Tag: Vandalised Shivling

  • PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    PM Modi Mega Rally: ১৪ মার্চ ঐতিহাসিক ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর সভা, রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দেবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আর এই নির্বাচনী লড়াইয়ে জয় নিশ্চিত করতে মরিয়া গেরুয়া শিবির। আগামী ১৪ মার্চ কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সমাবেশের মাধ্যমেই বঙ্গে নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দিতে চাইছে বিজেপি। গত ১৫ বছরের তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ কতটা পিছিয়ে পড়েছে সেই খতিয়ান তুলে ধরবেন মোদি। একদিকে দুর্নীতির পাহাড় এবং অপরদিকে নারী নির্যাতন এই ইস্যুতে চরম আক্রমণ করবে বিজেপি। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্রিগেড সভা (PM Modi Mega Rally) শাসক দল তৃণমূলের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করার এক বড় হাতিয়ার।

    রথযাত্রার মহামিলন (PM Modi Mega Rally)

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর অনুযায়ী, বাংলার পাঁচটি ভিন্ন প্রান্ত থেকে যে পাঁচটি ‘পরিবর্তন রথ’ যাত্রা শুরু হয়েছে। এবার সেগুলির গন্তব্য ব্রিগেড। উত্তরবঙ্গ থেকে জঙ্গলমহল—রাজ্যের প্রতিটি কোণ ছুঁয়ে আসা এই পাঁচটি রথ ১৪ মার্চ সকালেই কলকাতায় এসে পৌঁছাবে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi Mega Rally) উপস্থিতিতে এই পাঁচটি রথ একসঙ্গে ব্রিগেডে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে পরিবর্তনের ডাককে আরও জোরালো করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক

    রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, ব্রিগেডের এই জনসভাটি হবে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। এর আগে গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) একাধিক জনসভা করেছিলেন, তবে বিধানসভা ভোটের আগে এই ব্রিগেড সমাবেশকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। মনে করা হচ্ছে, এই সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নেবেন এবং ‘আসল পরিবর্তন’-এর ডাক দেবেন।

    পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত

    বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার এই পাঁচটি রথ রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ এবং আশীর্বাদ সংগ্রহ করেছে। ব্রিগেডের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Mega Rally) যখন ভাষণ দেবেন, তখন এই পাঁচটি রথ হবে জনসমর্থনের প্রতীকী প্রতিফলন। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। ব্রিগেড সমাবেশের মূল লক্ষ্য হল, রাজ্যের প্রতিটি জেলা থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ব্রিগেডে নিয়ে আসা। বিশেষ করে গ্রামবাংলার ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে বুথ স্তর পর্যন্ত কর্মীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতাদের মতে, ব্রিগেডের জনসমাগমই প্রমাণ করে দেবে যে বাংলার মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত।

    প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই মুখ

    রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যখন তাদের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে চাইছে, তখন পাল্টা বিজেপিও প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উন্নয়নের খতিয়ানকে হাতিয়ার করছে। ১৪ মার্চের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মতো ইস্যুগুলোতে রাজ্য সরকারকে নিশানা করতে পারেন।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্রিগেডের এই জনসভা শুধুমাত্র একটি নির্বাচনী সভা নয়, বরং এটি বিজেপির শক্তিবৃদ্ধির এক বড় প্রদর্শন হতে চলেছে। মার্চ মাসের এই সময়টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে, যাতে ভোট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যজুড়ে একটি জোরালো হাওয়া তৈরি করা যায়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi Mega Rally) এই সফরের পর বিজেপির অন্যান্য কেন্দ্রীয় হেভিওয়েট নেতারাও দফায় দফায় রাজ্যে প্রচারে আসবেন বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে, ১৪ মার্চের ব্রিগেড সমাবেশকে কেন্দ্র করে এখন থেকেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক আঙ্গিনা।

    পোস্টার ফ্লেক্সে প্রচার তুঙ্গে

    মোদির (PM Modi Mega Rally) সমাবেশকে ঘিরে আগামী ১৪ মার্চের এই মেগা র‍্যালি সফল করতে কোমড় বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। প্রতিটি জেলা থেকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাসে করেও কয়েক লক্ষ কর্মীকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মোদির এই ব্রিগেড সভাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পোস্টার ও ফ্লেক্সের দাপট।

    ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির

    ইতিমধ্যে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় (PM Modi Mega Rally) অংশ গ্রহণ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় হেভিওয়েট নেতারা। যেমন- কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্করসিং ধামী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, বিপব দেব, ভুপেন্দ্র সিং, অর্জুন মুন্ডা সহ আরও অনেকে। ২০২১ সালের কথা মাথায় রেখে ২৬ সালের রণনীতি স্থির হবে। সংগঠন এবার যথেষ্ট শক্তিশালী। টিকিট বিতরণের ক্ষেত্র নেওয়া হবে একাধিক পদক্ষেপ। প্রত্যেক জেলায় প্রতিটি আসনের তরফে তিন জন করে নাম প্রস্তাব করা হবে। এরপর নির্বাচন বিষয়ক কমিটির ভিত্তিতে দেওয়া হবে। জেলা স্তরের রিপোর্ট এবং কেন্দ্রীয় স্তরের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হবে প্রার্থী তালিকা। ইতিমধ্যে সল্টলেকের অফিসে শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, বিপ্লব দেব এবং ভুপেন্দ্র সিং যাদব ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন।

  • Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    Rajasthan: রাজস্থানের ঐতিহাসিক আলওয়ার মন্দির ভাঙচুর! শিবলিঙ্গ ধ্বংস, নন্দী ও গণেশ মূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের (Rajasthan) আলওয়ারে একটি শ্মশানের কাছে অবস্থিত একটি প্রাচীন মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। সমাজবিরোধীরা মন্দিরের শিবলিঙ্গ ধ্বংস করেছে এবং বেশ কিছু দেব-দেবীর মূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত (Vandalised Shivling) করেছে। এছাড়া মন্দিরের কাছে একটি মৃত বাছুর ফেলে রাখায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এলাকার মানুষের দাবি হিন্দু সমাজের উপর এই আঘাত চরম আঘাত। হিন্দু সমাজকে ভিতর থেকে দুর্বল করতেই এই অপকর্ম করা হয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Rajasthan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আলওয়ারের (Rajasthan) এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি কয়েক দিন আগে শুরু হয়। প্রথমে নন্দী মূর্তির ঘাড় ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এর কিছুদিন পরেই ভগবান গণেশের মূর্তির শুঁড় ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা ভেবেছিলেন হয়ত বানরের উপদ্রবে এমনটা হয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি গুরুতর রূপ নেয় যখন শিবলিঙ্গটি সম্পূর্ণ চূর্ণ-বিচূর্ণ (Vandalised Shivling) অবস্থায় পাওয়া যায়। শিবলিঙ্গের পাশে একটি ভাঙা পাথরও পাওয়া গেছে, যা থেকে স্পষ্ট যে এটি কোনও দুর্ঘটনা নয় বরং ইচ্ছাকৃত হামলা। আর এই হামলার পিছনে রয়েছে ধর্মীয় বিদ্বেষ। শুধু ভাঙচুরের ঘটনাতেই সব কিছু থেমে ছিল না। মন্দিরের পাশেই একটি মৃত বাছুর পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পায়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

    পুলিশি পদক্ষেপ

    উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। ইতিমধ্যে পুলিশ আশ্বস্ত করেছে যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং কোনো অপরাধীকে রেহাই দেওয়া হবে না। শিবলিঙ্গের (Rajasthan) পাশ থেকে উদ্ধার করা পাথরসহ অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে।

    হিন্দু সংগঠনের তোপ

    এই ন্যক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় (Rajasthan) হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের কাছে মন্দিরের নিরাপত্তা বৃদ্ধি (Vandalised Shivling) এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। জনগণের চাপে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

LinkedIn
Share