Tag: USA

USA

  • T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৩ উইকেটে হেরে টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) থেকে বিদায় নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আয়োজক দেশের বিদায়ে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা। জয়ের সুবাদে দু’নম্বর গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল প্রোটিয়া বাহিনী। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিততেই হত ইংল্যান্ডকে। তারা শুধু জিতলই না, আমেরিকাকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিল। হ্যাটট্রিক করলেন  ক্রিস জর্ডন।

    ম্যাচে দাপট দক্ষিণ আফ্রিকার

    এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। একটা সময় স্কোর ছিস ৫ রানে ২ উইকেট। গত ম্যাচের নায়ক সাই হোপ (০) ও নিকোলাস পুরান (১) দ্রুত মাঠ ছাড়েন। ওপেনার কাইল মেয়ার্স করেন ৩৫ রান। ব্যর্থ ক্যাপ্টেন রভম্যান পাওয়েল (১)। তবে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত লড়লেন রোস্টন চেজ। ৪২ বলে করলেন ৫২ রান। হাঁকালেন তিনটি চার ও দু’টি ছক্কা। ১৫ করে রান আউট হন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে তোলে ১৩৫। 

    হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা

    স্বল্প পুঁজি নিয়েও শুরুটা ভালোই করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের (T20 World Cup 2024)  বোলাররা। দ্বিতীয় ওভাকের হেনডরিকস (০) ও কুইন্টৱনন ডি’কককে (১২) আউট করে লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তার পরেই নামে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর বৃষ্টি থামার পর ডাকয়ার্থ-লুইস নিয়মে দক্ষিণ আফ্রিকার টার্গেট দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১২৩। পাঁচ বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে রান চেজ করতে গিয়ে কালঘাম ছোটে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের। ক্যাপ্টেন আইডেন মার্করাম আউট হন ১৮ রানে। হেনরিখ ক্লাসেন ফেরেন ২২ রানে। দু’টি উইকেটই নেন আলজারি জোসেফ। তারপর রোস্টন চেজ তুলে নেন ডেভিড মিলারের (৪) উইকেট। একটা সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৫ উইকেটে ৯৩। কিন্তু মার্কো জানসেন ১৪ বলে ঝোড়ো ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান। সাত উইকেট হারিয়ে ১৬.১ ওভারেই ১২৭ রান তুলে ম্যাচ জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। দশ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বভাবতই খুশির হাওয়া ম্যান্ডেলার দেশে। অন্যদিকে বিষাদের সুর ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে।

    ব্যাটে-বলে দাপট ইংল্যান্ডের

    আমেরিকার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের (England) অধিনায়ক বাটলার। প্রথম ওভারেই আন্দ্রিস গৌসকে আউট করেন রিচি টপলে। দ্বিতীয় উইকেটে ভালো জুটি বাঁধেন স্টিভেন টেলর ও নীতীশ কুমার। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে টেলরকে আউট করেন স্যাম কারেন। মাঝের ওভারে আমেরিকার ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেন আদিল রশিদ। তাঁর লেগ স্পিন,গুগলি বুঝতেই পারলেন না অ্যারন জোনসেরা ৫ উইকেট পড়ার পরে দলকে টানছিলেন কোরি অ্যান্ডারসন ও হরমিত সিং। দলের রান ১০০ পার করেন তাঁরা। দেখে মনে হচ্ছিল, অন্তত ১৩০ রান করার চেষ্টা করছে আমেরিকা। কিন্তু দ্বিতীয় স্পেলে আমেরিকার লোয়ার অর্ডার শেষ করে দেন জর্ডন। ১১৫ রানের মাথায় আমেরিকার ষষ্ঠ উইকেট পড়ে। হরমিতকে ২১ রানে ফেরান কারেন।

    পরের ওভারে জর্ডনের হাতে বল তুলে দেন বাটলার। প্রথম বলেই অ্যান্ডারসনকে ফেরান তিনি। পরের বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি খান। উইকেটের পাশ দিয়ে সেই বল বেরিয়ে যায়। তৃতীয় বল আবার ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি। বল এ বার গিয়ে লাগে উইকেটে। চতুর্থ বলটি নশথুশ কেনজিগের প্যাড লক্ষ্য করে করেন জর্ডন। বল গিয়ে প্যাডে লাগে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি কেনজিগে। পঞ্চম বলে সৌরভ নেত্রাভলকরকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন জর্ডন। আমেরিকার বিরুদ্ধে ২.৫ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন জর্ডন। চারটি উইকেটই আসে একই ওভারে। তাঁর দাপটে ১১৫ রানে ৫ উইকেট থেকে ১১৫ রানে অল আউট হয়ে যায় আমেরিকা। আমেরিকার রান মাত্র ৯.৪ ওভারে তাড়া করে জিতলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও ফিল সল্ট। ৩৮ বলে ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন তিনি। সল্ট ২১ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    Studying Abroad: বিদেশে পড়ার ক্ষেত্রে কোন দেশকে অগ্রাধিকার দেন ভারতীয় পড়ুয়ারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্টুডেন্ট মোবিলিটি রিপোর্ট অনুসারে প্রায় ১০.৩ লক্ষ ভারতীয় পড়ুয়া বিদেশে (Studying Abroad) পড়াশোনা করছে। সাম্প্রতিককালে, বিদেশে শিক্ষার সুযোগ খোঁজার ক্ষেত্রে ভারতীয় পড়ুয়াদের পছন্দই কানাডা। কয়েক বছর আগেও ভারতীয়রা বেশিরভাগ আমেরিকায় পড়তে যেতে চাইতেন। কিন্তু সম্প্রতি তার পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসি (NFAP) এর তথ্য থেকেই এই চিত্র পরিষ্কার। তবে গত বছরের শেষ থেকে ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারা (Indian Students) আবার অন্য কথা ভাবছে।

    কানাডায় পড়ার আগ্রহ

    এনএফএপি পরিসংখ্যান অনুসারে, গত দুই দশকে (Studying Abroad) কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভারতীয় পড়ুয়া (Indian Students) ভর্তির হার ৫৮% বেড়েছে, যেখানে ২০০০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৪৫%। আমেরিকায় ভিসার সুবিধা, থাকার ভালো বন্দোবস্ত, আধুনিক ব্যবস্থাপনা সব থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় পড়ুয়ারা ক্রমেই কানাডায় পড়তে যেতে চাইছেন। শীর্ষস্থানীয় কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে বর্তমানে হাজার হাজার ভারতীয় ছাত্র নথিভুক্ত রয়েছে (কানাডার প্রায় ১৪% শিক্ষার্থী ভারতীয়)। শিক্ষার্থীরা এখানে ডেটা সায়েন্স, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল এবং এমবিএ প্রোগ্রাম সহ বেশ কিছু বিষয় অধ্যয়ন করতে আসে। 

    ভারত-কানাডা কুটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব

    কানাডার সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক এখন প্রায় তলানিতে। এর প্রভাবে গত বছরের শেষ ভাগ থেকেই কানাডায় পড়তে আসা ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের (Indian Students) সংখ্যা বিপুল ভাবে কমতে শুরু করেছে। খোদ কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী মার্ক মিলার বলেছেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে আমাদের বর্তমান সম্পর্কের জেরে এ দেশে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।’’ ২০২২ সাল পর্যন্ত কানাডায় পড়তে আসা বিদেশি পড়ুয়াদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই ছিল সর্বাধিক। এ দেশে অন্তত ৪২ শতাংশ বিদেশি পড়ুয়াই আসতেন ভারত থেকে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের শেষ দিকে প্রায় ৮৬ শতাংশ কমে গিয়েছে সেই সংখ্যা। 

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    কানাডার উদ্বেগ

    কানাডায় এই মুহূর্তে ভারতীয় প্রায় তিন লাখ ১৯ হাজার ছাত্র-ছাত্রী আছেন। তিন লাখ ১৯ হাজারের মধ্যে শতকরা প্রায়  ৮৯ শতাংশ উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কানাডায় গিয়েছেন। ভারতীয় শিক্ষার্থীরা ২০২১-২০২২ সালে সে দেশের শিক্ষা ভান্ডারকে ৪৯০ কোটি ডলার দিয়েছে। এই টাকা ওয়াইপড আউট হয়ে গেলে কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থায় একটা বড় সংকট দেখা দিতে পারে। তাই, অনেকের অনুমান ভারত-কানাডার সম্পর্ক যাইহোক, শিক্ষা ব্যবস্থায় তার আঁচ পড়বে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে দু’দেশের কূটনৈতিক টানাপড়েনের জেরে ভারতীয় পড়ুয়ারাও (Indian Students) এখন অন্যত্র পড়তে যাওয়ার কথা ভাবছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে, ইউএসএ-র বিভিন্ন নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Studying Abroad) বেছে নিচ্ছেন ভারতীয় ছাত্ররা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি জল ঢালল পাকিস্তানের আশায়। গ্রুপ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচ না খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল পাকিস্তান। সুপার এইটে ওঠা হল না গতবারের রানার্সদের। গ্রুপ ‘এ’র দ্বিতীয় দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল আমেরিকা। ইতিহাস গড়ল এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলল আমেরিকা। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলের প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পিসিবি। 

    গ্রুপ স্তর থেকে বিদায়

    চলতি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) প্রথম দু-ম্যাচে হারের খেসারত দিলেন বাবর আজমরা। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অন্যতম আয়োজক আমেরিকার কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। বোর্ডে বড় স্কোর করলেও পাকিস্তানের সেরা বোলিং লাইন আপ ম্যাচ জেতাতে পারেনি।  দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছেও হার। গত ম্যাচে কানাডার বিরুদ্ধে জিতেছিল পাকিস্তান। তবে জটিল অঙ্ক ছিল তাদের সামনে। প্রথমত ফ্লোরিডা ম্যাচে আমেরিকাকে হারতে হত আয়ারল্যান্ডের কাছে। এরপর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততেই হত পাকিস্তানকে। সেক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে পাকিস্তান সুপার এইটে যেত। ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় পয়েন্ট ভাগ হয়েছে। আমেরিকার এখন ৫ পয়েন্ট। পাকিস্তান যদি শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারায়ও তাতে তারা সর্বাধিক ৪ পয়েন্ট অবধিই পৌঁছতে পারবে। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় হয়ে গেল পাকিস্তানের।

    পাক দলে পরিবর্তন

    পিসিবি সূত্রে খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) দলের থাকা অন্তত ছ’জন ক্রিকেটারকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হবে। তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে দলের মধ্যে রাজনীতি করার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সও নেই কারও। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে অধিনায়ক বাবরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শুধু তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার সুবাদে পারফর্ম না করেও দু’তিন জন নিয়মিত খেলে চলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। খতিয়ে দেখা হবে তাঁর নেতৃত্বও। পাকিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার নাকি বাবরের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তুষ্ট। তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন পিসিবি কর্তাদের কাছে। জাতীয় দলের কয়েক জন ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স এবং মানসিকতায় পিসিবি কর্তারা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। তাঁদের আর সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। পরিবর্তে তরুণ ক্রিকেটারদের জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হবে। আগামী বছর দেশের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা মাথায় রেখে করা হবে রদবদল। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বোর্ডের একাধিক কর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কয়েক জন প্রাক্তন ক্রিকেটারের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

    হতাশ প্রাক্তন ক্রিকেটার

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) গতবারের রানার্স পাকিস্তান প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে যাওয়ায় হতাশ পাক ক্রিকেট মহল। বাবরদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার কামরান আকমল, শোয়েব আখতাররা। মহম্মদ হাফিজ শুধু ক্রিকেটারদের নয় অফিসিয়ালদেরও সমালোচনা করেছেন। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপ

    বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের দ্রুত বিদায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপের বন্যা। এক ক্রিকেটপ্রেমী লিখেছেন, ‘বাবর আজ়ম ও পাকিস্তান দল সুপার এইটের যোগ্যতা অর্জন না করলেও করাচি বিমানবন্দরে যাওয়ার যোগ্যতা পেয়ে গিয়েছে। ঘরে ফেরার পালা।’বাই বাই পাকিস্তান এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup: আইসিসি-র নতুন নিয়মে পেনাল্টি হিসেবে ৫ রান পেল ভারত, জানেন এই নয়া রুল?

    T20 World Cup: আইসিসি-র নতুন নিয়মে পেনাল্টি হিসেবে ৫ রান পেল ভারত, জানেন এই নয়া রুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ব্যাটারদের ব্যর্থতা সত্ত্বেও জয়ের হ্যাটট্রিক করে সুপার এইটে পৌঁছে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। বুধবারও আমেরিকাকে (India vs USA) তাদের ঘরের মাঠে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে ১১১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভারতকে করতে হয়েছে ১০৬ রান। ৫ রান ফ্রি-তেই পেয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। আমেরিকার ভুলের খেসারত হিসেবে ৫ রান পেনাল্টি পায় ভারত। আইসিসির এই নতুন নিয়মে প্রথম কোনও দল পাঁচ রান পেল। এর ফলে বুধবারের ম্যাচ বেশ কিছুটা সহজ হয়ে যায় ভারতের কাছে।

    কেন পেনাল্টি পেল ভারত

    এবার টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) শুরু থেকেই স্টপ ক্লক নিয়ম চালু করা হয়েছে। যার কারণ হল দুটি ওভারের মাঝে মাত্র ১ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তাঁর আগে নতুন ওভার শুরু করে দিতে হবে। আর এই নিয়ম কেউ যদি একই ম্যাচে তিনবার ভাঙে বা ভুল করে তাহলে প্রতিপক্ষ দলকে ৫ রান পেনাল্টি হিসেবে দেওয়া হবে। আমেরিকা ভারতের বিরুদ্ধে একটি ওভারের পর পরবর্তী ওভার শুরু করতে ৩ বার দেরি করে। তারই খেসারত দিতে হয়। এর ফলে লো স্কোরিং ম্যাচে সুবিধা হয় ভারতের।

    ভারতের সুবিধা

    জয়ের জন্য ভারতের যখন ৩০ বলে ৩৫ রান প্রয়োজন, তখন পেনাল্টিতে পাঁচ রান পায় ভারত। তার ফলে ৩০ বলে ভারতের (India vs USA) টার্গেট হয় ৩০ রান। আসলে আইসিসি-র (T20 World Cup) নিয়ম অনুযায়ী, এক ওভার শেষ হওয়ার পরে যদি কোনও দল ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে, পরের ওভার শুরু করতে না পারে, তাহলে ‘ওয়ার্নিং’ দেওয়া হবে। কোনও দল যদি নিজেদের বোলিং ইনিংসের সময় তিন বার এরকম ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর এই পাঁচ রানই চাপের মধ্যে পেয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল, সূর্যের অর্ধশতরান! আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

    T20 World Cup: অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল, সূর্যের অর্ধশতরান! আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার এইটে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) জয়ের হ্যাটট্রিক। আমেরিকাকে হারিয়ে সুপার আটে পৌঁছে গেল ভারত। নিউ ইয়র্কের কঠিন পিচে শেষ পর্যন্ত ভারতের রক্ষাকর্তা হয়ে দাঁড়ালেন সূর্যকুমার যাদব। ২২ রানে যাঁর ক্যাচ ফেলেছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রিকেটার সৌরভ নেত্রভালকর। ৪৯ বলে ৫০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন স্কাই। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পঞ্চাশতম হাফসেঞ্চুরি। তাঁকে সঙ্গত করলেন শিবম দুবে। আগের ম্যাচে লোপ্পা ক্যাপ ফেলে প্রবল সমালোচিত হন। এদিন বল করেও ব্যর্থ। ব্যাট হাতে অবশ্য ৩৫ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে দলকে ম্যাচ জেতালেন শিবম। ১০ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতল ভারত।

    অর্শদীপের ম্যাজিক স্পেল

    টি২০ ক্রিকেটে (T20 World Cup) এদিন নিজের সেরা গড় অর্শদীপ সিংয়ের। ৪ ওভার বল করে মাত্র ৯ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ উইকেট। সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের বিশ্বকাপে কোনও ভারতীয় বোলারের সেরা পরিসংখ্যান এটি। তাঁর দাপটেই ২০ ওভারের শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান তোলে আমেরিকা। তবে সেই রান তাড়া করতে নেমে  লড়াই করতে হয় ভারতকে। ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে, জয় পেতে ১৮.২ ওভার লেগে যায় টিম ইন্ডিয়ার। শুরুতেই ফিরে যান কোহলি ও রোহিত (Rohit Sharma)। দ্রুত ফিরে যান ঋষভ পন্থও। চাপে পড়ে যায় দল। সেখান থেকে হাল ধরেন সূর্য ও শিবম। 

    অতিরিক্ত রান পেল ভারত

    জয়ের জন্য ভারতের যখন ৩০ বলে ৩৫ রান প্রয়োজন, তখন পেনাল্টিতে পাঁচ রান পায় ভারত। তার ফলে ৩০ বলে ভারতের টার্গেট হয় ৩০ রান। আসলে আইসিসি-র (T20 World Cup) নিয়ম অনুযায়ী, এক ওভার শেষ হওয়ার পরে যদি কোনও দল ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে, পরের ওভার শুরু করতে না পারে, তাহলে ‘ওয়ার্নিং’ দেওয়া হবে। কোনও দল যদি নিজেদের বোলিং ইনিংসের সময় তিন বার এরকম ঘটনা ঘটিয়ে থাকে, তাহলে বিপক্ষ দলকে পাঁচ রান পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর এই পাঁচ রানই চাপের মধ্যে পেয়েছে ভারত।

    কী বললেন রোহিত

    ম্যাচের পর প্রতিপক্ষকে নিয়ে রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) গলায় শোনা গেল সমীহের সুর। স্পষ্ট বাক্যে স্বীকার করলেন, আমেরিকাও তাঁদের বুকে কাঁপুনি ধরিয়ে দিয়েছিল। ম্যাচের পর রোহিত বলেন, “জানতাম রান তাড়া করা কঠিন হবে। যে ভাবে আমাদের ব্যাটারেরা স্নায়ু ধরে রেখেছিল তার প্রশংসা করতেই হবে। ওই জুটিটার (শিবম-সূর্য) জন্যই জিতলাম। পরিণত মানসিকতা দেখিয়ে লম্বা একটা জুটি গড়ে জেতানোর জন্য সূর্য এবং শিবমের কৃতিত্ব প্রাপ্য।” আমেরিকা দলে বেশ কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার খেলেন। তাঁদেরই একজন, সৌরভ নেত্রভালকর এদিন রোহিত ছাড়াও আউট করেছেন বিরাট কোহলিকে। সেই প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, “ওরা অনেকেই দীর্ঘ দিন এক সঙ্গে ক্রিকেট খেলছে। ওদের উন্নতি দেখে খুব খুশি। গত বছর মেজর লিগ ক্রিকেটেও ওদের দেখেছিলাম। প্রত্যেকেই দারুণ পরিশ্রম করতে পারে।” বিশ্বকাপের (T20 World Cup) সুপার এইটে ওঠার প্রসঙ্গে রোহিত বলেছেন, “বড় শান্তি। এখানকার পিচে ক্রিকেট খেলা সোজা ব্যাপার ছিল না। তিনটে ম্যাচেই শেষ পর্যন্ত পড়ে থেকে জয় ছিনিয়ে নিতে হয়েছে। এই জয় আগামী দিনে আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: ভারত-আমেরিকা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলেই ছিটকে যাবে পাকিস্তান

    T20 World Cup: ভারত-আমেরিকা ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলেই ছিটকে যাবে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির কারণে গত রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেড় ঘণ্টা দেরিতে শুরু হয়েছিল। বুধবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত-আমেরিকা ম্যাচেও (India vs USA) বৃষ্টির হালকা সম্ভাবনা রয়েছে। গত দুটি ম্যাচে আয়ারল্যান্ড এবং পাকিস্তানকে হারিয়ে বুধবার জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে নামছে টিম ইন্ডিয়া। এই ম্যাচ যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে পাকিস্তানের স্বপ্নও জলে ভেসে যাবে।

    বৃষ্টির আশঙ্কা

    বুধবার সকালে নাসাউ কাউন্টিতে বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। অ্যাকুওয়েদার জানাচ্ছে, বুধবার সকাল ৮ থেকে ১০টা পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৪০ শতাংশ। ১০টার পর ৩৭ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বেলা বাড়লে বৃষ্টির সম্ভাবনা কিছুটা কম। ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা ১৪ শতাংশ। ১টার পর তা খানিকটা বেড়ে হবে ১৮ শতাংশ। ২টো থেকে আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে। ২টো থেকে ৪টে পর্যন্ত ৩২ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, খেলা চলাকালীন পুরো সময়টাতেই বৃষ্টি বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

    বৃষ্টি হলে কী হবে

    বুধবার ভারতীয় সময় অনুসারে রাত আটটা থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভারত-আমেরিকা ম্যাচ শুরু হবে। যদিও স্থানীয় সময় অনুসারে শুরু হবে সকাল ১০টা থেকে।  আমেরিকার আবহাওয়ার উপর কোনও ভরসা করা যায় না। এদিন যদি কোনও কারণে ম্যাচ ভেস্তে যায় তাহলেই সুপার এইটের দৌড় থেকে ছিটকে যাবে পাকিস্তান। যদি ভারত-আমেরিকা ম্যাচ (India vs USA) বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় তা হলে দু’দলই পৌঁছে যাবে সুপার ৮-এ। কারণ, সে ক্ষেত্রে দু’দলেরই পয়েন্ট হবে ৫। কানাডা সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট পেতে পারে। আয়ারল্যান্ডও ৪ পয়েন্টের বেশি পাবে না। পাকিস্তানও পরের ২টি ম্যাচ জিতলে ৪ পয়েন্টে পৌঁছবে।

    নিউইয়র্কের আকাশে মেঘ

    নিউইয়র্কের আকাশে মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, খেলার প্রথম ইনিংসেই বৃষ্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে টস জিতে ফিল্ডিং নিলে ভাল হবে, তেমনটাই বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বৃষ্টি ভেজা পিচে বুমরা, অর্শদীপদের বোলিং বিপক্ষ দলের কাছে চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। বুধবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। সকালের দিকে তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে ঠান্ডায় সমস্যা হবে ক্রিকেটারদের। বেলা বাড়লে অবশ্য তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। কিন্তু ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তা যাবে না। ফলে খেলা হলেও ঠান্ডা পরিবেশে খেলতে হবে দু’দলকে। মেঘ থাকায় আবহাওয়ায় আর্দ্রতা থাকবে। ফলে পিচ থেকে সুবিধা পাবেন বোলারেরা। এমনিতেই এই মাঠে বোলারেরা দাপট দেখাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: সুপার ৮-এর লক্ষ্যে রোহিতরা, “ভারতের বিপক্ষে খেলা আবেগের”, বললেন সৌরভ

    আত্মবিশ্বাসী বুমরা-সিরাজরা 

    রোহিত-কোহলিদের কাছেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) এই ম্যাচের গুরুত্ব রয়েছে। নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচে অসমান বাউন্স রয়েছে। কোনও বল আসছে গড়িয়ে, আবার কোনও ডেলিভারিতে বাউন্স হচ্ছে বুক সমান উচ্চতায়। যে কারণে রান করা ব্যাটারদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। গত পাক ম্যাচেও ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থ হলেও বোলিংয়ে বাজিমাত করেছে। সেই কারণেই পাক দলকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে আমেরিকার (India vs USA)  বিরুদ্ধে নামছেন বুমরা, সিরাজরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: দলে এক ঝাঁক ভারতীয় বংশোদ্ভূত! সুপার ওভারে আমেরিকার কাছে হার পাকিস্তানের 

    T20 World Cup 2024: দলে এক ঝাঁক ভারতীয় বংশোদ্ভূত! সুপার ওভারে আমেরিকার কাছে হার পাকিস্তানের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের কাছেও হার মানল পাকিস্তান (USA vs Pakistan)। অধিনায়ক থেকে শুরু করে ম্যাচের সেরা বোলার মার্কিন দলে এক ঝাঁক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার। টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) প্রথম ম্যাচে মূলত তাঁদের কাছেই পরাজয় স্বীকার করল বাবররা। এই ম্যাচের নিষ্পত্তি হল সুপার ওভারে। ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপে প্রথম অঘটনের সাক্ষী থাকল গোটা ক্রিকেট বিশ্ব। এই জয়ের পর এ গ্রুপের শীর্ষে পৌঁছে গেল আমেরিকা। দুটো ম্যাচের মধ্যে দুটোতেই তারা জয়লাভ করেছে। ঝুলিতে রয়েছে ৪ পয়েন্ট। বৃহস্পতিবার, প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে বাবর আজমের দল করে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান। টস জিতে ফিল্ডিং নেন আমেরিকার অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। জবাবে আমেরিকাও করে ৩ উইকেট ১৫৯ রান। খেলার নিষ্পত্তি হয় সুপার ওভারে। সেখানে আমেরিকা প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৮ রান। জবাবে ১৩ রান করে ৫ রানে হেরে যায় পাকিস্তান

    অধিনায়ক ভারতীয় বংশদ্ভূত 

    ২০০৭ সালে টি২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারত বনাম পাকিস্তান (USA vs Pakistan) ম্যাচ গিয়েছিল সুপার ওভারে, সেই ম্যাচে ভারতের অধিনায়ক ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। উইকেটের পিছনে গ্লাভস হাতেও ছিলেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ম্যাচেও তাঁদের অধিনায়ক ভারতীয় বংশদ্ভূত মোনাঙ্ক প্যাটেল, কাকতালীয়ভাবে তিনিও উইকেটরক্ষক ব্যাটারই। ফলে দুই ক্ষেত্রেই সুপার ওভারে পাকিস্তান হারল ভারতীয় উইকেটরক্ষক এবং অধিনায়কদের বিরুদ্ধে। দলের জয়ে এই ম্যাচে বড় অবদান রাখলেন ভারতীয় বংশদ্ভূত অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। তিনি করেন ৩৮ বলে ৫০ রান। মহেন্দ্র সিং ধোনির পর মোনাঙ্কেরও নামের পাশেও লেখা থাকল টি২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে সুপার ওভারে হারানোর নজির। বল হাতে এই ম্যাচে আমেরিকার হয়ে নজর কাড়লেন সৌরভ নেত্রভালকর। তিনিও ভারতীয় বংশোদ্ভূত। সুপার ওভারে মূলত একাই সৌরভ পাকিস্তানের জয়ের আশায় জল ঢেলে দেন।

    কঠিন জায়গায় পাকিস্তান

    প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) সফর কঠিন করে ফেলল পাকিস্তান। আগামী ৯ জুন ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ জিততে হবে বাবরদের। হেরে গেলে বিদায় ঘণ্টা প্রায় নিশ্চিত। পরিস্থিতি এই মূহূর্তে যা, পাকিস্তানকে পরের তিনটি ম্যাচেই জিততে হবে। কারণ কানাডাকে আগেই হারিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানকেও (USA vs Pakistan) এবারে হারাল তাঁরা। তাঁদের পরের দুই ম্যাচ আয়ারল্যান্ড এবং ভারতের বিপক্ষে। ফলে তাঁর মধ্যে একটি জিতলেই তাঁদের পরের রাউন্ডে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। ভারতীয় ক্রিকেট দল একটা ম্যাচ জিতে ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রোহিতরা। আগামী ৯ জুন ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে পাকিস্তান। অন্যদিকে আমেরিকা আগামী ১২ তারিখ ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে।

    এই হারের পর হতাশ পাক অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, “আমরা ব্যাট করার সময় প্রথম ৬ ওভার কাজে লাগাতে পারিনি। পরপর উইকেট হারিয়ে আমরা বিপাকে পড়ে যাই। এরপর প্রথম ৬ ওভার আমরা ভালো বলও করতে পারিনি। শেষেরদিকে আমরা কিছুটা হলেও কামব্যাক করতে পেরেছি। কিন্তু, ফিনিশ করতে পারলাম না। আশা করি, আগামী ম্যাচগুলোয় ভালো পারফরম্যান্স করতে পারব। এই পরাজয় হজম করা খুব কঠিন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T-20 World Cup 2024: স্টেডিয়ামে থাকছে স্নাইপার, জঙ্গি হুমকির জেরে ভারত-পাক ম্যাচে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা

    T-20 World Cup 2024: স্টেডিয়ামে থাকছে স্নাইপার, জঙ্গি হুমকির জেরে ভারত-পাক ম্যাচে অভূতপূর্ব নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে বাইশ গজে ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হওয়া মানেই উত্তেজনা তুঙ্গে। একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার পালা। সঙ্গে সাট্টা বাজার আর সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা। বাদ পড়েনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। ৯ জুন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2024) মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan)। সেই ম্যাচে নাশকতার হুমকি দিয়েছে আইএসআইএস। ঘনিয়েছে দুশ্চিন্তার কালো ছায়া। যদিও কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই ম্যাচের আশ্বাস দিলেন নাসাউ কাউন্টির এক্সিকিউটিভ ব্রুস ব্লেকম্যান।

    কড়া নিরাপত্তার আশ্বাস

    সোমবার নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম শ্রীলঙ্কা ম্যাচে দেখা গেল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হল নাসাউ কাউন্টিতে। জানা গিয়েছে, স্টেডিয়ামকে ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় স্নাইপার বসানো হয়েছে। যেখানে টেলস্কোপিক রাইফেল নিয়ে পাহারায় থাকবে পুলিশ। এ ছাড়া কাজে লাগানো হবে সোয়াট (এসডব্লিউএটি)-ইউনিটকেও। যে ইউনিটকে জঙ্গিহানা থামানোর ক্ষেত্রে খুবই পারদর্শী মনে করা হয়। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2024) নাসাউ কাউন্টিতে আটটা ম্যাচ হবে। যার মধ্যে রয়েছে ভারত বনাম পাকিস্তান দ্বৈরথও। যে ম্যাচ ঘিরে এর আগে হুমকি দিয়েছিল আইএসআইএস-খোরাসান। যার পরে নিউ ইয়র্ক পুলিশ নিরাপত্তা আরও জোরদার করে। যার প্রভাব ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: “কোচ হিসেবে প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করেছি, তবে আর নয়”, স্পষ্ট বার্তা দ্রাবিড়ের

    ভারত-পাক ম্যাচ নিয়ে বার্তা

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2024) ভারত-পাকিস্তান (India vs Pakistan) ম্যাচে হতে পারে বড়সড় হামলা। লোন উলফ হামলায় প্রাণ হারাতে পারে বহু মানুষ। এ বিষয়ে মুখ খুললেন নাসাউ কাউন্টির এক্সিকিউটিভ ব্রুস ব্লেকম্যান। তিনি বলেন, “আমরা বহুদিন ধরেই এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ থেকে এফবিআই সকলের সঙ্গেই আমরা যোগাযোগ রাখছি। নিরাপত্তার সব দিকেই কড়াকড়ি থাকবে। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কিংবা ডাক্তার-নার্স সবই সবসময় উপস্থিত থাকছে। এটুকু নিশ্চিত করতে পারি, ওদিনের ম্যাচ নিরাপদ আর দারুণ উপভোগ্য হবে।” শুধু মাঠ ঘিরেই নয়, নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে চারটে ড্রপ-ইন পিচ ঘিরেও। নিউ ইয়র্কে বিশ্বকাপের ম্যাচ হচ্ছে ড্রপ-ইন পিচে। অর্থাৎ, অন্য জায়গায় তৈরি করা পিচ নিয়ে আসা হচ্ছে মাঠে। এ রকম চারটে পিচ বানানো হয়েছে বিশ্বকাপের জন্য। সেই চারটে পিচ ঘিরেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। যাতে পিচের ক্ষতি কেউ করতে না পারে। নিউ ইয়র্ক পুলিশের নার্কোটিক্স ডিভিশনের বেশ কয়েক জন অফিসারকে পিচ পাহারার কাজে লাগানো হয়েছে বলে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিপোর্টে। কেন্দ্রের তরফেও রীতিমতো খতিয়ান তুলে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছে ভারত। মোদি জমানায় স্ফীতকায় হচ্ছে দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য। অথচ গত কয়েক বছরে জার্মানি, জাপান এবং ব্রিটেনের মতো দেশে কমছে জিডিপির হার। এমতাবস্থায় তরতরিয়ে বাড়ছে ভারতের জিডিপি।

    জিডিপি (GDP)

    জিডিপির (GDP) অর্থ হল গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোনও দেশের নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতা কেমন (অর্থনীতির পরিভাষায় (পারচেশিং পাওয়ার প্যারিটি বা সংক্ষেপে পিপিপি), তার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় জিডিপি। দিল্লি ভিত্তিক নন-প্রফিট সোশ্যাল পলিশি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতিতে যখন পিপিপি দেখা যাচ্ছে ৩.৬ গুণ, তখন ব্রিটেনে এটি ২.১ গুণ। আর জার্মানির চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি জাপানের। তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত।

    দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা

    নরেন্দ্র মোদির জমানায় দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা। গত দু’তিন বছরে রকেট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। দ্রুত হারে বাড়ছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যা দেখে মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার। এই দুই প্রতিষ্ঠানেরই দাবি, আগামী দিনেও বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখবে ভারত। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ২০২২ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিন ছিল সবার ওপরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জিডিপির অংশিদারিত্ব পিপিপিতে বৈশ্বিক জিডিপির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে। অথচ আমেরিকা, জাপান, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    পিপিপি আমাদের সাহায্য করে দু’টি দেশের অর্থনীতির তুলনা করতে। কোনও একটি বস্তুর দাম ওই দুই দেশে কেমন, তা জানতেও সাহায্য করে। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, একটি উচ্চমাত্রার পিপিপি বোঝায় প্রয়োজনীয় জিনিস ভারতে কতটা সস্তা। এই একই জিনিস কিনতে ঘাম ছুটে যায় জাপান, জার্মানি এবং ব্রিটেনের ক্রেতাদের (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rat Tourism: স্ট্যাচু অফ লিবার্টিকে পিছনে ফেলে নিউইয়র্কের নয়া আকর্ষণ ইঁদুরের উৎপাত

    Rat Tourism: স্ট্যাচু অফ লিবার্টিকে পিছনে ফেলে নিউইয়র্কের নয়া আকর্ষণ ইঁদুরের উৎপাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নিউইয়র্ক শহর বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণস্থল হয়ে উঠেছে। তবে কোনও দর্শনীয় স্থান দেখতে নয়, শহরের রাস্তায় ইঁদুরের উৎপাত (Rat Tourism) দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের অভিযোগ যে শহরে এই ইঁদুরের সমস্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এভাবে ইঁদুরের সমস্যা বাড়তে থাকলে নানা অসুখ-বিসুখ ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন তাঁরা। শুধু তাই নয় ইঁদুর থেকে ছড়িয়ে পড়া জীবাণু শিশুদের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। তবে সেসব কিছু তোয়াক্কা না করে ইঁদুর সমস্যাকেই এই রোজগারের উপায় হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। শহরে শুরু হয়েছে ইঁদুর পর্যটন (Rat Tourism)।

    নিউইউর্কে ইঁদুর পর্যটন (Rat Tourism)

     আবার পর্যটকদের ইঁদুরের দৌরাত্ম্য দেখাতে গাইডের ভূমিকাও পালন করছেন অনেকজন। মোটা টাকা উপার্জন হচ্ছে শুধুমাত্র ইঁদুরকে কেন্দ্র করে। রিপোর্ট বলছে নিউইয়র্ক শহরে বর্তমানে ইঁদুর রয়েছে ১ কোটিরও বেশি। পর্যটকরা জানিয়েছেন যে নিউইয়র্কের আকর্ষণীয় স্থান বলতে রয়েছে সেন্ট্রাল পার্ক, স্ট্যাচু অফ লিবার্টি, টাইম স্কোয়ার ইত্যাদি। ইঁদুরের দৌরাত্ম্য পর্যটক টানার ক্ষেত্রে যেন স্ট্যাচু অফ লিবার্টিকেও অনেক পিছনে ফেলে দিয়েছে। বর্তমানে এই শহরে ১ কোটিরও বেশি ইঁদুর (Rat Tourism) রয়েছে।

    ইঁদুরের উৎপাতের ভিডিও করছেন অনেকে 

    তবে শুধুমাত্র পর্যটকরাই যে ইঁদুরের দৌরাত্ম্য দেখছেন এমনটা নয়। ভিডিও করে বিভিন্ন রিলস বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে ইঁদুরের উৎপাত। এই ভিডিওগুলির ভিউও হচ্ছে ব্যাপক (Rat Tourism)। শহরের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন যে ইঁদুরের দৌরাত্ম্য বিগত বছরগুলির তুলনায় বেশ কিছুটা কমেছে। তবে তা খুব বেশি কমেনি। তবে প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে যেমন বর্জ্য পদার্থ সঠিক জায়গায় ফেলার জন্য নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের আবেদন জানিয়েছে প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share