Tag: us

us

  • India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    India US relation: ভারতের পাশে রয়েছে আমেরিকা, জানালেন মার্কিন কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) পাশে রয়েছে আমেরিকা (America)। সম্প্রতি একথা জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। রাশিয়া (Russia) -ভারত সম্পর্ক বহু পুরানো। তখন বন্ধু (Partner) খুঁজতে তারা প্রস্তুত ছিল না বলেও জানিয়েছে আমেরিকা।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে বদলে গিয়েছে বিশ্বরাজনীতি। গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে আড়াআড়িভাবে। একটা অংশ দাঁড়িয়েছে ইউক্রেনের পাশে। আর একটি অংশ রাশিয়ার পাশে। ইউক্রেনের পাশে রয়েছে ইউরোপ ও আমেরিকা। এমতাবস্থায় ভারত এখনও সম্পর্ক রেখে চলেছে রাশিয়ার সঙ্গে। রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল আমেরিকা। বাইডেন প্রশাসনের যে নিষেধাজ্ঞা কানে তোলেনি সাউথব্লক। যুদ্ধের আবহেও নিয়মিত জ্বালানি কিনে চলেছে ভারত। এ নিয়ে ভারতকে হুঁশিয়ারির মুখেও পড়তে হয়েছে। তার পরেও দমানো যায়নি মোদির ভারতকে। কূটনৈতিক মহলের মতে, তাই ভারতের সঙ্গে ‘সন্ধি’ করতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন,  আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে নানা বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। মস্কোর সঙ্গে বিভিন্ন দেশ আলাদা আলাদা সম্পর্ক রেখে চলেছে।

    এক সময় সৌদি আরব থেকে প্রচুর পরিমাণ তেল কিনত ভারত। তবে বর্তমানে সৌদি আরবকে পিছনে ফেলে দিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জেরে মার্কিন ডলারে তেল কেনা যাচ্ছে না রাশিয়া থেকে। প্রত্যাশিতভাবেই সস্তা হয়েছে পুতিনের দেশের তেল। এই পরিস্থিতিতে তেলের ভাঁড়ার পূরণ করে নিতে মরিয়া ভারত। সেই কারণেই এখন রুপি-রুবেল মেকানিজম দিয়ে লেনাদেনা চালিয়ে যাচ্ছে মোদির ভারত ও পুতিনের রাশিয়া। কূটনৈতিক মহলের মতে, এটাই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আমেরিকার।

    আরও পড়ুন : ভারতকে না কেনার হুঁশিয়ারি দিয়ে যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়া থেকে বেশি তেল কিনেছে আমেরিকা!

    প্রাইস বলেন, ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক কয়েক দশকের পুরানো। এই সম্পর্ক এমন সময় বিকশিত হয়েছিল যখন আমেরিকা বন্ধু বেছে নিতে প্রস্তুত ছিল না। বর্তমানে এই পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমরা যে বন্ধুত্বে আগ্রহী, সে কথা আমরা আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের জানিয়ে দিয়েছি।

     

  • Abdul Rauf Azhar: আন্তর্জাতিক জঙ্গির ঢাল চিন! আব্দুল রউফ আজহারকে নিষিদ্ধ করতে বাধ সাধল বেজিং

    Abdul Rauf Azhar: আন্তর্জাতিক জঙ্গির ঢাল চিন! আব্দুল রউফ আজহারকে নিষিদ্ধ করতে বাধ সাধল বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের মূল চক্রী আব্দুল রউফ আজহারকে (Abdul Rauf Azhar) রাষ্ট্রসংঘে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবের বিরোধিতা করল চিন। জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠীর শীর্ষনেতা মাসুদ আজহারের (Masood Azhar) ভাইকে নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিল ভারত ও আমেরিকা। রাষ্ট্রসংঘে (UN) ভারত ও আমেরিকার এই যৌথ প্রস্তাবে বাধ সাধে বেজিং। 

    ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান ছিনতাই কাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল সে। দাদা মাসুদ আজহারকে ভারতের কারাগার থেকে ছাড়াতেই এই অপহরণের পরিকল্পনা করে রউফ। ২০০১-এর সংসদ হামলা এবং ২০১৬-য় পাকিস্তানের পাঠানকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জঙ্গি হামলাতেও নাম জড়িয়েছে তার। তালিবান, আল-কায়দা, লস্কর-ই-তইবা এবং হাক্কানি নেটওয়ার্কের মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে রউফ আজহারের। ২০১০ সালের ২ ডিসেম্বর রউফ আজহারকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ৪৮ বছর বয়সি রউফের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের বেশ কয়েকটি রেডকর্নার নোটিশ মুলতুবি রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বন্দরে ভেড়েনি চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, দাবি শ্রীলঙ্কা বন্দর কর্তৃপক্ষের

    রাষ্ট্রসঙ্ঘে সম্প্রতি ভারত ও আমেরিকার তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়, মাসুদ আজহারের ভাইকে ‘আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করা হোক। তার সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তার গতিবিধির উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হোক। রাষ্ট্রসঙ্ঘে নিরাপত্তা পরিষদের সমস্ত সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে সায় দিলেও ভেটো প্রদানের ক্ষমতাধারী চিন (China) বাধা দেয়। চিনের আপত্তিতেই আপাতত প্রস্তাবটি মুলতুবি রাখা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে লস্কর-ই-তইবার প্রধান হাফিজ সইদের শ্যালক মক্কিকে নিষিদ্ধ করতে পদক্ষেপ করেছিল ভারত। কিন্তু সেবারও বাধা দেয় চিন। মুম্বই হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে জেহাদি কাজে যুক্ত রয়েছে মক্কি। কাশ্মীর উপত্যকায় পাক জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারে জড়িত রয়েছে সে। তাকে ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ ঘোষণার দাবি জানিয়ে প্রস্তাব পেশ করেছিল নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য চিনের ভেটোয় সেই প্রস্তাবও পাশ হয়নি।

  • I2U2 Summit: নতুন চার-দেশীয় গোষ্ঠী ‘আই২ইউ২’-র সদস্য ভারত, আছে কারা?

    I2U2 Summit: নতুন চার-দেশীয় গোষ্ঠী ‘আই২ইউ২’-র সদস্য ভারত, আছে কারা?

    নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বিশ্ব-রাজনীতি। বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরণও। তাই তৈরি হচ্ছে নয়া গোষ্ঠী। এমনই একটি গোষ্ঠীর চার সদস্য রাষ্ট্র হল ভারত (India), আমেরিকা (US), ইসরায়েল (Israel) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)। নয়া এই গোষ্ঠীর নাম আই২ইউ২ (I2U2)। এই গোষ্ঠীর প্রথম ভার্চুয়াল বৈঠক হতে চলেছে জুলাই মাসে। যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। জানা গিয়েছে, বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা এবং অন্যান্য বিষয়ে আলোচনাই প্রাধান্য পাবে ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে।

    আরও পড়ুন : পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভার বাড়াচ্ছে চিন, ভারত, পাকিস্তানের হাতে কত?

    গত কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে বিশ্ব রাজনীতি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর তা আরও গতি পেয়েছে। এই আবহেই গড়ে উঠেছে নয়া জোট আই২ইউ২। আই২ বলতে ইন্ডিয়া ও ইসরায়েলকে বোঝাচ্ছে। আর ইউ২ বলতে বোঝানো হচ্ছে ইউএই এবং ইউএস-কে।

    বৈঠকের কথা স্বীকার করছে হোয়াইট হাউস-ও। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জোটকে পুনরুজ্জীবিত করতে বাইডেন প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আয়োজন করা হচ্ছে ভার্চুয়াল এই শীর্ষ সম্মেলনের।

    আরও পড়ুন : প্রথাগত চিকিৎসাকে মূল ধারায় আনতে হু-এর সঙ্গে বৈঠকে ভারত

    গত বছর অক্টোবর মাসে ভারত, আমেরিকা, ইসরায়েল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তখন এই চার দেশের জোটকে বলা হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল ফোরাম ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন। তবে এবার আই২ইউ২ নামের এই নয়া গোষ্ঠীর ভার্চুয়াল সম্মেলনে যোগ দিতে চলেছেন চার দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরাই।  

    এদিকে, ১৩ থেকে তিন দিনের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য সফরে যাওয়ার কথা। এই সময় ইসরায়েল  ছাড়াও বাইডেন যাবেন সৌদি আরব সফরে। এই সময়ই হতে পারে আই২ইউ২-র ভার্চুয়াল সম্মেলন।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যার জেরে বিশ্বজুড়ে দর বেড়েছে জ্বালানির। এমতাবস্থায় সৌদি আরব সফরে গিয়ে বাইডেন সে দেশকে তেল উৎপাদন বাড়ানোর কথা বলতে পারেন। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হতে পারে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে।   

     

  • India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    India US Relation: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে প্রবেশের অধিকার পেল ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সামরিক শক্তির ভরকেন্দ্র পেন্টাগনে (Pentagon) কোনও বিশেষ এককর্টের (Escort) সাহায্য ছাড়াই এবার প্রবেশ করতে পারবে ভারত (India)। দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা বিশ্বাস ও সহযোগিতার কারণেই এই সম্মানজনক অধিকার দেওয়া হচ্ছে ভারতকে। অবশ্য কেবল ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশেই (Defence Attache) আমেরিকার (America) দেওয়া এই বিশেষ অধিকার ভোগ করতে পারবেন।

    স্বাধীনতার পঁচাত্তরতম বর্ষে দেশজুড়ে আজাদি কা অমৃত মহোৎসব পালন করে ভারত। ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসে পালিত হয় ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস। তার পরে পরেই আমেরিকার কাছে ভারত পেল মার্কিন সামরিক শক্তির আঁতুড়ঘর পেন্টাগনে আন এসকর্টেড প্রবেশাধিকার। ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের তরফে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা জানান মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ এক আধিকারিক ফ্র্যাঙ্ক কেন্ডিল। কেন্ডিল মার্কিন বায়ুসেনার সেক্রেটারি। তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও মজবুত হচ্ছে।

    আরও পড়ুন :আগ্রহী খোদ আমেরিকা, ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে মোদির দেশ?

    পেন্টাগন হল মার্কিন সেনার হেড কোয়ার্টার। বছরভর চব্বিশ ঘণ্টাই এলাকাটি দুর্ভেদ্য নিরাপত্তার বলয়ে মোড়া থাকে। উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অধিকার না পেলে সেখানে প্রবেশ করতে পারেন না কোনও মার্কিন নাগরিকও। সেখানেই এবার থেকে এই অধিকার পেতে চলেছেন ভারতের ডিফেন্স অ্যাটাশে। কেন্ডিল বলেন, আপনারা যদি মনে করেন আন এসকর্টেডভাবে পেন্টাগনে প্রবেশাধিকার কোনও বড় ঘটনা নয়, তাহলে জেনে নিন আমিই আন-এসকর্টেড হয়ে পেন্টাগনে প্রবেশ করতে পারি না। তিনি বলেন, ভারত এমন একটি দেশ, যাদের সঙ্গে আমরা আরও যৌথ মহড়ায় অংশ নিতে পারি। অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতের সঙ্গে আমরা এটা বারংবার করতে পারি। ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক মজবুত। একে আরও শক্তপোক্ত করতে আগ্রহী আমরা। তিনি বলেন, আমরা এক সঙ্গে কাজ করতে চাই, যাতে এই অঞ্চল তো বটেই, গোটা বিশ্বেই আমরা একটি সুসংহত শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারি।

    আরও পড়ুন : ভারত আমেরিকার উদ্বেগ সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কার বন্দরে চিনা ‘গুপ্তচর জাহাজ’

     

  • S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    S Jaishankar: মার্কিন মুলুকে ছেলেকে নিয়ে রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলেন জয়শঙ্কর, সেখানে কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। অর্থাৎ ভাইরাল হয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। এক জায়গায় বক্তৃতা দেওয়ার সময়, নিজের জীবনের এক অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। আর এখন নেট মাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও ক্লিপ।

    আরও পড়ুন: তাসখন্দে তালিবান বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন জয়শঙ্কর?

    কাজের সূত্রে আমেরিকায় থাকেন এস জয়শংকরের (S Jaishankar) ছেলে। কোভিডকালে ছেলের সঙ্গে দেখা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (US) গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই বাবা-ছেলে মিলে যান এক রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে। তারপর সেখানে কী হল সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিয়েছেন তিনি।  

    আরও পড়ুন: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার 

    অনুষ্ঠানের মঞ্চে বক্তৃতা দেওয়ার সময় মন্ত্রী বলেন, “২০২১ সালে অতিমারির সময় আমার ছেলের সঙ্গে দেখা করতে আমেরিকায় গিয়েছিলাম। দুজনে একটি মার্কিন রেস্তোরাঁয় ডিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের কোভিড টিকাকরণের সার্টিফিকেট (Covid Vaccination Certificate) দেখাতে বলা হয়। আমার ছেলে নিজের মানি ব্যাগ থেকে একটি ভাঁজ করা কাগজ বের করে দেখায়। আর আমি নিজের মোবাইলে কোউইন (Cowin) পোর্টাল খুলে ডিজিটাল ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট দেখাই। আর এখানেই অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের তফাৎ লক্ষ্য করা যায়। আমি ভারতের কোউইন পোর্টালের জন্য ওই মুহূর্তে গর্ব অনুভব করেছিলাম।” জয়শংকরের ৫৭ সেকেন্ডের ছোট্ট এই ভিডিয়ো ক্লিপটি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। নেটিজেনরা সকলেই কোউইন পোর্টাল নিয়ে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন কমেন্ট বক্সে।

     

    যারা দেশের বাইরে যাত্রা করছেন বা আগামীতে যাত্রা করার কথা ভাবছেন একটি বিষয় জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। যারা দেশের বাইরে যেতে চান, তাঁদের পাসপোর্টের সঙ্গে কো-উইন অ্যাপের ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক। 

LinkedIn
Share