে। কিন্তু গত কয়েক দশকে একাধিক প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সামরিক অভিযান চালিয়েছেন সরাসরি কংগ্রেসের পূর্ণ অনুমোদন ছাড়াই। ইরানের বিরুদ্ধে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রেও একই অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, ট্রাম্প কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছেন। সেই কারণেই ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কয়েকজন রিপাবলিকান সেনেটরও এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। এই ভোট কেবল ইরান যুদ্ধ নিয়ে নয়; এটি মূলত প্রেসিডেন্ট বনাম কংগ্রেস— কার হাতে যুদ্ধ সংক্রান্ত চূড়ান্ত ক্ষমতা থাকবে, সেই সাংবিধানিক প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে।

    ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া: ‘অর্থহীন ও ভুল সময়ের সিদ্ধান্ত’

    সেনেটে ভোটাভুটির পর ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশাল-এ (Truth Social) তিনি এই প্রস্তাবকে “ভুল সময়ের এবং অর্থহীন” বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরও দাবি করেন, এই ধরনের পদক্ষেপ ইরানকে “সাহায্য ও মানসিক সমর্থন” জোগাচ্ছে এবং রিপাবলিকান দলের কয়েকজন সদস্য তাঁর কাজকে আরও কঠিন করে তুলছেন। ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া থেকেই স্পষ্ট, তিনি এই ভোটকে কেবল প্রতীকী ঘটনা হিসেবে দেখছেন না; বরং এটিকে নিজের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচনা করছেন।

    রিপাবলিকান শিবিরেই ফাটল

    সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, চারজন রিপাবলিকান সেনেটর ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা হলেন— লিসা মার্কাওস্কি, সুজান কলিন্স, র‌্যান্ড পল, বিল ক্যাসিডি। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাট সেনেটর জন ফেটারম্যান John Fetterman ট্রাম্পের অবস্থানকে সমর্থন করে প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বিভাজন দেখিয়ে দিচ্ছে যে ইরান যুদ্ধ নিয়ে রিপাবলিকান দলের অভ্যন্তরে ক্রমশ অসন্তোষ বাড়ছে।

    যুদ্ধের খরচ নিয়ে উদ্বেগ

    ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে আরেকটি বড় সমস্যা হল যুদ্ধের বিপুল অর্থনৈতিক ব্যয়। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেটের আবেদন জানিয়েছেন। পেন্টাগনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহেই খরচ হয়েছে ১১.৩ বিলিয়ন ডলার।

    এর ফলে রিপাবলিকানদের মধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—

    • ● যুদ্ধ কতদিন চলবে?
    • ● শেষ লক্ষ্য কী?
    • ● মার্কিন করদাতাদের অর্থ কতটা ব্যয় হবে?
    • ● আর এই সংঘর্ষ কি আরেকটি “অনন্ত যুদ্ধ”-এ পরিণত হতে চলেছে?

    ট্রাম্পের নতুন ইরান চুক্তি নিয়েও ক্ষোভ

    যুদ্ধের পাশাপাশি ট্রাম্পের প্রস্তাবিত নতুন ইরান চুক্তিও বিতর্কের কেন্দ্রে।খবরে বলা হয়েছে, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের পুনর্গঠনের জন্য প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল নিয়ে আলোচনা চলছে। রিপাবলিকান দলের রক্ষণশীল ও কট্টরপন্থী অংশের মতে, যুদ্ধ করে আবার ইরানকে অর্থ সাহায্য দেওয়ার যুক্তি ভোটারদের কাছে ব্যাখ্যা করা কঠিন হবে।

    ফলে ট্রাম্প এখন দুই দিক থেকেই চাপের মুখে—

    • ● যুদ্ধপন্থীরা চুক্তি নিয়ে অসন্তুষ্ট।
    • ● যুদ্ধবিরোধীরা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট।

    মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের জন্য কতটা বিপজ্জনক?

    রাজনৈতিকভাবে এটাই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন (Midterm Elections) যত এগিয়ে আসছে, ততই রিপাবলিকান প্রার্থীরা নিজেদের আসন নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন। ইতিহাস বলছে, দীর্ঘস্থায়ী বিদেশি যুদ্ধ প্রায়শই ক্ষমতাসীন দলের জন্য রাজনৈতিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।

    ১. স্বাধীন ভোটারদের দূরে সরিয়ে দিতে পারে

    মার্কিন নির্বাচনে ‘ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ বা নির্দলীয় ভোটারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি তাঁদের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হয় যে ট্রাম্প কংগ্রেসকে উপেক্ষা করে দেশকে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়ে ফেলেছেন, তাহলে বহু সুইং স্টেটে রিপাবলিকান প্রার্থীরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন।

    ২. ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সংঘর্ষ

    ট্রাম্পের রাজনৈতিক উত্থানের অন্যতম ভিত্তি ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি। তিনি বহুবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে আমেরিকাকে আর বিদেশি যুদ্ধের জালে জড়াবেন না। কিন্তু ইরান সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বিরোধীরা সহজেই প্রশ্ন তুলতে পারবে— “যে নেতা অন্তহীন যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনিই কি নতুন যুদ্ধ শুরু করলেন?” এই প্রশ্ন রিপাবলিকান ভোটব্যাঙ্কের একটি অংশকে বিচলিত করতে পারে।

    ৩. রিপাবলিকান ঘাঁটিতেই বিভাজন

    র‌্যান্ড পলের মতো নেতারা প্রকাশ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন সামনে এসেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই বিভাজন যদি আরও বাড়ে, তাহলে রিপাবলিকানদের নির্বাচনী প্রচারে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে।

    ৪. যুদ্ধের ব্যয় বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে

    মুদ্রাস্ফীতি, ঋণ এবং বাজেট ঘাটতির মতো অর্থনৈতিক ইস্যুগুলি ইতিমধ্যেই ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে আরও ৮০ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ ব্যয় অনুমোদনের প্রশ্ন উঠলে ডেমোক্র্যাটরা এটিকে বড় নির্বাচনী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

    কংগ্রেস কি সত্যিই ট্রাম্পকে থামাতে পারবে?

    বাস্তবিক অর্থে এখনই নয়। এই প্রস্তাব মূলত রাজনৈতিক বার্তা বহন করে। প্রেসিডেন্ট চাইলে এটিকে উপেক্ষা করতে পারেন অথবা ভেটো দিতে পারেন।

    তবে কংগ্রেসের হাতে আরও শক্তিশালী অস্ত্র রয়েছে—

    • ● যুদ্ধের অর্থ বরাদ্দ আটকে দেওয়া,
    • ● প্রতিরক্ষা বাজেটে শর্ত আরোপ করা,
    • ● নতুন আইন পাস করার চেষ্টা করা।

    ফলে যুদ্ধ বন্ধ না হলেও ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, তা স্পষ্ট।

    ট্রাম্পে বাড়ছে অনাস্থা!

    সেনেটের ৫০-৪৮ ভোট শুধু একটি প্রতীকী প্রস্তাব নয়। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান নীতির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রকাশ্য অনাস্থার বার্তা। ১৯৭৩ সালের পর এই প্রথম কংগ্রেসের দুই কক্ষ একসঙ্গে কোনও প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সেনা সরানোর আহ্বান জানাল। তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ থামবে না, কিন্তু রাজনৈতিক অভিঘাত গভীর। রিপাবলিকান শিবিরে ফাটল, যুদ্ধের বাড়তি খরচ, ইরান চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ এবং সাংবিধানিক প্রশ্ন— সব মিলিয়ে ট্রাম্প এমন এক বিতর্কের মুখে পড়েছেন যা আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁর দলের জন্য বড় বোঝা হয়ে উঠতে পারে। ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহলে এখন প্রশ্ন একটাই— ইরান যুদ্ধ কি ট্রাম্পের জন্য নতুন বিদেশনীতি সংকট, নাকি সেটাই ২০২৬ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দুর্বলতা হয়ে উঠবে?

  • Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী! মার্কিন কংগ্রেসে দুবার ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়বেন মোদি

    Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী! মার্কিন কংগ্রেসে দুবার ভাষণ দিয়ে ইতিহাস গড়বেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েক বছরে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (Bi-lateral Relation) মজবুত করার নেপথ্যে অন্যতম কারিগর হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এমনটাই মনে করেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। সেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করতে এবার মার্কিন কংগ্রেসে যৌথ বৈঠকে বক্তব্য রাখার আমন্ত্রণ পেলেন প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার। আগামী ২২ জুন  মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। তাঁর এই বক্তৃতা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ তিনিই হতে চলেছেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যিনি মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে এ নিয়ে দু’বার বক্তব্য পেশ করবেন। এর আগে ২০১৬ সালের জুন মাসে তিনি বক্তব্য রেখেছিলেন। 

    মোদির ট্যুইট বার্তা

    মার্কিন কংগ্রেসে আমন্ত্রণের জন্য মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে ধন্যবাদও জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি, সেনেটর চাক সুমার, রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল, ডেমোক্রাটিক নেতা হাকিম জেফারিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেন, “এই আমন্ত্রণের জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ। আমি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করছি এবং ফের একবার কংগ্রেসে বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত সম্মানিতবোধ করছি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমেরিকার সঙ্গে বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আমরা গর্বিত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক ও বৈশ্বিক শান্তি ও সমৃদ্ধি রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ মনোভাবই আমাদের একসঙ্গে জুড়েছে।”

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফরের আগে মার্কিন রেস্তোরাঁয় চালু ‘মোদিজি থালি’

    চলতি মাসের শেষেই চার দিনের সফরে আমেরিকা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ২১ জুন আমেরিকায় পা রাখবেন তিনি। থাকবেন ২৪ জুন পর্যন্ত।  গত সপ্তাহে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানানো হয়েছে। ভারতীয় আমেরিকানরা ১৮ জুন আমেরিকা জুড়ে ২০টি প্রধান শহরে ‘ভারত একতা দিবস’ পদযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করছেন। আগামী ২২ জুন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে নৈশভোজেও যোগ দেবেন মোদি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) চিনা (China) আগ্রাসনের নিন্দা মার্কিন সেনেটে। অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই (India) অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এমন দাবি ভারতের তরফে করা হয়েছে বারবার। এবার অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এমন প্রস্তাব পাশ হল মার্কিন (America) সেনেটেও। ভারত-চিন সীমান্তে ম্যাকমোহন লাইন নিয়ে চিন বারংবার আপত্তি জানালেও, এই প্রসঙ্গে আমেরিকার মত, আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত এই সীমান্তরেখাকে মেনে নেওয়া উচিত চিনের।

    অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) আগ্রাসনের নিন্দা…

    সম্প্রতি মার্কিন সেনেটে সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব পাশ করিয়ে বলা হয়েছে, ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় একতরফাভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করছে চিন। লাদাখ সীমান্তে চিনের সামরিক আগ্রাসন নিয়েও নিন্দা জানানো হয় এই প্রস্তাবে। কিছু দিন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বার্ষিক রিপোর্টেও চিনের বিরুদ্ধে সীমান্তে স্থিতাবস্থা নষ্ট করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এর অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকার চিন সংক্রান্ত প্রস্তাবে শোনা গেল ভারতেই সুর। অরুণাচলে (Arunachal Pradesh) চিনা আগ্রাসনের সমালোচনা করে বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন ওরেগনের ডেমোক্র্যাটিক সেনেটর জেফ মার্কলে, টেক্সাসের রিপাবলিকান সেনেটর জন করনিন ও টেনেসির রিপাবলিকান সেনেটর বিল হ্যাগার্টি।

    আরও পড়ুুন: মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে নিজের মতো প্রতিভাবান ভাবছেন! কেন একথা বললেন সুকান্ত?

    প্রস্তাবে বলা হয়, আমেরিকা সব সময় স্বাধীনতাকে সমর্থন করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকা প্রতিটি দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে মান্যতা দেয়। কিন্তু চিন ঠিক এর উল্টো পথে হাঁটছে। সেনেটে চিন বিষয়ক কমিটির প্রধান জেফ মার্কেলের মতে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি জানান, এ নিয়ে আমেরিকার কোনও দ্বিধা নেই। মার্কেলে জানান, চিন যেভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আগ্রাসন চালাচ্ছে, তা কখনওই সমর্থনযোগ্য নয়। অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখতে ভারতের পাশে থাকার বার্তাও দেন মার্কিন সেনেটর। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও বলেন তিনি।

    ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেজিংয়ের একাধিপত্য নিয়েও সরব হয়েছে ওয়াশিংটন। কৌশলগত সম্পর্কে থাকা যে কোনও দেশের পাশে আমেরিকা দাঁড়াবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ওই প্রস্তাবে। প্রসঙ্গত, এমন একটা সময় সেনেটে ওই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যখন পূর্ব লাদাখ সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারত ও চিনের সীমান্ত সংঘাত তিন বছর পূর্ণ করতে চলেছে। ২০২০ সালের এপ্রিল ও মে মাসে পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। এহেন আবহে গত বছর অরুণাচল প্রদেশে আগ্রাসী হওয়ার চেষ্টা করে চিন। সেই চেষ্টা রুখে দেওয়া হয় ভারতীয় সেনার তরফে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • US Mid-Term Polls: কম ভোটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দখল রিপাবলিকানদের

    US Mid-Term Polls: কম ভোটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দখল রিপাবলিকানদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কম মার্জিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নকক্ষে প্রতিনিধি পরিষদের দখল নিল রিপাবলিকান পার্টি। জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাটকে ৯ আসনে হারিয়ে দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। রিপাবলিকানদের ঝুলিতে আসে ২০১৮টি আসন এবং ডেমোক্র্যাটরা পায় ২০৯টি আসন। কংগ্রেসের ৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ২১৮টি আসন প্রয়োজন ছিল। আর কাঁটায়-কাঁটায় ঠিক সেই সংখ্যক আসনই পেয়েছে রিপাবলিকানরা। কার দখলে যাবে মার্কিন সেনেটের নিম্নকক্ষ, তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। শেষ মুহূর্তে ২৭ তম কংগ্রেস জেলাতে জয়লাভ করে শেষ হাসি হাসলেন রিপাবলিকানরাই। যদিও সেনেটের উচ্চকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ডেমোক্র্যাটরাই।

    আরও পড়ুন: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    গত সপ্তাহেই আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। তার দখল নিয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের পার্টি। তবে বুধবার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের ২১৮তম আসনের ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে বাইডেন নয়, বরং প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প্র দল রিপাবলিকানরাই জয়ী হয়েছে। যদিও খুন কম ভোটের মার্জিনেই জয় পেয়েছে রিপাবলিকানরা। তবে এতে ডেমোক্র্যাটদের মুশকিল যে বাড়ল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান কেভিন ম্যাককার্থি বলেন, “আমেরিকানরা নতুন একদিকে হাঁটতে শুরু করেছে। রিপাবলিকানরাও প্রস্তুত।”

     

     

    কী বললেন রাষ্ট্রপতি?

    নিম্নকক্ষের ফল প্রকাশের পর রিপাবলিকানদের অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। তিনি বলেন, “গত সপ্তাহের নির্বাচন আমেরিকার গণতন্ত্রের শক্তিকে প্রমাণিত করেছে। রাজনৈতিক হিংসা, ভোট দিতে অনিচ্ছা- এমন নানা প্রতিবন্ধকতা এসেছে। কিন্তু আমেরিকায় সাধারণ নাগরিকের সদিচ্ছারই জয় হল। ভবিষ্যত অত্য়ন্ত আশাব্যাঞ্জক, রাজনৈতিক লড়াইয়ের ফাঁদে আটকে পড়বেন না।”

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ২০২৪- এর হোয়াইট হাউজ দখলের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে দুই দলই। কে কোন ইস্যু তুলে কাকে আক্রমণ করবে সে ছকও কষে ফেলা হয়েছে। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় তদন্ত চলছে। বাইডেন প্রশাসন এই তদন্তের গতি বাড়ানোর জন্য চাপ দিতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা বাইডেন প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের চিন ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য সহ একাধিক বিষয় নিয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

       

     

     

     

     

LinkedIn
Share