Tag: us

us

  • S Jaishankar: ‘এই শিল্পপতি একজন বৃদ্ধ, একগুঁয়ে’, সোরসকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কেন জানেন?

    S Jaishankar: ‘এই শিল্পপতি একজন বৃদ্ধ, একগুঁয়ে’, সোরসকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্ডেনবার্গ-আদানি বিতর্কে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) নিশানা করেছিলেন মার্কিন ধনকুবের শিল্পপতি জর্জ সোরস (George Soros)। শনিবার তাঁকে একহাত নিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সোরস সম্পর্কে তাঁর অভিমত, এই শিল্পপতি একজন বৃদ্ধ, একগুঁয়ে, যিনি মনে করেন তাঁদের মতামত অনুযায়ী গোটা দুনিয়া চলবে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, এই সব মানুষ চান তাঁদের সমর্থিত দল ক্ষমতায় আসুক। উল্টোটা হলেই গণতন্ত্র ত্রুটিযুক্ত বলে চিৎকার করতে থাকেন। জয়শঙ্কর বলেন, মিস্টার সোরস একজন বৃদ্ধ, একগুঁয়ে মানুষ। নিউইয়র্কে বসে যিনি ভাবেন তাঁর মতামত মেনেই গোটা বিশ্বের চলা উচিত। তিনি বলেন, এই জাতীয় লোক সম্পদ লগ্নি করেন তাঁদের মতামত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, এই সব লোক মনে করেন নির্বাচন ভাল, যদি তাঁরা যাকে ক্ষমতায় দেখতে চান, তিনি জয়ী হন। কিন্তু ভোটের ফল যদি উল্টো হয়, তখন তাঁরা গণতন্ত্রের দোষ ধরতে ব্যস্ত হন। জয়শঙ্কর বলেন, এসবই করা হয় মুক্ত সমাজের দাবির অছিলায়।

    জয়শঙ্কর…

    বর্তমানে জয়শঙ্কর রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়, দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, গত তিন দশকে ভারতে একটা বিরাট পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনটা হল আমাদের বাণিজ্যের সিংহভাগ হচ্ছে পূর্বমুখী। বর্তমানে ৫০ শতাংশেরও বেশি ব্যবসা হয় ভারতের পূর্ব দিকের দেশগুলির সঙ্গে। ভারত-মার্কিন সম্পর্ক নিয়েও এদিন মুখ খোলেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতের বিদেশনীতিরও বড়সড় পরবর্তন হয়েছে। ভারত সম্পর্কে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাচ্ছে। বিদেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভারত-মার্কিন সম্পর্কে স্ট্র্যাটেজিক কনসেপ্ট বদলেছে, নয়া ভূরাজনৈতিক থেরাপি হয়েছে, কোয়াডের মতো নয়া মেকানিজমও হয়েছে।

    সোরসকে নিশানা করেন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও। তিনি বলেন, সাম্রাজ্যবাদীদের একটা অংশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ছোট করতে চাইছে, ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ হানতে চাইছে। জর্জ সোরস তাদেরই কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। তিনি বলেন, ভারত আগেও সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে পরাস্ত করেছে। ভবিষ্যতেও করবে। স্মৃতি বলেন, আমি অনুরোধ করব দেশের সমস্ত মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলিকে একযোগে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে, গর্জে উঠতে।

    আরও পড়ুুন: ‘কর ফাঁকি দিয়েছে বিবিসি’, সমীক্ষা শেষে বিবৃতি আয়কর দফতরের

    প্রসঙ্গত, জার্মানির মিউনিখে এক সিকিউরিটি কনফারেন্সে সোরস বলেছিলেন, মোদি এ বিষয়ে (আদানিকাণ্ডে) এখনও নীরব। কিন্তু বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে ও সংসদে তাঁকে জবাব দিতেই হবে। তিনি বলেন, এই ঘটনা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় মোদির রাশকে দুর্বল করবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দরজা খুলে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Modi Biden Meet: মোদিকে আমন্ত্রণ বাইডেনের, জুন-জুলাইয়ে আমেরিকা যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Biden Meet: মোদিকে আমন্ত্রণ বাইডেনের, জুন-জুলাইয়ে আমেরিকা যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ বাইডেনের (Joe Biden)। জুন-জুলাই মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকা সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রেই এ খবর মিলেছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে জি-২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করবে ভারত। জি-২০ নিয়ে বেশ কয়েকটি কর্মসূচি এবং সম্মেলনেরও আয়োজন করবে ভারত। যেহেতু আমেরিকাও জি-২০র সদস্য রাষ্ট্র, তাই উপস্থিত থাকার কথা বাইডেনেরও। এই আবহে মোদিকে বাইডেনের আমন্ত্রণ (Modi Biden Meet) জানানো তাৎপর্যপূর্ণ বই কি!

    নরেন্দ্র মোদি…

    জানা গিয়েছে, মার্কিন রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকা সফর নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। দুই দেশের প্রশাসনিক অফিসাররা দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধানের সাক্ষাতের (Modi Biden Meet) জন্য উপযুক্ত দিন খুঁজতে শুরু করেছেন। জুন কিংবা জুলাইয়ের মধ্যে উপযুক্ত দিন দেখে ব্যবস্থা করা হতে পারে দুই রাষ্ট্র প্রধানের সাক্ষাৎকারের।

    গুজরাট হিংসা ও ভারতের মুসলিমদের সমস্যা নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ও মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্টে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগে সরগরম রাজনৈতিক মহল। দুই ক্ষেত্রেই আমেরিকার অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। ভারতে বিবিসির তথ্যচিত্র নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে মার্কিন বিদেশমন্ত্রক। তাদের বক্তব্য, এভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। এদিকে, হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টকেও অনেকে ভারত বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখছে। সেই আবহে মোদিকে বাইডেনের আমন্ত্রণ তাৎপর্যপূর্ণ (Modi Biden Meet)।

    আরও পড়ুুন: ‘কয়লা ভাইপো কে? তাঁর পরিচয়ই বা কী?’, প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

    জানা গিয়েছে, আমেরিকা সফরে গেলে সেখানে কয়েকদিন থাকতে পারেন মোদি। ভাষণ দিতে পারেন মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে। হোয়াইট হাউসের তরফে আয়োজিত একটি নৈশভোজেও যোগ দিতে পারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, জুন-জুলাই মাসে মোদি আমেরিকা সফরে গেলে সেটাই হবে বাইডেন জমানায় তাঁর দ্বিতীয়বার আমেরিকা সফর (Modi Biden Meet)। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছরও অবশ্য মুখোমুখি হয়েছিলেন এই দুই রাষ্ট্র প্রধান। নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়েছিল জি-২০ সম্মেলন। সেই সময় মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারত ও আমেরিকার দুই প্রধান। তারপর ফের হতে চলেছেন চলতি বছরের জুন কিংবা জুলাইয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • US China Conflict: আমেরিকার সঙ্গে চিনের যুদ্ধ বাঁধতে পারে  ২০২৫ সালেই, কেন জানেন?

    US China Conflict: আমেরিকার সঙ্গে চিনের যুদ্ধ বাঁধতে পারে  ২০২৫ সালেই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের যুদ্ধের ভ্রুকুটি! এবার যুদ্ধের সম্ভাবনা ঘনাচ্ছে আমেরিকার (US) সঙ্গে চিনের (China)। যুদ্ধ হতে পারে ২০২৫ সালেই। সম্প্রতি মার্কিন বায়ুসেনার এয়ার মবিলিটি কমান্ডের প্রধান জেনারেল মাইক মিনিহান তাঁর শীর্ষ নেতৃত্বকে একটি মেমো পাঠিয়েছেন। তাতেই আঁচ দিয়েছেন আগাম যুদ্ধের। মেমোয় ১ ফেব্রুয়ারির তারিখ দেওয়া থাকলেও, পাঠানো হয়েছে শুক্রবারই। যদিও পেন্টাগনের তরফে এমন ‘জল্পনা’র কথা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে চার তারকা সম্পন্ন জেনারেল মাইকের মেমোর কথা প্রকাশ্যে আসতেই হুলুস্থুল তামাম বিশ্বে। আমেরিকার (US) সামরিক বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ বলছেন, মাইকের ‘আশঙ্কা’ মার্কিন ভাবনার পরিপন্থী। এদিন মাইক অবশ্য বলেন, আশা করছি, আমার এই ভবিষ্যদ্বাণী মিথ্যা প্রমাণিত হবে। কিন্তু আমার মস্তিষ্ক বলছে, ২০২৫ সালে আমাদের যুদ্ধে নামতে হবে।

    মার্কিন বায়ুসেনা অফিসারের যুক্তি…

    নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন ওই মার্কিন বায়ুসেনা অফিসার। তাঁর যুক্তি, ২০২৪ সালে সাধারণ নির্বাচন রয়েছে তাইওয়ানে। চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রাণপণ চেষ্টা করবেন নিজের পছন্দের সরকার গড়তে। সেই লক্ষ্যে সাফল্য এলে তাইওয়ানকে একটি চুক্তির মাধ্যমে চিনের সঙ্গে সংযুক্ত করবেন তিনি। তার পরেই চিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামবেন তাইওয়ানবাসী। অবশ্য দ্বিতীয় একটি সম্ভাবনার কথাও বলেছেন মাইক। তিনি বলেন, তাইওয়ানে যদি ফের ক্ষমতায় ফেরেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন, তাহলে দ্বীপরাষ্ট্রে হামলা চালাবে চিন। তখনই বাঁধবে যুদ্ধ। এই যুদ্ধে আমেরিকা (US) কীভাবে জড়াবে? জানা গিয়েছে,  ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের অন্যতম উপাদান সেমি কান্ডাক্টর থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমেরিকা তাওয়ানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছুটছে। তাই তাইওয়ানে চিনের আগ্রাসন আমেরিকার কাছেও বিপদ সংকেত স্বরূপ।  

    আরও পড়ুুন: ভারত-চিন যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে রাহুলকে একহাত নিলেন জয়শঙ্কর, কী বললেন বিদেশমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, চিনের এই আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে মার্কিন প্রশাসনকে একাধিকবার সতর্ক করেছেন সে দেশের বায়ুসেনার শীর্ষকর্তা। তিনি বলেন, তাইওয়ান দখলের সময় আমেরিকা যাতে কোনওভাবেই দ্বীপরাষ্ট্রের সাহায্যে আসতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে চিন। আগ্রাসী চিনকে রুখতে কী করণীয়, তাও বলেছেন ওই বায়ুসেনা অফিসার। মেমোয় তিনি লিখেছেন, আমাদের লক্ষ্য হবে মাথায় আঘাত। তাই সবার আগে বেজিংকেই টার্গেট করতে হবে আমাদের। তবে মেমোয় পাঠানো মাইকের মন্তব্য সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে আমেরিকার এক প্রতিরক্ষা আধিকারিক বলেন, এই ধরনের মন্তব্য চিন নিয়ে বিভাগের মনোভাব প্রদর্শন করে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Layoffs: মন্দার জের! ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলিতে

    Layoffs: মন্দার জের! ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএনএন থেকে ওয়াশিংটন পোস্ট পর্যন্ত, কঠিন সময়ের মুখোমুখি মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলি। অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কায় বছরের শুরুতেই একাধিক সংস্থা কর্মী ছাঁটাই- এর (Layoffs) ঘোষণা করেছে। ভক্স মিডিয়া, নিউ ইয়র্ক ম্যাগাজিন এবং এর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলি শুক্রবার ঘোষণা করেছে যে তারা তাদের ৭% কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছে৷  সিএনএন, এনবিসি, এমএসএনবিসি, বাজফিড এবং অন্যান্য আউটলেটগুলিতে ইতিমধ্যেই বড় সংখ্যক ছাঁটাই হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজৌরি থেকে মাহভিশ মালিক রাজ্য সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ বাবার 

    শুক্রবার দ্য মেমোতে ভক্স মিডিয়ার সিইও জিম ব্যাঙ্কফ ঘোষণা করেছেন “আমাদের ব্যবসা এবং শিল্প কঠিন সময়ের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রয়েছে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে বিভিন্ন বিভাগে আমাদের প্রায় সাত শতাংশ কর্মীদের বাদ (Layoffs) দেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।”

    দ্য মেমো এদিন বলে, “যারা বাদ যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী ১৫ মিনিটের মধ্যে নোটিস দিয়ে দেওয়া হবে। ১৯০০ কর্মীর মধ্যে ১৩০ জনকে ছাঁটাই করা হচ্ছে।”

    কী বলছেন সাংবাদিকরা? 

    পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক মেগান ম্যাককারন, ভক্স মিডিয়ায় ন বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েছেন। তিনিও শুক্রবার ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, ৩৭ সপ্তাহের গর্ভবতী থাকাকালীন তাঁকেও ছাঁটাই (Layoffs) করা হয়েছে। 
     
    তিনি লেখেন, “আমার সঙ্গী এবং আমি বাবা-মা হতে পেরে খুব খুশি ছিলাম। কিন্তু এখন আমরা যে পরিমাণ অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হচ্ছি তাতে সত্যিই বুঝতে পারছি না কী করব।”

    ভক্সের একজন মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন যে, কর্মচারীদের বিশেষ প্যাকেজ দেওয়া হবে। যারা গর্ভকালীন ছুটি নিয়েছেন তাঁদের অতিরিক্ত বেতনসহ এই প্যাকেজ দেওয়া হবে। 

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে অন্যান্য সংস্থা থেকে ছাঁটাই করা সাংবাদিকরাও নতুন চাকরি (Layoffs) খুঁজতে শুরু করেছেন। ট্যুইটারে উগরে দিয়েছেন রাগ, হতাশা বা কৃতজ্ঞতা। 

    ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টার এমিলি সিগেল পাঁচ বছর কাজ করেছেন এনবিসিতে (Layoffs)। তিনি ট্যুইটে লেখেন, “আমি আমার পরবর্তী পদক্ষেপটি খুঁজে বের করব। আমি একজন ডেটা রিপোর্টার কিন্তু আমি লিখি এবং খবর তৈরিও করি। আমি এই কাজটি চালিয়ে যেতে চাই। আমার (সরাসরি বার্তা) খোলা আছে।” 

    শুধু সংবাদমাধ্যমগুলিই নয়, সম্প্রতি কর্মী ছাঁটাই- (Layoffs) এর পথে হেঁটেছে গুগল, মেটার মতো বড় বড় সংস্থা। মার্কিন অর্থনীতি যে চরম সংকটের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে, তা এই সংস্থাগুলির কর্মী ছাঁটাই- এর সিদ্ধান্তে অনেকটাই স্পষ্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pakistan: ঘোর আঁধারে পাকিস্তান, গাড্ডায় অর্থনীতির চাকা, ওয়াশিংটনের দ্বারস্থ ইসলামাবাদ

    Pakistan: ঘোর আঁধারে পাকিস্তান, গাড্ডায় অর্থনীতির চাকা, ওয়াশিংটনের দ্বারস্থ ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই ঘোর আঁধারে পাকিস্তান (Pakistan)! হাঁড়ির হাল দেশের অর্থনীতির। এমতাবস্থায় সাহায্যের আশায় ফের আমেরিকার (US) দ্বারস্থ হয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। জানা গিয়েছে, সোমবার আচমকাই বসে যায় সে দেশের গ্রিড। তার জেরে দেশের জেনারেটরগুলিকে প্রয়োজনের তুলনায় দ্বিগুণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হয়েছে। অন্ধকারে ডুবে যান ২২০ মিলিয়ন পাক নাগরিক। পুরো একটি গ্রিড বসে যাওয়ার ঘটনা বিরল। তবে সেটাই হয়েছে পাকিস্তানে। গোটা একটা দিন কার্যত অন্ধকারেই কাটাতে হয়েছে পাকস্তানবাসীকে। কেন এই বিপর্যয়, সে ব্যাপারে মুখ খোলেননি পাকিস্তানের শক্তিমন্ত্রী।

    পাক অর্থনীতি…

    এদিকে, আক্ষরিক অর্থেই হাঁড়ির হাল পাক অর্থনীতির। দেশের ঋণ গিয়ে পৌঁছেছে ৬০ লক্ষ কোটি পাকিস্তানি রুপিতে। বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার তলানিতে। জানা গিয়েছে, বুধবার পাকিস্তানে (Pakistan) এক ডলারের মূল্য ছিল ২৩০ পাকিস্তানি রুপি। ২৪ ঘণ্টা পরে তার দাম দাঁড়ায় ২৫৫ টাকায়। এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার শর্ত দিয়েছে, রুপির দামের ওপর কোনও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না পাকিস্তান। তা ছেড়ে দিতে হবে বাজারের হাতে। ফলে দ্রুত গতিতে কমতে শুরু করেছে পাকিস্তানি রুপির দাম। সম্প্রতি পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্ক দেশের ঋণ সংক্রান্ত তথ্য সামনে এনেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, গত অর্থবর্ষে পাকিস্তানের সরকারি ঋণ ছিল ৯ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি পাকিস্তানি রুপি। ২০২২ সালের জুনের শেষে ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৯ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা। পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডারের দেখভাল করে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ পাকিস্তান। বর্তমানে এই ব্যাঙ্কের কাছে রয়েছে মাত্র ৪.৩৪৩ মার্কিন ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্থে পাকিস্তানের চলবে মাত্র তিন সপ্তাহ।

    আরও পড়ুুন: সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে পাকিস্তানকে নোটিশ দিল ভারত, কেন জানেন?

    এমতাবস্থায় আমেরিকার সাহায্য চেয়েছে পাক সরকার। তারা চাইছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার ১.১ বিলিয়ন ডলার ঋণ বরাদ্দ করুক, যাতে ডুবতে বসা অর্থনীতিকে টেনে তোলা যায়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে পাকিস্তানকে (Pakistan) ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার। জানা গিয়েছে, এই আর্থিক সঙ্কটের জন্য মূলত দায়ী ব্যাঙ্কের বাণিজ্যিক ঋণ পরিশোধ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দুটি ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার পরে প্রায় ১০০ কোটি ডলার শোধ করতে হয় পাকিস্তানকে। এছাড়া, গত বছর জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের রেমিট্যান্স অনেক কমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে গাড্ডায় ইসলামাবাদ। পাকিস্তান এই পরিস্থিতি কীভাবে সামলায়, এখন তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Richard Verma: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ পদে ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড ভার্মা, জানেন তিনি কে?

    Richard Verma: আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ পদে ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড ভার্মা, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জয়জয়কার ভারতীয় (Indian) বংশোদ্ভূতের! এবার ইউএস (US) ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের ডিপ্লমেটিক পদে বসলেন এক ইন্দো-আমেরিকান। শুক্রবার তাঁকে নিয়োগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। ইন্দো-আমেরিকান এই ব্যক্তির নাম হল রিচার্ড আর ভার্মা (Richard Verma)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শুক্রবার ওই পদে রিচার্ড আর ভার্মার নাম ঘোষণা করেছেন বাইডেন স্বয়ং। স্টেট ফর ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেসের ডেপুটি সেক্রেটারি পদে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে।

    রিচার্ড আর ভার্মা…

    বিস্তর টালবাহানার পরে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। ব্রিটেনের পর এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ পদ অলঙ্কৃত করবেন ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড আর ভার্মা। বর্তমানে ভার্মা রয়েছেন চিফ লিগ্যাল অফিসার পদে। তিনি মাস্টারকার্ডে গ্লোবাল পাবলিক পলিসির প্রধানও। এক সময় তিনি কাজ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে, পোস্টিং ছিলেন ভারতে। ওবামা প্রশাসনেও গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন তিনি। তখন ভার্মা ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অফ স্টেট ফর লেজিসলেটিভ অ্যাফেয়ার্স। কেরিয়ারের একেবারে গোড়ার দিকে ভার্মা (Richard Verma) ছিলেন ইউনাইটেড স্টেট সেনেটর হ্যারি রীডের ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইসর। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন ডেমোক্রেটিক হুইপ, মাইনরিটি লিডার এবং মেজরিটি লিডার অফ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস সেনেট। এশিয়া গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। আরও বেশ কিছু সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন রিচার্ড আর ভার্মা। ইউনাইটেড স্টেটস এয়ারফোর্সেও কাজ করেছেন তিনি। সেখানে তিনি ছিলেন জাজ অ্যাডভোকেট।

    আরও পড়ুন: মৃতদেহের স্তূপ, কাজ করছেন সংক্রমিতরা, চিনের করোনা পরিস্থিতিতে তস্ত্র গোটা বিশ্ব

    দীর্ঘ কেরিয়ারে বহু পুরস্কার পেয়েছেন ইন্দো-আমেরিকান রিচার্ড আর ভার্মা। এর মধ্য রয়েছে ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস মেডেল। তাঁকে এই সম্মান দিয়েছিল ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট। কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের কাছ থেকে তিনি পেয়েছিলেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স ফেলোশিপ। ইউনাইটেড স্টেটস এয়ারফোর্সের কাছ থেকে পেয়েছিলেন মেরিটোরিয়াস সার্ভিস মেডেল। হোয়াইট হাউসের ওই প্রেস রিলিজ থেকে এও জানা গিয়েছে, রিচার্ড আর ভার্মাকে (Richard Verma) এক সময় নিয়োগ করা হয়েছিল প্রেসিডেন্টের ইন্টেলিজেন্স বোর্ডে। ওয়েপনস অফ মাস ডেস্ট্রাকশান অ্যান্ড টেররিজম কমিশনের সদস্যও ছিলেন তিনি। ফোর্ড ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি হিসেবেও কাজ করেছেন রিচার্ড আর ভার্মা। এছাড়াও আরও বেশ কিছু বোর্ডে কাজ করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল এনডাওমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড লেহাই ইউনিভার্সিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • MQ 9 Reaper Drone: ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার ঘাতক ড্রোন, জেনে নিন মারণ ক্ষমতা

    MQ 9 Reaper Drone: ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার ঘাতক ড্রোন, জেনে নিন মারণ ক্ষমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমকিউ সিরিজের অত্যাধুনিক সংস্করণ ৯ রিপার ড্রোন (MQ 9 Reaper Drone) হাতে পাচ্ছে ভারত (India)। এই অস্ত্রেই আমেরিকা (US) বধ করেছিল তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা ওমর, তেহরিক ই তালিবানের পাকিস্তানের নেতা বায়তুল্লা মেহসুদ, সিরিয়ার আল কায়দা প্রধান সেলিম আবু আহমেদ, ইরানের (Iran) জেনারেল কাশেম সোলেমানি, আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরি সহ অনেকেই। এই সিরিজেরই অত্যাধুনিক সংস্করণ হাতে পাচ্ছে ভারতীয় সেনা।

    এমকিউ ৯ রিপার…

    এমকিউ ৯ রিপার নামের এই ড্রোনটি পরিচিত গার্ডিয়ান নামে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত আপাতত কিনবে এমকিউ ৯ ড্রোনের দুটি মডেল। এই ড্রোনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল, ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থেকে শত্রুর ওপর নির্ভুল আঘাত হানতে পারে। শত্রুপক্ষের রেডারের নজরদারি এড়াতে পারে এই ড্রোন। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৩০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে। টানা ২৭ ঘণ্টা ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনের। সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ১ হাজার ৭৪৬ কিলোগ্রাম। জানা গিয়েছে, আমেরিকা ছাড়া ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি, জার্মানি, বেলজিয়াম এবং স্পেনের হাতে রয়েছে এমকিউ ৯ রিপার ড্রোন (MQ 9 Reaper Drone)। ন্যাটো জোটের বাইরে থাকা প্রথম দেশ হিসেবে এই অস্ত্র পাচ্ছে ভারত।

    আরও পড়ুন: নববর্ষের উপহার! ২০২৩-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেবে কেন্দ্র

    ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমেরিকা সফরের আগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতকে এই সিরিজের ২২টি ড্রোন বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। মূল্য ধার্য হয়েছিল ৩০০ কোটি ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৪ হাজার ৮৩১ কোটি টাকা। পরে স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর জন্য এই সিরিজের মোট ৩০টি ড্রোন কেনার সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর হয়।

    এমকিউ ৯ রিপারের (MQ 9 Reaper Drone) অস্ত্রভাণ্ডারের মধ্যে রয়েছে হেলফায়ার আর ৯ এক্স। পাঁচ ফুট লম্বা, পঁয়তাল্লিশ কিলোগ্রাম ওজনের মিলিমেট্রিক ওয়েভ রেডার যুক্ত এই ক্ষেপণাস্ত্রের ধারালো ব্লেডগুলি উচ্চ গতিতে বেরিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দেয় শত্রুকে। তবে বাড়িঘরের কোনও ক্ষতি হয় না। এই মারণাস্ত্র হাতে এলে ভবিষ্যতে বালাকোটের ধাঁচে পাক অধিকৃত কাশ্মীর বা খাইবার পাখতুনখোয়ায় জঙ্গি শিবিরে কোনও ঝুঁকি ছাড়াই হামলা চালাতে পারবে ভারতীয় সেনা। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে দু বছরের জন্য ভারতীয় নৌসেনা এই সিরিজের ড্রোন লিজে নিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Cyclone: তাপমাত্রা নামবে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা

    Cyclone: তাপমাত্রা নামবে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! তুষারঝড়ে কাঁপছে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের (Christmas) উৎসবে কাঁটা তুষারঝড়। সপ্তাহান্তে শীতকালীন সুপার সাইক্লোন আছড়ে পড়তে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায়। ভয়ঙ্কর তুষারঝড় বম্ব সাইক্লোনের (Bomb Cyclone) আতঙ্কে কাঁপছে আমেরিকা। এখনই তাপমাত্রার পারদ নেমে গেছে হিমাঙ্কের ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে। কনকনে ঠান্ডায় তুমুল ঝোড়ো হাওয়ায় বিধ্বস্ত স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বরফ জমেছে রাস্তাঘাটে। যান চলাচল বিপর্যস্ত। বাতিল করা হয়েছে সাড়ে তিন হাজারের বেশি উড়ান। দেশের কিছু অংশে তাপমাত্রা নামবে -৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আমেরিকা-মেক্সিকো সীমান্ত, ফ্লোরিডায় পর্যন্ত তাপমাত্রার পারদ রেকর্ড পরিমাণ নামবে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস। 

    বাতিল বহু বিমান

    প্রতি বছরই এই সময় আমেরিকা ও কানাডায় তাণ্ডব করে এই বরফের ঘূর্ণিঝড়। তছনছ করে দেয় বিস্তীর্ণ এলাকা। মার্কিন আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে এই তুষারঝড় (Bomb Cyclone) শুরু হয়। ক্রমশ এই ঝড় এগিয়েছে পূর্ব দিকে। চলতি সপ্তাহেই আমেরিকার উত্তরদিকের হ্রদগুলি পুরোপুরি জমে যাবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। তুষারঝড়ের ধাক্কায় বড়দিনের সেলিব্রেশন পণ্ড হওয়ার পথে। ঘরবন্দি মানুষজন। অনেক জায়গা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন। বৃহস্পতিবার ২ হাজার ৮১০টি বিমান বাতিল করে আমেরিকান এয়ারওয়েজ। এদিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ বিমান বাতিল করেছে ওই মার্কিন উড়ান সংস্থা। এছাড়া বৃহস্পতিবার ডেল্টা এয়ারওয়েজের মোট ১৩০টি ও শুক্রবার ৮৪টি বিমান বাতিল করা হয়। বিমানের পাশাপাশি তুষার ঝড়ের জেরে ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচলও। প্রভাব পড়েছে মেট্রো পরিষেবাতেও।

    আরও পড়ুন: রাজপরিবারের সঙ্গে ক্রিসমাস উদযাপন করবেন না প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল! কী এমন হল?

    ফ্রস্টবাইটের শঙ্কা

    আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, শুক্রবার আমেরিকায় শৈত্যঝড় ‘বম্ব সাইক্লোন’-এ পরিণত হতে পারে। এফ ফলে তীব্র বেগে বইবে ঠান্ডা হাওয়া। বায়ুর চাপ থাকবে অনেক কম। মিনিয়াপোলিস, শিকাগো, কানসাস সিটি, সেন্ট লুই, ইন্ডিয়ানাপোলিস, ক্লিভল্যান্ড, ডেট্রয়েটে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তার মধ্যে মিনিয়াপোলিস, শিকাগো এবং উত্তর ও পশ্চিম মিশিগানে তুষারঝড়ের পূর্বাভাসও রয়েছে। ঘণ্টায় ঝড়ের গতি হতে পারে প্রায় ৫৭ কিলোমিটার।  সপ্তাহান্তে আমেরিকাবাসীকে সব থেকে বিপাকে ফেলবে ফ্রস্টবাইট। ডেস মোয়ানস, আইওয়া শহরে বাড়ি থেকে বার হওয়াই দুষ্কর হয়ে উঠবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৮ সালের জুন মাস। কানাডিয়ান নিউক্লিয়র ইনসপেক্টরদের একটি দল এসেছিলেন মুম্বইয়ের ট্রম্বেতে, কানাডা (Canada)-ইন্ডিয়া রিয়েক্টর পরিদর্শনে। তখনই তাঁরা জানিয়েছিলেন, ভারত নিউক্লিয়র ডিভাইস (Nuclear Device) উন্নত করতে দ্রুত এগোচ্ছে। আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বীও হয়ে উঠছে। অস্ত্র (Nuclear Bomb) দৌড়ে শামিল হওয়ার ভয়ও দেখাচ্ছে এই দেশ। সম্প্রতি এমনই এক নথি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। পরে কানাডার ওই প্রতিনিধি দল মার্কিন কূটনীতিকদের বলেছিলেন, প্লুটোনিয়াম গ্রেড অস্ত্র বানানোর জন্য তারা (ভারত) কম বিকিরণ করে এমন জ্বালানি ব্যবহার করছে। ওই প্রতিনিধি দল এও জানিয়েছিল, ভারত যদি প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করে, তাহলে যে রিয়েক্টরে কাজ হবে, সেটি বছরে ১২ কেজি পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারবে।

    ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম…

    এ সংক্রান্ত নথিটি সংরক্ষিত রয়েছে ইউএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভে। এটা দেখেই ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পেরেছিল আমেরিকা। ভারত প্রথম নিউক্লিয়ার পরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালের মে মাসে। তার ঢের আগেই তার শক্তি সম্পর্কে একটা ধারণা করে ফেলেছিল ওয়াশিংটন। এই গোপন নথি থেকে জানা যায়, ভারতের সর্বোচ্চ নিউক্লিয়ার অফিসাররা তখনই আমেরিকাকে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল। ১৯৭০ সালের নভেম্বরে মার্কিন ডিমার্চে ভারত সরকারের কাছে বলেছিল, উৎপাদিত প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করতে হবে মার্কিন-ভারতীয় চুক্তি অনুসারে। পিসফুল নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোশান ডিভাইসগুলি এই ধরনের চুক্তির সঙ্গে বেমানান হবে। তিনি এও বলেছিলেন, আমরা এই ধরনের ব্যবহারে সব চেয়ে বেশি আপত্তি জানাব।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    তক্ষণাৎ জবাব দিয়েছিল ভারতও। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, তারা নিউক্লিয়ার অস্ত্র ডেভেলপ করতে চায় না। তারা দেখছে নিউক্লিয়ার টেকনোলজি ব্যবহার করে কী কী সুফল ঘরে তোলা যায়। তারা এও জানিয়েছিল, এ সবই হচ্ছে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে। এবং এজন্য যা ডেভেলপমেন্ট করা প্রয়োজন, ভারত তা করবে। এবং ভারত যে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি শান্তির জন্যই ব্যবহার করছে, তার উল্লেখ রয়েছে ওই নথিতেও। সেখানে বলা হয়েছে, একজন (ভারত) নিউক্লিয়ার ডেভেলপমেন্ট করে চলেছে শান্তির উদ্দেশ্যে, মিলিটারি উদ্দেশ্যে নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Mobile Phone ban: আমেরিকার স্কুলে নিষিদ্ধ মোবাইল, কেন জানেন?

    Mobile Phone ban: আমেরিকার স্কুলে নিষিদ্ধ মোবাইল, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) স্কুলে নিষিদ্ধ মোবাইল ফোনের ব্যবহার (Mobile Phone ban)। সে দেশে ম্যাসাচুসেটসের বাক্সটন হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশিকা জারি করেছে। স্কুলটি ১১৪ একর এলাকা জুড়ে। এই অতিকায় ক্যাম্পাসে ছাত্র, শিক্ষক কিংবা স্কুলের স্টাফেরাও মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নিষেধাজ্ঞা জারির ফলও মিলেছে হাতেনাতে। জানা গিয়েছে, আগের চেয়ে এখন ঢের বেশি উন্নতি হয়েছে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের (Teacher Student Relation)। পড়ুয়াদের নিজেদের মধ্যেও সম্পর্ক হয়েছে মধুর।

    মারণ ভাইরাস…

    কী কারণে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ (Mobile Phone ban) হল ওই স্কুলে? এর উত্তর পেতে গেলে ফিরে যেতে হবে বছর দুয়েক আগে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো করোনার মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল আমেরিকায়ও। করোনা দমনে সরকার জারি করে লকডাউন। এই লকডাউন পর্বে বন্ধ ছিল অফিস-কাছারি-স্কুল কলেজ। তবে পড়ুয়াদের যাতে কোনও ক্ষতি না হয় তাই অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করেছিল স্কুলগুলি। তার পরেই দেখা দিয়েছে বিপদ। হয়েছে হিতে বিপরীত। অনলাইন ক্লাস করতে গিয়ে পড়ুয়াদের হাতে এসেছে মোবাইল। তার পরে ক্রমেই মোবাইল-আসক্ত হয়েছে পড়ুয়ারা। মোবাইলের সঙ্গে পড়ুয়াদের সম্পর্ক যত নিবিড় হয়েছে, ততই দূরত্ব বেড়েছে পরিবারের সঙ্গে। বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গেও তৈরি হয়েছে দূরত্ব।

    আরও পড়ুন: “যখন খেলা হবে, তা ভয়ঙ্কর হবে’, তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    করোনা পর্ব অতীত হলে ওঠে লকডাউন। খোলে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। তবে তার পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ দেখেন, ছেলেমেয়েরা এতই মোবাইল-আসক্ত হয়ে পড়েছে যে ক্লাসে তারা ইন্টারঅ্যাক্ট করছে না। সে শিক্ষক হোন কিংবা সহপাঠী। অন্যান্য ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গেও দূরত্ব বেড়েছে। ছাত্রছাত্রীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে এর পরেই স্কুল ক্যাম্পাসে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন ম্যাসাচুসেটসের বাক্সটন হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ।

    স্কুলের প্রধান শিক্ষক পিটার বেক বলেন, করোনার পরে যখন ক্লাস শুরু হয়েছিল, তখন আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে শিক্ষার্থীরা সারাদিন মোবাইলে ডুবে ছিল। তারা সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে মোবাইল ফোনের ওপর নিষেধাজ্ঞা (Mobile Phone ban) জারি করা হয়। তার ইতিবাচক প্রভাবও দেখা দিতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, পড়ুয়ারা বদলাচ্ছে। শিক্ষক কিংবা সহপাঠীদের সঙ্গে আগের মতোই ইন্টারঅ্যাক্ট করছে। তিনি বলেন, এখন তারা অনেক বেশি সময় অ্যাকাডেমিক ওয়ার্ক এবং অন্যান্য কাজ করে সময় কাটাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share