Tag: VC

VC

  • Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত বেশ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর এবার শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লির মাঠেই বসতে চলেছে পৌষমেলা (Poush Mela)। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মত হয়েছেন বলে খবর। মেলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও উদ্যোক্তাদের ভাবাচ্ছে পরিকাঠামোর অভাবের দিকটি। মঙ্গলবার এই বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিকের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক সারে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।

    বৈঠকে কী আলোচনা হল? (Poush Mela)

    ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন পৌষমেলায় (Poush Mela) প্রায় দু’হাজার দোকান বসে। খড়্গপুর আইআইটি সফটওয়ারের মাধ্যমে এতদিন পৌষমেলায় স্টল বণ্টনের বিষয়টি সামাল দিত। কিন্তু, বেশ কয়েক বছর মেলা হয়নি। এরমধ্যে বিশ্বভারতীর সঙ্গে খড়্গপুর আইআইটির চুক্তির মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে, নতুন করে আবার চুক্তি করতে হবে। তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কারণ, হাতে ততটা সময় নেই। এই অবস্থায় কী করে পরিকাঠামোর হাল ফেরানো যায় তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে ক্যাম্পাসে। জলের সমস্যা নিয়েও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কথা হয়েছে। আশপাশের পুকুর, জলাশয় সংস্কার করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। পাশাপাশি,পরিকাঠামোগত কী কী কাজ এখনই করা দরকার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পৌষমেলা হওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করায় খুশি সকলেই।

    পৌষমেলা নিয়ে ট্রাস্টের সম্পাদক কী বললেন?

    ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, এদিন উপাচার্যের সঙ্গে মেলা (Poush Mela) নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে। হাতে সময় খুব কম। সফটওয়ার নিয়ে আজই উপাচার্য খড়্গপুর আইআইটিকে চিঠি লিখবেন। ওটা হয়ে গেলে আমরা দেখব কী কী করা যায়। যা বললেন, যা যা আলোচনা হল তা লিখিতভাবে আমরা দিয়ে দিচ্ছি। লিখিত আকারে তা পাওয়ার পরেই কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে পদক্ষেপ করবে। তারপর যথাযথ জায়গায় তিনি তা নিয়ে আলোচনা করবেন।   মেলা সংগঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা, সাফ জানালেন রাজ্যপাল

    CV Anand Bose: বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা, সাফ জানালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসান রাজভবন-নবান্ন বিতর্কের! উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজভবন যে আর নতুন করে কোনও বিতর্ক চায় না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose) সম্প্রতি সল্টলেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরে তিনি বলেন, “উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নতুন করে আর কোনও বিতর্ক চায় না রাজভবন। এ ব্যাপারে শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মতি জানাবে রাজভবন।”

    চিঠিতে কী বলেছেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যের চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই রাজভবনের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আচার্য তথা রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রধান হিসেবে কোর্ট অথবা সেনেট বৈঠকে পৌরহিত্য করতে পারেন। অথবা উপাচার্যকে ওই বৈঠক ডাকার সম্মতি দিতে পারেন। ওই নির্দেশে এও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিধি ১৯৭৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিরোধী বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ১৯৭৯ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন

    এদিকে, জট কাটিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের যাতে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়, তা নিয়েও আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে খোলা চিঠি দিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি জুটা। শিক্ষা মহলের মতে, ১৯৭৯ সালে আইন প্রসঙ্গে রাজভবন থেকে যা বলা হচ্ছে, তা স্থায়ী উপাচার্যদের ক্ষেত্রে (CV Anand Bose) প্রযোজ্য হলেও, অন্তবর্তী উপাচার্যদের ক্ষেত্রে নয়। তাই উচ্চ শিক্ষা দফতরের নিষেধ অগ্রাহ্য করে বৈঠক ডাকা হলে, বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা।

    আরও পড়ুুন: ললিতের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়কের সেলফি, লোকসভাকাণ্ডে ‘প্রমাণ’ দিলেন সুকান্ত!

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালের অন্তর্বর্তী উপাচার্য কর্মসমতির বৈঠক ডেকে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত পাশ করিয়ে নেয়। ছাত্র স্বার্থ রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। এর পরেই রাজ্যপালের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, বৈঠক ডাকতে পারেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা।

    উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে সম্প্রতি নবান্ন-রাজভবন বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। রাজ্যের তরফে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা কর্মসমিতির বৈঠক পারবেন না। রাজ্যের (CV Anand Bose) তরফে এই নির্দেশ পেয়ে কলকাতা সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্যরা একাধিকবার বৈঠক ডেকেও পরে তা বাতিল করে দেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati University: বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ ফুরোল, বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয় মল্লিক

    Visva Bharati University: বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ ফুরোল, বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয় মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর উপাচার্য পদ থেকে অবসর নিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। নতুন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হলেন সঞ্জয় মল্লিক। বিশ্বভারতীয় উপাচার্য থাকাকালীন তাঁর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক সময়ই তৈরি হয় বিতর্ক। সম্প্রতি ইউনেস্কো বিশ্বভারতীকে হেরিটেজ তকমা দেওয়ার পরে ফলকে তাঁর এবং আচার্য তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম থাকলেও, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম না থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

    বিতর্কের মাঝেই সরলেন  বিদ্যুৎ

    ফলক-বিতর্কের মাঝেই মেয়াদ শেষ হল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর। সম্প্রতি বিশ্বভারতীর পক্ষে উপাসনা গৃহ, ছাতিমতলা এবং রবীন্দ্রভবনের উত্তরায়ণের সামনে শ্বেতপাথরের ফলক বসানো হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’। তার ঠিক নীচে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিদ্যুতের নাম রয়েছে। তাতে কবিগুরুর উল্লেখ নেই। গুরুদেবের নাম না থাকায় বিশ্বভারতীকে বার্তা দিতে দেখা যায় রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকেও। আবার বিবৃতি জারি করে সমালোচনাকারীদের পালটা জবাব দেয় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষও। সেই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, অতীতেও এমন বেশকিছু ফলক বিশ্বভারতীতে বসানো হয়েছে, যেগুলিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম নেই। 

    আরও পড়ুন: এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন ‘প্রেমিক’ জয়ের, কী জানালেন থানায়?

    জল্পনা ছিল হয়ত শেষ মুহূর্তে বিদ্যুতের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির নির্দেশ  আসতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বুধবার বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হন সঞ্জয়কুমার মল্লিক। কলাভবনের অধ্যক্ষ সঞ্জয় বিশ্বভারতীর কর্মসমিতিরও সদস্য। তাই বিদ্যুতের মেয়াদ শেষে বিশ্বভারতী অ্যাক্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে প্রবীণ অধ্যাপক হিসাবে উপাচার্যের ভার নিলেন তিনি। বুধবার বাসভবন ‘পূর্বিতা’ থেকে দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে সরকারি কাগজে সই করেন বিদ্যুৎ। উপাচার্য হয়ে আসা থেকে নানা বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। কর্মজীবনের শেষ দিনেও তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হতে পারে, এই আশঙ্কায় আগেভাগেই মহিলা পুলিশ-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। পাশাপাশি ছিল বিশ্বভারতীর নিরাপত্তারক্ষীরাও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tariq Mansoor: মাস্টার স্ট্রোক বিজেপির! সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে তারিক মনসুর, জানেন কে?

    Tariq Mansoor: মাস্টার স্ট্রোক বিজেপির! সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে তারিক মনসুর, জানেন কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে মুসলিম বিরোধিতার অভিযোগে নানা সময় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এবার তাদের মুখ বন্ধ করতে মাস্টার স্ট্রোক দিল বিজেপি। শনিবার দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে বসানো হল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তারিক মনসুরকে (Tariq Mansoor)। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে তারিককে সংগঠনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে বসিয়ে বিরোধীদের কয়েক কদম পিছনে ফেলে দিল গেরুয়া শিবির। জানা গিয়েছে, তারিক পসমন্দা মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্য। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বসিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বড়া বার্তা দিলেন পদ্ম শিবিরের ভোট ম্যানেজাররা।

    তারিক মনসুর

    সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন এবং জাতীয় নাগরিক পঞ্জি আইন নিয়ে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। সেই বিক্ষোভের আঁচ লেগেছিল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েও। সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন তারিক (Tariq Mansoor)। দক্ষ হাতে সামলেছিলেন পরিস্থিতি। আরএসএসের সঙ্গেও কাজ করেছেন প্রাক্তন উপাচার্য তারিক। আরএসএসের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি মুঘল যুবরাজ দারা-শুকোর হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান নীতিশিক্ষা দিয়েছিলেন পসমন্দ মুসলমানদের। তাই তাঁকেই সর্বভারতীয় সহ সভাপতি পদে বসিয়ে বিজেপি কিস্তি মাত দিল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। 

    নির্ণায়ক শক্তি যখন পসমন্দা মুসলমান

    উত্তর প্রদেশের আলিগড়েরই বাসিন্দা তারিক। এখানকার ১৯ শতাংশ ভোটারই মুসলিম। রাজ্যের ১৫-২০টি আসনে জয়-পরাজয় নির্ণায়ক শক্তি এঁরাই। তাই তারিককে সংগঠনের সর্বোচ্চ পদে বসিয়ে একদিকে যেমন বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে দিল পদ্ম শিবির, তেমনি পসমন্দা মুসলমানদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হল বড় বার্তা। বিজেপি সূত্রে খবর, তারিককেই প্রচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ করতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    শল্য চিকিৎসক তারিক এমবিবিএস পাশ করেছিলেন জেএন মেডিক্যাল কলেজ থেকে। পরে শল্য চিকিৎসায় এমএস করেন। তারও পরে বসেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে। কেবল তারিক নন, তাঁর পরিবারের প্রায় সব সদস্যই হয় চিকিৎসাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন, নয়তো আইনি পেশায়। শিক্ষিত মুসলমানদের মধ্যে তাঁর পরিবারের গ্রহণযোগ্যতাও রয়েছে। উত্তর প্রদেশে পসমন্দা মুসলিমদের একটা বড় অংশই বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সম্প্রদায়ের বাকিদেরও কাছে টানতে শুরু হয়েছে বিজেপির ‘পসমন্দা স্নেহ যাত্রা’।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মমতার নির্দেশে গুন্ডামি করছে তৃণমূল কর্মীরা’’, রাজ্যে এসে বললেন অনুরাগ

    বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধান জামাল সিদ্দিকি বলেন, “তারিক (Tariq Mansoor) একজন জাতীয়তাবাদী মুসলিম। দেশকে সব সময় এগিয়ে রেখেছেন তিনি। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঠিক কোথায় সমস্যা রয়েছে, তা বোঝেন তিনি। দেশের ইতিহাস সম্পর্কেও অবগত। আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটির পড়ুয়াদের সঠিক পথ দেখিয়ে তাঁদের বিভ্রান্ত হতে দেননি। তাঁকে পেয়ে দল আরও উন্নতি করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: শেষ হাসি হাসলেন রাজ্যপাল! অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ বৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ফের একবার মুখ পুড়ল রাজ্যের! এবার অবশ্য নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও মামলায় নয়, রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের মামলায়। বুধবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়েছে, উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা রাজ্যপালের (C V Anand Bose) সিদ্ধান্তই বৈধ। তিনি যে অস্থায়ী উপাচার্যদের নিয়োগ করেছেন, তাঁদের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। উপাচার্যদের বকেয়া বেতনও মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়, সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়, কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়, বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, বাবাসাহেব আম্বেদকর এডুকেশন বিশ্ববিদ্যালয়, ডায়মন্ড হারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দক্ষিণ দিনাজপুর বিশ্ববিদ্যালয় এই মোট ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর পরেই শুরু হয় (Calcutta High Court) রাজভবন-নবান্ন বিরোধ।

    একতরফা নিয়োগের অভিযোগ ব্রাত্যর

    রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এই উপাচার্যদের মানে না শিক্ষা দফতর। কারণ রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই ১১ জন উপাচার্যকে নিয়োগ করা হয়েছে। একতরফা নিয়োগের অভিযোগ তোলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর ঘোষণা, শিক্ষা দফতর এই উপাচার্যদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না। ওই উপাচার্যরা যাতে পদ প্রত্যাহার করেন, সেই মর্মে উচ্চশিক্ষা দফতরের তরফে তাঁদের সসম্মান অনুরোধও জানান ব্রাত্য। তবে তাঁর আবেদনে কান দেননি ১০ জন উপাচার্যই। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে একজন অবশ্য গ্রহণ করেননি নিয়োগপত্র। এর পরেই রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই উপাচার্যরা বেতন পাবেন না।

    আরও পড়ুুন: ১০ দিন ধরে বঙ্গ বিজেপির মেগা প্রচার! উল্টো রথেই পথে শুভেন্দু, সুকান্তরা

    গত ৫ জুন রাজ্যপালের ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা দায়ের করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সনৎকুমার ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যপাল যাঁদের নিয়োগ করেছেন, সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর কোনও পরামর্শ নেওয়া হয়নি। মানা হয়নি আইনও। মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চে। বুধবার এই মামলাটি খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্য যেভাবে এই আবেদনকে সমর্থন করেছিল, সেই বিষয়টিও ঠিক নয় বলে মন্তব্য আদালতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগের অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    Calcutta High Court: উপাচার্য নিয়োগের অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগের জন্য অর্ডিন্যান্স তৈরি করেছে রাজ্য। সেই অর্ডিন্যান্সকে চ্যালেঞ্জ করে বুধবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। মামলা করেছেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। ১২ জুন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।

    সার্চ কমিটি গঠনে বদল

    হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে উপাচার্য নিয়োগের সার্চ কমিটি গঠনে বদল এনেছে রাজ্য সরকার। কমিটিতে ৩ জনের পরিবর্তে সদস্য সংখ্যা করা হয়েছে ৫। ৩ সদস্যের কমিটিতে থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য রাজ্যপাল, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি এবং রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি। নয়া যে কমিটি গঠন করা হবে তাতে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধি, উচ্চ শিক্ষা দফতরের একজন প্রতিনিধি, উচ্চ শিক্ষা সংসদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একজন প্রতিনিধি। সুস্মিতার দাবি, নয়া কমিটিতে রাজ্য সরকারের ৩ প্রতিনিধি থাকবে বলে বলা হয়েছে। যার অর্থ, রাজ্য কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা পাশ হয়ে যাবে অনায়াসেই। রাজ্যপালের মতামত উপেক্ষা করার উপায়ও রয়েছে।

    প্রশ্ন একাধিক

    সুস্মিতার প্রশ্ন, কমিটিতে (Calcutta High Court) নিজেদের ওজন বাড়ানোর জন্যই কি মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিনিধিকে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? কমিটিতে উচ্চ শিক্ষা সংসদের প্রতিনিধিকে রাখার প্রয়োজনই বা কী? প্রশ্ন উঠছে কমিটিতে রাজ্যের ৩ প্রতিনিধি থাকা নিয়েও। এ প্রসঙ্গে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সার্চ কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে ইউজিসির চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধিকে। এর জেরে কমিটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়াচ্ছিল ৪ এ। কোনও নির্বাচন কমিটিতেই জোড় সংখ্যক সদস্য থাকা বাঞ্ছনীয় নয়। সেই কারণেই যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর একজন প্রতিনিধিকে।

    আরও পড়ুুন: “কেন্দ্র ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে, সেই টাকা কোথায় গেল?”

    সম্প্রতি রাজ্যের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের চিঠি পাঠান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এর পরেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী (Calcutta High Court) নিক্ষেপ করেন ট্যুইট-বাণ। তাঁর দাবি, এই পদ্ধতি আইনসম্মত নয়। উচ্চ শিক্ষা দফতরের সঙ্গে এ নিয়ে কোনও আলোচনাই করেননি রাজ্যপাল। নবান্ন-রাজ্যপাল ভবনের এহেন সংঘাতের আবহেই দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    Calcutta High Court: হাইকোর্টে ফের ধাক্কা! উপাচার্য পুনর্নিয়োগের অধিকার নেই রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপাচার্য নিয়োগ মামলায় ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ বা পুনর্নিয়োগের ক্ষমতা নেই রাজ্য সরকারের। মঙ্গলবার এমনই ঘোষণা করল  কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। 

    মঙ্গলবার হইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর উপাচার্যদের পুনর্নিয়োগের কোনও অধিকার নেই রাজ্যের। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় এই নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। হইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এদিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষমতা নেই, পুনর্নিয়োগের তো ক্ষমতা নেই-ই। এর ফলে রাজ্যপালের নিয়োগ করা অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠে পড়ল।

    উপাচার্যদের অপসারণের নির্দেশ

    এদিন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছেন, যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যদের সেক্রেটারির চিঠিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের নিয়োগ বাতিল করা হচ্ছে। যাদের কর্মকাল শেষ হওয়ার পর রাজ্য ফের নিয়োগ করেছিল, তাঁদেরও নিয়োগ বাতিল করা হচ্ছে। তবে যাদের সময়কাল ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিষয়ে আর হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ (Vice Chancellor recruitment) নিয়ে মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টই প্রথম প্রশ্ন তুলেছিল। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল অবৈধ। এবার নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্যের ২৯ জন উপাচার্যকে অপসারণের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার উচ্চ আদালত তার রায়ে জানিয়েছে, আচার্যের অনুমতি ছাড়া উপাচার্যদের পুনরায় নিয়োগ করা যায় না। ফলে যাঁদের মেয়াদ ফুরনোর পর সরকার নতুন করে মেয়াদ বাড়িয়েছিল, তা বাতিল করা হল।

    আরও পড়ুন: মোবাইল-সহ ধরা পড়লেই রেজিস্ট্রেশন বাতিল! কড়া নজরদারিতে শুরু উচ্চ মাধ্যমিক

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (Vice Chancellor) নিয়োগ ও পুনর্নিয়োগ নিয়ে মামলা করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে (Division Bench) মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। অতীতে রাজভবনে জগদীপ ধনখড়ের মেয়াদে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সচিবালয় ও রাজ্যপালের সংঘাত বেঁধেছিল। রাজভবনকে এড়িয়ে উপাচার্য নিয়োগ করতে গিয়েই সমস্যায় পড়ে সরকার। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subiresh Bhattacharya: সিল খুলে সুবীরেশের ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি, কীভাবে এত দ্রুত উত্থান উপাচার্যের?

    Subiresh Bhattacharya: সিল খুলে সুবীরেশের ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি, কীভাবে এত দ্রুত উত্থান উপাচার্যের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (TET Scam) মামলায় এবার সিবিআই (CBI)- এর নজরে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের (North Bengal University) উপাচার্য (VC) সুবীরেশ ভট্টাচার্য (Subiresh Bhattacharya)। এসএসসি-র চেয়্যারম্যান পদে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। বুধবার সুবীরেশ ভট্টাচার্যের উত্তরবঙ্গের বাড়ি এবং দফতরে হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সিল করে দেওয়া হয়েছে তাঁর বাঁশদ্রোণীর ফ্ল্যাট (Bansdroni Flat)। 

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা এসে পৌঁছন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। আর তার পরেই সেদিন বিকেলেই বাঁশদ্রোণীর ফ্ল্যাটের সিল খুলে তল্লশি চালায় সিবিআই। মাঝ রাত অবধি চলে সেই তল্লাশি। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সুবীরেশের বাড়ি থেকেও উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে কোন কোন নথি পাওয়া গিয়েছে সেই বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। 

    ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এসএসসির চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত ছিলেন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেই সুবীরেশ জানিয়েছিলেন, তাঁর আমলে নিয়োগে কোনও দুর্নীতি হয়নি। জানা গিয়েছে গতকালের টানা তল্লাশির মাঝেও সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে জেরা করেছে সিবিআই। উত্তরে উপাচার্য জানিয়েছেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই কাজ করেছেন তিনি। 

    কিন্তু কীভাবে হল সুবীরেশের এই উত্থান? এই গল্প যেকোনও সিনেমার প্লটকেও হার মানাবে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের আদি বাসিন্দাও নন তিনি। তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থার অলিন্দে ঢুকলেন কীভাবে? এখন সেই প্রশ্নই ভাবাচ্ছে সিবিআই আধিকারিকদের। 

    আরও পড়ুন: বিনা টেটে সুকন্যার মাস্টারি কাঠগড়ায় তুলল ব্রাত্যকে!

    বাম আমলেই ত্রিপুরা থেকে বাংলায় এসেছিলেন সুবীরেশ। রাজ্যে আসতেই তিনি হয়ে ওঠেন বাম নেতাদের প্রিয় পাত্র। কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তরের সঙ্গে সঙ্গেই রঙ বদলে ফেলেন অধ্যাপকও। অর্থাৎ লাল ডেরা থেকে সোজা ঘাসফুল চত্বর। অনেকেই বলছেন, প্রশ্নাতীত আনুগত্যই সুবীরেশের সাফল্যের চাবিকাঠি। ক্ষমতায় টিকে থাকতে তিনি যখন যেখানে দায়িত্বে ছিলেন সেখানেই নিয়ম ভেঙে কাছের লোকজনকে নানা সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছে শিক্ষামহলের একাংশই।  

    শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, তৃণমূল বিধায়ক ও পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের হাত ধরেই তৃণমূলে পা রাখেন সুবীরেশ। বাম আমলে ওয়েবকুটার শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন এই মানিক ভট্টাচার্য। অধ্যক্ষ সমিতির দায়িত্বও সামলেছেন দীর্ঘদিন। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর সিপিএম ছেড়ে ঘাসফুলে এসে জোটেন মানিক। তিনি সঙ্গে করে দলে এনেছিলেন আরও দুই অধ্যাপককে। তাঁদের মধ্যে একজন সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সবুজ শিবিরের নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন খুব দ্রুত। আর তারপরেই এই উত্থান। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share