Tag: Uttar Dinajpur

Uttar Dinajpur

  • Uttar Dinajpur: সহায়ক মূল্যে নয়, কম দামে ফড়়েদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন চাষিরা

    Uttar Dinajpur: সহায়ক মূল্যে নয়, কম দামে ফড়়েদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন চাষিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘটা করে জেলাজুড়ে চলছে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার জন্য প্রচার। আর চাষিরা সরকারি নির্ধারিত দামের অনেক কমে ফড়েদের কাছে তা বিক্রি করে দিচ্ছে। উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চাকুলিয়া হাট সহ জেলা জুড়ে এই ঘটনা ঘটছে। চাষিরা যাতে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে পারে তারজন্য প্রশাসনের কোনও উদ্যোগই চোখে পড়ছে না বলে অভিযোগ।

    ফ়ড়ে রুখতে অভিযান চালিয়েও কোনও লাভ হয়নি (Uttar Dinajpur)

    ধান বিক্রিতে ফড়ে-রাজ রুখতে কিছুদিন আগে জেলা (Uttar Dinajpur) জুড়ে বিভিন্ন হাটে সাদা পোশাকে নজরদারি শুরু করেন পুলিশ ও দুর্নীতি দমন শাখার কর্মীরা। প্রশাসন সূত্রের দাবি, সে নজরদারিতেই জেলা জুড়ে বিভিন্ন হাটে ফড়েদের বিরুদ্ধে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক দামের থেকে কম দামে ধান কেনার অভিযোগ জানতে পেরেছেন খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের কর্তারা। ইতিমধ্যেই ওই দফতরের তরফে জেলার ন’টি ব্লকে মাইক-যোগে কৃষকদের সরকারি সহায়ক দরে ধান বিক্রি করে বেশি লাভ পাওয়ার বিষয়ে প্রচারও শুরু হয়েছে। জেলার ন’টি ব্লকের সমস্ত কিষান মান্ডিতে প্রতি কুইন্টাল ধান ২,২০৩ টাকা  সরকারি সহায়ক দরে কেনার কাজ চলছে। তার মধ্যে অভিযোগ উঠেছে, জেলার বিভিন্ন হাটে কুইন্টাল প্রতি কোথাও ১,৭৫০, কোথাও আবার ১,৮০০-১,৮৫০ টাকায় কৃষকদের কাছ থেকে ফড়েরা ধান কিনছেন। ফড়েদের দাবি, তাঁরা ওই ধান পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে কুইন্টাল পিছু দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা দরে বিক্রি করবেন।

    চাষিদের কী বক্তব্য?

    চাষিদের বক্তব্য, সরকারি সহায়ক দরে ধান বিক্রির তারিখ পেতে অনেক ঝামেলা। তা ছাড়া, ধানের মান খারাপের যুক্তি দেখিয়ে প্রতি কুইন্টালে সাত থেকে ১০ কেজি অতিরিক্ত ধান নেওয়া হয় । ঝামেলা এড়াতে আমি প্রতি ১,৮৫০ টাকা দরে স্থানীয় হাটে ৫০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেছি।

    খাদ্য দফতরের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    জেলা (Uttar Dinajpur) খাদ্য ও সরবরাহ আধিকারিক সঞ্জীব হালদারের বক্তব্য, সরকারি সহায়ক দরে ধান বিক্রির প্রক্রিয়ায় অনেক সরলীকরণ করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কোনও কৃষক অসচেতন থেকে যদি নিজের ক্ষতি করে ফড়েদের কাছে ধান বিক্রি করেন, তবে আমাদের কিছু করণীয় নেই। গত বছর জেলায় ১৫টি ধান কেনার শিবির করা হয়েছিল। এ বার ১৯টি শিবির করা হয়েছে। চাকুলিয়া আরও শিবির করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ক্লাবের চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত খোদ পুলিশকর্মী! রায়গঞ্জে তুমুল উত্তেজনা

    Uttar Dinajpur: ক্লাবের চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত খোদ পুলিশকর্মী! রায়গঞ্জে তুমুল উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এবারে চাঁদার জুলুম থেকে বাদ পড়লেন না খোদ পুলিশও। চাঁদা নিয়ে বচসার জেরে আক্রান্ত হলেন এক পুলিশকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ থানার কর্ণজোড়ার কালীবাড়ি এলাকায়। আহত ওই পুলিশকর্মীর নাম নন্দ মন্ডল।

    নন্দবাবু আাবার রায়গঞ্জ মহকুমা শাসকের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দবাবু রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ওই ক্লাবের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছেন। বাকিদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন পুলিশ।

    চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত পুলিশ কর্মী (Uttar Dinajpur)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) মহকুমা শাসকের নিরাপত্তারক্ষী নন্দ মন্ডল তিনি এক বছর আগে কর্ণজোড়ার কালীবাড়ি এলাকায় নতুন বাড়ি করেন। বাড়িতে থাকেন নন্দবাবুর স্ত্রী ও একটি সন্তান। গতবছর তাঁর কাছে থেকে কালীপুজো উপলক্ষে কর্ণজোড়া কালীবাড়ি এলাকার বিপ্লবী ক্লাব ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চেয়েছিল। সেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার পর এবারের কালীপুজোয় ফের নন্দবাবুকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে বলে ক্লাব। নন্দবাবু ২ হাজার টাকা দিতে চেয়েছেন আর মন্দির করার সময় কিছু একটা ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান ক্লাবের সদস্যদের।

    মদ্যপ অবস্থায় আক্রমণ

    চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা আদায় করতে না পারায় তাতে ক্লাব নারাজ। অবশেষে শনিবার রাতে বিপ্লবী ক্লাবের কিছু সদস্য মদ্যপ অবস্থায় নন্দবাবুর বাড়িতে (Uttar Dinajpur) গিয়ে হামলা চালায়। সেই সঙ্গে নন্দবাবুকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কর্ণজোড়া ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই পুলিশের উপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

    আহত পুলিশকর্মীর বক্তব্য

    আহত পুলিশকর্মী নন্দ মন্ডল বলেন, “১৫০০০ টাকা চাঁদার দাবীতে ওই এলাকার কিছু যুবক রাত্রিবেলা মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই মারধর করে আমাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে (Uttar Dinajpur) নিয়ে যান।”

    পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য

    গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রায়গঞ্জের (Uttar Dinajpur) মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি। তিনি বলেন, “এই ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের পাশাপাশি উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করার কথা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

    অপরদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা কল্পনা বর্মন, চাঁদা চাওয়া ও গন্ডগোলের ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “শুনেছি ছেলেরা ঐদিন রাত্রি বেলা চাঁদা চাইতে গিয়েছিল এবং ওখানে গন্ডগোল হয়। পরে পুলিশ এসে বেশ কয়েকজনকে তুলে নিয়ে যায়। যারা দোষ করেছে তাদেরকেই পুলিশ গ্রেফতার করুক এবং যারা জড়িত নয় তাদেরকে ছেড়ে দিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: উর্দি পরে মঞ্চে উঠে তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিলেন থানার আইসি

    Uttar Dinajpur: উর্দি পরে মঞ্চে উঠে তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিলেন থানার আইসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পুজোর সময় মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের আইসি দেবদূত গড়মের হাতে উপহার তুলে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রতিমন্ত্রী তথা হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। নবমীর রাতের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। উর্দি পড়ে থানার মধ্যে সেই উপহার নেন থানার আইসি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছিল। সেই জের কাটতে না কাটতেই ফের তৃণমূল কংগ্রেসের আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে উর্দি পরে মঞ্চে হাজির থানার আইসি। এই ঘটনায় বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। পুলিশ দলদাস। শাসক দলের হয়ে কাজ করে পুলিশ। বিরোধীদের আনা অভিযোগ যে সত্যি তা এই ঘটনার মধ্যে দিতে আরও একবার প্রমাণিত হল। বিতর্কিত এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার চোপড়ার চোপড়া হাই স্কুল মাঠে। 

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Uttar Dinajpur)

    তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বিজয়া সন্মেলনীর অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে এবারে বিতর্ক দেখা দিয়েছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ায়। মঙ্গলবার চোপড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত বিজয়া সন্মেলনীর মঞ্চে দেখা গেল চোপড়া থানার আইসি সঞ্জয় দাসকে।  রীতিমতো উর্দি পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন তিনি। মঞ্চে ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে সংবর্ধনা দিতে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বকে। মঞ্চে হাজির ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হামিদুল রহমানও। প্রকাশ্যে দলীয় মঞ্চে উর্দি পড়ে পুলিশ অফিসার কেন উঠলেন তা জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কানাইলাল আগরওয়াল বলেন, দলের নির্দেশে ব্লকে এবং জেলা স্তরে বিজয়া সন্মেলনীর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই উপলক্ষেই হয়ত দলের আমন্ত্রণে আইসি সাহেব অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন। এতে রাজনীতির কিছু দেখছি না। বিরোধীরা এটা নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার (Uttar Dinajpur) সহ সভাপতি সুরজিৎ সেন বলেন, পুলিশকে  দলদাসে পরিণত করেছে তৃণমূল। যে কারণে রাজনৈতিক মঞ্চেও হাজির হতে দ্বিধা করছে না পুলিশ। পুলিশের এই ভাবমূর্তি জনগণের কাছে নষ্ট হচ্ছে। এই আইসি নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে। তিনি আর থানার আইসি নন, তিনি এখন তৃণমূলের আইসি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah:দুর্গা পুজো নয় হাওড়ার খালনা মেতে ওঠে লক্ষ্মী পুজোয়

    Howrah:দুর্গা পুজো নয় হাওড়ার খালনা মেতে ওঠে লক্ষ্মী পুজোয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না দুর্গা পুজো বা কালী পুজো নয়, হাওড়া (Howrah) জেলার শেষ সীমান্তে খালনা গ্রাম, কেবলমাত্র লক্ষ্মী পুজোতেই মেতে ওঠে। শতবর্ষের পুরাতন লক্ষ্মী পুজোর ঐতিহ্য বহন করছে এই গ্রাম। গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান নবকুমার সানা জানিয়েছেন, সরকারি খাতায় সব পুজো নেই। কিন্তু এই গ্রামে শতাধিক লক্ষ্মী পুজো হয়। অনেক পুরাতন সময়ের ইতিহাসকে বহন করে চলেছে এই এলাকার লক্ষ্মী পুজো।

    অপরদিকে উত্তর দিনাজপুরে দুর্গাপুজো নয়, লক্ষ্মীপুজোকে ঘিরেই আনন্দে মাতেন রায়গঞ্জের টেনহরি গ্রামের বাসিন্দারা। তাই সারা বছর ধরে এই লক্ষ্মী পুজোর অপেক্ষাতে দিন যাপন করেন স্থানীয় মানুষ। এলাকার বাসিন্দাদের অনেক আত্মীয়-পরিজনই লক্ষ্মীপুজোর সময়ে আসেন পুজো ও মেলার টানে।

    খালনার লক্ষ্মী পুজো (Howrah)

    রাজ্যের বিখ্যাত লক্ষ্মীপুজো বলতে সর্বপ্রথম মনে আসে হাওড়ার (Howrah) জয়পুরের খালনার লক্ষ্মীপুজো। এই ক্লাবের পুজো এবারে ১০৩ বছরে পড়ল। রেডিও দিয়ে পশ্চিম খালনা রাজবংশী পাড়া বারোয়ারি লক্ষ্মী পুজোর মন্ডপ নির্মিত হয়েছে। মন্ডপের সামনে একটা বড় রেডিও তৈরি করা হয়েছে।‌ আর সেখানেই শোনা যাচ্ছে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের চন্ডীপাঠ‌। আবার খালনা গ্রামের ক্ষুদিরায়তলা কোহিনুর ক্লাবের লক্ষ্মীপুজো ১৫৭ বছরে পদার্পণ করল। এই মন্ডপে তুলে ধরা হয়েছে জঙ্গলের পরিসরকে। রয়েছে প্রধান চরিত্রে মুগলি। এছাড়াও রয়েছে মুগলির বন্ধু জঙ্গল, মৌমাছি সহ মধুর চাক, ভল্লুক, বাঘও। সেই সঙ্গে আমরা সবাই ক্লাবের পুজো, তুঙ্গারনাথের মন্দিরের আদলে গড়া মণ্ডপ। একই ভাবে চোখে পড়েছে ‘সহজ পাঠ’-এর মণ্ডপ ভাবনা। হাওড়ার আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন, “খালনার এই ঐতিহ্যবাহী লক্ষ্মী পুজোকে সর্বাঙ্গ সুন্দর করতে সম্পূর্ণ সচেষ্ট রয়েছে প্রশাসন।”

    ভালো ফলনের জন্য হয় লক্ষ্মী পুজো

    হাওড়ার (Howrah) পাশাপাশি টেনহরির লক্ষ্মীপুজোর মূল আকর্ষণ হল লক্ষ্মী প্রতিমা নিয়ে মেলা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার এক বাসিন্দা সুধন্যচন্দ্র দাস আজ থেকে আনুমানিক ৭০ বছর আগে, এই প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় লক্ষ্মীপুজোর সূচনা করেছিলেন। তিনি ওপার বাংলায় ঢাকা জেলার সমরসিং এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। সেখানেও বড় করে পুজোর আয়োজন হতো। এদেশে আসার পর, এই এলাকায় ভালো ফলন ও এলাকার প্রতিটি গরীব মানুষের ঘরে যাতে সম্পদ আসে, সেই কামনায় লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন করেছিলেন তিনি। এখানে লক্ষ্মী মায়ের সঙ্গে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারায়ণেরও পুজো করা হয়। পুজোতে লক্ষ্মী-নারায়ণের পাশে জয়া ও বিজয়ার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়। রায়গঞ্জ ব্লকের বর্ধিষ্ণু গ্রাম টেনহরির পুজো, এতটাই খ্যাতি অর্জন করেছে যে শুধু রায়গঞ্জ শহর নয়, মালদহ থেকে শুরু করে দক্ষিণ দিনাজপুর ও বিহারেরও প্রচুর মানুষ, এখানে প্রতিবছর লক্ষ্মীপুজোর উৎসব দেখতে আসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: তৃণমূল আছে তৃণমূলেই! গোষ্ঠী সংঘর্ষে ছুরিকাহত পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী

    Uttar Dinajpur: তৃণমূল আছে তৃণমূলেই! গোষ্ঠী সংঘর্ষে ছুরিকাহত পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত এলাকা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুর ব্লকের কমলাগাঁও সুজালি গ্রাম পঞ্চায়েতের কামারগছ এলাকায়। সংঘর্ষে ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী সহ আরও এক ব্যক্তি। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    কীভাবে সংঘর্ষ ঘটল (Uttar Dinajpur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই আব্দুল হক ও জাহিদুল রহমানের মধ্যে এলাকা (Uttar Dinajpur) দখল নিয়ে ঝামেলা চলছিল। উল্লেখ্য, উভয় পক্ষ তৃণমূলের সমর্থক। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়িতে জোর করে টাকা আদায় করতে যায় জাহিদুল রহমান গোষ্ঠীর লোকজন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রীর উপর ছুরি নিয়ে তারা চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। ঘটনায় জখম হন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী আনজুমা খাতুন সহ আরও এক। জখমদের উদ্ধার করে দ্রুত ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় চিকিৎসার জন্য। অন্যদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকা থমথমে রয়েছে।

    আহত তৃণমূল সমর্থকের বক্তব্য

    পঞ্চায়েত সদস্যর স্ত্রী আহত আনজুমা খাতুন বলেন, “মূলত চাঁদার জন্য বাড়িতে এসে চড়াও হয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। পুরো বাড়িকে (Uttar Dinajpur) চারপাশ থেকে ঘেরাও করে নেয় খসিবুল আর ফজিররা। কিন্তু আমি কারণ জিজ্ঞেস করলে, আচমকা ওরা আমার গলা টিপে ধরে এবং সেই সঙ্গে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। যারা মেরেছে তারা জাহিদুল রহমানের লোক। আর আমরা হলাম আব্দুল হকের লোক। আমার স্বামী এই সময়ে আজমীর শরিফে গেছেন। আর এই সুযোগে গুন্ডারা আক্রমণ করে।” এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা জিজ্ঞাসা করলে পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রী মেনে নেন যে এই মারামারির ঘটনা তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ফলেই ঘটনা ঘটেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য

    স্থানীয় বাসিন্দা তাজিমূল বলেন, “এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। যারা মারধর করেছে তারা নব্য তৃণমূল, আর যাকে মেরেছে তারা হল আদি তৃণমূল। অনেক দিন ধরেই বিবাদ চলছে দলের মধ্যে। আজ বাড়িতে (Uttar Dinajpur) ঢুকে ছুরি দিয়ে গলা কাটার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: রাতারাতি জীবনযাত্রা বদল, প্রতারণার ‘হাব’ চোপড়া! তাজ্জব পুলিশ

    Uttar Dinajpur: রাতারাতি জীবনযাত্রা বদল, প্রতারণার ‘হাব’ চোপড়া! তাজ্জব পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব করার সিদ্ধহস্ত ছিল জামতারা গ্যাং। রাজ্যজুড়ে নতুন করে শুরু হয়েছে আধার জালিয়াতি করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করছে প্রতারকরা। তমলুকে এক ব্যাঞ্চ ম্যানেজারের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সাফ করেছে প্রতারকরা। একইসঙ্গে বহু মানুষের রাতারাতি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। এই ঘটনার তদন্তে নেমে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়া, ইসলামপুরের নাম সামনে আসে। চোপড়ার গ্রামে বসেই বড়সড় প্রতারণা চক্র চালাত প্রতারকরা। আগেই এই ঘটনায় তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পরে, এই জালিয়াতিকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর চোপড়া থেকে আরও দুজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কী পেল পুলিশ? (Uttar Dinajpur)

    ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েক মাস আগে পর্যন্ত তারা ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিল। ভিন রাজ্য থেকে ফিরেই ‘ওয়ার্ক ফর্ম হোমের’ চাকরি পেয়ে যায়। বাড়িতেই কম্পিউটার সেটআপ, ল্যাপটপ, সঙ্গে ব্রড ব্যান্ড কানেকশন। রাতারাতি জীবনযাত্রায় বদল। প্রতারণার ‘হাব’ উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) চোপড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম মুক্তিচিপা, নারায়ণপুরের অধিকাংশ যুবকদের মধ্যে গত কয়েক মাসে ব্যাপক বদল এসেছিল। তদন্তে উঠে এসেছে এই ব্যাঙ্কিং প্রতারণা চক্র সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা দেখে তাজ্জব পুলিশ কর্তারা। তবে, এই ধরনের জালিয়াতির পাঠ কে দিল তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এই চক্রের পিছনে আর কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    পুলিশ কী করছে?

    ভিনরাজ্য থেকে ফিরে এসে বাড়িতে বসে কাজ করে রাতারাতি জীবনযাত্রা বদলে যাওয়ায় মুক্তিচিপা, নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দারাও কার্যত হতবাক হয়ে গিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে অন্য জেলার পুলিশও যোগাযোগ রাখছে। জেলার গোয়েন্দা বিভাগের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি সতর্ক নজর রাখতে বলা হয়েছে। গ্রামে গ্রামে কারা হাইস্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন এবং কেন ব্যবহার করছেন, সে সব নিয়ে পুলিশকে আরও বেশি সতর্ক রাখার পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: রাস্তায় টাকা তুলছে পুলিশ, দিচ্ছে জাল চালান, ছবি দেখে হতবাক বিচারপতি, তদন্তের নির্দেশ

    Uttar Dinajpur: রাস্তায় টাকা তুলছে পুলিশ, দিচ্ছে জাল চালান, ছবি দেখে হতবাক বিচারপতি, তদন্তের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের টাকা তোলার অভিযোগ নতুন নয়। বাম আমলেও এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের জমানাতে তা অনেকটাই বেড়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। গত বছর খড়দায় তোলাবাজির অভিযোগে দুই পুলিশ কর্মী সাসপেন্ড হয়েছিলেন। তবে, কোনও পুলিশ কর্মীর তোলাবাজির ছবি বিচা্রপতি নিজের এজলাসে বসে দেখছেন, এই দৃশ্য খুব কম দেখা যায়। জানা গিয়েছে, পাথর বোঝাই ট্রাক চালকদের থেকে টাকা তুলছে পুলিশ। আর পুলিশের সেই টাকা তোলার ছবিই রেকর্ড করা হয় মোবাইলে। ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ডালখোলা শহরে। সোমবার এজলাসে সেই রেকর্ডিং দেখেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। রাস্তায় দাঁড়িয়ে পুলিশের তোলাবাজি দেখে বিচারপতিও হতবাক হয়ে যান।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Uttar Dinajpur)

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ডালখোলায় পাথর বোঝাই ট্রাক থেকে তোলা তোলার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। দু’টি ট্রাক বেআইনিভাবে এই টাকা দিতে না চাওয়ায়, তাদের আটকে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। আবার কিছু ট্রাকচালক বাধ্য হয়ে টাকা দেন। কিন্তু, তাঁদের যে চালান দেওয়া হয়েছে তাও জাল বলে অভিযোগ। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। পুলিশের সমস্ত তোলাবাজির বিষয়টি মোবাইলে রেকর্ড করা হয়। হাইকোর্টে শুনানির সময় বিচারপতির সামনে তা পেশ ধরা হয়।

    বিচারপতি কী নির্দেশ দিলেন?

    ছবি দেখে বিচারপতি বলেন, ‘এটা কী হচ্ছে? একটা থানায় এত টাকা, তিনটে থানা এত টাকা…এটা কি ভেটিং প্লেস? পুলিশ ঠিক করে দিচ্ছে! আশ্চর্য…।’ মামলাকারীর তরফে বলা হয়, ‘একটা থানা সাড়ে ৪ হাজার টাকা চাইছে।’ সেই কথা শুনে বিচারপতি বলেন, ‘সরকার ওই অফিসারের নাম দেবে। আমি দিচ্ছি না। রেকর্ডিং থেকে সব দেখা গিয়েছে, শোনাও গিয়েছে।’ বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘পুলিশ রেট ঠিক করে দিচ্ছে কত টাকা দিতে হবে! ভিডিও ফুটেজ দেখে এটা স্পষ্ট, এটা অতি গুরুতর অভিযোগ। এর ফরেন্সিক পরীক্ষা করতে হবে। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এই মামলা সিআইডি-কে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হল। নতুন এফআইআর করে তদন্ত করতে হবে সিআইডি-কে।’ এছাড়া জাল চালান দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। সেই চালানও পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৭ নভেম্বর। সেই শুনানিতেই রেকর্ডিং সম্পর্কে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ফের আধারের বায়োমেট্রিক প্রতারণাচক্রের হদিশ, পুলিশ কী করছে?

    Uttar Dinajpur: ফের আধারের বায়োমেট্রিক প্রতারণাচক্রের হদিশ, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একের পর এক ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে। গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য হাতিয়ে ব্যাঙ্ক  অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। গ্রাহকদের অজান্তেই তাঁদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। দিনের পর দিন এই ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে আবার আন্তঃ রাজ্য আধার ব্যাঙ্ক প্রতারণা চক্রের খোঁজ পেল উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) ইসলামপুর জেলার পুলিশ।

    আন্তঃ রাজ্য আধার ব্যাঙ্ক প্রতারণা চক্রের খোঁজ (Uttar Dinajpur)

    পুলিশ সূত্রে খবর, চা বাগান ঘেরা চোপড়ায় আধার ব্যাঙ্ক প্রতারণার হাব তৈরি করেছে প্রতারকরা। শুধু তাই নয়, প্রতারণা চক্রের পান্ডারা আধুনিক অফিসে বসেই নিমেষে গ্রাহকদের লক্ষ লক্ষ টাকা গায়েব করে দিচ্ছে। কেউ কিছু বোঝার আগেই নিমেশে সর্বস্বান্ত হচ্ছিলেন অনেকে। হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ায় এলাকায় বেশ কয়েকজনের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। শুধু হাওড়া বা উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলা নয় রাজ্যের একাধিক জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। এসব অপরাধের পিছনে এই চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। তদন্তে নেমে আন্তঃ রাজ্য আধার ব্যাঙ্ক প্রতারণা চক্রের খোঁজ পায়। ইতিমধ্যেই ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ইসলামপুর সাইবার ক্রাইম থানা। উদ্ধার করা হয়েছে, প্রচুর ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডেভলপিং কেমিক্যালস, ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার, জমির দলিলের আঙুলের ছাপের কাগজ,আধারের কপি। গ্রেফতার ৩ ব্যক্তিকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হয়। এরপর শনিবার আরও একটি আধার ব্যাঙ্ক প্রতারণা চক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। উদ্ধার হয় আরও প্রয়োজনীয় গেজেটস, কেমিক্যালস,কম্পিউটার, দলিলের কপি। পুলিশ ওই চক্রের পান্ডাদের ধরতে পারেনি পুলিশ।

    জেলা পুলিশের আধিকারিক কী বললেন?

    রবিবার এই বিষয়ে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) ইসলামপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিক চন্দ্র মণ্ডল বলেন, প্ৰথম দিনের প্রতারণা চক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল চোপড়া থানার নারায়ণপুর এলাকায়। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয় ৩ জনকে। দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয় চোপড়া থানার চুটিয়াখোড় গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। কিন্তু, কাউতকে গ্রেফতার করা যায়নি। সমস্ত বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: দিনেরবেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়তো!

    Uttar Dinajpur: দিনেরবেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়তো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনেদুপুরে শুটআউট। এবারে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। নিহত তৃণমূলের প্রধানের নাম মহম্মদ রাহির। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার ইসলামপুরের  পাঞ্জীপাড়া এলাকায়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে খুন কিনা তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Uttar Dinajpur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) পাঞ্জীপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান মহম্মদ রাহিরকে দলীয় এক সদস্যকে নিয়ে বাইকে করে বাড়ি যাচ্ছিলেন। পঞ্চায়েত দফতরের সামনে তাঁকে লক্ষ্য করে দুদফায় এলোপাথাড়়ি গুলি করে কয়েকজন দুষ্কৃতী। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে পাঞ্জীপাড়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর পেটে এবং হাতে গুলি লাগে বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। তাঁর শারীরিক  অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, তৃণমূলের ওই প্রধান বাইকে করে যাচ্ছিলেন। পঞ্চায়েত অফিসের সামনে দুটি বাইকে কয়েকজন দুষ্কৃতী আসে। এরপর তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। পঞ্চায়েত অফিস থেকে তিনি ছুটে পালানোর চেষ্টা করেন। পিছনে ধাওয়া করে তাঁকে ফের গুলি চালানো হয়। এরপর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেই দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যান। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটালো তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পাঞ্জীপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ। স্থানীয় তৃণমূল নেতা শান্তি রঞ্জন মৃধা বলেন, এই ধরনের ঘটনা আমাদের এই এলাকায় এর আগে হয়নি। পঞ্চায়েত প্রধান অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর মতো মানুষকে এভাবে হামলার করার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    কী বললেন জেলা নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা (Uttar Dinajpur) সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবেই দলীয় প্রধানের উপর হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর সঙ্গে দলের এক পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। একনও হামলার কারণ স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন জেলাশাসক?

    জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। ঘটনার পর পুলিশ বিষয়টি দেখছে। এখনও কী কারণে এই ঘটনা ঘটল তা বুঝতে পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ছাত্রকে ‘মানসিক র‍্যাগিং’! অভিযুক্ত দুই অধ্যাপক, তীব্র চাঞ্চল্য রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে

    Uttar Dinajpur: ছাত্রকে ‘মানসিক র‍্যাগিং’! অভিযুক্ত দুই অধ্যাপক, তীব্র চাঞ্চল্য রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে এক ছাত্রকে মানসিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Uttar Dinajpur)। মূল অভিযোগ এক অধ্যাপক ও অধ্যাপিকার বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত গত অগাস্ট মাস থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রের র‍্যাগিংয়ে মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় শিক্ষাবিদ থেকে ছাত্র-ছাত্রী, গবেষক অধ্যাপিকা, রাজনৈতিক নেতা এমনকি রাজ্যপালকেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা গেছে। ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে উত্তরবঙ্গের রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে।

    র‍্যাগিংয়ের কী অভিযোগ ছাত্রের (Uttar Dinajpur)?

    র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ করেন কিষাণ বর্মন নামে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Uttar Dinajpur) তৃতীয় বর্ষের ইংরেজি বিভাগের এক ছাত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক এবং এক অধ্যাপিকার নামে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন তিনি। কিষাণ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ঠিকমত ক্লাস হচ্ছে না। বিশেষ করে সান্ধ্যকালীন সময়ে ক্লাস বেশির ভাগ সময়ে বন্ধ থাকে।” সম্প্রতি এই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন কিষাণ। আর তার পর থেকেই ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. সংযুক্তা চ্যাটার্জি, অধ্যাপক ড. নির্ঝর সরকার এবং একাংশ গবেষক তাঁকে প্রায়ই ক্লাস থেকে বের করে দিতেন। সেই সঙ্গে অকারণেই ক্লাসে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করতেন বলে অভিযোগ। এই মানসিক নির্যাতনের প্রেক্ষিতে কিষাণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন।

    গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি

    র‍্যাগিংয়ের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতর এবং জেলা প্রশাসনের (Uttar Dinajpur) অনুরোধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে । যার চেয়ারম্যান করা হয়েছে কলা বিভাগের ডিন অধ্যাপক প্রশান্ত মাহালাকে। এই বিষয়ে মঙ্গলবার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের বৈঠকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় বলে সূত্রের খবর। এদিকে এই নবগঠিত কমিটি এই ঘটনায় জোর তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্ত শেষে রিপোর্ট পাঠানো হবে জেলা অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতর, জেলা প্রশাসন ও রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের কাছে।

    অভিযুক্ত অধ্যাপকের বক্তব্য

    যদিও ছাত্রের মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত বিভাগীয় প্রধান ড. সংযুক্তা চ্যাটার্জি । তিনি বলেন, “সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। তদন্ত বৈঠকে সবাইকে ডাকা হয়েছিল, সেখানে সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি তদন্ত কমিটিকে সহযোগিতাও করেছি আমি। কার্যত মিথ্যা অভিযোগ করে বিশ্ববিদ্যালয়কে (Uttar Dinajpur) কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।” পাশাপাশি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ হওয়ায় আর বিশেষ কিছু বলতে চাননি।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    অপরদিকে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. দুর্লভ সরকার বলেন, “নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপাচার্য। সেই তদন্ত কমিটি সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। সব পক্ষকে ডেকেই তদন্ত কমিটি বিষয়টি জানার চেষ্টা করছে।” প্রসঙ্গত, আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন (Uttar Dinajpur)।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share