Tag: Varanasi

Varanasi

  • Varanasi Blasts: ১৮ বছর পর বারাণসী বিস্ফোরণকাণ্ডে ফাঁসির সাজা ওয়ালিউল্লাহ খানকে

    Varanasi Blasts: ১৮ বছর পর বারাণসী বিস্ফোরণকাণ্ডে ফাঁসির সাজা ওয়ালিউল্লাহ খানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসী বিস্ফোরণকাণ্ডে (varanasi blasts case) দোষী সাব্যস্ত ওয়ালিউল্লাহ খানকে মৃত্যুদণ্ড দিল গাজিয়াবাদ আদালত। 

    ২০০৬ সালের ৭ মার্চ বারাণসীতে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ (blasts) মৃত্যু হয়েছিল ২৮ জনের। জখম হন শ’খানেক মানুষ। বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বারাণসীর সংকটমোচন মন্দির (Sankatmochan Temple) এবং ক্যান্টনমেন্ট রেল স্টেশন এলাকায়। তদন্তে নামে পুলিশ। দশাশ্বমেধ ঘাট (Dashashwamedh Ghat) থেকে উদ্ধার হয় প্রেসারকুকার বোমা (Pressure Cooker Bomb)। বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০০৬ সালের ৫ এপ্রিল প্রয়াগরাজ (Prayagraj) জেলা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে ওয়ালিউল্লাহ খানকে। শুরু হয় মামলা।

    হাইকোর্টের নির্দেশে মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হয় গাজিয়াবাদ (Ghaziabad) আদালতে। বিচার চলে প্রায় ১৬ বছর। শেষমেশ গাজিয়াবাদ সেশন কোর্টের বিচারক জিতেন্দ্র কুমার সিনহা দোষী সাব্যস্ত করেন ওয়ালিউল্লাহকে। খুন, খুনের ষড়যন্ত্র, বিস্ফোরণ সহ একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের হয় তার বিরুদ্ধে। ওয়ালিউল্লাহর পক্ষে সওয়াল করতে রাজি হননি কোনও আইনজীবীই। তার পরেই এলাহাবাদ হাইকোর্ট মামলাটি পাঠিয়ে দেয় গাজিয়াবাদ সেশন কোর্টে। সেই আদালতই প্রথমে ওয়ালিউল্লাহকে দোষী সাব্যস্ত করে। পরে দেওয়া হয় সাজা।

    আরও পড়ুন : দাবানলের আঁচে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ, কাঁপল কাশ্মীরের পুঞ্চ

    বিস্ফোরণের দিনটি ছিল মঙ্গলবার। ভগবান সংকটমোচনের দিন। প্রতি মঙ্গলবার ওই মন্দিরে ব্যাপক ভিড় হয়। সেই কারণেই দোষী ব্যক্তিরা বিস্ফোরণের জন্য মঙ্গলবারটিকেই বেছে নিয়েছিল। জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশের বাগপতের তান্ডা গ্রামে এই হামলার ছক কষা হয়েছিল। ঘটনার মূল চক্রী মহম্মদ জুবায়ের স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াত। এই জুবায়ের, ওয়ালিউল্লাহ এবং এলাহাবাদের ফুলপুরের এক ধর্মগুরু দেওবন্দে ( Deoband) সহপাঠী ছিল। তারা একে অপরকে চিনত।

    বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে জুবায়ের ও ওয়ালিউল্লাহ দুজনেই হরকাত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি, সংক্ষেপে হুজির (HuJi) সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরাই বারাণসীতে বিস্ফোরণের পরিকল্পনা করেছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে তিন বোমা তৈরিতে দক্ষ জঙ্গিকে এদেশে  নিয়ে এসেছিল।

    ওয়ালিউল্লাহ তাদের প্রসার কুকার কিনতে ও বারাণসীর তিনটি বিস্ফোরণ ঘটানোর জায়গা খুঁজতে সাহায্য করেছিল। বাংলাদেশি তিন জঙ্গি মুস্তাকিন, বশির এবং জাকারিয়া জুবায়ের সঙ্গে মার্চ মাসে ফুলপুরে এসেছিল। সেখানেই জুবায়ের তাদের সঙ্গে ওয়ালিউল্লাহর পরিচয় করিয়ে দেয়। ঘটনার মাসখানের পরেই ওয়ালিউল্লাহ গ্রেফতার হয়। বাগপত ছেড়ে পালায় জুবায়ের। তিন বাংলাদেশি জঙ্গি ফিরে যায় বাংলাদেশে। ১০ মে পুলিশ ও সেনার যৌথ অভিযানে কাশ্মীরে খতম হয় জুবায়ের।

    আরও পড়ুন :হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

     

  • Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    Gyanvapi Case Update: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Viswanath Temple) –জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মামলায় রায় ঘোষণার আগে নিম্ন আদালতের অবস্থান জানতে চায় দেশের শীর্ষ আদালত। তাই জ্ঞানবাপী মামলায় আপাতত শুনানি স্থগিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এদিন এই মামলার শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়, এই মামলায় বারাণসী জেলা আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তাই চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট।

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন মসজিদের ওজুখানার জলাধারে থাকা ‘শিবলিঙ্গে’ পুজোর দাবিতে করা একটি আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে ওজুখানার জলাধারে থাকা শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদনও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    প্রসঙ্গত, এদিন জ্ঞানবাপীর অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটির দায়ের করা একটি মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই মামলায় বারাণসী দায়রা আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে চালানো ভিডিও সার্ভের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এদিকে, এদিনই বারাণসী জেলা আদালতে জ্ঞানবাপী মামলায় হিন্দু পক্ষের দায়ের করা মামলার বিরুদ্ধে মসজিদ কমিটির আবেদনের শুনানি হয়েছে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    ২০২১ সালের আগস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর মা শৃঙ্গার গৌরী ও মসজিদের ভিতরের পশ্চিম পাশের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলে দাবি করেন। সেখানে পুজোর অনুমতি চেয়ে তাঁরা দ্বারস্থ হন বারাণসী আদালতে। সেই মামলায় দিন কয়েক আগে বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকর নিযুক্ত কমিটির নির্দেশে মসজিদের ভিতরে শুরু হয়েছিল ভিডিও সার্ভে। তারই একটি ফুটেজ প্রকাশ্যে চলে আসে বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। তাতে দেখা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গের মতো কিছু একটা রয়েছে। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এটি শিবলিঙ্গই। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, এটি পুরানো ফোয়ারা। গত ২০ মে মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে। পরে নিম্ন আদালত থেকে মামলাটি বারাণসী জেলা আদালতে পাঠিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

     

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মামলায় ভিডিও সমীক্ষার (Videography survey) নির্দেশ দেওয়ায় বিচারককে হুমকি। রীতিমতো চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাঁকে। চিঠির শেষে নাম রয়েছে ইসলামিক অঘজ মুভমেন্ট (Islamic aghaz movement) নামের এক সংগঠনের। ঘটনার জেরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকরের (ravi kumar diwakar)।

    বারাণসীর (Varanasi) জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে। অন্তত হিন্দুত্ববাদীদের (Hindutva) দাবি এমনই। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল আমলে একাধিক মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছিল মসজিদ। হিন্দুদের একটি সংগঠন আবার দেশজুড়ে ১৮০০ ‘অবৈধ’ মসজিদের তালিকা তৈরি করেছে। তাদের দাবি, এই সব মসজিদ তৈরি হয়েছিল মন্দির ভেঙে, মুঘল আমলে।

    হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে বেশ কিছু মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরও ভাঙা হয়েছিল ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশে। তার পরেই তৈরি হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। পরবর্তীকালে বিশ্বনাথের মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করেছিলেন রানি অহল্যাবাই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানেই যে এক সময় মন্দির ছিল, তার প্রমাণ নন্দীর মূর্তিও। বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষকে এই মূর্তিটি উপহার দিয়েছিলেন নেপালের রানা। সেই নন্দীর মুখ রয়েছে মসজিদের দিকে। হিন্দুদের দাবি, নন্দীর মুখ থাকে শিবলিঙ্গের দিকে। তাই মন্দির ভেঙেই মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুত্ববাদীদের। এখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো হত বলে দাবি তাঁদের। তাই ফের পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন পাঁচ হিন্দু মহিলা।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি হয়। প্রকাশ্যে চলে আসে একটি ফুটেজ। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই ফুটেজে স্পষ্ট মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ (Shivling)। তার পরেই ওই জলাধার সিল করে দেয় আদালত। পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়ার অধিকার দেওয়া হয় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    চলতি বছরের ২০ মে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে চলে আসে বারাণসী জেলা আদালতে (Varanasi district court)। সেখানেই চলছে মামলার শুনানি। মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকর। তার পরেই তাঁকে দেওয়া হয় হুমকি চিঠি। চিঠি পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে রবিকুমারের নিরাপত্তা।

    বারাণসীর পুলিশ কমিশনার এ সতীশ গণেশ বলেন, বারাণসীতে সিভিল জজ এবং লখনউতে তাঁর মায়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ১৩ মে থেকে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে জেলা জজেরও।

             

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীকাণ্ডে (Gyanvapi mosque case) এবার সুপ্রিম কোর্টের (supreme court) দ্বারস্থ হল জমিয়ত-উলেমা-ই-হিন্দ (jamiat-ulama-i-hind)। তাদের দাবি, ঐতিহাসিক ভুলকে আদালতে ঠিক করা যায় না। ১৯৯১ সালের উপাসনাস্থল আইনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় মসজিদ কমিটির তরফে পার্টি হল জমিয়ত।

    আরও পড়ুন :জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    বারাণসীর বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে বলে হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশে ভাঙা হয়েছে মন্দির। মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুদের একাংশের। তাঁদের দাবি, এই এলাকায় পুজো হত শৃঙ্গার গৌরীর।

    এমতাবস্থায় পাঁচ মহিলা ওই এলাকায় উপাসনা করতে দেওয়ার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। এর পরেই মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ ফাঁস হয়ে যায় বলে দাবি স্থানীয় কয়েকজনের। সেই ফুটেজ থেকে জানা যায়, মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ।

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই শিবলিঙ্গ পুজোর অধিকার দিতে হবে তাঁদের। এর পরেই আদালেতর নির্দেশে সিল করে দেওয়া হয় ওজুখানার জলাধার। যদিও মসজিদে প্রতিদিন পাঁচবার নমাজ পাঠেরও অনুমতি দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    ১৯৯১ সালে উপাসনাস্থল আইন (Places of Worship Act, 1991) আনে নরসিমহা রাওয়ের সরকার। ওই আইন অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার আগে যে ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যেমন ছিল, তেমনই থাকবে। সম্প্রতি, এই আইনের সাংবিধানিরক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন অশ্বিনী উপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। তাঁর দাবি, মুঘল আমলে যেসব মন্দির মসজিদে পরিণত হয়েছিল, তাদের ফের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে।

    এর প্রেক্ষিতেই আইনজীবী ইজাজ মকবুলের মাধ্যমে জমিয়ত জানিয়ে দেয়, ঐতিহাসিক ভুলের সমাধান আদালতে হতে পারে না। এ ব্যাপারে অযোধ্যা মামলার রায়ের উল্লেখ করেছে জমিয়ত। ওই রায়ে বলা হয়েছিল, ইতিহাসে ঘটে যাওয়া বিষয়বস্তু বা ঘটনাবলির সঙ্গে সহমত না হওয়া কোনও ব্যক্তিকে আইনি প্রতিকার দেওয়া বা অতীতে ফিরে যাওয়ার মাধ্যম হতে পারে না আদালত।

     

  • Gyanvapi mosque survey: জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    Gyanvapi mosque survey: জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গের (shivling) অস্তিত্ব মিলেছিল বলে দাবি হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের। এবার মসজিদ (mosque) চত্বরের দেওয়ালে ত্রিশূলের (trishul) মতো কোনও চিহ্ন খোদাই করা দেখা গিয়েছে। আদালতের নির্দেশে জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi mosque) সমীক্ষা করে এক প্রতিনিধি দল। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। সেই ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ চলে এসেছে প্রকাশ্যে। যদিও মাধ্যম ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।

    জ্ঞানবাপী-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির মামলা আদালতের বিচারাধীন। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Mughal emperor Aurangzeb) আমলে তাঁরই নির্দেশে বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয় জ্ঞানবাপী মসজিদ। সম্প্রতি পাঁচ মহিলা আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন জ্ঞানবাপী মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালের কাছে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো করার। এর পরেই আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে হয় ভিডিওগ্রাফি। সেই ভিডিওগ্রাফির ফুটেজই প্রকাশ্যে এসেছে।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদে পাওয়া ‘শিবলিঙ্গ’ বিশ্বেশ্বরের! দাবি কাশীর প্রধান মহন্তর

    চলতি মাসের প্রথম দিকে হিন্দু আবেদনকারীরা দাবি করেছিলেন, মসজিদ চত্বরের ওজুখানার জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, কাঠামোটি আদতে একটি পুরনো ফোয়ারা। হিন্দু আবেদনকারীদের তরফে এক মহিলা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মহিলাদের প্রবেশাধিকার না থাকায় আমাদের মসজিদের ভিতরে যেতে দেওয়া হয়নি। এখন আমরা প্রথমবার ভিডিওটি দেখছি। এটি একটি মন্দির। যদিও মুসলিম পক্ষের আইনজীবী রইস আহমেদের যুক্তি, মসজিদ চত্বরে কোনও দেবতা নেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    তবে সমীক্ষার সময় তৈরি ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ওজুখানার জলাধারের জল কমানোর পর শিবলিঙ্গের আকৃতির মতো কিছু একটি দেখা যাচ্ছে। সেই আকৃতি দেখার পর ভিডিওটি করা হয়। সেটির মাপজোকও করা হয়। কমিশনের রিপোর্টে যা যা বলা হয়েছে, সেসবই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে শিবলিঙ্গের ওপর সিমেন্ট দেখা যাচ্ছে, যা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছে, শিবলিঙ্গের ক্ষতি করার চেষ্টা হয়েছিল। শিবলিঙ্গের মাঝখানে ছিদ্র করার চেষ্টাও হয়েছে।

    হিন্দুত্বাবাদীদের দাবি, তাঁদের আরাধ্য দেবতার ক্ষতি করার চেষ্টা হয়েছে। নন্দীর মূর্তির ঠিক সামনে মসজিদ এলাকায় টিনের শেডের নীচে রয়েছে জলাধার। এখানেই রয়েছে শিবলিঙ্গের আকৃতির মতো কিছু একটা। এখানেই ওজু করতেন নমাজ পড়তে আসা মুসলমানরা। একই সঙ্গে মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালের ছবিও ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে। যার ওপর এমন অনেক কারুকার্য রয়েছে, যা দেখে দাবি করা হচ্ছে যে সেখানে মন্দির ছিল। ত্রিশূল ছাড়াও দেওয়ালে স্বস্তিকের চিহ্ন রয়েছে। এই ভিডিও প্রকাশ না করার জন্য মসজিদ কমিটির তরফে আবেদন জানানো হয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই সংবাদমাধ্যমের হাতে চলে এসেছে ভিডিওটি।

     

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মামলার (gyanvapi case) পরবর্তী শুনানি হবে ৪ জুলাই। বিচারপ্রার্থীরা তাঁদের দাবির স্বপক্ষে ৮০ বছরের পুরনো একটি মামলার রায়কে হাতিয়ার করছেন। ১৯৪২ সালে ওই রায়ে দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বাদী ও বিবাদী— দু’পক্ষই তাদের নিজ নিজ যুক্তি সমর্থনে ওই রায়ের বিভিন্ন অংশকে তুলে ধরছেন।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরের বাইরের দেওয়ালে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। তাঁদের দাবি, ১৯৩৭ সালে সাক্ষীদের বক্তব্য প্রমাণ করে যে বিতর্কিত প্রাঙ্গণে হিন্দু দেবতার মূর্তি পুজো করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    জ্ঞানবাপী মসজিদটি পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। এই কমিটি মহিলাদের দ্বারা দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের যুক্তি, আদালত ঘোষণা করেছে যে মসজিদটি যে জমিতে গড়ে উঠেছে, সেটি ওয়াকফ সম্পত্তি। ‘রাখি সিং বনাম উত্তরপ্রদেশ’ দেওয়ানি মামলায় ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে আদালত বলেছে যে মসজিদের সম্পত্তিটি ওয়াকফ সম্পত্তি নয়।

    মামলাকারীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও মুসলিমপক্ষের দাবি, ওই জায়গায় মসজিদ ছিল অনেক আগে থেকেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    বর্তমান দেওয়ানি মামলায় আবেদনকারীরা ন’টি বিবৃতি তালিকাভুক্ত করেছেন। তারই একটি হল, ১৯৩৭ সালে দায়ের হওয়া “দীন মহম্মদ ও অন্যান্য বনাম সেক্রেটারি অফ স্টেট” মামলা। বর্তমান আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, ১৯৩৭ সালে মামলার সাক্ষীরা প্রমাণ করেছেন যে মা শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দেবতার ছবি এবং প্রতিদিনের পুজোর অনুষ্ঠান হত একই জায়গায়।

    তাঁদের আরও যুক্তি, এই বিবৃতি মুসলিমদের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। কিন্তু, হাইকোর্ট ১৯৪২ সালের রায়ে বলেছিল, যে কিছু সাক্ষী শ্রদ্ধেয় ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু, তাঁদের নির্দিষ্ট অভিপ্রায় ছিল। উপরন্তু, তাঁরা কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি।

    অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, সাক্ষীদের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর এখন নির্ভর করা যায় না। পাশাপাশি, তাদের আরও দাবি ছিল, মসজিদ চত্বরও যে জমিতে রয়েছে সেটিও ওয়াকফ সম্পত্তি। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছিল।

    ১৯৪২ সালের ওই রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিভিল জজ এই মসজিদের ইতিহাস ঘেঁটে দেখেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মসজিদটি একটি হিন্দু মন্দিরের জায়গায় নির্মিত হয়েছিল। যে মন্দির সপ্তদশ শতাব্দীতে ভেঙে দিয়েছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব। তাই মসজিদের উৎপত্তির প্রশ্নে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। 

  • Gyanvapi Mosque Update: জ্ঞানবাপী মামলার রায়দান স্থগিত মঙ্গলবার পর্যন্ত

    Gyanvapi Mosque Update: জ্ঞানবাপী মামলার রায়দান স্থগিত মঙ্গলবার পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এদিনের মতো শুনানি শেষ হল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi viswanath temple)- জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) মামলার। আগামিকাল পর্যন্ত রায়দান মুলতুবি রেখেছে বারাণসী জেলা আদালত (Varanasi district court)। আদালতে মোট ৩টি পিটিশন দাখিল করা হয়েছে, যার ওপর এদিন হয় শুনানি। শুনানি হয় জেলা বিচারক অজয় কুমার বিশ্বেশার এজলাসে। শুনানি চলে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে।

    মুসলিমদের তরফে আবেদন করেছে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। আর হিন্দুদের পক্ষ থেকে আবেদন করেছেন লক্ষ্মীদেবী, রাখি সিং, সীতা সাহু, মঞ্জু ব্যাস এবং রেখা পাঠক।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    সোমবার শুনানির সময় ১৯ জন আইনজীবী এবং ৪ জন আবেদনকারী সহ মোট ২৩ জনকে আদালত কক্ষে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয়েছিল। অশান্তির আশঙ্কায় আদালত চত্বরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। বারাণসী আদালতে উভয় পক্ষের তরফে মোট ৭টি দাবি পেশ করা হয়েছে। হিন্দুদের দাবি পাঁচটি। আর মুসলমানদের তরফে দাবি করা হয়েছে দুটি। হিন্দুদের দাবি, শৃঙ্গার গৌরীতে (Shringar Gauri) নিত্যদিন পুজোর অনুমতি দিতে হবে। ওজুখানার জলাধারে পাওয়া শিবলিঙ্গের (shivling) পুজোর অনুমতি দিতে হবে। বিকল্প ওজুখানার (Wazukhana) ব্যবস্থা করতে হবে। নন্দীর সামনের দেওয়াল ভেঙে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করতে হবে। এবং শিবলিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্ত জরিপ করতে হবে।

    আরও পড়ুন : ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এদিকে, একটি পিটিশন দাখিল করে মুসলিম পক্ষ দাবি করেছে দুটি। তারা ওজুখানা সিল করার বিরোধিতা করেছে। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, জ্ঞানবাপী জরিপ (Gyanvapi survey) ও ১৯৯১ সালের প্রার্থনাস্থল  আইনে (Places of Worship Act, 1991) মামলা নিয়ে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) বারাণসী আদালতকে শুনানির জন্য চার সপ্তাহ সময় দিয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানি শেষ করতে বলেছে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরেই রয়েছে জ্ঞাপবাপী মসজিদ। হিন্দুদের দাবি, মসজিদ তৈরি হয়েছিল মন্দির ভেঙে, ষোড়শ শতকে। পরে বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন রানি অহল্যাবাই। আর মুসলিম পক্ষের দাবি হল, ভারতীয় সংবিধানে উপাসনা স্থান সংক্রান্ত বিশেষ বিধান। এই আইনে বলা হয়েছে, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্টের আগে তৈরি হওয়া উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে। সেই কারণেই জ্ঞানবাপী মসজিদে হস্তক্ষেপে বাধা দিচ্ছে মুসলিম পক্ষ।

     

  • PM Modi: বারাণসীতে মোদির ‘অক্ষয়পাত্র’, এক সঙ্গে ১ লক্ষ পড়ুয়াকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা

    PM Modi: বারাণসীতে মোদির ‘অক্ষয়পাত্র’, এক সঙ্গে ১ লক্ষ পড়ুয়াকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক হাজার স্কুল পড়ুয়ার জন্য করা যাবে রান্না। আজ, বৃহস্পতিবার যোগী রাজ্যের বারাণসীতে এমনই একটি বিশাল মিড-ডে মিল (Mid-Day Meal) কিচেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কিচেনের নাম দেওয়া হয়েছে অক্ষয় পাত্র মিড-ডি মিল কিচেন (Akshay Patra Mid Day Meal Kitchen)। উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) বারাণসীতে তৈরি এই রান্নাঘরে রয়েছে অত্যাধুনিক ও উন্নত মানের রান্নার সরঞ্জাম। এই অতিকায় রান্না ঘরে অন্তত ২৫ হাজার স্কুল পড়ুয়ার মিড-ডি মিল বানানো যাবে।

    এই অক্ষয়পাত্র কিচেনের উদ্বোধন ছাড়াও এদিন ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন মোদি।  অক্ষয়পাত্র কিচেনটি রয়েছে বারাণসীর আরদানি বাজার এলাকায়। বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরির জন্য অত্যানুধিক সব মেশিন রয়েছে এই রান্নাঘরে। চাল-ডাল, সবজির পাশাপাশি চাপাটিও এক সঙ্গে তৈরি করা যাবে বিপুল পরিমাণে। ২৫ হাজার শিশুর রান্না করা তো যাবেই, প্রয়োজনে ১ লক্ষ বাচ্চার খাবারও প্রস্তুত করা যাবে অত্যাধুনিক এই রান্নাঘরে। বারাণসী জেলার ১৪৩টি প্রাথমিক স্কুলের বাচ্চারা উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন  এই রান্নাঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবে। এদিন কয়েকজন বাচ্চার সঙ্গে দেখাও করেন প্রধানমন্ত্রী। রন্ধনকর্মীর পাশাপাশি বিপুল আয়তনের রান্নাঘর পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর খাবার পরিবেশনের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে কর্মীও।

    আরও পড়ুন : ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে ভারত, গান্ধীনগরে জানালেন মোদি

    এই রান্নাঘরের পাশাপাশি এদিন আরও প্রায় ৩১টি প্রকল্পের শিলান্যাস করেন মোদি। বলেন, আমরা উন্নয়নের পথ দেখিয়েছি। কাজ করার সংকল্প ও কঠিন পরিশ্রম করতে পারলে উন্নয়ন করা যায়। দেশজুড়ে যে স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোর উন্নয়ন হয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মোদি। হাসপাতাল তৈরি, ইনস্যুরেন্স সহ নানা সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন দেশবাসী। তিনি বলেন, উন্নয়ন মানে হল দরিদ্র, দলিত, মহিলা এবং পিছড়েবর্গদের ক্ষমতায়ন। তিনি বলেন, বারাণসীতে যে প্রজেক্টগুলো লঞ্চ করা হল, তার সুফল পারেন জেলাবাসী। উন্নত হবে তাঁদের জীবনযাপনের সূচক।

    আরও পড়ুন : শুধু হিন্দু নয়! সব সম্প্রদায়ের নিপীড়িত মানুষের কাছে যান, বললেন মোদি

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মসজিদ আগে মন্দিরই ছিল! বলছে ১৯৩৬ সালের নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন যেখানে জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) রয়েছে, সেখানে এক সময় মন্দির ছিল। ১৯৩৬ সালের একটি হলফনামায় এই তথ্য মিলেছে। জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরেই ছিল হিন্দু উপাসনার স্থান।

    হলফনামা অনুযায়ী, মসজিদের পূর্বদিকে অবস্থিত পিপুল গাছের নীচে আমরা গঙ্গেশ্বরের পুজো করি। এরপর আমরা রাধাকৃষ্ণের মূর্তি পুজো করি। ভিয়াস যে বাড়িতে থাকেন সেই বাড়িতে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে আমরা আবার প্রাঙ্গনে আসি। গৌরীশঙ্কর নামে পরিচিত শিব এবং দশরথের যুগল মূর্তিও পুজো করি।  

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে মিলল পুরনো মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, হিন্দু মোটিফ!

    পিটিশনের একটি অংশে লেখা, এর পরে আমরা গৌরী শঙ্করের মূর্তির কাছে তারকেশ্বর, তার পরে নন্দ কেশবস, তারপর মহাকালেশ্বর চবুতরের ওপর দক্ষিণ-পূর্ব কোণে পিপুল গাছের নীচে, তারপর জ্ঞানবাপী কূপ, তার পর মাদাদি পঞ্চ বিনায়ক নামে পরিচিত গণেশজির পুজো করি। তারপর তৃতীয় পিপুল গাছের নীচে মহেশ্বর, তারপরে মুক্তেশ্বর যা দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে একটি লুকানো জায়গা, তারপরে আমরা শ্রীঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো করি…।

    আরও পড়ুন : মুসলমানরা আগে হিন্দু ছিলেন! আরএসএসের অনুষ্ঠানে দাবি হিমন্ত বিশ্বশর্মার

    সিভিল মামলায় এই এলাকাটি ওয়াকফ (Wakf) সম্পত্তির অংশ হিসেবে দাবি করা হয়। মামলার বাদী পক্ষ জানায়, মন্দিরের জমিতে তৈরি করা কোনও কাঠামোকে মসজিদ হিসেবে গণ্য করা যাবে না। তারা ভারতে মুসলমান শাসনের শুরুর অনেক আগে থেকেই প্রাঙ্গনে দাঁড়িয়ে থাকা মূর্তি ও মন্দিরের উল্লেখ করেছে। ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকারও নোটে উল্লেখ করেছিল, অমুসলিমরাও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ওই জমি ব্যবহার করছে।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    সোমবার বারাণসী জেলা আদালতে (Varanasi district court) শুনানি শেষ হয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi Viswanath temple)-জ্ঞানবাপী মসজিদ  মামলার। আজ, মঙ্গলবার পর্যন্ত রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

    প্রসঙ্গত, কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির চত্বরে রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মসজিদ কমিটির দাবি, দীর্ঘকাল মসজিদটি এই এলাকায়ই রয়েছে। যদিও হিন্দুত্ববাদী একাধিক সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছে। পরে রানি অহল্যাবাই বিশ্বনাথের মন্দির পুনর্নির্মাণ করেন। সম্প্রতি মসজিদ এলাকায় ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ দেয় আদালত। সোহন লাল আর্য নামে এক ব্যক্তির দাবি, ভিডিওগ্রাফি সমীক্ষা (Videography survey) করার সময় মসজিদের ওজুখানার (Wuzukhana) জলাধারে শিবলিঙ্গ (Shivling) মিলেছে। তার পরেই ওজুখানা সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত।

     

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) মিলল ‘শিবলিঙ্গ’ (Shivling)। অন্তত এমনই দাবি হিন্দু আবেদনকারী সোহন লাল আর্যের। তাঁর দাবি, এই মামলায় চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।

    বারাণসীর (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath temple) সংলগ্ন জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে বহুদিন ধরে চলছে বিতর্ক। বিতর্কের অবসানে গড়া হয় কমিটি। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষমেশ বারাণসী কোর্ট আর্কিওলজিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়াকে (ASI) দায়িত্ব দেয়। দিন আগে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি করতে যান আদালত কর্তৃক নিয়োজিত কয়েকজন। মসজিদ কমিটি তাদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। পরে সুপ্রিম কোর্টে মসজিদ সার্ভের কাজ বন্ধ করার দাবি জানান প্রবীণ আইনজীবি হুজেফা আহমদি। কিন্তু অঞ্জুমান ইনতেজামিয়া মসজিদ কমিটির তরফে করা সেই আবেদন খারিজ করে শীর্ষ আদালত।

    হিন্দু সংগঠনের দাবি, এক সময় ওই এলাকায় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির (Shringar Gauri Temple)। সেখানে পুজোর আবেদনও জানিয়েছিলেন পাঁচ মহিলা। বছর খানেক আগে প্রার্থনার জন্য এলাকাটিতে প্রবেশের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, ওই চত্বরে আরও দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এপ্রিল মাসে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয় বারাণসী আদালত। দিন কয়েক ধরে চলছিল ভিডিও সার্ভের  (Videography survey) কাজ।

    মসজিদ কমিটির বাধার জেরে প্রথমে বন্ধ হয়ে গেলেও ফের শুরু হয় ভিডিওগ্রাফি সার্ভের কাজ। এদিন সেখানে শিবলিঙ্গের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি হিন্দুদের আবেদনকারীর।

    আরও পড়ুন : উজ্জ্বয়িনী মসজিদ আদতে ছিল ভোজ আমলের হিন্দু মন্দির? প্রমাণ দেখাল প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

    আর্য বলেন, যে এলাকায় ভিডিও সমীক্ষার কাজ হচ্ছিল, সেখানকার একটি কুয়োয় শিবলিঙ্গ মিলেছে। শিবলিঙ্গটি নন্দীর প্রতীক্ষায় রয়েছে। যে মুহূর্তে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখনই উপস্থিত জনতা হর হর মহাদেব ধ্বনি দিতে থাকে। ঘটনার পরে ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকাটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্বনাথ মন্দিরের গায়েই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, বিশ্বেশ্বরের এই মন্দির বিদেশি হানাদারদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশ কয়েকবার। ১৬৬৯ সালে মূল মন্দির দখল করে জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque) তৈরি করেন মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব। এখনও মসজিদের গায়ে হিন্দু দেবদেবীর প্রতিকৃতি দেখা যায় বলে দাবি হিন্দু সংগঠনের। অষ্টাদশ শতকে হিন্দুদের আবেগকে মান্যতা দিয়ে মসজিদের কাছেই আজকের বিশ্বনাথ মন্দিরটি তৈরি করেন মারাঠা রাজ্য মালওয়ার রানি অহল্যাবাই হোলকর।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

     

LinkedIn
Share