Tag: Varanasi Cricket Stadium

Varanasi Cricket Stadium

  • Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    Varanasi Cricket Stadium: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন! ভগবান শিবের অনুপ্রেরণায় তৈরি হচ্ছে বারাণসীর অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও পবিত্র শহর বারাণসীতে তৈরি হচ্ছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যার নকশার মূল অনুপ্রেরণা ভগবান শিব ও কাশীর আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে নির্মীয়মাণ এই স্টেডিয়াম শুধু ক্রিকেটের জন্যই নয়, স্থাপত্যশৈলী ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের কারণেও দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় ক্রীড়া পরিকাঠামো হয়ে উঠতে চলেছে। প্রস্তাবিত স্টেডিয়ামের নকশায় আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামোর সঙ্গে কাশীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অনন্য মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে ভগবান শিবের প্রতীকী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যা একে দেশের অন্যান্য ক্রিকেট স্টেডিয়াম থেকে আলাদা পরিচিতি দেবে।

    শিব-প্রেরণায় অনন্য স্থাপত্য

    আরও এক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে অত্যাধুনিক এই স্টেডিয়ামটি তৈরি হবে বেলপাতার আদলে। বারাণসী, যা কাশী বা মহাদেবের শহর নামেও পরিচিত, সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখেই স্টেডিয়ামের নকশা তৈরি করা হয়েছে। আধুনিক স্থাপত্যের পাশাপাশি শিবের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতীককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে স্টেডিয়ামটি কেবল একটি ক্রীড়া ভেন্যু নয়, বরং কাশীর সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ডমরু আকৃতির মিডিয়া সেন্টার

    স্টেডিয়ামের অন্যতম আকর্ষণ হবে ডমরু-আকৃতির মিডিয়া সেন্টার। ভগবান শিবের অন্যতম প্রতীক ডমরুর আদলে তৈরি এই ভবন সাংবাদিক, সম্প্রচার সংস্থা এবং অন্যান্য গণমাধ্যমের কার্যক্রম পরিচালনার কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে এটি স্টেডিয়ামের স্থাপত্যে একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করবে।

    ত্রিশূলের আদলে ৬৫ মিটার উঁচু ফ্লাডলাইট

    স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট টাওয়ারগুলিও বিশেষভাবে নজর কাড়বে। প্রায় ৬৫ মিটার উঁচু এই টাওয়ারগুলি ত্রিশূলের আদলে নির্মাণ করা হচ্ছে। রাতের ম্যাচে আলোকিত অবস্থায় এই টাওয়ারগুলি স্টেডিয়ামের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং কাশীর আধ্যাত্মিক আবহকে ফুটিয়ে তুলবে।

    গঙ্গার ঘাটের অনুপ্রেরণায় ৩২ হাজার আসন

    প্রায় ৩২ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামের গ্যালারির নকশা গঙ্গার বিখ্যাত ঘাটগুলির আদলে তৈরি করা হচ্ছে। এতে দর্শকরা ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগের পাশাপাশি কাশীর ঐতিহ্যবাহী পরিবেশের অনুভূতিও পাবেন। সব মিলিয়ে এই স্টেডিয়াম তৈরিতে খরচ ৪৫১ কোটি টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ করতে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের খরচ হয়েছে ১২১ কোটি টাকা। স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বরাদ্দ করেছে ৩৩০ কোটি টাকা।

    বর্ষাতেও দ্রুত ম্যাচের জন্য প্রস্তুত

    আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এই স্টেডিয়ামের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বৃষ্টির পর মাত্র প্রায় ৩০ মিনিটের মধ্যেই মাঠকে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত করা সম্ভব হবে। বর্ষাকালে ক্রিকেট আয়োজনের ক্ষেত্রে এটি বড় সুবিধা দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য ১৪টি পিচ রাখা হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির পর মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে মাঠ খেলার জন্য প্রস্তুত করার মতো আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে।

    পর্যটন ও অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব

    আন্তর্জাতিক মানের এই স্টেডিয়াম চালু হলে বারাণসীতে দেশ-বিদেশের ক্রিকেটপ্রেমী, পর্যটক, সম্প্রচার সংস্থা এবং ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনাগোনা বাড়বে। এর ফলে স্থানীয় পর্যটন, হোটেল, পরিবহণ ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কানপুর এবং লখনউয়ের পর এই স্টেডিয়াম হবে উত্তরপ্রদেশের তৃতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। উপর থেকে ওই স্টেডিয়াম দেখতে লাগবে অর্ধচন্দ্রের মতো। যেমন মহাদেবের জটায় থাকে অর্ধচন্দ্র।

    ঐতিহ্য ও আধুনিকতার নতুন প্রতীক

    গঙ্গার ঘাট, প্রাচীন মন্দির ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বজোড়া পরিচিত বারাণসীতে এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম আধুনিক ভারতের নতুন প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। শিব-অনুপ্রাণিত স্থাপত্য, বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিকাঠামো এবং কাশীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সমন্বয়ে এটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম দর্শনীয় ক্রীড়া স্থাপনা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামটি উত্তরপ্রদেশকে ক্রীড়ার পাওয়ার হাউস বানানোর একটি নিদর্শন হতে চলেছে।

    কাজ প্রায় শেষের পথে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজের শহর আমেদাবাদে তাঁরই নামাঙ্কিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম রয়েছে। এবার তাঁর নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র বারাণসীতে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট স্টেডিয়াম হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, ক্রিকেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতের সংযোগ স্থাপন হচ্ছে। অনেক দেশ নতুন করে ক্রিকেট খেলা শুরু করছে। এই স্টেডিয়াম হচ্ছে মহাদেবের শহরে। মহাদেবকেই এই স্টেডিয়াম উৎসর্গ করা হচ্ছে। কাশীতে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হলে এখানকার ক্রীড়াবিদদের উপকার হবে। বারাণসীর (বেনারস) গঞ্জারিতে নির্মাণাধীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। এই প্রজেক্টের ডিরেক্টর সরোজ শুক্লা জানান, ট্রায়াল বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে এটি ২০২৬ সালের শেষের দিকে চালু হতে পারে। শীতের সময়ে ডিসেম্বরে এখানে একটি পরীক্ষামূলক ম্যাচ খেলার কথা চলছে। ২০২৭ সালে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। আইসিসি তথা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সব নিয়ম মেনেই এই অভিনব স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে।

     

     

     

     

     

  • Varanasi Cricket Stadium: সচিনের হাত থেকে বিশেষ উপহার! ক্রিকেট স্টেডিয়াম মহাদেবকে উৎসর্গ মোদির

    Varanasi Cricket Stadium: সচিনের হাত থেকে বিশেষ উপহার! ক্রিকেট স্টেডিয়াম মহাদেবকে উৎসর্গ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটের মুকুটে আর একটি পালক। বারাণসীতে নতুন আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই স্টেডিয়াম শিলান্যাসে উপস্থিত ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর, কপিল দেব, রবি শাস্ত্রী, রজার বিনির মতো প্রাক্তন তারকারা। এছাড়াও ছিলেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মহাদেবের শহরে এই স্টেডিয়ামটি ভগবান শিবকেই উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির হাতে টিম ইন্ডিয়ার নতুন জার্সি তুলে দিলেন ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকর।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এই স্টেডিয়ামের হাত ধরে উত্তরপ্রদেশ পেল তৃতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। কানপুর, লখনউয়ের পর বারাণসীতে তৈরি হচ্ছে এই স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়ামটির নাম করা হবে কাশী স্টেডিয়াম। বারাণসীতে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শিলান্যাস হলো তা পূর্বাঞ্চলের যুব সম্প্রদায়ের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ হবে বলেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “ক্রিকেটে সারা বিশ্বের সঙ্গে ভারতের যোগ রয়েছে। নতুন দেশও ক্রিকেটে আসছে। মহাদেবের শহরে স্টেডিয়ামটিও তাঁকেই উৎসর্গ করা হলো। কাশীতে এই স্টেডিয়ামটি হওয়ায় ক্রীড়াবিদরাও উপকৃত হবেন। পূর্বাঞ্চলের উজ্জ্বল নক্ষত্র হবে স্টেডিয়ামটি।” খেলাধুলো সম্পর্কে ধারণা বদলানোর ফলেই বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সাফল্য আসছে বলেও দাবি মোদির। ক্রীড়াবিদদের যেভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে তার সুফল মিলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। 

    এদিন স্টেডিয়ামের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অগণিত মহিলা। প্রধানমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করানোর বিষয়টিও। এদিন এই স্টেডিয়াম শিলান্যাসের পাশাপাশি ১৬টি অটল রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের উদ্বোধনও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আরও একবার বারাণসীতে আসার সুযোগ পেলাম। কাশীতে এসে যে আনন্দ অনুভব করি, তা কোনও কিছুর সঙ্গে তুলনীয় নয়। চাঁদে শিবশক্তি পয়েন্ট রয়েছে। কাশীতেও।”  এদিন সে কথা মনে করিয়ে চন্দ্রযান মিশনের সাফল্যের জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীকে জার্সি উপহার

    স্টেডিয়ামের শিলান্যাসে উপস্থিত যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেনারসের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের শিলান্য়াস করলেন। উত্তরপ্রদেশে বিসিসিআই-এর প্রথম ক্রিকেট স্টেডিয়াম এটি। আমি রাজ্যের সকলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চাই।’

    এদিন সচিন তেন্ডুলকর নরেন্দ্র মোদির হাতে টিম ইন্ডিয়ার জার্সি তুলে দেন। সদ্য প্রকাশিত বিশ্বকাপের জন্য নতুন ওডিআই জার্সি তুলে দেওয়া হয়। জার্সির পিছনে লেখা ছিল নমো ও জার্সির নম্বর ১ ।

LinkedIn
Share