Tag: uttam kumar

uttam kumar

  • Ashima Mukherjee: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায়

    Ashima Mukherjee: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন বাংলা চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং সুরকার অসীমা মুখোপাধ্যায় (Ashima Mukherjee)। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিজের বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে শিল্পীর। মৃত্যুকালে এই সুরকারের বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই অসীমাদেবী বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে অসীমার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

    অভিনেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী অসীমাদেবী

    ‘চৌরঙ্গী’ ছবিতে অসীমার (Ashima Mukherjee) সুরে ‘বড় একা লাগে এই আঁধারে’ গানটি গেয়েছিলেন মান্না দে। এই গান আজও সমান জনপ্রিয়। অসীমাদেবীর অন্য একটি পরিচয়ও অবশ্য রয়েছে, তিনি অভিনেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী। প্রযোজক হিসেবেও যথেষ্ঠ সফল ছিলেন অসীমাদেবী। ‘মেমসাহেব’, ‘বাঘবন্দী খেলা’  ছবিগুলি তাঁরই প্রযোজনায় তৈরি হয়েছিল। তাঁর সুরে গান গেয়েছেন মান্না দে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, আরতি মুখোপাধ্যায়, হৈমন্তী শুক্লার মতো শিল্পীরা। প্রসঙ্গত, কলকাতা এবং জামশেদপুর আকাশবাণীতে সহ-অধিকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন অসীমাদেবী। একাধিক ছবিতে (Ashima Mukherjee) হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দের সঙ্গে গানও গেয়েছিলেন অসীমাদেবী। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ অনুষ্ঠান আজও মহালয়ার ভোরে প্রতি হিন্দু বাঙালি বাড়িতে বেজে ওঠে। এই অনুষ্ঠানে আরতি মুখোপাধ্যায় ও শ্যামল মিত্রর সঙ্গে ‘শুভ্র শঙ্খরবে’ গানটি অসীমাদেবী গেয়েছিলেন।

    উত্তমকুমারকে ভাইফোঁটা দিতেন অসীমাদেবী

    সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বছরকয়েক আগে অসীমাদেবী (Ashima Mukherjee) জানিয়েছিলেন, ভাইফোঁটার দিন তিনি যেতেন উত্তমকুমারের বাড়ি। সঙ্গে নিতেন সব উপকরণ। মোট চার বছর মহানায়ককে ভাইফোঁটা দিয়েছিলেন তিনি। উত্তম কুমার বয়সে বড় হয়েও, সুরকারকে ‘অসীমাদি’ বলে সম্বোধন করতেন। উত্তম কুমার একবার ভাইফোঁটায় তাঁকে ‘আমার আমি’ নামের জীবনী বইটি উপহার দিয়েছিলেন। আর তারপর শাড়িই দিতেন প্রতি বছর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttam Kumar: বারাসতে মহানায়কের আদি ভিটে! ৪৩ তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন পরিবারের সদস্যরা

    Uttam Kumar: বারাসতে মহানায়কের আদি ভিটে! ৪৩ তম প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন পরিবারের সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মহানায়ক উত্তম কুমারের (Uttam Kumar) ৪৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী। বারাসতের দক্ষিণপাড়ার চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যদের মন ভারাক্রান্ত। মন ভাল নেই প্রতিবেশীদের। কারণ, মহানায়কের এক সময়ের বাড়ির ঠিকানা ছিল এই দক্ষিণপাড়া। বহুদিন দক্ষিণপাড়ার বাড়িতে তিনি কাটিয়েছেন। পুরানো সেই স্মৃতি আঁকড়ে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

    শীতলা মন্দিরে বহুবার পুজো দিয়েছেন উত্তম কুমার, দাবি ভাইপোর

    ১৯৮০ সালে আজকের দিনে প্রয়াত হয়েছিলেন তিনি। অভিনয় জগতে তিনি এক আলাদা মাইলস্টোন গড়ে গিয়েছেন, যা ভাঙা কোনও তারকার পক্ষেই সম্ভব হয়নি। সপ্তপদী, নায়ক, অগ্নিপরীক্ষা, পথে হল দেরি, সবার ওপরে, সাগরিকা, শাপমোচন, কাল তুমি আলেয়া, বন পলাশির পদাবলী, সন্ন্যাসী রাজার মত জনপ্রিয় ছবিগুলি আজও বাঙালির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছে। আজও তাঁর ছবিতে চোখ রাখে তরুণ প্রজন্ম, তাঁকে নিয়ে হয় গবেষণাও। আজ উত্তম কুমারের (Uttam Kumar) মৃত্যু দিবসে তার সেই ছোটবেলায় আদি বাড়িতে আসা স্মৃতি কিছুটা মনে করিয়ে দিলেন তাঁর ভাইপো অলক কুমার চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বারাসাত দক্ষিণপাড়া শীতলাতলা রোডে এই বাড়িতেই উত্তম কুমার দীর্ঘ কয়েক বছর কাটিয়েছিলেন। এখান থেকেই যেতেন বিভিন্ন বইয়ের শুটিংয়ে। বাড়ি সংলগ্ন শীতলা মন্দির, সেই শীতলা মন্দিরে পুজো না দিয়ে তিনি কখনোই যেতেন না কোন বইয়ের শুটিং করতে। পাশাপাশি শুটিং সেরে এসে এই বাড়িতেই তিনি বিশ্রাম নিতেন। খাওয়া-দাওয়া করতেন এই বাড়িতেই। সেই দিনগুলি চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে।

    বাড়িতে মহানায়ক আসলেই উপচে পড়ত ভিড়়, বললেন এক প্রতিবেশী

    বাড়িতে প্রবেশ করলেই প্রথমে দেখা যাবে বড় পুরনো দিনের দরজা। সেই দরজা দিয়েই প্রথমে প্রবেশ করলেই দেখা যাবে একটি ঘর, যে ঘরে  উত্তম কুমার (Uttam Kumar) এসে দীর্ঘ সময় বিশ্রাম নিতেন। দীর্ঘ কয়েক বছর এই বাড়িতে থেকে কিন্তু পরবর্তীকালে ভবানীপুরে গিরিশ মুখার্জি রোডে তিনি চলে যান। কিন্তু মাঝেমধ্যে এই বাড়ি থেকেই আসা-যাওয়া করতেন। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরেই রয়েছে শিশির কুঞ্জ, সেখানেও একাধিক বইয়ের শুটিং করেছেন তিনি। তাই এই বাড়ি থেকেই তিনি মন্দিরে পুজো দিয়ে শুটিংয়ে বের হতেন। প্রতিবেশী মুকুল চট্টোপাধ্যায় বলেন, উত্তম কুমার আমাদের অত্যন্ত স্নেহ করতেন। এই বাড়িতেই আসলেই ভিড় উপচে পড়ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share