Tag: us

us

  • US: চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে চাইছে আমেরিকা!

    US: চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে চাইছে আমেরিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গাঁটছড়া আরও জোরদার করতে চাইছে আমেরিকা (US)। ক্রমেই বাড়ছে চিনা (China) আগ্রাসন। ড্রাগনের দেশের এই বাড়বাড়ন্ত রুখতেই ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গাঁটছড়া আরও পোক্ত করতে চাইছে জো বাইডেনের (Joe Biden) সরকার। ইউএস ন্যাশনাল ডিফেন্স স্ট্র্যাটেজি ২০২২ প্রকাশিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। তা থেকেই জানা গিয়েছে বাইডেন প্রশাসনের এই মনোভাবের কথা।

    কিছুদিন আগেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার প্রচেষ্টা গেম চেঞ্জার হতে চলেছে। কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিনের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতকে প্রযুক্তিগত সাহায্য করার অনুমতি দিয়েছেন তিনি। যদি সেই সরঞ্জামটি তৈরি হয়, তবে তা ভারতেই নির্মাণ করা হবে।

    প্রসঙ্গত, রাজনাথের এই দাবির আগে আগেই পাকিস্তানকে (Pakistan) এফ-১৬ ফাইটার জেট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল বাইডেন সরকার। ঘটনার জেরে ততক্ষণাৎ আপত্তির কথা জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লি। বিশেষজ্ঞদের মতে, তার পর থেকে ভারতের ক্ষোভ প্রশমনে উদ্যোগী হয়েছে হোয়াইট হাউস। আমেরিকার (US) ওই স্ট্র্যাটেজিতে বলা হয়েছে, চিনা আগ্রাসন রুখতে দফতর (মার্কিন প্রতিরক্ষা) ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গাঁটছড়া আরও শক্ত করবে। এভাবে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি এবং অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করবে।

    আরও পড়ুন: অগ্নি প্রাইমের সফল উৎক্ষেপণ, পাল্লায় চিন, পাকিস্তান!

    চিন এবং রাশিয়া দুটি দেশই যে আমেরিকার পক্ষে সমান বিপজ্জনক, তাও জানা গিয়েছে ওই স্ট্র্যাটেজি থেকে। এতে বলা হয়েছে, চিন সব চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। আর রাশিয়া দেশ এবং বিদেশের জন্য মার্কিন জাতীয় স্বার্থের পক্ষে হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রকাশিত ওই স্ট্র্যাটেজিতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জটি হল চিনের জবরদস্তিমূলক এবং ক্রমবর্ধমান আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টা। ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে ওই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চিন। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে তার অনুকূলে আনতেই এটা করছে ড্রাগনের দেশ। দফতর তার সহযোগী এবং সঙ্গীদের সমর্থন করবে মার্কিন নীতি ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ‘আজাদ কাশ্মীর’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, ‘আজাদ কাশ্মীর’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Pak Occupied Kashmir) গিয়েছিলেন পাকিস্তানের (Pakistan) মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডোনাল্ড ব্লোম। সেখানে গিয়ে তিনি বারংবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে (POK) আজাদ কাশ্মীর বলে উল্লেখ করেন। এর পরেই খেপে যায় ভারত। শুক্রবার ব্যক্ত করে কড়া প্রতিক্রিয়া। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি জানান, মোদি সরকারের বিরোধিতা উপেক্ষা করেও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের মার্কিন রাষ্ট্রদূত। সে খবর জানানো হয়েছে ওয়াশিংটনকে।

    জানা গিয়েছে, অক্টোবরের ৩ তারিখে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (POK) গিয়েছিলেন ব্লোম। সেই ছবি তিনি শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরে করেন ট্যুইট। জানান, ওই অঞ্চলে ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে গিয়েছিলেন তিনি। আরও জানান, মুজফফরাবাদে কায়েদ-ই-আজম মেমোরিয়াল ডাক বাংলো পরিদর্শনের কথাও। ১৯৪৪ সালে এই ভবনটি পরিদর্শন করেছিলেন মহম্মদ আলি জিন্না স্বয়ং। পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) পরিদর্শনে গিয়ে এলাকাটিকে তিনি বারবার আজাদ কাশ্মীর বলে উল্লেখ করেন। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, আদাজ কাশ্মীরে প্রথমবার পা রাখতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে একটি রেজলিউশন পাশ করে ভারত। তাতে বলা হয়, পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) ভারতেরই অংশ। পাকিস্তানকে অবশ্যই জায়গাটি খালি করে দিতে হবে। ছাড়তে হবে অবৈধ দখলদারি। চলতি বছর জুলাই মাসে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও জানিয়ে দিয়েছিলেন পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেই অংশ। তিনি বলেছিলেন, পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ। এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

    আরও পড়ুন : নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার আগে পিএফআইকে প্রকাশ্যে সমর্থন পাকিস্তান দূতাবাসের

    মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) সফর ভাল চোখে দেখেনি ভারত। জানিয়েছে জোরালো প্রতিবাদ। গত ১১ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে এবং এফ ১৬ যুদ্ধ বিমানকে ঢেলে সাজাতে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল জো বাইডেনের দেশ। সেবারও তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ভারত। সেই সময় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছিলেন, এটা সবাই জানে, কোথায় এবং কাদের বিরুদ্ধে এফ ১৬ যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করে পাকিস্তান। আপনি এসব বলে কাউকে বোকা বানাতে পারবেন না। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মেলানোর আগেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (Pak Occupied Kashmir) গিয়ে ফের বিতর্কের সৃষ্টি করল আমেরিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • US Advisory: ভারত সফরে চাই বাড়তি সতর্কতা, মার্কিন পর্যটকদের ‘উপদেশ’ আমেরিকার

    US Advisory: ভারত সফরে চাই বাড়তি সতর্কতা, মার্কিন পর্যটকদের ‘উপদেশ’ আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) ভ্রমণ সংক্রান্ত উপদেশাবলী প্রকাশ করল আমেরিকা (America)। চলতি বছরের জন্য ওই উপদেশাবলী (US Advisory) প্রকাশ করা হয়েছে। মার্চ মাসের ২৮ তারিখ থেকে ভারতকে লেভেল ২ তকমা দেওয়া হয়েছে। তাই মার্কিন পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ভারত ভ্রমণ করতে বলা হয়েছে।

    ফি বছর মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট পর্যটকদের জন্য একটি করে উপদেশাবলী (US Advisory) প্রকাশ করে। দেশের নাগরিকরা যাতে বিদেশ বিভুঁইয়ে গিয়ে বিপদে না পড়েন, তাই এই উপদেশাবলী প্রকাশ করা হয়। চার ধরণের কালার কোড দিয়ে কোন দেশ ভ্রমণপিপাসুদের পক্ষে কতটা নিরাপদ, তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এক নম্বর কালার কোড হল সাদা। এর অর্থ ভ্রমণপিপাসুদের পক্ষে দেশটি একেবারেই নিরাপদ। দেশটিকে যদি লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, তাহলে বিপদের সীমা নেই। এর অর্থ, মার্কিন নাগরিকরা যেন ওই দেশে ভ্রমণে না যান। ভারতের জন্য প্রায়ই লেভেল ২ ও লেভেল ৩ উপদেশাবলী (US Advisory)  জারি হয়। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে ভারতে যখন করোনা পরিস্থিতির বাড়বাড়ন্ত, তখন দেশটিকে লাল রংয়ে দেগে দেওয়া হয়েছিল। পরে ভারতের জায়গা হয় তিন নম্বরে। সম্প্রতি সেটা হয়েছে ২ নম্বরে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারত থাকছে ২ নম্বরে। কোনও দেশকে ৩ নম্বরে রাখার অর্থ, ওই দেশ ভ্রমণ করতে হলে মার্কিন নাগরিকদের অন্তত দু বার ভাবতে হবে।

    আরও পড়ুন :জয়শঙ্কর এফেক্ট! ভারতীয়দের জন্য ১ লক্ষ ভিসা স্লট খুলছে আমেরিকা, কমবে অপেক্ষাও

    চলতি বছরে তিনবার মার্কিন ট্রাভেল অ্যাডভাইজারি (US Advisory) প্রকাশ করা হয়েছে। একটি মার্চের ২৮, পরেরটি জুলাইয়ের ২৫ এবং সর্বশেষটি অক্টোবরের ৫ তারিখে। শেষ যে উপদেশাবলী (US Advisory) প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে স্পষ্ট ভারতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক। আইন-শৃঙ্খলা, সন্ত্রাসবাদ, জনস্বাস্থ্য ইত্যাদি দিক খতিয়ে দেখে তবেই কোনও দেশকে কোনও একটি লেভেলে চিহ্নিত করে আমেরিকা। ভারতের পড়শি দেশ আফগানিস্তান ও মায়ানমারকে ৪ নম্বর ক্যাটেগরিতে ফেলা হয়েছে। পাকিস্তান ও চিনের স্থান হয়েছে ৩ নম্বরে। এক নম্বরে রয়েছে ভারতেরই একটি প্রতিবেশী দেশ ভুটান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মোদি (PM Modi)-স্তুতি ভিন রাষ্ট্রের মুখে! দিন কয়েক আগে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ফ্রান্সের (France) রাষ্ট্রপ্রধান ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। এবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল আমেরিকা (US) ও ব্রিটেনের (UK) মুখেও।

    ২০ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সুলিভান ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মোদির। তিনি জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক বৈঠকে সুলিভান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়াকে যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক বেশ পুরানো। সেদিন মোদি পুতিনকে বলেছিলেন এটা যুদ্ধ শেষ করার সময়। তিনি বলেন, এবার রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করা উচিত। রাষ্ট্রসংঘের চার্টার মেনে ইউক্রেনের যেসব অংশ তারা জোর করে দখল করেছে, তা ফিরিয়ে দেওয়াও প্রয়োজন। এটা গোটা বিশ্বের পক্ষেই একটা নয়া বার্তা দেবে।

    মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ব্রিটেনও। ব্রিটেনের ফরেন সেক্রেটারি জেমস ক্লেভারলি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্ব মঞ্চে প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি স্বর রয়েছে। রাশিয়া নিয়ে তাঁর যা অবস্থান, তাকেও সমর্থন করে ব্রিটেন। তিনি বলেন, লন্ডন আশা করে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যাঁরা শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছেন, তিনি তাঁদের কথায় কান দেবেন।

    আরও পড়ুন : পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি হন তিনি। সেই সময় মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। ক্লেভারলি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্বমঞ্চে প্রভাববিস্তারকারী একটি স্বর রয়েছে। আমরা জানি রাশিয়ার নেতারা ভারতের কথা শোনেন। আমি মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। এবং আমরা আশা করি, পুতিন তাঁদের কথা শুনবেন, যাঁরা শান্তির বাণী প্রেরণ করবেন। তাই আমরা মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    Tharoor Slams US Anchor: ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি, মার্কিন অ্যাঙ্করকে মোক্ষম জবাব শশী থারুরের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার সুখ্যাতি করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর (Anchor)। তার মোক্ষম জবাব দিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor) সহ বেশ কয়েকজন।

    ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওই বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমের অ্যাঙ্কর। তাঁর দাবি, ব্রিটিশ শাসনকালেই ভারতের প্রভূত উন্নতি হয়েছিল। ফক্স নিউজের ওই অ্যাঙ্করের নাম টাকার কার্লসন। তিনি বলেছিলেন, ব্রিটিশ জমানার আগে ভারতে কোনও চোখ ধাঁধানো স্থাপত্য গড়ে ওঠেনি। তাঁর মন্তব্যকে বর্ণবাদী এবং চরমভাবে অজ্ঞাত আখ্যা দিয়েছেন বহু সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এঁদের মধ্যে রয়েছেন টেনিস তারক মার্টিনা নাভ্রাতিলোভাও।

    আরও পড়ুন : রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হবে ভারত! বিদেশমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা

    অনুষ্ঠানের নাম ছিল টাকার কার্লসন টুনাইট। ওই অনুষ্ঠানের অ্যাঙ্কর ভারতে ব্রিটিশ শাসন কালের প্রশংসা করার পাশাপাশি ওই শাসনকালকে তিনি কেবল গণহত্যার চেয়েও ঢের বেশি কিছু বলে মন্তব্য করেন। কার্লসনের একটি ট্যুইট বার্তা ভাইরাল হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শক্তিশালী দেশগুলি দুর্বল দেশগুলিকে দমিয়ে রাখে। এই ধারা একটুও বদলায়নি। অন্তত ইংরেজরা তাদের ঔপনিবেশিক দায়িত্ব পালন করেছিল ঠিকঠাকভাবে। তিনি বলেন, আমরা (আমেরিকা) আফগানিস্তান ছেড়ছি, এয়ারস্ট্রিপ ছেড়েছি, অস্ত্র ছেড়েছি এবং বন্দুকও।

    যখন ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে গেল, তখন রেখে গেলে একটা সভ্যতা, ভাষা, লিগ্যাল সিস্টেম, স্কুল, চার্চ, পাবলিক বিল্ডিং, এখনও পর্যন্ত যা কিছু রয়েছে। এর পরেই শুরু হয় ট্যুইটার যুদ্ধ। কংগ্রেস নেতা শশী থারুর লেখেন, আমার মনে হয় ট্যুইটারের একটি অপশন আছে কোনওকিছু দাপিয়ে রাখতে, যখন তুমি কোনও প্রতিক্রিয়া না দাও। এখন আমি নিজেকে শান্ত রাখব। এর পরেই তিনি দুটো রাগত মুখের ইমোজি দিয়েছেন। আমেরিকার ওই অ্যাঙ্করকে শশী থারুরেরই ‘ইনগ্লোরিয়াস এম্পায়ার’ বইটি পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন নাভ্রাতিলোভা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Piyush Goyal: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত ৪৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে, পীযূষ গোয়েল 

    Piyush Goyal: ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত ৪৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে, পীযূষ গোয়েল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত (India) ৩৫ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। রবিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (US) সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এ কথা বলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। তিনি জানান, কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (CII) হিসেবেই উঠে এসেছে এই তথ্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের ভারতে বিনিয়োগের আহ্বানও জানান মন্ত্রী।

    এদিনের অনুষ্ঠানে ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে আমাদের দেশে গঠনগত ও কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন হয়েছে। যার কারণে ভারত দ্রুত সমৃদ্ধ হচ্ছে। এর পরেই তিনি বলেন, কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির হিসেবেই জানা গিয়েছে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত ৩৫ থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। আমরা একটি উন্নতিশীল দেশ। এ দেশ তার প্রতিটি নাগরিকের প্রতি খেয়াল রাখে।

    দেশের জন্য তিনি যে গর্ব অনুভব করেন, এদিন তাও উঠে এসেছে পীযূষের গলায়। তিনি বলেন, বিশ্বের সব গণতন্ত্রের মা ভারতকে নিয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের একটি সক্রিয় বিচার ব্যবস্থা আছে, আইনের শাসন আছে, সদা সতর্ক মিডিয়া আছে এবং স্বচ্ছ সরকারি ব্যবস্থা রয়েছে। ২০৪৭ সালে ভারত বিশ্ব অর্থনীতির পাওয়ার হাউস হিসেবে উঠে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : মোদির লক্ষ্য আত্মনির্ভর ভারত, আমেরিকার নেতৃত্বে ইন্দো-প্যাসিফিক বানিজ্যে না দিল্লির

    সাউথ ক্যালিফোর্নিয়ার ওই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতকে একটি উন্নত জাতি হিসেবে গড়ে তোলার কাজ আমরা শুরু করেছি। আমাদের এই নয়া যাত্রায় শামিল হোন আপনারাও। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়। দেখুন, আগামী পঁচিশ বছরের মধ্যে ভারত কোথায় যায়। আগামী পঁচিশ বছর ভারতের অমৃতকাল বলেও মনে করেন গোয়েল। ভারতে বিশাল সুযোগ রয়েছে বলেও এদিন জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বলেন, ভারতে সুবিশাল জনসংখ্যার একটি সুবিধা রয়েছে। আমাদের রয়েছে যুব সম্প্রদায়, উচ্চাকাঙ্খী মানুষ। এটা একটা বিরাট সুযোগ। এই যুব সম্প্রদায়ের প্রত্যেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে গোটা বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। গোয়েল বলেন, এটাই ভারতে বিনিয়োগের সুবর্ণ সুযোগ। ভারতের এই নয়া যাত্রার শরিক হতে আমি আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • US Pilot Threatens: ওয়ালমার্ট ওড়ানোর হুমকি বিমান চালকের! আমেরিকায় ফিরল ৯/ ১১-র স্মৃতি

    US Pilot Threatens: ওয়ালমার্ট ওড়ানোর হুমকি বিমান চালকের! আমেরিকায় ফিরল ৯/ ১১-র স্মৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ আকাশে চক্কর কাটছে বিমান (Plane)। ক্রমাগত হুমকি আসছে স্থানীয় বিপণন সংস্থা ওয়ালমার্ট (Walmart) উড়িয়ে দেওয়ার। হুমকি দিচ্ছেন খোদ পাইলট (Pilot)। সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তুত হয়ে যায় পুলিশ-প্রশাসন। নামানো হয় বিমানটিকে। গ্রেফতার করা হয় বিমান চালককে। আমেরিকার (US) মিসিসিপির (Mississippi) ঘটনায় ফের ফিরল ৯/ ১১ (9/11) দুঃসহ স্মৃতি।

    স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, যে বিমানটির চালক হুমকি দিচ্ছিল, সেটি বিচক্র্যাফ্ট কিং এয়ার সি ৯০ এ। বিমানটি চুরি করা হয়েছিল। এই বিমানটির চালকই হুমকি দিচ্ছিলেন। পরে প্রশাসনিক তৎপরতায় নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি। গভর্নর টেট রিভস (Tate Reeves) ট্যুইট বার্তায় জানান, পরিস্থিতি আয়ত্তে। কেউ জখম হননি। বিমানটিকে নিরাপদে অবরতরণ করানোয় পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিমানটির চালক ছিলেন কোরি প্যাটারসন। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রকাশ করা হয়েছে তাঁর মুখের ছবিও। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে টুপেলো শহরের ওপর ক্রমাগত চক্কর কাটছিল বিমানটি। শেষমেশ স্থানীয় সময় ১১টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিমানটিকে নামানো হয়।

    একটি সংবাদ সংস্থার তরফে বিমানটির একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একটি বিমান খুব নিচু এলাকা দিয়ে বারবার চক্কর কাটছে। সকাল পাঁচটায় চক্কর কাটতে শুরু করেছিল বিমানটি। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় সেটি চক্কর কেটেছে ওই এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, পাইলট কোনওভাবে ৯১১ অপারেটেরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার পরেই ওয়েস্ট মেইন অঞ্চলের ওয়ালমার্ট উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকেন তিনি। এর পরেই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। দ্রুত খালি করে দেওয়া হয় ওয়ালমার্ট। আশপাশ এলাকার বহুতলগুলির বাসিন্দাদের বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়। তার পরেই নামানো হয় বিমানটি। গ্রেফতার করা হয় বিমান চালককে।

    আরও পড়ুন : আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    এদিনের ঘটনা জেরে ফের একবার উসকে উঠেছে ৯/১১র স্মৃতি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে আমেরিকার ওপর আত্মঘাতী হামলা চালায় আল কায়েদার চারটি বিমান। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ২ হাজার ৯৯৭ জনের। জখম হয়েছিলেন ছ হাজারেরও বেশি মানুষ। ক্ষয়ক্ষতি হয় প্রচুর সম্পদের। এদিন বিমানটি নিরাপদে অবরতণ করা হলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন স্থানীয়রা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India-China-US: চিন সীমান্তের কাছে ভারত-মার্কিন সেনা মহড়া! বেজিংয়ের আপত্তি উড়িয়ে দিল দিল্লি

    India-China-US: চিন সীমান্তের কাছে ভারত-মার্কিন সেনা মহড়া! বেজিংয়ের আপত্তি উড়িয়ে দিল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই হিমালয় পর্বতে যৌথ সামরিক মহড়া চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা (US) ও ভারত (India)। এতে আপত্তি জানিয়েছিল বেজিং। কিন্তু তাকে আমল দিতে নারাজ দিল্লি। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে চিনের সমালোচনা করে বলা হয়,   ভারত স্বাভাবিক ভাবে অবৈধ, অনুচিত কোনও কাজ করে না। সেনা প্রশিক্ষণের স্বার্থে এই মহড়া জরুরি।  

    আগামী ১৪ থেকে ৩১ অক্টোবর ভারত-চিন সীমান্ত থেকে ১০০ কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে মহড়া চালাবে আমেরিকা ও ভারতের সেনা। উত্তরাখণ্ডের আউলিতে অনুষ্ঠিত এই মহড়া নিয়ে আপত্তি তুলেছিল চিন।  হিমালয় পর্বতের দক্ষিণ ঢালে অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় আউলিতে মহড়া চালাবে দিল্লি ও ওয়াশিংটন। তাতেই বাধা দিয়েছিল বেজিং। চিনের দাবি, সীমান্তে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ চায় না তারা। যদিও ভারতের তরফে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দেওয়া হয়, মহড়া চলবে। এটা সীমান্ত সমস্যা মোকাবিলা নয় একটা আনুষ্ঠানিক মহড়া, বলে জানান ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী (arindam bagchi)। তিনি বলেন, “এই মহড়াকে অন্য রং দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এটা কোনও চুক্তিকেই আঘাত করবে না। ভারত শান্তি বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। দিল্লি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয় না।”

    আরও পড়ুন: চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

    আউলি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এটি ভারত ও চিনকে বিভক্ত করেছে। ১৯৬২ সালে চিন-ভারত যুদ্ধের পর থেকে দুই দেশ এই এলাকার মালিকানা দাবি করে আসছে।  

    চিন-তাইওয়ান দ্বন্দ্ব নিয়েও মুখ খোলেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী। তিনি দুপক্ষকেই সংযত হতে বললেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতাবস্থা যাতে বজায় থাকে তার জন্য নজর রাখার কথা বললেন দুই দেশকেই। প্রসঙ্গত জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবারও তাইওয়ান প্রণালীতে চিনা নৌবাহিনীর ৬ টি জাহাজ ঢুকে পড়েছে। এমনকি ২১ টি চিনা যুদ্ধবিমান তাইওয়ান প্রণালীর ওপর ঘুরে বেড়াচ্ছে। চিন তাইওয়ান যুদ্ধ আবহে ইতিমধ্যেই ব্যাপক উদ্বেগ বেড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • China US Conflict: ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

    China US Conflict: ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ান (Taiwan) সফর করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি (Nancy Pelosi)। তার পরেই চিনের (China) সঙ্গে আমেরিকার (America) সম্পর্ক দাঁড়িয়েছে আক্ষরিক অর্থেই তলানিতে। ঘটনার জেরে তাইওয়ানের গা ঘেঁষে সামরিক মহড়া (Military Drill ) চালায় চিন। এবার আমেরিকার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, মাদক বিরোধী প্রচেষ্টা, সামরিক আলোচনা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করল চিন। পেলোসির তাইওয়ান সফর আমেরিকা ও চিন দু দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।   

    মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আসেন এশিয়া সফরে। সেই সূত্রেই তাঁরা আসেন তাইওয়ানে। ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার ঠিকই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    তাইওয়ান সফর সেরে ন্যান্সি যান জাপানে। তার আগেই সামরিক মহড়া শুরু করে দেয় চিন। তাইওয়ান প্রণালী বন্ধ করে সামরির মহড়া চালাতে শুরু করেছে শি জিন পিংয়ের সরকার। চিনের সাবমেরিন তাইওয়ানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বলে জানানো হয়েছে তাইওয়ানের তরফে। চিনের শতাধিক যুদ্ধ বিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় সামরিক মহড়া চালায়। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সামরিক মহড়ায় চিন মোট নটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। এর মধ্যে চারটি গিয়েছে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে। চিন চারদিনের সামরিক মহড়ার কথা ঘোষণা করেছে। এই মহড়াগুলি চলবে তাইওয়ানের নির্দিষ্ট ছটি জোনে। পেলোসির তাইপেই সফরের প্রতিক্রিয়ায় এই মহড়া বলেই জানিয়ে শি জিন পিংয়ের দেশ। চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার দুপুর পর্যন্ত এই সামরিক মহড়া চলবে। প্রসঙ্গত, চিনের দাবি, তাইওয়ান তাদের। যদিও তাইপেই মনে করে তাইওয়ান স্বাধীন রাষ্ট্র। তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বের মাত্র ১৩টি দেশ।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

     

  • MH-60R Helicopter: শক্তি বাড়াল নৌসেনা! মার্কিন দেশ থেকে ভারতে এল দুটি এম এইচ -60R চপার

    MH-60R Helicopter: শক্তি বাড়াল নৌসেনা! মার্কিন দেশ থেকে ভারতে এল দুটি এম এইচ -60R চপার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় নৌসেনা (Navy)। এবার সমুদ্রে চিন ও পাকিস্তানকে (China and Pakistan) টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা হাতে পেল নৌসেনা। প্রতিরক্ষা ক্ষত্রে আরও একধাপ এগিয়ে  সাবমেরিন ধ্বংসকারী MH-60R হেলিকপ্টার এসে গেল ভারতে। দুটি এমএইচ ৬০ আর মাল্টি রোল হেলিকপ্টার বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US) থেকে ভারতে এল। ভারতের নৌসেনায় যে ২৪ টি হেলিকপ্টার সংযোজনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এই হেলিকপ্টারগুলি তার মধ্যে অন্যতম। এই চপারগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সি সেভেন্টিন হেভিলিফ্ট এয়ারক্রাফ্ট থেকে উড়ে এসেছে।

    আরও পড়ুন: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিক্রান্ত হাতে পেল নৌসেনা! জানুন কবে থেকে কাজ করবে এই রণতরী

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২০ সালে ২৪ টি লকহিড মার্টিন (Lockheed Martin-Sikorsky) এমএইচ ৬০ আর হেলিকপ্টারের অর্ডার দিয়েছিল ভারত। দুই দেশের সরকারের মধ্যে ১৪ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতীয় নৌসেনায় অ্যান্টি সাবমেরিন ও অ্যান্টি সারফেস যুদ্ধে (anti-submarine/anti-surface warfare) এই বিশেষ চপার কার্যকরী ভূমিকা নিতে চলেছে। সমুদ্রের যত গভীরেই শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ঘাপটি মেরে থাকুক না কেন, সেগুলিকে খুঁজে বার করে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম এই হেলিকপ্টারগুলি। এই নয়া হেলিকপ্টারগুলি ব্যাবহার করে ভারত মহাসাগরে চিন ও পাকিস্তানের মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: ফের দুর্ঘটনার কবলে মিগ ২১, মৃত দুই পাইলট

    ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া প্রথম তিনটি এমএইচ ৬০ আর হেলিকপ্টার নৌসেনার কর্মীদের জন্য ব্যবহার করা হয়। জানা গিয়েছে, এরপর ৩ টি হেলিকপ্টার কোচিতে এসে পৌঁছনোর কথা। তারমধ্যে বৃহস্পতিবার দুটি হেলকপ্টার ভারতের মাটি ছুঁয়েছে। এরপর পরবর্তী হেলিকপ্টার ২২ অগাস্ট ভারতে আসার কথা। জানা গিয়েছে, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ২৪ টি হেলিকপ্টারের মধ্যে আরও যে বাকি  হেলিকপ্টারগুলি রয়েছে সেগুলি ভারতে ২০২৫ সালের মধ্যে এসে পৌঁছবে। 

LinkedIn
Share