Tag: Uttar Pradesh chief minister

Uttar Pradesh chief minister

  • Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    Yogi Adityanath: “সোঁগালে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ যোগ দিতে পেরে আমি ধন্য”, বললেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বহু বছর পর হরিয়ানার কাইথল জেলার সোঁগাল গ্রামে সাধুসন্ত ও ভক্তদের বিশাল সমাবেশ হয়েছে। এটি এই জায়গার আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    সোঁগাল গ্রামে এক ধর্মসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই পবিত্র স্থানে সমবেত সাধুসন্ত ও ভক্তদের আশীর্বাদ গ্রহণ করতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছি।” তিনি বলেন, “বহু বছর পর সোঁগালে এমন বিশাল সংখ্যক সাধুসন্ত ও ভক্ত উপস্থিত হয়েছেন। এই পবিত্র ভূমি, যা প্রতিটি যুগে নিজের প্রভাব দেখিয়েছে, সেখানে আজ এই পবিত্র ভাণ্ডারা ও ধর্মসভার মাধ্যমে আপনাদের দর্শন পাওয়ার এবং আপনাদের মাধ্যমে সেই মহান ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি।”

    আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

    আদিত্যনাথ সোঁগালের ভূমিকে আধ্যাত্মিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে বলেন, “এই জায়গাটি বহু বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।” তাঁর মতে, সাধুসন্ত ও ভক্তদের এই ধরনের সমাবেশ দেশের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও শক্তিশালী করে এবং মানুষকে ধর্মবিশ্বাস ও সেবার পথে চলতে প্রাণিত করে। তিনি এও বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু ধর্মীয় মূল্যবোধকে শক্তিশালী করে না, বরং বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষকে একত্রিত করে ভক্তদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করে।” তিনি ধর্মসভা ও ভাণ্ডারা আয়োজনের জন্য আয়োজক ও স্থানীয় ভক্তদের প্রশংসা করেন। এই ধর্মসভায় বিপুল সংখ্যক সাধু, আধ্যাত্মিক নেতা ও অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বক্তৃতার পাশাপাশি আয়োজন করা হয়েছিল ভোজের। ভক্তরা একত্রিত হয়ে প্রার্থনা ও আধ্যাত্মিক আলোচনায় অংশ নেন।

    বাজপেয়ীর স্বপ্ন পূরণে কাজ

    মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাধুসন্তদের শ্রদ্ধা জানান এবং ফের তুলে ধরেন ভারতের সমৃদ্ধ আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা। এর আগে শুক্রবার, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও লখনউয়ের সাংসদ রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে লখনউয়ে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন করিডর প্রকল্পের দু’টি ধাপের উদ্বোধন করেন। এটি রাজ্যের রাজধানীতে নগর পরিবহণ উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি আসন্ন আরও দু’টি ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করছে।

     

  • Kanwar Yatra: কানোয়ার যাত্রা-পথে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, নয়া নির্দেশিকা যোগীর

    Kanwar Yatra: কানোয়ার যাত্রা-পথে প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ, নয়া নির্দেশিকা যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৪ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে কানোয়ার যাত্রা (Kanwar Yatra)। প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে সারা দেশের হাজার হাজার ভক্ত কানোয়ার যাত্রায় যান। গত দু’বছর করোনার কারণে এই যাত্রা বন্ধ ছিল। এ বছর পুনরায় শুরু হচ্ছে কানোয়ার-যাত্রা। এই যাত্রা পথে ভক্তদের সবরকম সুবিধা দিতে প্রস্তুত উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকার। কানোয়ার যাত্রার পথে কোথাও প্রকাশ্যে মাংস বিক্রি করা যাবে না। সম্প্রতি এই নির্দেশিকা জারি করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Chief Minister Yogi Adityanath)। ইতিমধ্যে স্থানীয় এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে খবর পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মাংস বিক্রেতাদের কাছ।

    আরও পড়ুন: চতুর্থ সি-ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন ‘আইএনএস বিক্রান্ত’-এর, ছবি প্রকাশ নৌসেনার

     গোবলয়ের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্র মুখ্যসচিব অবনীশ অবস্তি (Additional Chief Secretary-Home- Awanish Awasthi) জানিয়েছেন কানোয়ার যাত্রা শান্তিপূর্ন ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সবরকম পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। ইতিমধ্যে যে পথ ধরে তীর্থযাত্রীরা যাবেন, সেই পথ মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই সব ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কানোয়ার যাত্রীরা যাতে নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণ ভাবে যাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন তার জন্য বদ্ধপরিকর সরকার। বরেলির পুলিশ সুপারিটেন্ডেন্ট (Senior Superintendent of Police, Bareilly) সত্যার্থ অনিরুদ্ধ পঙ্কজ (Satyarth Aniruddha Pankaj)জানিয়েছেন, “আমরা সমস্ত মাংস ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই ক’দিন প্রকাশ্যে ওই পথে কোথাও যেন মাংস বিক্রি না করা হয়। ব্য়বসায়ীরা আমাদের কথাও দিয়েছেন তাঁরা এই নির্দেশ মেনে চলবেন।”

    আরও পড়ুন: গোয়ার পাঁচ কংগ্রেস বিধায়ক গেলেন কোথায়? ভাঙন রুখতে সক্রিয় সোনিয়া

    প্রসঙ্গত,কানোয়ার যাত্রায় প্রতিবছর সমিল হন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী। হরিদ্বার, গোমুখ, গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাজ‌ল নেওয়াই কানোয়ার যাত্রার উদ্দেশ্য। এরপর সেই জল ভগবান শিবের মাথায় ঢালা হয়। আটের দশকে কানোয়ার যাত্রা বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। তার আগে অল্প সংখ্যক মানুষ এবং সন্ন্যাসী এই যাত্রায় যেতেন। কিন্তু আটের দশকের পর থেকে সারা ভারত থেকে শিবভক্তরা গঙ্গা জল সংগ্রহের জন্য প্রতি বছর এই যাত্রা করে থাকেন।  গত দু’বছর অতিমারীর কবলে পড়ে বন্ধ থেকেছে এই যাত্রা। এবার তাই উৎসাহ-উদ্দীপনা আরও বেশি। 

  • Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দির গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya) প্রস্তাবিত রাম মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর (foundation stone) স্থাপন করলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Uttar Pradesh cm) যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। এই উপলক্ষে মঙ্গলবার হয় বিশেষ প্রার্থনাসভা ও পুজোপাঠ। উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত পূজারি এবং সাধু-সন্ন্যাসীরা। অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে এদিন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকে দেওয়া হয় মন্দির চত্বর। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজ দিনটি অতি পবিত্র। এই পবিত্র দিনেই মন্দিরের গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হল।

    ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ ভারতবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) রাম মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

    তার পর থেকে মন্দির নির্মাণের কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। আজ হল গর্ভগৃহের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। তিনি বলেন, মন্দির নির্মাণের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক বছরের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে ভারতবাসীর এই স্বপ্নের মন্দির। দর্শনার্থীদের জন্য মন্দির খুলে দেওয়া হবে আগামী বছরের ডিসেম্বরে।

    আরও পড়ুন : ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, অযোধ্যার এই মন্দিরটি হবে ত্রিতল বিশিষ্ট। পুরোটাই হবে গ্রানাইট পাথর দিয়ে। মন্দির তৈরি করতে লাগবে ১৭ হাজার গ্রানাইট পাথর। প্রতিটি পাথর লম্বায় পাঁচ ফুট, চওড়ায় আড়াই ফুট। রাজস্থানের ভরতপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে পাথর। আট একর জমির ওপর তৈরি হচ্ছে মন্দির। গত রবিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছিলেন, রাম মন্দির নির্মাণের পাশাপাশি কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Viswanath) সহ অন্যান্য মন্দির সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন : ভোজশালার সরস্বতী মন্দির ভেঙেও গড়ে উঠেছিল মসজিদ?

    ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে নিষ্পত্তি হয় রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদ বিবাদের (Ram Janmabhoomi-Babri Masjid dispute)। হিন্দুদের দাবি ছিল, যে জায়গায় বাবরি মসজিদ রয়েছে, সেখানেই জন্মেছিলেন ভগবান রাম। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রাম মন্দিরের পক্ষে সওয়াল করছিলেন হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন।

    শেষমেশ প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের (Ranjan Gogoi) নেতৃত্বে আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ অযোধ্যা মামলার রায় দেয়। বিচারপতি সব পক্ষকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে রায় পড়ে শোনান। তিনটি পক্ষই আদালতে সওয়াল-জবাব করেছে। তাদের প্রত্যেকের সওয়াল-জবাবকেই মান্যতা দিয়ে তার পক্ষে বিপক্ষে মতামত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেই জমিটি রাম লালার বলে রায় দেয় শীর্ষ আদালত।

     

LinkedIn
Share