মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বড়সড় চক্র ধরা পড়েছিল মালদায়। পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল একাধিক পরীক্ষার্থীর। মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে শুরু হয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস করে টাকা হাতানোর বড়সড় চক্রের হদিশ মিলেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raiganj)। যা সামনে আসতেই চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
ঠিক কীভাবে কাজ করছে এই চক্র? (Raiganj)
জানা গিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পরীক্ষার অনেক আগেই মিলে যাচ্ছে হুবহু হাতে লেখা প্রশ্ন। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তা বিক্রির জন্য টাকা চাওয়া হচ্ছে পরীক্ষার্থীদের কাছে। প্রশ্নপত্র দ্রুত দিয়ে আবার ডিলিট করে টাকা নেওয়ার ফাঁদও পাতা হচ্ছে। দেওয়া হচ্ছে কিউআর কোড। এমনই স্ক্রিন রেকর্ড ও স্ক্রিনশট নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হল রায়গঞ্জের একদল পরীক্ষার্থী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পড়ুয়াদের দাবি, ‘মাস্টার মাইন্ড’ নামের একটি গ্রুপ হোয়াটসঅ্যাপে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ইতিমধ্যেই ‘মাস্টার মাইন্ডে’র দেওয়া বাংলা প্রশ্নপত্রের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল দেখা গিয়েছে। আর এরপর ইংরেজি সহ বাকি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও একইরকমভাবে যদি মিল পাওয়া যায় তাহলে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। শনিবার রাতেই রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার দ্বারস্থ হওয়ার পর রায়গঞ্জ সাইবার ক্রাইম থানায় এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন একদল পরীক্ষার্থী।
বদনাম করার চক্রান্ত!
মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করে পর্ষদ। মালদার দুটি স্কুল থেকে হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। অভিযুক্ত ছাত্রদের চিহ্নিতও করা হয়। সেক্ষেত্রেও উঠে আসে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথা। তদন্ত চালিয়ে ওই গ্রুপের অ্যাডমিন এক গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। আবার উচ্চ মাধ্যমিকের ক্ষেত্রেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের চেষ্টা চলে বলে অভিযোগ ওঠে। ২ জনকে শনাক্ত করা হয়। তাদের পরীক্ষা বাতিলও করা হয়। এই বিষয় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা জেলার জয়েন্ট কনভেনারের বক্তব্য, এসব করে পর্ষদকে বদনাম করার চক্রান্ত চলছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।